Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কৃষ্ণা কুন্তী এবং কৌন্তেয় – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প1105 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যুধিষ্ঠির – ১

    ১

    কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ তখন শেষ হয়ে গেছে। কুরুবৃদ্ধ পিতামহ ভীষ্মও মারা গেছেন। গঙ্গায় তাঁর ঔর্দ্ধদেহিক তর্পণ সেরে যুধিষ্ঠির কেবলই ভেজা কাপড়ে তীরে উঠে এসেছেন। তাঁর প্রাণ-মন আচ্ছন্ন। কুরুবংশের সবচেয়ে বুড়ো মানুষটি, যিনি ধৃতরাষ্ট্রের বাবারও অগ্র-জন্মা, তিনি কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে সবার শেষে মারা গেলেন। যুধিষ্ঠির সেই মানুষটির কথা ভাবতে ভাবতেই গঙ্গাতীরে উঠছিলেন। কিন্তু আর সহ্য করতে পারলেন না। জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গেলেন গঙ্গার বেলাভূমিতে।

    ভাইরা ছিলেন। কৃষ্ণ ছিলেন। সবাই যুধিষ্ঠিরকে বীজন-সেচন করে সুস্থির করে তুললেন। কুরুক্ষেত্রের বিরাট যুদ্ধে আত্মীয়-স্বজনের অকালমৃত্যু, প্রিয়-প্রিয়তম ব্যক্তিদের তাঁরই কারণে আত্মবলিদান তিনি সহ্য করতে পারছেন না। স্বয়ং ধৃতরাষ্ট্র তাঁকে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন— এই অকারণ প্রাণহানিতে কোনও দায়ই নেই তোমার। আমারই দোষ— কারণ আমি সেই দুর্বুদ্ধি পুত্রের কথা শুনে চলেছি— দুর্যোধনমহং পাপমন্ববর্তং বৃথামতিঃ। আমার ছোটভাই বিদুর আমাকে পই-পই করে বারণ করেছিলেন। আমি শুনিনি। বিদুর বলেছিলেন— দুর্যোধনের দোষেই এই কুরুবংশ, সমূলে বিনষ্ট হবে। কিন্তু আমি শুনিনি। তাকে কারাগারেও বন্দি করিনি। এমনকী বিদুর আমাকে এমনও বুদ্ধি দিয়েছিলেন যে— যুধিষ্ঠিরকে যদি আপনি রাজা নাও করেন, তবে আপনি নিজে মধ্যস্থ হয়ে রাজ্য পালন করুন। আমি তাও শুনিনি। আমি দুর্যোধনের মতেই চলেছি। তার ফল যা হবার হয়েছে। কিন্তু এই সম্পূর্ণ দুর্ঘটনা-পরম্পরার মধ্যে এমন কিছু দেখছি না, যার মধ্যে তোমার কোনও শোকের কারণ থাকতে পারেন—শোচিতব্যং ভবতা পশ্যামীহ জনাধিপ।

    ধৃতরাষ্ট্র বলে গেলেন। যুধিষ্ঠির শুনলেন। কিন্তু তাই বলে তাঁর শোকবেগ কিছু প্রশমিত হল না। হওয়ার কারণও নেই। একেক জনের শোক-হর্ষের কারণ এবং পরিধি একেক রকম। ধৃতরাষ্ট্র সারা জীবন তাঁর দুর্যোধন-দুঃশাসনের গণ্ডির বাইরে চিন্তা করেননি। কীভাবে তাঁর পুত্রেরা রাজা হতে পারে, কীভাবে তারাই শুধু সুখে থাকবে— এই ক্ষুদ্র চিন্তায় যিনি জীবন কাটিয়েছেন, তাঁর পক্ষে শুধু এইটাই বলা সম্ভব— বাবা! শোকের যদি কিছু ঘটে থাকে, তবে আমার কিংবা গান্ধারীরই সেটা ঘটেছে। আমার একশো ছেলে মারা গেছে— শোচিতব্যং ময়া চৈব গান্ধাৰ্য্যা চ মহীপতে— তেমার তো তেমন কিছু হয়নি, বাবা! তুমি কেন শোক করছ?

    কী করে বোঝাবেন যুধিষ্ঠির? কেন সবার দুঃখ ছাপিয়ে তাঁর দুঃখ বড় হয়ে উঠছে? ধৃতরাষ্ট্রের কথা থেকে বোঝা যায়— শত পুত্রের মৃত্যুর পরেও তাঁর যেন এক ধরনের সান্ত্বনা আছে। তিনি যেন বুঝেই ফেলেছেন— ছেলেরা দুষ্টবুদ্ধি ছিল, সেই পাপে তারা গেছে। পাপের প্রতিফল মৃত্যু, আর সেই মৃত্যুর ফলে পিতামাতার শোক— ফলং প্রাপ্য মহদ্‌ দুঃখং নিমগ্নঃ শোক-সাগরে। খুব সোজা সরল হিসাব। কিন্তু যুধিষ্ঠিরের জীবনে তো এই সোজা সরল হিসাব নেই। কেমন করে তিনি মনকে বোঝাবেন? সারা জীবনের যন্ত্রণার জটিলতায় তাঁর মন তাঁকে জিজ্ঞাসা করবে— ভীষ্ম কী পাপ করেছিলেন? তিনি মারা গেলেন কেন? কী করেছিলেন দ্রোণাচার্য? তিনি তো কুরু-পাণ্ডব-বংশের কেউ নন? তিনি বেঘোরে প্রাণ দিলেন কেন? কী করেছিল অভিমন্যু? কোন পাপে সেই সদ্য-যুবকের প্রাণ গেল। এমনকী দুর্যোধনের আর আর ভাইরা, কর্ণ, শল্য— এঁদের জন্যও তার যন্ত্রণা কিছু কম নেই? এ সব কথা কেমন করে বোঝাবেন যুধিষ্ঠির? সেই যেদিন অস্ত্র-পরীক্ষার জন্য দ্রোণাচার্য সবাইকে এক পংক্তিতে দাঁড় করিয়ে যুধিষ্ঠিরকে প্রথম ডেকে বলেছিলেন— বৎস যুধিষ্ঠির! তুমি কী দেখতে পাচ্ছ, সেদিন কী দেখেছিলেন তিনি?

    যুধিষ্ঠির দেখেছিলেন— একটি গাছের ওপর দ্রোণাচার্য একটি খেলনা পক্ষী বসিয়ে রেখেছেন পত্রান্তরালে। যুধিষ্ঠির বুঝেছিলেন পাখিটাকে বাণবিদ্ধ করতে হবে। কিন্তু দ্রোণাচার্য জিজ্ঞাসা করলেন— বৎস যুধিষ্ঠির! তুমি কী দেখতে পাচ্ছ? তুমি কি গাছটাকে দেখতে পাচ্ছ? আচ্ছা, এই যে আমি দাঁড়িয়ে আছি, আমাকে কি দেখতে পাচ্ছ তুমি? আচ্ছা হ্যাঁ, তোমার ভাইরাও তো দাঁড়িয়ে আছে, তুমি কি ওদেরও দেখতে পাচ্ছ?

    কী করে বুঝবেন যুধিষ্ঠির, আচার্য দ্রোণ, যাঁকে তিনি এত শ্রদ্ধা করেন, ভালবাসেন সেই আচার্যের প্রশ্নের মধ্যে কোনও জটিলতা থাকবে? আচার্য কি শিষ্যের মন বোঝেন না? সরল শিশুকে প্রশ্ন করা হল— তোমার কাছে দশটি আম ছিল। তুমি তোমার ভাইকে চারটি আম দিয়ে দিলে? তোমার হাতে কটা রইল? শিশু গুনতে থাকে— এক, দুই, তিন, চার। শিক্ষক প্রথমে নির্বিকার-ভাবে মাঝখান থেকে বললেন— ওরে! এটা যোগ হবে না, বিয়োগ হবে? শিশু বলল— বিয়োগ। মাস্টারমশাই ছাত্রের আত্মবিশ্বাস পরীক্ষা করার জন্য চোখ গরম করে বললেন— অ্যাঁ, এটা বিয়োগ? হতচকিত বালক হঠাৎ সপ্রতিভ হয়ে শিক্ষককে সমর্থন করে— না স্যর! যোগ।

    অঙ্কে ভুল হয়ে গেল। সরল ছাত্র কী করে ভাববে— তাঁর মাস্টারমশাই অঙ্ক পরীক্ষার সঙ্গে আরও একটা পরীক্ষা করছেন। ভাষার জটিলতায় তার মনোবল পরীক্ষা করছেন। সরল শিশু যেমন জটিলতার ভাষা বোঝে না, যুধিষ্ঠিরও তেমনই বোঝেন না— তাঁর আচার্য, তাকে লক্ষ্যভেদের চেয়েও বড় এক পরীক্ষায় নিমজ্জিত করেছেন। বোঝেন না বলেই তাঁর কত সরল উত্তর— হ্যাঁ আচার্য! আমি দেখতে পাচ্ছি— আমার সামনে এই বিশাল বনস্পতি, ডালপালা-পাতায় ভরা বিশাল বনস্পতি। দেখতে পাচ্ছি আপনাকে, কুরু-পাণ্ডবের অস্ত্রগুরু আমার সামনে দাঁড়িয়ে। ভাইদের দেখতে পাচ্ছি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য উদ্যত-শীর্ষ। আর ওই যে শিল্পীর নিপুণ হাতে বানানো পক্ষীটি— সেটাও দেখতে পাচ্ছি— বার বার সব দেখছি, দেখতে পাচ্ছি— ভবন্তঞ্চ তথা ভ্রাতৃন্‌ ভাসঞ্চেতি পুনপুনঃ। যেন সবচেয়ে অকিঞ্চিৎকর ওই পাখিটি।

    অঙ্কে ভুল হয়ে গেল। আচার্য একটুও খুশি হলেন না। বোর্ডে অঙ্ক কষতে এসে প্রথম চরণেই ভুল করলে মাস্টারমশাই যেমন চোখটি ছোট করে দাঁতে দাঁত চেপে বলেন— বেঞ্চে গিয়ে বোস। যথেষ্ট হয়েছে। দ্রোণ সেইভাবে অখুশি হয়ে গালাগালি দিলেন— সরে যাও এখান থেকে। তোমার দ্বারা হবে না— তমুবাচ অপসর্পেতি…নৈতচ্ছক্যং ত্বয়া বেত্ত্বং লক্ষ্যমিতেব কুৎসয়ন্।

    হতবাক যুধিষ্ঠির অঙ্ক মেলাতে না পেরে কেমন করে বেরিয়ে গিয়েছিলেন, কেমন তাঁর মনের অবস্থা হয়েছিল— মহাভারতের কবি সে সব কথা কিছু বলেননি। বলেননি বলেই আরও জানি— যুধিষ্ঠির হতচকিত হলেও তাঁর নিজস্ব অঙ্কের হিসাবে তিনি স্থির। লোকচক্ষে সে হিসাব যত বড় ভুলই হোক— আচার্যের সামনে সব দেখার সেই হিসাবটুকুই তাঁর জীবনের অঙ্ক। তিনি সব দেখতে পান— বিশাল বনস্পতিকে দেখতে পান, আচার্যকে দেখতে পান, ভাইদের দেখতে পান, আর সেই অকিঞ্চিৎকর পাখিটিও দেখতে পান।

    ধৃতরাষ্ট্র সারা জীবন ধরে শুধু পুত্রের রাজত্ব-প্রাপ্তি নিয়ে চিন্তা করেছেন, অতএব পুত্রের মৃত্যুর পর সেটাই তাঁর একমাত্র শোক। কিন্তু যিনি ভীষ্মকে দেখেছেন বিশাল বনস্পতির মতো, যিনি আচার্যকে বরণ করেছিলেন গুরু হিসেবে, যে ভাইদের তিনি চেনেন ভাই হিসেবেই— কুরু-পাণ্ডবদের বিভেদ যাঁর কাছে এক রাজনৈতিক কৃত্রিমতা ছাড়া আর কিছু নয়, এমনকী কুরুক্ষেত্রের বিরাট যুদ্ধে দূর দূর থেকে উড়ে আসা স্বপক্ষীয়— বিপক্ষীয় পদাতিক, ভাড়া করা সৈন্য-পক্ষীগুলিও যাঁর শোকদৃষ্টি এড়ায় না, তাঁর অঙ্ক কোনওদিন মেলে না। আচার্যের সামনে অস্ত্র-পরীক্ষার দিনে সব দেখতে পাওয়ার মধ্যে যে অকৃতকার্যতা ছিল, সেই অকৃতকার্যতা আজ এই কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পরেও কাজ করছে তিনি রাজা হতে পারছেন না। রাজা হতে চাইছেন না। কারণ লক্ষ্যভেদের সময় যেমন অর্ধনিমীলিত একচক্ষুতে একতম শিকার তাঁর চোখে পড়েনি, তেমনই আজও একচক্ষুর একাত্মিকা দৃষ্টিতে তিনি রাজত্বের দিকে তাকিয়ে নেই।

    তিনি সব দেখতে পান, সবার দিকে তাঁর দৃষ্টি আছে বলেই সকলকেই তিনি হারিয়ে বসে আছেন। মনের সঙ্গে তাঁর নিরন্তর যুদ্ধ চলে। কেউ তাঁর সম-দৃষ্টির ব্যবহারে খুশি নয়। ভীম নয়, হয়তো অৰ্জুনও নয়, দ্রৌপদী নয়, নকুল-সহদেব তো নয়ই। এমনকী গর্ভধারিণী জননী পর্যন্ত তাঁর ব্যবহারে ক্ষুব্ধ। সবাইকে তিনি খুশি করতে চান, এমনকী শত্রুপক্ষকেও। অথচ কেউ তাঁর সম-ব্যবহারে খুশি নয়। তাঁকে তাই সব সময় যুদ্ধ করতে হয় নিজের সঙ্গে, অস্ত্রহীন নিরন্তর সংগ্রাম। কথাটা অন্য কেউ বুঝতে না পারুক, চতুর-শিরোমণি কৃষ্ণ ঠিক বুঝেছিলেন। ঠিক সময়ে যেভাবে তিনি ব্যাপারটা ধরে ফেলেছিলেন, তাতে আজকের দিনের মহান মনস্তত্ত্ববিদরাও হার মানবেন।

    রাজসিংহাসনে বসতে অনিচ্ছুক যুধিষ্ঠিরকে কৃষ্ণ বলেছিলেন— মানুষের দুই রকমের অসুখ হয়, দাদা! শরীরের অসুখ আর মনের অসুখ— দ্বিবিধা জায়তে ব্যাধিঃ শারীরো মানসস্তথা। এই দুই ব্যাধি কিন্তু আলাদা থাকতে পারে না। এ ওকে সাহায্য করে, ও একে সাহায্য করে। অর্থাৎ শরীর খারাপ হলে মনও আস্তে আস্তে বিবশ হয়, আবার মন খারাপ হলে শরীরও গোলমাল করতে থাকে। তাই বলছিলাম— এই শরীর আর মনের অসুখ পরস্পর প্রতিপূরকের মতো জড়িয়ে আছে— পরস্পরং তয়ো-র্জন্ম নির্দ্বন্দ্বং নোপপদ্যতে।

    কৃষ্ণ বলতে চাইলেন— যুধিষ্ঠির মনের সঙ্গে নিরন্তর সংগ্রাম করতে করতে শরীরটিও খারাপ করে ফেলেছেন। কিন্তু কেন এমন হবে? যুধিষ্ঠির তো মোটেই সাধারণ মানুষের মতো নন। সাধারণ জনে যখন দুঃখে পড়ে, তখন সুখের কথা স্মরণ করে দিন কাটায়। ধনৈশ্বর্য-প্রতিপত্তিহীন জমিদারপুত্রেরা এ বিষয়ে স্মরণীয়। আর কতক মানুষ আছে যারা সুখের দিনে দুঃখের কথাগুলি স্মরণ করে দিন কাটায়। কৃষ্ণ বললেন— কিন্তু তুমি তো এর কোনওটাই নও দাদা। তুমি দুঃখের দিনে দুঃখ ঘোচানোর কোনও চিন্তা করনি, আর আজ সুখের দিনেও কোনও সুখের কথা চিন্তা করছ না— স ত্বং ন দুঃখী দুঃখস্য ন সুখী সুসুখস্য বা। তা, এমন একটা লোককে আমি কী বা বলব? যার দুঃখবোধের ক্ষমতাই নেই, সুখ-দুঃখে যার সমান দৃষ্টি, তেমন একটা স্বভাব-শান্ত লোককে আমি কী বোঝাতে পারি, দাদা— অথবা তে স্বভাবো’য়ং যেন পার্থাবকৃষ্যসে।

    কৃষ্ণ পাণ্ডব-মহিষী দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন যুধিষ্ঠিরকে। একে একে অন্যায় পাশা-খেলা, বনবাস, অজ্ঞাতবাস, বিরাটনগরে কীচকের আচরণ, অভিমন্যু-বধ— সব একে একে স্মরণ করিয়ে দিলেন যুধিষ্ঠিরকে। কিন্তু তাতে যুধিষ্ঠিরের কোনও বিকার হল না। কৃষ্ণ এবার আসল কথাটা বললেন। বললেন— তুমি ভীষ্ম-দ্রোণের সঙ্গে যে বিরাট যুদ্ধ করে এসেছ, দাদা, আজ সেই রকম একটা যুদ্ধ করতে হবে তোমার মনের সঙ্গে। শুধু তোমার মনের সঙ্গে— মনসৈকেন যোদ্ধব্যং তত্তে যুদ্ধম্‌ উপস্থিতম্।

    বস্তুত দ্রোণ-ভীষ্মের সঙ্গে যুধিষ্ঠিরের অস্ত্র-যুদ্ধের কথা বলছেনও না কৃষ্ণ। কারণ এঁদের সঙ্গে যুধিষ্ঠির কতটুকুই বা যুদ্ধ করেছেন? মনে রাখতে হবে ভীষ্ম-দ্রোণকে বধ করার ব্যাপারেও যুধিষ্ঠিরকে সবচেয়ে বেশি লড়াই করতে হয়েছে তাঁর মনের সঙ্গেই। যে পিতামহের কাছে সারা জীবন তিনি স্নেহ-প্রশ্রয় পেয়েছেন, যে আচার্যের সাধুবাদ সদা-সর্বদা তাঁকে শক্তি, উৎসাহ আর উদ্দীপনা জুগিয়েছে— যুদ্ধ লাগলে সেই পিতামহ এবং আচার্যের প্রাণহানি করার চেষ্টা করতে হবে— এই মানসিক দ্বন্দ্ব থেকে যুধিষ্ঠির কোনওদিন মুক্তি পাননি। যুদ্ধ লাগার আগে এই দু’জনই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তাঁদের নিজেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য যুধিষ্ঠিরকে উদ্‌যুক্ত করেছেন। যুধিষ্ঠিরের মানসিক দ্বন্দ্ব তাতে থেমে যায়নি। তাঁদের মৃত্যুর পর সেটা বরং বেড়েছে।

    এখন আরেক লড়াই। তাঁকে রাজা হতে হবে। কৃষ্ণ বলেছেন— এ লড়াইটা আরও কঠিন, দাদা! এ লড়াই করতে হবে যাদের সমস্ত যুক্তি সাজিয়ে নিজের কাজের মাধ্যমে। লড়াই করতে হবে নিরাকার এক মুক্ত মনের সঙ্গে, যেখানে ধনুক-বাণের কোনও কার্যকারিতা নেই, আত্মীয়-বন্ধুর ভূমিকা নেই কোনও। তোমাকে যুদ্ধ করতে হবে শুধু নিজের সঙ্গে— আত্মনৈকেন যোদ্ধব্যং তত্তে যুদ্ধমুপস্থিতম্‌। সবার শেষে কৃষ্ণ জোর দিয়ে বললেন— এ যুদ্ধ তোমায় জয় করতেই হবে, দাদা! নইলে ঐ অবস্থা হবে তোমার— তস্মিন্ননির্জিতে যুদ্ধে কামবস্থাং গমিষ্যসি?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাল্মীকির রাম ও রামায়ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    Next Article মহাভারতের প্রতিনায়ক – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }