Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কৃষ্ণা কুন্তী এবং কৌন্তেয় – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প1105 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কর্ণ – ২

    ২

    মথুরা থেকে রাজা কুন্তিভোজের রাজ্যটা খুব দূরে নয়। রাজপ্রাসাদের কাছ দিয়েই বয়ে যাচ্ছে অশ্বনদী, যে নদী শেষ পর্যন্ত স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে না পেরে মিলে গিয়েছে চর্মনবতীর সঙ্গে, তারপর দুটিতে একাকার হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, যমুনায়। ঠিক কুন্তীর মতো। কুন্তী কৃষ্ণের বাবা বসুদেবের নিজের বোন। কৃষ্ণের ঠাকুরদাদা শূরের সঙ্গে কুন্তিভোজের খুব বন্ধুত্ব ছিল। সেই জন্য শুরের খুব আদরের মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও—শূরস্য দয়িতা সূতা—শূর কুন্তীকে খুশি মনে প্রতিজ্ঞা করে দত্তক দিয়েছিলেন কুন্তিভোজের কাছে। কাজেই বৃষ্ণিকুলের জাতিকা পৃথা, অশ্বনদীর মতো গিয়ে পড়লেন কুন্তীতভাজের ধারায়—চর্মনবতীর জলে। তারপর দুই বংশধারা একাকার হয়ে কুন্তী গিয়ে পড়লেন ভরত-বংশের বিরাট প্রবাহে, ঠিক যেন চর্মগ্বতীর মতো—যমুনায়।

    আমি যে খুব কায়দা করে কুন্তীর জীবন-ধারার সঙ্গে একে একে তিনটি নদীর উপমা টেনে দিলাম, মহাভারতকার ব্যাস এতে খুশি হননি। তিনি জানতেন—যত তেজস্বিনী হন, স্ত্রী মাত্রেরই বুঝি স্বাতন্ত্র্য থাকে না। এই যে কুন্তী, রাজবংশের মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও কুন্তিভোজের কাছে তাঁকে বালিকা বয়সেই দত্তক দিয়ে দেওয়া হল, তাঁর করার কিছুই ছিল না। আবার মেয়ে হয়ে জন্মানোর দরুন সমাজ-বিধি, লোকলজ্জা এগুলি যেহেতু তাঁকে মেনে চলতেই হবে, অতএব বাপের বাড়ি হোক, চাই শ্বশুরবাড়ি, নদীর মত কূল উপচানোর ক্ষমতা কুন্তীর ছিল না। তাই নদীর সঙ্গে কুন্তীর উপমা দিয়ে মহামতি ব্যাসের কাছে আমি অপরাধ করেছি। আসলে ব্যক্তিজীবনের অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ যেহেতু কবির মনে জানাই আছে, তাই উপমা দেওয়ার সময়ে কবিকে সতর্ক থাকতেই হয়। আমার সে সতর্কতার দায় নেই, কিন্তু ব্যাসের আছে। অতএব বৃষ্ণিকুলের পৃথা যখন কুন্তিভোজের কুন্তী। হলেন, তখন ব্যাস বললেন, তুমি এক হ্রদ থেকে আরেক হ্রদে এসে পড়েছ—হ্রদাৎ হ্রদম্‌ ইবাগতা। আসলে হ্রদ গভীর হলেও, তার সীমাবদ্ধতা আছে, সে কূল উপচে পড়ে না, ঝোড়ো হাওয়া লাগুক, ক্ষণিকের বৃষ্টি হোক, প্রকৃতির বিকার তাকে নির্বিকারে সহ্য করতে হবে, ঠিক যেমন কুন্তীকে করতে হয়েছে সারা জীবন ধরে। তাঁর জীবনে কুমারী কালেই যে ঝোড়ো হাওয়া উঠেছিল, সারা জীবন ধরে সকলে অজান্তে তাঁকে যে চোখের জল ফেলতে হয়েছে, তবু তিনি হ্রদের মতো স্ত্রীসমাজের বাঁধ ভাঙতে পারেননি। কর্ণ যে কোনওকালে তাঁর নির্দিষ্ট গণ্ডীর বাইরে বেরতে পারেননি, তার কারণ কর্ণের জন্মকালে কুন্তীও তাঁর কুমারীত্বের গণ্ডী কেটে বাইরে যেতে পারেননি। এ ব্যাপারে কর্ণের অসহায়তা যতখানি, কুন্তি অসহায়তাও ততখানি। কুন্তীকে তাই যুধিষ্ঠিরের মতো দোষ দিয়ে লাভ নেই বরং তার অসহায়তার কারনটা বুঝে নিই।

    ব্রাহ্মণ এসে কুন্তিভোজের রাজবাড়িতে—অমিততেজা ব্রাহ্মণ। লম্বা চেহারা, মুখে দাড়ি, মাথায় জটা, হাতে, সন্ন্যাসীর দণ্ড। দেখলে কেমন ভয় ভয় করে। ব্রাহ্মণ বললেন—তোমার ঘরেই কিছুকাল ভিক্ষে করব, রাজা। ‘তোমার বাড়িতেই খাওয়া-দাওয়া করব’—এই অর্থে ভিক্ষে করার কথাটা খুব বেশি পাবেন চৈতন্যচরিতামৃতে মহাপ্রভুর দৈনন্দিন খাওয়া-দাওয়ার প্রসঙ্গে। তার মানে মুনি বললেন—তোমার বাড়িতে থেকেই কিছুকাল চালাব। তবে মুনির শর্ত আছে। রাজা কিংবা তাঁর অনুচরেরা মুনির কোনও কাজে ঝামেলা করতে পারবেন না। মুনি বললেন—আমি যেমন খুশি বাইরে যাব, যেমন খুশি আসব—যথাকামঞ্চ গচ্ছেয়মাগচ্ছেয়ং তথৈব চ। কিন্তু আমার শোয়া-বসার ব্যাপারে কোনও অসুবিধে হলে চলবে না। রাজা বললেন—এবমস্ত। আমার একটি কন্যা আছে, সে সব সময় আপনার কাছে কাছে থাকবে—নিয়তং চৈব ভাবিনী। সে এমনভাবে আপনার সেবা করবে যে, আমার ধারণা—আপনি খুব খুশি হবেন—তুষ্টিং সমুপযাস্যসি। ব্রাহ্মণকে আমন্ত্রণ জানিয়ে কুন্তিভোজ এবার মেয়ের কাছে গেলেন। বললেন—মা, আমি কথা দিয়েছি তুমি এই মহাতেজস্বী ব্রাহ্মণের দেখাশোনা করবে। আমি বেশ জানি—আমার বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন এমনকী ঝি-চাকরকে পর্যন্ত তুমি কীরকম বশ করে রেখেছ। কাজেই এই কোপনস্বভাব মুনির কাছে যে একমাত্র তোমাকেই পাঠানো যেতে পারে কিংবা তাঁর কাজে যে একমাত্র তোমাকেই লাগানো যেতে পারে, এ ব্যাপারে আমি নিঃসন্দেহ।

    এরপরে, কী জানি কী মনে করে, কুন্তিভোজ বললেন—তুমি হলে গিয়ে বৃষ্ণিবংশের মেয়ে, আমার ঘরে এসে পড়েছ। রাজবাড়ির মেয়ে বটে, তার ওপরে যথেষ্ট সুন্দরী—রূপং চাপি তবাদ্ভুতম্‌। ব্যাপারটা কী হয় জান, বালিকাসুলভ চপলতায় মেয়েরা অনেক সময় নানান দুষ্টুমি করে বসে—বালভাবাদ্‌ বিকুর্বন্তি প্রায়শঃ প্রমদাঃ শুভে। তুমি বাপু নিজের রাজকুলের দম্ভ-মান ত্যাগ করে, রূপের গরিমা ত্যাগ করে মুনির সেবা কর। তোমার কল্যাণ হবে। কুন্তী বললেন—তুমি নিশ্চিন্ত থাক, বাবা! যেমনটি বললে, তাই হবে। ব্রাহ্মণ রাতে, দিনে, সকাল, সন্ধ্যায় যখন খুশি আসুন, আমার ওপর তিনি রাগ করার সুযোগই পাবেন না। রাজা কুন্তিভোজ পৃথাকে এবার নিয়ে গেলেন খ্যাপা দুর্বাসার কাছে। বললেন—এই আমার মেয়ে ; এই আপনার সেবা করবে। যদি কোনও অপরাধ হয়ে যায় কার্যবশে, তো আপনি সে-কথা মনে রাখবেন না—ন কাৰ্য্যঃ হৃদি তৎ তৃয়া। সুন্দরী পৃথাকে কাজের লোক পেয়ে দুবাসার পছন্দ হল। রাজা তাঁকে হাঁসের পাখনা-বোয়া, চাঁদের জ্যোৎস্না-ধোয়া একখানি শুচিশুভ্র বাড়ি দিলেন থাকার জন্যে, আর পৃথাকে দিলেন সেবাদাসী—পৃথাং পুরিদদৌ তস্মৈ দ্বিজায় দ্বিজবৎসলঃ।

    সেবা আরম্ভ হল। সকালে আসব বলে দুর্বাসা বাড়ি ফেরেন সন্ধ্যায় অথবা রাত্রিতে। জ্যোৎস্না-ধোয়া রাজবাড়িতে খাবার-দাবার সাজিয়ে একাকিনী পৃথা বসে থাকেন। মুনি যত ঝামেলা করতে থাকেন, খাবার-দাবার, শোয়া-বসার, তরবত তত বাড়তে থাকে। ব্রাহ্মণ গালাগালি দেন, তিরস্কার করেন, পৃথা কিছু বলেন না। এমন সময়ে এসে, এমন ঝকমারি খাবারের আয়োজন করতে বলেন দুর্বাসা যে, অন্য কেউ হলে প্রমাদ গণত—সুদুর্লভমপি হ্যন্নং দীয়তামিতি সো’ব্রবীৎ। কুন্তী বলেন—এই সব প্রস্তুত, আপনি খেতে বসুন। ব্যাসদেব, মহামতি ব্যাসদেব অত্যন্ত খেয়াল করে সম্বন্ধবিচার করে বলেছেন যে, কুন্তী পুরোদস্তুর শিষ্যের মতো, ছেলের মতো, মেয়ের মতো দুর্বাসার সেবা করে যাচ্ছিলেন। এবং তাও কীরকম? না—‘সুসংযতা’। অর্থাৎ কোথাও শিষ্য, পুত্র বা বোনের সীমা লঙ্ঘিত হয়নি—শিষ্যবং পুত্ৰচ্চৈব স্বসৃচ্চ সুসংযতা। কিন্তু সীমা লঙ্ঘনের ঘটনা হয়তো মুনির দিক থেকেই ঘটেছিল। পিতা তাঁকে দুষ্টুমি করতে বারণ করেছিলেন, কিন্তু ইন্দুধবল গৃহমধ্যে একাকিনী সেবাপরা রমণী ‘দেখিয়া’ খ্যাপা দুর্বাসা কোনও খ্যাপামি করেননি তো? কুন্তী সে কথা পরিষ্কার করে কোথাও ভাঙেননি, কিন্তু সেই একেবারে আশ্রমিক পর্বে গিয়ে কুন্তী যেখানে শ্বশুর ব্যাসের কাছে মৃত কর্ণকে একবার চোখের দেখা দেখতে চাইলেন, তখন কিন্তু প্রথমেই বলেছিলেন—আমি অত্যন্ত শুদ্ধমনে, একটুও রাগ না করে দুর্বাসার সেবা করেছিলাম, যদিও আমার দিক থেকে রাগ করবার অনেক বড় বড় কারণ ছিল অর্থাৎ ‘পয়েন্ট ছিল—কোপস্থানেষ্বপি মহৎসু।

    না, আমরা এই ব্যাপার নিয়ে আর গোয়েন্দাগিরি করতে চাই না, কারণ তার চেয়েও বড় ব্যাপার ততক্ষণে ঘটে গেছে। দুর্বাসা খুশি হয়েছেন এবং বর দিতে চাইছেন। কুন্তী সবিনয়ে বললেন—আপনি খুশি হয়েছেন, বাবা খুশি হয়েছেন, আমার আর কিছু চাই না। ব্রাহ্মণ বললেন—বরই যদি না নেবে, তবে একটা মন্ত্র দেব তোমায়। এই মন্ত্রে যে দেবতাকেই তুমি কাছে ডাকবে, সেই দেবতাই তোমার বশে আসবেন, তাঁর সঙ্গে থাকতেও পাবে তুমি—তেন তেন বশো ভদ্রে স্থাতব্যং তে ভবিষ্যত! সেই দেবতা অকামই হন আর সকামই হন অর্থাৎ তাঁর ইচ্ছে থাকুক চাই না থাকুক, তোমার বশে তাঁকে থাকতেই হবে—অকামো বা সকামো বা স সমেষ্যতি তে বশে। দুর্বাসা কুন্তীর কানে মন্ত্র দিলেন। তারপর রাজাকে ডেকে বললেন—বেশ সুখেই দিন কাটল হে তোমার ঘরে, তোমার মেয়ে আমায় সুখী করেছে। মুনি চলে গেলেন।

    কুন্তীর বুঝি তখন বয়ঃসন্ধির কাল। কুমারী মনের চপলতাটুকু তখনও তাঁর মন থেকে যায়নি হুমাবার যৌবনের অনুসন্ধিৎসাগুলিও জেগে উঠেছে। কুন্তী জানতেন যে, দুর্বাসার মন্ত্র আসলে ছেলে হওয়ার মন্ত্র। কিন্তু তাঁর ভিতরে যুবতী বলল—দেবতা পুরুষ নাকি তোমার বশে থাকবে। কেমন লাগে পুরুষকে বশে রাখতে? মুনি বললেন—মস্ত্র। মন্ত্র খাটে কি না খাটে, কে জানে? পরীক্ষা করে দেখলেই হয়, এক্ষুনি বোঝা যাবে—মন্ত্ৰগ্রামবলং তস্য জ্ঞাস্যে নাতিচিরাদিতি। মন্ত্রের কথা এমন করে চিন্তা করতে করতেই কুন্তী রজস্বলা হলেন—তাঁর লজ্জা হল কন্যাভাবে রজস্বলা। রাজপ্রাসাদের বিরাট ঘরে পালঙ্কের ওপর শুয়ে ছিলেন কুন্তী। জানলা দিয়ে দেখা কঠিন সকালবেলার রাঙা সূর্য, একটুও চোখে লাগে না। রাত্রি আর দিনের সন্ধিলগ্নে সন্ধ্যার লালিমা-মাখানো সূর্যের দিকে তাকিয়ে থাকতে তাঁর ভাল লাগছিল। নিমেষে তাঁর মন প্রাণ এবং দৃষ্টি একসঙ্গে নিবদ্ধ হল প্রভাতসূর্যের দিকে, তাঁর চোখের পাতা পড়ছিল না—ন চাতপ্যত রূপেণ ভানোঃ সন্ধ্যাগতস্য সা। কী যে হল প্রাতঃসন্ধ্যার মায়ায় কুন্তী বুকে হাত দিয়ে সূর্যকে কাছে ডাকলেন দুর্বাসার মন্ত্রে।

    অমনি সূর্য দ্বিধা হলেন। তাঁর এক ভাগ যেমনটি পৃথিবীকে আলো দিচ্ছিল, তেমনি দিতে থাকল। আরেক ভাগ পুরুষরূপের সঙ্গে সূর্যের কিরণ মেখে মাথায় আলোর মুকুট পরে যেন দূর থেকে ডাক-পাওয়া প্রেমিকের মতো ছুটতে ছুটতে এসে পৌঁছলেন কুন্তীর কাছে—ত্বরমাণো দিবাকরঃ! হাসতে হাসতেই যেন মিষ্টি কথায় ভুলিয়ে দিয়ে সূর্য বললেন—তোমার বশীকরণের ডাক শুনে তোমার বশ হতে এসেছি রানি। নাকি অবশ হতে? আগতো’ স্মি বশং ভদ্রে তব মন্ত্রবলাৎকৃতঃ। বল এখন কী করব?

    কুন্তী এবার ভয় পেলেন। যৌবনের অনুসন্ধিৎসার সঙ্গেই যে ভয় মেশানো থাকে। কুন্তী বললেন—না গো, তুমি যেখান থেকে এসেছিলে সেখানে চলে যাও-গম্যতাং ভগবংস্তত্র যত এবাগতো হ্যসি। শুধু কৌতূহলে, শুধুই কৌতূহলে তোমাকে একবারের তরে কাছে ডেকেছিলাম—কৌতুহলাৎ সমাহূতঃ। তাই বলে এমন করতে হয়? তুমি চলে যাও লক্ষ্মীটি—প্রসীদ ভগবন্নিতি। সুর্যের সংলাপে এবারে একটু ‘ভিলেন’-এর কায়দা জুড়ে গেল যেন। তিনি বললেন—আমি চলে যাব ঠিকই, তবে তুমি যেভাবে বলছ, এটা ঠিক হচ্ছে না সুন্দরী। তুমি আমায় কাছে ডাকলে, অথচ এখন আমার প্রাপ্যটুকু না দিয়েই ফিরিয়ে দিচ্ছ সেটি হবে না বাপু। তা ছাড়া তোমার অভিসন্ধি আমার জানা আছে। তুমি চেয়েছিলে—সূর্যের থেকে একটি পুত্র, শৌর্যে বীর্যে তুলনাহীন এক পুত্র। তা বেশ তো, ছেলে চেয়েছ, ছেলে পাবে, কিন্তু তার আগে তো তোমার নিজেকে নিঃশেষে আমার কাছে ছেড়ে দিতে হবে সুন্দরী—সা ত্বয়া আত্মপ্রদানং বৈ কুকস্ক গজগামিনি। সত্যি কথা বলতে কি, তোমার সঙ্গে সঙ্গম সেরে, তবেই আমি যাব—তুয়া সঙ্গম্য সুস্মিতে। কুন্তী অনেক কাকুতি মিনতি করলেন, কিন্তু কুন্তীর রূপ দেখেই হোক কিংবা দুর্বাসার মন্ত্রবলে—সূর্য তখন এতই বিবশ যে, বারেবারেই তিনি এক কথা বলতে থাকলেন—নিজেকে তুমি আমার কাছে ছেড়ে দাও কন্যে—‘আত্মপ্রদানং কুরু কুন্তি কন্যে’, নইলে তোমার বাবাকে এবং তোমার সেই মন্ত্রদাতা মুনিকে—দুটোকেই ভস্ম করব আমি—ব্রাহ্মণং পিতরঞ্চ তে।

    সূর্য এবার কুমারী কুন্তীকে যৌবনের রসবিলাস সম্বন্ধেও উপদেশ দিলেন কিছু। কুন্তী বুঝলেন মিলন অবশ্যম্ভাবী, পুত্র-জন্মও অবশ্যম্ভাবী। এবারে বুঝি ভাবী পুত্রটির জন্যই তাঁর মায়া হল। সমাজের নিয়মকানুন যা, তাতে যে ছেলেটিকে বিসর্জন দিতেই হবে, এ ব্যাপারেও তিনি তখনই নিশ্চিত। এবারে যে সন্তানটি তাঁকে প্রথম মাতৃত্বের আস্বাদ দেবে সেই অনাগত শিশু-জীবনের রক্ষা কল্পনায় কুন্তী সূর্যকে বললেন—তুমি যখন একান্তই মানবে না তবে হোক সেই মিলন—অস্ত মে সঙ্গমো দেব। কিন্তু সে যদি জন্মাবেই তাহলে তার জীবনরক্ষার বর্ম দাও তাকে। সে যেন বেঁচে থাকে। সূর্য বললেন—তাই হবে। সূর্যের তেজে অথবা মিলনে কুন্তী যেন এবার বিহ্বল হয়ে পড়লেন—ততঃ সা বিহবলেবাসীৎ। মিলন সেরে সূর্য বললেন—আসি তাহলে এবার। সূর্য নাকি বিনা স্পর্শেই তার সঙ্গে মিলিত হয়েছিলেন। অথচ আমরা দেখছি, মিলনশ্রান্তা কুন্তী বিছানায় শুয়ে আছেন বিবশা লতার মতো—ভজ্যমানা লতেব। কুন্তীর সাদর মাহ্বানের মধ্যে সামান্য সাময়িক অনাদর মিশ্রিত থাকলেও সূর্য প্রেমিকের মতো অভীপ্সিত পুত্র জন্মানোর আশীর্বাদ জানিয়ে বিদায় নিলে কুন্তী ভারী লজ্জা পেলেন বারবার যাচনা করলেন—যাচমানা সলজ্জা—ঠিক তোমার মতোই যেন ছেলে হয়, তোমার মতোই রূপ, তোমার মতো শক্তি, তোমারই মত গুণ—ত্বদীয়রূপসত্ত্বৌজা ধর্মযুক্তো ভবেৎ স চ।

    কুন্তীর গর্ভদশা আরম্ভ হল। তিনি কেবলই লুকিয়ে বেড়াতে লাগলেন যাতে কেউ টের না পায়। প্রতিপদের চাঁদের মত গর্ভ—এদিক ওদিক কাপড় টেনেটুনে, আলগায় আলসে কুন্তী গর্ভ লুকিয়ে রাখেন অন্যের দৃষ্টি থেকে—গর্ভং তং বিনিগূহতী। জানল শুধু একজন, রাজবাড়ির ধাই—সে ঠিক বুঝে ফেলেছে। তবে কুন্তীর কাছে সব কথা শুনে সেও কুন্তীকে রক্ষা করতে থাকল। ঠিক সময়ে কুন্তীর ছেলে হল। সোনার রঙের বর্মপরা, সোনার কুণ্ডল কানে নিয়েই কর্ণ জন্মালেন। ছেলের কাঁধটা এখনই বেশ চওড়া, চোখটা যেন সিংহের মতো একটু কটা গোছের তবে কুন্তী খুশিও হলেন খুব—ছেলে হয়েছে ঠিক বাবার মতো—যথা অস্য পিতরং তথা। এক লহমার মধ্যেই সমস্ত বিচার, তুলনা—সব শেষ। ধাত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে বেশ বড় একটি পেটিকার মধ্যে শিশু কর্ণকে শুইয়ে দিলেন কুন্তী। পেটিকার চারপাশে যেখানে সেখানে লাগিয়ে দেওয়া হল মধু, যদি কখনও একটু মুখে যায়। গভীর স্নেহে আরও একবার শিশু পুত্রের মুখ দেখে পেটিকার ঢাকনা বন্ধ করে দিলেন। তারপর ধীরে ধীরে সেই পেটিকা ভাসিয়ে দিলেন রাজ অন্তঃপুরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া অশ্বনদীর জলে।

    নদীর জল কুন্তীর মনের সঙ্গে তাল দিয়ে চলল না। তরঙ্গে তরঙ্গে পেটিকা যতই দূরে যেতে থাকল, কন্যাকালে পুত্রজন্মের অন্যায় জেনেও কুন্তী ততই কাঁদতে থাকলেন, কারণ যে রমণী একবার পুত্ৰমুখ দেখেছে সে কন্যা হোক, সধবা হোক আর বিধবা—সে শুধু জননীর পরিচয় দিতে ভালবাসে। কিন্তু চিরকালের সমাজ যেহেতু কন্যা-জননীর হৃদয় বোঝে না, তাই অশ্বনদীর নির্জন তীরে দাঁড়িয়ে কুন্তীকে জননীর আশীর্বাদ জানাতে হয়—বাছা আমার! জন্মলগ্নেই তোকে জলে ভাসিয়ে দিলাম, জলের দেবতা তোকে বাঁচিয়ে রাখেন যেন—পাতু তুং বরুণো রাজা সলিলে সলিলেশ্বর। সর্বগামী প্রাণশক্তি বায়ু যেন তোকে নিঃশ্বাস দেয়। যে আমার কন্যাকালে মাতৃত্বের আস্বাদ দিল, তোর সেই পিতা যেন তোকে সব জায়গায় বাঁচিয়ে রাখেন। আমার কোলে ছেলে দিয়েও তোর বাবাই আজ ধন্য —তিনি আকাশ থেকে সব সময় তাঁর কিরণের চোখে দেখতে পাবেন তোকে। তুই যেখানেই থাকিস বাছা! আমি তোকে ঠিক চিনব, ওই কবচ কুণ্ডল দেখে ঠিক চিনব। অশ্বনদীর ধারায় শায়িত কর্ণের পেটিকাখানি যতই নজরের বাইরে যেতে থাকল, মাতৃত্বের দায় ততই বিদ্ধ করতে থাকল কুন্তীকে। তিনি হাহাকার করে বলতে থাকলেন—ধন্য সেই রমণী, যে তোকে পুত্র বলে কোলে তুলে নেবে। ধন্য সেই জননী, তৃষ্ণার ব্যগ্রতায় যার স্তনের দুধ খাবি তুই—যস্যাসত্বং তৃষিতঃ পুত্রঃ স্তনং পাস্যসি দেবজ। জানি না, সেই রমণী কোন চাঁদ-চুয়ানো ছেলের মুখ দেখেছিল স্বপ্নে, যে এই সূয্যিবরণ ছেলে কোলে তুলে নেবে। শিশু বয়সেই এই টানা টানা চোখ, এই প্রশস্ত ললাট, এই চুল কোনও জননীর পুত্র-কল্পনায় ছিল কি? অথচ সেই ভাগ্যবতী তোকে লালন করবে—পুত্ৰত্বে কল্পয়িযাতি। কুন্তীর মধ্যে যে জননী ছিল, সে বারবার ঈর্ষাকাতর হয়ে উঠল সেইসব রমণীদের প্রতি, যারা ধূলায় ধর এই শিশুটিকে হামাগুড়ি দিতে দেখবে—ভূমৌ সংসর্পমাণকম্‌। কুন্তী বললেন-ধন্যি তারা, যারা তোর ব্যাকুল হাসি-ভরা শিশুমুখের আধো আধো কথা শুনতে পাবে, ধন্যি তারা, যারা তাকে আস্তে আস্তে যুবকে পরিণত হতে দেখবে।

    জননীমাত্রই, তাঁর বয়স যাই হোক, একইভাবে কাঁদে, একই ভাবে দুঃখ পায়, একই কল্পলোকে বাস করে। সমাজের রোষ থেকে বাঁচবার জন্য কুন্তী অনেক কেঁদে, অনেক দুঃখ বয়ে নিয়ে রাজভবনে প্রবেশ করলেন। তাঁর মন একেবারে ভারী হয়ে রইল। ওদিকে সোনার পেটিকা অশ্বনদী পেরিয়ে চর্মনবতীর জলে এসে পড়ল। চম্বলের শিলাভূমি অতিক্রম করে চমৰ্ধতী কর্ণকে পৌঁছে দিল যমুনায়। তারপর গঙ্গা। ব্যাস লিখেছেন—সোনার পেটিকাখানিই যেন মাতৃগর্ভের মতো, যে গর্ভ ধারণ করে রইল নদীমাতা—স মঞ্জষাগতো গর্ভ স্তরঙ্গৈরুহ্যমানকঃ। গঙ্গার তীরে হস্তিনাপুর কিংবা কুরুক্ষেত্র থেকে অনেক দূরে চম্পা নগরী। ভাসতে ভাসতে কর্ণের গেটিকা এসে ঠেকল সেইখানে! চম্পা অঙ্গরাজ্যের রাজধানী। এই সমস্ত রাজ্যই তখন হস্তিনাপরের অন্তর্ভুক্ত। তার মানে কুন্তী হস্তিনাপরে নববধু হয়ে ঢুকবার আগেই কুন্তীর ছেলে এসে পৌঁছলেন হস্তিনাপুরের এলাকায়। কর্ণের ভাবটা এই-মাগো! জলে ভাসিয়ে দেবার সময় তুমি না বলেছিলেন বাছা আমার! তোর এই কবচ আর কুণ্ডল দেখেই বিদেশেও তোকে চিনে নেব আমি—বেৎস্যামি ত্বাং বিদেশে’পি কবচেনাভিসূচিতম্‌। তা কবচ-পরা কর্ণ তোমার এইখানেই রইল, যেখানে একদিন তুমি বউ হয়ে আসবে। পিতা না হোক, যা তাঁর পিতৃভূমি হতে পারত, সেই পিতৃভূমির কুলে এসে ঠেকলেন কর্ণ—মায়ের বদলে।

    ধৃতরাষ্ট্রের বন্ধু সূত অধিরথ সস্ত্রীক এসেছিলেন গঙ্গাস্নানে। সারথি জাতের মানুষ হলে কী হয় অধিরথের স্ত্রী কিন্তু সুন্দরী, দারুণ সুন্দরী—রূপেণাসদৃশী ভূবি। তাঁর নাম রাধা। যাগ-যজ্ঞ, তীর্থ, কবচ—অনেক সাধ্যসাধনা করেও রাধার ছেলে হয় না। সেই রাধা গঙ্গায় স্নান করতে নেমে দেখেন, একখানি পেটিক ভেসে আসছে ঢেউয়ের টানে, যেখানে তাঁর কাছেই। পেটিকাটি স্নান করার সঙ্গীদের দিয়ে ধরালেন তিনি, তারপর একেবারে জালাজেন স্বামী অধিরথকে, কেন না পেটিকার মধ্যে কী আছে কেউ জানে না—ভাল জিনিস যেমন থাকতে পারে, মন্দ কিছুও তেমনি থাকতে পারে। স্বয়ং অধিরথ এসে জল থেকে তুললেন পেটিকাটি, পির এটি যন্ত্র দিয়ে খুলে ফেললেন পেটিকার ঢাকনা। দেখলেন পেটিকার মধ্যে ঘুমিয়ে আছে শিশু—অপশ্যত্তএ বালকম্‌। অধিরথ নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছেন না—নতুন সূর্যের মতো গায়ের রঙ, সোনার বর্ম-পরা, সোনার কুণ্ডল-পরা দিব্য শিশু। ছেলেটিকে কোলে নিলেই এতদিনের রুদ্ধ বাৎসল্য যেন মুখর করে তুলল অধিরথকে। অধিরথ বললেন—জন্মে অবধি এমন অদ্ভুত কাণ্ড দেখিনি, পুত্রহীনকে পুত্র দিয়েছেন ভগবান। তিনি আজ মুখ তুলে চেয়েছেন। সূত অধিরথ এবার পুত্রকে তুলে দিলেন স্নেহাতুরা জননী রাধার কোলে। সূতপিতা আর সূতজননী পরম আদরে পুত্রকে লালন পালন করতে থাকলেন। ব্রাহ্মণেরা ছেলের গায়ে জন্ম থেকেই সোনার বর্ম আর কুণ্ডল দেখে অধিরথের ছেলের নামকরণ করলেন বসুষেণ। বসু মানে সোনা, সোনার ছেলে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাল্মীকির রাম ও রামায়ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    Next Article মহাভারতের প্রতিনায়ক – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }