Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প318 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. সুন্দর মানুষ

    ৯. সুন্দর মানুষ

    (প্রথম প্রকাশ ১৯৩১)

    সুন্দর মানুষ যারা তাদের প্রশংসা করে একটি প্রবন্ধ লেখার ইচ্ছা হল। কিন্তু পাঠক একথা জানতে চাইতেই পারে ঠিক কেমন ধরণের মানুষকে আমি সুন্দর মানুষ হিসেবে বিবেচনা করি। তাদের প্রয়োজনীয় গুণের উপর নির্ভর করে তাদের নির্বাচন করাটা কিছুটা জটিল হয়ে যাবে। তাই আমি নির্দিষ্ট ধরণের কিছু মানুষের কথা আলোচনা করব যারা সুন্দর মানুষের আয়তায় পড়ে। সুন্দরী অল্পবয়স্কা অবিবাহিতা মাসি বা পিসি অবশ্যই সুন্দর মানুষ, বিশেষত যদি তারা ধনী হয়। ধর্মযাজকরা খুব সুন্দর, একমাত্র সেই ধরণের ঘটনা ছাড়া যে ঘটনার ফলে তারা আত্মহত্যার ভান করে কীর্তন দলে ভিড়ে তার প্রেমিকের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকায় পালায়। আমার বলতে দুঃখ হচ্ছে যে, যুবতী মেয়েরা বর্তমানে কদাচিৎ সুন্দর হয়। যখন আমি যুবক ছিলাম, তখন যুবতী মেয়েরা খুব সুন্দর ছিল– অর্থাৎ, আমি বলতে চাইছি তখন যে-কোন বিষয় শুধু নয়, যে-কোন ব্যক্তি, এমন কি যুবকদের কোন উল্লেখযোগ্য দিক সম্পর্কে মায়েদের মতামতকে তারা মূল্য দিত। তারা ঠিক সময় মায়ের সঙ্গে গলা মিলিয়ে বলত “হ্যাঁ মা’ এবং না মা। তারা তাদের বাবাকে ভালোবাসত কেননা সেটাকে কর্তব্য বলে মনে করত, এবং মাকে ভালোবাসত এই কারণে যে তাদের সামান্য ভুল কাজ করা থেকে রক্ষা করত। যখন তারা বাগদত্তা হত তখন তারা নিজেদের আধুনিকা করে সাজাতে ভালোবাসত এবং বিবাহের পর তারা নিজেদের সুন্দর করে সাজিয়ে রাখাটাকে স্বামীকে ভালোবাসা জনিত কর্তব্য বলে মনে করত, কিন্তু অন্যান্য মহিলাদের তারা বোঝাত যে এটা এমন একটা কর্তব্য যা তারা অতিকষ্টে সম্পাদন করে। তারা তাদের শ্বশুর ও শাশুড়ীর সঙ্গে খুব সুন্দর ব্যবহার করত, কিন্তু কোন কর্তব্যহীন ব্যক্তি যে এরকম ব্যবহার করতে পারে না তা যদি আমরা আগে বুঝে নিতে পারি তবে এই মেয়েদের আমরা ভালো করে বুঝতে পারব। তারা অন্যান্য মহিলা সম্পর্কে বিদ্বেষপূর্ণভাবে কথা বলত না, কিন্তু যখন তারা মুখ খুলত এবং কথা খরচ করত তখন তা একজন দেবদূতীর মহানুভবতার সঙ্গেই করত। এই ধরণের মহিলাদের শুদ্ধ ও মহান মহিলা বলা যায়। কিন্তু হায়, এই ধরনের মহিলা কেবলমাত্র বৃদ্ধাদের মধ্যে ছাড়া এখন আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না।

    কৃপাবশত আজও যারা বেঁচে আছেন তাঁদের প্রবল ক্ষমতা। তারা শিক্ষাকে নিয়ন্ত্রিত করেন। তাঁরা ভিক্টোরীয় ধরণের ভণ্ডামিকে ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা যেখানে করেছেন সেখানে খুব অসফলতা পাননি। তাঁরা আইনসভাকে ‘নৈতিক প্রেক্ষাপটে’ আজও নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন এবং পায়ে তেল মাখানো ধরণের জীবিকার সৃষ্টি করেন। তারা কাগজের হয়ে লেখে এমন সব যুবকদের বৃদ্ধা রমণীদের সম্পর্কে তাদের মতামত প্রকাশ করবার জন্য উৎসাহিত করেন যাতে তারা যুব মানসের বিচিত্র ধরনের মনস্তাত্ত্বিক কল্পনা ও শৈলীকে ধরতে পারেন। তারা বহু আনন্দকে বাঁচিয়ে রেখেছে, না হলে অন্যান্যরা তা বুভুক্ষুর মতো খেয়ে শেষ করে ফেলত। উদাহরণস্বরূপ, মঞ্চে উঠে আজেবাজে কথা শোনার আনন্দ কিংবা প্রথাগত রীতির বাইরে একটু বেশি খালি গা দেখার আনন্দ। সর্বোপরি তারা এখনও পর্যন্ত শিকার করার আনন্দকে বাঁচিয়ে রেখেছে। ইংল্যান্ডের শায়ার বা জেলাগুলোতে শেয়াল শিকারের জন্য লোকদের অভিযুক্ত করা হয়। এই ধরণের শিকার যেমন খরচ সাপেক্ষ, অন্যদিকে কিছু কিছু সময় তেমন ভয়ঙ্কর। এছাড়াও একটা শেয়াল কোনভাবেই পরিষ্কার করে বোঝাতে পারে না যে শিকার হওয়াটাকে সে কতটা অপছন্দ করে। এই সমস্ত ব্যাপারে মানুষ-শিকার করাটা বেশ মজার খেলা হতে পারত। যদি খেলাটা সুন্দর মানুষদের জন্য না হত তবে বিবেকবান মানুষদের জন্য খেলাটা মুস্কিলের হত। যে খেলাগুলোকে এইসব সুন্দর মানুষগুলো দোষারোপ করে সেই খেলাগুলো মানবিক, কিন্তু যখন তারা খেলবে এসো’ বলে ডাক ছাড়ে তখন শিকারীরা একত্র হয় এবং শিকারের পেছনে ছুটে তারা শিকারকে বন্দী করে অথবা তাকে মেরে ফেলে। বিশেষত খেলাটা তখন বেশি করে জমে ওঠে যখন শিকার হিসেবে কোন মহিলাকে ধরা হয়। এই খেলাটা মহিলাদের হিংসা বা পুরুষদের ধর্ষকাম থেকে ঘটে। এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডে থাকেন এমন এক বিদেশিনী মহিলাকে আমি জানি যিনি তার স্বামী ছাড়াও আরও একজন পুরুষের সঙ্গে সুখে শান্তিতেই আছেন যাকে তিনি ভালোবাসেন, আবার সেই পুরুষটিও তাকে ভালোবাসে। দুর্ভাগ্যক্রমে তার রাজনৈতিক মতামত যতটা রক্ষণশীল হওয়া দরকার ছিল ততটা রক্ষণশীল হয়নি। যদিও সেই মতামতগুলো কেবল মতামতই, তবুও বলা যায় যে তিনি সেই মতামতগুলোকে মানতে কিছুই করেননি। সুন্দর মানুষেরা এই ঘটনার সত্যাসত্য জানবার জন্য স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকে কাজে লাগালো এবং সেই মহিলাকে তার নিজের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হল যাতে তিনি না খেতে পেয়ে মরেন। ইংল্যান্ডে ও আমেরিকায় বিদেশীরা নৈতিকভাবে অপমানজনক কাজকর্ম করে বেড়ায়। এইজন্য আমরা পুলিশের কাছে কৃতজ্ঞ যে তারা বিদেশীদের এই মর্যাদাহানিকর কাজকে সামলে বেড়ায় এবং যাতে আমাদের মধ্যে কেবলমাত্র ধার্মিক বিদেশীরাই থাকতে পারে তার দিকে চোখ রাখে।

    এটা মনে করা আমাদের অবশ্যই উচিত নয় যেসব সুন্দর মানুষই মহিলা। যদিও বলা যায় যে পুরুষের থেকে মহিলারাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সুন্দর মানুষ হয়ে থাকে। ধর্মের সেবিকারা ছাড়াও অন্যান্য জায়গায় আরও অনেক সুন্দর মানুষ আছে। এইসব মানুষ হল তারা যারা নিজেদের জন্য বিরাট সৌভাগ্যকে তৈরি করেছে এবং যারা এখন তাদের ব্যবসা থেকে অবসর নিয়ে তাদের সৌভাগ্যকে দানশীলতার পেছনে খরচ করছে। ম্যাজিষ্ট্রেটরাও প্রায় অনিবার্যভাবে সুন্দর মানুষ। যদিও এটা বলা যেতে পারে না যে তারা আইন আদালতকে সমর্থন করে তারাই সুন্দর মানুষ। মনে আছে যখন আমি যুবক ছিলাম যখন চরম শাস্তি সম্পর্কে আগে থেকেই একজন সুন্দর মহিলা আমাকে শুনিয়ে রেখেছিলেন যে এধরনের শাস্তি ভালো নয় এবং একজন ফাঁসুড়ে কখনই একজন ভালো মানুষ হতে পারে না। কোন ফাঁসুড়েকে ব্যক্তিগতভাবে কখনও জানিনি তাই তার সম্পর্কে সেই মহিলার যুক্তিকে পরীক্ষা করে দেখে নেবার সুযোগ কখনও পাইনি। আমি একজন মহিলাকে জানি যিনি একদিন ট্রেনের মধ্যে একজন ফাঁসুড়ের সাক্ষাৎ পান একথা না জেনে যে সেই লোকটি একজন ফাঁসুড়ে। আবহাওয়া খুব ঠাণ্ডা থাকার জন্য সেই ভদ্রমহিলা যখন তাকে একটি কম্বল দিতে যান তখন সেই লোকটি বলে ওঠে, ‘ম্যাডাম, যদি জানতেন আমি কে তা হলে আপনি একাজ করতেন না, ফাঁসুড়ে ব্যক্তিটির এই ধরণের আচরণ ও কথাবার্তা প্রমাণ করে যে সেও একজন সুন্দর মানুষ। যদিও এধরণের ঘটনা একটি ব্যতিক্রম। ডিকেন্সের বারনাবি রাজ’ গ্রন্থে যে ফাঁসুড়েটির কথা বলা হয়েছে, জোর দিয়ে বলা যায় যে সে কখনই সুন্দর মানুষ নয়, সম্ভবত এক অদ্ভুত ধরণের মানুষ।

    যেহেতু ফাঁসুড়েরা সুন্দর মানুষ নয় সেহেতু চরম শাস্তি (ফসি) ভালো নয়, এই ধরণের যে যুক্তি সেই মহিলার কাছ থেকে আমরা পাই, আমি মনে করি তার সঙ্গে একমত হওয়া যায় না। কেননা একজন সুন্দর মানুষ হতে গেলে যে কোন রকম নিষ্ঠুর আচরণ থেকে বাস্তবে রক্ষিত হতে হয় এবং যারা রক্ষা করবার কাজটি করে তারা কখনও সৌন্দর্যের অধিকারী হতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, মনে করুন, সমুদ্রতীরবর্তী একটি ডুবন্ত জাহাজ, যে জাহাজটিতে করে অনেক বর্ণের শ্রমিকদের এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এদের মধ্যে প্রথম শ্রেণীর মহিলা যাত্রীও ছিল। যাদের মধ্যে ধরেই নেওয়া যায় যে সবাই সুন্দরী মহিলা ছিল। তাই তাদের আগে বাঁচানো হল। যে-সব মানুষ এই বহু বর্ণের শ্রমিকদের নিয়ে যাচ্ছিল তাদের বড় সুন্দর পদ্ধতিতে বাঁচবার সুযোগ মিলল সেইসব শ্রমিকদের দ্বারাই। সেই সুন্দর মহিলারা যখনই বুঝল যে তারা রক্ষিত তখনই তারা সেইসব ডুবে যাওয়া শ্রমিকদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে লাগল। কিন্তু তাদের কোমল হৃদয় কার্যকরী হয়ে উঠলো সেইসব শ্রমিকদের দ্বারা রক্ষিত হবার পর।

    সাধারণত সুন্দর মানুষেরা সমগ্র জগতের খবরদারি করার ভারটি বেতনভুক কর্মচারীদের হাতে দিয়ে রেখেছে। কারণ তারা বুঝেছে যে যারা সত্যই সুন্দর মানুষ তাদের পক্ষে এই খবরদারি করা সম্ভব নয়। তবে একটা জায়গা আছে যেখানে তারা কোন রকম অংশগ্রহণ করে না আর তা হল পেছনে কামড়ানো বা কোনরকম কেলেঙ্কারীজনিত ঘটনায়। কেবলমাত্র নিজের ক্ষমতার দ্বারা মানুষ সৌন্দর্যের যাজক সম্প্রদায়ভুক্ত হতে পারে। যদি ক খ-এর বিরুদ্ধে কথা বলে এবং খ ক-এর বিরুদ্ধে বলে তবে যে সমাজে তারা বাস করে সেই সমাজ অনুযায়ী একজন তার কর্তব্য করছে আর একজন ঈর্ষান্বিত হয়ে তার বিরুদ্ধে কথা বলছে। কিন্তু যে ব্যক্তিটি জনগণের হয়ে কর্তব্য করছে সে ওই দুই ব্যক্তির থেকে অনেক বেশি সুন্দর। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, যে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা স্কুলের অন্যান্য শিক্ষিকাদের চেয়ে সুন্দর কিন্তু যে মহিলাটি স্কুল পরিচালনার বোর্ডে আছেন তিনি প্রধান শিক্ষিকা ও অন্যান্য শিক্ষিকাদের চেয়ে অনেক সুন্দর। নামী দামী পদবী-টদবিগুলোর বলি নারী বা পুরুষ প্রথমেই তাদের জীবনের অস্তিত্বকে হারায়। আবার যারা এই পদবীগুলোতে পৌঁছতে পারে না, তারা অধৈর্য ছোটলোকেও পরিণত হতে পারে। এইজন্য আমাদের অবশ্যই স্বীকার করে নিতে হয় যে মঙ্গলের খাতিরে এই বিষয়টি বেশ শক্তিশালী এবং আমাদের অবশ্যই সেইসব সুন্দর মানুষদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা উচিত যারা এই ধরণের ব্যবস্থা প্রদান করেছেন।

    সুন্দর মানুষদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল নিজ সত্তা নির্ভর উন্নতির সশব্দ সাধনা। ঈশ্বর জগৎ সৃষ্টি করেছেন কিন্তু সুন্দর মানুষেরা মনে করেন যে তারা এই কাজটি আরও ভালোভাবে করতে পারতেন, কিন্তু স্বর্গীয় হস্তকর্মের অধীনে বহু বিষয় ও কাজ আছে, তাই সেই ধরণের কোন কাজ করবার ইচ্ছা অবশ্যই ঈশ্বর নিন্দাজনক। এবং তার উল্লেখ করাও কোন রকমভাবে সুন্দর নয়। স্বর্গীয় মানুষেরা বলে থাকেন যে যদি আমাদের প্রথম জনক জননী আপেলটি না খেতেন তবে মানবজাতি অন্যান্য নিষ্পাপ ধরণের ফলে পূর্ণ হয়ে যেত–গিবন এরকম ধরণের কথাই বলেছেন। এই বিষয়ে স্বর্গীয় পরিকল্পনা সত্যই রহস্যজনক। স্বর্গীয় মানুষদের মতে পাপের শাস্তির পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি যথার্থ, অর্থাৎ আপেল খেয়েছে তার ফল ভোগ কর। কিন্তু এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী যে সমস্যাটা দাঁড়ায় তা হল সুন্দর মানুষের ক্ষেত্রে যেটা শাস্তি হয়ে দাঁড়ায়, দুঃখজনকভাবে সেই একই শাস্তি অন্যান্য মানুষদের ক্ষেত্রে আনন্দজনক হয়ে ওঠে। মনে হয় যে, শাস্তি ব্যাপারটি তৈরি হয়েছে কিছু ভুল লোকদের ঘাড়ে পড়বার জন্য। সুন্দর মানুষদের বহু উদ্দেশ্যের মধ্যে একটি উদ্দেশ্য হল নিঃসন্দেহে এই অনিচ্ছাকৃত অন্যায়ের প্রতিকার করা। তারা এটাই নিশ্চিত করতে সর্বদা প্রচেষ্টা করতে থাকে যে জীববিদ্যা অনুযায়ী ফল প্রদানের সাধন উর্বর অথবা শীতল এই দুভাবে করা যায়, এবং যারা উর্বরভাবে সাধন করে, দেখা যায় তারাই সুন্দর মানুষদের মধ্যে ক্ষমতায় আসীন হয় এবং তারা এই ক্ষমতায় আসীন হয় কেলেঙ্কারীর দ্বারা তাদের চরিত্র কলঙ্কিত হবার পর। তারা কেলেঙ্কারীর ব্যাপারটিকেও খুব সুন্দর করে আড়াল করে রাখার প্রচেষ্টা করে থাকে। তারা সেন্সরকে নিজেদের হাতে পাবার চেষ্টা করে যাতে গোপনে ঘটে যাওয়া কুৎসিত নোংরামীর চেয়ে সেইসব গ্রন্থ ও নাটককে বাতিল করে দিতে পারে যেখানে কেলেঙ্কারীর কথা প্রকাশ হয়ে পড়ে। এই ব্যাপারে তারা সব জায়গায় প্রায় সরল হয় এবং আইন ও প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ঈশ্বর কেন যে মানবশরীরটি তৈরি করেছেন তা জানা যায় না, কিন্তু যে কোন ব্যক্তি এটা মনে করে নিতে পারে যে সর্বময় ঈশ্বর মানবশরীরকে এইভাবে তৈরি করেছেন এই জন্য যাতে সুন্দর মানুষেরা কোনরকম আঘাত না পায়। সম্ভবত এর পেছনে সঠিক কোন কারণ আছে। ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কাশায়ারে যতদিন বয়নশিল্প গড়ে উঠেছে ততদিন ধরে দেখা যাচ্ছে যে বয়ন-শিল্পের সঙ্গে মিশনারীদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। মিশনারীরা বর্বরদের শেখাচ্ছে কিভাবে মানব শরীরকে আচ্ছাদিত করতে হয় এবং তার ফলে বস্ত্রশিল্পের চাহিদা ক্রমশই বাড়ছে। যদি মানব শরীর সম্পর্কে লজ্জার কোন কিছু না থাকত, তবে বয়নশিল্প তার লাভের উৎসমুখ হারাত। এই দৃষ্টান্ত আমাদের যে ঘটনাটি দেখায় তা হল, পাছে পুণ্যের প্রচার আমাদের লাভ কমিয়ে দেয় তাতে আমাদের ভীত হবার কোন প্রয়োজন নেই।

    ‘নগ্ন সত্য’ এই শব্দগুচ্ছটি যিনিই আবিষ্কার করে থাকুন না কেন তিনি অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। নগ্নতা যে-কোন সঠিক মানসিকতাসম্পন্ন মানুষের কাছে একরম ধাক্কা এবং ঠিক এই কারণেই তা সত্য। কি ধরণের বিভাগে আপনি যুক্ত আছেন তাতে কিছু আসে যায় না, আপনি খুব তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবেন যে সত্য এমন একটি বস্তু যা সুন্দর মানুষ তাদের চেতনায় স্বীকার করেন না। এটাই আমার দুর্ভাগ্য যে এমন একটি মামলার শুনানীর জন্য আদালতে উপস্থিত থাকতে হয় যে ঘটনাটি সম্পর্কে আমার প্রথম শারীরজ্ঞান ছিল, কিন্তু আমি দেখে আঘাত পেয়েছিলাম যে সেইসব শ্রদ্ধার বেড়াজালে আবদ্ধ প্রবেশদ্বার ভেদ করবার জন্য কোন সত্যই সেখানে অনুমোদন পায় না। যে সত্য আইন আদালতে প্রবেশের সুযোগ পায় তা নগ্ন নয়, কিন্তু আদালতের পোশাকের অপেক্ষাকৃত কম সুন্দর অংশে যে সত্য লুকিয়ে থাকে তা নগ্ন সত্য। সরাসরি খুন, চুরিমূলক অপরাধের মামলার ক্ষেত্রে তা সত্য সে কথা আমি বলিনি, আমি বলেছি সেই সব মামলা মোকদ্দমার কথা যেখানে সংস্কারের উপাদান থাকে, যেমন–রাজনৈতিক মামলা, বা অশ্লীলতার মামলা। আমি বিশ্বাস করি এই ব্যাপারে আমেরিকার থেকে ইংল্যান্ড অনেক বেশি হীন পর্যায় পড়ে। কেননা ইংল্যান্ড তার সৌন্দর্যের অনুভবের দ্বারা সব অসুন্দর বস্তুর অদৃশ্যে ও আধা-সচেতন নিয়ন্ত্রণকে একটা উৎকর্ষে নিয়ে যেতে পারছে। যদি আপনি আইন আদালতে কোন অপরিপক্ক ঘটনার কথা উল্লেখ করতে চান তবে আপনি দেখবেন যে সেরকম কাজ করতে চাওয়াটা সাক্ষ্যপ্রমাণজাত আইনের বিরুদ্ধ এবং কেবলমাত্র বিচারক ও বিরুদ্ধ আইনজীবীই নয়, আপনার পক্ষে যিনি আইনজীবী হবেন তিনিও ওই ধরণের ঘটনার কথা বলতে বাধা দেবেন।

    এই একই ধরণের অবাস্তবতা রাজনীতিতে প্রবেশ করে থাকে সুন্দর মানুষদের অনুভবের ফলস্বরূপ। যদি আপনি কোন সুন্দর মানুষকে বোঝাবার চেষ্টা করেন তিনি যে দলের সমর্থক সেই দলের কোন রাজনীতিবিদ সাধারণ একজন মরণশীল ব্যক্তি এবং যিনি রাশি রাশি মানুষের থেকে কোন অংশে বড় নন তবে দেখবেন সেই সুন্দর মানুষটি রুষ্ট হয়ে আপনার উপদেশটি অস্বীকার করবেন। ফলস্বরূপ রাজনীতিবিদদের নিষ্কলঙ্ক হয়ে সামনে আসাটা একান্ত প্রয়োজন। বেশিরভাগ সময় সমস্ত দলের রাজনীতিবিদরা তাদের পরিচিত হয়ে ওঠবার পেশায় কোনরকম ক্ষতির আশঙ্কা দেখলে মৌনভাবে একত্র হন তাকে বাধা দেবার জন্য। রাজনীতিবিদদের পেশাগত অভিন্নতা যতটা তাদের একত্র করে তার চেয়ে দলের স্বতন্ত্রতা অনেক কম তাদের বিভক্ত করে থাকে। এইভাবে সুন্দর মানুষেরা জাতীয় মহান মানুষদের সম্পর্কে কল্পনাময় ছবি সংরক্ষণে সমর্থ হন। বিদ্যালয়ের শিশুদের ভাবতে বাধ্য করানো যে, খ্যাতি কেবলমাত্র উচ্চ-ধর্ম বা গুণের দ্বারাই অর্জিত হতে পারে। এটা সত্য যে কিছু কিছু অসাধারণ সময়ে রাজনীতিবিদরা বাস্তবে অসহ্য হয়ে উঠেছে এবং সর্বদা সেইসব রাজনীতিবিদরা যথার্থ সম্মানের জন্য বিবেচিত হন না যারা শিষ্টাচারবর্জিত ট্রেড ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। উদাহরণস্বরূপ, পারনেল প্রথমে খুনীদের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রাখার জন্য সফলতার সঙ্গে অভিযুক্ত হন এবং তারপর তাকে এমন অনৈতিকতার অভিযোগে সফলতার সঙ্গে অভিযুক্ত করা হয় যে অভিযোগের কথা কোন অভিযোগকারী স্বপ্নেও ভাবতে পারবে বলে মনে হয় না। আমাদের কালে ইউরোপের ক্যুনিস্ট এবং আমেরিকার চরমপন্থী দল ও শ্রমিক আন্দোলনকারীরা সীমার বাইরে অবস্থান করত। কোন সুন্দর মানুষদের বিরাট দল তাদের প্রশংসা করত না এবং যদি তাদের মধ্যে কেউ প্রথাগত আইনের বিপক্ষে যেত তবে তার কপালে কোনরকম ক্ষমা জুটত না। এইভাবে সুন্দর মানুষদের গতিহীন নৈতিক প্রথাসমূহ তাদের সম্পত্তির প্রতিরক্ষার সঙ্গে সংযুক্ত ছিল এবং এইভাবেই তাদের অপরিমেয় যোগ্যতা আর একবার প্রমাণ করা যায়।

    সুন্দর মানুষ যখনই কোন আনন্দ দেখে তখনই খুব সঠিকভাবে তাকে সন্দেহ করতে পারে। তারা জানে যে, সে যতটা প্রজ্ঞা (Wisdom) বাড়ায় ততটা দুঃখও বাড়ে এবং তারা অনুমান করে যে, সে যতটা দুঃখকে বাড়ায় ততটাই প্রজ্ঞাকে বাড়াতে পারে। এই কারণে তারা অনুভব করে যে দুঃখের প্রসারণে প্রজ্ঞার প্রসারণ হচ্ছে। কেননা প্রজ্ঞা চুনীর থেকেও বেশি মূল্যবান। তারা মনে করে যে এইরকম কাজ করে তারা সুবিচার করছে কেননা তা আখেরে লাভজনক হবে। উদাহরণস্বরূপ, তারা শিশুদের খেলার জন্য মাঠ তৈরি করে দেয় এই কারণে যাতে তারা নিজেদেরকে মানবপ্রেমিক মনে করতে পারে। তারপর সেখানে খেলবার জন্য এত শর্ত চাপায় যে কোন শিশুই সেখানে খেলে সুখী হয় না যতটা তারা সুখী হয় রাস্তায় খেলে। শিশুরা সেই খেলার মাঠ ও রঙ্গালয় কেবলমাত্র রবিবার দিনটি ছাড়া বাদবাকি দিনে পরিহার করে চলে, কেননা সেই দিনে সেগুলো সবার জন্য খোলা থাকে বলে তারা সেখানে আনন্দ করতে পারে। কর্মস্থলে যুবতী মহিলাদের যতদূর সম্ভব বাধা দেওয়া হয়ে থাকে যুবক পুরুষদের সঙ্গে কথা বলার ব্যাপারে। যতজন সুন্দর মানুষকে আমি চিনি তারা তাদের পরিবারের প্রিয়জন সম্পর্কে এই ধরণের আচরণই করে থাকে এবং তাদের শিশুদের তারা কেবলমাত্র নির্দেশিত কিছু খেলা খেলতে বাধ্য করে। যদিও আমি একথা বলতে দুঃখবোধ করছি যে সৌন্দর্যের এই ধরণের মাত্রা আগে যতটা ছিল এখন তা খুবই কম। পুরোনো যুগে শিশুদের শিক্ষা দেওয়া হত :

    ঈশ্বরের দণ্ডের একটি আঘাত হলে, ছোট্ট পাপী নরকে শীঘ্র যায় চলে। এর থেকে এটা বোঝা যায় যে শিশুরা খুব গোলমাল করলে বা যে কাজ তাদের জন্য মন্ত্রকেরা নির্দিষ্ট করে দেয়নি সেই রকম কাজে অতি প্রশ্রয় পেলে তাদের কপালে ওইরকম ঘটবে। এই দৃষ্টিভঙ্গি নির্ভর শিক্ষা যা ‘দ্য ফেয়ারী চাইল্ড ফ্যামিলি’তে দেওয়া হচ্ছে তা সুন্দর মানুষ তৈরির জন্য একটি অমূল্য সম্পদ। আমি কতিপয় পিতামাতাকে জানি যারা বর্তমানে এই ধরণের উচ্চ মাপের জীবনযাপন করে থাকেন। এটা খুব সাধারণ ধারণা হয়ে গেছে যে শিশুরা নিজেরাই আনন্দ করতে পারে এবং এটা খুব ভয়ের ব্যাপার যে যেসব শিশুরা এই ধরণের কোমল আদর্শের উপর শিক্ষিত হচ্ছে তারা যখন বড় হবে তখন আনন্দ পাবার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ভয়ঙ্কর ব্যাপার যে ঘটাবে না এমন নয়।

    এটাই আমার কাছে ভয়ের ব্যাপার যে সুন্দর মানুষদের সময়টা প্রায় শেষ হয়ে গেছে। দুটো বিষয় এই সময়টাকে শেষ করছে। প্রথম বিষয় হল এই ধরণের বিশ্বাস পোষণ করা যে সুখী হবার জন্য কোন কষ্ট বা ক্ষতিকে স্বীকার করতে হয় না এবং সুখী হবার ক্ষেত্রে কেউ কম যোগ্য নয়। দ্বিতীয় বিষয়টি হল বড় বড় কথা বলাকে অপছন্দ করা। এই অপছন্দটি নীতির মতোই সুন্দর। যুদ্ধের দ্বারা এই দুই ধরণের বিদ্রোহকে উৎসাহিত করা হয়েছিল তখন যখন সমস্ত দেশের সুন্দর মানুষেরা নিয়ন্ত্রিত নিশ্চয়তার মধ্যে ছিল এবং উচ্চ নৈতিকতার নামে তারা যুবক মানুষদের একে অন্যকে হত্যা করতে প্ররোচিত করেছিল। এসব মিটে গেলে পরে যারা বেঁচে রইল তারা এই ভেবে আশ্চর্য হয়ে গেল যে, উচ্চ-ধর্ম তৈরি করে সেই ধরণের বিদ্বেষ যা মিথ্যা ও দুর্দশাকে প্রেরণা দেয়। আমি এই ভেবে ভীত হই যে এইসব যুবক মানুষেরা সময় আসার আগেই না তাদের এই ধরণের বাস্তব ও উচ্চ ধরণের নীতিজনিত মৌলিক মতাদর্শকে গ্রহণ করতে প্রবৃত্ত হয়ে ওঠে।

    সুন্দর মানুষদের মূল বিষয়টি হল যে তারা সহযোগিতা মূলক ভাবে জীবনকে গড়ে তোলার প্রবণতা সম্পন্ন জীবনকে ঘৃণা করে। শিশুর গোলমাল এবং সর্বোপরি যৌনতা প্রভৃতি নিয়ে তাদের চিন্তা তাদের মর্যাদা আবিষ্ট করে রাখে। সংক্ষেপে সুন্দর মানুষ সর্বদাই সেই ধরণের মানুষ যাদের মন নোংরা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় রচনাবলী ২ (দ্বিতীয় খণ্ড)

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }