Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কেন আমি নাস্তিক – ভগৎ সিং

    ভগৎ সিং এক পাতা গল্প37 Mins Read0
    ⤶

    ০২. দি ড্রিমল্যান্ড-এর ভূমিকা

    দি ড্রিমল্যান্ড-এর ভূমিকা

    আমার মহান বন্ধু শ্রী এল রামশরণ দাশ তাঁর কাব্যগ্রন্থ দি ড্রিমল্যান্ড এর জন্য একটা ভূমিকা লিখে দিতে অনুরোধ করেছেন। আমি কবি বা সাহিত্যিক নই, সাংবাদিক অথবা সমালোচকও নই। সুতরাং কোনো কল্পনায়ই এ দাবির সমর্থন খুঁজে পাই না। অথচ যে অবস্থার মধ্যে আমি জড়িত হয়েছি, তাতে প্রশ্নের ভালমন্দ সম্পর্কে গ্রন্থকারের সঙ্গে আলোচনা করার কোনো সুযোগও আমার নেই। ফলত আমার বন্ধুর আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ করা ছাড়া অন্য কোনো পথও দেখি না।

    যেহেতু আমি কবি নই সেহেতু কবির দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আমি এর আলোচনা করতে যাচ্ছি না। ছন্দ সম্পর্কে আমার আদৌ কোনো জ্ঞান নেই এবং ছন্দের আদর্শ অনুযায়ী এর বিচার সঠিক হবে কিনা তাও জানি না। সাহিত্যিক নই বলে জাতীয় সাহিত্যে এর কঠিন স্থান নির্ণয় করার উদ্দেশ্যেও এর আলোচনা আমি করব না।

    যেহেতু আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী, সেজন্য কেবলমাত্র বড়জোর ঐ দৃষ্টিকোণ থেকে আমি এর আলোচনা করতে পারি। কিন্তু এখানেও একটা বিষয় আমার কাজটাকে অসম্ভব বা অন্তত খুবই কঠিন করে তুলেছে। নিয়ম মতো ভূমিকা সব সময়ই এমন ব্যক্তি দ্বারা লিখিত হয় যিনি গ্রন্থের বিষয়বস্তু সম্পর্কে গ্রন্থকারের সঙ্গে অন্তত এক মত। কিন্তু এখানে ব্যাপারটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমি আমার বন্ধুর সঙ্গে সব বিষয়ে একমত নই। তিনি জানতেন যে বেশ কয়টি মুখ্য বিষয়ে আমি তার থেকে ভিন্ন মত পোষণ করি। সুতরাং আমার লেখা আদৌ কোন ভূমিকা হবে না। বড়জোর তা হবে একটা সমালোচনা এবং এর স্থান গ্রন্থের প্রারম্ভে না হয়ে হবে শেষে।

    রাজনৈতিক ক্ষেত্রে দি ড্রিমল্যান্ড-এর স্থান গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান অবস্থায় আন্দোলনের একটা প্রধান শূন্যতাও এটি পূর্ণ করেছে, বস্তুতপক্ষে আমাদের ইতিহাসে এ পর্যন্ত কিছুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এমন সব রাজনৈতিক আন্দোলনেই যে আদর্শ তারা অর্জন করতে চান সে সম্বন্ধে ধারণার অভাব আছে। বিপ্লবী আন্দোলনও এর ব্যতিক্রম নয়। আমার সমস্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও আমি এমন কোনো বিপ্লবী দল খুঁজে পাইনি কিসের জন্য সংগ্রাম করছেন সে সম্পর্কে যাঁদের কোনো পরিষ্কার ধারণা আছে। একমাত্র ব্যতিক্রম হলো গদর পার্টি যারা ইউ এস এ ধরনের সরকার কর্তৃক অনুপ্রাণিত হয়ে পরিষ্কারভাবে ব্যক্ত করেছেন যে প্রজাতান্ত্রিক ধরনের সরকার দ্বারা বর্তমান সরকারের পরিবর্তন তারা করতে চান। অন্যান্য সকল দলেই এমন সব ব্যক্তি রয়েছেন যাদের একমাত্র আদর্শ বিদেশী শাসকদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা। আদর্শটি খুবই অভিনন্দনযোগ্য। কিন্তু তাকে বৈপ্লবিক আদর্শ বলে গণ্য করা যায় না। আমাদের এটা পরিষ্কার করে দিতে হবে যে বিপ্লব বলতে শুধুমাত্র একটা অভ্যুত্থান, রক্তাক্ত সংঘর্ষ বোঝায় না, বিপ্লব আবশ্যিকভাবে বর্তমানে প্রচলিত অবস্থার (অর্থাৎ রাজত্বের) পরিপূর্ণ ধ্বংস সাধনের পর, নতুন এবং সুউন্নত ভিত্তিতে সমাজে সুবিন্যস্ত পুনর্গঠনের কর্মসূচীকে বোঝায়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বই পড়ুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা গল্প
    Books
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বিনামূল্যে বই

     

    রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নরমপন্থীরা বর্তমান সরকারের অধীনেই কিছু সংস্কার চেয়েছিলেন, চরমপন্থীরা সেখানে আর একটু বেশি দাবি করেছিলেন এবং সেই উদ্দেশ্যে মৌলিক পন্থা অবলম্বন করতে প্রস্তুত ছিলেন। বিপ্লবীরা সব সময়েই চরমপন্থার অনুকূলে ছিলেন, উদ্দেশ্য একটিই, বিদেশী শাসন অপসারণ করা। সন্দেহ নেই, এমন কিছুও ছিলেন যারা ঐ উপায়ের মাধ্যমে কিছু সংস্কার সাধনের অনুকূলে ছিলেন। এইসব আন্দোলনকে সঠিকভাবে বিপ্লবী আন্দোলন বলে চিহ্নিত করা যেতে পারে না।

    কিন্তু এল রামশরণ দাশই হলেন প্রথম বিপ্লবী যাকে পাঞ্জাব প্রদেশে আত্মগোপনকারী এক বাঙালী বিপ্লবী ১৯০৮ সালে দলভুক্ত করেন। তখন থেকে তিনি বিপ্লবী আন্দোলনের সংস্পর্শে আসেন এবং শেষ পর্যন্ত গদর পার্টিতে যোগদান করেন যদিও আন্দোলনের আদর্শরূপে তারা যা গ্রহণ করেছিলেন সেই পুরনো ধারণাগুলো তিনি ধরে রেখেছিলেন। এই বইয়ের চমৎকারিত্ব ও মূল্যের সঙ্গে আরও একটা জিনিস যোগ করে দিতে হয়। এল রামশরণ দাশকে ১৯১৫ সালে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয় এবং পরে সেই দণ্ডাদেশ মকুব করে যাবজ্জীবন দ্বীপান্তরের আদেশ হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের সেলে নিজে বসে থেকে আজ আমি পাঠকদের প্রামাণিকভাবে জানিয়ে দিতে পারি যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করা তুলনামূলকভাবে মৃত্যুদণ্ডাদেশের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন। এল রামশরণ দাশকে বাস্তবিক চৌদ্দ বৎসর কারাদন্ড ভোগ করতে হয়েছিল। দক্ষিণাঞ্চলের কোনো এক কারাগারে তিনি এই কবিতা লিখেছেন। গ্রন্থকারের তখনকার মানসিক অবস্থা ও দ্বন্দ্বের ছাপ কবিতার ওপর পড়েছে এবং একে অধিকতর আকর্ষণ করে তুলেছে। তিনি যে লিখবেন তা ঠিক করার পূর্বে তাকে নৈরাশ্যময় মানসিক অবস্থার সঙ্গে কঠোর সংগ্রাম করতে হয়েছিল। তাঁর অনেক সহকর্মীকেই তখন মুচলেকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছিল। তার এবং প্রত্যেকের মধ্যেই কাজ করছিল এই লোভ। স্ত্রী ও সন্তানদের মধুর করুণ স্মৃতি যখন মুক্তির ইচ্ছাকে প্রবলতর করছিল তখন তাঁকে ঐ সবের মনোবল ভঙ্গকারী পরিণতির বিরুদ্ধে কঠোর সংগ্রাম করতে হয়েছিল। সে সময়ই তাঁকে এই কাজের প্রতি মনোযোগ আকৃষ্ট করতে হয়। এ জন্য প্রারম্ভিক অনুচ্ছেদে আমরা তার আকস্মিক বিস্ফোরণ দেখতে পাই–

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    সাহিত্য পত্রিকা
    ই-বুক রিডার
    Library
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    PDF

     

    বিষধরা সপিণীর আবেষ্টনী সম
    দারা-শিশু-বন্ধুজন আছে যত মম।

    শুরুতে তিনি দর্শন আলোচনা করেছেন। বাংলা ও পাঞ্জাবের সমস্ত বিপ্লবী আন্দোলনের মেরুদণ্ড হচ্ছে এই দর্শন। এ প্রশ্নে আমার সঙ্গে তাঁর বিস্তর মত-পার্থক্য। বিশ্বজগৎ সম্পর্কে ব্যাখ্যা উদ্দেশ্যবাদী ও আধ্যাত্মিক। সেখানে আমি বাস্তববাদী ও ঘটনা সম্পর্কে আমার ব্যাখ্যা হবে কার্যকারণিক। তা সত্ত্বেও, কোনো মতেই তা স্থান ও কালের বাইরে নয়। তিনি যে ধারণা ব্যক্ত করেছেন, আমাদের দেশে তা-ই অধিকতর পরিচিত। বিষন্ন মানসিক অবস্থার সঙ্গে লড়াই করার জন্য তিনি প্রার্থনা করতে আরম্ভ করেন। এটা পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় তাঁর পুস্তকের শুরুটা যেভাবে ঈশ্বর, তাঁর স্তুতি, তাঁর সংজ্ঞা ইত্যাদিতে পূর্ণ, তা থেকে। ঈশ্বরে বিশ্বাস হচ্ছে, অতীন্দ্রিয়বাদের

    পরিণাম, যে অতীন্দ্রিয়বাদ হলো হতাশার স্বাভাবিক পরিণতি। এ পৃথিবী যে মায়া, অথবা মিথ্যা, একটা স্বপ্ন বা অলীক কাহিনী, ঐ হচ্ছে পরিষ্কার অতীন্দ্রিয়বাদ যা শঙ্করাচার্য প্রমুখ প্রাচীন যুগের হিন্দু ঋযিদের দ্বারা সৃষ্ট ও প্রচারিত। কিন্তু, বস্তুবাদী দর্শনে এ ধরনের চিন্তাভাবনার আদৌ কোনো স্থান নেই। তবে গ্রন্থকারের এই অতীন্দ্রিয়বাদ কোনমতেই হীন বা নিন্দনীয় নয়। এর নিজস্ব একটা সৌন্দর্য ও মাধুর্য রয়েছে। ধারণাগুলি উদ্দীপনাপূর্ণ। দেখুন শুধু–

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    Library
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বইয়ের
    সাহিত্য পত্রিকা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা উপন্যাস

     

    চোখের আড়ালে যে ভিত
    কি আনন্দে বিরাট সৌধ বুকে রেখেছে
    অনেক যন্ত্রণার প্রকৃত আশ্রয়স্থল
    পার্থিব সব প্রশস্তি যেখানে বর্ষিত
    সেই মসৃণ শীর্ণ ফলককে হিংসা করো না।

    আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে নিঃসন্দেহে আমি বলতে পারি যে গোপনীয় কাজে আশাহীন ও ভয়হীন অবস্থায় যখন কোনো মানুষ অবিরাম বিপদের মধ্যে জীবন অতিবাহিত করে, অজ্ঞাত, অসম্মানিত ও অ-নন্দিত অবস্থায় জীবন বিসর্জন দিতে সর্বদাই প্রস্তুত থাকে তখন এই ধরনের অতীন্দ্রিয়বাদ দ্বারা তার ব্যক্তিগত প্রলোভন ও আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে লড়াই না করে সে পারে না। এই অতীন্দ্রিয়বাদ মনোবল ভঙ্গকারী নয়, পরবর্তী যে বিষয় নিয়ে তিনি আলোচনা করেছেন তা যে বিপ্লবীদের মানসিকতা। এল রামশরণ দাশ ছিলেন এমন একটি বিপ্লবী দলের সদস্য অনেক হিংসাত্মক কাজকর্মের জন্য যাদের দায়ী করা হয়। কিন্তু কোনো মতেই তা প্রমাণ করে না যে বিপ্লবীরা হলো রক্তপিপাসু দস্যু বিশেষ যারা ধ্বংসের মধ্যে আনন্দ খুঁজে পায়। পড়ুন–

     

    আরও দেখুন
    PDF
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা গল্প
    Library
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা কবিতা
    বাংলা সাহিত্য

     

    প্রয়োজনে বাহ্যত হয় বন্য
    হৃদয়ে রেখো মিগ্ধ কোমলতা
    দংশন নয়, ছোবলে ফুঁসে ওঠা
    বাইরে কঠিন অন্তরে প্রেম ধন্য।

    নির্মাণের জন্য ধ্বংস শুধু প্রয়োজনীয় নয় অপরিহার্যও বটে। বিপ্লবীদের তাদের কর্মসূচীর মধ্যে একে আবশ্যক উপাদানরূপে গ্রহণ করতে হয় এবং হিংসা ও অহিংসার দর্শন উপরের পংক্তিগুলিতে অতি চমৎকারভাবে বর্ণিত হয়েছে। এক সময় লেনিন গোর্কিকে বলেছিলেন যে তিনি এমন কোনো সঙ্গীত শুনতে পারেন না যা তার সমগ্র স্নায়ুতন্ত্রকে বিকল করে দেয় এবং শিল্পীর মাথায় তখন চাপড় মারার ইচ্ছা জাগে। তিনি বলেছেন, কিন্তু এ মাথা চাপড়ানোর সময় নয়। হাত এখন এগিয়ে এসেছে মাথার খুলি ভেঙে দেওয়ার জন্য যদিও আমাদের চরম লক্ষ্য হচ্ছে সমস্ত রকমের হিংসার অবসান ঘটানো। প্রচণ্ড প্রয়োজনের তাগিদে বিপ্লবীরা যখন সহিংস পন্থা অনুসরণ করেন তখন তারা সত্যই একথা অনুভব করেন।

    গ্রন্থকার এর পরে পরস্পর-বিরোধী বিভিন্ন ধর্মমত নিয়ে আলোচনা করেছেন। সমস্ত জাতীয়তাবাদীরা যেমন চেষ্টা করেন তিনিও তেমনি তাদের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধানের চেষ্টা করেছেন। সমস্যা সমাধানের জন্য তাঁর যে পদ্ধতি তা দীর্ঘ ও ঘোরালো, যদিও আমি হলে কার্ল মার্কসের একটি কথা দিয়েই তা নাকচ করে দিতাম, ধর্ম হচ্ছে জনগণের পক্ষে আফিং।

    সর্বশেষে আসে তার কবিতার সবচেয়ে প্রধান অংশ যেখানে তিনি যে ভবিষ্যৎ সমাজ আমরা সকলেই সৃষ্টি করতে চাই তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। কিন্তু প্রথমেই আমি একটি কথা পরিষ্কার বলতে চাই। দি ড্রিমল্যান্ড হচ্ছে একটি যথার্থ স্বপ্ন রাষ্ট্র। নামকরণের মধ্যেই গ্রন্থকার অকপটে তা স্বীকার করে নিয়েছেন। ঐ বিষয়ে কোনো বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব লিখেছেন এমন ভাণও তিনি করেননি। ড্রিমল্যান্ড-এর নামকরণ তা বেশ ভালভাবেই পরিষ্কার করছে। কিন্তু স্বপ্ন রাষ্ট্র নিঃসন্দেহে সামাজিক প্রগতিতে এক বিরাট ভূমিকা পালন করে। সেন্ট সাইমন, ফুরিয়ের ও রবাট ওয়েন্ এবং তাদের তত্ত্ব ব্যতীত বৈজ্ঞানিক মার্কসীয় সমাজতন্ত্র আসত না। এল রামশরণ দাশের স্বপ্নরাষ্ট্র ঐ একই স্থান দখল করে। যখন আন্দোলনের দর্শনকে প্রণালীবদ্ধ করার এবং আন্দোলন সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করার গুরুত্ব আমাদের কাজে উপলব্ধি করা যাবে তখন এই বইটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠবে।

     

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা কমিকস
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    ই-বই ডাউনলোড

     

    আমি বলেছি যে প্রকাশভঙ্গিটা স্থূল রকমের। যখন তিনি স্বপ্নরাষ্ট্র নিয়ে আলোচনা করছেন তখন কোনো মতেই বর্তমান সমাজের ধ্যানধারণার সংস্পর্শ থেকে তিনি দূরে থাকেননি।

    যাদের প্রয়োজন তাদের ভিক্ষা দেওয়া ভবিষ্যৎ

    সমাজে অর্থাৎ যে সাম্যবাদী সমাজ আমরা প্রতিষ্ঠা করতে চাই সেখানে আমরা দাতব্য প্রতিষ্ঠান খুলতে যাচ্ছি না। অভাবগ্রস্ত ও দরিদ্র সেখানে থাকবেই না, থাকবে না ভিক্ষা দান ও ভিক্ষা গ্রহণ। তা সত্ত্বেও সমস্যাটা অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

    যে সাধারণ রূপরেখা তিনি উপস্থাপিত করেছেন তা একেবারে বৈজ্ঞানিক সমাজবাদের রূপরেখার মতোই। কিন্তু এমন বিষয়ও আছে যার প্রতিবাদ, বিরুদ্ধতা বা সঠিকভাবে বলতে গেলে সংশোধন করতে হবে। দৃষ্টান্তস্বরূপ ৪২৭ নং স্তবকের পাদটীকায় তিনি লিখেছেন যে, জীবিকা অর্জনের জন্য সরকারী কর্মচারীদের প্রত্যহ চার ঘন্টা খাটতে হবে। এটা কিন্তু কাল্পনিক ও অকার্যকরী। এ বরং বর্তমান অবস্থার প্রতি ঘৃণার ফল যে ব্যবস্থায় সরকারী কর্মচারীদের অযৌক্তিকভাবে অনেক বেশি বেতন দেওয়া হয়ে থাকে। বস্তুতপক্ষে বলশেভিকদেরও স্বীকার করতে হয়েছিল যে মানসিক পরিশ্রম শারীরিক পরিশ্রমের মতোই সৃজনশীল। ভবিষ্যৎ সমাজব্যবস্থায় যখন সাম্যের ভিত্তিতে সমাজের বিভিন্ন অপরিহার্য অংশের সম্বন্ধ প্রতিষ্ঠিত হবে তখন উৎপাদনকারী ও বন্টনকারী উভয়েই সমান গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হবে। কোনো নাবিক প্রতি চব্বিশ ঘন্টা অন্তর একবার তার জাহাজ থামিয়ে জীবিকা অর্জনের উদ্দেশ্যে চার ঘন্টার প্রাত্যহিক শ্রম করার জন্য অবতরণ করবে কিংবা কোনো বৈজ্ঞানিক মাঠে তার নির্ধারিত অংশের শ্রমটুকু করার জন্য তার গবেষণাগার ও পরীক্ষণ ছেড়ে আসবে তা কেউ আশা করতে পারে না। এরা দুজনেই উৎপাদনশীল শ্রম করছে। কেবলমাত্র পার্থক্য হলো সমাজতান্ত্রিক সমাজ আশা করে না যে আর কখনও বুদ্ধিজীবীরা শারীরিক শ্রমজীবীদের থেকে উন্নততর বলে গণ্য হবে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    উপন্যাস সংগ্রহ
    Books
    অনলাইন বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা কবিতা
    বুক শেল্ফ
    সেবা প্রকাশনী বই
    বই পড়ুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

     

    এল রামশরণ দাশের অবৈতনিক শিক্ষা সংক্রান্ত ধারণা সত্যি সত্যিই বিবেচনার যোগ্য এবং রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রায় একই পথ গ্রহণ। করেছে।

    বাস্তবিকপক্ষে সব থেকে বেশি অগ্রগামী চিন্তার ধারক অপরাধ সম্পর্কে তাঁর আলোচনা, অপরাধ হচ্ছে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি সমস্যা যা অত্যন্ত কুশলী হস্তক্ষেপ দাবি করে। তিনি তাঁর জীবনের একটা বড় অংশ জেলে কাটিয়েছেন, প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা তাঁর আছে, এক জায়গায় তিনি হাল্কা শ্রম, মাঝারি শ্রম, কঠোর শ্রম প্রভৃতি একেবারে জেলের ভাষা ব্যবহার করেছেন। অন্যান্য সকল সমাজতন্ত্রীর মতোই তিনি প্রতিশোধাত্মক তত্ত্বের পরিবর্তে সংশোধনাত্মক তত্ত্বের পক্ষে অভিমত দিয়েছেন। শাস্তিদান, সংশোধনই বিচারের পরিচালিকা শক্তি হিসাবে গৃহীত হওয়া উচিত। জেলগুলো যথার্থ নরক না হয়ে সংশোধনাগার হওয়াই বাঞ্ছনীয়। এই প্রসঙ্গে রাশিয়ার ব্যবস্থা সম্পর্কে পাঠকের জ্ঞানার্জন করা উচিত।

    সেনাবাহিনী নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি যুদ্ধ সম্পর্কেও আলোচনা করেছেন, আমার মতে তখন যুদ্ধের স্থান হবে জ্ঞানকোষের কয়েকটি পৃষ্ঠায় মাত্র। যুদ্ধের সরঞ্জাম মিউজিয়ামের লম্বা বারান্দায় শোভাবর্ধন করবে, কারণ বিরুদ্ধ বা বিভিন্ন স্বার্থ যা থেকে যুদ্ধের জন্ম হয় তা থাকবে না।

    খুব বেশি হলে আমরা বলতে পারি যুগ পরিবর্তনের সময় প্রতিষ্ঠানরূপে যুদ্ধকে রাখতে হবে। আমরা যদি আধুনিক রাশিয়ার দৃষ্টান্ত নিই তাহলে সহজেই ব্যাপার হৃদয়ঙ্গম করতে পারি। সেখানে বর্তমানে সর্বহারার একনায়কত্ব। তারা সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চায়, ধনতান্ত্রিক সমাজের বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করার জন্য ইতিমধ্যে তাদের একটা সেনাবাহিনী রাখতে হয়। কিন্তু যুদ্ধের লক্ষ্য হবে ভিন্নতর। সাম্রাজ্যবাদী উদ্দেশ্য আর আমাদের স্বপ্নের দেশের লোকেদের যুদ্ধ বাধাতে প্ররোচিত করবে না, যুদ্ধ জয়ের জন্য আর কোনো স্মৃতিচিহ্ন থাকবে না। শাসন করার জন্য বা জনগণকে লুণ্ঠন করার জন্য অন্য দেশে বিপ্লবী সেনাবাহিনী অবতরণ করবে না। তারা সিংহাসন থেকে নামিয়ে আনবে পরাভূত শাসকদের, বন্ধ করবে তাদের রক্তচোষা শোষণ এবং এভাবে শ্রমজীবী মানুষের মুক্তি আনবে। কিন্তু আমাদের মানুষগুলোকে যুদ্ধে প্রবৃত্ত করার জন্য আদিম যুগের জাতীয় বা জাতিগত বিদ্বেষ থাকবে না।

    সমস্ত স্বাধীনচেতা মানুষের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রত্যক্ষ লক্ষ্য হচ্ছে ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন এবং গ্রন্থকার বেশ ভালভাবেই সবিস্তারে এ বিষয়ে বলেছেন এবং তার তথাকথিত লীগ অব নেশনস-এর আলোচনা খুবই সুন্দর।

    সংক্ষিপ্ত করে হলেও গ্রন্থকার ৫৭১ (৫৭২) নং স্তবকের পাদটীকায় পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, দৈহিক সহিংস বিপ্লবের মাধ্যমে এ ধরনের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করা যায় না। বাহির থেকে সমাজের উপর একে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া যায় না। ভিতর থেকে এর বিকাশ ঘটাতে হবে ………। বিবর্তনের ক্রমিক ধারার উপরে উল্লিখিত উপায়ে শিক্ষিত করে তুলে তা প্রতিষ্ঠা করা যায়। ইত্যাদি। এ বিবৃতিতে এমনিতে কোনো অসামঞ্জস্য নেই। এ সম্পূর্ণ সঠিক। কিন্তু সম্পূর্ণভাবে ব্যাখ্যাত না হওয়ায় কিছু ভুল বোঝাবুঝির অথবা আরও খারাপ হলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতে পারে। এ কি এই বোঝায় যে এল রামশরণ দাশ অহিংস আন্দোলনের অযাথার্থতা হৃদয়ঙ্গম করেছেন? তিনি কি অহিংসায় গোঁড়া বিশ্বাসী হয়ে গিয়েছেন? না, তা বোঝায় না।

     

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা কবিতা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ই-বই

     

    উপরে উদ্ধৃত বিবৃতি কি বোঝায় তা ব্যাখ্যা করা যাক। বিপ্লবীরা অন্যদের চেয়ে ভালভাবেই জানেন যে সমাজতান্ত্রিক সমাজ শুধুমাত্র সহিংস উপায়ে আনা যায় না। ভিতর থেকে এর বিকাশ ও বিবর্তন ঘটা উচিত। গ্রন্থকার প্রয়োগের জন্য শিক্ষাকেই একমাত্র অস্ত্র বলে মত দিয়েছেন। কিন্তু প্রত্যেকে সহজেই বুঝতে পারেন যে এখানে বর্তমান সরকার বা বস্তুতপক্ষে সমস্ত ধনতান্ত্রিক সরকার এ ধরনের প্রচেষ্টাকে সাহায্য তো করবেই না বরং উল্টোদিকে নির্দয়ভাবে তাকে দমন করবে। তাহলে তার বিবর্তন কি অর্জন করবে? আমরা বিপ্লবীরা আমাদের হাতে সকল ক্ষমতা অধিকার করার এবং বিপ্লবী সরকার সংগঠিত করার চেষ্টা করছি যে সরকার জনশিক্ষার জন্য তার সমস্ত শক্তি নিয়োগ করবে যেমনটি বর্তমান রাশিয়ায় ঘটছে। ক্ষমতা দখলের পর গঠনকাজে শান্তিপূর্ণ উপায় প্রয়োগ করা হবে, বাধা অতিক্রম করার জন্য বলপ্রয়োগ করা হবে। গ্রন্থকার যদি তাই বুঝিয়ে থাকেন তা হলে আমরা একমত তিনি যে এটাই বোঝাতে চান সে সম্পর্কে আমি দৃঢ়ভাবে আস্থাশীল।

    আমি পুস্তকটির বিস্তৃত আলোচনা করেছি, বরং বলা যায় সমালোচনা করেছি। কিন্তু এর কোনো সংশোধন করতে আমি বলব না, কারণ এর একটা ঐতিহাসিক মূল্য আছে। এগুলি হলো ১৯১৪-১৫ সালের বিপ্লবীদের মনোভাব।

     

    আমি বিশেষ করে তরুণদের জন্য এ বইটি অনুমোদন করি–কিন্তু একটি সতর্কবাণীসহ। অন্ধভাবে অনুসরণ করার জন্য এ বই পড়বেন না এবং এতে যা লেখা আছে তা বেদবাক্য বলে গ্রহণ করবেন না। পড়ুন, সমালোচনা করুন, এ সম্পর্কে চিন্তা করুন এবং এর সাহায্যে আপনার নিজস্ব মতামত গঠন করতে চেষ্টা করুন।

    ⤶
    1 2
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো
    Next Article নাট্যশাস্ত্রম – ভরতমুনি
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }