Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কেবলই ছায়া – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেবলই ছায়া – ২

    দুই

    পাখি ডাকে। শহরেও পাখি ডাকে। চরণদাসের বিলে ভোরে পদ্ম ফোটে। জলপিপি নেচে নেচে বেড়ায়। বিলের উত্তরে একটা পাথর পড়ে আছে। ওই পাথরে বসে বাবা মাছ ধরতেন। আমি কতদিন পাশে বসে বসে মাছ ধরা দেখেছি। সেই ছিপ আর হুইলটা পড়ে আছে। মানুষ চলে গেছেন কোথায় কে জানে! কেউ বলতে পারে না, মানুষ আসে কোথা থেকে, মানুষ যায় কোথায়!

    গ্রামের মেলা থেকে একবার একটা বেলুন কিনেছিলুম। ঘোর বেগুনি রঙের। গায়ে যেন মেঘ ভাসছে। নাড়াচাড়া করতে করতে দুম করে ফেটে গেল। প্রায় কেঁদে ফেলি আর কি। এমন সময় পেছন দিক থেকে কাঁধের ওপর ভারী একটা হাত এসে পড়ল। চমকে তাকিয়ে দেখি গেরুয়া পরা এক সন্ন্যাসী। সাদা সাদা দাড়ির ফাঁকে ফরসা টকটকে মুখ। চোখ দুটো যেন হিরের মতো জ্বলছে। ঠোঁটে অল্প একটু হাসি,

    কী হল রে?

    বললুম, ফেটে গেল, আমার বেলুন।

    কাঁদছিস কেন? বোকা। ভেতরের হাওয়া বাইরের হাওয়া মিশে গেল।

    সবই তো হাওয়ারে গাধা। খোলসের কী দাম আছে। সেটা তো একটুকু হয়ে চামচিকির মতো পড়ে আছে তোর পায়ের কাছে।

    আয় বোস এখানে।

    বটতলার ফাটা বেদিতে আমরা দুজনে বসলুম। সন্ন্যাসীর সারা গা থেকে কেমন একটা মন্দির মন্দির গন্ধ বেরোচ্ছে। মনে হচ্ছে পাশেই যেন ধূপ জ্বলছে। আমার মুখের খুব কাছেই তাঁর হাসি হাসি মুখ। আমার কাঁধ ধরে একটা ঝাঁকুনি মেরে বললেন, শোন তাহলে একটা গান ধরি।

    হাতের মুঠোয় আঙুলের টোকা মেরে মেরে সন্ন্যাসী গান ধরলেন, সেই গান আজও ভুলিনি।

    কে ধরবি ধর তারে হুমা কলে জ্বলছে বাতি,

    হাওয়া তার বাহিরে।।

    আগুন, পানি, মাটি, হাওয়া, এই চারজন কেবল আসা যাওয়া,

    আছে মানুষ ত্রিপিনি বাঁকা, কোনখানে বসে কল ঘুরাইছে রে।

    হাওয়ার খবর যে পাইয়াছে, সে বুঝি বাইরে পইড়াছে

    চশমার নিরিখ যে মাইরাছে মন্দিরে মানুষ ধইরাছে রে।।

    যেমন গলা তেমনি সুর। দেখতে দেখতে চারপাশে লোক জড়ো হয়ে গেল। ভিড় দেখে সন্ন্যাসী গান থামিয়ে ঝট করে উঠে পড়লেন। চল্লুম রে, তোর সঙ্গে পরে আবার দেখা হবে।

    মাঠ—ময়দান ভেঙে হনহন করে চলে গেলেন। দূর থেকে দূরে। মানুষের ভয়ে পালিয়ে গেলেন। মানুষকে এত ভয়! গানের কী মানে! হুমা কলে জ্বলছে বাতি। বাতি মানে কী প্রাণ? তাই হয়তো হবে। আছে মানুষ ত্রিপিনি বাঁকা। তারই বা কী মানে?

    আজ আমার জীবনকাহিনি লিখতে বসে, দেখতে পাচ্ছি, অনেক কিছুরই মানে জানি না। নিজের মতো মানে করে ভাবে বিভোর হয়ে আছি। সারাটা জীবন ভাবের ঘোরে থেকেছি বলেই জীবন কখনও আমাকে কাবু করতে পারেনি। কত মানুষই তো দেখলুম! উঠল, পড়ল, রাজা ফকির হল, ফকির রাজা হল। আমি কী থেকে কী হলুম আজও জানা হল না। খালি গুনগুন করি, কে ধরবি ধর তারে হুমা কলে জ্বলছে বাতি।

    আমার পাগলামামা কোথা থেকে একটা তোলা উনুন নিয়ে এলেন। উঠোনে সেটা নামিয়ে নৃত্য শুরু করলেন, দিদির সংসার শুরু হয়ে গেল। ওরে তোরা তোপধ্বনি কর। ওই ফাগুনের আগুন লাগে, তোরা সব তোপধ্বনি কর। একপাশে একটা অ্যালুমিনিয়ামের তাল—তোবড়ানো হাঁড়ি পড়েছিল, সেইটাকে বুকের কাছে চেপে ধরে, পটপটাপট বাজাতে লাগলেন। দোতলার সেই মেয়েটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে খিলখিল করে হাসছে আর বলছে, বাঃ, বাঃ, ঘুরে ঘুরে হোক, ঘুরে ঘুরে হোক। মা বললেন, একটা উনুন এনে খুব তো নাচন—কোঁদন হচ্ছে, কয়লা কোথায়, ঘুঁটে কই, চাল, ডাল, আলু, পটল, এসব আসবে কোথা থেকে?

    মাতুল বললেন, ভেবো না, ভেবো না সই। যে খায় চিনি, তারে জোগান চিন্তামণি। ভাবিতে উচিত ছিল প্রতিজ্ঞা যখন। নাঃ, ডায়ালগটা ঠিক হল না। ওটার সঙ্গে এটা যায় না।

    রকে থেবড়ে বসে পড়লেন। সামনে নতুন তোলা উনুন ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে। মামা কপালে টোকা মারতে লাগলেন।

    ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলুম, অমন করছ কেন গো?

    খিঁচিয়ে উঠলেন, গাঁইয়াদের মতো গো গো করসিনি তো। সব কথাতেই গো। জানিস, মাথা হল নস্যির ডিবে। বুদ্ধি হল নস্যি। যত টোকা মারবি তত থিতোবে। পয়সা রোজগার হল বুদ্ধির কাজ। বুদ্ধুর কাজ নয়, চুপ কর পাশে বোস। বুদ্ধিতে একটু ঢেউ তুলি।

    সে আবার কী জিনিস বাবা! নদীতে ঢেউ তোলা যায়, বুদ্ধি কি নদী!

    মামা কপাল চাপড়াতে চাপড়াতে বললেন, জানিস তো বুদ্ধির দোষে হা ভাত, বুদ্ধির গুণে খা ভাত। কী বুঝলি?

    দাদু বলতেন, বুদ্ধির্যস্য বলং তস্য নির্বুদ্ধেস্তু কুতঃ বলং।

    বাঃ বাঃ, এইটেই হবে। বেশ ভালো রোজগার হবে। শোন আমরা হলুম বামুনের ছেলে কেমন? আমারও পইতে আছে, তোরও পইতে আছে।

    আমার তো এখনও পইতে হয়নি।

    ও হয়ে যাবে। কতক্ষণের আর ব্যাপার! আমারটা বেশ মোটা, হাফাহাফি করে পরা যাবে।

    পইতে পরলেই রোজগার?

    তুই একটা গবেট গাধা। মানুষের মতো দেখতে হলে হবে কী! মাথায় তোর মা ভগবতীর পেছনের ভড়ভড়ে জিনিস ঠাসা। আচ্ছা বল তো, মানুষ কীসে কীসে খরচা করে?

    এক খিদে পেলে করে, আর অসুখ করলে করে।

    মন্দ বলিসনি, তবে সে খরচ আর কত? খরচের মতো খরচ করে, ভেগে আর ধর্মে, তার মানে পাপে আর পুণ্যে। মামা হয়ে তোকে পাপের কথা বলি ক্যামনে। তাছাড়া সে পথে যে টাকা উড়ছে তা ধরার ক্ষমতা আমাদের নেই। আমরা ধর্মের পথে রোজগার করব এই পইতের জোরে। ভাগনে তাহলে হাতে হাত মেলাও।

    তুমি যে কী বলতে চাইছ আমার মাথায় ঢুকছে না। পইতে গলায় লোকের সামনে দাঁড়ালেই টাকা দিয়ে দেবে?

    আজ্ঞে না। টাকা রোজগার অত সহজ নয়। আমরা দুজনে পুরুতগিরি করব। বড়ো বড়ো যজমান ধরব। দোল, দুর্গোৎসব, সত্যনারায়ণ। আরে মূর্খ বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। নে ওঠ, লেগে পড়ি। পইতেটা ভাগাভাগি করে পরি।

    তারপর?

    তারপর সে হবে এক ধুন্ধুমার কাণ্ড। যজমান ধরিব খাইব সুখে। ঘি, আলোচাল, ফল, সন্দেশ, দই, ঘোল। ওঃ তোফা তোফা। মিছে কেন ভাবনা করিস মন, এবার হবে গোদের ওপর বিষফোঁড়া। ওরে কেন ভাবনা করিস মন—

    মামা আবার নাচতে লাগলেন।

    দোতলার বারান্দা থেকে বাঘের মতো গলায় মহীতোষবাবু বললেন, কী হল হে ভবতারণ? অত নর্তন—কুর্দন কীসের? রেঞ্জার্সের লটারি পেলে নাকি?

    আজ্ঞে না দোদা, একটা তোলা উনুন পেয়েছি।

    অ্যাঁ, তোলা উনুন! লাস্ট প্রাইজ বুঝি?

    আজ্ঞে প্রাইজ না। হাফ প্রাইসে কিনলুম।

    উনুন হাফ প্রাইসে? সে কী হে, উনুনও সেকেন্ড হ্যান্ড পাওয়া যায়?

    ওই যে কোর্টের অর্ডারে মোড়ের বাড়ির ভাড়াটের মালপত্তর সব ক্রোক করলে। বেলিফের হাতে একটা আধুলি গুঁজে দিয়ে পাশ থেকে সুট করে উনুনটা তুলে নিয়ে এলুম। হেঃ হেঃ বাবা, আমার নাম গ্রেট ভবতারণ মুকুজ্যে। ইংরেজিতে জি বি টি এম।

    বেশ উনুন তো হল, এবার ঘুঁটে, কয়লা, চাল, ডাল, তেল, নুনের কী হবে?

    হবে, হবে, সবই হবে। ভগবান যখন দেন ছপ্পর ফুঁড়ে দেন, আবার যখন নেন ছিবড়ে করে নেন।

    তাহলে আকাশের দিকে দু—হাত তুলে নাচো, নেচে যাও—আল্লা ম্যাঘ দে, আল্লা পানি দে।

    শুঁড় তোলা চটির ফ্যাট ফ্যাট আওয়াজ তুলে মহীতোষবাবু নিচে নেমে এলেন। একেবারে মহাদেবের মতো চেহারা। ঘাড়ের কাছে লুটোচ্ছে বড়ো বড়ো চুল। পরে আছেন সিল্কের ধুতি। সিল্কের গেঞ্জি। কপালে এতখানি একটা সিঁদুরের টিপ। নিচের উঠোনে নেমে গমগমে গলায় ডাকলেন, কই আমার দিদি কোথায়? দিদি, দিদি!

    মা ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন। ভেবেছিলুম খুব ভয়, কি লজ্জা পাবেন। না, একেবারে সহজ, সরল। মাথায় ঘোমটাও নেই। বেরিয়ে এসে বললেন, এই যে ভাই।

    মায়ের ব্যবহারে অতবড়ো মানুষটা থতোমতো খেয়ে গেলেন। মাকেও অসাধারণ দেখাচ্ছে। স্বপ্নে দেখা দেবীর মতো। মায়ের চোখ দুটো কী সুন্দর!

    মহীতোষবাবু নিচু হয়ে মায়ের পায়ের ধুলো নিলেন। ভেবেছিলুম মা হয়তো সরে যাবেন। স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন মন্দিরের দেবীর মতো।

    মহীতোষবাবুর মাথার পেছনে হাত রেখে আস্তে আস্তে বললেন, সব বিপদ কেটে যাক, তুমি জয়ী হও।

    মহীতোষবাবু ছলছলে চোখে বললেন, আমি মদ্যপ, আমি পাপী, আমি থিয়েটারে অভিনয় করি।

    মা বললেন, সে তো তোমার বাইরেটা। তোমার ভেতর?

    ভেতরের খবর আমি রাখি না। আমি বাইরে নিয়েই মেতে আছি।

    আমরা তো কেউই চন্দ্র—সূর্যের খবর রাখি না, তাঁরা কিন্তু তাঁদের কাজ ঠিক করে যাচ্ছেন। তোমার ভেতর, ভেতরের কাজ ঠিকই করে যাচ্ছে। যাকে অনেকে মানে জানবে তার ভেতর ঈশ্বর আছেন।

    মহীতোষবাবু বললেন, তুমি যখন ভবতারণের দিদি তখন আমারও দিদি। ঠিক কিনা!

    মা হাসলেন।

    তাহলে তোমার সব ভার আমার।

    মা আবার হাসলেন। হেসে বললেন, তুমি আমার মধ্যে এমন কী পেলে?

    বড়ো শান্তি পেলুম। আমার ভেতরটা সবসময় আগুনের মতো জ্বলে। তোমার সামনে এসে দাঁড়াতেই মনে হল গঙ্গায় অবগাহন করেছি। আমার রাত একরকম। সূর্য যত নিচে নামতে থাকে, অন্ধকার যত ঘনিয়ে আসে, পোড়ো মন্দিরের ছাদ থেকে ঝুলে থাকা বাদুড় একটা একটা করে উড়ে যায়। পৃথিবীর যেখানে যত উদ্যান আছে, সেখানের গাছে গাছে তাজা ফলে বসে চুষতে থাকে। সারারাত। যতক্ষণ না ভোর হচ্ছে। আমি দিনে এক মানুষ, রাতে আর এক মানুষ।

    মামা ফটফট করে হাততালি দিয়ে বললেন, এনকোর, এনকোর। কী ডায়লগ!

    মহীতোষবাবু ঘুরে দাঁড়িয়ে বললেন, এই গাধা এদিকে আয়।

    ছেলেবেলায় শুনে শুনে ছড়া কাটতুম, মামা ধামা বাজাব। মামি এলে স্যাকরা ডেকে গয়না গড়াব। মামাকে গাধা বলায় মনে মনে বড়ো রেগে গিয়েছিলুম। পরে বুঝেছিলুম, মানুষের মধ্যে যেসব মানুষ গুণে অনেক বড়ো হয়ে যান, তাদের মাপে অন্য সকলে গাধাই। একেবারে নিরেট গাধা। রাগের কিছু নেই।

    মামা কাছে এসে দাঁড়াতেই মহীতোষবাবু কাঁধে একটা হাতে রেখে বললেন, দুটো সংসার আজ থেকে এক করে দে। দুই দুই ভালো নয় বুঝলি! জয়েন্ট ফ্যামিলি সব ভেঙে টুকরো টুকরো। যারা ভাঙচে ভাঙুক আয় আমরা গড়ি।

    মামা বললেন, ফ্যামিলি? আমরা তো তোমার ভাড়াটে গো। তিন মাস ভাড়া বাকি পড়েছে। ট্যাঁক গড়ের মাঠ। তুমি বলছ, ফ্যামিলি জুড়ে দে।

    আরে গাধা, রক্তের সম্পর্কে দেখছিস তো বিষ ঢুকে গেছে। রক্তের বাইরে হয়তো সম্পর্ক টিকবে। ফ্যাচ ফ্যাচ না করে, দিদিকে ওপরে নিয়ে যা। ওরে প্রতিষ্ঠা কর, প্রতিষ্ঠা। আজ বৈশাখী পূর্ণিমা। দিনটা বড়ো ভালোরে।

    মহীবাবু ভারি গলায় মাকে বললেন, দিদি, তুমি বলো? তোমার অমত নেই তো! মা মৃদু হাসলেন। হেসে বললেন, আমি একজনকে বিশ্বাস করি ভাই।

    কে সে?

    ঈশ্বর। সেই ওপরওয়ালা। যাঁর নির্দেশে, সূর্য, চন্দ্র, গ্রহ, নক্ষত্র চলছে। যাঁর ইচ্ছে ছাড়া গাছের একটি পাতাও নড়ে না। মানুষের কাছে দুঃস্থ মানুষ এলে দূর দূর করে। তুমি করলে তার উলটো। কেন করলে? কার ইচ্ছেয় করলে?

    যদি বলি, আমারও স্বার্থ আছে।

    কী সেই স্বার্থ!

    আমি একজন অভিভাবিকা চাই। আমার ভাঙা সংসার আরও ভেঙে যাক, তা আমি চাই না। আমার আর ক—দিন। আজ আছি কাল নেই।

    কে বলেছে, তুমি আজ আছ কাল নেই?

    আমার পেট, আমার লিভার। তুমি তো জানো না দিদি, বোতল, বোতল মদ খেলে মানুষ বেশিদিন বাঁচে না। তার ওপর রাতের পর রাত জাগা!

    মা আবার হাসলেন, মদ আর রাতজাগা তোমার কিছু করতে পারবে না। একজন তোমার হাত ধরে আছে।

    কে ভগবান?

    না, তোমার স্ত্রী।

    আমার স্ত্রী! আমি যে বিয়ে করেছিলুম, এ খবর তো কেউ জানে না। সে তো বছর দুয়েকের খেলা ছিল! তুমি জানলে কী করে দিদি? কে তোমাকে বলেছে!

    মা একটু থতোমতো খেয়ে গেলেন। মায়ের চোখে আবার সেই দৃষ্টি। যেন বহুদূরের কিছু দেখছেন। চোখের পাতা পড়ছে না। পাথরের মূর্তির মতো স্থির।

    মহীবাবু ভয়ে ভয়ে বললেন, কী হল, কী হল কী তোমার?

    মায়ের যেন ধীরে ধীরে ঘুম ভাঙল। চারপাশে অবাক হয়ে তাকিয়ে বললেন, আমাকে তোমরা আর প্রশ্ন কোরো না। আমার কী যেন হয়েছে নিজেই জানি না।

    মহীবাবু অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকিয়ে রইলেন। মায়ের এই ভাব দেখলে আমিও ভয় পেয়ে যাই। এ মা আমার অন্য মা। এ মাকে আমি চিনি না। মায়ের এই চেহারা আমি ট্রেনে দেখেছি। দেখেছি সেদিন যেদিন মাকে গুন্ডায় ধরেছিল গ্রামের পথে।

    গোলগাল টুকটুকে চেহারা বিহারি একটি ছেলে ঢুকল, কই আমার রাজাবাবু কোথায়, রাজাবাবু।

    ছেলেটির হাতে রঙবেরঙের গোটাকতক শিশি ঝুলছে, গলায় দড়ি বাঁধা।

    এ আবার কে রে বাবা?

    মহীবাবু বললেন, এসেছিস গোলাপ, এসেছিস, আয় আয়।

    গোলাপ হল তেলমালিশঅলা। রকে একটা মাদুর বিছিয়ে মহীবাবু শুয়ে পড়লেন। গোলাপ তার সাজপোশাক ছেড়ে একটা ছোটো প্যান্ট আর গেঞ্জি পরে হাঁটু গেড়ে বসে পড়ল। হরেক রকমের তেল। ভুরভুরে গন্ধ। মহীবাবুর চেহারা যেন শিবের মতো। টকটক করছে গায়ের রঙ। মাথায় বড়ো বড়ো লাল লাল চুল। বড়ো বড়ো টানা টানা চোখ। কোনো মন্দিরে বেদিতে বসিয়ে দিলে বাবা মহাদেব।

    শিব তুষ্ট হলে মানুষের সব হয়। আমরা মাঠকোঠা থেকে একেবারে দালান কোঠায়। একতলা থেকে দোতলায়। সেখানে বড়ো বড়ো ঘর। সাজানো গোছানো। বড়ো বড়ো জানলা। জানলার মাথার ওপর লাল, নীল, হলদে, সবুজ কাচ বসানো। আলো ঢুকছে রামধনুর মতো। ছাদ কত উঁচুতে! কী সুন্দর সাজানো! বড়ো বড়ো খাট। বিশাল বিশাল চেয়ার টেবিল। স্বর্গ কাকে বলে জানি না। মনে হল এই আমার স্বর্গ। দেয়ালে বড়ো বড়ো ছবি। পরে জেনেছিলুম, সে সব ছবি হল বড়ো বড়ো অভিনেতার। গিরিশ ঘোষ, দানিবাবু, বিনোদিনী। উত্তর, দক্ষিণ, পুব, পশ্চিম সব দিক খোলা একটা ঘরে শুয়ে আছেন মহীবাবুর মা। বয়েস হয়েছে। তবু কী সুন্দরী! জানলার বাইরে গাছের ডালে বসে শালিক পাখি ডাকছে। বৃদ্ধার চোখ সেই দিকে। দেয়ালের গায়ে ঝুলছে গোটা গোটা রুদ্রাক্ষের মালা। ঘরে ধূপের গন্ধ। একপাশে একটা ঝকঝকে সুন্দর টেবিল। তার ওপর গোটাকতক বই। একটা খাতা, কলম। কলমের মাথাটা সোনার। বড়োলোক না হলে জীবন সুন্দর হয় না। এই ধারণা সেই ছেলেবেলা থেকেই আমাকে পেয়ে বসেছিল। সুন্দর পঙ্গু হলেও পড়ে আছে বড়োলোকের ঘরে। আর যতকিছু অসুন্দর, কুৎসিত সব চলে এসেছে গরিবের এলাকায়। বস্তি, ধোঁয়া, ধুলো, আবর্জনা, মামলা, অসুখ—বিসুখ।

    আমি ভেবেছিলুম, আমার মা হয়তো মহীবাবুর মায়ের সামনে রাঁধুনির মতো গিয়ে দাঁড়াবেন। দাসীর মতো মুখ করে। আর আমি হব দাসী—পুত্র। ভাবামাত্রই খারাপ লাগছিল।

    মা যেন আমার রানির মতো। দরজার চৌকাঠে দাঁড়িয়ে মহিলাকে লক্ষ করছেন। গাছের ডাল থেকে তাঁর চোখ ফিরে এল মায়ের দিকে। একটু যেন অবাক হয়েছেন। মা এগিয়ে গেলেন খাটের মাথার দিকে। মহিলার কপালে ডান হাত রাখতেই, তিনি ধীরে ধীরে চোখ বোজালেন। মুখের টান টান যন্ত্রণার ভাব অদৃশ্য হয়ে গেল। যেন বেশ আরাম পাচ্ছেন। ধীরে ধীরে চোখ খুলে মৃদু—গলায় বললেন, ‘কে আপনি?’

    মা মৃদু গলায় বললেন, ‘আমি ভবর দিদি।’

    কাল এসেছেন, তাই না?

    হ্যাঁ, দিদি।

    আর কী হবে? আমাকে তো সারাজীবন এইভাবেই শুয়ে থাকতে হবে।

    খাট থেকে ঘাট এই আমার বরাত দিদি!

    কী করে বুঝলেন? তা নাও তো হতে পারে!

    কতরকমের চিকিৎসাই তো হল! কিছু হল না। কয়েক বছর আগে একটা পা একটু নাড়তে পারতুম, এখন আর তাও পারি না। একেবারে অসাড়।

    আপনার তো ওষুধে হবে না দিদি। আপনার রোগ বসে আছে মনে। মেয়ের জন্যে অত চিন্তা কেন দিদি? অমন তো হতেই পারে।

    মহিলা চমকে মায়ের মুখের দিকে তাকালেন। রাধাদির জীবনেও তাহলে রহস্য আছে। অমন যে সুন্দরী তার জীবনেও দুঃখ আছে নাকি! সেই সাধু বলেছিলেন, গোলাপ দেখেছিস তো কত সুন্দর, ভুরভুরে গন্ধ। পাপড়ি উলটে দ্যাখ থিকথিক করছে পোকা।

    মায়ের চোখে আবার সেই দূরের দৃষ্টি ফিরে আসছে। জানালা দিয়ে মৃদু বাতাস ঢুকছে। সেই বাতাসে মায়ের রুক্ষ চুল উড়ছে। সাদা ধবধবে শাড়ি। কালো সরু পাড়।

    মহিলা মৃদু গলায় জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কী করে জানলেন দিদি! কেউ তো জানে না সে সব কথা। মায়ের চোখ থেকে দূরের দৃষ্টি সরে গেল ধীরে ধীরে। মৃদু গলায় বললেন, কেউ বলেনি দিদি। কেউ কোনো কথা বলেনি, আমার কী হয়েছে জানি না, আমি অতীত দেখতে পাই।

    ভবিষ্যৎ?

    হ্যাঁ, তাও পাই।

    এ সংসারের ভবিষ্যৎ কী দিদি?

    সে আমি আর একদিন বলব। আজ আমার ঘোর কেটে গেছে। আবার এলে বলব। আপনি এখন শান্ত হয়ে বসে থাকুন। জেনে রাখুন সব ঠিক হয়ে যাবে।

    আমার দিকে মহিলার চোখ পড়ে গেল। পায়ের দিকে দাঁড়িয়েছিলুম।

    জিজ্ঞেস করলেন, কে গো তুমি?

    মা বললেন, আমার ছেলে। ওই আমার একমাত্র সন্তান। অল্পবয়েসেই বাপকে হারাল।

    আয়, কাছে আয়।

    পাশে সরে গেলুম। একটা হাত ধরে বললেন, লেখাপড়া শিখছিস।

    ঘাড় নাড়লুম।

    আমাকে বই পড়ে শোনাতে পারবি?

    আবার ঘাড় নাড়লুম। হাতটা মাখনের মতো নরম। দুধের মতো সাদা।

    হাতের লেখা কেমন রে?

    খুব একটা খারাপ নয়। কোনোরকমে জড়িয়ে জড়িয়ে বললুম।

    ভয় পাচ্ছিস কেন বাবা? আমি বাঘ না ভাল্লুক।

    হঠাৎ বলে ফেললুম, আপনি কী সুন্দর!

    হাতের দুটো আঙুল দিয়ে আমার গাল নেড়ে দিয়ে বললেন, তুইও তো সুন্দর দাদা। আমি তো বুড়ি হয়ে গেছি।

    নিচে থেকে মহীদার গলা ভেসে এল—কই গো আমার দিদি কোথায়? একটু গরমজলটল হবে না! মা ঘর থেকে এখন আসি বলে বেরিয়ে গেলেন।

    মহিলা বললেন, তুই ওই ডায়েরি আর কলমটা নিয়ে আয়।

    ডায়েরির মলাটটা রেশমের। ঘোর বেগুনি তার রঙ। সোনার জলে ‘বছর’ লেখা। কলমটা সোনার। দুটো জিনিসই হাত দিতে ভয় করছে। সাবধানে বিছানায় নিয়ে এলুম।

    একপাশে পা তুলে বাবু হয়ে বোস।

    গোদা গোদা পায়ে অনেক ধুলো। এ কি শহরের পা? এ হল গ্রামের পা। পায়ের পাতা এই বয়েসেই বাইশ শো বাইশ। দাদু বলতেন, এ ব্যাটার পায়ের জুতো কোনো দোকানে মিলবে না। আস্ত একটা গোরু লাগবে। অর্ডার দিয়ে বানাতে হবে।

    আমার ইতস্তত ভাব দেখে মহিলা বললেন, কিচ্ছু ভাবিসনি, পা তুলে বোস। তুই আমার নারায়ণ।

    পা তুলে বসলুম।

    আজকের তারিখের পাতাটা খোল।

    ডায়েরিতে মুক্তোর অক্ষরে পাতায় পাতায় কত কী লেখা! পড়তে ইচ্ছে করছে। সাহস হচ্ছে না। ডায়েরিতে মানুষের গোপন কথা লেখা থাকে। কী রে কী দেখছিস অমন অবাক হয়ে?

    এত সুন্দর কার হাতের লেখা মাসিমা?

    নিজে থেকেই একটা সম্পর্ক পাতিয়ে ফেললুম কেমন সহজে। বাপ—মরা ছেলেরা অল্পবয়সেই বেশ ওস্তাদ হয়। এই নিজেকে দেখেই বুঝছি।

    রাধার হাতের লেখা। আমি বলে গেছি, ও লিখে গেছে। সব কবিতা। কেমন হয়েছে জানি না। কিছুই হয়তো হয়নি। আমার তো তেমন বিদ্যে নেই। মহী নাটক—টাটক করে, লেখে। ও বলছিল খুব ভালো হচ্ছে মা। একদিন কেউ—না—কেউ তোমার এই কবিতা আবিষ্কার করবে। কে করবে মহাকালই জানেন। যে—কোনো একটা পড় তো। বেশ ভালো করে পড়বি। কোথাও যেন না আটকায়।

    প্রথম পাতার প্রথম কবিতাটাই পড়ে ফেললুম।

    আমাকে তোমার করে নাও

    এসেছি অনেকদিন

    সব খেলা শেষ হল

    এবারে দুয়ার খুলে দাও।।

    যেখানে দিন নেই, রাত নেই

    অমলিন ভালোবাসা

    মৃত্যুর হাত ধরে

    সেইখানে চলে যেতে দাও।।

    বাঃ, বেশ পড়েছিস। তোর বেশ ভাব আছে। গান জানিস?

    না শিখিনি কোনোদিন। শুনে শুনে একটা দুটো গাই।

    কী গান? রবীন্দ্র?

    না, আমাদের গ্রামের বাউল গান।

    শোনাবি একটা?

    আমার লজ্জা করবে।

    মায়ের কাছে ছেলের লজ্জা? নে গা।

    বাইরে জানলার দিকে তাকালুম। গাছের পাতা বাতাসে কাঁপছে। পাখি সব উড়ে গেছে। ভীষণ লজ্জা করছে। মাসিমার মুখটা কী সুন্দর, ঠিক রাধাদির মতো। খাড়া তলোয়ারের মতো নাক। দেয়ালঘড়ি আপন মনে ঠক ঠক করে সময়ের হাতুড়ি ঠুকছে।

    কী রে ধর। চোখ বুজিয়ে কর। তাহলে আর লজ্জা করবে না।

    বার দুই হুঁ হুঁ করে ধরে ফেললুম,

    আরও কী ধন চাও দীন বন্ধুরে আমি আরও কী ধন দিব।

    আমার দেহে আছে, শুধু প্রাণরে নিবার হয় তা ন্যাও।।

    ধন দিলাম প্রাণ দিলাম রে দিলাম দুই নয়ন

    আমি যাচিয়া যৌবন দিলাম রে

    নিবার হয় তা ন্যাও।।

    গাছের বল শিকড়লতারে, হারে মৎসের বল রে পানি

    দুগ্ধর বল খিরসা ননিরে, আমার বল হও তুমি।।

    শুকাইল সাগর দরিয়ারে, মৎস্য লুটে চিলে

    তুমি কিঞ্চিৎ বিলম্ব করেরে আমায় দেখা দেও।।

    কী গাইলাম, কেমন গাইলাম কে জানে। আমার নতুন মাসিমা গান শেষ হতেই, বাঃ বাঃ করে উঠলেন।

    বেশ গেয়েছিস। সুন্দর গেয়েছিস। হ্যাঁরে খোঁকা, এর পাশে আমার গান থাকবে? আমার ওই গানটা একটু সুরে গা না।

    আমি যে সুর করতে জানি না মাসিমা।

    এই সুরেই বসিয়ে দে না।

    তাতে কী হবে?

    চেষ্টা করে দেখ না। আমার যে বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে!

    বেঁচেই তো আছেন মাসিমা।

    এ বাঁচা সে বাঁচা নয়রে খোকা। অনেক অনেক বছর ধরে মানুষের মনে বেঁচে থাকতে চাই। সে কী আর হবে? সে তো সহজ নয়। মানুষ আসে মানুষ চলে যায়। চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সব মুছে যায়। এ যেন স্লেটের লেখা। ভগবান রোজ কিছু মুছছেন, রোজই আবার নতুন করে কিছু লিখছেন।

    আসা যাওয়ার নিত্য লীলায়

    ফুলের মতো ফুটছে জীবন

    ফুলের মতো ঝরে।

    কোথা থেকে কেন এলাম

    কীই বা হল এসে

    যাবার আগে ভাবতে বসে

    কিছুই না পাই ভেবে।।

    মাসিমা আকাশের দিকে তাকিয়ে রইলেন বেশ কিছুক্ষণ। চোখে আলো পড়েছে। মনে হচ্ছে পাথরের নীল চোখ। কোণা দুটো চিকচিক করছে।

    হাতের মুঠোয় আমার একটা হাত ধরে মুখের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললেন, এখনও খুব পবিত্র আছিস। গায়ে সংসারের পাঁক মেখে নিজেকে নোংরা করে ফেলিসনি। এ বড়ো কঠিন ঠাঁই। আগুন জ্বেলে ঘুরে বেড়া। সব পোড়াতে পোড়াতে এগিয়ে যা। কোন পাপে আমার শরীরটা পড়ে গেল কে জানে!

    মাসিমা আবার আকাশের দিকে চোখ ফেরালেন। চোখের সাদা অংশ জলে ভাসছে। ভীষণ মায়া হচ্ছে। আবার পালাবার জন্যে ভেতরটা ছটফট করছে।

    মাসিমা আমার দিকে চোখ ফিরিয়ে বললেন, কিছু খেয়েছিস সকালে?

    ঘাড় নাড়লুম, না।

    সে কী রে? এত বেলা হল, এখনও কিছু খাসনি। ওই তাকে একটা কৌটোয় সন্দেশ আছে। দুটো খেয়ে জল খা।

    ডায়েরিটা রেখে দেব মাসিমা?

    আজকের তারিখের পাতায় লেখ, যা বলি তাই লেখ।

    আমার হাতের লেখা তেমন ভালো নয়।

    ধরে ধরে লেখ। ভালো হাতের লেখা করার চেষ্টা কর। চেষ্টায় সব হয়।

    এমন হাতের লেখা কি সহজে হয়।

    তুই দুপুরে রাধার কাছে হাতের লেখা অভ্যাস করবি। নে এখন যা বলি ধরে ধরে লেখ। তুমি কখন কী ভাবে রাখো, কখন কাকে কার কাছে পাঠাও, কিছুই জানি না। আমি দ্রষ্টা, তুমি স্রষ্টা। তুমি আছ, সেই বার্তা প্রতি মুহূর্তে পাচ্ছি। শুধু কোথায় আছ তা জানি না। যেদিন জানব, সেদিন জানাবার মতো আমার আর কিছুই থাকবে না। নদী কি মোহনা থেকে ফিরে আসে? যে কাঠ পুড়ে ছাই হয়ে যায়, তাতে কি আর আগুন থাকে? বড়ো শান্তি, বড়ো অশান্তি। বড়ো ব্যথা, বড়ো আনন্দ। নে ডায়েরিটা এখন তুলে রাখ। পরে আবার হবে। তুই সন্দেশ খেয়ে জল খা।

    উঠোন থেকে মহীদার হো হো হাসি ভেসে এল। যেন রাজার হাসি। রাধাদি এক গেলাস গরম দুধ নিয়ে ঢুকল। আমার দিকে তাকিয়ে বলল, তোমার ঠোঁটে গুঁড়ো গুঁড়ো কী লেগে আছে?

    সন্দেশ?

    দুধ খাবে?

    না গো, দুধ আমি কোনো দিনই খাইনি। মনে মনে বললুম, আমি দুধের ঘরের ছেলে নই গো দিদি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article আকাশ পাতাল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }