Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প126 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কে ডাকে তোমায় – ৫

    পাঁচ

    তিনমাস পর এস.এস.সি’র রেজাল্ট বেরোল। চম্পার রেজাল্ট জানার জন্য আমজাদকেই সেন্টারে যেতে হল। চম্পা দুটো লেটার নিয়ে ফার্স্ট ডিভিসানে পাশ করেছে। রেজাল্টের খবর জেনে ওদের বাসার সবাই মহাখুশী। পাড়ায় মিষ্টি বিলান হল। চম্পা প্লেট ভরে মিষ্টি নিয়ে মাষ্টারের রুমে এসে বলল, আমার এত ভালো রেজাল্টের জন্য আপনার অবদান অনেক। কদমবুসি করতে খুব ইচ্ছা করছে, আপনি নিষেধ করেছেন তাই করলাম না। তবে আজ আমি আপনাকে নিজের হাতে মিষ্টি খাওয়াব।

    আমজাদ চেয়ারে বসেছিল। বলল, না, তুমি খাওয়াবে না। টেবিলে রাখ, আমি নিজেই খাব।

    চম্পা প্লেটটা টেবিলে রেখে বলল, আজ এই খুশীর দিনে কোনো কিছু নিষেধ করবেন না, মানতে পারব না। তারপর একটা মিষ্টি হাতে নিয়ে বলল, নিন হ্যাঁ করুন।

    আমজাদ রেগে গেলেও সংযতকণ্ঠে বলল, একী পাগলামী করছ? কেউ দেখে ফেললে কী হবে ভেবেছ?

    বাইরের কেউ তো দেখবে না; দেখলে আমাদের বাসার কেউ দেখবে। তাতে কোনো দোষ হবে না। এই কথা বলে বাঁ হাতে স্যারের গাল টিপে ধরে বলল, নিন হা করুন।

    আমজাদ আরো বেশি রেগে গেল। কিন্তু চম্পা এমন জোরে গাল টিপে ধরেছে যে, হ্যাঁ না করে পারল না।

    চম্পা হাতের মিষ্টিটা তার মুখে দিয়ে প্লেট থেকে আর একটা মিষ্টি নিতে গেলে আমজাদ কঠিন গলায় বলল, ওটা রেখে দাও, আমি নিজের হাতে খাব।

    স্যারের কঠিন গলা শুনে চম্পা মিষ্টিটা প্লেটে রেখে আহত স্বরে বলল, এই আনন্দের দিনে আপনি আমাকে মিষ্টি খাইয়ে দেবেন না? আমজাদ তখনও রেগে ছিল। রাগের সঙ্গেই বলল, না।

    চম্পা কিছুক্ষণ স্যারের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর চোখে পানি এসে গেছে বুঝতে পেরে মুখ নিচু করে নিল।

    আমজাদ দেখল, তার দু’চোখ থেকে পানি টপটপ করে পড়ছে। বলল, তুমি জান, আমি ধর্মের বিধি নিষেধ মেনে চলি। তবু এরকম করছ কেন? বিয়ের আগে ‘গায়ের মহররাম’ ছেলে মেয়ে এভাবে খাওয়া ও খাইয়ে দেওয়া ইসলামে নিষেধ। তাই তুমি ওভাবে খাওয়াতে রেগে গেছি। আর একই কারণে তোমাকে খাওয়াতে পারছি না। যাক, যা হওয়ার হয়েছে। তুমি মনে কষ্ট নিও না।

    চম্পা চোখ মুছে ভিজে গলায় বলল, আসলে আপনি আমাকে ঘৃনা করেন, তাই আমার হাতে কিছু যেমন খেতে চান না, তেমনি আমাকে খাইয়ে দিতেও চান না।

    আমজাদ মনে মনে বলল, হ্যাঁ, তুমি ঠিক কথাই বলেছ। তোমার বেহায়াপনার জন্য সত্যিই তোমাকে ঘৃণা করি। মুখে বলল, তোমাকে যদি ঘৃনাই করতাম, তা হলে ভালো রেজাল্ট করার জন্য তোমার পিছনে এত পরিশ্রম করতাম না। আর এতদিন তোমাদের বাসায়ও থাকতাম না।

    চম্পা আর কিছু না বলে মাথা নিচু করে চলে গেল। আমজাদকে রাহেলা খাতুনের খুব পছন্দ। মেয়ের উচ্ছলতা তিনি জানেন। তাই আমজাদের মতো ধার্মীক ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিতে চান। বড় ছেলে রশিদকে সে কথা জানিয়ে আমজাদদের বাড়ির খোঁজ খবর নিতে বলেছিলেন। রশিদেরও আমজাদকে খুব পছন্দ এবং সেও তার সঙ্গে বোনের বিয়ে দিতে চায়। তাই তোক মারফত আমজাদদের বাড়ির খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারে তাদের সবকিছু ভালো । ঐবাড়িতে সম্পর্ক হওয়া সৌভাগ্যের ব্যাপার। সে কথা মাকেও জানায়।

    মেয়ে যে মাষ্টারকে ভালবাসে এবং তাকে বিয়ে করতে চায় তা রাহেলা খাতুন মেয়েকে ফলো করে অনেক আগেই বুঝেছেন। তাই মাষ্টার যাতে হাত ছাড়া না হয়ে যায়, সেজন্য মাষ্টারের সাথে অবাধ মেলামেশার সুযোগ দিয়েছেন। দিনে অথবা রাত্রে চম্পা যখন একাকী মাষ্টারের রুমে যায় তখন মাঝে মধ্যে বেড়ার ফাঁক দিয়ে তাদের দিকে লক্ষ্য রাখেন এবং কি কথা বার্তা হয় তাও শোনেন।

    মা ও ভাইয়ার মনোভাব বুঝতে পেরে চম্পা আরো বেশি সাহসী হয়েছে এবং স্যারকে ক্যাপচার করার জন্য নির্লজ্জার মতো নিজের মনের কামনা বাসনা প্রকাশ করেছে।

    আজ যখন চম্পা মাষ্টারের জন্য প্লেট ভরে মিষ্টি নিয়ে গেল তখন রাহেলা খাতুন বেড়ার ফাঁকে চোখ রেখে সব কিছু দেখছিলেন। মেয়েকে ফিরে আসতে দেখে বললেন, কীরে, মাস্টারকে মিষ্টি খেতে দিয়ে ফিরে এলি যে?

    চম্পার তখন রাগে ও মনের কষ্টে কান্না পাচ্ছিল। তাই চুপ করে রইল।

    রাহেলা খাতুন বললেন, মাষ্টার বুঝি কিছু বলেছে? তারপর তার একটা হাত। ধরে নিয়ে যেতে যেতে বললেন, চলতো দেখি, মাষ্টারের ব্যাটা কী বলেছে দেখি।

    চম্পার যাওয়ার ইচ্ছা না থাকলেও মা কি করে বা বলে জানার জন্য গেল।

    রুমে ঢুকে রাহেলা খাতুন বললেন, চম্পাকে মিষ্টির প্লেট হাতে তোমার রুমে ঢুকতে দেখলাম। তুমি কী এমন কথা বলেছ যে, ও কাঁদতে কাঁদতে ফিরে যাচ্ছিল?

    আমজাদ কিছু বলতে না পেরে চুপ করে রইল।

    রাহেলা খাতুন না জানার ভান করে বললেন, চম্পা তোমাকে ভীষণ ভালবাসে। সব সময় তোমার গুনগান করে। তোমার কারণেই নাকি ও পরীক্ষায় এত ভালো করেছে। তুমিও ওকে যে খুব ভালবাস, তাও বলে। তবু যে কেন তুমি ওকে মাঝে মাঝে কাঁদাও বুঝতে পারি না। আজ খুশীর দিনে ওকে কাদান তোমার ঠিক হয়নি। যাকগে, যা হওয়ার হয়েছে। তোমাকে আমি পেটের ছেলের মতো মনে করি। এস তোমাদের দুজনকে আমি মিষ্টি খাইয়ে দিই। কথা শেষ করে একটা মিষ্টি নিয়ে আমজাদের সামনে গিয়ে বলল, নাও খাওতো বাবা।

    আমজাদ বুঝতে পেরেছিল মা ও বড় ভাইয়ের আস্কারা পেয়ে চম্পা এত অশালীন ব্যবহার তার সঙ্গে করে। কিন্তু কোনো মা মেয়ের হয়ে এরকম প্রকাশ্যে ওকালতী করবে, তা সে কল্পনাও করেনি। মিষ্টি খাবে কিনা চিন্তা করতে লাগল।

    তাকে চুপ করে থাকতে দেখে রাহেলা খাতুন অধৈৰ্য্য গলায় বললেন, কই বাবা খাও। আমি তো তোমার মায়ের মতো। তোমর মা খাইয়ে দিলে খেতে না?

    অগত্যা আমজাদ না খেয়ে পারল না।

    রাহেলা খাতুন একবার মাষ্টারকে আর একবার চম্পাকে খাইয়ে দিতে দিতে বললেন, তোমাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখলে প্রানটা জুড়িয়ে যায়। চম্পার কী সে ভাগ্য ……।

    আমজাদ আর সহ্য করতে পারল না। তাকে কথাটা শেষ করতে না দিয়ে বলল, চাচি আম্মা, আমি মিষ্টি খেতে ভালবাসি না, আপনি মনে কষ্ট পাবেন তাই খেলাম। আর খেতে পারব না। তারপর জগ থেকে গ্লাসে পানি ঢেলে কিছুটা খেয়ে মুখ ধোয়ার জন্য রুম থেকে বেরিয়ে এল।

    চম্পা মাকে বলল, আমিও আর খাব না, তুমি প্লেট নিয়ে যাও।

    রাহেলা খাতুন ফিস ফিস করে বললেন, মাস্টারকে বেশি জ্বালাতন করবি না, তারপর চলে গেলেন।

    আমজাদ রুমে ফিরে এলে চম্পা বলল, আমার হাতে খেলেন না, অথচ আমার মায়ের হাতে খেলেন।

    আমজাদ রেগে ছিল। তাই কিছু না বলে চুপ চাপ প্যান্ট সার্ট পরতে লাগল।

    দুপুর হয়ে গেছে এখন আবার কোথায় যাবেন?

    এক জায়গায় একটা জরুরী কাজ আছে যেতেই হবে।

    তাড়াতাড়ি ফিরবেন, আজ আমরা সবাই একসঙ্গে খাব। বিরিয়ানী ও মোরগের মাংস রান্না হয়েছে।

    আমজাদের এখানে থাকতে অসহ্য লাগছে। তাই মিথ্যে কাজের অজুহাত দেখিয়ে লজিং খোঁজার জন্য বেরিয়ে যেতে চাচ্ছে। প্যান্ট সার্ট পরা হয়ে যেতে কোনো প্রতিউত্তর না দিয়ে বেরিয়ে গেল। তারপর সারাদিন লজিং এর জন্য সারা শহর চষে বেড়াল। কিন্তু সফল হল না। দুপুরে হোটেলে সামান্য কিছু খেয়েছিল। রাত দশটায় রুমে ফিরে এল। সারাদিন অনেক হেঁটেছে তাই খুব ক্লান্ত লাগছিল। প্যান্ট সার্ট পাল্টে লুংগী পরে কলতলা থেকে অজু করে এসে এশার নামায পড়ল। তারপর বিছানা পেতে গা এলিয়ে দিল। পেটে প্রচণ্ড শীদে থাকা সত্বেও কাউকে ডাকতে ইচ্ছা করল না। চিন্তা করতে লাগল, দুপুরে খেতে আসিনি, সেজন্যে চম্পা ছেড়ে কথা বলবে না। ক্লান্তিতে একটু তন্দ্রামতো এসেছিল, কারো স্যার ডাক শুনে। তন্দ্রা ছুটে গেল। তাকিয়ে দেখল, রাজু দাঁড়িয়ে আছে।

    স্যারকে তাকাতে দেখে রাজু বলল, আম্মা আপনাকে খেতে ডাকছে। আসুন আমার সঙ্গে।

    আমজাদের রুমে কেউ না কেউ খাবার দিয়ে যায়। আজ ভিতরে খেতে যাওয়ার কথা শুনে বেশ অবাক হলেও তার সঙ্গে গেল। যে রুমটায় গিয়ে বসল, সেটা বেশ বড়। একপাশে একটা খাট। অন্য পাশে একটা লম্বা টেবিল, তার দু’পাশে ছটা চেয়ার। মাঝখানে আলনা ও মিটসেল্ফ দিয়ে পাটিশান দেওয়া। রাজু। তাকে বসতে বলে বেরিয়ে গেল। একটু পরে রাহেলা খাতুন চম্পাকে সাথে করে এনে আমজাদের দিকে তাকিয়ে বললেন, দুপুরে খেতে এলে না কেন? তুমি খেতে। আসনি বলে চম্পাও খায়নি। তারপর চম্পাকে বললেন, বস, আমি তোদের খাবার নিয়ে আসি। কথা শেষ করে চলে গেলেন।

    চম্পা আমজাদের পাশের চেয়ারে বসে ভিজে গলায় বলল, আমাকে কাঁদিয়ে, কষ্ট দিয়ে আপনি বুঝি খুব সুখ পান?

    আমজাদ অল্পক্ষন চুপ করে থেকে বলল, আমি জরুরী কাজে আটকা পড়ে গিয়েছিলাম। তাই আসতে পারি নি। এতে তোমার কাঁদার বা কষ্ট পাওয়ার কী আছে? তুমি খুব বাড়াবাড়ি করছ। তোমার আম্মা কি মনে করছেন?

    আমি বাড়াবাড়ি করছি, না আপনি করছেন? আমাকে খুব বোকা পেয়েছেন না? রাত দশটা পর্যন্ত কারো জরুরী কাজ থাকে বুঝি?

    আমজাদ কিছু বলতে যাচ্ছিল, তার মাকে খাবার নিয়ে আসতে দেখে থেমে গেল।

    রাহেলা খাতুন জামাই খাতির করে আমজাদকে খাওয়ালেন। খাওয়ার সময় চম্পা কোনো কথা বলল না।

    খাওয়ার পর আমজাদ নিজের রুমে এসে ঘুমাবার সময় চিন্তা করল, মা-মেয়ে যা শুরু করেছে এখানে আর বেশি দিন থাকা যাবে না। কিছু দিনের মধ্যে অন্য কোথাও লজিং না পেলে কোনো মেসে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে।

    চম্পাকে কলেজে ভর্তি করার ব্যাপারে তার মায়ের কথামত আমজাদকেই ছোটাছুটি করতে হল। শেষে মাস দেড়েকের মধ্যে গোপিবাগ সেন্ট্রাল উইমেনস কলেজে ভর্তি করে দিল।

    আমজাদ সারারাত ধরে নিজের বিগত জীবনের স্মৃতিচারণ করতে করতে কখন ঘুমিয়ে পড়েছিল জানতে পারল না। মসজিদ থেকে মাইকে আযান হতেই ঘুম ভেঙ্গে গেল। মসজিদ থেকে নামায পড়ে এসে গতরাতের ঘটনাটা মনে পড়তে ভাবল, তার মাও যেভাবে মেয়েকে আমার পিছু লেলিয়ে দিয়েছেন, তাতে করে কোন দিন কিছু অঘটন না ঘটে যায়? হয়তো মেয়ের সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিয়ে করতে বাধ্য করাতে পারেন। কথাটা ভাবতেই আমজাদের। সারা শরীর ভয়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। এখন তার কি করা উচিত অনেকক্ষণ পর্যন্ত ভেবে শেষে সিদ্ধান্ত নিল দু’চার দিনের মধ্যে দুরের কোনো মেসেই চলে যাবে।

    সে গোপীবাগ ও হাটখোলায়ও দু’টো টিউসনি করে। সেদিকেই মেসে সিট নেওয়ার জন্য পরের দিন অনেক খোঁজ করল। কিন্তু কোনো মেসেই সিট পেল না। দু’তিন দিন খোঁজাখুঁজির পর কমলাপুরে সর্দার বাড়ির একটা মেসে যদিও একটা চান্স পেল, তাও একমাস পর ঐ সিটের লোক চলে যাবে। সিটটা নিতে হলে দু’এক দিনের মধ্যে অগ্রিম ভাড়া দিতে হবে। আমজাদের কাছে তখন ভাড়ার সব টাকা ছিল না। একশ টাকা ছিল। তাই দিয়ে বলল, কাল পরশু এসে বাকি টাকা দিয়ে যাব।

    ঐরাতের পর থেকে চম্পা দিনে যখনই সুযোগ পেত তখনই আমজাদের কাছে বিভিন্ন অজুহাতে এসে প্রেম ভালবাসার ব্যাপারে আলাপ করতে লাগল। একদিন অতিষ্ঠ হয়ে আমজাদ তাকে বলল, মানুষ যা আশা করে তা সব পুরণ হয় না। তুমি বিয়ের আগে যা পেতে চাচ্ছ, তা জঘন্যতম পাপ। এই পাপের পাঁকে যারা একবার নিমজ্জিত হয়, তারা সারাজীবনেও উদ্ধার পায় না। দুনিয়াতে যেমন জীবন। কলঙ্কময় হয়, তেমনি আখেরাতেও জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে হয়। তুমি ধৈৰ্য্য। ধর; আমাকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ দাও। আমি আমার মা বাবার এক ছেলে, আমার উপর তাদের অনেক আশা ভরসা। আমি তাদের সেই আশা ভরসায় কুঠারাঘাত করতে চাই না।

    চম্পা মুখ ভার করে বলল আপনার মা-বাবার আশা ভরসায় কুঠারাঘাত করার কী আছে? বলেছিতো তাদেরকে আমাদের বাসায় একবার নিয়ে আসুন। তার। পরের ব্যবস্থা আম্মা ও ভাইয়া করবে। সেদিন তো বললাম, বিয়ে হয়ে গেলেও আমি এখানে থেকে পড়াশোনা করব। আপনি চাকরি পাওয়ার পর যা করার করবেন।

    আমজাদ বুঝতে পারল, ওকে বেশি দিন রুখতে পারবে না। তাই প্রবোধ। দেওয়ার জন্য বলল, ঠিক আছে, এবারে বাড়ি গেলে নিয়ে আসব।

    চম্পা আনন্দে আটখানা হয়ে বলল, সত্যি বলছেন স্যার?

    আমজাদ তার আনন্দ দেখে মনে মনে বলল, সত্য না মিথ্যে কিছু দিনের মধ্যে জানতে পারবে। মুখে বলল, হ্যাঁ সত্য।

    যাই আম্মাকে কথাটা বলে আসি বলে চম্পা এক রকম দৌড়ে ছুটে চলে গেল।

    আমজাদ ভাবল, কথাটা বলে কি ভুল করলাম? ওর মাতো কথাটা বিশ্বাস করে ফেলবেন।

    ঐ দিন রাতে ঘুমাবার সময় মশারী খুঁসতে গিয়ে বালিসের তলায় একটা চিঠি পেল। খুলে পড়তে শুরু করল।

    প্রিয় সাথি,

    তুমি আমার কাছে বসন্তের বকুল, রাতের রজনীগন্ধা, বেহেস্তের সওগাত। তোমাকে ছাড়া আমার জীবন অচল। তোমাকে শৰ্য্যা পাশে পাওয়ার জন্য দু’আড়াই বছর হল চাতক পাখীর মতো হয়ে আছি। সারাক্ষণ তোমার ছবি আমার মনের পাতায় ভেসে বেড়ায়। বেশিক্ষণ তোমাকে না দেখে থাকতে পারি না। তাই তো নানান ছুতোয় তোমার কাছে যাই। রাত্রে একবিন্দু ঘুমাতে পারি না। সারারাত এপাশ ওপাশ করি। ভালোভাবে পড়াশোনাও করতে পারি না। কবে তোমাকে একান্ত করে পাব, বল না প্রিয়তম? তোমাকে পেলে আমার জীবন সার্থক হবে। কথা দাও, তুমি সারাজীবন আমারই থাকবে। তোমাকে আমার সব কিছু উজাড় করে দেব। আমার মাথার মুকুট করে রাখব। মেয়ে বলে সবকিছু মুখ ফুটে বলতে পারি না। তাই এই চিঠি দিলাম। উত্তরের জন্য প্রহর গুনব।

    ইতি

    তোমার চম্পা।

    যে মেয়ে কথা বার্তায় আচার ব্যবহারে দৈহিক মিলনের ইঙ্গিত দেয়, তার এই চিঠি পড়ে আমজাদ অবাক হল না। তবে তুমি করে সম্বোধন করায় অবাক না হয়ে পারল না। ভাবল, এখান থেকে চলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত যেমন করে হোক ওকে ঠেকিয়ে রাখতে হবে।

    পরের দিন চম্পা একা পড়তে এল। আমজাদ জিজ্ঞেস করল, রাজু এল না যে?

    ও বন্ধুদের সাথে কোথায় যেন ক্রিকেট খেলতে গেছে। যাওয়ার সময় বলে গেছে ফিরতে রাত হবে।

    পড়ানো হয়ে যাওয়ার পর চম্পা বলল, চিঠিতে অপনাকে তুমি করে লিখেছি কিছু মনে করেন নি তো?

    আমজাদ সে কথার উত্তর না দিয়ে বলল; যতদিন মাস্টার ও ছাত্রী সম্পর্ক থাকবে, ততদিন আপনি করে বলবে। তোমাকে কয়েকটা কথা বলছি শোন, তুমি এখন যে সমস্ত চিন্তা ভাবনা কর; তা আমি পছন্দ করি না। আর বিয়ে করাও এখন একেবারেই সম্ভব নয়। মা-বাবাকে সাহায্য করার জন্য সর্বপ্রথম আমার একটা চাকরির দরকার। তারপর অন্য চিন্তা।

    চাকরি আপনার একদিন হবেই। তখন হয়তো আপনি আমাকে পাবেন না। আর আমিও অতদিন ধৈর্য ধরতে পারব না।

    তার কথায় আমজাদ খুব আনন্দিত হল। মনে মনে বলল, আল্লাহ যেন তাই করেন। মুখে বলল, তক্বদীরে থাকলে পাব, না থাকলে পাব কী করে? তকদীরকে তো আর বদলাতে পারব না।

    চম্পা কিছুক্ষণ কি যেন চিন্তা করল, তারপর বই খাতা নিয়ে চলে গেল।

    এরপর থেকে চম্পার মা রাহেলা খাতুন আমজাদকে ভিতর বাড়িতে নিজে ভালো ভালো খাবার তৈরি করে খাওয়াতে লাগলেন।

    অন্য যে কোনো ছেলে হলে হয় চরিত্র হারাত, নচেৎ বিয়ে করে ফেলত। আমজাদেরও এক এক সময় মনের অবস্থা যে সেরকম হয় নি, তা নয়। অনেক সময় পশুবৃত্তিটা উত্তেজীত হলে সমস্ত শরীরের রক্ত গরম পানির মতো টগবগ করে। ফুটে। কিন্তু আল্লাহ তাঁর মুমীন বান্দাকে হেফাযত করেন। তাই আমজাদ উত্তেজিত হয়ে যখন নিজেকে ধরে রাখতে পারে না তখন হঠাৎ করে কুরআন শরীফের একটা আয়াত মনে পড়ে যায়, “আর তোমরা অবৈধ যৌন-সংযোগের নিকটবর্তী হইও না; নিশ্চয় উহা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট আচরণ।” [সূরা-বানী ইসরাইল, আয়াত নং- ৩২, পারা-১৫]

    আর তখনই পশুবৃত্তিটা নিস্তেজ হয়ে যায়। পরক্ষণে চম্পার মুখের উপর শারমিনের প্রস্ফুটিত গোলাপের মতো মুখের প্রতিচ্ছবি দেখতে পেয়ে তার মন। শান্তিতে ভরে উঠে।

    একদিন রাত সাড়ে দশটার সময় খেয়ে এসে রুমে ঢুকে দেখল, চম্পা বিছানা ঠিক-ঠাক করে মশারী খাটাচ্ছে। আমজাদ যখন খেতে ভিতর বাড়িতে যায়, প্রতিদিন সে সময় চম্পা এই কাজটা করে দিয়ে চলে যায়। আজ তাকে দেখে প্রথমে কিছু মনে করেনি। কিন্তু পরক্ষণে তার শরীরে পাতলা ফিনফিনে ম্যাক্সী দেখে বিস্ময়ে থ হয়ে গেল। স্বামী ছাড়া কো্নো কুমারী মেয়ে যে এই পোশাক পরে তার মাস্টারের রুমে এত রাতে আসতে পারে, তা কল্পনাও করেনি।

    মশারী খাটানো হয়ে যেতে চম্পা চৌকী থেকে নেমে আমজাদকে দেখে মধুর হাসি উপহার দিয়ে ডিমলাইট জেলে বড় লাইট অফ করে দিল। তারপর চৌকির কাছে এসে বলল, ঘুমাবেন আসুন।

    চম্পা সুন্দরী যুবতী। তার উপর মেক আপ করায় আরো সুন্দরী দেখাচ্ছিল। বড় লাইট অফ করে লাল ডিম রাইটের আলোতে তাকে এত সুন্দরী দেখাচ্ছে যে, যা দেখে আমজাদের পঁচিশ বছরের বলিস্ট শরীরে আগুন ধরে গেল। যার তাপ সহ্য করতে না পেরে যখন চম্পার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার উপক্রম করল ঠিক তখনই কুরআন শরীফের উক্ত আয়াতটা মনে পড়তে থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে রুম থেকে বেরিয়ে গেল। কোথায় যাচ্ছে সে নিজেই বুঝতে পারল না। যখন কিছুটা শান্ত হল তখন দেখল, সে মসজিদের বারান্দায় বসে আছে। আল্লাহ তাকে মস্তবড় গোনাহ থেকে রক্ষা করেছেন ভেবে মসজিদের কল থেকে অজু করে এসে দু’রাকাত শোকরানা নামায পড়ল।

    তারপর মশার কামড় সহ্য করে সেখানেই রাত কাটাল। ভোরে ফজরের নামায পড়ে রুমে ফিরে এল।

    পরের দিন সারাদিন বাইরে কাটিয়ে আমজাদ মাগরিবের নামায পড়ে ফিরে এসে দেখল, দু’ভাই বোন পড়ছে। চম্পার মুখটা বেশ ভার ভার। আমজাদ মনে করেছিল, রাগে হয়তো চম্পা মায়ের কাছে তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করবে এবং আজ পড়তেও আসবে না। এসেছে দেখে কিছুটা স্বস্তি পেল।

    রাজু জানে ছোট আপার সাথে স্যারের বিয়ে হবে। তাই পড়া শেষ হওয়ার সাথে সাথে বই খাতা নিয়ে চলে যায়। আজও তাই করল।

    রাজু চলে যাওয়ার পর চম্পা ছলছল চোখে তার দিকে তাকিয়ে বলল, সারা রাত কোথায় ছিলেন? আমি আপনার ফেরার অপেক্ষায় থাকতে থাকতে এখানেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ রাত চারটের সময় ঘুম ভেঙে যেতে দেখি আপনি তখনও ফেরেননি। দরজার দুই কপাট দু’দিকে। ভয় পেয়ে আমি দরজায় শেকল দিয়ে নিজের রুমে গিয়ে ঘুমায়।

    আমজাদ বলল, যেখানেই থাকি না কেন, তা তোমার জানার দরকার নেই। যা বলছি শোন, ভালবাসার কথা বলে যেভাবে তুমি আমাকে পেতে চাচ্ছ, তা কোনো কালেই সম্ভব নয়। তোমার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়া বা আমার মা-বাবার মনে কষ্ট দিয়ে বিয়ে করা কোনোটাই আমার পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ ইসলামে দু’টোই হারাম এবং জাহান্নামের পথ। তা ছাড়া আমাদের সমাজ আছে। যা কিছু করি না কেন সমাজকে নিয়ে করতে হবে। আমার ইচ্ছার কথা এর আগে অনেকবার বলেছি। আবার বলছি চাকরি পাওয়ার পর মা-বাবার পছন্দ মতো সমাজের দশজন ও আত্মীয়-স্বজনকে সাথে নিয়ে মাথা উঁচু করে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করব। তাতে সবাইয়ের সঙ্গে মা-বাবাও খুশী হবেন। তখন সবাই খুশী মনে দোয়া করবেন। তাদের দোয়ায় আমাদের দাম্পত্ত জীবন সুখের হবে। প্রেম করে গোপনে বিয়ে করলে যেমন সবাই অসন্তষ্ট হয় এবং কলঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, তেমনি সবাইয়ের দোয়ার বদলে অভিশাপ কুড়াতে হয়।

    চম্পা বলল, ঠিক আছে, আমি তো বলেছি, একদিন বাড়ি গিয়ে আপনার মা বাবাকে নিয়ে আসুন। যদি তাদের আসতে এখন অসুবিধা থাকে, তবে তাদের মতামত নিয়ে আসুন। আমাদের সবাই এ ব্যাপারে সম্মত আছে।

    আমজাদ দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে বলল, এতকিছু বলার পরেও সেই একই কথা বলছ? তা হলে কী তোমরা আমাকে ঘরজামাই করে রাখার জন্য উঠে পড়ে লেগেছ? তাই যদি ভেবে থাক, তা হলে মস্ত বড় ভূল করেছ। লেখাপড়া করে বেকার থাকার কি যে যন্ত্রনা, তা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করছি। তার উপর বেকার অবস্থায় যদি ঘর-জামাই থাকি, তা হলে নির্ঘাৎ আত্মহত্যা করতে হবে। তুমি এখন যাও, আমার খুব অস্বস্থি লাগছে।

    চম্পা আর কিছু না বলে বই খাতা নিয়ে চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }