Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কোথাও কেউ নেই – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প419 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৮. মামুনের মন খারাপ হয়ে গেল

    আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মামুনের মন খারাপ হয়ে গেল।

    শার্টের পকেটের কাছে এক পয়সার সাইজের একটা ফুটো তেলাপোকার কাণ্ড। এই শার্ট গায়ে দিয়ে বেরুনো যাবে না। সবাই তাকিয়ে থাকবে। কিন্তু বদলে অন্য কিছু পরতেও ইচ্ছা করছে। না। এটা মুনার পছন্দ করে কিনে দেয়া শার্ট। মামুন ভেবে রেখেছিল ওর সঙ্গে দেখা করতে গেলেই এটাই পরবে। তাতে মুনার উপর এক ধরনে মানসিক চাপ তৈরি হবে। লাল স্ট্রাইপের এই শার্ট নিঃশব্দে সারাক্ষণ বলবে।–মুনা, তোমাকে ভালবাসি। তোমাকে ভালবাসি। মেয়েদের মনস্তত্ত্বে ছেলেমানুষী একটা ব্যাপার আছে। অত্যন্ত বুদ্ধিমতী মেয়েরাও এ ধরনের হালকা জিনিস পছন্দ করে।

    কিন্তু এটা পরে কী খাওয়া যাবে? ফুটোটা বেশ বড়। সাদা গেঞ্জি দেখা যায়। মামুন আয়নার সামনে মিনিট পাঁচেক দাঁড়িয়ে মন ঠিক করল। থাকুক ফুটো। এতে একটা সুবিধা পাওয়া যাবে। মুনা এক সময় নিশ্চিত বলবে ১ পকেটের ওখানে কি? সে তখন মুখ কালো করে বলবে হৃদয়ের কাছাকাছি ফুটো হয়ে আছে। খুবই হালকা ধরনের কথা। তবে হালকা ধরনের কথাবার্তাও মাঝে মাঝে শুনতে ভাল লাগে।

    মামুন মুনার অফিসে ঢুকে আকাশ থেকে পড়ল। মুনা নেই। সে নাকি দুমাসের ছুটি নিয়েছে। আজ নিয়ে পাঁচ দিন হল। কিন্তু অদ্ভুত কথা! পাল বাবু চোখ কপালে তুলে বলবেন, সে কী আপনি জানেন না?

    জি না, জানি না।

    বলেন কি? কেন জানেন না?

    মামুন বিরক্ত হয়ে বলল, আমাকে বলেনি। তাই জানি না।

    কিন্তু আপনাকে বলবে না কেন? হোয়াই? ঝগড়া চলছে নাকি?

    না কিছু চলছে না।

    বিরক্তিতে মামুনের চোখ সরু হয়ে গেল। পাল বাবু তার বিরক্তিকে মোটেও আমল দিলেন না। জোর করে তাকে ক্যান্টিনে নিয়ে আলুর চাপ এবং চায়ের অর্ডার দিয়ে বসলেন। মামুন শুকনো গলায় বলল, খামোকা এসব আনছেন। আমি কিছুই খাব না।

    না খেলে না খাবেন। আমার সঙ্গে দুমিনিট বসতে তো অসুবিধা নেই। আরাম করে বসুন এবং ধীরে-সুস্থে বলুন ব্যাপারটা কি? ঝগড়াটা কি নিয়ে করলেন?

    ঝগড়া হয়েছে আপনাকে কে বলল?

    এসব বলার দরকার হয় না। আপনার চোখে-মুখে পরিষ্কার লেখা আছে। মান-অভিমানপর্ব বোঝা যায়। হা হা হা।

    মামুন কঠিন চোখে তাকিয়ে রইল। আগে এই লোকটিকে ভালই লাগত। আজ কেমন গ্ৰাম্য লাগছে। কথার ফাঁকে থুথুর কণা ছিটকে আসছে। কিছু কিছু নিশ্চয়ই পড়েছে চায়ের কাঁপে এবং আলুর চাপে। কুৎসিত দৃশ্য। সহ্য করা মুশকিল। মামুন সাহেব।

    বলুন।

    রাগ ভাঙবার বুদ্ধি আপনাকে শিখিয়ে দিচ্ছি। সোজা বুদ্ধি। জটিল সমস্যা গুলি সলভ করতে হয় সহজ বুদ্ধি দিয়ে। কঠিন বুদ্ধি খরচ করলে সমস্যটা আরো জট পাকিয়ে যাবে। চা খাচ্ছেন না। তো। ঠাণ্ডা হচ্ছে।

    হোক ঠাণ্ডা। দুপুরে আমি চা খাই না।

    তাহলে ঠাণ্ডা কিছু খান–লাচ্ছি আছে। এই ইনাকে ভাল করে লাচ্ছি দাও।

    আপনি শুধু শুধু ব্যস্ত হচ্ছেন আমি কিছুই খাব না।

    আরে ভাই খান। খেতে খেতে আমার বুদ্ধিটা শুনুন। কিছু না যাবেন, সোজাসুজি পায়ে ধরে ফেলবেন এবং কান্না কান্না গলায় বলবেন ক্ষমা চাই।

    রাগে মামুনের গা জ্বলে গেল। কি রকম ইডিওটিক কথাবার্তা। এ ধরনের কথাবার্তা একজন শিক্ষিত মানুষ বলে কি করে?

    বুঝলেন মামুন সাহেব, এপ্রোচটা নাটকীয় কিন্তু এর নাম হচ্ছে কোরামিন ইনজেকশান। এটাতেই রোগের আরাম হবে। আর যদি কাজ না হয় তাহলে আপনি অফিসে এসে আমার ডান গালে একটা চড় দিয়ে যাবেন। হা হা হা।

    এখানে বসে সময় নষ্ট করার আর কোনো মানে হয় না। যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণই এর বকবকানি শুনতে হবে।

    উঠলেন নাকি?

    জি উঠলাম।

    লাচ্ছি। তো মুখেই দিলেন না।

    বলছি তো আপনাকে, কিছুই খাব না।

    আপনি মিস মুনার বাসায় চলে যান। যা বললাম সেটা করেন। শ্ৰীকৃষ্ণের মত দেবতা যদি রাধার পা ধরতে পারে তাহলে আপনার ধরতে বাধা কী?

     

    বকুল আজ স্কুলে যায়নি। স্কুল খোলা আছে, টেস্ট পরীক্ষার প্রিপারেশনের জন্যে ক্লাস হচ্ছে না। একা একা বাসায় তার ভয় ভয় লাগছিল। কাজের মেয়েটি তার এক খালার বাড়িতে গেছে এখনো আসেনি। বাবুর স্কুল ছুটি তিনটায়। এতক্ষণ একা একা থাকতে হবে। সে ক্ষণে ক্ষণে চমকে উঠে নিচু গলায় বলছিল কে? একা ঘরে থাকলেই যত ভূতের গল্পগুলি মনে পড়ে যায়। টিনা ভাবীর কাছে শোনা একটা গল্প তখন থেকেই মনে হচ্ছে কাটা হাতের গল্প। কবজি পর্যন্ত কাটা একটা হাত মানুষের ঘরে এসে ঢোকে। নানান কাণ্ডকারখানা করে। বকুলের দুপুর থেকে মনে হচ্ছে হাতটা তাদের ঘরে এসেছে। রান্নাঘরে খুটখাট করছে। সে একা একা বসে আছে রান্নাঘরে। তার দুপুরের খাওয়া হয়নি। বাবু না আসা পর্যন্ত হবেও না। একা একা রান্নাঘরে যাবার প্রশ্নই ওঠে না।

    দুটোর সময় দরজার কড়া নড়ল। বকুলের আনন্দের সীমা রইল না। যাক কেউ-একজন এসেছে। সে দরজা খুলে দেখল মামুন ভাই। হেঁটে হেঁটে এসেছেন বোধ হয়। ঘেমে লাল হয়ে আছেন।

    কেমন আছ বকুল?

    জি ভাল আছি।

    মুনা বাসায় নেই?

    জি না। আপা নেই।

    কোথায় গেছে?

    জানি না। কোথায় যেন ঘুরে বেড়ায়।

    বল কি।

    ভেতরে আসুন মামুন ভাই। আপনি আসায় যা ভাল লাগছে। একা একা খুব ভয় লাগছিল।

    একা তুমি?

    জি একা।

    মামুন ভেতরে ঢুকল। কথাবার্তা কী বলবে ভেবে পেল না। কিছুক্ষণ অবশ্যি অপেক্ষা করা যায়। মামুন বলল, সে সাধারণত কখন ফিরে?

    কোনো ঠিক নেই। অনেক সময় সন্ধ্যার পর ফিরে।

    বল কি?

    আপনাদের ঝগড়া হয়েছে তাই না মামুন ভাই?

    মামুন ইতস্তত করে বলল, হ্যাঁ হয়েছে। তোমাকে সে কি কিছু বলেছে?

    না, মুনা। আপা মরে গেলেও কাউকে কিছু বলবে না। আপনাকে একটু চা করে দেই?

    উঁহু! ভাত খাইনি এখনো।

    আমাদের এখানে খান। আমিও খাইনি।

    না ভাত খাব না। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে চলে যাব। তুমি আমাকে ঠাণ্ডা এক গ্লাস পানি দাও।

    মামুন মুখ কালো করে বসে রইল। বকুল ঠাণ্ডা পানি বদলে ভাত বেড়ে বলল, খেতে আসুন মামুন ভাই। মামুন নিঃশব্দে খাবার টেবিলে গিয়ে বসল। বড় মায়া লাগল বকুলের। কেমন আগ্রহ করে খাচ্ছেন। নিশ্চয়ই খুব ক্ষিধে পেয়েছে।

    বকুল!

    জি।

    আমার ব্যাপারে তোমার আপা তোমাকে সত্যি কিছু বলেনি?

    জি না।

    আমি একটা অন্যায় করেছিলাম বুঝলে বকুল। তার জন্যে আমার লজ্জার সীমা নেই। আমি তো মহাপুরুষ না। সাধারণ মানুষ। মহাপুরুষেরাও ভুল করে। অন্যায় করে। করে না?

    বকুল অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। মামুন ভাই ক্লাসে বক্তৃতা দেবার মতো ভঙ্গিতে কথা বলছেন। ওদের ভেতর কি সমস্যা হয়েছে কে জানে? বড় জানতে ইচ্ছা করছে।

    মামুন খাওয়া শেষ হওয়া মাত্র চলে গেল। অদ্ভুত ভঙ্গিতে চলে যাওয়া। যেন সে হঠাৎ সবার উপরে বিরক্ত হয়ে উঠেছে। মনস্থির করছে কিছু-একটা করবে। কেমন থমথমে মুখ।

    বাবু এল সাড়ে তিনটার দিকে। শীতের দিন। সাড়ে তিনটায় কেমন বিকেল বিকেল হয়ে যায়। বাবুকে ভাত বেড়ে দিয়ে বুকল বলল, তুই কিছুক্ষণ একা থাকতে পারবি বাবু? আমি ভাবীদের বাসায় পাঁচ মিনিটের জন্যে যাব। বাবু গম্ভীর গলায় বলল, একবার গেলে এক ঘণ্টার আগে আসবে না।

    যাব আর আসব। উনার ছেলেদের জ্বর। দেখে আসা দরকার। যাই বাবু? লক্ষ্মী ময়না।

    আচ্ছা যাও।

    একা এক ভয় লাগবে না তো?

    আমার এত ভয় নেই।

    ইস কি আমার সাহসী। রাতে তো একা একা বাথরুমে যেতে পারিস না।

    বাবু কিছু বলল না। কথাটা সত্যি। দিনের বেলা তার কোনো ভয় লাগে না। কিন্তু রাত হলেই দারুণ ভয় লাগে।

    টিনা ভাবী ঠোঁট উল্টে বললেন, তারপর কি মনে করে? তার মনে ভাবী রেগে আছেন। রাগাই স্বাভাবিক। দু’দিন খবর পাঠাচ্ছেন্ন আসবার জন্যে। আসা হচ্ছে না।

    বাচ্চারা কেমন আছে ভাবী?

    তা জেনে তোর কী হবে? ওরা জ্বরে বেইশ হয়ে পড়ে থাকলেই বা কি আর ভাল থাকলেই বা কি?

    বকুল বেশ লজ্জা পেল। দু’টি বাচ্চার প্রচণ্ড জ্বর। হাত-পা এলিয়ে ঘুমাচ্ছে। জ্বরের আঁচে গা কেমন লালাভ হয়ে আছে।

    ডাক্তার দেখিয়েছ ভাবী?

    হুঁ দেখিয়েছি। তোর ডাক্তারকেই আনিয়েছিলাম। ও ডাক্তারি কিছু জানে না বলে মনে হয়, কি ওষুধপত্র দিয়েছে তাতে জ্বর আরো বেড়ে গেছে।

    অন্য ডাক্তার দেখাও। দেশে কি আর ডাক্তার নেই? কত বড় বড় ডাক্তার আছে।

    অন্য ডাক্তার দেখাব। চক্ষুলজার জন্যে পারছি না। বেচারা রোজ দুতিনবার এসে খোঁজ নেয়। এখন যদি দেখে অন্য ডাক্তায় এনেছি…। মহা যন্ত্রণায় পড়লাম বুঝলি।

    তুমি আজই অন্য ডাক্তার খবর দাও।

    তাই দিতে হবে। তোর ভাই চোঁচামেচি করছে। আমি আজ দিনটা সময় নিয়েছি। আজ দিনের মধ্যে না কমলে অন্য ডাক্তারের কাছে যাব।

    ভাবী দেখ, গা ঘামছে। জ্বর বোধ হয় নেমে যাচ্ছে। ঠোঁট চাটছে। ওদের একটু পানি খাওয়াই। খাওয়া। বোতলে গুকোজ সরবত আছে দেখ। আমি একটু গা ধুয়ে আসি।

    পাঁচ মিনিটের জন্যে এসে এক ঘণ্টার ওপর কাটিয়ে দিল। তার উঠে আসতে ইচ্ছে করছে না। টিনা ভাবী দুই বাচ্চাকে দুই পাশে নিয়ে শুয়ে শুয়ে গল্প করছে। এত ভাল লাগছে দৃশ্যটি দেখতে। একই রকম দেখতে দু’টি বাচ্চাকে দুপাশে নিয়ে শোবার মতো আনন্দ বোধ হয়। আর কিছু নেই। বকুলের মনে হল–ইস। তার যদি এ রকম দু’টি বাচ্চা হত। এটা মনে হতেই সে লজ্জায় বেগুনী হয়ে গেল। তার মনে হল টিনা ভাবী তার মনের কথাটা টের পেয়ে ফেলেছে।

    বকুল!

    কী ভাবী?

    তো বিয়ের কথাবার্তা পাকা করতে হয়। কার সঙ্গে কথা বলব? তোর আসল গার্জেন তো বোধ হয় তোর বোন।

    বকুল মাথা নিচু করে বসে রইল। উত্তর দিল না। টিনা হালকা গলায় বলল, তুই কিছু মনে করিস না বকুল–তোর এই বোনটাকে আমার পছন্দ হয় না। কেমন পুরুষ পুরুষ ভাব।

    মুনা আপা খুব ভাল মেয়ে।

    ভাল মেয়ে তো বটেই। তোদের ঝামেলার যেভাবে ঝড় সামাল দিয়েছে। এ রকম কাঁটা পুরুষ পারবে? তবে ব্যাপার কি জানিস বকুল.. তোর আপা হচ্ছে কঠিন ধরনের মেয়ে। মেয়েরা কঠিন হলে ভাল লাগে না। মেয়েরা হবে নরম ধরনের। আহাদী। কথায় কথায় কেঁদে ফেলবে… যেমন তুই?

    আমি বুঝি আহাদী?

    না আহাদী না। তুই হচ্ছিস মায়াবতী।

    মুনা আপা বুঝি মায়াবতী না?

    না।

    বকুলের মন খারাপ হয়ে গেল। মুনা আপা সম্পর্কে কেউ কিছু বললে তার ভাল লাগে না। রাগ লাগে।

    বকুল, এমন মুখ কালো করে ফেলেছিস কেন?

    ভাবী, আমি উঠি?

    এখন উঠবি কি? আরেকটু বস। তোর ডাক্তার আসবে কিছুক্ষণ মধ্যে। তার সঙ্গে দুই-একটা কথাটথা বল।

    কি যে তুমি বল ভাবী।

    বিয়ের আগে কথাটথা বলা হাতের সঙ্গে হাত লেগে যাওয়া এইসব খুব ভাল লাগে। অন্য রকম একটা আনন্দ হয়। বিয়ের পর দেখবি এইসব খুব পানসে লাগছে। শরীরের সঙ্গে শরীরের পরিচয়ের আগের যে প্রেম সেটার মত ভাল আর কিছু নেই।

    টিনা ছোট করে নিঃশ্বাস ফেলল। মনে মনে বকুলও একটা নিঃশ্বাস ফেলল। তার কেমন ভয় ভয় করে। এত রহস্য পৃথিবীতে। এইসব রহস্যের মধ্যে বড় হওয়া বেশ কষ্টে।

    বকুল। একটু চা করতে পারবি। ঘুমে চোখ বন্ধ হয়ে আসছে। চোখের পাতা মেলে রাখতে পারছি না।

    ঘুমাও।

    উঁহু। তোর ভাই আসবে। ঘুমিয়ে আছি দেখলে মুখ ভারী হয়ে যাবে। পুরুষ মানুষদের তুই তো চিনিস না। অদ্ভুত জিনিস।

    তাই নাকি?

    হ্যাঁ তাই।

    বাচ্চা দু’টি এমন ওদের যন্ত্রণাতেই রাতে ঘুমুতে পারছি না–শেষ রাতে একটু তন্দ্ৰামত এসেছে তখন তোর ভাই ডেকে তুলল। তার নাকি ভীষণ মাথাব্যথা চুল টেনে দিতে হবে। উঠে গেলাম চুল টেনে দিবার জন্যে–ও আল্লা দেখি মাথা ব্যথা কিছু না তার অন্য কিছু চাই।

    বকুল মুখ লাল করে বসে রইল।

    পুরুষের মত স্বার্থপর জাত আর তৈরি হয়নি। নিজের বাচ্চারা এমন অসুস্থ এর মধ্যে কেউ কি পারে…

    বকুল কথার মাঝেই উঠে দাঁড়াল। মৃদু স্বরে বলল, ভাবী আমি চা বানিয়ে নিয়ে আসি।

    লজ্জায় তুই দেখি একেবারে লাল হয়ে গেছিস। এসব খুব সাধারণ ব্যাপার। বিয়ের দু’দিন পর দেখবি ডাল-ভাত হয়ে গেছে।

    বকুল চা বানিয়ে এসে দেখে টিনা ভাবী ঘুমিয়ে পড়েছে। তাকে ঘুম থেকে জাগানোর কোনো মানে হয় না। সে নিজেই চাটা খেল। বাচ্চা দু’টির জ্বর আসলেই অনেকখানি কমেছে। এরা ঘুমের মধ্যে হাসছে। খুবই আশ্চর্যের ব্যাপার দু’জন একই সঙ্গে হাসছে। একটি স্বপ্নই বোধ হয় দেখছে দু’জন। বকুল নিচু হয়ে ওদের কপালে চুমু খেল। কেমন দুধ দুধ গন্ধ। একবার চুমু খেলে মুখ উঠিয়ে নিত ইচ্ছা করে না। বুকের মধ্যে কেমন অদ্ভুত ভাবে শিরশির করে। কেন করে? কোনোদিন বোধ হয় তা জানা যাবে না।

    বকুল বেরুল চারটার একটু আগে। বেরুনো মাত্র দেখা হল ডাক্তার ছেলেটির সঙ্গে। বকুলের বুক ধ্বক করে উঠল। এক পলকের জন্যে দুলে উঠল সব কিছু।

    বকুল ভাল আছ?

    রুগী দেখতে গিয়েছিলো?

    হুঁ।

    আছে কেমন ওরা?

    ভাল।

    তোমার তো আর দেখাই পাওয়া যায় না। স্কুলে যাও না?

    এখন আমাদের ক্লাস হচ্ছে না।

    ক্লাস হচ্ছে না কেন?

    টেস্টের প্রিপারেশনের জন্য।

    কেমন হচ্ছে প্রিপারেশন?

    ভাল। আমি এখন যাই?

    এই সপ্তাহের মধ্যেই আমার মা যাবেন তোমাদের বাসায়।

    বকুল কিছু বলল না। জহির হাসিমুখে বলল, মাকে তোমার ছবি দেখিয়েছি; মা কি বললেন জান? মা বললেন–মেয়েটার নাকটা এত মোটা কেন? জহির বেশ শব্দ করে হাসতে লাগল। এত লজ্জা লাগছে বকুলের। একই সঙ্গে ছুটে পালিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে আবার দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কথা শুনতেও ইচ্ছা করছে। সম্পূর্ণ দুরকম জিনিস একসঙ্গে মানুষের মনে আসে কিভাবে কে জানে।

    বকুল!

    জি।

    তুমি দেখি ঘেমে-টেমে একটা কাণ্ড করছি। এত অস্বস্তি বোধ করছ কেন? এ কালের মেয়েরা কত স্মার্ট থাকে।

    আমি যাই এখন।

    বকুলের পা পাথরের মত ভারী। বড্ড কষ্ট হচ্ছে পা টেনে টেনে যেতে। কান্না পেয়ে যাচ্ছে। একটা সময় আসছে। যখন এই ছেলেটির সঙ্গে সে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গল্প করবে। উঠে চলে যাবার কোনো তাড়া থাকবে না। কে দেখে ফেলবে এই নিয়ে চাপা আতংক থাকবে না। কি প্রচণ্ড সুখের সময়ই না হবে সেটা। ঝুম বৃষ্টি নামলে তারা দুজনে বৃষ্টিতে ভিজবে। হাত ধরাধরি করে ভিজবে। ভাবতে বকুলের চোখ জলে ভর্তি হয়ে গেল। সুখের কথা ভাবতেও যে কষ্ট হয় কেন কে জানে। এত বিচিত্র কেন পৃথিবীটা। কাউকে জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করে। কাকে সে জিজ্ঞেস করবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজনম জনম – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article কবি – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }