Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্যাপিট্যাল / ডাস কাপিটাল – কার্ল মার্ক্স (অনুবাদ : পীযুষ দাসগুপ্ত)

    কার্ল মার্ক্স এক পাতা গল্প1382 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২০. সময়-ভিত্তিক মজুরি

    বিংশ অধ্যায় — সময়-ভিত্তিক মজুরি

    মজুরিসমূহ নিজেরাই আবার বিবিধ রূপ পরিগ্রহ করে; গতানুগতিক অর্থনৈতিক গ্রন্থগুলিতে এই ঘটনাটা স্বীকৃতি পায় না; এই সব গ্রন্থ একান্তভাবেই ব্যস্ত থাকে প্রশ্নটির বৈষয়িক দিকটি নিয়ে এবং সেই কারণেই তা রূপগত প্রত্যেকটি পার্থক্যকে উপেক্ষা করে। অবশ্য, এই ধরনের সব কটি রূপের বিশদ ব্যাখ্যা মজুরি-শ্রমের বিশেষ পর্যালোচনার অন্তর্ভূক্ত এবং স্বভাবতই এই গ্রন্থের পরিধির মধ্যে পড়ে না। তবু দুটি মৌল রূপের সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনা এখানে অত্যাবশ্যক।

    স্মরণীয় যে, শ্রম-শক্তি বিক্রি হয় একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য। সুতরাং যে-রূপান্তরিত শ্রমশক্তির রূপে দৈনিক, সাপ্তাহিক ইত্যাদি মূল্য নিজেকে জাহির করে, তা হল সময়-ভিত্তিক মজুরির রূপ, সুতরাং দৈনিক, সাপ্তাহিক ইত্যাদি মজুরির রূপ।

    তারপরে লক্ষণীয় যে, শ্রম-শক্তির দাম ও উদ্বৃত্ত-মূল্যের আপেক্ষিক আয়তনে পরিবর্তন সম্পর্কে সপ্তদশ অধ্যায়ে যে-নিয়মগুলি উপস্থিত করা হয়েছে, সেগুলিই একটি সরল রূপ-পরিবর্তনের মাধ্যমে মজুরির নিয়মাবলীতে পরিণত হয়। অনুরূপ ভাবে, শ্রম শক্তির বিনিময়মূল্য এবং জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় মোট দ্রব্যসম্ভার যাতে এই বিনিময়মূল্যটি রূপান্তরিত হয়—এই দুয়ের মধ্যকার পার্থক্য এখন আবার দেখা দেয় আর্থিক মজুরি এবং আসল মজুরির মধ্যকার পার্থক্য হিসাবে। মর্মগত রূপ সম্পর্কে ইতিপুর্বেই যা বলা হয়েছে, বাহ-রূপ সম্পর্কে এখানে তার পুনরাবৃত্তি করা অপ্রয়োজনীয়। সুতরাং আমরা সময়-ভিত্তিক মজুরির কয়েকটি বৈশিষ্ট্যসূচক বিষয়ে আলোচনার মধ্যেই নিজেদেরকে নিবদ্ধ রাখব।

    যে পরিমাণ অর্থ[১] শ্রমিক তার দৈনিক বা সাপ্তাহিক মজুরি হিসাবে পায়, সেটা তার আর্থিক মজুরির পরিমাণ বা মূল্যের অঙ্কে পরিমিত তার মজুরির পরিমাণ। কিন্তু এটা পরিষ্কার যে, কর্ম-দিবসের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী, অর্থাৎ দৈনিক যতটা শ্রম কার্যত সরবরাহ করা হয়েছে তদনুযায়ী, একই দৈনিক বা সাপ্তাহিক মজুরি-শ্রমের অত্যন্ত বিভিন্ন দামের অর্থাৎ একই পরিমাণ শ্রমের জন্য অত্যন্ত বিভিন্ন পরিমাণ অর্থের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।[২] সুতরাং সময়-ভিত্তিক মজুরির বিষয় বিবেচনা করতে গিয়ে আমরা অবশ্যই আবার দৈনিক বা সাপ্তাহিক মজুরি ইত্যাদির মোট পরিমাণ এবং শ্রমের দামের মধ্যে পার্থক্য করব। তা হলে, এই দাম অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শ্রমের এই আর্থিক মূল্য কিভাবে বার করা যায়। শ্রমের গড় দাম বার করা যায় যখন শ্রম-শক্তির গড় দৈনিক মূল্যকে কর্মদিবসের গড় ঘন্টার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা হয়। ধরা যাক, যদি শ্রমশক্তির দৈনিক মূল্য হয় ৩ শিলিং, তখন ৬টি শ্রম-ঘণ্টার উৎপন্ন-দ্রব্যের মূল্য, এবং যদি শ্রম-দিবসের দৈর্ঘ্য হয় ১২ ঘণ্টা, তা হলে একটি শ্রম ঘণ্টার দাম হবে ৩/১২ শিলিং অর্থাৎ ৩ পেন্স।

    এইভাবে প্রাপ্ত শ্রম-ঘণ্টার দামটি কাজ করে শ্রমের দামের একক পরিমাপ হিসাবে।

    এ থেকে বেরিয়ে আসে যে, দৈনিক ও সাপ্তাহিক মজুরি ইত্যাদি একই থাকতে পারে, যদি শ্রমের দাম নিরন্তর কমেও যায়। যেমন, যদি অত্যন্ত কাজের দিনটি হয় ১০ ঘণ্টা এবং শ্রমশক্তির দৈনিক মূল্যটি হয় ৩ শিলিং, তা হলে কাজের ঘণ্টাটির দাম হবে ৩.৬ পেন্স। যখনি কাজের দিনটি বেড়ে দাঁড়ায় ১২ ঘণ্টা তখনি কাজের ঘণ্টার দাম কমে দাড়ায় ৩ পেন্স; যখনই বেড়ে দাঁড়ায় ১৫ ঘণ্টা, তখনি এই দাম কমে আঁড়ায় ২.৪ পেন্স। এই সব সত্ত্বেও দৈনিক ও সাপ্তাহিক মজুরি থেকে যায় অপরিবর্তিত। বিপরীত দিকে দৈনিক বা সাপ্তাহিক মজুরি বেড়ে যেতে পারে, যদিও শ্রমের দাম একই থাকে, কিংবা এমনকি পড়েও যায়। যেমন, যদি কাজের দিনটি ১০ ঘণ্টা এবং শ্রম শক্তির দৈনিক মূল্যটি ৩ শিলিং, তা হলে একটি কাজের ঘণ্টার দাম হবে ৩.৬ পেন্স। যদি ব্যবসা বাড়াবার দরুন শ্রমিক কাজ করে ১২ ঘণ্টা, তা হলে শ্রমের দাম অপরিবর্তিত থাকলে, তার দৈনিক মজুরি তখন, শ্রমের দামে কোনো হ্রাস-বৃদ্ধি না। হয়েই, বেড়ে গিয়ে দাড়ায় ৩ শিলিং ৭.২ পেন্স। একই ফল ফলবে যদি তার শ্রমের দীর্ঘতার পরিমাপ না বাড়িয়ে তার তীব্রতার পরিমাপ বাড়ানো হয়।[৩] তা হলে, শ্রমের দাম স্থির থাকলেও, এমনকি পড়ে গেলেও, আর্থিক দৈনিক বা সাপ্তাহিক মজুরি বাড়তে পারে। শ্রমিকের পরিবারের আয়ের বেলাতেও এই একই জিনিস খাটে, যখনি পরিবারের অভিভাবকটির দ্বারা ব্যয়িত শ্রমের পরিমাণ তার পরিবারের লোক জনদের শ্রমের দ্বারা বর্ধিত হয়। সুতরাং দৈনিক বা সাপ্তাহিক মজুরি হ্রাস না করেও শ্রমের দাম কমাবার বিবিধ পদ্ধতি আছে।[৪]

    সাধারণ নিয়ম হিসাবে এটা বেরিয়ে আসে যে, দৈনিক, সাপ্তাহিক শ্রম ইত্যাদি নির্দিষ্ট থাকলে, দৈনিক বা সাপ্তাহিক মজুরি নির্ভর করে শ্রমের দামের উপরে, যা নিজেই পরিবর্তিত হয় শ্রমশক্তির মূল্যের সঙ্গে আর নয়ত তার দাম এবং তার মূল্যের মধ্যে পার্থক্যের সঙ্গে।

    সময়-ভিত্তিক মজুরির এককগত পরিমাপ হল গড় শ্রম-দিবসের গড় ঘন্টাসংখ্যা দ্বারা বিভক্ত এক দিনের শ্রম-শক্তির ভাগফল (এক দিনের শ্রমশক্তি / একটি গড় শ্রম দিবসের ঘন্টা)। ধরা যাক, গড় শ্রম-দিবসের ঘন্টা সংখ্যা হল ১২ ঘণ্টা এবং শ্রম শক্তির দৈনিক মূল্য ৩ শিলিং। এই পরিস্থিতিতে একটি শ্রম-ঘণ্টার দাম হল ৩ পেল এবং তার মধ্যে উৎপাদিত মূল্য হল ৬ পেন্স। যদি এখন শ্রমিকটি নিযুক্ত খাকে ১২ ঘণ্টার কম (কিংবা সপ্তাহে ৬ দিনের কম), ধরা যাক ৬ বা ৮ ঘণ্টা, তা হলে, শ্রমের এই দাম থাকা-কালে, সে পায় দৈনিক ২ শিলিং বা ১ শিলিং ৬ পেন্স।[৫] যেহেতু আমাদের প্রকল্প ( হাইপোথসিস) অনুসারে, কেবল তার শ্রম-শক্তির মূল্যের সম পরিমাণ মূল্য উৎপাদন করতে তাকে দৈনিক গড়ে কাজ করতে হবে ৬ ঘণ্টা করে এবং যেহেতু ঐ একই প্রকল্প অনুসারে সে প্রত্যেকটি ঘণ্টার মাত্র অর্ধেকটা কাজ করে নিজের। জন্য আর বাকি অর্ধেকটা ধনিকের জন্য, এটা পরিষ্কার যে, সে যদি ১২ ঘণ্টার কম সময় নিযুক্ত থাকে, তা হলে সে ৬ ঘণ্টায় উৎপন্ন সামগ্রীর মূল্য নিজের জন্য পেতে পারে না। পূর্ববর্তী অধ্যায়গুলিতে আমরা অত্যধিক পরিশ্রমের সর্বনাশা ফলগুলি দেখেছি; এখানে আমরা দেখছি অপ্রতুল কর্ম-নিয়োগ থেকে উদ্ভূত তার দুঃখ-দুর্দশার উৎসগুলি।

    যদি ঘণ্টা-প্রতি মজুরি ধার্য হয়, যাতে করে ধনিক আর দিন-প্রতি বা সপ্তাহ-প্রতি মজুরি দেবার দায়িত্ব গ্রহণ করে না, কেবল সেই ক’ ঘণ্টার মজুরি দেবার দায়িত্ব গ্রহণ করে, যে ক’ ঘণ্টার জন্য শ্রমিককে নিযুক্ত করতে সে মনস্থ করে, সে তাকে ঘণ্টা-প্রতি মজুরি গণনার মূল ভিত্তিটির চেয়েও কিংবা শ্রমের দামের একক গত পরিমাপের চেয়েও অল্পতর সময়ের জন্য তাকে নিযুক্ত করতে পারে। যেহেতু একক নির্ধারিত হয় নিম্ন লিখিত অনুপাতটির দ্বারা :

    শ্রমশক্তির দৈনিক মূল্য / একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ঘণ্টার শ্রম-দিবস

    সেহেতু তা স্বভাবতই, যে মুহূর্ত থেকে শ্রম-দিবস একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ঘণ্টা দিয়ে আর গঠিত হয় না, সেই মুহূর্ত থেকেই, হারায় তার সকল তাৎপর্য। মূল্য-প্রদত্ত শ্রম এবং মূল্য-বঞ্চিত শ্ৰম-এই দুয়ের মধ্যে সংযোগ বিনষ্ট হয়ে যায়। তখন তাকে তার নিজের জীবন ধারণের জন্য আবশ্যক কোনো শ্রম-সময় না দিয়েই ধনিক শ্রমিকের কাছ থেকে নিঙড়ে নিতে পারে একটা বিশেষ পরিমাণ শ্রম-সময়। নিয়োগের সমস্ত নিয়মিকতাকে সে ধ্বংস করে দিতে পারে, এবং তার নিজের তাৎক্ষণিক সুবিধা, খেয়াল ও স্বার্থ অনুযায়ী কখনো চাপিয়ে দিতে পারে অতিরিক্ত কাজের প্রচণ্ড গুরুভার কখনো চাপিয়ে দিতে পারে আংশিক বা সামগ্রিক কর্মহীনতা। “শ্রমের স্বাভাবিক দাম” দেবার ভাণ করে সে পারে শ্রমিকের জন্য আনুষঙ্গিক ক্ষতি পূরণের কোনো প্রকার সংস্থান না করেই কাজের দিনকে অস্বাভাবিক ভাবে দীর্ঘায়িত করতে। এই জন্য ১৮৬০ সালে লণ্ডনে ঘণ্টা প্রতি মজুরি চাপানোর যে চেষ্টা ধনিকেরা করেছিল, তার বিরুদ্ধে সেখানকার ইমারতি শিল্পগুলির শ্রমিকেরা সংগত কারণেই বিদ্রোহ করেছিল। শ্রম দিবসের আইনগত সীমা নির্দেশের ফলে এই ধরনের অপচেষ্টার অবসান ঘটে, যদিও তা মেশিনারির প্রতিমোগিতা, নিযুক্ত শ্রমিকদের গুণমানে পরিবর্তন এবং আংশিক বা সার্বিক সংকটের দ্বারা সংঘটিত কৰ্মহানির অবসান ঘটায় নি।

    দৈনিক বা সাপ্তাহিক মজুরি বৃদ্ধির সঙ্গে শ্রমের দাম আর্থিক অঙ্কে স্থির থাকতে পারে, এবং তবু তার স্বাভাবিক মানের নীচে নেমে যেতে পারে। শ্রমের দাম ( কাজের ঘণ্টার হিসাবে) স্থির রেখে যত বার কাজের দিনকে তার প্রথাগত দৈর্ঘ্যের বাইরে দীর্ঘায়িত করা হয়, তত বার এই ব্যাপারটা ঘটে। যদি এই ভগাংকটিতেঃ শ্রমশক্তির দৈনিক মূল্য/ শ্রম-দিবস, ‘হর বৃদ্ধি পায়, তা হলে ‘লব’ বৃদ্ধি পায় আরো বেশি দ্রুতগতিতে। শ্রমশক্তির মূল্য, তার ক্ষয়-ক্ষতি-সাপেক্ষ হওয়ায়, তার কার্ষের স্থায়িত্বকালের সঙ্গে বৃদ্ধি পায় এবং সেই স্থায়িত্বকালের বৃদ্ধির তুলনায় দ্রুততর অনুপাতে বৃদ্ধি পায়। অতএব, শিল্পের অনেক শাখায়, যেখানে কাজের সময়ের উপরে কোনো আইনগত সীমা-নির্দেশ ছাড়া সময়-ভিত্তিক মজুরিই সাধারণ নিয়ম, সেখানে কেবল একটি বিশেষ মাত্রা পর্যন্ত, যথা, দশম ঘণ্টার সমাপ্তি পর্যন্ত, শ্রম দিবসকে স্বাভাবিক বলে গণ্য করার অভ্যাস স্বতঃস্ফুর্ত ভাবেই গড়ে উঠেছে ( স্বাভাবিক কাজের দিন”, “বরাজের কাজ”, “কাজের নিয়মিত সময়”)। এই মাত্রার বাইরে কাজ মানেই “ওভারটাইম”, এবং, ঘন্টার মাপের একক ধরে নিয়ে, এর জন্য দেওয়া হয় অপেক্ষাকৃত ভাল পারিশ্রমিক ( ‘বাড়তি মজুরি”) যদিও প্রায়ই এমন অনুপাতে যা হাস্যকরভাবে কম।[৬] স্বাভাবিক কাজের দিনটির অস্তিত্ব এখানে আসল কাজের দিনের একটি ভগ্নাংশ হিসাবে, এবং, প্রায়ই গোটা বছর জুড়ে, শেষোক্তটির স্থায়িত্ব, পূর্বোক্তটির চেয়ে দীর্ঘতর।[৭] একটি নির্দিষ্ট মাত্রার বাইরে কাজের দিনের সম্প্রসারণের সঙ্গে শ্রমশক্তির দামে এই বৃদ্ধি, বিভিন্ন ব্রিটিশ শিল্পে এমন আকার ধারণ করে যে তথাকথিত স্বাভাবিক সময়ে নিচু দাম শ্রমিককে বাধ্য করে অপেক্ষাকৃত ভাল পারিশ্রমিকের বাড়তি-সময়ে (“ওভার-টাইম”-এ) কাজ করতে—যদি সে আদৌ যথেষ্ট মজুরি পেতে চায়।[৮] শ্রম দিবসের উপরে আইনগত সীমা আরোপ এই সুযোগের অবসান ঘটায়।[৯]

    এটি একটি সাধারণ ভাবে পরিজ্ঞাত ঘটনা যে, শিল্পের কোনো শাখায় কাজের দিন যত দীর্ঘ হয়, মজুরি তত কম হয়।[১০] কারখানা-পরিদর্শক এ রেভগ্রেভ ১৮৩৯ থেকে ১৮৫৯ অবধি কুড়ি বছরের একটি তুলনামূলক পর্যালোচনার সাহায্যে এটা প্রমাণ করেন, যে-পর্যালোচনায় দেখা যায় যে ঐ সময়ে ১০ ঘণ্টা আইনের অধীনে কারখানাগুলিতে মজুরি বেড়ে গিয়েছিল, অন্যদিকে, ‘যে কারখানাগুলিতে কাজ চলত প্রতিদিন ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা, সেখানে মজুরি পড়ে গিয়েছিল।[১১]

    ‘শ্রমের দাম যদি নির্দিষ্ট থাকে, তা হলে দৈনিক বা সাপ্তাহিক মজুরি নির্ভর করে ব্যয়িত শ্রমের পরিমাণের উপরে”—এই নিয়মটি থেকে, সর্বপ্রথমে অনুসৃত হয় যে, শ্রমের দাম যত কম হবে, শ্রমের পরিমাণ অবশ্যই তত বেশি হবে, অথবা কাজের দিন অবশ্যই তত দীর্ঘ হবে-যাতে করে শ্রমিকের পক্ষে এমনকি শোচনীয় গড়পড়তা মজুরিটি পাওয়া সম্ভব হয়। শ্রমের দামের স্বল্পতা এখানে কাজ করে শ্রম-সময় সম্প্রসারণের প্রেরণা হিসাবে।[১২]

    অপর পক্ষে আবার, কাজের সময়ের এই সম্প্রসারণ শ্রমের দামে পতন ঘটায় এক সেই সঙ্গে পতন ঘটায় দৈনিক বা সাপ্তাহিক মজুরিতে।

    শ্রমশক্তির দৈনিক মূল্য /একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ঘণ্টার শ্রম-দিবস

    এর দ্বারা শ্রমের মূল্যের নির্ধারণ প্রমাণ করে যে শ্রম-দিবসের শুধুমাত্র দীর্ঘতা-সাধন ঘটালে, তা শ্রমের দামে পতন ঘটাবে, যদি কোনো ক্ষতিপূরণের সংস্থান না হয়ে থাকে। কিন্তু যে-ঘটনাবলী ধনিককে অনুমতি দেয় শেষ পর্যন্ত শ্রম-দিবসকে দীর্ঘায়িত করতে, তাই আবার তাকে প্রথমে অনুমতি দেয় এবং সর্বশেষে বাধ্য করে শ্রমের আর্থিক দাম হ্রাস করতে—যে পর্যন্ত না বর্ধিত ঘণ্টা-সংখ্যার মোট দাম হ্রাস করা হয় এবং, কাজে কাজেই, দৈনিক বা সাপ্তাহিক মজুরিও হ্রাস করা হয়। দুটি ঘটনার উল্লেখই এখানে যথেষ্ট। যদি একজন লোক ১২ জন বা দুজন লোকের কাজ করে, তা হলে শ্রমের সরবরাহ বৃদ্ধি পায়, যদিও বাজারে শ্রমশক্তির সরবরাহ স্থির থাকে। শ্রমিকদের মধ্যে এই প্রতিযোগিতা ধনিককে সুযোগ করে দেয় শ্রমের দাম দাবিয়ে দিতে; অন্য দিকে, শ্রমের দামে এই পতন তাকে সুযোগ করে দেয় কাজের সময়[১৩] নিয়ে আরো মোচড় দিতে। অবশ্য, মজুরি-বঞ্চিত শ্রমের অস্বাভাবিক পরিমাণের উপরে অর্থাৎ গড় সামাজিক পরিমাণের অতিরিক্ত পরিমাণের উপরে এই কর্তৃত্ব অচিরেই ধনিকদের নিজেদের মধ্যেই পারস্পরিক প্রতিযোগিতার উৎস হয়ে ওঠে। পণ্যের দামের একটা অংশ শ্রমের দাম দিয়ে তৈরি। শ্ৰম-দামের এই মজুরি-বঞ্চিত অংশ পণ্যের দামের মধ্যে ধরার আবশ্যকতা নেই। এটা ক্রেতার কাছে উপস্থিত করা যেতে পারে। এই হল প্রথম পদক্ষেপ, প্রতিযোগিতা যেখানে চালিয়ে নিয়ে যায়। দ্বিতীয় যে পদক্ষেপে তা চালিয়ে নেয়, সেটা হল শ্রমদিবসের সম্প্রসারণ ঘটিয়ে যে উদ্বৃত্ত-মূল্য সৃষ্টি করা হয় সেই উদ্বৃত্ত-মূল্যকে, অন্ততঃ তার একটা অংশকে, বাদ দেওয়া। এই ভাবে একটি অস্বাভাবিক ভাবে পড়ে যাওয়া পণ্যের বিক্রয়-দাম আবার উঠতে থাকে প্রথম দিকে অনিয়মিত ভাবে, তারপরে ধাপে ধাপে স্থিতিলাভ করে; তখন থেকে এই নিম্নতর বিক্রয়-দামই পরিণত হয় মাত্রাহীন কর্ম-কালের শোচনীয় পরিমাণ মজুরির স্থির ভিত্তিতে, যেমন একেবারে গোড়ায় তা ছিল এইসব ঘটনারই ফলশ্রুতি। মজুরির এই গতিবিধি এখানে কেবল মাত্র উল্লেখ করা হল, যেহেতু প্রতিযোগিতার বিশ্লেষণ আমাদের আলোচ্য বিষয়ের এই বিষয়ের এই অংশের অন্তর্ভুক্ত নয়। যাই হোক, ক্ষণেকের জন্য ধনিকের নিজের মুখেই তার কথা শোনা যাক : “বার্মিংহামে মালিকদের নিজেদের মধ্যে বড় একটা বেশি প্রতিযোগিতা নেই; নিয়োগকর্তা হিসাবে তাদের অনেকেই এমন কাজ করতে বাধ্য হয়, যা করতে অন্যথা তারা লজ্জা বোধ করত; এবং তবু আর বেশি টাকা করা হয় না; কিন্তু কেবল জনসাধারণই সুবিধাটা পায়।”[১৪] পাঠকরা স্মরণে রাখবেন যে, লণ্ডনে দুরকমের রুটি-প্রস্তুতকারক আছে, যাদের মধ্যে একরকমের প্রস্তুত কারকেরা তাদের রুটি বিক্রি করে তার পুরো দামে (“পুরো-দামী” রুটিওয়ালা), অন্য রকমের প্রস্তুতকারকেরা তাদের রুটি বিক্রি করে তার স্বাভাবিক দামের নীচে (নিচুদামী রুটিওয়ালা, (ছাড়-দামে বেচনেওয়ালা”)। পুরোদামী সংসদীয় তদন্ত কমিটির সামনে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের এই বলে নিন্দা করে, “ওরা এখন টিকে আছে প্রথমতঃ জনসাধারণকে ঠকিয়ে এবং, তার পরে, তাদের লোকদের ১৮ ঘণ্টা কাজের বদলে ১২ ঘণ্টার মজুরি দিয়ে।’ঐ লোকগুলির মাগনা-আদায়-করা এমকে তৈরি করা হয় প্রতিযোগিতা চালাবার হাতিয়ারে এবং আজও পর্যন্ত তাই চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মালিক রুটি-প্রস্তুতকারীদের নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতাই রাতের কাজ থেকে রেহাই পাবার পথে বাধা। একজন বিক্রেতা যে ছাড়-দামে বিক্রি করে অর্থাৎ ময়দার দামের খরচের হিসাবে রুটির যে-দাম হওয়া উচিত তার চেয়ে কম দামে বিক্রি করে, সে অবশ্যই তা পুষিয়ে নেবে তার লোকগুলির শ্রমের বিনিময়ে। আমি যদি আমার লোকদের কাছ থেকে ১২ ঘণ্টা শ্রম পাই, আর আমার প্রতিবেশী পায় ১৮ থেকে ২০ ঘণ্টা, তা হলে সে আমাকে বিক্রির দামে হারিয়ে দেবে। লোকগুলি যদি বেশি কাজের জন্য বেশি মজুরির জন্য জিদ ধরতে পারত, তা হলে অবশ্য ব্যাপারটা ঠিক হয়ে যেত।এই ছাড়-দামে বিক্রেতাদের দ্বারা নিযুক্ত শ্রমিকদের অনেকেই বিদেশী ও কিশোর, যারা যে-মজুরিই পাক না কেন, তাতেই খুশি থাকতে বাধ্য।”[১৫]

    এই পরিতাপ আরো কৌতুহলকর, কেননা এতে প্রকাশ পায় উৎপাদন-সম্পৰ্কসমূহের নিছক বাহরূপটি ধনিকের মস্তিষ্কে কিভাবে নিজেকে প্রতিবিম্বিত করে। ধনিক জানে যে, শ্রমের স্বাভাবিক দামেও একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ মজুরি-বঞ্চিত শ্ৰম অন্তর্ভূক্ত এবং ঠিক এই মজুরি-বঞ্চিত শ্রমই হচ্ছে তার লাভের স্বাভাবিক উৎস। উদ্বৃত্ত-মূল্যরূপ অভিধাটা তার কাছে সম্পূর্ণ অস্তিত্বহীন, কেননা তা স্বাভাবিক শ্রমদিবসের মধ্যেই অন্তর্ভূক্ত, যার জন্য, সে মনে করে যে, সে প্রাপ্য মূল্য দৈনিক মজুরির আকারে দিয়ে দিয়েছে। কিন্তু “ওভারটাইম”-এর অস্তিত্ব, শ্রমের চলতি দাম অনুযায়ী শ্রম-দিবসের মাত্রাতিরিক্ত দীর্ঘতা-বিধানের অস্তিত্ব, তার কাছে আস্তত্বশীল। ছাড়-দামে বিক্রয়কারীর মুখোমুখি হয়ে, সে এমন কি এই বাড়তি সময়ের জন্য বাড়তি মজুরি পর্যন্ত দাবি করে। সে আবার এটাও জানে না যে, নিয়মিত কর্ম-কালের কাজের দামের মধ্যে যেমন মজুরি বঞ্চিত শ্রম অন্তর্ভূক্ত ঠিক তেমনি এই বাড়তি সময়ের বাড়তি দামের মধ্যেও মজুরি বঞ্চিত শ্রম অন্তর্ভুক্ত। দৃষ্টান্ত : ১২ ঘণ্টার কর্মদিবসের এক ঘণ্টার দাম ৩ পেন্স। ধরা যাক, একটি কাজের ঘণ্টার অর্ধাংশের ম-ফল; অন্য দিকে, ওভারটাইম কাজের ঘণ্টার দাম ও পেন্স কিংবা একটি কাজের ঘণ্টার ও ভাগ মূল্য-ফল। প্রথম ক্ষেত্রে, ধনিক বিনামূল্যে আত্মসাৎ করে কাজের ঘণ্টার অর্ধেকাংশ; দ্বিতীয়টিতে এক তৃতীয়াংশ।

    ————

    ১. স্বয়ং অর্থের মূল্যকে এখানে সব সময়ে ধরা হয়েছে স্থির বলে।

    ২. “শ্রমের দাম হল সেই পরিমাণ অর্থ, যা দেওয়া হয় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শ্রমের বাবদে।” (স্যার এভোয়াড ওয়েস্ট, প্রাইস অব কর্ণ অ্যাণ্ড ওয়েজেস অব লেবর”, লণ্ডন ১৮২৬ পৃঃ ৬৭)। “জমিতে মূলধন প্রয়োগ প্রসঙ্গে প্রবন্ধ” শীর্ষক অনামী লেখাটির লেখকও হলেন ওয়েস্ট। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি কলেজের একজন সদস্য দ্বারা, লণ্ডন, ১৮১৫ সালে রাষ্ট্রীয় অর্থতত্ত্বের ইতিহাস একটি যুগান্তকারী রচনা।

    ৩. শ্রমের মজুরি নির্ভর করে শ্রমের দাম এবং সম্পাদিত শ্রমের পরিমাণের উপরে।শ্রমের মজুরি বাড়লে আবশ্যিকভাবেই শ্রমের দাম বাড়বে। এটা নাও ঘটতে পারে। পূর্ণতর কর্মনিয়োগ এবং অধিকতর পরিশ্রমের ফলে শ্রমের মজুরি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে, অথচ শ্রমের দাম একই থেকে যেতে পারে। “ওয়েস্ট, ঐ, পৃ ৬৭, ৬৮, ১১২। প্রধান প্রশ্নটি হল : “কিভাবে শ্রমের দাম নির্ধারিত হয়?” ওয়েস্ট অবশ্য মামুলি কথাবার্তা দিয়েই তার বক্তব্য শেষ করেন।

    ৪. আঠারো শতকের শিল্প-বুর্জোয়া শ্রেণীর গোঁড়া প্রতিনিধি, ট্রেড অ্যাণ্ড কমার্স এর সেই লেখকটি এটা লক্ষ্য করেছিলেন, তাঁকে আমরা অনেকবার উদ্ধৃত করেছি, যদিও তিনি ব্যাপারটিকে উপস্থিত করেছেন গোলমেলে ভাবে: “শ্রমের দাম নয় ( যার দ্বারা তিনি বুঝিয়েছেন দৈনিক বা সাপ্তাহিক আর্থিক মজুরি ), শ্রমের পরিমাণ নির্ধারিত হয় খাদ্যদ্রব্য ও অন্যান্য অত্যাবশ্যক সামগ্রীর দ্বারা অত্যাবশ্যক দ্রব্য সামগ্রীর দাম অত্যন্ত কমিয়ে দিন, আপনি শ্রমের পরিমাণও আনুপাতিকভাবে কমিয়ে দেবেন। মালিক ম্যানুফ্যাকচারারগণ জানে যে, শ্রমের দামের আর্থিক অঙ্ক আদল বদল করা ছাড়াও শ্রমের দাম বাড়ানোর বা কমানোর নানান উপায় আছে। (ঐ, পৃঃ ৪৮, ৩১)। তাঁর “থ্রী লেকচার্স অন দি রেট অফ ওয়েজেস লণ্ডন ১৮৩৮ এ এন অব সিনিয়র নাম না করেও ওয়েস্ট-এর বইটি ব্যবহার করেছেন। তিনি সেখানে লিখেছেন, “শ্রমিকের প্রধান আগ্রহ তার মজুর্বির পরিমাণটিতে”, (পৃঃ ১৫, অর্থাৎ শ্রমিকের প্রধান আগ্রহ সে যা পায় তাতে, তার মজুর্বির আর্থিক পরিমাণটিতে যা সে দেয় তাতে নয়, তার শ্রমের পরিমাণটিতে নয় !

    ৫. কর্মনিয়োগের সংখ্যায় এই অস্বাভাবিক হ্রাসের ফল আইনের দ্বারা প্রযুক্ত শ্রম-দিবসের সাধারণ হ্রাসের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন। শ্রম-দিবসের অনাপেক্ষিক দৈর্ঘ্যের ব্যাপারে প্রথমটির কিছু করার নেই, এবং তা যেমন ১৫ ঘণ্টার শ্রম-দিবসেও ঘটতে পারে, তেমন ৬ ঘণ্টার শ্রম-দিবসেও ঘটতে পারে। প্রথম ক্ষেত্রে শ্রমের স্বাভাবিক দাম গণনা করা হয় দিনে গড়ে ১৫ ঘণ্টা কর্মরত শ্রমিকের উপরে; দ্বিতীয় ক্ষেত্রে দিনে ৬ ঘণ্টা হিসাবে। যদি সে একটি ক্ষেত্রে নিযুক্ত হয় কেবল ৭.৫ ঘণ্টার জন্য এবং অন্য ক্ষেত্রে কেবল ৩ ঘণ্টার জন্য, ফল দাড়ায় সেই একই।

    ৬. “লেস-তৈরিতে) উপরি-সময়ে মজুরির হার এত কম—ঘণ্টা-প্রতি ১/২ পেন্স ও ৩/৪ পেন্স থেকে ২ পেন্স-যে উপরি-সময়ের কাজের ফলে শ্রমিকের স্বাস্থ্যের ও সহ শক্তির যে ক্ষতি হয়, তার প্রতিতুলনায়, তা অত্যন্ত শোচনীয়। এইভাবে যে সামান্য বাড়তি আয় হয়, সেটুকুও খরচ করে ফেলতে হয় বাড়তি পুষ্টির জন্য”, (“শিশু নিয়োগ কমিশন, দ্বিতীয় বিপোর্ট”, পৃঃ ১৬, নং ১১৭)।

    ৭. যেমন, কাগজে রঙ লাগানোর কাজে এই শিল্পে কারখানা-আইন প্রযুক্ত হবার আগে। “আমরা খাওয়ার জন্য কোনো ছুটি না নিয়ে দিনের সাড়ে দশ ঘণ্টার কাজ শেষ করে ফেলি টা ৩০ মিনিটে আর তার পরে সবটাই ওভারটাইম’; এবং সন্ধ্যা ৬ বাজার আগে কদাচিৎ কাজ ছেড়ে ওঠি; সুতরাং, বাস্তবিক পক্ষে গোটা বছর ধরেই আমরা ‘ওভার-টাইম’ করি।” (শিশু-নিয়োগ কমিশন’-এর সমক্ষে মিঃ স্মিথের সাক্ষ্য প্রথম রিপোর্ট, পৃঃ ১২৫)।

    ৮. যেমন, স্কচ ‘ব্লিচিং’-কারখানায় “স্কটল্যাণ্ডের কিছু অঞ্চলে (১৮৬২ সালের কারখানা-আইন প্রবর্তনের আগে) এই কাজটি পরিচালনা করা হত এক ধরনের ওভার-টাইম’ ব্যবস্থার মাধ্যমে; কাজের নিয়মিত সময় ছিল দিনে ১০ ঘণ্টা, যার জন্য একজন দৈনিক মজুরি পেত টাকার অঙ্কে ১ শিলিং ২ পেন্স; প্রতিদিন ওভারটাইম হত ৩-৪ ঘণ্টা, যার জন্যে পেত ঘণ্টাপিছু ৩ পেন্স হারে। এই ব্যবস্থার ফল দাঁড়ায় এই নিয়মিত ঘণ্টা কাজ করে কেউ সপ্তাহে ৮ শিলিং-এর বেশি আয় করতে পারত নাওভারটাইম বাদ দিয়ে তারা একটা ন্যায্য দিনের মজুরি পেত না।” (“রিপোর্ট ফ্যাক্টরিজ, ৩০ এপ্রিল ১৮৬৩, পৃঃ ১০)। “দীর্ঘতর সময় কাজ করার জন্য বয়স্ক পুরুষ শ্রমিকদের বেশি মজুরির প্রলোভন ছিল এত প্রবল যে তা প্রতিরোধ করা যেত না।” (ঐ, ১৮৪৮, পৃঃ ৫)। লণ্ডনে বই-বাঁধাইয়ের কাজে নিযুক্ত আছে বহু সংখ্যক তরুণী, বয়স ১৪ থেকে ১৫; তাদের কাজ করার কথা চুক্তিনামা অনুসারে নিদিষ্ট কয়েক ঘণ্টা। সে যাই থাক, প্রত্যেক মাসের শেষ সপ্তাহে তাদের কাজ করতে হয় রাত ১০, ১১, ১২, এমনকি ১টা পর্যন্ত-বয়স্ক শ্রমিকদের সঙ্গে পাঁচ-মিশেলি সংসর্গে। “মালিকেরা তাদের প্রলুব্ধ করে বাড়তি পয়সা ও রাতের খাবারের লোভ দেখিয়ে; তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয় কাছাকাছি কোন হোটেলে। এই ভাবে এই তরুণী-অমৃতপুত্রীদের মধ্যে (শিশু নিয়োগ কমিশন”, পঞ্চম রিপোর্ট, পৃঃ ৪৪, নং ১৯১) যে ব্যাভিচারের প্রাদুর্ভাব ঘটে, তার ক্ষতিপূরণ হয়ে যায় এই ঘটনায় যে, অন্যান্য বইয়ের সঙ্গে তারা বহুসংখ্যক বাইবেল ও ধর্মগ্রন্থও বাঁধাই করে থাকে।

    ৯. ‘রিপোর্টস ফ্যাক্টরিজ’, ৩০ এপ্রিল ১৮৬৩, ঐ দ্রষ্টব্য। ১৮৬০ সালে বিরাট ধর্মঘট ও ‘লক-আউট’ চলাকালে পরিস্থিতির যথাযথ মূল্যায়ন করে, লণ্ডনের শ্রমিকেরা ঘোষণা করেছিল যে, তারা ঘণ্টার হিসাবে মজুরি মেনে নেবে কেবল দুটি শর্তে : ১) কাজের ঘণ্টার দামের সঙ্গে যথাক্রমে ৯ ও ১০ ঘণ্টার স্বাভাবিক কাজের বোজ কায়েম করতে হবে এবং ৯ ঘণ্টার কাজের বরাজের চেয়ে ১০ ঘণ্টার কাজের নোজর বেলায় ঘন্টা-পিছু মজুরি উচু হবে : (3) স্বাভাবিক কাজের রোজের বাইরে প্রতিটি কাজের ঘণ্টাকে ওভারটাইম বলে ধরতে হবে এবং তার জন্য আনুপাতিক ভাবে উচ্চতর হারে মজুরি দিতে হবে।

    ১০. এটা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, যেখানে দীর্ঘতর কাজের দিনই রেওয়াজ, সেখানে অল্পতর মজুরিও রেওয়াজ। (রিপোর্টস ফ্যাক্টরিজ, ৩১ অক্টোবর, ১৮৬৩, পৃঃ ৯)। “যে-কাজের জন্য পাওয়া যায় সামান্য খাবারের খয়রাতি, সেই কাজটাই অত্যধিক লম্বা।” (জনস্বাস্থ্য, ষষ্ঠ রিপোর্ট, ১৮৬৪ পৃঃ ১৫)।

    ১১. ‘রিপোর্ট ফ্যাক্টরিজ, ৩০ এপ্রিল, ১৮৬০, পৃঃ ৩১, ৩২।

    ১২. দৃষ্টান্ত স্বরূপ, ইংল্যাণ্ডের হাতে পেরেক তৈরি করার মজুরের যে শোচনীয় সাপ্তাহিক মজুরি পায়, তার জন্যও তাদের খাটতে হয় দৈনিক ১৫ ঘণ্টা করে। এটা দিনের অনেকটা সময় (সকাল ৬টা থেকে রাত আটটা অবধি) এবং মাত্র ১১ পে বা ১ শি পেতে তাকে গোটা সময়টাই দারুণ খাটতে হয়। আর তা ছাড়া আছে যন্ত্রের ক্ষয়-ক্ষতি, আগুন জালানোর খরচ এবং বাজে লোহার জন্য ক্ষতি—সব মিলিয়ে এ থেকেও আবার বেরিয়ে যায় ২২ বা ৩ পেন্স। (শিশু নিয়োগ কমিশন তৃতীয় রিপোর্ট, পৃঃ ১৩৬ নং ৬৭১) ঐ একই সময়ে মেয়েরা পায় সপ্তাতে মাত্র ৫ শি (ঐ, পৃঃ ১৩৭ নং ৬৭১)।

    ১৩. যদি কোন কারখানা-শ্রমিক প্রচলিত দীর্ঘ সময় কাজ করতে অস্বীকার করত, তা হলে অচিরেই তার জায়গায় এমন কাউকে নিয়োগ করা হত যে, যে-কোনো দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে রাজি হত; এই ভাবে আগের লোকটিকে কাজ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হত।” (কারখানা পরিদর্শকদের রিপোর্ট, ৩০শে এপ্রিল, ১৮৪৮, সাক্ষ্য পৃ ৩৯, ঢাকা ৫৮) “যদি একজন মানুষ দুজনের কাজ করে তা হলে সাধারণত মুনাফার হার বেড়ে যায় শ্রমের বাড়তি যোগানের দরুন তার দাম কমে যায় বলেই এটা হয়।” ও সিনিয়র, ঐ, পৃঃ ১৫)।

    ১৪. ‘শিশু-নিয়োগ কমিশন’, তৃতীয় বিপোর্ট, সাক্ষ্য, পৃঃ ৬৬, নং ২২।

    ১৫. “রিপোর্ট ইত্যাদি : রুটি-কারখানার ঠিকা-মজুরদের অভিযোগ সম্পর্কে”, গুন, ১৮৬২, পৃঃ ৫২। সাক্ষ্য, নোট ৪৭৯, ৩৫৯, ২৭। যাই হোক, পুরো-দামী রুটি-ওয়ালারাও তাদের লোকদের রাত ১১টা থেকে পর দিন সকাল ৮টা পর্যন্ত কাজ করতে বাধ্য করে তার পরে তাদের কাজ করানো হয় গোটা দিন সেই সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। এ কথা উপরে বলা হয়েছে এবং “পুরোদামী”-দের মুখপাত্র বেনেট নিজেই স্বীকার করেছেন। (ঐ, পৃঃ ২২)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার – কার্ল মার্ক্স / ফ্রেডারিক এঙ্গেলস
    Next Article শাহজাদা দারাশুকো – কালিকারঞ্জন কানুনগো

    Related Articles

    কার্ল মার্ক্স

    কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার – কার্ল মার্ক্স / ফ্রেডারিক এঙ্গেলস

    July 26, 2025
    কার্ল মার্ক্স

    ইহুদি প্রশ্নে – কার্ল মার্কস

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }