Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্যাপিট্যাল / ডাস কাপিটাল – কার্ল মার্ক্স (অনুবাদ : পীযুষ দাসগুপ্ত)

    কার্ল মার্ক্স এক পাতা গল্প1382 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৮. পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষ থেকে উৎখাতদের বিরুদ্ধে রক্তাক্ত আইন-প্রণয়ন

    অষ্টবিংশ অধ্যায়– পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষ থেকে উৎখাতদের বিরুদ্ধে রক্তাক্ত আইন–প্রণয়ন

    ।।পার্লামেন্টের আইনের দ্বারা বলপূর্বক মজুরির হ্রাস-সাধ।।

    সামন্ততান্ত্রিক পোস্তবর্গের বাহিনীগুলিকে ভেঙ্গে দেওয়া এবং জমি থেকে জনগণকে সবলে উৎখাত করার ফলে যে-সর্বহারা-সংখ্যার সৃষ্টি হল, সেই “মুক্ত” সর্বহারা-সংখ্যা যত দ্রুত বেগে বিশ্বের প্রাঙ্গণে নিক্ষিপ্ত হল, সম্ভবত সেই সংখ্যাকে তত দ্রুত নিজের মধ্যে ধারণ করার ক্ষমতা নবজাত ম্যানুফ্যাকচারগুলির ছিল না। অন্য দিকে, চিরাভ্যস্ত জীবন-যাত্রা থেকে আচমকা বিচ্ছিন্ন এই লোকগুলিও তেমন চটপট তাদের নোতুন পরিবেশের শৃংখলার সঙ্গে নিজেদেরকে মানিয়ে নিতে পারল না। তারা দলে দলে পরিণত হল ভিখারী, লুঠেরা ও ভবঘুরে—কিছুটা নিজেদের প্রবণতা থেকে কিন্তু বেশিটা ঘটনার প্রকোপ থেকে। এই কারণেই পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষে এবং গোটা ষোড়শ শতাব্দী ধরে গোটা ইউরোপ জুড়ে চলল ভবঘুরে-বৃত্তির বিরুদ্ধে রক্তাক্ত আইন-প্রণয়ন। বর্তমান শ্রমিক-শ্রেণীর পিতৃ-পুরুষদের দণ্ডিত হতে হল তাদের জোর করে ভবঘুরে ও নিঃষে রূপান্তরিত হবার দরুন। আইন তাদের গণ্য করল “স্বেচ্ছামূলক” অপরাধী হিসাবে এবং ধরে নিল যে, পুরনো অবস্থার অধীনে কাজ করা তাদের নিজেদের সদিচ্ছার উপরে নির্ভর করে, অথচ যে-অবস্থা এখন আর বিদ্যমান নেই।

    ইংল্যাণ্ডে এই আইন-প্রণয়ন শুরু হল সপ্তম হেনরির আমল থেকে।

    অষ্টম হেনরি, ১৫৩. বৃদ্ধ ও কাজ করতে অক্ষম ভিখারীরা পেল একটা করে ভিখারী ‘লাইসেন্স’। অন্য দিকে, শক্ত-সমর্থ ভবঘুরেদের জন্য বরাদ্দ হল কশাঘাত ও কারাবাস। তাদের বেঁধে দেওয়া হত গাড়ির পেছনে এবং ক্রমাগত চাবুক মারা হত যে-পর্যন্ত না তাদের শরীর থেকে রক্ত ঝরতে শুরু করত; তারপরে শপথ নিতে হত যে তারা ফিরে যাবে নিজ নিজ জন্মভূমিতে বা গত তিন বছর যেখানে বাস করেছে, সেখানে এবং নিজেদেরকে নিয়োজিত করবে শ্রমে।” কী কঠোর পরিহাস! অষ্টম হেনরির ২৭তম বিধানে পূর্বোক্ত আইনটির পুনরাবৃত্তি করা হল কিন্তু সেই সঙ্গে নতুন নোতুন ধারা যুক্ত করে তাকে আরো জোরদার করা হল। ভবঘুরেবৃত্তির জন্য দ্বিতীয় বার গ্রেফতার হলে আবার চাবুক মারা হবে এবং সেই সঙ্গে কানের অর্ধেকটা কেটে দেওয়া হবে; কিন্তু তৃতীয় বার ঋলন হলে লনকারীকে দাগী অপরাধী এবং সাধারণ স্বার্থের শক্ত হিসাবে ফাসী দেওয়া হবে।

    যষ্ঠ এডোয়ার্ড : তাঁর রাজত্বের প্রথম বছরের ১৫৪৭ সালের একটি বিধানে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যদি কেউ কাজ করতে অস্বীকার করে, তা হলে যে-ব্যক্তি তাকে কুড়ে বলে নিন্দা করেছে, সে সেই ব্যক্তির শোলাম (Slave) হিসাবে বাধা থাকতে বাধ্য থাকবে। মনিব তাকে খেতে দেবে রুটি আর জল, পাতলা ঝোল এবং ফেলে-দেওয়া। মাংস, যা সে উপযুক্ত বলে মনে করে। তার অধিকার থাকবে, চাবুক ও শিকলের সাহায্যে, তাকে দিয়ে যেকোনো কাজ করাবার-তা, সে কাজ যতই জঘন্য হোক না। কেন। যদি কোন গোলাম এক পক্ষ কাল গরহাজির থাকে, তা হলে সে সারা জীবনের জন্য গোলামিতে দণ্ডিত হবে এবং তার কপালে ও পিঠে “S” এই অক্ষরটি ছাপ মেরে দেওয়া হবে, যদি সে তিন বার পালিয়ে যায়, তা হলে তাকে দুবৃত্ত বলে ফাসী দেওয়া হবে। মনিব তাকে বিক্রি করতে পারে, দিয়ে দিতে পারে, গোলাম হিসাবে ভাড়া খাটাতে পারে—ঠিক যেন সে একটা ব্যক্তিগত অস্থাবর সম্পত্তি বা গোজাতীয় পশু। যদি গোলামেরা মনিবের বিরুদ্ধে কোনো কিছু চেষ্টা করে, তা হলেও তাদের ফাসী কাঠে প্রাণ দিতে হবে। শান্তিরক্ষী বিচারক’ (জাস্টিস অব দি পিস’) শিকারের মত সেই বদমাশদের খুঁজে বার করবে। যদি এমন ঘটে যে, একজন ভবঘুরে (Vagabond) কুড়েমি করে তিন দিন কাটিয়ে দিয়েছে, তাকে তার জন্মভূমিতে নিয়ে যাওয়া হবে, আগুন-গরম লাল-গনগনে এক লোহা দিয়ে তার বুকের উপরে একে দেয়া হবে ” এবং শিকল পরিয়ে দিয়ে কাজে লাগানো হবে রাস্তায় কিংবা অন্য কোনো খাটুনিতে। যদি ভবঘুরেটি তার জন্মভূমির ভুল ঠিকানা দিয়ে থাকে, তা হলে তাকে আজীবন এই জায়গার, এর অধিবাসীদের কিংবা পৌর-নিগমের গোলাম হয়ে থাকতে হবে, এবং তার গায়ে “S” অক্ষরটি ছাপ মেরে দেওয়া হবে। সকল মানুষেরই অধিকার আছে, ভবঘুরে দের ছেলেমেয়েদের নিয়ে যাবার এবং তাদের শিক্ষানবীশ হিসাবে কাজ করাবার ছেলে হলে ২৪ বছর বয়সের যুবক হওয়া পর্যন্ত আর মেয়ে হলে পরে ২০ বছর বয়সের যুবতী হওয়া পর্যন্ত। যদি তারা পালিয়ে যায়, তা হলে এই বয়স পর্যন্ত তারা হবে তাদের মনিবদের গোলাম; মনিবেরা যদি চায়, তা হলে তারা তাদের শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে পারে, চাবুক দিয়ে মারতে পারে ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রত্যেক মনিবই পারে তার গোলামের গলায়, হাতে বা পায়ে একটা লোহার বলয় পরিয়ে রাখতে, যাতে করে তাকে সহজেই চেনা যায় বা তার সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।[১] এই বিধানটির শেষ অংশে সংস্থান রাখা হয়েছে যে, যদি কোন জায়গা বা লোক তাদের খাদ্য ও পানীয় যোগাতে এবং কাজ জোগাড় করে দিতে ইচ্ছুক থাকেন, সেই জায়গা বা লোক কিছু গরিব মানুষকে নিযুক্ত করতে পারে। এই ধরনের প্যারিশ-গোলাম ইংল্যাণ্ডে উনিশ শতকের অনেক কাল পর্যন্ত রাখা হয়েছে। তাদের বলা হত “চৌকিদার”।

    এলিজাবেথ, ১৫৭২ : ১৩ বছরের কাছাকাছি বয়সের লাইসেন্সবিহীন ভিখারীদের কঠোর ভাবে বেত মারা হবে এবং বাঁ কানে দাগিয়ে দেওয়া হবে, যদি না কেউ তাদের দু বছরের জন্য কাজে নেয়; এই অপরাধ দ্বিতীয় বার করলে, তাদের বয়স যদি ১৮ বছরের বেশি হয়, তা হলে ফাসী দেওয়া হবে—যদি না কেউ তাদের দুবছরের জন্য কাজে নেয়; কিন্তু তৃতীয় বার অপরাধ করলে আর দয়া দেখানো হবে। না, জনস্বার্থের বিরোধী হিসাবে ফাসী দেওয়া হবে। অনুরূপ আইন : এলিজাবেথের ১৮ নং বিধান, অনুচ্ছেদ ১৩, এবং ১৫৯৭ সালের আরো একটি। [২]

    প্রথম জেমস : ঘুরে ঘুরে ভিক্ষা করে এমন যে-কোন লোককে ঘোষণা করা হত বদমাশ এবং ভবঘুরে বলে। শান্তিরক্ষী বিচারকদের কর্তৃত্ব ছিল সংক্ষিপ্ত অধিবেশনে তাদের প্রকাশ্যে চাবুক মারানোর এবং প্রথম বারের অপরাধের জন্য ৬ মাসের কারাদণ্ড দেবার, দ্বিতীয় বারের অপরাধের জন্য ২ বছরের কারাদণ্ড দেবার। জেলে থাকা কালে ঐ বিচারকের বিবেচনা অনুযায়ী যত বার ঠিক মনে করা হবে, তাকে তত চাবুক মারা হবে। সংশোধনের অতীত ও বিপজ্জনক বলে বিবেচিত দুবৃত্তদের বাঁ হাতে “R” অক্ষরটি দাগিয়ে দেওয়া হবে এবং কঠোর শ্রমে নিয়োজিত করা হবে। এই আইনগুলি কার্যতঃ বলবৎ ছিল আঠারো শতকের সূচনাকাল পর্যন্ত, খারিজ করা হয় কেবল অ্যানের ১২ নং বিধানের দ্বারা, অনুচ্ছেদ ২৩।

    একই রকমের আইন পাশ করা হয়েছিল ফ্রান্সে, যেখানে সতেরো শতকের মাঝা মাঝি প্যারিসে গড়ে উঠেছিল ভবঘুরেদের (ছন্নছাড়াদের) এক রাজা। এমন কি চতুর্দশ লুই-এর রাজত্বকালের গোড়ার দিকেও ১৬ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে কোন স্বাস্থ্যবান লোককে যদি কর্মহীন জীবনধারণের উপায়হীন অবস্থায় দেখা যেত, তাকে সরাসরি গোলাম হিসাবে দাঁড়-টানা জাহাজে পাঠিয়ে দেওয়া হত ( ১৭৭৭ সালের ১৩ই জুলাইয়ের অধ্যাদেশ)। নেদারল্যাণ্ডস-এর জন্য পঞ্চম চালস-এর আইন (অক্টোবর, ১৫৩৭), হল্যাণ্ডের রাজ্য ও শহরগুলির জন্য প্রথম বিধি (১০ মার্চ, ১৬১৪), ইউনাইটেড প্রভিন্সেস-এর “প্ল্যাকাট” (২৬শে জুন, ১৬৪৯) ইত্যাদি একই প্রকৃতির আইন।

    এইভাবেই কৃষি-জনসংখ্যাকে, উৎকট ও বীভৎসআইনের সাহায্যে, প্রথম জোর করে জমি থেকে উৎখাত করা হল, বাড়ি-ঘর থেকে তাড়িয়ে দেয়া হল; তার পরে, চাবুক মেরে শায়েস্তা করা হল, দাগী করে দেওয়া হল এবং নিপীড়নে-নির্যাতনে মজুরি ব্যবস্থার নব-বিধানের জন্য তৈরি করে নেওয়া হয়।

    এটাই যথেষ্ট নয় যে সমাজের এক মেরুতে শ্রমের অবস্থাগুলি মূলধনের আকারে স্তুপীকৃত হল এবং অন্য মেরুতে দলে দলে মানুষ সমবেত হল—এমন সব মানুষ যাদের শ্রমশক্তি ছাড়া বেচবার মত আর কিছু নেই। এটাও যথেষ্ট নয় যে তারা তা স্বেচ্ছায় বিক্রি করতে বাধ্য হল। ধনতান্ত্রিক উৎপাদনে অগ্রগতি গড়ে তোলে এমন এক শ্রমিক শ্ৰেণী, যা শিক্ষা, ঐতিহ্য ও অভ্যাসের দরুন ঐ উৎপাদন-পদ্ধতির অবস্থাগুলিকে দেখে প্রকৃতির নিয়মাবলীর মত স্বতঃসিদ্ধ ঘটনা হিসাবে। ধনতান্ত্রিক উৎপাদন-পদ্ধতির সংগঠন যদি একরাব পূর্ণ বিকশিত হয়ে যায়, তা হলে তা সমস্ত প্রতিরোধের অবসান ঘটায়। একটি আপেক্ষিক উত্ত-জনসংখ্যার নিরন্তর প্রজনন শ্রমের যোগান ও চাহিদার নিয়মটির দাবি মেটায় এবং, স্বভাবতই, মজুরিকে ধরে রাখে এমন এক চাপের মধ্যে, যা মূলধনের প্রয়োজন সাধন করে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক-সমূহের নিরেট কর্তৃত্ব ধনিকের কাছে শ্রমিকের বশ্যতাকে সম্পূর্ণ করে তোলে। অর্থ নৈতিক অবস্থাবলীর বাইরে, প্রত্যক্ষ বলপ্রয়োগ অবশ্য তখনো ব্যবহার করা হয়, কিন্তু ব্যতিক্রম হিসাবে। মামুলি ঘটনা-প্রবাহে, শ্রমিককে ছেড়ে দেওয়া যায় “উৎপাদনের প্রাকৃতিক নিয়মাবলী”-র উপরে অর্থাৎ, মূলধনের উপরে তার নির্ভশীলতার উপরে-যে-নির্ভরশীলতার উদ্ভব ঘটে খোদ উৎপাদনের অবস্থাগুলি থেকেই এবং চিরস্থায়ীভাবে নিশ্চয়ীকৃত হয় সেগুলির দ্বারাই। ধনতান্ত্রিক উৎপাদনের ঐতিহাসিক উৎপত্তিকালে ব্যাপারটা ভিন্নরকম। উদীয়মান বুর্জোয়া শ্রেণী চায় রাষ্ট্রের ক্ষমতার দ্বারা মজুরি নিয়ন্ত্রণ করতে, অর্থাৎ, উদ্বৃত্ত-মূল্য উৎপাদনের সীমার মধ্যে তাকে ধরে রাখতে, শ্রম-দিবসকে দীর্ঘতর করতে এবং স্বয়ং শ্রমিকে অধীনতার স্বাভাবিক মাত্রার মধ্যে বেঁধে রাখতে-বুর্জোয়া শ্রেণী এটা করতে চায় এবং করতে পারেও। আদিম সঞ্চয়নের এটা একটা আবশ্যিক উপাদান।

    চতুর্দশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে যে মজুরিশ্রমিক শ্রেণীর উদ্ভব খটে, তারা তখন এবং তার পরবর্তী শতকে ছিল জনসংখ্যার কেবল একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র অংশ—এক দিকে গ্রামাঞ্চলে চাষীদের স্বাধীন স্বত্বাধিকারের দ্বারা এবং অন্য দিকে শহরে গিল্ড-সংগঠনের দ্বারা তারা তাদের অবস্থান ছিল সুরক্ষিত। গ্রামে এবং শহরে মনিব এবং শ্রমিক সামাজিক ভাবে ছিল খুব কাছাকাছি। মূলধনের কাছে শ্রমের বশ্যতা ছিল কেবল আনুষ্ঠানিক, অর্থাৎ, উৎপাদন-পদ্ধতির নিজেরাই তখনো ছিলনা কোন নির্দিষ্ট ধন তান্ত্রিক চরিত্র। স্থির মূলধনের তুলনায় অস্থির মূলধনের প্রাধান্য ছিল অনেক বেশি। সুতরাং, মূলধনের প্রত্যেকটি সঞ্চয়নের সঙ্গে মজুরি-শ্রমের চাহিদা বৃদ্ধি পেত, অন্য দিকে, শ্রমের মোগান তাকে অনুসরণ করত মন্থর গতিতে। জাতীয় উৎপাদনের একটা বৃহৎ অংশ—যা পরবর্তী কালে পরিবর্তিত হল ধনতান্ত্রিক সম্মনের ভাণ্ডারে তা তখন পর্যন্ত প্রবেশ করত শ্রমিকের পরিভোগ ভাণ্ডারে।

    মজুরি-শ্রম সম্পর্কে আইন-প্রণয়ন ( শুরু থেকেই যার লক্ষ্য ছিল শ্রমিকের শোষণ এবং অগ্রগতির সঙ্গে যা থেকে গেল সমান ভাবে শ্রমিকের স্বার্থবিরোধী )[৩] ইংল্যাণ্ডে সূচিত হয় ১৩৪৯ সালে তৃতীয় এভোয়ার্ডের শ্রমিক-বিধি” (স্ট্যাটিউট অব লেবর”) প্রণয়ন থেকে। ১৩৫০ সালে ফ্রান্সে রাজা জন-এর নামে জারি করা অধ্যাদেশ এই “শ্রমিক-বিধি”-র অনুরূপ। ইংল্যাণ্ডে ও ফ্রান্সের আইন পাশাপাশি চলত এবং তাদের বিষয়বস্তুও হত অভিন্ন। কর্ম-দিবসের বাধ্যতামূলক সম্প্রসারণ-সংক্রান্ত শ্রম বিধি সম্পর্কে আমি আগেই আলোচনা করেছি (দশম অধ্যায়, তৃতীয় পরিচ্ছেদ); সুতরাং এখানে আর সে বিষয়ে ফিরে যাবনা।

    ‘শ্রমিক-বিধি’ গৃহীত হয়েছিল কমন সভার জরুরি উদ্যোগে। জনৈক টোরি সরল মনে বলেন, আগে গরিবেরা দাবি করত এত উচু মজুরি যে তাতে শিল্প ও সম্পদ বিপন্ন হত। পরে তাদের মজুরি হল এত নিচু যে তাতেও শিল্প ও মজুরি সমান ভাবে, বরং সম্ভবত, আরো বেশি ভাবে বিপন্ন হল, তবে অন্য দিক থেকে[৪] শহর এবং গ্রামের জন্য, জিনিস-পিছু এবং দিন-পিছু, এক মজুরি-তালিকা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হল। কৃষি-শ্রমিকদের নিজেদের ভাড়া খাটাতে হত বছরের জন্য, শহরের শ্রমিকদের “খোলা বাজারে”। আইনে যে-মজুরি নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে, তার চেয়ে বেশি দেওয়া নিষিদ্ধ ছিল, বেশি দিলে, ছিল কারাদণ্ডের বিধান; কিন্তু বেশি দেওয়ার চেয়ে বেশি নেওয়া ছিল আরো কঠোর ভাবে দণ্ডনীয়। (এলিজাবেথের ‘শিক্ষানবিশ বিধির ১৮ ও ১৯ ধারায় বেশি মজুরি-দাতার জন্য যেখানে ১০ দিনের কারাদণ্ডের ব্যবস্থা, সেখানে বেশি মজুরি-গ্রহীতার জন্য ব্যবস্থা ২১ দিনের কারাদণ্ডের। ১৩৪৪ সালের একটি বিধি এই দণ্ড আরো বর্ধিত করল এবং মনিবদের ক্ষমতা দিল দৈহিক শাস্তির সাহায্যে আইনতঃ ধার্য মজুরিতে শ্রম আদায় করে নিতে। রাজমিস্ত্রি ও ছুতোর-মিস্ত্রির যে-সব সন্মিলন, চুক্তি ও শপথের মাধ্যমে নিজেদেরকে পারস্পরিক বন্ধনে আবদ্ধ করে, সেগুলিকে অসিদ্ধ ও অবৈধ বলে ঘোষণা করা হল। চতুর্দশ শতাব্দী থেকে ১৮২৫ সাল পর্যন্ত শ্রমিকদের কোনো সম্মিলন ছিল বে-আইনী; ঐ বছরে ট্রেড ইউনিয়ন-বিরোধী আইন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ১৩৪৪ সালের শ্রম বিধি রএবং তার বিবিধ অনুবিধির আসল মর্মবাণী স্পষ্ট ভাবে প্রকট হয়ে পড়ে এই ঘটনায় যে, রাষ্ট্র মজুরির সর্বোচ্চ মাত্রা বেঁধে দিলনা।

    ষোড়শ শতকে শ্রমিকদের অবস্থা আরো বেশি খারাপ হয়, যা আমরা আগেই জানি। আর্থিক মজুরি বেড়ে গিয়েছিল সত্য, কিন্তু টাকার মূল্য যে-হারে কমে গিয়েছিল, তথা জিনিসপত্রের দাম যে-হারে বেড়ে গিয়েছিল, সেই হারে নয়। সুতরাং, বাস্তবিক পক্ষে মজুরি পড়ে গিয়েছিল। যাই হোক, শ্রমিকদের দাবিয়ে রাখার আইন গুলি চালু ছিল এবং সেই সঙ্গে ছিল, “যাদের কেউ কাজে নিতে চায়না, তাদের কান কেটে দেবার এবং দাগ মেরে দেবার ব্যবস্থা। শিক্ষানবিশ বিধি ৫ এলিজাবেথ, অনুচ্ছেদ ও শান্তি রক্ষী বিচারকদের ক্ষমতা দান করল কতকগুলি মজুরি বেঁধে দিতে এবং বছরের ঋতু এবং জিনিসপত্রের দাম অনুযায়ী সেগুলি সংশোধন করতে। প্রথম জেমস শ্রম-সংক্রান্ত এই নিয়ন্ত্রণগুলিকে তন্তুবায়, সুতো-কাটনি এবং শ্রমিকদের সম্ভাব্য সকল রকমের বর্গের ক্ষেত্রে সম্প্রসারিত করলেন।[৫] শ্রমিক-সম্মিলন-বিরোধী আইন গুলিকে দ্বিতীয় জজ সম্প্রসারিত করলেন ম্যানুফ্যাকচার সমূহের ক্ষেত্রে। যথাযথ ম্যানুফ্যাকচার-আমলে ধনতান্ত্রিক উৎপাদন-পদ্ধতি মজুরি-সংক্রান্ত আইনগত নিয়ম কানুনগুলিকে সমভাবে অপ্রয়োজনীয় ও অকার্যকরী করে দেবার মত যথেষ্ট শক্তি সঞ্চয় করেছিল; কিন্তু পুরনো অস্ত্রাগারের এই অস্ত্রগুলিকে আবশ্যকমত ব্যবহার করার অধিকার হাতছাড়া করতে শাসক শ্রেণীগুলি রাজি ছিলনা। তবু দ্বিতীয় জজের ৮নং বিধান প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দর্জিদের জন্য, লণ্ডনের ভিতরে ও আশেপাশে, একমাত্র সাধারণ শোকের দিন ছাড়া, ২ শিলিং ৭.৫ পেন্স-এর চেয়ে বেশি দৈনিক মজুরি নিষিদ্ধ করে দিল; তবু তৃতীয় জজের ১৩নং বিধানের ৬৮নং অনুচ্ছেদ রেশম-তন্তুবায়দের মজুরি নিয়মনের কর্তৃত্ব শান্তিরক্ষী বিচারকদের হাতে তুলে দিল; তবু ১৭০৬ সালে, উচ্চতর আদালতের দু-দুবার রায় দিতে হল কেবল এই ব্যাপারটা স্থির করতে যে শান্তিরক্ষী বিচারকদের নির্দেশ অ-কৃষি-শ্রমিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিনা; তবু, ১৭৯৯ সালে, পালমেন্টের একটা আইনে এই আদেশ জারি করল যে স্কচ খনি-শ্রমিকদের মজুরি এলিজাবেথের একটি বিধান এবং ১৬৬১ ও ১৬৭১ সালের দুটি স্কচ আইনের ধারা নিয়মিত হতে থাকবে। ইতিমধ্যে পরিস্থিতি কেমন পুরোপুরি বদলে গিয়েছে, তার প্রমাণ পাওয়া যায় এমন একটি ঘটনায়, যা ইংল্যাণ্ডের পালমেন্টের নিম্নতর পরিষদে আর কখনো শোনা যায়নি। যে-পরিষদ-ভবনে ৪০০ বছর ধরে প্রণীত হয়েছে কেবল মজুরির সর্বোচ্চ মাত্রা সংক্রান্ত আইন, যার উপরে মজুরি কখনো উঠতে পারবেনা, সেই ভবনে ১৭৯৬ সালে হুইটব্রেড কৃষি-শ্রমিকদের জন্য উত্থাপন করলেন একটি আইনগত সর্বনিম্ন মজুরি বেঁধে দেবার প্রস্তাব। পিট এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করলেন, যদিও স্বীকার করলেন, “গরিবদের অবস্থা নিষ্ঠুর।” সর্বশেষে, ১৮১৩ সালে মজুরি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আইনগুলি প্রত্যাহৃত হল। সেগুলি হয়ে পড়েছিল অদ্ভুত অবান্তর ব্যাপার কেননা ধনিক তার কারখানা পরিচালনা করত তার ব্যক্তিগত আইন-প্রণয়নের দ্বারা, এবং গরিব-করের দ্বারা পুষিয়ে দিতে পারত কৃষি-শ্রমিকের মজুরিকে যথাসম্ভব ন্যতম হারে। মালিক এবং শ্রমিকের মধ্যে চুক্তি, নোটিস দেওয়া ইত্যাদির মত শ্রম-বিধির অন্তর্গত সংস্থানগুলি যা লংঘন করলে মালিকের বিরুদ্ধে কেবল দেওয়ানি ব্যবস্থা নেওয়া যায় কিন্তু যা লংঘন করলে শ্রমিকের বিরুদ্ধে নেওয়া যায় ফৌজদারি ব্যবস্থা, সেগুলি আজও পর্যন্ত (১৮৭৩) পুরোদমে বলবৎ আছে। ট্রেড ইউনিয়নের বিরুদ্ধে বর্বর আইনগুলি ১৮২৫ সালে সর্বহারা শ্রেণীর ভীতিপ্রদ চেহারার সামনে ভেঙে পড়েছিল। তা সত্বেও, সেগুলি তখন ভেঙে পড়েছিল কেবল আংশিক ভাবে। পুরনো বিধির কতকগুলি সুন্দর অংশের অবলুপ্তি ঘটে কেবল ১৮৫৯ সালে। সর্বশেষে, পালমেন্টের ১৮৭১ সালের ২৯শে জুনের আইনটি ট্রেড ইউনিয়নগুলিকে আইনত স্বীকৃতি দান করে এই শ্রেণীর আইনের অবশেষগুলিকে নিশ্চিহ্ন করে দেবার ভান করল। কিন্তু ঐ একই তারিখের আরেকটি আইন (হিংসা, হুমকি ও পীড়ন সংক্রান্ত ফৌজদারী আইনের সংশোধনী আইন) কার্যত পুরনো ব্যবস্থাই নোতুন নামে পুনর্বহাল করল। শ্রমিকেরা ধর্মঘট ও তালাবন্ধ’-এর সময় যেসব উপায় অবলম্বন করতে পারত, এই সংসদীয় প্রকৌশলের দ্বারা সেগুলিকে সমস্ত নাগরিকদের সার্বজনিক আইনসমূহ থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হল এবং স্থাপন করা হল বিশেষ দণ্ডবিধির অধীনে, যার ব্যাখ্যা করবেন স্বয়ং মালিকেরাইশান্তিরক্ষী বিচারক হিসাবে তাদের ভূমিকায়। দু বছর আগে এই একই কমন-সভা এবং এই একই মিঃ গ্ল্যাডস্টোন সু-পরিচিত সরাসরি ভঙ্গিতে শ্রমিক শ্রেণীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রকার বিশেষ দণ্ডবিধির অবসান ঘটাবার জন্য একটি প্রস্তাব (‘বিল’ ) উত্থাপন করেছিলেন। কিন্তু সেটিকে “দ্বিতীয় পাঠ” (“সেকেণ্ড রিভিং” ) এর বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি, এবং এই ভাবে ব্যাপারটাকে টেনে নেওয়া হয় যে পর্যন্ত না টোরিদের সঙ্গে মৈত্রীবদ্ধ হয়ে “মহান্ লিবারল পাটি” যে-সর্বহারা-শ্রেণী তাকে ক্ষমতায় এনেছিল, তারই বিরুদ্ধে দাঁড়াবার মত সাহস সঞ্চয় করতে না পেরেছিল। এতটা বেইমানি করেও “মহান লিবারল পার্টি” তৃপ্ত হলনা; শাসক শ্রেণীগুলির সেবায় যারা সব সময়েই আগ্রহী, সেই বিচারকদের সে অনুমতি দান করল “ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে পুরনো আইনগুলিকে আবার খুড়ে তুলতে এবং সেগুলিকে শ্রমিক সম্মিলনগুলির বিরুদ্ধে প্রয়োগ করতে। আমরা দেখতে পাই, ৫০০ বছর ধরে নিলজ্জ অহংকারের সঙ্গে শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মালিকদের চিরস্থায়ী ট্রেড ইউনিয়ন হিসাবে কাজ করে আসার পরে শেষ পর্যন্ত ইংরেজ পালমেন্ট জনসাধারণের চাপে নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্মঘট ও ট্রেড ইউনিয়নের বিরুদ্ধে আইনকানুনগুলি পরিত্যাগ করল।

    বিপ্লবের প্রথম ঝড়েই, ফরাসী বুর্জোয়া শ্রেণী শ্রমিকদের হতে থেকে সম্মিলিত হবার সদ্য-অর্জিত অধিকারটি কেড়ে নেবার ধৃষ্টতা দেখিয়েছিল। ১৭৯১ সালের ১৪ই জুন এক হুকুম জারি করে শ্রমিকদের সমস্ত রকমের সম্মিলনকে ঘোষণা করল “স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের ঘোষণার বিরুদ্ধে একটি অপপ্রয়াস” বলে, যার জন্য দণ্ড নির্ধারিত হল ৫০০ লিভ র জরিমানা এবং সেই সঙ্গে এক বছরের জন্য সক্রিয় নাগরিকের যাবতীয় অধিকার থেকে বঞ্চনা[৬] এই যে আইন, যা রাষ্ট্রীয় বাধ্যতা-প্রয়োগের মাধ্যমে, মূলধন এবং শ্রমের মধ্যেকার সংগ্রামকে নিবন্ধ রেখেছে এমন মাতার মধ্যে যা সব সময়েই হয় মালিকের পক্ষে অনুকূল, তা বেঁচে আছে বহু বিপ্লব ও রাজবংশের উত্থান পতন সত্ত্বেও। এমনকি, “সন্ত্রাসের রাজত্ব” পর্যন্ত এর গায়ে হাত দেয়নি। কেবল। অতি সম্প্রতি এই আইনটিকে খারিজ করা হয়েছে। এই বুর্জোয়া ক্ষমতা জবর দখলের (কু দে-তা’-র) পক্ষে এর চেয়ে বেশি মেজাজমাফিক ওজর আর নেই। এই আইনটির ব্যাপারে সিলেক্ট কমিটি’-এ ‘রিপোর্টার’ চ্যাপেলিয়ার বলেন, “ধরে নেওয়া গেল যে, মজুরি এখন যা আছে, তা থেকে একটু বেশি হওয়া উচিত ততটা বেশি হওয়া উচিত যে, যে সেই মজুরি পায় তার পক্ষে প্রাণ-ধারণের অত্যাবশ্যক দ্রব্যাদির অভাবজনিত চূড়ান্ত নির্ভরতার অবস্থা থেকে প্রায় ক্রীতদাসত্বের অবস্থারই মত, থেকে তাকে মুক্ত করে, কিন্তু তবু শ্রমিকদের নিজেদের স্বার্থ-সম্পর্কে কোনো বোঝাপড়ায় তাদেরকে আসতে দেওয়া হবে না এবং যাতে করে চূড়ান্ত নির্ভরতার অবস্থা থেকে প্রায় ক্রীতদাসত্বের অবস্থারই মত, তা থেকে নিষ্কৃতি পাবার মত কোন কিছু করতে পারে; কেননা, সে ক্ষেত্রে তাদের প্রাক্তন মনিবদের তথা বর্তমান শিল্পোদ্যক্তাদের, স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হবে”, কেননা, কর্পোরেশনগুলির ভূতপূর্ব মনিবদের স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি সম্মিলন হল—আন্দাজ করুন তো, কি তা হল ফরাসী সংবিধানের দ্বারা উদ্ভাসিত কর্পোরেশনগুলির পুনর্বাসন।[৭]

    ————

    ১, “এসে অন ট্রেড …”-এর গ্রন্থকার বলেন, ষষ্ঠ এভোয়ার্ডের রাজত্বকালে ইংরেজরা বাস্তবিকই ঐকান্তিক ভাবে ম্যানুফ্যাকচারে উৎসাহদান এবং গরিবদের কর্ম সংস্থানে মনোনিবেশ করে। এটা আমরা জানতে পারি একটি উল্লেখযোগ্য বিধি থেকে, যার শুরুটা এই রকম সমস্ত ভবঘুরেকে চিহ্নিত করে দেওয়া হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। ( এসে অন ট্রেড, পৃঃ ৫)।

    ২. টমাস মোর তাঁর ‘ইউটোপিয়া’য় বলেন, “Therfore the on covetous and unsatiable cormaraunte and very plage of his native contrey maye compasse aboute and inclose many thousand akers of grounde together within one pale or bedge, the husbandmen be thrust owte of their owne, or els either by coneyne and fraude, or by violent oppressioo thcy by put besydes it, or by wrongs and injuries thei be so weried that tney be compelled to sell all : by one meanes, therfore, or by other, either by hooke or crooke they muste needes departe awaye, poore, selye, wretched soules, men, women, husbands, wiues, fatherlesse children, widowes, wofull mothers with their yonge babes, and their whole householde smal in substance, and muche in numbre, as husbandrye requireth many handes. Awaye thei trudge, I say, owte of their knowen accustomed houses, fyndynge no place to reste in. All their housholde stufle, which is very little woorthe, thoughe it might well abide the sale : yet beeynge sodainely thruste owte, they be constrayned to sell it for a thing of nought. And when they haue wandered abrode tyll that be spent, what cant they then els doe but steale, and then justly pardy be hanged, or els go about beggyng. And yet then also they be caste in prison as vagaboundes, because they go aboute and worke not : whom on man wyl set a work though thei neuer so wilyngly profre themselues therto.’ এই সমস্ত গরিব পলাতক, যাদের সম্বন্ধে টমাস মোর বলেন যে তারা চুরি করতে বাধ্য হয়েছে। অষ্টম হেনরির রাজত্বকালে তাদের মধ্যে ৭,২০০ জন বড় ও ক্ষুদে চোরকে নিধন করা হয়। (হলিনশেড, ডেস্ক্রিপশন অব ইংল্যাণ্ড, প্রথম খণ্ড, পৃঃ ১৬৮)। এলিজাবেথের আমলে, দুবৃত্তদের দলে দলে বেঁধে নেওয়া হত এবং এমন একটি বছরও যেনা, যখন তাদের ৩০০ থেকে ৪০০ জন ফাসি-কাঠের খোরাক হত না। (স্টাইপ : ‘অ্যানালস অব দি রিফর্মেশন এলিজাবেথ’স হাপি রেইন, ১৭৭৫)। এই স্ট্রাইপেরই তথ্য অনুসারে, সমার্সেটে এক বছরে ৪০ জনকে ফাসী দেওয়া হয়, ৩৫ জন লুঠেরার হাত পুড়িয়ে দেওয়া হয়, ৩৭ জনকে চাবুক মারা হয় এবং ১৮৩ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয় সংশোধনের অতীত ভবঘুরে হিসাবে। যাই হোক, তাঁর মতে এই বিরাট সংখ্যক করেদী আসল অপরাধীদেৱ এক পঞ্চমাংশও নয়, বিচারকদের অবহেলা এবং জনসাধারণের নির্বোধ অনুকম্পার প্রসাদে বাকিরা পার পেয়ে যায়। অন্যান্য কাউন্টির অবস্থাও ভাল নয়, কতকগুলির অবস্থা আরো খারাপ।

    ৩. যখনি আইন-সভা মনিব এবং মজুরের মধ্যে পার্থক্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, তখন সব সময়েই মনিবেরা থাকে তার সদস্য,’ বলেন অ্যাডাম স্মিথ। ‘Lesprit des lois, cest la propriete,’ বলেন লিঙ্গুয়েত।

    ৪. সফিজিন্স অব ফ্রী ট্রেড, লেখক জনৈক ব্যারিস্টার, লণ্ডন, ১৮, পৃঃ ২০৬। তিনি রুষ্ট ভাবে বলেন, “নিয়োগকর্তার পক্ষে হস্তক্ষেপ করতে আমরা তো যথেষ্ট তৎপর ছিলাম, এখন কি নিযুক্তদের পক্ষে কিছুই করা যায় না?

    ৫. প্রথম জেম্স-এর ২নং বিধির একটি ধারা থেকে আমরা দেখতে পাই যে কিছু কাপড়-প্রস্তুকারক ‘শান্তিরক্ষী বিচারক হিসাবে নিজেরাই তাদের নিজেদের দোকানগুলিতে মজুরির সরকারি হার নির্ধারণের দায়িত্ব গ্রহণ করল। জার্মানিতে, বিশেষ করে, ত্রিশ বছরের যুদ্ধের পরে, মজুরি দাবিয়ে রাখার বিধি-বিধান সর্বত্র চালু ছিল। যেসব অঞ্চলকে জনশূন্য করা হয়েছে, সেখানে চাকর ও মজুরের অভাব বড় ঝামেলার ব্যাপার। সমস্ত গ্রামবাসীকে নিষেধ করে দেওয়া হয় একক পুরুষ বা একক নারীকে ঘর ভাড়া দিতে; এদের সকলের সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করতে হবে, এবং যদি এরা চাকর হতে অস্বীকার করে তবে কারাগারে নিক্ষেপ করতে হবে এমনকি এরা যদি দৈনিক মজুরিতে চাষীর জন্য বীজ বোনা বা শস্য বেচা-কেনার মত অন্য কাজে নিযুক্তও থাকে, তবু। (ইম্পিরিয়াল প্রিভিলেজেস অ্যাণ্ড স্যংশনস ফর সাইলেসিয়া।) পুরো এক শতাব্দী ধরে ক্ষুদে জার্মান শাসকদের বিধিগুলির মধ্যে ধ্বনিত হত দুর্জন ও দুর্বিনীত ইতর জনতার বিরুদ্ধে হুংকার, যারা তাদের দুর্ভাগ্যকে মেনে নিতে অস্বীকার করত, আইন-নির্দিষ্ট মজুরিতে অতৃপ্ত থাকত। রাষ্ট্র যে মজুরি তালিকা স্থির করে দিয়েছে, তার চেয়ে বেশি মজুরি দিতে ব্যক্তিগত ভূস্বামীদের নিষেধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তবু ১০০ বছর পরবর্তী কালের তুলনায় কাজের অবস্থা যুদ্ধের পরে মাঝে মাঝে উন্নততর ছিল। ১৯৬২ সাইলেসিয়ার খেতি-চাকরেরা সপ্তাহে দুদিন মাংস খেত, যেখানে আমাদের এই শতকে এমন সব অঞ্চলও আছে, সেখানে বছরে তিন বার মাত্র মাংস দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। তা ছাড়া, পরবর্তী শতাব্দীর তুলনায় যুদ্ধের পরে মজুরি উচ্চতর ছিল। (জি ট্যোগ)

    ৬. এই আইনের প্রথম ধারাটিতে বলা হয়েছে, ‘L,anean-tissement de toute espece de corporations du meme etat et profession etant l’une des bases fondamentales de la constitution francaise, il est defendu de les retablir de fait sous quelque pretexte et sous quelque forme que ce soit.’ Article IV. declares, that if “des citoyens attaches aux memes professions, arts et metiers prenaient des deliberations, faisaient entre enx des conventions tendantes a refuser de coucer ou .a n’accorder qu’a un prix determine le secours de leur industrie ou de leurs travaux, les dites deliberations et conventions…seront declarees inconstitutionnelles, attentatoires a la liberte et a la declaration des droits de l’homme, andı’; felony, thereforr, as in the old labour-statutes. (“Revolutions de Paris, Paris,’ 1791, to III p. 523)

    ৭. Buchez et Roux: Historie Parlementaire, t. x p. 195.

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার – কার্ল মার্ক্স / ফ্রেডারিক এঙ্গেলস
    Next Article শাহজাদা দারাশুকো – কালিকারঞ্জন কানুনগো

    Related Articles

    কার্ল মার্ক্স

    কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার – কার্ল মার্ক্স / ফ্রেডারিক এঙ্গেলস

    July 26, 2025
    কার্ল মার্ক্স

    ইহুদি প্রশ্নে – কার্ল মার্কস

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }