Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্যাপিট্যাল / ডাস কাপিটাল – কার্ল মার্ক্স (অনুবাদ : পীযুষ দাসগুপ্ত)

    কার্ল মার্ক্স এক পাতা গল্প1382 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩০. শিল্পের উপরে কৃষি বিপ্লবের প্রতিক্রিয়া

    ত্রিংশ অধ্যায় — শিল্পের উপরে কৃষি বিপ্লবের প্রতিক্রিয়া

    শিল্পমূলধনের জন্য অভ্যন্তরীণ বাজারের সৃষ্টি

    আমরা আগেই দেখেছি যে, কৃষি-জনসংখ্যার উচ্ছেদ ও বহিষ্কারের প্রক্রিয়ায় মাঝে মাঝে বিরতি ঘটলেও, তা আবার বারে বারে নোতুন করে শুরু হত, এবং শহরের শিল্প গুলিতে যোগাত এমন সর্বহারা জনসমষ্টি, যা ছিল যৌথ গিন্ডগুলির সঙ্গে সংযোগ-শূন্য এবং তাদের শৃংখল থেকে মুক্ত; এটা এমনি একটা অনুকূল ঘটনা যে, বৃদ্ধ এ এণ্ডারসন ( জেমস এণ্ডারসনের সঙ্গে গুলিয়ে ফেললে ভুল হবে) তাঁর “বাণিজ্যের ইতিহাস” নামক গ্রন্থে এমন একটা বিশ্বাস প্রকাশ করেছেন, যেন এটা বিধাতার এক প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপের ফলস্বরূপ। আমরা কিন্তু তবু আদিম সঞ্চয়নের এই উপাদানটি বিবেচনার জন্য এখানে একটু দাড়াব। স্বাধীন ও স্বাবলম্বী চাষীদের এই পাতলা হয়ে যাবার ফলে শিল্প সর্বহারাদের ঘটল সংখ্যাবৃদ্ধি ও ঘন-সন্নিবদ্ধ সমাবেশ—যেভাবে জিওফ্র সেন্ট হিলেয়ার এক জায়গায় মহাজাগতিক বস্তুর কেন্দ্রীভবনের ব্যাখ্যা করেছেন অন্য জায়গায় তার ভবনের সাহায্যে, ঠিক সেই ভাবে।[১] কৰ্ষকদের সংখ্যা হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও, জমি আগেও যে ফসল দিত, এখনো সেই পরিমাণ বা তার বেশি ফসল দেয়; তার কারণ এই যে ভূ-সম্পত্তির অবস্থাবলীতে বিপ্লবের সঙ্গে সংঘটিত হয়েছিল কৰ্ষণ-পদ্ধতির উন্নয়ন, সহযোগের সম্প্রসারণ, উৎপাদনের উপায়সমূহের কেন্দ্রীভবন ইত্যাদি। তার কারণ এই যে, কৃষিক্ষেত্রের মজুরি-শ্রমিকদের উপরে কেবল নিবিড়তর চাপ সৃষ্টিই করা হয়নি,[২] তার উপরে, যে-উৎপাদনের জমিতে তারা নিজেদের জন্য কাজ করত, সেই জমি আরো আরো সংকুচিত করা হয়েছিল। সুতরাং, কৃষি-জনসংখ্যার একটি অংশকে মুক্তি দেবার সঙ্গে সঙ্গে তাদের পুষ্টি লাভের পূর্বতন উপায়গুলিকেও মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। সেগুলি তখন রূপান্তরিত হল অস্থির মূলধনের বাস্তব উপাদানে। জমি থেকে উচ্ছিন্ন ও উৎক্ষিপ্ত চাষীকে এখন ক্রয় করতে হবে মজুরির আকারে তাদের মূল্য—তার নোতুন মনিবের তথা শিল্প-ধনিকের কাছ থেকে। জীবনধারণের উপায়ের ক্ষেত্রে যা সত্য, স্বদেশের কৃষির উপরে নির্ভরশীল শিল্পের কাঁচামালের ক্ষেত্রেও তা সত্য। সেগুলিও রূপান্তরিত হল অস্থির মূলধনের একটি উপাদানে। দৃষ্টান্ত হিসাবে ধরা যাক, ওয়েস্ট ফ্যালিয়ার চাষীদের একটা অংশ, যারা দ্বিতীয় ফ্রেডরিক-এর আমলে সকলেই শণ বুনত, জমি থেকে সবলে উৎখাত ও বিতাড়িত হল; এবং বাকি যে-অংশ থেকে গেল, তারা পরিবর্তিত হল বড় বড় কৃষি-মালিকের দিনমজুরে। সেই একই সময়ে উদ্ভূত হল শণ কাটা ও বোনার বড় বড় প্রতিষ্ঠান, যেগুলিতে সম্প্রতি “মুক্তি-প্রদত্ত মানুষগুলি মজুরির জন্য কাজ করে। শণ আগেও যেমন দেখাত, এখনো ঠিক তেমনি দেখায়। তার একটা তন্তুরও কোন বদল ঘটেনি, কিন্তু তার দেহের মধ্যে এক নোতুন সামাজিক আত্মা ঢুকে পড়েছে। এখন তা রচনা করে ম্যানুফ্যাকচারকারী মালিকের স্থির মূলধনের একটা অংশ। অতীতে যা বিভক্ত ছিল বহুসংখ্যক ছোট ছোট উৎপাদনকারীর মধ্যে, যারা নিজেরাই যা চাষ করত এবং তাদের পরিবারবর্গের সাহায্যে খুচরো কায়দায় বয়ন করত, এখন তা কেন্দ্রীভূত হয়েছে একজন মাত্র ধনিকের হাতে, যে অন্যান্যদের নিযুক্ত করে তার জন্য তা বয়ন করতে। শণ-বয়নে ব্যয়িত অতিরিক্ত শ্রম পূর্বে নিজেকে রূপায়িত করত অসংখ্য চাষী-পরিবারের অতিরিক্ত আয়ে কিংবা, হতে পারে, দ্বিতীয় ফ্রেডরিকের আমলে, ট্যাক্সের আকারে-taxes pour le roi de Prusse। এখন তা নিজেকে রূপায়িত করে কয়েকজন ধনিকের জন্য মুনাফায়। টাকু এবং তঁত, যেগুলি আগে ছড়িয়ে ছিল সারা দেশ জুড়ে, এখন সেগুলি জমায়েৎ করা হয়েছে, শ্রমিক এবং কাঁচামাল সমেত, কয়েকটি বড় বড় শ্রমিক-ব্যারাকে। আর টাকু, তাঁত, কাচামাল এখন রূপান্তরিত হয়েছে কাটুনী ও তাঁতীদের স্বাধীন অস্তিত্বের উপায় থেকে তাদের উপরে কর্তৃত্ব চালাবার এবং তাদের থেকে মজুরি-বঞ্চিত শ্রম চুষে নেবার উপায়ে।[৩] বড় বড় ম্যানুফ্যাক্টরি (শ্রম-কারখানা) ও খামার (ফার্ম)-এর দিকে তাকিয়ে কেউ বুঝতে পারে না যে, সেগুলির উৎপত্তি ঘটেছে অনেকগুলি ঘোট ঘোট উৎপাদন কেন্দ্রকে একটিমাত্র কেন্দ্রে পর্যবসিত করে এবং গড়ে তোলা হয়েছে অনেক ঘোট ঘোট স্বাধীন উৎপাদনকারীকে উৎখাত করে। যাই হোক, জনসাধারণের স্বাভাবিক বোধশক্তি কিন্তু ভুল করেনি। বিপ্লবের সিংহ-পুরুষ মিরাবোর সময়ে, বড় বড় ম্যানুফ্যাক্টরিগুলিকে তখনো বলা হত ‘ম্যানুফ্যাকচার্স রিইউনিস (manufactures reunies’), অনেকগুলি কর্মশালা একটা মাত্রে পর্যবসিত, যেমন আমরা বলি, অনেকগুলি তে একটামাত্ৰ ক্ষেত্রে পর্যবসিত। মিরাবো বলেন, “আমরা কেবল বিরাট ম্যানুফ্যাক্টরিগুলির দিকেই নজর দিচ্ছি, যেগুলিতে শত শত লোক কাজ করে একজন পরিচালকের অধীনে এবং। যেগুলিকে সাধারণত বলা হয় ম্যানুফ্যাকচার্স রিইউনিস। যেগুলিতে একটি বৃহৎ সংখ্যক শ্রমিক কাজ করে, প্রত্যেকেই আলাদা আলাদা ভাবে এবং স্বতন্ত্র ভাবে, সেগুলির কথা খুব কমই বিবেচনা করা হয়; সেগুলিকে অন্যগুলির তুলনায় স্থাপন করা হয় সীমাহীন দূরত্বে। এটা একটা বিরাট ভুল, কেননা এগুলিই জাতীয় সমৃদ্ধির সত্য সত্যই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিরাট কর্মশালাটি (ম্যানুফ্যাকচার রিইউনিস’ বিপুলভাবে বিত্তশালী করে তুলবে দু-একজন শিল্পোদ্যোক্তাকে, কিন্তু শ্রমিকেরা থেকে যাবে কম বেশি মজুরি পাওয়া সেই দিন মজুর; প্রতিষ্ঠানের সাফল্যে তাদের থাকবে না কোনো অংশ। উলটো দিকে, ক্ষুদ্রাকার বিচ্ছিন্ন কর্মশালায় ম্যানুফ্যাকচার সেপারী) কেউই বিত্তশালী হবে না, কিন্তু বহুসংখ্যক শ্রমিক হবে সচ্ছল; যারা সঞ্চয়ী ও পরিশ্রমী, তারা সামান্য মূলধন জমাতে সক্ষম হবেনোতুন কোন শিশু-জন্মের জন্য কিংবা নিজেদের বা পরিবারবর্গের অসুখ-বিসুখের জন্য কিছু সরিয়ে রাখতে। সঞ্চয়ী ও পরিশ্রমী শ্রমিকদের। সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, কারণ তারা সদাচার ও কর্মনিষ্ঠার মধ্যে দেখতে পাবে তাদের অবস্থার যথার্থ উন্নতি সাধনের উপায়-সামান্য মজুরি-বৃদ্ধির মত যা তাদের ভবিষ্যতের পক্ষে আদৌ গুরুত্বপূর্ণ হবে না, এবং যার একমাত্র ফল হবে তাদের দৈনন্দিন জীবনকে কিছুটা উন্নত করা, তা নয়।’: বিরাট কর্মশালাগুলি-কয়েকজন ব্যক্তিগত মালিকের প্রতিষ্ঠান, যেগুলি তাদের নিজস্ব লাভের জন্য শ্রমিকদের খাটিয়ে নিয়ে তাদের দৈনন্দিন মজুরি দিয়ে থাকে—সেগুলি এই ব্যক্তিগত মালিকদের স্বাচ্ছন্দ্য ঘটাতে পারে, কিন্তু সেগুলি কখনো সরকারের মনোযোগ আকর্ষণের মত যোগ্য হবে না। ক্ষুদ্রাকার বিচ্ছিন্ন কর্মশালাগুলিই, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যেগুলি কৃষি-কর্মের সঙ্গে সংযোজিত থাকে; সেগুলিই হল কেবল স্বাধীন কর্মশালা।[৪] কৃষি-জনসংখ্যার একটা অংশের উচ্ছেদ ও উৎপাদন শিল্পমূলধনের জন্য কেবল শ্রমিকদেরকে, তাদের জীন-ধারণের উপকরণাদিকে এবং শ্রমের সামঞ্জসভারকেই মুক্ত করে দিল না, তা সেই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বাজারেরও সৃষ্টি করল।

    বস্তুতঃ পক্ষে, যে-ঘটনাবলী ছোট চাষীকে রূপান্তৰিত করল মজুরি-শ্রমিকে এবং তাদের জীবনধারণের উপকরণাদিকে রূপান্তরিত করল মূলধনের বস্তুগত উপাদানে, তা যুগপৎ মূলধনের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ বাজারও সৃষ্টি করল। আগে, চাষী-পরিবার জীবন-ধারণের উপকরণ ও কাঁচামাল উৎপাদন করত যার বেশির ভাগটা তারা নিজেরাই পরিভোগ করত। এই কাঁচামাল ও জীবনধারণের উপকরণ সমূহই এখন পরিণত হয়েছে পণ্যদ্রব্যে, বৃহৎ কৃষি-মালিক সেগুলিকে বিক্রি করে, কর্মশালাগুলিতে সে পায় তার বাজার। সুতো, শণের কাপড়, পশমের আটপৌরে জিনিসপত্র—যেসব দ্রব্যসামগ্রী আগে ছিল প্রত্যেক চাষী-পরিবারের নাগালের মধ্যে, যেগুলি আগে সে নিজেই বুনত তার নিজের ব্যবহারের জন্য—সেগুলি রূপান্তরিত হল ম্যানুফ্যাকচারের দ্রব্যসামগ্রীতে, যেগুলি সঙ্গে সঙ্গে মফস্বলের জেলাগুলিতে পেয়ে গেল তৈরি বাজার। বিক্ষিপ্ত কারিগরেরা এতাবৎকাল আপন-আপন মনে কর্মরত অগণিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উৎপাদনকারীদের মধ্যে যে-ইতস্ততঃ অবস্থিত ক্রেতাদের পেত, এখন সেই উৎপাদন কারীরা কেন্দ্রীভূত হয় শিল্প-মূলধনের দ্বারা সৃষ্ট একটি বিশাল বাজারে।[৫] এইভাবে স্বাবলম্বী চাষীদের উচ্ছেদের সঙ্গে সঙ্গে, নিজেদের উৎপাদনের উপায়-উপকরণ থেকে বিচ্ছেদের সঙ্গে সঙ্গে একযোগে সংঘটিত হয় গ্রামীণ ঘরোয়া শিল্প, ম্যানুফ্যাকচার এবং কৃষিকর্মের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদের প্রক্রিয়া। এবং গ্রামীণ ঘরোয়া শিল্পের সর্বনাশই কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ঘটাতে পারে সেই সম্প্রসারণ, ধনতান্ত্রিক উৎপাদন পদ্ধতির পক্ষে যা একান্ত প্রয়োজন। তবু যথাযথ ভাবে যাকে ম্যানুফ্যাকচার-আমল বলা যায়, সেই আমল সফল হয়নি এই রূপান্তরকে আমূল ভাবে ও সম্পূর্ণ ভাবে সম্পাদন

    শিল্পের উপরে কৃষি-বিপ্লবের প্রতিক্রিয়া করতে। স্মরণীয় যে, যথাযথ ভাবে যাকে ম্যানুফ্যাকচার বলা যায়, তা জাতীয় উৎপাদনের কেবল একটি অংশকেই জয় করে এবং, নিজের শেষ ভিত্তি হিসাবে সর্বদাই নির্ভর করে শহরের হস্তশিল্প এবং গ্রামাঞ্চলের ঘরোয়া শিল্পগুলির উপরে। যদি বিশেষ বিশেষ শাখায় কোন কোন ক্ষেত্রে তা সেগুলিকে ধ্বংস করে এক আকারে, তা হলে অন্যত্র তা সেগুলির উদ্ভব ঘটায় অন্য আকারে, কারণ একটা পর্যায় পর্যন্ত তার সেগুলিকে লাগে কাঁচামাল প্রস্তুতির জন্য। সুতরাং, তা ছোট গ্রামবাসীদের নোতুন এক শ্রেণী গড়ে তোলে, যার সহায়ক বৃত্তি হিসাবে চাষের কাজ করলেও, তাদের প্রধান বৃত্তি খুজে পায় শিল্প-শ্রমের মধ্যে, যার উৎপাদিত দ্রব্যসম্ভার তারা ম্যানুফ্যাকচারকারীদের কাছে বিক্রি করে হয়, সরাসরি আর নয়তো বণিকদের মাধ্যমে। ইংরেজ ইতিহাসের ছাত্রকে ধাঁধায় ফেলে দেয়, এট। তেমনি একটা ঘটনার অন্যতম কারণ, যদিও প্রধান কারণ নয়। পঞ্চদশ শতাব্দীর তৃতীয় ভাগ থেকে মফস্বলের অঞ্চলগুলিতে ধনতান্ত্রিক কৃষিকর্মের অনধিকার প্রবেশ এবং চাষী-সম্প্রদায়ের উত্তরোত্তর ধ্বংসসাধন সম্পর্কে অভিযোগ ক্রমাগত তার নজরে আসে—তাতে ছেদ পড়ে কেবল মাঝে মাঝে। অন্য দিকে সে এই চাষী সম্প্রদায়কে দেখে পুনর্বার উপস্থিত হতে, যদিও অল্পতর সংখ্যায় এবং আরো খারাপ অবস্থায়।[৬] প্রধান কারণ এই : ইংল্যাণ্ডে, পর্যায়ক্রমে, এক সময়ে প্রধানতঃ শস্য-কৰ্ষক এবং অন্য সময়ে প্রধানতঃ গবাদি পশু-পালক; এবং এই দুই পর্যায় অনুযায়ী চাষীর চাষের পরিধিরও ঘটে বৃদ্ধি বা হ্রাস। আধুনিক শিল্পই একক ভাবে এবং চূড়ান্তভাবে মেশিনারির আকারে সরবরাহ করে ধনতান্ত্রিক কৃষিব্যবস্থার চিরস্থায়ী ভিত্তি, সমূলে উৎপাটিত করে সুবিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ কৃষি জনসমষ্টি এবং সুসম্পূর্ণ করে কৃষি ও গ্রামীণ ঘরোয়া শিল্পের মধ্যে বিচ্ছেদ, যার শিকড়কে—সুতো কাটা ও কাপড় বোনাকে—তা ছিন্নভিন্ন করে দেয়।[৭] এই ভাবে তা, প্রথমবারের মত, সমগ্র অভ্যন্তরীণ বাজারকে জয় করে দেয় শিল্পমূলধনের জন্য।[৮]

    ————

    ১. তাঁর “নোশনস দ্য ফিলসফি ন্যাচুরেল”-এ, প্যারিস, ১৮৩৮।

    ২. একটি পয়েন্ট’ যার উপরে জেম্স স্টুয়ার্ট গুরুত্ব দিয়েছেন।

    ৩. “Je permettrai” xf2 269,”que vous ayez l’honneur de me servir, a condition que vous me donnez le peu qui vous reste pour la peine que je prends de vous commander.” (J. J, Rousseau : *Discours sur l’Ecouomie Politique.’ )

    ৪. মিরাবো মনে করেন বিচ্ছিন্ন কর্মশালাগুলি সংযোজিত কর্মশালাগুলি থেকে বেশি মিতব্যয়ী এবং উৎপাদনশীল এবং সংযোজিত কর্মশালাগুলির মধ্যে দেখতে পান সরকারি কৃষির অধীনে কেবল কৃত্রিম বিদেশিয়ানা; ইউরোপীয় ভূখণ্ডের ম্যানুফ্যাকচার গুলির একটা বড় অংশের তখন যা অবস্থা ছিল, তা থেকেই মিরাববার এই ধারণার ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।

    ৫. অন্য কাজের অবকাশে ২০ পাউণ্ড উলকে অনায়াসে নিজেদের শ্রমের সাহায্যে একটি শ্রমিকের পরিবারের বাৎসরিক পরিচ্ছদে রূপান্তরণ-তাতে কোনো দর্শনীয় ব্যাপার হয় না; কিন্তু সেটা বাজারে আন, কারখানায় পাঠান, সেখান থেকে দালালকে, তারপরে কারবারকে এবং আপনি প্রত্যক্ষ করবেন বড় বড় বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড, এবং তার মূল্যের ২০ গুণ পরিমাণ আর্থিক মূলধনের বিনিয়োগ। এই ভাবে শ্রমিক শ্রেণী বাধ্য হয় এক লক্ষ্মীছাড়া কারখানা-জনসংখ্যাকে পোষণ করতে–একটা পরগাছা দোকানদার শ্রেণী এবং একটা অলীক বাণিজ্যিক, আর্থিক ও মুদ্রাগত ব্যবস্থা। ডেভিড আকুহ, ঐ, পৃ ১২।

    ৬. ক্রমওয়েল-এর আমল একটা ব্যতিক্রম। যতদিন প্রজাতন্ত্র টিকে ছিল, ততদিন সমস্ত স্তরের ইংরেজ জনগণ টিউডরদের অধীনে তারা যে অধঃপতনে তলিয়ে গিয়েছিল, তা থেকে আবার উঠে দাঁড়িয়েছিল।

    ৭. টাকেট এ ব্যাপারে অবহিত যে, আধুনিক উল শিল্পের উন্মেষ ঘটেছে মেশিনারি প্রবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত ম্যানুফ্যাকচার থেকে—এবং গ্রামীণ ও ঘবোয়া শিল্পগুলির ধ্বংসপ্রাপ্ত থেকে। লাঙল এবং জোয়াল হল দেবতাদের উদ্ভাবন এবং বীরদের বৃত্তি; তাঁত, টাকু, কাটিমের বংশপরিচয় অতটা উচু নয়। আপনি কাটিম আর লাঙল, মাকু আর জোয়ালকে বিচ্ছিন্ন করে দিন। তা হলে পাবেন কারখানা, আর দুঃস্থ-নিবাস, ক্রেডিট আর আতঙ্ক, দুটি শত্রুভাবাপন্ন জাতি—একটি কৃষিজীবী, অন্যটি বাণিজ্য-জীবী।” (ডেভিড আহার্ট, ঐ পৃ ১২২)। কিন্তু এখন ক্যারি এলেন, এবং ধিক্কার জানালেন ইংল্যাগুকে, অবশ্য অযৌক্তিক ভাবে নয়, যে সে চেষ্টা করছে বাকি প্রত্যেকটি দেশকে কেবল কৃষিজীবী দেশে পরিণত করতে, যার শিল্লোৎপাদক হবে ইংল্যান্ড। তিনি দাবি করেন, এই ভাবেই ধ্বংস হয়েছে তুরস্ক, কেননা ইংল্যাণ্ড তার অধিকারী ও অধিবাসীদের কখনো সুযোগ দেয়নি লাঙল ও অঁতের মধ্যে, হাতুড়ি ও মইয়ের মধ্যে স্বাভাবিক মৈত্রীর প্রতিষ্ঠা করে নিজেদেরকে শক্তিশালী করতে।’ (দি স্লেভ ট্রেড, পৃঃ ১২৫। তাঁর মতে, আকু হার্ট নিজেই হচ্ছেন তুরস্কের ধ্বংস-সাধনের প্রধান প্রযোজক, যেখানে তিনি ইংল্যাণ্ডের স্বার্থে পরিচালনা করেছেন অবাধ বাণিজ্যের প্রচারকার্য। সবচেয়ে সেরা ব্যাপার এই যে, ক্যারি, যিনি প্রসঙ্গত একজন রুশ-প্রেমিক, উল্লিখিত বিচ্ছেদের প্রক্রিয়াটিকে নিবারণ করতে চান ঠিক সেই সংরক্ষণমূলক ব্যবস্থার সাহায্যে, যা তাকে ত্বরান্বিত করে।

    ৮. মিল, রজার্স, গোল্ডইন স্মিথ, ফসেট প্রমুখ মানবহিতৈষী এবং জন ব্রাইট অ্যাণ্ড কোম্পানির মত উদারনৈতিক ম্যানুফ্যাকচারকারীরা ইংরেজ ভূমি-মালিকদের জিজ্ঞাসা করছেন, যেমন ভগবান জিজ্ঞাসা করেছিলেন অ্যাবেল-এর পরে কেইনকে, ‘আমাদের সেই হাজার হাজার স্বাধীন স্বত্বভোগীরা কোথায় গেল? তারপর, তোমরাই বা কোথা থেকে এলে? এল ঐ স্বাধীন স্বত্বভোগীদের ধ্বংস করে দিয়ে। কেন আপনি আরো জিজ্ঞাসা করেন না, কোথায় গেল সেই স্বাধীন তাঁতীরা, সুতো কাটুনিরা এক কুটিরশিল্পীরা?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার – কার্ল মার্ক্স / ফ্রেডারিক এঙ্গেলস
    Next Article শাহজাদা দারাশুকো – কালিকারঞ্জন কানুনগো

    Related Articles

    কার্ল মার্ক্স

    কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার – কার্ল মার্ক্স / ফ্রেডারিক এঙ্গেলস

    July 26, 2025
    কার্ল মার্ক্স

    ইহুদি প্রশ্নে – কার্ল মার্কস

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }