Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্যাপিট্যাল / ডাস কাপিটাল – কার্ল মার্ক্স (অনুবাদ : পীযুষ দাসগুপ্ত)

    কার্ল মার্ক্স এক পাতা গল্প1382 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. মূলধনের সাধারণ সূত্রে স্ববিরোধসমূহ

    পঞ্চম অধ্যায় — মূলধনের সাধারণ সূত্রে স্ববিরোধসমূহ

    অর্থ যখন মূলধনে পরিণত হয় তখন তা যে-রূপ ধারণ করে, সে রূপটি-আমরা এ পর্যন্ত পণ্যের প্রকৃতি, মূল্য ও অর্থ, এবং এমনকি স্বয়ং সঞ্চলনের উপরে কোনো প্রভাব আছে, এমন যত নিয়মাবলী পর্যালোচনা করেছি সেই সব নিয়মাবলীরই বিপরীত-রূপী। পণ্যের সরল সঞ্চলনের রূপ থেকে যে-ব্যাপারে এই রূপটির পার্থক্য তা হচ্ছে দুটি বিপরীতমুখী পর্যায়ের বিক্রয় এবং ক্রয়ের—ক্রমাগত পারম্পর্ষের বিপরীতমুখী সংঘটন। এই দুটি প্রক্রিয়ার মধ্যেকার নিছক রূপগত এই যে পার্থক্য তা তাদের চরিত্রে, যেন ঠিক ভোজবাজির মতে, এই পরিবর্তন ঘটাতে পারে কেমন করে?

    কিন্তু সেখানেই সবটা শেষ হয়ে যাচ্ছে না। যে তিনজন ব্যক্তি একত্রে এই কারবারটি সম্পাদন করে, তাদের মধ্যে তিনজনের কাছেই এই বিপরীতমুখী। পারম্পর্যের কোনো অস্তিত্ব নেই। পুঁজিবাদী হিসেবে আমি ক-এর কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করি এবং সেই পণ্যকে আবার খ-এর কাছে বিক্রয় করি, কিন্তু পণ্যের সরল মালিক হিসেবে আমি সেই পণ্য খ-এর কাছে বিক্রয় করে আবার ক-এর কাছ থেকে নতুন পণ্য ক্রয় করি। এই দু ধরনের কারবারের মধ্যে ক এবং খ কোনো পার্থক্য দেখতে পায় না। তারা কেবল ক্রেতা বা বিক্রেতা। এবং প্রত্যেকটি উপলক্ষেই আমি তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি হয় অর্থের মালিক হিসেবে, নয় পণ্যের মালিক হিসেবে, ক্রেতা হিসেবে কিংবা বিক্রেতা হিসেবে; এবং তার চেয়েও বড় কথা দুটি কারবারই আমি ক-এর বিপরীতে দাড়াই কেবল ক্রেতা হিসেবে এবং -এর বিপরীতে দাড়াই কেবল বিক্রেতা হিসেবে; একজনের কাছে কেবল অর্থ হিসেবে এবং অন্যজনের কাছে কেবল পণ্য হিসেবে—কিন্তু কারো বিপরীতেই দাড়াই না মূলধন হিসেবে তথা পুজিবাদী হিসেবে কিংবা এমন কোন কিছুর প্রতিনিধি হিসেবে যা অর্থ বা পণ্যের থেকে বেশী কিছু, কিংবা যা অর্থ এবং পণ্য যা উৎপাদন করতে পারে তার চেয়ে বেশী কিছু উৎপাদন করতে পারে। আমার কাছে ক-এর কাছ থেকে ক্রয় এবং এর কাছে বিক্রয় একটি ক্রমিক প্রক্রিয়ার অংশমাত্র। কিন্তু দুটি ক্রিয়ার মধ্যে যে সংযোগ তা কেবল আমার কাছেই অস্তিত্বশীল। খ-এর সঙ্গে আমার যে কারবার তা নিয়ে ক মাথা ঘামায় না। আবার ক-এর সঙ্গে আমার যে কারবার ও তা নিয়ে মাথা ঘামায় না। আর পরম্পরাগত ঘটনাক্রমের বিপরীতমুখী পরিবর্তন ঘটাবার ব্যাপারে আমার ভূমিকার মাহাত্ম আমি যদি তাদের কাছে ব্যাখ্যা করতে যাই, তা হলে তারা হয়তো আমাকে দেখিয়ে দেবে যে পারম্পর্য সম্পর্কে আমার যে ধারণা, আসলে সেটাই ছিল ভুল এবং কারবারের গোটা প্রক্রিয়াটির শুরু এবং শেষ যথাক্রমে ক্রয় ও বিক্রয় দিয়েই ঘটেনি, বরং ঘটেছিল ঠিক বিপরীত দিক দিয়ে অর্থাৎ শুরু হয়েছিল বিক্রয়ে এবং শেষ হয়েছিল ক্ৰয়ে। বস্তুতঃ পক্ষে, ক-এর দৃষ্টিতে আমার। প্রথম কাজটি তথা ক্রয়ের কাজটি হচ্ছে ‘বিক্রয় এবং খ-এর দৃষ্টিতে আমার দ্বিতীয় কাজটি তথা বিক্রয়ের কাজটি হচ্ছে ‘ক্রয়। সেখানেই সন্তুষ্ট না থেকে ক এবং খ ঘোষণা করবে যে গোটা ক্রমিক প্রক্রিয়াটি অপ্রয়োজনীয় বাহুল্য মাত্র, একটা উলটো পাল্টা ব্যাপার; তারা ঘোষণা করবে যে ভবিষ্যতে ক সরাসরি ক্রয় করবে খ-এর কাছ থেকে, এবং খ সরাসরি বিক্রয় করবে ক-এর কাছে। এই ভাবে গোটা ক্রমিক প্রক্রিয়াটি পর্যবসিত হবে একটি মাত্র ক্রিয়ায়, পণ্যের মামুলি আবর্তের মধ্যে একটি বিচ্ছিন্ন অ-পরিপূরিত পর্যায়ে, ক-এর দৃষ্টিতে নিছক একটি বিয়ে এবং খ-এর দৃষ্টিতে নিছক একটি ক্রয়ে। সুতরাং ক্রমিক পরম্পরার বিপরীতায়নের ফলে আমরা সরল পণ্য-সঞ্চলনের পরিধির বাইরে চলে যাই না। আমাদের বরং দেখা উচিত যে এই সরল সঞ্চলনে এমন কিছু আছে কিনা যা সঞ্চলনে অনুপ্রবেশকারী মূল্যের সম্প্রসারণে তথা উদ্বত্ত মূল্যের সৃজনে সাহায্য করে।

    যে রূপের আকারে পণ্যের সরল ও সরাসরি বিনিময় নিজেকে উপস্থিত করে সেই রূপের আকারেই সঞ্চলন প্রক্রিয়াটিকে আলোচনা করে দেখা যাক। যখন পণ্যদ্রব্যাদির দুজন মালিক পরস্পরের কাছ থেকে ক্রয় করে, এবং হিসেবে নিকেশের নির্দিষ্ট দিনে পরস্পরের কাছে দেনা-পাওনার পরিমাণ সমান হওয়ায় তা পরস্পরকে বাতিল করে দেয়, তখন সব সময়েই এমন ঘটনাই ঘটে থাকে। এই ক্ষেত্রে অর্থ হচ্ছে হিসেব রাখার অর্থ এবং তা কাজ করে পণ্যদ্রব্যাদির মূল্যকে দামসমূহের মাধ্যমে প্রকাশ করতে, অথচ নিজে কিন্তু সে নগদ টাকার আকারে না থেকেও পণ্যদ্রব্যাদির মুখোমুখি হয়। এটা সুস্পষ্ট যে ব্যবহার মূল্যের দিক থেকে দেখলে দুটি পক্ষই কিছু সুবিধা পেতে পারে ! দুজনেই নিজ নিজ পণ্য হাতছাড়া করে যে যে পণ্যের ব্যবহার মূল্য তাদের নিজের নিজের কাছে নেই এবং হাতে পায় এমন এমন পণ্য যার যার ব্যবহার মূল্য তার তার কাছে আছে। তা ছাড়া, আরো একটি সুবিধাও পাওয়া যেতে পারে। ক বিক্রয় করে মদ এবং ক্রয় করে শস্য; সে সম্ভবতঃ খ নামক কৃষকের তুলনায় একটি নির্দিষ্ট এম-সময়ে বেশী পরিমাণ মদ উৎপাদন করতে পারে, অন্য দিকে আবার ও সম্ভবতঃ ক নামক মদ প্রস্তুত কারকের তুলনায় পারে বেশী পরিমাণ শস্য উৎপাদন করতে। সুতরাং, নিজে নিজে নিজের জন্য শস্য ও মদ উৎপাদন করে তারা যে যে পরিমাণ পেত, তার তুলনায় একই বিনিময় মূল্যে ক পেতে পারে অধিকতর পরিমাণে শস্য এবং খ অধিকতর পরিমাণে মদ। সুতরাং ব্যবহার মূল্যের দিক থেকে এ কথা বলার পেছনে বেশ ভালো যুক্তি আছে যে, “বিনিময় হচ্ছে এমন একটি লেনদেন যার ফলে দু পক্ষই লাভবান হয়।[১] বিনিময়মূল্যের দিক থেকে কিন্তু ব্যাপারটি অন্য ধরনের। “প্রচুর মদ আছে কিন্তু কোনো শস্য নেই এমন একজন ব্যক্তি কারবার করে এমন একজন ব্যক্তির সঙ্গে যার প্রচুর শস্য আছে কিন্তু কোনো মদ নেই, তাদের মধ্যে বিনিময় ঘটে ৫০ মূল্যের শস্যের সঙ্গে ঐ একই মূল্যের মদের। এই লেনদেনের ফলে বিনিময়মূল্য কোনো বৃদ্ধিই ঘটেনানা কারো পক্ষেই না, কেননা লেনদেনের মাধ্যমে যে যা মূল্য পেল তার আগেও তার সেই মূল্যই ছিল।”[২] ফলে কোনো পরিবর্তন ঘটেনা বিভিন্ন পণ্যের মধ্যে সঞ্চলনের মাধ্যম হিসাবে অর্থকে চালু করলে এবং বিক্রয় ও ক্রয়কে স্বতন্ত্র ক্রিয়ার পরিণত করলে,[৩] সঞ্চলনে যাবার আগে পণ্যের মূল্য অভিব্যক্ত হয় দামের মাধ্যমে; সুতরাং এটা হল সঞ্চলনের একটি পূর্ব-শর্ত, তার ফল নয়।[৪]

    বিশিষ্ট ভাবে বিবেচনা করলে অর্থাৎ সরল পণ্য-সঞ্চলনের নিয়মগুলি থেকে প্রত্যক্ষভাবে প্রবাহিত নয় এমন সব ঘটনাবলী থেকে বিচ্ছিন্ন ভাবে বিবেচনা করলে, যা দেখি তা একটি বিনিময় মাত্র, যা সংশ্লিষ্ট পণ্যটির রূপে একটি নিছক পরিবর্তন; একটি রূপান্তরণ ছাড়া আর কিছু নয় ( অবশ্য, যদি আমরা একটি ব্যবহার-মূল্যের বদলে আরেকটি ব্যবহার-মূল্যের স্থান-গ্রহণের ঘটনাটিকে বাদ দিয়ে ধরি )। পণ্যের মালিকটির হাতে আগা গোড়াই থেকে যায় একই বিনিময়মূল্য অর্থাৎ একই পরিমাণ বিধৃত সামাজিক শ্ৰম-প্রথমে তার নিজেরই পণ্যের আকারে এবং শেষে, ঐ অর্থের সাহায্যে সে যে পণ্য ক্রয় করে, তার আকারে। রূপগত পরিবর্তন মানে আয়তনগত পরিবর্তন নয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াটিতে পণ্যটির মূল্য যে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে পার হয়, তা তার অর্থ রূপে পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। এই রূপটি বিদ্যমান হয় প্রথমে বিক্ৰয়াৰ্থ উপস্থাপিত পণ্যটির দাম হিসেবে; পরে সত্যকার অর্থের একটি পরিমাপ হিসেবে-যা অবশ্য আগেভাগেই অভিব্যক্তি পেয়েছিল দাম হিসেবে, এবং শেষে একটি সমার্ঘ পণ্যে দাম হিসেবে। &৫ পাউণ্ডের একটি নোটকে যদি ‘সভরিন’ ‘হাফ সভরিন ও শিলিং এ পরিবর্তন করা হয়, তা হলে যতটা পরিবর্তন সূচিত হয়, এক্ষেত্রেও রূপগত পরিবর্তন ঠিক ততটাই মূল্যগত পরিবর্তন সূচিত করে। সুতরাং পণ্য-সঞ্চলন যতটা পর্যন্ত কেবল পণ্যদ্রব্যাদির মূল্যসমূহেই একটি পরিবর্তন ঘটায় এবং ব্যাঘাত সৃষ্টিকারী প্রভাবাদি থাকে মুক্ত থেকে ততটা পর্যন্ত তা আবশ্যিক ভাবেই হবে সমানে সমানে বিনিময়। মূল্যের প্রকৃতি সম্পর্কে যেহেতু হাতুড়ে অর্থশাস্ত্র প্রায় কিছুই জানেন সেই হেতু যখনি তা সঞ্চলন ঘটনাবলীকে তাদের বিশুদ্ধ স্বরূপে বিবেচনা করতে চায়, তখনি তা ধরে নেয় যে যোগান আর চাহিদা পরস্পরের সমান—যার মানে দাড়ায় এই যে তাদের ফলশ্রুতি হচ্ছে শূন্য। সুতরাং যদি বিনিমিত ব্যবহার-মূল্যসমূহের ক্ষেত্রে, ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়েরই সম্ভবতঃ কিছু লাভ হয়, তথাপি সেটা কিন্তু বিনিময় মূল্যের ক্ষেত্রে খাটেনা। এখানে বরং আমাদের বলতে হবে, যেখানে সমতা উপস্থিত সেখানে লাভালাভ অনুপস্থিত।”[৫] একথা সত্য যে, মূল্য থেকে বিচ্যুত হয়ে হয়ে ভিন্নতর দামে পণ্যদ্রব্যাদি বিক্রীত হতে পারে, কিন্তু এই ধরনের বিচ্যুতিগুলিকে গণ্য করতে হবে পণ্য-বিনিময়ের নিয়মাবলীর লঙ্ঘন হিসাবে,[৬] যা তার স্বাভাবিক অবস্থায় হচ্ছে সমার্ঘ ভ্রব্যাদির বিনিময় এবং কাজে কাজেই, তা কোন ক্রমেই মূল্যের বৃদ্ধি সাধনের পন্থা নয়।[৭]

    অতএব, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে পণ্য-দ্রব্যাদির সঞ্চলনকে উদ্ধৃত্ত মূল্যের একটি উৎস হিসেবে দেখানোর সমস্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও কিন্তু যা ফাকে ফাকে বেরিয়ে আসে তা হচ্ছে একটি আদান-প্রদানের, ব্যাপার ব্যবহার মূল্য এবং বিনিময়মূল্যের একটি সংমিশ্রণ। যেমন, কঁদিলাক বলেন, “একথা সত্য নয় যে বিনিময়ের বেলায় আমরা মূল্যের বদলে মূল্য দিয়ে থাকি উলটো, চুক্তিবদ্ধ দুটি পক্ষের প্রত্যেকটি পক্ষই প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই বৃহত্তর মূল্যের বদলে ক্ষুদ্রতর মূল্য দিয়ে থাকে। আমরা যদি সত্য সত্যই সমান সমান মূল্যের বিনিময় করতাম তা হলে কোনো পক্ষেই কোনো মুনাফা করতে পারত না। কিন্তু তবু তো তারা দু পক্ষই লাভ করে কিংবা তাদের দু পক্ষেরই লাভ করা উচিত। কেন? কোন জিনিসের মূল্যের অস্তিত্ব একমাত্র আমাদের অভাববোধেরই পরিপ্রেক্ষিতে। একজনের কাছে যা অধিকতর, অন্যজনের কাছে তা-ই অল্পতর এবং এর উলটোটাও সত্য। : এটা ধরে নেওয়া ঠিক নয় যে আমাদের পরিভোগের জন্য যে দ্রব্যসামগ্রী দরকার সেগুলিকে আমরা বিক্রয়ের জন্য উপস্থিত করি … একটি উপযযাগিতা-বিহীন দ্রব্যই আমরা হস্তান্তরিত করতে চাই যাতে করে যে দ্রব্যটি আমাদের কাছে উপযযাগিতা-সম্পন্ন সেটি আমরা পেতে পারি; আমরা বেশির জন্য কম দিতে চাই। যখন বিনিমিত প্রত্যেকটি দ্রব্যই ছিল একই পরিমাণ সোনার সঙ্গে সমমূল্য, তখন এটা ভাবা স্বাভাবিক ছিল যে একটি বিনিময় মূল্যের বদলে মূল্যই দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমাদের হিসেবে আরো একটি বিষয় ধরা উচিত। তা এই যে আমরা দুজনেই প্রয়োজনীয় কোনো কিছুর অন্য অপ্রয়োজনীয় কোন কিছু দিয়ে দিচ্ছি কিনা।”[৮] এই অনুচ্ছেদটিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি কিভাবে কঁদিলাক কেবল ব্যবহার মূল্যের সঙ্গে বিনিময় মূল্যকে গুলিয়ে ফেলেছেন, কেবল তাই নয় আমরা আরো দেখতে পাচ্ছি, কেমন করে একেবারে বালখিল্যের মতো তিনি ধরে নিয়েছেন যে, যে-সমাজের পণ্য-উৎপাদন বেশ সুপরিণত তেমন একটি সমাজে প্রত্যেক উৎপাদনকারীই উৎপাদন করছে তার নিজের জীবন ধারণের উপকরণাদি আর সঞ্চলনে ছুড়ে দিচ্ছে যা তার প্রয়োজনের অতিরিক্ত কেবল তা-ই।[৯] তবু কিন্তু কঁদিলাকের এই যুক্তিই হামেশা কাজে লাগান আধুনিক অর্থনীতি বিদরা—বিশেষ করে তখন, যখন তারা প্রমাণ করতে চান যে, পণ্যদ্রব্যাদির বিনিময় তার পরিণত পর্যায়ে তথা বাণিজ্যের পর্যায়ে উদ্বৃত্ত মূল্যের জন্ম দেয়। দৃষ্টান্ত হিসেবে উদ্ধৃত করা যায় : বাণিজ্য ……উৎপাদিত দ্রব্যসমূহে মূল্য সংযোজিত করে, কেননা ঐ একই দ্রব্যাদি যখন থাকে উৎপাদকদের হাতে তখন তাদের যা মূল্য থাকে, তার চেয়ে তাদের মূল্য বেশী হয় যখন তারা আসে পরিভোক্তাদের হাতে এবং এই ব্যাপারটিকে যথাযথ ভাবে দেখলে উৎপাদনের ক্রিয়া হিসাবেই গণ্য করা উচিত।[১০] কিন্তু পণ্যদ্রব্যাদির জন্য তো দু-দুবার দাম দেওয়া হয়না একবার তাদের ব্যবহার-মূল্যের জন্য এবং দ্বিতীয় বার তাদের মূল্যের জন্য। এবং যদিও একটি পণ্যের ব্যবহার-মূল্য তার বিক্রেতার তুলনায় তার ক্রেতার কাছে বেশী কাজে লাগে, তার অর্থরূপ কিন্তু তার বিক্রেতার কাছেই বেশী কাজের জিনিস। তা না হলে কি সে তা বিক্রয় করত? সুতরাং আমরা ঐ একই যুক্তিতে বলতে পারি যে ক্রেতার কাজটিকেও যথাযথ ভাবে দেখলে উৎপাদনের ক্রিয়া হিসাবেই গণ্য করা উচিত, কেনন! সে ধরা যাক, মোজাগুলিকে রূপান্তরিত করে অর্থে।

    যদি সমান বিনিময়-মূল্যের বিভিন্ন পণ্যদ্রব্য কিংবা পণ্যদ্রব্য ও অর্থ, এবং কাজে কাজেই সমার্থ সামগ্ৰীসমূহ বিনিমিত হয়, তা হলে এটা তো পরিষ্কার যে সঞ্চলনে যে-পরিমাণ মূল্য কেউ নিক্ষেপ করে থাকে, তা থেকে বেশী মূল্য সে তুলে নিতে পারে না। কোনো উদ্বৃত্ত মূল্যেরই সৃষ্টি এখানে হয় না এবং তার স্বাভাবিক রূপে পণ্য-সঞ্চলন যা দাবি করে, তা হচ্ছে সমার্ঘ সামগ্রীর বিনিময়। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে প্রক্রিয়াটির স্বাভাবিক রূপ বজায় থাকে। সুতরাং অ-সমার্ঘ সামগ্রী-সমূহের বিনিময়ের প্রশ্নটি বিচার করা যাক।

    যাই হোক না কেন পণ্যের বাজারে কেবল পণ্যের মালিকদেরই ঘন ঘন যাতায়াত থাকে এবং এই সব ব্যক্তিরা পরস্পরের উপর যে ক্ষমতা বিস্তার করে তা তাদের পণ্যাদির ক্ষমতা ছাড়া অন্য কিছুই নয়,। এই সব পণ্যসামগ্রীর বস্তুগত বিভিন্নতাই নানাবিধ বিনিময় ক্রিয়ার বৈষয়িক প্রেরণা হিসেবে কাজ করে এবং ক্রেতা ও বিক্রেতাদের পরস্পরের উপরে নির্ভরশীল করে, কেননা তাদের মধ্যে কেউই তার নিজের অভাব মেটাবার মতো সামগ্রীটির মালিক নয় এবং প্রত্যেকেরই মালিকানায় আছে অন্য কারো অভাব মেটানোর মতো সমাগ্রী। তাদের নিজ নিজ ব্যবহার-মূল্যের মধ্যে এই বস্তুগত বিভিন্নতা সত্ত্বেও, পণ্যে কেবল আর একটি মাত্র পার্থক্য আছে। সে পার্থক্যটি হল তাদের অবয়বগত রূপ এবং বিক্রয়ের মাধ্যমে তারা যে রূপটিতে রূপান্তরিত হবে সেই রূপ-পণ্য এবং অর্থের মধ্যেকার পার্থক্য। এবং কাজে কাজেই পণ্যের মালিকদের পার্থক্য করা যায় কেবল বিক্রেতা হিসেবে এবং ক্রেতা হিসেবে যথাক্রমে যারা পণ্যের মালিক এবং যারা অর্থের মালিক, সেই হিসেবে।

    ধরা যাক, ব্যাখ্যার অতীত কোন বিশেষ অধিকার বলে বিক্রেতা তার পণ্য-সমূহকে তাদের মূল্যের তে বিক্রয় করতে সক্ষম হল, যেমন ১০০-র জায়গায় ১১০-এ যে একত্রে দাম নামীয় ভাবে বধিত হল শতকরা ১০ ভাগ। সুতরাং বিক্রেতার পকেটে এল ১০ সংখ্যক উদ্ধৃত্ত মূল্য। কিন্তু বিক্রয় করে দেবার পরে সে পরিণত হয় ক্রেতায়। তখন এক তৃতীয় পণ্য-মালিক তার কাছে আসে বিক্রেতা হিসেবে; সে-ও তার। ক্ষমতা বলে ভোগ করে তার পণ্যসামগ্রীকে শতকরা ১০ ভাগ বেশিতে বিক্রয় করবার অধিকার। আমাদের বন্ধুটি বিক্রেতা হিসেবে যে বাড়তি ১০ হাত করেছিল, ক্রেতা হিসেবেই সেটাই তার হাতছাড়া হয়ে গেল।[১১] নীট ফল এই দাড়ায় যে সমস্ত পণ্য-মালিকেরাই তাদের দ্রব্যসামগ্রী পরস্পরের কাছে বিক্রয় করে মূল্যের উপরে শতকরা ১০ ভাগ বেশিতে, যার মানে দাঁড়ায় ঠিক এই জিনিসটিই যে তারা যেন তাদের দ্রব্যসামগ্রীকে তাদের যথার্থ মূল্যেই বিক্রয় করেছে। দামের এমন সাধারণ ও নামীয় বৃদ্ধিপ্রাপ্তির ফল যা ঘটে তা হচ্ছে যেন সোনার ওজনে প্রকাশিত না হয়ে রূপার ওজনে মূল্য প্রকাশিত হবার মতো। পণ্যদ্রব্যদির দাম নামীয় ভাবে বৃদ্ধি পাবে, কিন্তু তাদের মূল্যসমূহের মধ্যকার আসল সম্পর্ক অপরিবর্তিতই থেকে যাবে।

    এবারে একটি উলটো ব্যাপার ধরে নেওয়া যাক। ধরা যাক যে ক্রেতা একটি বিশেষ অধিকারবলে পণ্যদ্রব্যাদিকে তাদের মূল্যে কমে ক্রয় করার সুযোেগ পেল। এ ক্ষেত্রে এটা মনে রাখার দরকার নেই যে সে আবার পালাক্রমে বিক্রেতায় পরিণত হবে, ক্রেতা হবার আগে সে বিক্রেতাই ছিল; ক্রেতা হিসাবে শতকরা ১০ ভাগ লাভ করার আগেই সে বিক্রেতা হিসেবে ১০% ভাগ লোকসান দিয়েছে।[১২] সব কিছুই যেমন ছিল, তেমনি আছে।

    অতএব পণ্যদ্রব্যাদি তাদের মূল্যের বেশিতে বিক্রী হয় কিংবা কমে ক্রীত হয়—এ দুটির কোনটা ধরে নিয়েই উদ্ধৃত্ত মূল্যের সৃষ্টিকে ব্যাখ্যা করা যায় না।[১৩]

    কর্নেল টরেন্স যেমন করেছেন তেমন ভাবে অবান্তর ব্যাপারগুলি টেনে এনেও সমস্যাটাকে সরল করে ফেলা সম্ভব হয় না। টরেন্স লিখেছেন, “পণ্যদ্রব্যদির উৎপাদন ব্যয়ের তুলনায় তাদের জন্য, সরাসরি বা ঘোরলো দ্রব্য-বিনিময়ের মাধ্যম মূলধনের বৃহত্তম অংশ প্রদানের ব্যাপারে পরিভোগকারীদের যে সক্ষমতা ও প্রবণতা (!), তা থেকেই ফলপ্রসূ চাহিদার উদ্ভব ঘটে।”[১৪] সঞ্চলনের পরিপ্রেক্ষিতে উৎপাদনকারী এবং পরিভোগকারীদের সাক্ষাৎকার ঘটে কেবল ক্রেতা এবং বিক্রিতা হিসেবেই। উৎপাদনকারীর দ্বারা অর্জিত উত্তমূল্য উদ্ভূত হয় এই ঘটনা থেকে যে পরিভোগকারীরা পণ্যদ্রব্যাদির জন্য তাদের মূল্যের অতিরিক্ত কিছু দিয়ে থাকে একথা বলার যা মানে দাঁড়ায় তা এই : বিক্রেতা হিসেবে পণ্য-মালিক মূল্যের বেশিতে বিক্রয় করবার বিশেষ অধিকার ভোগ করে। বিক্রেতা নিজেই তার পণ্যদ্রব্যাদি উৎপাদন করেছে কিংবা উক্ত পণ্যদ্রব্যাদির উৎপাদনকারীর প্রতিনিধিত্ব করছে, কিন্তু ক্রেতাও তো তার সমভাবেই অর্থের আকারে পণ্যদ্রব্যাদির উৎপাদন করেছে কিংম্বা তার উৎপাদনকারীর প্রতিনিধিত্ব করছে। তাদের মধ্যে পার্থক্য এই যে একজন ক্রয় করে, অন্যজন বিক্রয় করে। উৎপাদকের অভিধায় অভিহিত হয়ে পণ্যের মালিক তার পণ্য বির করে তার মূল্যের অতিরিক্ত কিছুতে এবং পরিভোক্তার অভিধায় অভিহিত হয়ে সে-ই আবার দিয়ে থাকে পণ্যের মূল্যের অতিরিক্ত কিছু—এই ঘটনা আমাদের এক পা-ও এগিয়ে নিয়ে যায় না।[১৫]

    দামের নামীয় বৃদ্ধিপ্রাপ্তিতে কিংবা মূল্যের বেশিতে বিক্রয় করার যে বিশেষ অধিকার বিক্রেতার রয়েছে সেই অধিকারভোগের বলে উদ্বৃত্ত মূল্যের উৎপত্তি-এই প্রতারণাটির যারা ধ্বজাধারী, তারা যদি সুসঙ্গতভাবে তাঁদে বক্তব্য রাখতে চান, না হলে ধরে নিতে হবে যে এমন একটি শ্রেণী আছে, যে শ্রেণী কেবল পরিভোগই করে, কিন্তু কিছু উপাদন করে না। এই পর্যন্ত আমরা যে অবস্থানে-যে সরল সঞ্চলনের অবস্থানে—এসে পৌছেছি, তাতে এই ধরনের একটি শ্রেণীর অস্তিত্ব আমাদের ব্যাখ্যার অতীত। কিন্তু এমন একটি শ্রেণীর অস্তিত্ব আগে থেকেই ধরে নেওয়া যাক। এই ধরনের একটি শ্রেণী যে অর্থের সাহায্যে নিরন্তর কারবারের ক্রয়গুলি চালিয়ে যাচ্ছে, সেই অর্থ পণ্য-মালিকদের পকেট থেকে বিনিময় ব্যাতিরেকে, প্রতিদান ছাড়াই, পরাক্রম বা অধিকারের জোরে—নিশ্চয়ই নিরন্তর তার পকেটে অনবরত বয়ে আসছে। এমন একটি শ্রেণীর কাছে মূল্যের বেশিতে পণ্যদ্রব্যাদি বিক্রয় করার মানে হচ্ছে এই যে, সেই শ্রেণীটিকে আগেভাগেই যে অর্থ দিয়ে দেওয়া হয়েছে তারই একটা অংশ ফেরৎ হাতিয়ে নেওয়া।[১৬] এশিয়া মাইনর-এর শহরগুলি এইভাবে প্রাচীন রোম সাম্রাজ্যের কাছে একটি বার্ষিক কর দিত। এই অর্থের সাহায্যে রোম তাদের কাছ থেকে পণ্যদ্রব্যাদি ক্রয় করত এবং ক্রয় করতে মূল্যের তুলনায় ঢের বেশিতে। সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত রাজ্যগুলির অধিবাসীরা এইভাবে রোমানদের প্রতারণা করতে এবং এইভাবে তাদের বিজেতাদের কাছ থেকে ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে তাদেরই দেওয়া করের একটা অংশ ফেরৎ নিয়ে আসত। কিন্তু সব সত্ত্বেও আসলে বিজিতরাই হত প্রতারিত। তাদের দ্রব্যসামগ্রীর দাম দেওয়া হত তাদেরই কাছ থেকে নেওয়া অর্থে ই। এ পথে ধনবানও হওয়া যায় না, উত্ত মূল্যও সৃষ্টি করা যায় না।

    . অতএব আমরা আমাদের নিজেদেরকে বিনিময়ের সীমানার মধ্যেই নিবদ্ধ রাখব যেখানে বিক্রেতারা আবার ক্রেতাও এবং ক্রেতারা বিক্রেতাও। সম্ভবতঃ অভিনেতাদের ব্যক্তি হিসেবে না দেখে আমরা তাদের বিগ্রহ হিসেবে দেখেছি বলেই আমাদের এই সমস্যা দেখা দিয়েছে।

    খ কিংবা গ-কে প্রতিশোধ নেবার সুযোগ না দিয়েই হয়তো ক তাদের কাছে থেকে কিছু সুবিধা আদায় করে নিতে পারে। ক বিক্রয় করল খ এর কাছে ৪৪ ৩ পাউণ্ডের মদ এবং বিনিময় তার কাছ থেকে পেল ৪৫০ পাউণ্ডের শস্য। ক তার £4 . পাউণ্ডকে রূপান্তরিত করে নিলে £৫০ পাউণ্ডে, কম অর্থ থেকে করে নিল বেশী অর্থ এবং তার পণ্যসম্ভারকে রূপান্তরিত করে ফেলল মূলধনে। আরো একটু গভীর ভাবে ব্যাপারটা পরীক্ষা করে দেখা যাক। বিনিময়টি ঘটবার আগে ক-এর হাতে ছিল ৪৪০ পাউণ্ড মূল্যের মদ এবং খ-এর হাতে ছিল £৫০ পাউণ্ড মূল্যের শস্য—দুজনের মিলিয়ে মোট ৪৯০ পাউণ্ড। সঞ্চলনের মূল্য বিন্দুমাত্র বৃদ্ধি পায়নি তা কেবল বন্টিত হয়েছে ভিন্নতর ভাবে ক এবং খ-এর মধ্যে। খ-এর কাছে যতটা মূল্য হ্রাস ক-এর কাছে ততটা মূল্য উদ্ধও; একজনের কাছে থেকে যা হল “বিয়োগ’, অন্যজনের কাছে তা-ই হল “যোগ”। এই একই পরিবর্তন সংঘটিত হত যদি, বিনিময়ের অনুষ্ঠানের মধ্যে না গিয়ে ক সরাসরি খ-এর কাছ থেকে ১০ পউণ্ড চুরি করে নিত। জনৈক ইহুদী যদি রানী অ্যানের ফার্দি এক গিনিতে বিক্রয় করে দেয়, তাহলে যেমন সেই দেশের মোট মহার্ঘ ধাতু সম্ভারের বৃদ্ধি ঘটে না, ঠিক তেমনি মূল্যসমূহের পুনর্বণ্টনের ফলেও কোন দেশের সঞ্চলনশীল মোট মূল্য সম্ভারের বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় না। সমগ্রভাবে কোনো দেশের পুজিবাদী শ্রেণীই নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে পারে না।[১৭]

    যতই বাঁকানো মোচড়ানো যাক না কেন, ঘটনা যেমন ছিল তেমনি থেকে যায়। সমান সমান মূল্যের বিনিময় থেকে কোনো উত্ত মূল্যের উদ্ভব ঘটে না।[১৮] সঞ্চলন, কিংবা পণ্য-বিনিমর কোনো মূল্যের জন্ম দেয় না।[১৯]

    সুতরাং এখন কারণটা পরিষ্কার যে কেন মূলধনের প্রমাণ-রূপটি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে, যে রূপে তা আধুনিক সমাজের অর্থনৈতিক সংগঠটিকে নির্ধারিত করে সেই রূপটি

    বিশ্লেষণ করতে গিয়ে, আমরা আমাদের বিবেচনা থেকে তার সবচেয়ে জনপরিচিত তথা তার মান্ধাতার আমলের রূপগুলিকে-বণিক-পুজি এবং মহাজন-পু জিকে—পুরোপুরি বাদ দিয়ে রেখেছিলাম।

    অ-প-অ আবর্তটি, বেশিতে বিক্রয়ের জন্য ক্রয়ের ব্যাপারটি, সবচেয়ে স্পষ্ট ভাবে দেখা যায় বণিক-পু জির ক্ষেত্রে, কিন্তু গতিক্রমটি সংঘটিত হয় পুরোপুরি সঞ্চলন পরিধির অভ্যন্তবে। যাই হোক, যেহেতু কেবল সঞ্চলন দ্বারাই অর্থের মূলধনে রূপান্তরণকে, উদ্ব-মূল্যের গঠন-প্রক্রিয়াকে ব্যখ্যা করা যায় না, সেই হেতু প্রতীয়মান হবে যে, যত দিন পর্যন্ত সমার্ঘ সামগ্ৰীসমুহের বিনিময় হবে, ততদিন পর্যন্ত বণিক পুজির উদ্ভব অসম্ভব,[২০] প্রতীয়মান হবে বণিক নিজেকে পরগাছার মতে বিক্রয়কারী এবং ক্রয়কারী উৎপাদকে মাঝখানে ঢুকিয়ে দিয়ে তাদের দুজনেরই মাথায় হাত বুলিয়ে যে দ্বিবিধ লাভ হাতিয়ে নেয়, তা থেকেই তার উদ্ভব। এই অর্থেই ফ্রাঙ্কলিন বলেন “যুদ্ধ হচ্ছে লুণ্ঠনবৃত্তি, সাধারণ ভাবে বাণিজ্য হচ্ছে প্রতারণা।”[২১] উৎপাদকের নিছক প্রতারণা করে হাতিয়ে নেওয়া ছাড়া বণিকের অর্থের মূলধনে রূপান্তরণকে যদি অন্য কোনো ভাবে ব্যাখ্যা করতে হয়, তা হলে মধ্যবর্তী পর্যায়াদির এক সুদীর্ঘ ধারাক্রমের প্রয়োজন হবে, যা বর্তমানে যখন সরল পণ্য সঞ্চলনের বিষয়টিই আমাদের একমাত্র আলোচ্য বিষয়, তখন পুরোপুরি অনুপস্থিত।

    বণিক পুজির বেলায় আমরা যা বলেছি তা আরো বেশী করে খাটে মহাজনী পুজির বেলায়। বণিক পুজির বেলায় দুটি চরম বিন্দু, বাজার যে অর্থ ছুড়ে দেওয়া হয় এবং বদ্ধিত যে অর্থ বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয়, এই দুটি অন্ততঃ ক্রয় ও বিক্রয়ের দ্বারা পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত, অন্যভাবে বলা যায় যে সঞ্চলনর গতিক্রম দ্বারা সংযুক্ত। মহাজনী পুজির বেলায় অপ—অ এই রূপটি পর্যবসিত হয় অঅ রূপে তথা মধ্যবর্তী পর্যায়টি ছাড়া দুটি চরম বিন্দুতে, অর্থ বিনিমিত হয় অধিকতর অর্থের জন্য। এটা এমনি একটা রূপ, অর্থের প্রকৃতির সঙ্গে যা সঙ্গতিবিহীন এবং সেই কারণেই থেকে যায় পণ্য-সঞ্চলনের প্রকৃতির দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যার বাইরে। এই জন্যই অ্যারিস্ততল বলেছেন, “যেহেতু ক্রেমাটিষ্টিক একটি দ্বৈত বিজ্ঞান যার এক অংশ বাণিজ্যের অঙ্গীভূত এবং অপরাংশ অর্থতত্ত্বের, আর যেহেতু বাণিজ্য হচ্ছে সঞ্চলনের উপরে ভিত্তিশীল এবং ন্যায্যতই অনুমোদিত, কেননা তা প্রকৃতির উপরে ভিত্তিশীল নয় এবং অর্থতত্ত্ব হচ্ছে প্রয়োজনীয় ও প্রশংসনীয় সেই হেতু কুসীদজীবীকে খুব সঠিক ভাবেই ঘৃণা করা হয়, কেননা স্বয়ং অর্থ ই হচ্ছে তার লাভের উৎস—যে উদ্দেশ্যে অর্থের উদ্ভাবন ঘটেছিল, সেই উদ্দেশ্যে সে তা ব্যবহার করে না। কেননা এর উদ্ভব হয়েছিল পণ্যের বিনিময়ের জন্য, কিন্তু সুদ অর্থ থেকেই অধিকতর অর্থের প্রসব ঘটায়। এই জন্য তার গ্রীক নামের অর্থ সুদ এবং সন্তান। কেননা সন্তান তাদেরই মতো, যারা তাকে জন্ম দিয়েছিল। কিন্তু সুদ হচ্ছে অর্থজাত অর্থ সুতরাং জীবন ধারণের সকল প্রকার বৃত্তির মধ্যে এটাই হচ্ছে সবচেয়ে প্রকৃতি-বিরুদ্ধ।[২২]

    আমাদের অনুসন্ধান-ক্ৰমে আমরা দেখতে পাব যে বণিক-পুজি আর সুদ দায়িনী পুজি দুই-ই হচ্ছে পরোৎপন্ন রূপ এবং সেইসঙ্গে এটাও স্পষ্ট হয়ে যাবে কেন ইতিহাসে মূলধনের আধুনিক প্রমাণ-রূপের আগেই এই দুটি রূপের আবির্ভাব ঘটেছিল।

    আমরা দেখিয়েছি যে সঞ্চলনের দ্বারা উদ্ব-মুল্যের সৃষ্টি হতে পারে না এবং সেই কারণেই তার গঠন-প্রক্রিয়ার পটভূমিকায় কিছু ঘটতেই হবে, যা প্রকাশ্য সঞ্চলনে প্রকাশমান নয়। কিন্তু সঞ্চলন ছাড়া অন্য কোথাও কি উদ্ধত্ত মূল্যের উৎপত্তির কোনো সম্ভাবনা আছে যে সঞ্চলন হচ্ছে পণ্য-মালিকদের পারস্পরিক সম্পর্কসমূহের মোট যোগফল, যতদূর পর্যন্ত সেই সম্পর্কসমূহ পণ্যদ্রব্যাদির দ্বারা নির্ধারিত ততদূর পর্যন্ত? সঞ্চলন ব্যতিরেকে, পণ্যমালিক কেবল তার পণ্যের সঙ্গেই সম্পর্কযুক্ত। মূল্যের ক্ষেত্রে, এই সম্পর্ক এখানেই সীমাবদ্ধ যে, পণ্যটি তার নিজের শ্রমের একটি পরিমাণ ধারণ করে আছে, যে পরিমাণটি একটি নির্দিষ্ট সমাজিক মনের সাহায্যে পরিমেয়। এই পরিমাণটি অভিব্যক্ত হয় উক্ত পণ্যের মূল্যের দ্বারা এবং যেহেতু মূল্যের হিসেব হয় হিসেব রাখার অর্থে, সেইহেতু এই পরিমাণটিও অভিব্যক্ত হয় দামের দ্বারা, যা আমরা ধরে নিচ্ছি £1 বলে। কিন্তু উক্ত পণ্যটির মূল্য এবং সেই মূল্যের অতিরিক্ত উত্ত মূল্য-এই উভয়েই তার শ্রমের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না; ১০-এর দাম, যা এখানে আবার ১১-এরও দাম, সেই দাম কিংবা এমন একটি মূল্য, যা আবার নিজের মূল্য, থেকেও বৃহত্তর সেই মূল্য তার শ্রমের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না। পণ্যের মালিক মূল্য সৃষ্টি করতে পারে, কিন্তু স্বয়ংসম্প্রসারণশীল মূল্য সৃষ্টি করতে পারে না। নতুন এম যুক্ত করে, তথা হাতে যে মূল্য আছে তার সঙ্গে নতুন মূল্য যুক্ত করে, সে তার পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করতে পারে, যেমন চামড়া থেকে জুতো তৈরি করে। সেই একই বস্তুর এখন হল অধিকতর মূল্য, কেননা এখন তা ধারণ করছে অধিকতর পরিমাণ শ্রম। সুতরাং চামড়া থেকে জুতো এখন অধিকতর মূল্যবান তবে চামড়ার মূল্য কিন্তু আগের মত সমানই রয়ে গিয়েছে; তা নিজেকে সম্প্রসারিত করে না, জুতো তৈরির প্রণালীতে উদ্ধৃত্ত মূল্য আত্মসাৎ করে না। অতএব, এটা অসম্ভব যে সঞ্চলন পবিধির, একজন পণ্য উৎপাদনকারী, অন্যান্য পণ্য মালিকদের সংস্পর্শে না এসে, মূল্য সম্প্রসারিত করতে পারে এবং কাজে কাজেই অর্থ বা পণ্যকে মূলধনে রূপান্তরিত করতে পারে;

    সুতরাং সঞ্চলনের দ্বারা মূলধনের সৃষ্টি অসম্ভব, আবার সঞ্চলন থেকে বিচ্ছিন্নভাবে মূলধনের উৎপত্তিও সমান অসম্ভব। সঞ্চলনের মধ্যে এবং সঞ্চলনের বাইরে উভয়তই তার উদ্ভব হতে হবে।

    অতএব আমরা পাচ্ছি একটি দ্বৈত ফলশ্রুতি।

    অর্থের মূলধনে রূপান্তরণকে ব্যাখ্যা করতে হবে পণ্য-বিনিময়ে নিয়ামক নিয়মাবলীর সাহায্যে- ব্যাখা করতে হবে এমনভাবে যে সমার্থ-সামগ্ৰীসমূহের বিনিময়ই হবে যাত্রাবিন্দু।[২৩] আমাদের বন্ধু শ্ৰীটাকার থলিওয়ালা যে এখনো একজন ভ্রূণাবস্থায় পুজিবাদী, সেই টাকার থলিয়ালা’কে তার পণ্যদ্রব্যাদি ক্রয় করতে হবে তাদের মুল্যেই, বিক্রয় করতে হবে তাদের মূল্যেই, কিন্তু তবু তাকে সঞ্চলন থেকে তুলে নিতে হবে সূচনায় সে যতটা মূল্য সঞ্চলনে নিক্ষেপ করেছিল, তার তুলনায় অধিকতর মূল্য। পূর্ণ-পরিণত পুঁজিবাদী হিসেবে তার বিকাশ অবশ্যই ঘটবে সঞ্চলনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে উভয়তঃই। এই হচ্ছে সমস্যাটির পরিস্থিতি। Hic Rhodus, hic salta।

    ————

    ১. “L’echange est une transaction admirable dans laquelle les deux contractants gagnent-toujours (!).” (Destutt de Tracy : ‘Traite de la Volonte et de ses effets, Paris, 1826, p. 68.) পরবর্তীকালে এই বইটি প্রকাশিত হয়েছিল এই নামে। “Traite dEcon, Polit.

    ২. Merrier de la Riviere, lc. p. 544,

    ৩. “Que l’une de ces deux valeurs soit argent, ou qu’elles soient toutes deux marchandises usuelles, rien de plus indifferent en soi.” (“Mercier de la Riviere.” I.c. p. 543)

    8. “Ce ne sont pas les contractants que prononcent sur la valeur; elle est deeidee avant la convention.” (Le Trosne, p. 906)

    ৫, ‘Dove e egualita non e lucro’ ( Galiani Della Moneta. in Custodi, Parte Moderna t. iv p. 244.)

    ৬. “L’echange devient desavantageux pour l’une des parties, lorsque quelque chose etrangere viexd diminuer ou exagerer le pridx alors l’egalite est blesscee, mais la lesion procede de cette cause et non de l’echange” (Le Trosne, 1.c. p. 904).

    ৭. “L’echange est de sa nature un contrat degalite qui se fait de valeui-pour valeur egale. Il nest done pas un moyeu de s’enrichir, puisque liou donne autant que lon recoit.” (Le Trosne, c. p. 903)

    ৮. Condillac : “Le Commerce et la Gouvernement (1776) Edit, Daire et Molinari in the “Melanges d’Econ. Polit.”, Paris 1847, pp 267, 291.

    ৯. লে সনি তার বন্ধু কঁদিলাক-এর উত্তরে সঠিক ভাবেই বলেন, সেই সঙ্গে একটু বিদ্রুপাত্মক ভঙ্গিতে তিনি মন্তব্য করেন, “যদি যে-দুজন ব্যক্তি বিনিময় করে তাদের প্রত্যেকেই একটি সমান পরিমাণের বাবদে বেশি পায় এবং একটি সমান পরিমাণের বাবদে কম দেয়, তা হলে তারা দুজনে একই পায়।” যেহেতু বিনিময়-মূল্যের প্রকৃতি সম্পর্কে কঁদিলাক এর সামান্যতম ধারণাও নেই, সেই হেতু মান্যবর অধ্যাপক রুশার তাকেই বেছে নিয়েছেন তার নিজের বালসুলভ ধারণাগুলির সারবত্তা প্রমাণের জন্য সঠিক ব্যক্তি হিসাবে। দ্রষ্টব্য : Roscher’s Die Grundlagen der Notionalokonomie, Dritte Auflage.”‘ 1858।

    ১০. S. P. Newman, ‘Elements of pollit. Econ. Andover and New York, 1835, p. 175.

    ১১. “উৎপন্ন দ্রব্যের নামীয় মূল্যবৃদ্ধিতে বিক্রেতারা ধনবান হয় না কেননা বিক্রেতা হিসেবে তারা যা পায়, ক্রেতা হিসেবে তা-ই আবার তারা হারায়।” (“The Essential Principles of the Wealth of Nations.” 1797, p. 66.)

    ১২. Si l’on est force de donner pour 18 livers une quantite de de telle preduction qui en valait 24, lorsqu’on employera ce meme argent a acheter, on”aura egalement pour 18 l. ce que l’on payait 24.* (Le Trosne l.c. p: 897 ),

    ১৩. “Chaque vendeur ne peut donc parvenir a rencherir habituelle ment ses marchandises, qu’en se soumettan aussi a payer habituelle ment plus cher les marchandises des autres vendeurs, et par la mome raison, chaque consommateur ne peut payer habituellement moins cher ce qu’il achete, qu’en se soumettant aussi a une diminution semblance sur le prix des choses qu’il” vend. (Mercier de la Riviere, 1 c. p. 555.)।

    ১৪. R. Trrens, “An Essay on the Production of wealth.” Lond 1821, p. 349…

    ১৫. “পরিভোগকারীরা মুনাফা দেয়-এই ধারণা নিশ্চিতভাবেই আজগুবি। পরিভোগকাৱী কারা? ” (G. Ramsay, An Essay on the Distribution of Wealth.” Edinburgh, 1836, p. 183 )

    ১৬. “যখন কোন মানুষের কোন একটি চাহিদার অভাব, তখন কি মিঃ ম্যালথাস তাকে সুপারিশ করবেন যে সে অন্য কাউকে পয়সা দিক, যাতে সে তার জিনিসগুলি নিয়ে যায়?”—রিকার্ডোর এক ক্রদ্ধ শিষ্য ম্যালথাসকে একটি প্রশ্নটি করেছিলেন, যে-ম্যালথাস তার শিষ্য পার্সন চ্যামার্স-এর মত এই সরল ক্রেতা বিক্রেতাদের শ্রেণীটির অর্থনৈতিক ভাবে প্রশস্তি গান করেন। (দ্রষ্টব্য : An Inquiry into those Principles Respecting the Nature of Demand and the Necessity of Consumption, lately advocated by Mr. Malthus,” &c., London, 1421, p. 55 )

    ১৭. Destutt de Tracy কিন্তু Institute-এর সদস্য হওয়া সত্ত্বেও, বা হওয়ার জন্যেই, বিপরীত মত পোষণ করেন। তিনি বলেন, শিল্প ধনিকের মুনাফা করে, কারণ “তারা সকলেই উৎপাদন-ব্যয়ের তুলনায় বেশিতে বিক্রয় করে এবং তারা কাদের কাছে বিক্রী করে? প্রথমেই তাদের পরস্পরের কাছে।” (1c. p. 239)।

    ১৮. “L’echange qui se fait de deux valeurs egales n’augmente ni ne diminue la masse des valeurs subsistantes dans la societe L’echange de deux valeurs inegals… ne change rien non plus a la somme des valeurs sociales, bien qu’il ajoute a la fortune de l’un ce qu’il ote, de la fortune de l’autre.” (J. B. say, 1. c. t, ii, pp. 443, 444. ) এই বিবৃতির ফলাফল কি হতে পারে সেই সম্পর্কে মোটেই মাথা না ঘামিয়ে সে (say) এটাকে প্রায় হুবহু ফিজিওক্র্যাটদের লেখা থেকে উদ্ধৃত করে দিয়েছেন। নিচেকার দৃষ্টান্তটি থেকে বোঝা যায় কিভাবে মশিয়ে সে তার কালে ভুলে যাওয়া ফিজিওক্র্যাটদের লেখাগুলি কাজে লাগিয়ে তার নিজের মূল্য সম্প্রসারিত করেছেন। $5786671 fato Srigo “On n’achete des produits qu’avec des produits” (), c. t. ii, p. 441) ফিজিওক্র্যাটদের লেখায় ছিল এই মূল-রূপে : Les productions ne se paient qu’avec des productions” ( Le Trosne, 1. c. P. 899 )

    ১৯. “বিনিময় উৎপন্ন দ্রব্যে আদৌ কোনো মূল্য সংযোজিত করে না”।

    (F. Wayland : The Elements of Pol. Econ. Boston 1845, p. 169.)

    ২০. অপরিবর্তনী সমার্থসমূহের নিয়মের অধীনে বাণিজ্য হত অসম্ভব। (G. Wpdyke : “A Treatise on Polit. Bconomy,” New York, 1851, pp.66-69) “আসল মূল্য এবং বিনিময় মূল্যের পার্থক্য এই ঘটনাটির উপরে প্রতিষ্ঠিত যে কোন জিনিসের মূল্য বাণিজ্য মাধ্যমে প্রাপ্ত তথাকথিত সমাঘ থেকে আলাদা অর্থাৎ সমার্ঘ আদৌ কোনো সমাঘই নয়।” (F. Engels, l.c. p. 96.)

    ২১. Benjamin Franklin : Works, Vol. ii edit. Sparks in “Posi tions to be examined concerning National Wealth. p. 376.

    ২২. অ্যারিস্ততল, রিপব্লিক।

    ২৩. পূর্ববতী আলোচনা থেকে পাঠক বুঝতে পারবেন যে এই বিবৃতিটির অর্থ কেবল এই যে কোন পণ্যের দাম এবং মূল্য একই হলেও ধুলধনের গঠন সম্ভব, কেননা দাম বা মূল্য থেকে কোনো বিচ্যুতিকে মূলধন গঠনের কারণ হিসাবে নির্দেশ করা যায় না। দাম যদি সত্য সত্যই মূল্য থেকে আলাদা হয়, তা হলে সবার আগে আমাদের দামকে পর্যবসিত করতে হবে মূল্যে, অর্থাৎ পার্থক্যটিকে গণ্য করতে হবে আপতিক হিসাবে যাতে করে ব্যাপারগুলিকে দেখা যায় তাদের স্বরূপে এবং আমাদের অনুসন্ধান যেন ব্যাহত না হয় এমন সমস্ত বিকর ঘটনার দ্বারা যাদের কোনো সম্পর্ক নেই আলোচ্য প্রক্রিয়াটির সঙ্গে। তা ছাড়া, আমরা জানি যে এই ভাবে পর্যবসিত করণ কেবল বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়াই নয়, দামের ঘন-ঘন পরিবর্তন, তাদের বৃদ্ধি ও হ্রাস পরস্পরের ক্ষতিপূরণ করে এবং তাদেরকে একটি গড়পড়তা দামে পর্যবসিত করে, যে দামটি হচ্ছে তাদের প্রচ্ছন্ন নিয়ামক। যে সব উদ্যোগ সময়সাপেক্ষ, সে সবের ক্ষেত্রে বণিক ও শিল্প-মালিকেরা এই দামটিকেই পথ-প্রদর্শক নক্ষত্র হিসাবে গণ্য করে। সে জানে, যখন কোন পণ্যের দীর্ঘ সময়ের দরকার হয়, তখন তা তার গড়পড়তা দামেই বিক্রি হয়, বেশিতেও নয়, কমেও নয়। সুতরাং সে যদি সমস্যাটিতে একটুও মাথা ঘামাত, তা হলে সে মূলধনের গঠনকে এই ভাবে সুত্রায়িত করত: গড়পড়তা দামের দ্বারা শেষ পর্যন্ত পণ্যের মূল্যের দ্বারা দাম নির্ধারিত হয়-এটা ধরে নিলে মূলধনের উৎপত্তিকে আমরা কিভাবে ব্যাখ্যা করতে পারি? আমি বলছি “শেষ পর্যন্ত” কেননা গড়পড়তা দাম প্রত্যক্ষ ভাবে পণ্যের মূল্যের সঙ্গে সম-সংঘটিত হয় না যদিও অ্যাডাম স্মিথ প্রমুখ অর্থনীতিবিদের তাই বিশ্বাস করতেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার – কার্ল মার্ক্স / ফ্রেডারিক এঙ্গেলস
    Next Article শাহজাদা দারাশুকো – কালিকারঞ্জন কানুনগো

    Related Articles

    কার্ল মার্ক্স

    কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার – কার্ল মার্ক্স / ফ্রেডারিক এঙ্গেলস

    July 26, 2025
    কার্ল মার্ক্স

    ইহুদি প্রশ্নে – কার্ল মার্কস

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }