Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প142 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্রন্দসী প্রিয়া – ৫

    ৫

    দোকানে কয়েকদিন ধরে অবসর সময়ে সেলিনাকে একটা চিঠি লিখলাম— সেলিনা,

    এই চিঠি পড়ে তুমি যদি আমাকে ঘৃণা করে ও কাপুরুষ ভেবে তোমার মন থেকে দূরে সরিয়ে দাও, তাহলে আমি অত্যন্ত খুশী হয়ে আল্লাহপাকের দরবারে শুকরিয়া আদায় করব। অনেক চিন্তা করে দেখেছি, তোমাকে বিয়ে করা আমার পক্ষে একেবারেই অসম্ভব। আমার স্ত্রীর ভালবাসাকে অপমান করে তোমাকে বিয়ে করতে পারব না। তোমাকে বিয়ে করলে আমি, আমার স্ত্রী ও তুমি, তিনজনেই সারাজীবন অশান্তির আগুনে জ্বলব। মেয়ে হয়ে তুমি নিশ্চয় জান, মেয়েরা সবকিছু। দিতে পারে; কিন্তু স্বামীর ভাগ কিছুতেই দিতে চায় না। তাছাড়া এই বিয়ে হলে তোমার সব গার্জেন তোমার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। বিয়ের প্র হয়তো তোমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেবে। তুমিই বল, তোমাকে তখন আমি রাখব কোথায়? নিজের বাসাতে নিয়ে আসা সম্ভব নয়; আর বাসা ভাড়া করে অন্য জায়গায় রাখা আমার পক্ষে সম্ভব হলেও আমি তা পারব না। এই কয়েকদিনের মধ্যে বুঝেছি তুমি বড় একরোখা। যা মনে আসে তাই কর। একরোখা স্বভাবটা ভাল, তবে সবক্ষেত্রে নয়। তোমার বয়স কম, দুনিয়াদারীর অভিজ্ঞতাও কম। সংসার এমন জটিল জায়গা যে, সেখানে সব ক্ষেত্রে একরোখা ভাবে চললে বহু ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। যা সারাজীবনেও পুরণ করা যায় না। আমি স্বীকার করছি, তুমি নিষ্কলুসভাবে আমাকে ভালবাস। তাই বলে আমাকে বিয়ে করতে হবে এমন কথা ভাবছ কেন? অন্য যে কোনো সম্পর্কে আমরা আবদ্ধ হতে পারি। তুমি ধনী ঘরের মেয়ে। তোমার চাল-চলন, খাওয়া-দাওয়া, পোষাক-পরিচ্ছদ সবকিছু আমাদের সঙ্গে আকাশ পাতাল তফাৎ। তুমি লেখাপড়া করেছ, তোমার একরোখা ভাবটা দূরে সরিয়ে নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে চিন্তা করে দেখ, আমি তোমার ভাল চাই, না মন্দ চাই? যদি জানতে চাও আমি তোমাকে ভালবাসি কি-না? তার উত্তরে বলব, তোমার মত মেয়ে আমি জীবনে দেখিনি। উপন্যাসের নায়িকাদেরকেও তুমি হার মানিয়েছ।
    বিয়ের আগে কোনো মেয়েকে ভালবাসার সৌভাগ্য আমার হয়নি। বিয়ের পর, নিজের স্ত্রীকে মনে প্রাণে ভালবেসেছি। কিন্তু এই কয়েকদিনের মধ্যে তুমিও আমার অন্তরে কিছুটা জায়গা দখল করে নিয়েছ। এটা হয়তো নিয়তির একটা নির্মম পরিহাস। তোমাকে কিছুটা ভালবেসে ফেলেছি বলে আন্তরিকভাবে তোমার ভালো চাই। আমার সঙ্গে তোমাকে জড়ালে আমার ভালবাসাকে বিষপান করান হবে। তাই তোমাকে সিদ্ধান্ত বদলাতে হবে। ভালবাসার খাতিরে তোমার কিসে ভালো হবে আমি যেমন চিন্তা করছি, তুমিও তো আমাকে ভালবেসেছ, তোমারও কী চিন্তা করা উচিত না, কিসে আমার ভালো হবে? এই সমস্ত কারণে তোমাকে তোমার একগুয়েমী জিদ ছাড়তে হবে। জানি, তুমি এই চিঠি পড়ে কাঁদবে, তবু লিখলাম। ফারণ না লিখে আমার আর কোনো উপায় নেই। সবশেষে আর একটা কথা বলি, আমাকে যদি তুমি সত্যিই ভালবেসে থাক, তবে যা মনে আসে তা করো, কিন্তু আত্মঘাতিনী হয়ো না। এটা তোমার প্রেমের কসম। কেন না যারা আত্মহত্যা করে, তারা চির জাহান্নামী। আমি চাই না, আমার কারণে তুমি আত্মঘাতী হও।
    আশা করি, চিঠিটা ধৈৰ্য্য ধরে পড়ে ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করে আমাকে ভুলে যেতে চেষ্টা করবে এবং আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেবে।
    ইতি—

    চিঠিটা শেষ করে দোকানে আমার নিজস্ব ড্রয়ারে চাবি দিয়ে রাখলাম। প্রায় দশ বার দিন পর একদিন আমি জোহরের নামায পড়ার জন্য মার্কেটের ভিতরের মসজিদে যাওয়ার পথে সেলিনাদের ড্রাইভারের সাথে দেখা। সে আমাকে একটা ছোট কাগজ দিয়ে বলল, খুকীভাই গেটের বাঁ দিকে গাড়িতে বসে আছে। কথা শেষ করে ড্রাইভার চলে গেল। আমি কাগজটা পকেটে রেখে অযু করে নামায পড়লাম। তারপর মসজিদ থেকে বের হয়ে কাগজটা পড়লাম

    সালামান্তে আপনার কাছে আরজ, এক্ষুনি আমার সঙ্গে দেখা করবেন।
    ইতি–
    আপনার সেলিনা

    দোকানে এসে ড্রয়ার থেকে চিঠিটা নিয়ে গাড়ির কাছে গিয়ে সালাম বিনিময়। করলাম তারপর চিঠিটা সেলিনার হাতে দিয়ে বললাম, সোজা বাড়ি চলে যাও।

    আমাকে দেখে তার চোখে মুখে আনন্দের ঢেউ উঠেছিল; কিন্তু আমার কথা শুনে তা ম্লান হয়ে গেল। তাকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে আমি দোকানে। ফিরে আসি।

    এরপর প্রায় এক মাস সেলিনা আমার সঙ্গে দেখা করেনি। তাতে করে মনটা বেশ হালকা হয়ে এল। ভাবলাম, চিঠিটা পড়ে হয়তো আমাকে কাপুরুষ ভেবে ভুলে যেতে চেষ্টা করছে।

    সাহেবদের গাড়ি খারাপ থাকায় স্কুটারে করে তীতুমীর কলেজে একদিন বেলা দশটার সময় বই সাপ্লাইয়ের বিল আদায় করার জন্য যাচ্ছিলাম। মহাখালির রেল ক্রসিং পার হওয়ার আগে ট্রেন আসছিল বলে গেট বন্ধ ছিল। থামার সময় স্কুটারের স্টার্ট বন্ধ হয়ে গেল। গেট খুলে যাওয়ার পর আর স্টার্ট নিল না। তখন ড্রাইভার একটা রিকশা ঠিক করে দিল। রিকশা যখন মহাখালির দিকে বাঁক নেবে, ঠিক সেই সময় একটা প্রাইভেট কারকে আমার রিকশার দিকে দ্রুত আসতে দেখে খুব ভয় পেলাম। মনে হয়েছিল ভীষণ এ্যাকসিডেন্ট হবে। কিন্তু যখন গাড়িটা নিরাপদ দুরত্বে দাঁড়িয়ে গেল তখন স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়ল। তবু ড্রাইভারের উপর খুব রাগ হওয়ায় তাকিয়ে দেখি, সেলিনাদের গাড়ি। পিছনের সীট থেকে সে আমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

    রিকশাওয়ালা ড্রাইভারের সঙ্গে ঝগড়া করতে উদ্যত হলে, তাকে থামিয়ে তার ভাড়া দিয়ে বললাম, ঝগড়া করে কাজ নেই। তারপর গাড়ির কাছে যেতে সেলিনা দরজা খুলে সালাম দিয়ে বলল, উঠে আসুন।

    আমি সালামের জওয়াব দিয়ে গাড়িতে উঠে বললাম, তীতুমীর কলেজে যাব। ড্রাইভার তা শুনতে পেয়ে গাড়ি ছেড়ে দিল। কলেজে পৌঁছে আমি একাই ভিতরে গেলাম। কাজ সেরে ফিরে এসে গাড়িতে বসার পর সেলিনা বলল, দাদু কন্টিনেন্টাল (বর্তমানে শেরাটন) হোটেলে চলুন।

    দাদু গাড়ি ছেড়ে দেওয়ার পর বললাম, এখন কোথাও যেতে পারব না। আমাকে দোকানে যেতে হবে। গাড়ি যখন ক্যন্টনমেন্টের গেট পার হয়ে পুরান এয়ারপোর্টের কাছে এল তখন সেলিনা দাদুকে বলল, বাঁদিকের ঐ হোটেলটার সামনে রাখুন।

    গাড়ি থামার পর নামার সময় জিজ্ঞেস করলাম, কোথা থেকে আসা হচ্ছে?

    টুঙ্গী থেকে। খালার সঙ্গে তার দেওরের বাড়ি গিয়েছিলাম। উনি কুর্মিটোলা, এয়ারপোর্টে কন্ট্রাকটারী করেন। সেখানে একটা বাড়ি করে স্বপরিবারে থাকেন। আমরা কেবিনে গিয়ে বসলাম। সেলিনা বলল, খালাআম্মা নাস্তা করে আসতে বলেছিল। অত সকালে আমি কিছু খেতে পারি না, তাই চা বিস্কুট খেয়ে এসেছি। এখন নাস্তা করব বলে বেয়ারাকে দুপ্লেট মুরগীর মাংস ও পরোটার অর্ডার দিল।

    বললাম, আমি কিছু খাব না, নাস্তা খেয়েছি।

    আপনি না খেলে আমিও কিছু খাব না। আমার জন্য না হয় অল্প কিছু খান। বেয়ারাকে মুরগীর মাংস ও পরোটার বদলে দুটো করে বড় মিষ্টি ও স্লাইস রুটি দিতে বলল।

    নাস্তা শেষে চা খেতে খেতে বলল, জানেন, আপনার চিঠি পড়ে কোনো কাজ হয়নি। বরং আপনাকে আরও বেশি ভালবেসে ফেলেছি। মনে হয়েছে আমাকে কাঁদাবার জন্য আর পরীক্ষা করার জন্য এই চিঠি দিয়েছেন। চিঠিটা পড়ার সময়। আল্লামা ইকবালের একটা বয়েত আমার মনে পড়ে

    জফা জো ইস্কমে হোতা হ্যায়
    ওহ জফাহি নেহী,
    সিতম না হো তো মহব্বত মে
    কুছ মজা হি নেহী।

    আমি ইডেন কলেজে পড়ি। অতএব আপনি সারাদিন আমার কাছেই থাকেন। যখন মন চায়, ক্লাসের অফ পিরীয়ডে মার্কেটে গিয়ে দূর থেকে আপনাকে দেখে আসি। আপনি যে এই রকম, চিঠি দেবেন। তা অনেক আগেই জানতাম। আমার প্রেম আপনার মনের সকল খবর বলে দেয়।

    সেলিনার কথা শুনে খুব আশ্বৰ্য্য হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, এখন আমি কি ভাবছি বল তো?

    সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল, ঐ চিঠি লেখার সময় যা ভেবেছিলেন, এখনও তাই ভাবছেন।

    আরও বেশি আশ্বৰ্য্য বোধ করে আবার জিজ্ঞেস করলাম, সেটা কী?

    কেন, আপনি কী ঐ চিঠি লেখার সময় ভাবেন নি? এই চিঠিতে যদি কাজ না : হয়, তবে আরও একটা চিঠিতে জঘন্যতর কিছু লিখে আমার মনে ঘৃণা তৈরি করার চেষ্টা করবেন। এখনও আপনি সেই কথা ভাবছেন। কী? আমি সত্য বললাম কিনা বলুন?

    আশ্চর্য ক্রমশঃ বেড়েই চলল। বললাম, তুমি নিশ্চয় সাইকোলজী ও এ্যাসট্রোলজীর অনেক বই পড়েছ?

    আমি ঐ সব কিছুই পড়িনি। আমার প্রেম আমাকে সবকিছু জানিয়ে দেয়। বলুন না, আমার কথা ঠিক কিনা?

    স্বীকার করে বললাম, চল, দেরি হয়ে যাচ্ছে। আমি ড্রাইভারের পাশে বসলাম। মাথার মধ্যে তখন সেলিনার চিন্তা শক্তির কথা ঘুরপাক খাচ্ছে।মনে হল। তার কাছে সব দিক থেকে হেরে যাচ্ছি। কিন্তু কেন? তবে কি সেলিনার গভীর প্রেম এর জন্য দায়ী? না আমিও তাকে গভীরভাবে ভালবেসে ফেলছি? আমি যখন, ঐসব ভাবছি তখন সেলিনা ড্রাইভার দাদুকে বলল, ওঁকে নিউ মার্কেটে নামিয়ে দিয়ে বাসায় চলুন।

    তারপর প্রায় তিন মাস হয়ে গেল এর মধ্যে তেমন কিছু ঘটেনি। মাঝে মাঝে সেলিনা দোকানে এসে বই কিনে নিয়ে গেছে।

    একদিন এসে বলল, আমাকে কয়েকটা ধর্মীয় বই দিন।

    আমি মাওলানা আসরাফ আলি থানভীর (রা:) এর কুরআনের তফসীর ও গোলাম মোস্তফার বিশ্বনবী দিলাম। সেলিনা দুটোই কিনল। সে যখন দোকানে। আসত তখন আমি তাকে আপনি বলে সম্বোধন করতাম, আর তার মুখের দিকে মোটেই তাকাতাম না।কারণ হঠাৎ করে যদি কিছু বলে বসে। তবে তাকে দেখার খুব ইচ্ছা হত। ইচ্ছাটাকে কঠোরভাবে দমন করে রাখতাম।

    একদিন কাউন্টারের উপর বই দেখতে দেখতে ঝুকে মাথা নিচু করে আস্তে আস্তে বলল,প্রতিজ্ঞা করেছেন বুঝি আমার মুখ দেখবেনা না? আমার কাছ থেকে উত্তর না পেয়ে আবার বলল, আমাকে আপনি বাইরের চোখে না দেখলে কি হবে, অন্তরের চোখে সব সময় দেখেন। তাই বাইরের দৃষ্টিকে সংযত রাখতে পেরেছেন। একটা কথাও বলবেন না? শেষের কথাটা কান্নার মত, শোনাল।

    আমি তার মুখের দিকে তাকিয়ে হাতের বইটি দেখিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, নেবেন?

    ছলছল চোখে সেলিনা বলল, হ্যাঁ।

    আমি বইটা মেমো করে তার পিছনে লিখলাম, তোমার হাতের বইটি তো। তোমার সঙ্গে কথা বলছে না, কিন্তু তুমি ইচ্ছা করলে ওটা থেতে অনেক কিছু। জানতে পার। তারপর মেমোটা তার হাতে দিলাম।

    কিছু না বলে মেমো ও বইটা নিয়ে সেলিনা চলে গেল।

    এই ঘটনার কিছুদিন পর ড্রাইভার একদিন আমাকে একটা বড় খাম দিয়ে গেল। দুপুরে খাওয়ার পর খুলে দেখি বেশ বড় চিঠি পড়তে শুরু করলাম—

    প্রিয়তম,
    প্রথমে এই দীনহীনার শতকোটি সালাম নেবেন। আশা করি, পরম করুণাময় আল্লাহপাকের রহমতে আপনি ও আপামনি ছেলেমেয়েসহ ভালো আছেন। এই চিঠি পড়ে আপনি আমাকে হয়তো স্বার্থপুর ভেবে গৃণা করবেন। তবু আপনাকে আমার ইতিহাস বলা দরকার, তাই লিখছি। এর আগে অনেকবার বলতে ইচ্ছা হয়েছে, কিন্তু এতকথা শোনার সময় আপনার ছিল না, তাই বলিনি।
    আমাদের আসল বাড়ি সিলেট শহরে। আব্বা পিতা-মাতার একমাত্র সন্তান। দাদুর আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছল ছিল। ছোট বেলা থেকে আব্বা খুব মেধাবী ছিলেন। স্কুল কলেজে সব সময় প্রথম সারিতে স্থান পেয়েছেন। উনি যখন ডিগ্রীতে পড়েন। তখন তার ফুপাতো বোনের সঙ্গে মন দেওয়া নেওয়া হয়। দুজনে একই কলেজে পড়তেন। আব্বা যখন ফাইনাল ইয়ারে আম্মা তখন ইন্টারমিডিয়েটে। আমাদের বাড়ির কাছে আব্বার ফুপার বাড়ি। মেয়েকে ভর্তি করে এসে উনি আব্বাকে বললেন, তুমি সময় করে আমার মেয়ে আয়েশাকে পড়াশুনার ব্যাপারে একট সাহায্য করো। তারপর থেকে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠে। এই ব্যাপারটা উভয় ফ্যামিলির সবাই জানত। আব্বা যখন ব্যারিষ্টারী, পড়ার জন্য বিলেতে যেতে চাইলেন তখন দাদু বললেন, এত টাকা আমার নেই। তারচেয়ে তুমি বরং এল, এল, বি পাশ করে ঢাকায় প্রাকটীস কর। কথাটা আব্বার ফুপার কানে যায়। তাদের অবস্থা খুব ভালো। কিসের যেন ব্যবসা ছিল। একদিন তিনি এসে দাদুকে বললেন, মিঞা ভাই, আমার মেয়ে আয়েশার সঙ্গে বিয়ে দিয়ে মাঈনুলকে আর্মি রিলেত পাঠাব। আশা করি, আপনি দ্বিমত করবেন না। দাদু এই প্রস্তাবে সম্মতি দেন। আর আব্বার কথাই তো আলাদা। বিয়ের তিন মাস পর আব্বা বিলেত চলে যান। আম্মাও পরের বছর ইন্টারমিডিয়েট পাশ করে আব্বার কাছে চলে যায়। ব্যারিষ্টারী পাশ করে আব্বা সেখানে প্র্যাকটীস শুরু করেন। আর আম্মাও গ্রাজুয়েসন নিয়ে একটা নার্সারী স্কুলে মাষ্টারী করত। আমাদের দুই বোনের জন্ম লন্ডনে। আমি সেখানে প্রায় দশ বছর বয়স পর্যন্ত পড়াশোনা করি। দাদু মারা যাওয়ার খবর পেয়ে আব্বা আমাদের সবাইকে নিয়ে দেশে ফিরে আসেন। তারপর ঢাকায় হাইকোর্টে ওকালতি করতে থাকেন। বছর দুইয়েকের মধ্যে মালিবাগে জায়গা কিনে এই বাড়িটা করেন। বিলেত থেকে আসার সময় এই গাড়িটাও আনেন। আব্বা আমাকে বেশি আদর করতেন। যখন যা চেয়েছি তাই পেয়েছি। আমাদের কোনো ভাই নেই। আব্বা আমাদের দুই বোনের নামে এক লাখ টাকা ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট রাখেন। উনি মারা যাবেন বলে হয়তো উইলও করে গেছেন। ব্যাংকের টাকা বিয়ের পর আমরা দুবোন স্বত্ত্বাধিকারী হব। তার আগে নয়। বাড়িটা আম্মার নামে হেবানামা করে গেছেন। আম্মা যত দিন বেঁচে থাকবে ততদিন আমরা এই বাড়িতে কোনো দাবী করতে পারব না। আম্মার মৃত্যুর পর আমরা দুবোন পাব। আম্মা ইচ্ছা করলে বাড়ি বিক্রী অথবা দানপত্র কোনোটাই করতে পারবে না। বাড়ির আয় থেকে প্রতি মাসে আমারা দুবোন প্রত্যেকে হাত খরচ বাবদ দুইশত টাকা পাই।
    বিলেত থেকে এসে আমরা কিছুদিন দেশের বাড়িতে ছিলাম। আব্বা একা ঢাকায় থাকতেন। সেই সময় আম্মা দাদির সঙ্গে যুক্তি করে আব্বাকে না জানিয়ে তার বড় ভাইয়ের ছেলে সহিদের সঙ্গে আমার বিয়ে দিয়ে দেয়। তখন আমার বয়স। এগার বছর হবে। বিয়ে কি জিনিস আমি তখন জানতাম না। তবে কেমন যেন একটু কৌতূহল হয়েছিল। কানাঘুসো শুনেছিলাম, আব্বা বাড়িতে এলে খুব গোলমাল হবে। সে সব অনেকদিন আগের কথা; তবু কিছু কিছু মনে আছে! আব্বা ঢাকায় বাসা ভাড়া ঠিক করে আমাদেরকে নিয়ে যেতে আসলেন। রাত্রে খাওয়ার পর আব্বা দাদির ঘরে গেলেন। আমিও আব্বার সঙ্গে ছিলাম। দাদি আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, খুকীর বিয়ে আমি তোমার বড় সমন্ধির ছেলে সহিদের সঙ্গে দিয়েছি।
    কথাটা শুনে আব্বা চমকে উঠলেন। অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, আমাকে না জানিয়ে এই কাজ করা ঠিক হযনি। তারপর দাদির ঘর থেকে আব্বা যখন নিজের ঘরে এলেন তখন আম্মা আব্বার পায়ে ধরে বলল, এই কাজ তোমাকে না জানিয়ে করে মস্ত বড় অন্যায় করেছি। তুমি আমাকে। ক্ষমা করে দাও।
    আব্বা ভিজে গলায় বললেন, আমাদের কোনো পুত্র সন্তান নেই। খুকীকে বেশি লেখাপড়া করার জন্য বিলেত পাঠাব বলে ভেবে রেখেছিলাম। সে আশা তুমি ভেঙ্গে চুরমার করে দিলে। তোমাকে আর কি বলব, সবই তকদিরের লিখন।
    আম্মা বলল, সহিদ খুব মেধাবী। এ বছর ম্যাট্রিক দেবে। তারপর তাকে আমাদের কাছে রেখে মানুষ করব। ওদের দুজনের যাতে পড়াশোনার ক্ষতি না হয়, সেই রকম ব্যবস্থা করে আমাদের মত ওদেরকেও বিলেত পাঠাব।
    আব্বা বললেন, ম্যান প্রপোজেস গড ডিসপোজেস। যেমন আমি ভেবে ছিলাম এক আর হয়ে গেল এক। জানি না, তোমার ইচ্ছা কতদূর সফল হবে। তারপর আর তেমন কিছু ঘটল না।
    কয়েকদিন পর আমাদের সকলকে নিয়ে আব্বা ঢাকায় চলে আসেন। দাদিকে সঙ্গে করে নিয়ে আসতে চাইলে উনি বললেন, আমি আমার স্বামীর ভিটে ছেড়ে কোথাও যাব না।
    পরের বছর আমি অষ্টম শ্রেণীতে উঠলাম। এদিকে সহিদ ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিয়ে বাড়িতেই ছিল। আম্মা চিঠি দিয়ে ঢাকায় ডেকে পাঠায়। আল্লাহপাকের ইচ্ছা অন্য রকম। তাই সহিদ যেদিন ঢাকায় আসবে বলে ঠিক করেছিল, তার আগের দিন। রাত্রে হঠাৎ কলেরা হয়ে মারা যায়। ট্রাংকলে খবর পেয়ে আব্বা আমাদের সবাইকে নিয়ে সিলেটে যান। আম্মার সেকি কান্না। সকলের কান্না দেখে আমিও কেঁদেছিলাম। আব্বা আমাদের রেখে পরের দিন প্লেনে ঢাকায় চলে আসেন। কারণ তখন তার একটা মাডার কেসের হিয়ারিং চলছিল। সহিদের কুলখানি হয়ে যাওয়ার পর যে দিন আমরা ঢাকায় চলে আসব, সেদিন আম্মাকে দাদির সঙ্গে কথা বলছে। দেখে আমি দরজার আড়ালে গিয়ে দাঁড়ালাম। শুনতে পেলাম আম্মা দাদিকে বলছে, আমি সহিদের ভাই জহিরের সঙ্গে আবার খুকীর বিয়ে দেব। দাদি বললেন, সে দেখা যাবে। এব্যাপারে কোনো কথা এখন উচ্চারণ কর না। ঢাকায় আসার সময় আম্মা দাদিকে বলল, জহিরকে মাঝে মাঝে আমাদের কাছে পাঠাবেন। দাদি কোনো কথা বলেন নি। এরপর আমি আর দেশের বাড়িতে যাইনি,। আব্বা বোধ হয় কিছু বুঝতে পেরেছিলেন, তাই আম্মা যখন দাদির কাছে দেশের বাড়ি যেত তখন আমাকে যেতে দিতেন না। আব্বা আমাকে বেশি ভাল বাসতেন। চিঠি খুব বড় হয়ে যাচ্ছে; কিন্তু সব কথা না জানিয়েও শান্তি পাচ্ছি না। সে জন্য মাফ চাইছি।
    অষ্টম শ্রেণীর ফাইনাল পরীক্ষা যেদিন শেষ হল, সেদিন আমরা ভাড়া বাসা ছেড়ে আমাদের এই নতুন বাড়িতে আসি। কয়েকদিন পর জহির ভাই আমাদের বাড়ি বেড়াতে আসে। রাত্রে খাওয়া দাওয়ার পর সবাই ঘুমাতে গেল। আমি প্রতি দিনের মতো আব্বার চেম্বারে তার পাশের চেয়ারে বসলাম। একটা কেসের ব্যাপারে উনি খুব ব্যস্ত ছিলেন, তাই আমার সঙ্গে কোনো কথা বলেন নি। আমি চেয়ারেই ঘুমিয়ে পড়ি। আব্বার ডাকে ঘুম ভেঙ্গে যেতে নিজের রুমে গিয়ে ঘুমাই। তখন গ্রীষ্মকাল। অনেক রাত্রে কার গরম নিশ্বাস মুখের উপর পড়তে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। দেখলাম, কে যেন আমার মুখের উপর ঝুঁকে আছে। প্রথমে আমি খুব ভয় পেয়ে যাই। মাথার কাছে বেড সুইচ টিপে আলো জ্বালতে দেখি, জহির ভাই। ততক্ষণে সে খাটের উপর আমার পাশে বসেছে। আমিও উঠে বসে বললাম, জহির ভাই, তুমি এত রাতে এখানে কেন?
    সে আমার কথার উত্তর না দিয়ে বলল, আলো নিভিয়ে দাও।
    আমি বললাম না, তুমি আগে চলে যাও।
    জহির ভাই বলল, আমি কেন এসেছি, তুমি কি বোঝনি?
    আমি কিছু বুঝতে না পেরে বললাম, তুমি কি বলতে চাইছ? (কারণ সেক্স সমন্ধে আমার তখনও কোনো জ্ঞান হয়নি।)
    সে তখন নিজে আলো নিভিয়ে দিয়ে বলল, তোমার সঙ্গে তো কিছু দিন পরে আমার বিয়ে হবে। তাই একটু আনন্দ করতে এসেছি। তারপর আমাকে জড়িয়ে ধরতে এল। আমি তখন খাট থেকে নেমে ছুটে বেরিয়ে গিয়ে আম্মার দরজায় ধাক্কা দিতে থাকি। প্রথমে আব্বা দরজা খুলে আমাকে দেখে বললেন, কি হয়েছে মা? তুই অমন করসি কেন? ততক্ষণে আম্মাও বেরিয়ে এসেছে। আমি বললাম, আপনার কাছ থেকে এসে ঘুমের ঘোরে দরজা না লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। তারপর যা ঘটেছিল সব কথা বললাম।
    আম্মা আমার ঘর থেকে জহির ভাইকে ডেকে এনে তার ঘরে পৌঁছে দিয়ে এসে আমাকে বলল, তুমি দরজা লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়।
    পরের দিন ভোরে এক টুকরো কাগজে, আমি বাড়ি চলে যাচ্ছি এই কথা লিখে রেখে জহির ভাই চলে যায়। এরপর প্রায় দু বছর পর্যন্ত তার সঙ্গে আমার দেখা হয়নি। আব্বা মারা যাওয়ার পর তার কুলখানির সময় আমরা সকলে দেশের বাড়িতে যাই। সেই সময় দাদি জহির ভাই এর সঙ্গে বিয়ের কথা বলে আমার মতামত জানতে চান। বিয়ের কথা শুনে ধক করে মনের পর্দায় আপনার ছবি ভেসে উঠে। বললাম, আমি কলেজে পড়ব, এখন বিয়ে করব না। তার সঙ্গে বিয়ে দিলে বিষ খেয়ে মরব। সেই বছর আমি ম্যাট্রিক পাশ করি।
    ওখানে গিয়ে জুহির ভাইয়ের নারী ঘটিত কুকীর্তির কথা অনেক শুনলাম। বড় মামার শুধু দুই ছেলে। সহিদ মারা যাওয়ার পর জহির ভাই আদর পেয়ে চরিত্রহীন হয়ে পড়ে। সেইজন্য বড় মামা তাড়াতাড়ি আমার সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়ার জন্য আম্মাকে বলেন। দাদির কাছ থেকে আমার অমতের কথা শুনে আম্মা রেগে গিয়ে আমাকে প্রথমে খুব বকাবকি করে। পরে বুঝিয়ে বলে, জহির বাপ-মার এক ছেলে। ওদের অনেক সম্পত্তি, সবই তোর হবে। তাছাড়া অন্য ছেলের সঙ্গে তোর বিয়ে হলে সে কি আর আমাদেরকে জহিরের মত দেখাশুনা করবে? আমি বললাম, এখন আমি বিয়ে করব না। দরকার হলে চিরকুমারী থেকে চাকরি করে তোমাদের দেখাশুনা করব। তখন পর্যন্ত ব্যাংকের টাকা ও উইলের কথা জানতাম না। মাত্র মাস খানেক আগে মেজ মামার কাছ থেকে জেনেছি। আর যদি তোমরা আমাকে জোর করে বিয়ে দাও তবে তার পরিণতির জন্য তোমরাই দায়ী হবে। দাদি আম্মাকে বললেন, ওকে এখন বিয়ে করার জন্য বেশি চাপ দিও না। তদিরে থাকলে একাজ হবে। তারপর আমরা ঢাকার বাড়িতে চলে আসি। সেই থেকে আম্মা জহির ভাইকে বিয়ে করার জন্য মাঝে মাঝে আমাকে বোঝাত। কিন্ত ইদানিং আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হতে দেখে তাকে বিয়ে করার জন্য খুব বেশি চাপ দিচ্ছে। আমিও স্পষ্ট বলে দিয়েছি, বেশি চাপা চাপি করলে আত্মহত্যা করব।
    আমাদের চারতলা বাড়ির উপরের তলা ছাড়া সব ভাড়া দেওয়া আছে। আব্বা নিজে গাড়ি চালাতেন। তিনিই আমাকে ড্রাইভিং শিখিয়েছেন। তিনি মারা যাওয়ার পর বড় মামা তার এক গরিব আত্মীয়কে অর্থাৎ এই দাদুকে ঠিক করে দেন। উনি খুব ভালো লোক। আমাদের সংসারের যাবতীয় কাজ দেখাশোনা করেন। আপনার সঙ্গে মেলামেশা করি বলে আপনার উপর খুব রাগ। তবে তা কোনোদিন প্রকাশ করেন না। শুধু একদিন বলেছিলেন, খুকি ভাই, তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করি, এত রাজপুত্র থাকতে তুমি একজন দোকানের কর্মচারীর পিছনে ছুটছ কেন?
    আমি বলেছিলাম, আপনি যাদের রাজপুত্র বলে জানেন, তাদের চেয়ে দোকানের ঐ সামান্য কর্মচারী চরিত্রের দিক দিয়ে অসামান্য। রাজপুত্ররা প্রায় সবাই চরিত্রহীন। তারা নারীকে প্রেম দিতে জানে না। জানে শুধু অত্যাচার করে নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করতে। নারীকে তারা ভোগের সামগ্রী মনে করে।
    তারপর থেকে আপনার বিষয়ে আর কোনো দিন কোনো কথা বলেন নি। লেখায় অনেক ভুল-ত্রুটি হয়েছে। সে জন্য ক্ষমা চাইছি। আল্লাহপাকের দরবারে আপনাদের সর্বাঙ্গীন কুশল কামনা করে শেষ করছি।
    ইতি
    হতভাগী সেলিনা

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }