Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প142 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্রন্দসী প্রিয়া – ৯

    ৯

    কোর্ট ম্যারেজ এপ্লিকেশনের তিনমাস পর একদিন বেলা দশটার সময় সেলিনা ফোন করে বলল, আগামীকাল আমাদের কোর্ট ম্যারেজ ডেট। সকাল আটটায় মেজ মামা বাসায় যেতে বলেছেন।

    কথাটা শুনে মনের মধ্যে ভয়মিশ্রিত আনন্দ অনুভব করলাম। কোনো কথা না। বলে চুপ করে রইলাম।

    কি হল? চুপ করে আছ কেন?

    সামলে নিয়ে বললাম, তুমি বলছ, আমি শুনছি। মহারাণীর আদেশ শিরোধার্য্য।

    সেলিনা বলল, সাহেবের ও আপামনির কাছ থেকে কয়েকদিনের ছুটি নেবে।

    ভাবলাম, আমাকে একান্ত করে পাওয়ার জন্য খুব অস্থির হয়ে পড়েছে। জিজ্ঞেস করলাম, মহারাণীর আর কোনো আদেশ আছে?

    মহারাণীর আদেশ নয়, দাসীর আর একটা অনুরোধ, আজ বেলা দুটোর সময় ফেব্রিক্স হাউসের সামনে একটু আসবে। আমি দুএকটা জিনিস কিনব।

    বললাম, তথাস্তু।

    সেলিনা সালাম দিয়ে ফোন ছেড়ে দিল।

    নিউমার্কেটের রূপালী ব্যাংক থেকে কিছু টাকা তুললাম। দুপুরে সাহেবকে ফোন করে একসপ্তাহের ছুটি চাইতে তিন দিনের ছুটি মঞ্জুর করলেন।

    বেলা দুটোর সময় ফেব্রিক্স হাউসের সামনের বারান্দায় গিয়ে দাঁড়িয়েছি, এমন সময় সেলিনাকে আসতে দেখলাম। সাদা ধবধবে সালওয়ার কামিজ পরেছে। আর ঐ একই কাপড়ের রুমাল ও ওড়না দিয়ে মাথা, বুক ও পিঠ ঢেকে দিয়েছে। মনে হল গ্রীষ্মের নির্জন দুপুরে মার্কেটের আঙ্গিনা দিয়ে একটা বেহেস্তের হুর আমার দিকে এগিয়ে আসছে। আমি সবকিছু ভুলে তন্ময় চিত্তে তার দিকে চেয়ে রইলাম। হঠাৎ আমার মনের ভিতর থেকে কে যেন বলে উঠল, এই নিস্পাপ হুরের মত, মেয়েটার তুমি কি উপযুক্ত? কথাটা চিন্তা করে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল।

    আমার কাছে এসে সেলিনা সালাম দিয়ে বলল, চল, বোরখা কিনব।

    আমি চিন্তার মধ্যে এমনিই ডুবে ছিলাম যে, তার কোনো কথা আমার কানে গেল না। অপলক দৃষ্টিতে তার মুখের দিকে তাকিয়েই থাকলাম।

    আমাকে চুপ করে তার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে সেলিনা আমার একটা হাত ধরে নাড়া দিয়ে বলল, আমার মুখের দিকে তাকিয়ে কি এত চিন্তা করছ?

    সম্বিৎ ফিরে পেয়ে বললাম, কি যেন বলছিলে?

    আগে বল, তুমি এত গভীরভাবে কি চিন্তা করছিলে?

    আমার প্রিয়তমার কথা।

    কিন্তু আমার মন বলছে, তার সঙ্গে আরো কিছু যেন ভাবছিলে।

    সবটা শুনলে তুমি যদি আবার কিছু মনে কর।

    আমি কিছু মনে করব না, প্লীজ বল।

    চল যেতে যেতে বলছি। তারপর যেতে যেতে বললাম, তোমাকে আসতে দেখে বেহেস্তের হুর বলে মনে হয়েছিল, কিন্তু হঠাৎ আমার ভিতর থেকে কে যেন বলে উঠল, তুমি কি এই হুরের উপযুক্ত? কথাটার সত্যতা চিন্তা করে অন্যমনস্ক হয়ে পড়েছিলাম।

    সেলিনা দ্রুত আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে পথরোধ করে বলল, কথা দাও, আর কখনও এ রকম কথা ভাববে না।

    হেসে ফেলে বললাম, মন কি কারো কেনা গোলাম যে, হুকুম করলেই মেনে চলবে? তবে তোমার কথাটা রাখার জন্য মনকে কড়া শাসন করে দেব, যাতে করে ভবিষ্যতে আর এ রকম চিন্তা যেন না করে।

    তারপর আমরা একটা দোকানে গিয়ে বোরখা কিনলাম। সেলিনা দোকানের একজন কর্মচারীকে আমার জন্য পাজামা পাঞ্জাবী দেখাতে বলে আমাকে কালারটা বলতে বলল।

    আমি বললাম, আমার এখন কোনো কিছু কেনার দরকার নেই।

    তোমার দরকার না থাকলেও আমার আছে। এই বলে তাকে ট্যাট্রনের সাঁদা পাজামা এবং ঘীয়ে রং এর নক্সা করা সূতীর পাঞ্জাবী দিতে বলল। কেনাকাটা শেষ করে সেলিনা বলল, অনেক কাজ বাকি আছে, এখন আমাকে যাওয়ার অনুমতি দাও। ইনশা আল্লাহ আগামীকাল দেখা হবে।

    বললাম, চল না একটু নভেলে রেষ্ট নেবে। তোমাকে দেখে খুব ক্লান্ত মনে হচ্ছে।

    সেলিনা বলল, ঠিক বলেছ, চল একটু গলা ভিজিয়ে নিই।

    আমরা নভেলে গিয়ে বসলাম।

    জিজ্ঞেস করলাম, কি দিতে বলব?

    সেলিনা বলল, তোমার যা মন চায়

    আমি বেয়ারাকে ডেকে দুই পীস ফ্রুটকেক ও দুটো ফান্টা দিতে বললাম।

    তারপর ওখান থেকে বেরিয়ে সেলিনাকে গাড়িতে তুলে দিলাম।

    সেলিনা বোরখার সঙ্গে আমার জন্য কেনা পাজামা পাঞ্জাবীর প্যাকেটটাও নিয়ে চলে গেল।

    রাত্রে বাসায় ফিরে স্ত্রীকে বললাম, কোম্পানীর কাজে আগামীকাল ঢাকার বাইরে যাব, ফিরতে তিন দিন দেরি হবে।

    এই পর্যন্ত বলে জামান কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, তুই হয়তো ভাবছিস, আমি একজন মিথ্যাবাদী ও প্রতারক। এটাই ভাবা স্বাভাবিক। এই কথা চিন্তা করে আমিও তখন আমার বিবেকের কাছে খুব ছোট হয়ে গেছি। কিন্তু স্ত্রীকে সত্য ঘটনা বলে তাকে অশান্তির আগুনে জ্বালাতে চাইনি। নিজের কাছে নিজে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, সারাজীবন তার মনে অশান্তির আগুন লাগতে দেব না। সে জন্য যত স্বার্থ ত্যাগ করতে হয় করবো। যত তিতিক্ষা সহ্য করতে হয় করব। তাই পরবর্তী। জীবনে সেলিনাকে গভীরভাবে ভালবেসে ফেললেও আমার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে কোনো দিন এতটুকু খারাপ ব্যবহার করিনি।

    ঐ দিনটির কথা আমার চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। সেই দিন আমার স্ত্রী নাস্তা খাইয়ে কাপড়-চোপড় ব্রীফকেসে গুছিয়ে আমার হাতে ধরিয়ে কদমবুসি করল। আমার মনটা তখন ব্যাথায় টনটন করে উঠল। অনেক কষ্টে নিজেকে ঠিক রেখে তার কাছ থেকে বিদায় নিলাম।

    ঠিক আটটার সময় কোর্ট হাউস স্ট্রীটে সেলিনার মেজ মামার বাসায় গিয়ে পৌঁছালাম।

    ওর মামাতো বোন জোহরা বারান্দায় দাঁড়িয়েছিল। আমাকে গেট দিয়ে ঢুকতে দেখে তাড়াতাড়ি নেমে এসে সালাম দিয়ে বলল, কেমন আছেন?

    সালামের উত্তর দিয়ে বললাম, ভালো আছি।

    জোহরা আমার হাত থেকে ব্রীফকেস ও মিষ্টির বাক্স নিয়ে বলল, আসুন। আমাকে ড্রইংরুমে বসিয়ে জোহরা চলে গেল। সেখানে তার ছোট দুই ভাইবোন। খেলা করছিল। আমি টফির বাসটা একজনের হাতে দিয়ে বললাম, তোমরা দুজনে ভাগ করে নেবে। টফির বাসটা আর খেলনাগুলো নিয়ে তারা চলে গেল। একটু পরে সেলিনার মেজ মামা এলে আমি সালাম দিয়ে কুশল জিজ্ঞেস করলাম।

    সালামের উত্তর দিয়ে মামা বললেন, ভালো আছি। তারপর বললেন, তোমাকে খুকী বোধ হয় সবকিছু বলেনি। ঠিক সাড়ে এগারটার সময় তোমরা ঐ জজের ঘরে যাবে, যেখানে তোমাদের এ্যাপ্লিকেশন এফিডেভিট হয়েছিল। কোর্টের কাজ শেষ হওয়ার পর কোথাও যাবে না। রাত্রে এখানে সামাজিক প্রথায় তোমাদের বিয়ে হবে।

    নাস্তা খেয়ে মামা কোর্টে চলে গেলেন।

    ড্রইংরুমের জানালার কাছে দাঁড়িয়ে দূর আকাশের দিকে তাকিয়ে আমি সিগারেট খাচ্ছি। মনের মধ্যে তখন নানা রকম চিন্তা এসে ভীড় করছে। সমস্ত চিন্তাকে দূরে সরিয়ে দিয়ে বর্তমান পরিস্থিতির কথা ভাববার চেষ্টা করছি। পিঠে কারুর নরম হাতের মৃদু স্পর্শ পেয়ে ঘুরে দেখি, সেলিনা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। লজ্জায় তার ফর্সা মুখটা রাঙা হয়ে গেছে। আমি তার লজ্জা কাটাবার জন্য সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কেমন আছ?

    সেলিনা সালামের জওয়াব দিয়ে বলল, ভালো আছি। লজ্জা করছিল বলে এতক্ষণ আসতে পারিনি, কিছু মনে করনি তো?

    লজ্জা ঈমানের অঙ্গ। যার লজ্জা নেই তার ঈমানও নেই। তারপর বললাম, বায়তুল-মোকাররম যাব, যাবে নাকি?

    যাব, একটু অপেক্ষা কর, এক্ষনি আসছি। পাঁচ মিনিটের মধ্যে কাপড় পাল্টে এসে জিজ্ঞেস করল, তুমি কি আমার জন্য কিছু কিনবে?

    বললাম, তুমি তো আমার মনের সব কথা জান।

    সেলিনা আমার দুটো হাত ধরে বলল, কিন্তু পেমেন্ট আমি করব। আজকের এই অনুরোধটা তোমাকে রাখতেই হবে।

    আজ তোমাকে কিছু দিতে মন চাইছে। পেমেন্ট তুমি করলে আমার তো আর তোমাকে কিছু দেওয়া হল না।

    তাহলে সামান্য কিছু দিও।

    সে দেখা যাবে বলে আমরা বায়তুল মোকাররমে ঐ বন্ধুর দোকানে গিয়ে অর্ডার দেওয়া গহনা দিতে বললাম।

    উনি তিনটে বাক্স এনে খুলে দিয়ে সামনে রাখলেন। একজোড়া কংকন, একজোড়া কানের দুল ও একটা টায়রা।

    চেকে পেমেন্ট দিয়ে দোকান থেকে বেরিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, পছন্দ হয়েছে?

    সেলিনা আমার হাত থেকে বা তিনটে নিয়ে বলল, আমার মনের মত হয়েছে। আমি নিজেও বোধ হয় এত ভালো ডিজাইন চয়েস করতে পারতাম না। গাড়িতে উঠে সব পরে ফেলল।

    বললাম, বিয়ের সময় ওগুলো পরতে হয়।

    সেলিনা বলল, এখনই তো আমাদের বিয়ে হবে।

    ড্রাইভার দাদুকে বললাম, গ্যানিসে চলুন। গাড়ি ততক্ষণে গুলিস্তানে চলে এসেছিল। দাদু গাড়ি ঘুরিয়ে গ্যানিসের সামনে পার্ক করল।

    সেলিনার জন্য গাঢ় লাল রং এর জাপানি সিফনের একটা শাড়ী, ওড়না, গোলাপি রং এর সার্টিন কাপড়ের একসেট সালওয়ার কামিজ, দুটো রুমাল ও একজোড়া ব্রা কিনলাম। তারপর বাটায় গিয়ে তার জন্য জুতো কিনে ফেরার পথে বললাম, এগুলোর মধ্যে তোমার ইচ্ছামতো বিয়ের সময় পরবে।

    যথা সময়ে ঠিকমত সব কাজ মিটে গেল। সন্ধ্যার পর সেলিনাদের ভাড়াটিয়া দারোগা সাহেব স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে এসেছিলেন। বিয়ের পর খাওয়া দাওয়া করে চলে গেলেন। জরিনা তাদের সঙ্গে এসেছিল, সে থেকে গেল। বিয়েতে কোনো আত্মীয়-স্বজন আসেনি। সবশেষে জোহরা ও জরিনা যখন আমাকে বাসর ঘরে দিয়ে গেল তখন রাত্রি এগারটা।

    দেখলাম, সেলিনা খাটের উপর বসে আছে। মাথার ওড়নাটা মুখের উপর একটু নামান। আমি ঘরের দরজা জানালা আটকে দিয়ে পর্দাগুলো টেনে ঠিক করে চেয়ারে এসে বসলাম।

    সেলিনা ধীরে ধীরে খাট থেকে নেমে এসে আমার পায়ে হাত দিয়ে সালাম করল।

    আমি দাঁড়িয়ে তাকে দুহাত দিয়ে তুলে বুকে জড়িয়ে প্রথমে মাথায় তারপর দুগালে শেষে অধরে অধর ঠেকিয়ে চুমো খেয়ে দোয়া করলাম-হে রাব্দুল আলামিন, তুমি আমাদের দাম্পত্য জীবনে শান্তির ধারা বর্ষণ কর। আমাদের ঈমানকে তোমার পথে দৃঢ় রেখ। আমাদের প্রেমকে কোনো দিন লাঞ্ছিত করো না।

    সেলিনার সমস্ত শরীর থর থর করে কাঁপছিল। বললাম, তোমার অযু আছে?

    সেলিনা মাথা নেড়ে জানাল আছে।

    তাহলে এস আল্লাহপাকের দরবারে দুরাকাত শোকরানার নামায পড়ি।

    সেলিনা খুব আস্তে আস্তে বলল, আমাকে এই নামাযের নিয়েত ও নিয়ম শিখিয়ে দাও।

    তাকে সবকিছু শিখিয়ে দিয়ে দুজনে শোকরানার নামায পড়লাম। তারপর তাকে পাজাকোলা করে তুলে নিয়ে আদর করে খাটে শুইয়ে দিয়ে বললাম, তুমি ঘুমাও, আমি একটু পরে ঘুমাব।

    আমি চেয়ারে বসে টেবিলে রাখা জগ থেকে এক গ্লাস পানি ঢেলে খেয়ে সিগারেট ধরালাম। মনের মধ্যে তখন চিন্তার ঝড় বইছে। কিছুতেই নিজেকে সম্বরণ করতে পারছিলাম না। কেবলই মনে হতে লাগল, আমি আমার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে বেশ অন্যমনস্ক হয়ে পড়লাম।

    সেলিনা যখন আমার পায়ে হাত দিল তখন সম্বিত ফিরে পেলাম। দেখলাম, আমার দুপা জড়িয়ে কাঁদছে। আমি সব চিন্তা দূর করে দিয়ে তাকে তুলে কোলে বসিয়ে রুমাল দিয়ে চোখ মুছিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, আমার ব্যবহারে কী তুমি ব্যাথা পেয়েছ?

    সেলিনা আমার মুখে হাত চাপা দিয়ে বলল, অমন কথা বল না। বরং আমিই চিন্তা করছি, আমার সঙ্গে জড়িয়ে তোমাকে অশান্তির মধ্যে ফেলে দিলাম না তো? আমার জন্য তুমি অশান্তি ভোগ করবে, সেটা যে আমি সহ্য করতে পারছি না।

    দেখ, আমরা পুরুষ, আমাদেরকে অনেক কিছু বিপদ-আপদের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হয়। অনেক চিন্তা ভাবনা করে কাজ করতে হয়। আজ ঐসব কথা বলে আনন্দের রাত্রিকে নিরানন্দ করে লাভ নাই। চল ঘুমাবে চল।

    তুমি একটু বস বলে সেলিনা নিজের সুটকেস খুলে একটা অটোমেটিক ওমেন্স ঘড়ি বের করে এনে আমার হাতের ঘড়িটা খুলে নিয়ে পরিয়ে দিল। আর আমার ঘড়িটা নিজের হাতে পরে নিল। তারপর বলল, তুমি আমাকে তোমার মনের মত করে গড়ে নিও। হয়তো অনেক সময় অন্যায় করে ফেরব, সেজন্য যা মনে চায় শাস্তি দিও, কিন্তু রাগ বা অভিমান করে কখনও আমার কাছ থেকে দূরে থাকবে না বল?

    সেলিনার প্রেমের গভীরতা অনুভব করে বললাম, যারা প্রকৃত প্রেমিক প্রেমিকা তারা একে অন্যের অন্যায়কে প্রেমের এমতেহান মনে করে থাকে। আর প্রত্যেক নারীর উচিৎ পানির ধর্ম অনুসরণ করা। তাহলে স্বামী-স্ত্রীর মধে কোনোদিন মনোমালিন্য হবে না।

    পানির ধর্ম কি বুঝিয়ে দাও।

    পানির ধর্ম তিনটি। (১) পানি সব সময় নিচের দিকে প্রবাহিত হয়।

    (২) পানির নিজস্ব কোনো আকার নেই। তাকে যে পাত্রেই রাখা হোক না কেন, সেই পাত্রের আকার ধারণ করে।

    (৩) পানির কোনো রং নেই। সে যে কোন রঙের সঙ্গে মিশে গিয়ে সেই রঙে রঙ্গিন হয়ে যায়।

    এখন বুঝতে পারছ কেন আমি নারীকে পানির ধর্ম অনুসরণ করার কথা বললাম।

    তুমি দোয়া কর, আমি যেন আমার জীবনকে তোমার জীবনের সঙ্গে মিশিয়ে দিয়ে তোমার রঙে রঙ্গিন হয়ে যেতে পারি।

    তোমাকে আল্লাহপাক আমার মনের মত করে গড়েছেন। নচেৎ আমার সবকিছু তোমার পছন্দ হবে কেন? আর আমার মনের খবরই বা জানতে পার কি করে?

    যে কাপড়গুলো আমি কিনে দিয়েছিলাম সে তার থেকে সালওয়ার কামিজ পরেছিল। তাকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছিল। আমি যখন তাকে কোলে তুলে নিই তখন ওড়নাটা মেঝেতে পড়ে যায়। পলকহীনভাবে আমি তার সৌন্দৰ্য্য সুধা পান করছিলাম।

    আমাকে একদৃষ্টে তারদিকে চেয়ে থাকতে দেখে এতক্ষণে খেয়াল হল যে, গায়ে ওড়না নেই। লজ্জা পেয়ে তাড়াতাড়ি করে যেই ওড়নাটা তুলতে গেল আমি তখন তাকে দুহাতে তুলে নিয়ে খাটে শুইয়ে দিলাম।

    সেলিনা উঠে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, ঘুমাবে না?

    নিশ্চয়, তবে তুমি আগে ঘুমিয়ে পড়, তারপর।

    তা কখন হয় নাকি? তুমি জেগে থাকবে আর আমি ঘুমাব?

    তাহলে তুমিও আমার সঙ্গে জেগে থাক, পারবে তো জেগে থাকতে?

    কেন পারব না? তুমি পারলে, আমিও পারব।

    তুমি তাহলে এখানে বস, আমি ঐ চেয়ারটায় বসব। দেখি কে কতক্ষণ জেগে থাকতে পারি? এই কথা বলে খাট থেকে নেমে গিয়ে চেয়ারে বসে পরপর দুটো সিগারেট খেলাম। সেলিনা সারাক্ষণ আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। তার প্রতি খুব মায়া হল। উঠে গিয়ে তাকে শুইয়ে দিয়ে আমিও পাশে শুয়ে বললাম, আজকের আমার এই ব্যবহারের জন্য আমি খুব দুঃখিত। তবু বলছি তোমাকে ঘুমাতে দেখলৈই আমি ঘুমাব।

    সেলিনা ছল ছল নয়নে বলল, তারচেয়ে আমি তোমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিই তুমি ঘুমাও।

    আমি আর কিছু না বলে তার দিকে মুখ করে শুলাম। সেলিনা আমার চুলে বিলি কাটতে লাগল। কখন ঘুমিয়ে গেছি জানি না। ভোরে মোয়াজ্জিনের আযান শুনে ঘুম ভেঙ্গে গেল। দেখলাম, সেলিনা আমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে আছে। আমি খুব ধীরে ধীরে তার হাতটা সরিয়ে দিয়ে নিজেকে মুক্ত করে উঠে তার ঠোঁটে আলতো করে চুমো খেলাম। এতেই সে জেগে গেল। ঘুম ঘুম চোখে আমার দিকে তাকাল।

    বললাম, উঠে পড়, ফজরের আযান হয়ে গেছে। দুজনে একসঙ্গে নামায পড়ব। আমি বাথরুম থেকে আসার পর সেলিনা ওড়নাটা গায়ে জড়িয়ে বাথরুমে গেল, ফিরে এসে আমার সঙ্গে নামায পড়ল।

    নামাযের পর জিজ্ঞেস করলাম, কুরআন শরীফ পড়তে জান?

    না, তুমি আমাকে শিখিয়ে দেবে।

    তোমাদের বাসার কাছের মসজিদের ঈমাম সাহেবকে ঠিক করে দেব। তিনি তার সময় মতো প্রতিদিন এসে তোমাকে পড়িয়ে যাবেন। এখন আমাকে কিছু খাওয়াতে পার?

    সেলিনা ফ্রিজ থেকে চার পাঁচটা বড় মিষ্টি ও কয়েক পিস স্লাইস রুটি বের করে টেবিলের উপর রেখে বলল, তোমার জন্য আনিয়ে রেখেছি।

    তোমার বুদ্ধির তারিফ না করে পারছি না। একটু মিষ্টি তার মুখে দিয়ে আমার সঙ্গে খেতে বললাম।

    সামান্য খেয়ে বলল, আমাকে হাত ধোয়ার অনুমতি দাও। আমি ভোরে মোটেই কিছু খেতে পারি না।

    বললাম, খেতে যখন পারবে না তখন পারমিশান দিলাম।

    নাস্তার পাঠ শেষ করে বিছানায় শুয়ে সিগারেট ধরিয়ে বললাম, আমি এখন ঘুমাব, তুমিও ইচ্ছা করলে আমার সঙ্গে ঘুমাতে পার।

    মামীমা উঠে পড়েছে, এখন ঘুমাতে লজ্জা করছে। তুমি ঘুমাও, আমি বরং হেঁসেলে মামীমাকে সাহায্য করি গিয়ে। আচ্ছা, শুয়ে চোখ বন্ধ করেই তুমি কী করে ঘুমিয়ে পড়?

    ওটা আমার ছেলেবেলা থেকে অভ্যাস হয়ে গেছে। রাত্রে হোক আর দিনে হোক, যে কোনো সময়ে যদি ঘুমাবার ইচ্ছা করি তখনই ঘুমাতে পারি। ঘুমাবার সময় সব চিন্তা দূর করে দিয়ে আল্লাহপাকের জিকির করি, আর তখনই ঘুম ধরে যায়। তবে ইচ্ছা করলে আবার সমস্ত রাত্রি জেগেও থাকতে পারি, তাতে আমার কোনো অসুবিধে হয় না। তুমিও একটু চেষ্টা করলে এইভাবে ঘুমাতে পারবে। এখন আমার সঙ্গে একটু চেষ্টা করে দেখবে নাকি?

    সেলিনা হেসে উঠে বলল, এখন নয়, অন্য এক সময় দেখা যাবে।

    সিগারেট এ্যাসট্রেতে গুজে দিয়ে চোখ বন্ধ করে বললাম, ঠিক নটার সময় জাগাবে।

    সেলিনা আমার পাশে বসে বন্ধ দুচোখে চুমো খেয়ে দ্রুত খাট থেকে নেমে চলে গেল।

    আমি কিছু না বলে শুধু একটু হেসে পাশ ফিরে ঘুমিয়ে পড়লাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }