Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্রিকেটের রাজাধিরাজ ডন ব্র্যাডম্যান – মতি নন্দী

    মতি নন্দী এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. ‘ব্র্যাডম্যান মৃত’

    ডন ১৯৩৩-৩৪ মরশুমে প্রায় মারা গিয়েছিল।

    মরশুম শুরুতেই সেদেখল পিঠে একটি ব্যথা চাগিয়ে উঠছে। একটা ইনিংস ব্যাট করলে আগের থেকে অনেক বেশি ক্লান্ত লাগে। তার মানে ক্লান্তি নামার আগেই তাড়াহুড়ো করে তাকে রান তোলার কাজ সারতে হচ্ছে। যত রান করা দরকার ততটুকু হয়ে গেলেই ইচ্ছে করে ক্যাচ তুলে বা উইকেট ছেড়ে দিয়ে সেচলে আসত। অপ্রয়োজনেও ব্যাট করে যাওয়া বা মনোনিবেশ করে থাকা আর তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না।

    ডনের বিচারবোধ অত্যন্ত তীক্ষ্ণ। সেবুঝতে পারত ঠিক কত রান তাকে করতে হবে ম্যাচ জেতার জন্য। কিন্তু এইভাবে তার পক্ষে বেশিদিন খেলে যাওয়া সম্ভব নয়। আগের মরসুমের বডিলাইনের ঝঞ্ঝাট সেপোহাতে পেরেছিল যেহেতু স্ত্রী তার চিঠিপত্র লেখালেখি এবং খবরের কাগজের ও বেতারের প্রবন্ধগুলির কাঠামো তৈরিতে সাহায্য করেছিল। বেশিরভাগ ক্রিকেটারই যা করে, অর্থাৎ অন্যে তাদের প্রবন্ধগুলি লিখে দেয় আর তারা শুধু নিজের নামটুকু সেই লেখার উপরে বসিয়ে দেন, ডন কিন্তু এই অশরীরী লেখকদের লেখাকে কখনোই নিজের নামে চালায়নি। নিজের লেখা সেনিজেই লিখত।

    অ্যাডিলেডে সেবিশেষজ্ঞদের দিয়ে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাল। তারা বলল, অত্যধিক চিন্তা ও পরিশ্রমে তার শরীর ভেঙে পড়ছে; দেহে ও মনে সেনি:শেষ হয়ে আসছে; তার উচিত সুযোগ পেলেই বিশ্রাম নেওয়া আর সহজ ও হালকাভাবে সব কিছুকে গ্রহণ করা।

    ডন তাই করার চেষ্টা করল। একটা বড়ো রকমের সিদ্ধান্ত সেতখন নিল। এই সময় সারাদিনে তার প্রতিটি মুহূর্তই ভরে ছিল ক্রিকেটে। ক্রিকেট খেলা, ক্রিকেট নিয়ে কাগজে লেখা, ক্রিকেট সম্পর্কে বেতারে বলা, ক্রিকেটের সরঞ্জামগুলি খেলে দেখিয়ে-শুনিয়ে তা বিক্রি করা। তখন ক্রিকেটই তার পেশা এবং নেশা। জীবনটা যেন ক্রমশ সংকীর্ণ একঘেয়ে এবং একপেশে হয়ে যাচ্ছে। হাঁফ ছাড়া যাচ্ছে না, বৈচিত্র্য আনা সম্ভব হচ্ছে না। সেঠিক করল, তার এমন একটা কাজ চাই যার সঙ্গে ক্রিকেটের কোনো সম্পর্ক থাকবে না। ক্রিকেটকে সেরুটি সংগ্রহের হাতিয়ার না করে শুধুই খেলার ব্যাপার করে রাখবে ঠিক করল। এইভাবে তাহলে আবার সেক্রিকেটের মধ্যে আনন্দ খুঁজে পাবে।

    যে ক্রিকেট সরঞ্জাম প্রতিষ্ঠানে সেচাকরি করত সেটা ছেড়ে দিল, ক্রিকেট বিষয়ে বক্তৃতা দেবার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করল। চাকরি নিল অ্যাডিলেডে ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের একজন সদস্যের শেয়ার দালালির অফিসে। খুব-একটা অবাক হবার মতো ব্যাপার এটা নয়। স্কুলে অঙ্কে দারুণ মাথা ছিল ডনের। আর একবগ্গা মাথামোটা খেলোয়াড়দের মতো তার মাথাটা মোটেই বুদ্ধিহীন ছিল না।

    বিচারবোধসম্পন্ন বহু বিখ্যাত লেখক ডন সম্পর্কে বলেছেন, সেযে-কাজই বেছে নিক-না তাতে সেসফলই হবেই যেহেতু সফল হবার জন্য তার সংকল্প, একমুখীনতা এবং কাজের প্রতি মনোনিবেশ অত্যন্ত প্রবল এবং প্রগাঢ়। এবার থেকে ডন তার ব্যাবসায়িক জীবন ও ক্রিকেট জীবনকে সম্পূর্ণভাবে আলাদা করে রাখার চেষ্টা করে যেতে লাগল। অফিসে লেনদেনের কথা ছাড়া ক্রিকেট নিয়ে একটি কথাও বলত না, শুনতেও চাইত না। টেলিফোন ডিরেক্টরি থেকে বাড়ির ফোন নম্বরটা সেবাদ দিয়ে দিল যাতে বাড়িতে তাকে কেউ ব্যাঘাত না করে। আর সুযোগ পেলেই সেবিশ্রাম নিত।

    ১৯৩৪-এ এল ডনের দ্বিতীয় ইংল্যাণ্ড সফর। ডনকে অস্ট্রেলীয় দলের সহ-অধিনায়ক করা হল। সেবুঝতে পারল তাকে ভবিষ্যৎ অধিনায়করূপে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    অস্ট্রেলীয় দল ইংল্যাণ্ডে পৌঁছোল। তারা ওয়েম্বলিতে এফএ কাপ ফাইনাল দেখল, প্রধানমন্ত্রী র্যামসি ম্যাকডোনাল্ডের ভোজের আমন্ত্রণ রক্ষা করল। কিন্তু ডন তার শরীর সম্পর্কে বিশেষ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছিল না, অধিনায়ক বিল উডফুলকে সেজানাল, প্রথম ম্যাচে তাকে যেন বাদ দেওয়া হয়। উডফুল তাকে বলল, এটা করা ঠিক হবে না, কেননা ইতিমধ্যে চারদিকে গুজব রটেছে যে, ডনের শরীর ভেঙে গেছে, না খেললে গুজবটা সত্য প্রমাণিত হবে। দলের মনোবলও যথেষ্ট ধাক্কা খাবে। তা ছাড়া দর্শকও কমে যাবে, তাতে আয়ও কমে যাবে।

    সুতরাং ডন খেলল। দ্রুত ২০৬ করল। এবং শুরুতেই এতটা শক্তিক্ষয়ের ফলে শ্রান্তি তাকে এমনভাবে চেপে ধরল যে, সেই মে মাসের শেষাশেষি একটি পঞ্চাশ রানের ইনিংস ছাড়া আর কিছু সেকরতে পারল না। এর মধ্যে আবার স্কোরবুকে দুটি শূন্যও তার নামের পাশে যুক্ত হয়েছে।

    এরপরই এল লর্ডসে মিডলসেক্সের বিরুদ্ধে, আকর্ষণীয়তার দিক থেকে তার জীবনের একটি অদ্বিতীয় ইনিংস—অন্তত ডন নিজে তাই মনে করে। আগের ম্যাচে হাম্পশায়ারের বিরুদ্ধে শূন্য করেছে। সুতরাং মনে মনে ডন নিজের সম্পর্কে যথেষ্ট নড়বড়ে ছিল। অনবরত শ্রান্তি এবং যন্ত্রণার তাড়া খেয়ে সেমনমরা হয়ে পড়েছিল।

    মিডলসেক্স ২৫৮ রানে ইনিংস শেষ করে। অস্ট্রেলিয়া উডফুল ও পন্সফোর্ডকে হারাল শূন্য রানে। এইবার ডনকে অস্ট্রেলিয়ার দরকার, ভীষণভাবে দরকার। ম্যাচ জেতার মতো রান তাকে করতে হবে, করতেই হবে। এবং সেকরল।

    প্রথম মিনিট পাঁচেক ডনের অনিশ্চিতভাবে কাটল। বরাবরই দেখা গেছে এইরকমই তার হয়। ফাস্ট বোলার জিম স্মিথের একটা আউট সুইঙ্গারের বাতাসও ডনের স্টাম্পে ছোঁয়া দিল। অস্ট্রেলীয়রা তো তাই দেখে শিউরে উঠল। এরপরই ডন নিজমূর্তি ধারণ করে। প্রতিটি স্ট্রোকে আশ্চর্য নিখুঁত সময় বিচার, প্রতিটি স্ট্রোকে ওস্তাদের স্পর্শ। জিম স্মিথের ফাস্টবল, ওয়াল্ডার রবিন্সের স্লো বল, ইয়ান পিবলসের গুগলি, প্রহারে প্রহারে জর্জরিত হল। ক্রিজ থেকে বেরিয়ে এসে ড্রাইভ, পিছিয়ে গিয়ে পুল। যেখানে খুশি সেবল পাঠাল। লোকে যা দেখতে মাঠে আসে তাই দেখা গেল : ব্র্যাডম্যান তার স্বমহিমায়।

    দিনের শেষ বলটিতে এক রান নিয়ে ডন ঠিক ১০০ রানে পৌঁছোয়, সময় লাগে ৭৫ মিনিট। তার কয়েকটি শতরানের থেকে সময়টা একটু বেশিই লাগল। এতে আছে ১৯টি চার। পরদিন সে১৬০ রানে আউট হয়। এজন্য মোট সময় লাগে ১২০ মিনিট। লর্ডসে প্যাভিলিয়নের সামনে জ্যাক হিউম ঝাঁপিয়ে পড়ে অসাধারণ ক্যাচ নিয়ে তাকে আউট করে।

    বেচারা ডন। এই খেলার পর আবার শ্রান্তি তাকে চেপে ধরল। নটিংহামে প্রথম টেস্টে সেকরল ২৯ ও ২৫। এই টেস্টে এক জনও শতরান করেনি। অস্ট্রেলিয়ার চিপারফিল্ড জীবনের প্রথম টেস্ট খেলায় ৯৯ রানে আউট হয়। ইংল্যাণ্ড দলে নবাগত ফাস্ট বোলার স্কুলশিক্ষক কেনেথ ফার্নেস দুই ইনিংসে পাঁচটি করে উইকেট পায়। খেলা শেষের ১০ মিনিট আগে ওরিলির বলে মিচেল এলবিডব্লু আউট হওয়ায় অস্ট্রেলিয়া ২৩৮ রানে জেতে।

    ইংল্যাণ্ডে তখন খেলার মাঠ দড়ি দিয়ে ঘেরা থাকত। খেলার শেষদিকে দর্শকরা উত্তেজনাবশে এগিয়ে আসায় দড়ি ঝুলে পড়েছিল, দেখাও যাচ্ছিল না। খেলা শেষ হতেই খেলোয়াড়রা ছুটে ড্রেসিং রুমের দিকে যাচ্ছিল, তখন পায়ে দড়ি আটকে ডন পড়ে যায়, তার ওপর আর একজন এসে পড়ে এবং ঊরুতে আঘাত পায়। পরের ম্যাচে সেরানার নিয়ে ব্যাট করে এবং তার পরের ম্যাচে খেলতে পারেনি।

    লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়া হারল ইনিংস ও ৩৮ রানে। ডনের রান ৩৬ ও ১৩। ইংল্যাণ্ড ৪৪০ রান করার পরই বৃষ্টি এবং ভিজে পিচে হেডলি ভেরিটির মারাত্মক স্পিন অস্ট্রেলিয়াকে অসহায় করে দেয়। ম্যাচে ভেরিটি ১৫টি উইকেট পায়, দ্বিতীয় ইনিংসে ৮-৪৩। প্রথম ইনিংসে খেলতে নেমেই ফার্নেসের বলে ডন পর পর তিন বলে তিনটি ৪ ও একটি ২ নেয় প্রথম ওভারেই। গিয়ারির বলে ৪। গিয়ারির বদলে ভেরিটি আসতেই তিন বলে আবার তিনটি ৪। ভেরিটির হাতেই ক্যাচ তুলে দিয়ে সেফিরে যায়। কার্ডাস লিখলেন :

    ব্র্যাডম্যানের এই ৩৬ রান লিডসে তার ৩৩৪ রানের থেকেও অনেক বেশি মহীয়ান। প্রতিটি স্ট্রোকের পিছনে ছিল প্রেরণা, ছিল সৌন্দর্য যা পৌরুষের চূড়ায় পৌঁছোনো জীবন থেকেই বিচ্ছুরিত হয়।

    ১৯৩০-এ ডন মে মাসের মধ্যেই হাজার রান সম্পূর্ণ করেছিল। ১৯৩৪-এর জুন মাসের শেষে তার রান দাঁড়াল মাত্র ৭৬০। লর্ডসের ব্যাটিং ছাড়া বলার মতো রান আর সেকরেনি। সাধারণ লোক জানে না ডন কী অসুবিধার মধ্যে পড়েছে। নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে ডন কখনো আলোচনা করত না।

    জুলাই এল এবং স্বাস্থ্য তাকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখল। ম্যাঞ্চেস্টারে তৃতীয় টেস্ট ম্যাচ এসে পড়ল। কিপ্যাক্স অসুস্থ, খেলল না। ডন ও চিপারফিল্ডের গলায় ব্যথা। প্রথমে সন্দেহ হয়েছিল বুঝি ডিপথেরিয়া। সেই অবস্থাতেই ডন খেলে এবং ৩০ রান করে। ম্যাচের মীমাংসা হয়নি।

    এরপর ওরা এল লিডসে। ডনের প্রিয় মাঠ। এখানে স্মৃতি হয়ে আছে তার সেরা ইনিংসগুলির কয়েকটি। মাঠটিকে দেখেই বোধ হয় ডন তাজা বোধ করেছিল। ইয়র্কশায়ারের সঙ্গে খেলা। অস্ট্রেলিয়ার এক উইকেটে ১৬ রান, ডন উইকেটে এসে যোগ দিল উডফুলের সঙ্গে। কয়েক মিনিট যথারীতি সেব্যাটে লাগাম পরিয়ে রাখল। তারপরই খসে গেল লাগাম। টগবগ করে উঠল স্কোরবোর্ড—২৫ মিনিটে ৫০, ১০০ মিনিটে ১০০ রান। পরের ১৫ মিনিটে আরও ৪০ রান। ১১৫ মিনিটে নেওয়া তার ১৪০ রানে দুটি ৬, বাইশটি ৪। বোলারদের মধ্যে অবশ্যই ভেরিটিও ছিল। কোনো বোলারের কাছে অপদস্থ হলে ডন শোধ না নিয়ে ছাড়ত না।

    লিডসেই চতুর্থ টেস্ট ম্যাচ। ডন তখন অপ্রতিরোধ্য মেজাজে এসে গেছে।

    প্রথম ব্যাট করে ইংল্যাণ্ড চমৎকার উইকেটে ২০০ রানে আউট হয়ে যায়। দিনের শেষদিকে অস্ট্রেলিয়া ৩৭ রানে হারায় ব্রাউনকে। নৈশ প্রহরীরূপে উইকেটকিপার ওল্ডফিল্ড আসে এবং দু-রান পরেই আউট হয়ে ফিরে যায়। উডফুল নামে এবং বাওয়েস সঙ্গে সঙ্গেই তাকে বোল্ড করে। অস্ট্রেলিয়ার তিন উইকেটে ৩৯ রান। এর পরের উইকেট পড়ে পরদিনের খেলা শেষের দশ মিনিট আগে যখন ভেরিটির বল হুক করতে গিয়ে পন্সফোর্ডের পায়ে লেগে বেল পড়ে যায়। তখন তার রান ১৮১।

    আর ব্র্যাডম্যান? দ্বিতীয় দিন শেষে ২৭১ অপরাজিত। তৃতীয় দিনে বোল্ড হয় বাওয়েসের বলে, তখন তার রান ৩০৪। সময় লেগেছে ৪২০ মিনিট। তাতে আছে দুটি ৬, তেতাল্লিশটি ৪।

    সাধারণ লোক ধরে নিল ডন আবার তার নিজের খেলা ফিরে পেয়েছে। কিন্তু ডনের সতীর্থরাই জানে কী অসম্ভব কষ্ট তাকে করতে হল। দীর্ঘ ইনিংস খেলার ধকল শুধুই মনের জোরে সহ্য করারও একটা সীমা আছে। ড্রেসিং রুমে দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রা পোশাক খুলিয়ে ডনকে বাচ্চা ছেলের মতো কোলে করে মালিশের টেবলে শুইয়ে দেয়। নড়াচড়ার ক্ষমতা তার আর ছিল না। একটা বড়ো ইনিংস খেলা মজবুত লোকের পক্ষেও যে কী পরিশ্রমের ব্যাপার— যে খেলেনি তার পক্ষে বোঝা সহজ নয়। ১৯৩৮-এ ৩৬৪ রানের টেস্ট রেকর্ড করার পর লেন হাটন বলেছিল আবার যে কোনোদিন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলতে পারব, মনে হচ্ছিল না।

    ডন অবশ্য ফিল্ড করতে নামে। কিন্তু আবার বিপত্তি বঁাধায় ঊরুতে পেশিতন্তু ছিঁড়ে ফেলে। মাঠ থেকে নার্সিং হোম তাকে যেতে হয়। তার ফলে তিন সপ্তাহ তার খেলা বন্ধ থাকে। ওভালে পঞ্চম টেস্টের আগে ডন একটিও প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেনি। এই সময়টায় সেইংল্যাণ্ডপ্রবাসী এক ধনী অস্ট্রেলীয় ডাক্তারের গ্রামের বাড়িতে কাটায়—জনতা, ক্রিকেটার, খবরের কাগজের লোকেদের থেকে দূরে নি:সঙ্গ শান্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে, পাখি আর কাঠবিড়ালিদের ব্যস্ততার মধ্যে।

    অস্ট্রেলিয়া থেকে উদবিগ্ন টেলিগ্রাম পাঠাল ডনের স্ত্রী জেসি। কাগজে স্বামীর শরীরের খবর পড়ে ব্যস্ত হয়ে লিখেছে—ইংল্যাণ্ডে আসবে কি না। ডন টেলিগ্রামে জানাল, ওসব কিছু না। ব্যস্ত হতে হবে না।

    তারপর পঞ্চম টেস্ট ম্যাচ। অস্ট্রেলিয়া জিতল ৫৬২ রানে। ইংল্যাণ্ড ভুল করল ৪৭ বছরের ফ্র্যাঙ্ক উলিকে দলভুক্ত করে। ওরিলির বল খেলার মতো অভিজ্ঞতা তার ছিল না। উইকেট-কিপার লেসলি এমস খেলার মাঝে কোমরের ব্যথায় আক্রান্ত হয়। উলি তার জায়গা নেয় (বাই রান হয়েছিল ৩৭টি)। বাওয়েসও খেলার মধ্যে অসুখে পড়ে।

    পন্সফোর্ড ২৬৬, ব্র্যাডম্যান ২৪৪। দ্বিতীয় উইকেট পার্টনারশিপে ওরা ৪৫১ রান তুলে বিশ্বরেকর্ড করে। ৬২ বছর পর এটি ভাঙে শ্রীলঙ্কার জয়সূর্য ও মহানামা ভারতের বিরুদ্ধে ৫৭৬ রান যোগ করে।

    অস্ট্রেলিয়া ‘রাবার’ জিতল। ডন এরপর আরও দুটি শতরান করল। ফোকস্টোনে ইংল্যাণ্ড একাদশের বিরুদ্ধে ১০৫ মিনিটে অপরাজিত ১৪৯। ফ্রিম্যানের ছয় বলের একটি ওভারে তিনটি ৬ ও তিনটি ৪ নিয়ে সে৩০ রান তোলে। তারপর স্কারবরোয় লেভিসন গাওয়ারের বোলারদের (ফার্নেস, বাওয়েস, নিকলস ও ভেরিটি) বিরুদ্ধে ১৩২ রান। ব্রাউন ৩ রান করে আউট হওয়ার পর ডন খেলতে নেমে লাঞ্চের আগেই ফিরে আসে ১৩২ রান নিয়ে। সফরে তার মোট রান ২,০২০। গড় ৮৪.১৬।

    দু-সপ্তাহ পরই সারা অস্ট্রেলিয়া স্তব্ধ প্রস্তরবৎ হয়ে শুনল, ডন মারা গেছে।

    গুজবটা যদিও গুজবই কিন্তু ডন তখন গুরুতর অসুস্থ। দেশে ফেরার জন্য অস্ট্রেলীয় দল লণ্ডনে তোড়জোড়ে ব্যস্ত। তখন এক বিকেলে ডন পেটে অসহ্য যন্ত্রণা বোধ করে। ডাক্তার এলেন। পরীক্ষা করে থমথমে হয়ে গেল মুখ! পরদিন সকালেও এলেন এবং ডনকে জানালেন যন্ত্রণার কারণ অ্যাপেন্ডিসাইটিস! এখুনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

    ব্যবস্থা মানে অপারেশন। তার আগে আর একজন বড়ো ডাক্তারকে দেখানো হল। তিনিও একমত, এটা থাণ্ডারস্টর্ম অ্যাপেন্ডিসাইটিস। এখুনি অপারেশন দরকার। তাই করা হল। তা ছাড়া পাকস্থলীর আবরণ ঝিল্লির প্রদাহেও ডন ভুগছিল।

    জীবন-মৃত্যুর আলো-আঁধারিতে ডনকে কিছু সময় কাটাতে হয়েছে। সারা অস্ট্রেলিয়ায় গির্জায় গির্জায় যখন ডনের জন্য প্রার্থনা হচ্ছে তখন তার স্ত্রী অ্যাডিলেড থেকে পার্থ রওনা হয়েছে ইংল্যাণ্ডগামী জাহাজ ধরার জন্য। ১৩ হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে ৩১ দিন পর জেসি লণ্ডন পৌঁছোয়।

    লণ্ডনে ডনের ভক্তরা হাসপাতালে বার বার ফোন করে জানাচ্ছে, দরকার হলে তারা রক্ত দিতে রাজি।

    শত শত টেলিগ্রাম আসছে, এমনকী ইংল্যাণ্ডের রাজা-রানিও পাঠিয়েছেন। প্রচুর চিঠি আসছে নানান চিকিৎসা পদ্ধতি বাতলে। ডনের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয় শুধু জ্যাক হবস ও ‘প্লাম’ ওয়ার্নারকে। তাঁরা গল্প করেন ক্রিকেটের।

    ডন কিন্তু খুব ঘাবড়ায়নি। সেবিকা থার্মোমিটারে তার তাপ নিলে, ডন ঠাট্টা করত, ‘স্কোর কত হল, আজ একশো পেরিয়েছি কি?’ সেবিকার মুখ দেখে সেবুঝতে পারত অনুমানটা সঠিক করতে পেরেছে কি না।

    জেসি যেদিন লণ্ডন পৌঁছোয়, তার আগের দিন ডন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পায়। নট আউট রয়ে গেল ডন, কিন্তু এ যাত্রা আউট হতে হতে বেঁচে গেল। চোখ দুটো গোলমাল শুরু করেছে তাই পড়াশুনোর জন্য তাকে চশমা পরতে হল কিছু দিন। দেশে ফেরার আগে ডন ও জেসি লম্বা ছুটি কাটাল স্কটল্যাণ্ড ও দক্ষিণ ফ্রান্সে। ওরা যখন অস্ট্রেলিয়ায় ফিরল তখন সেখানে ক্রিকেট মরসুম। কিন্তু ডাক্তারের হুকুমে তার ক্রিকেট খেলা একদমই বারণ। দেশের বাড়ি বাওরালে গিয়ে সেক্রিকেট মরসুমটা কাটাল প্রাকৃতিক পরিবেশে।

    তিন মাস সেকোনোরকম খেলায় নামেনি শুধুমাত্র একটু-আধটু গলফ খেলা ছাড়া। গলফকে হালকা পরিশ্রমের খেলা হিসাবেই ধরা হয়। কিন্তু ডনের এমনই স্বভাব যখন যা ধরবে, গভীর মনোনিবেশে তা করবেই। একটা ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে ফেলল!

    ১৯৩৫-এ ডন সিডনি থেকে অ্যাডিলেডে এসে শেয়ার দালালির নতুন কাজে যোগ দিল আর আবার শুরু করল ক্রিকেট খেলা, তার নতুন রাজ্য সাউথ অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ১ম খণ্ড
    Next Article মতি নন্দী কিশোর সাহিত্য সমগ্র ১ম খণ্ড

    Related Articles

    মতি নন্দী

    অপরাজিত আনন্দ – মতি নন্দী

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    কলাবতী সমগ্র – মতি নন্দী

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দীর গল্পসংগ্রহ

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী কিশোর সাহিত্য সমগ্র ১ম খণ্ড

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ১ম খণ্ড

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ২য় খণ্ড

    November 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }