Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্রিকেটের রাজাধিরাজ ডন ব্র্যাডম্যান – মতি নন্দী

    মতি নন্দী এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক

    ডাক্তারের নিষেধে ১৯৩৫-৩৬-এ ডন অস্ট্রেলিয়া দলের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গেল না। সাউথ অস্ট্রেলিয়া রাজ্য দলের অধিনায়কত্ব সেগ্রহণ করল (শেফিল্ড শিল্ডে তার প্রথম অধিনায়কত্ব) এবং আবার সগৌরবে ফিরে আসার কাজে মন দিল।

    প্রথমে তার প্রাক্তন রাজ্য দল নিউ সাউথ ওয়েলসের বিরুদ্ধে করল ১১৭। অসুস্থতার পর প্রথম খেলা। প্রচন্ড লড়াই করতে হল তাকে নিজের শরীরের সঙ্গে। পেশিগুলো কিছুতেই সামঞ্জস্য রেখে কাজ করতে চাইছিল না। তার ওপর বেশিরভাগই এক রান নিতে হচ্ছিল। কিন্তু পরের খেলায় কুইন্সল্যাণ্ডের বিরুদ্ধে তার শরীর আবার হারানো ছন্দ ও সামঞ্জস্য ফিরে পায়, সহজেই সে২৩৩ রান করে।

    ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে খেলায় ডন ৩৫৭ রান করল— মেলবোর্ন মাঠে ডনের সর্বোচ্চ রান। শুরু করেছিল ধীরে, দেড়শো মিনিটে প্রথম শতরান; ১১৫ মিনিটে দ্বিতীয় ও ১২১ মিনিটে তৃতীয় শতরান; বাকি ৫৭ রান ৩০ মিনিটে।

    ডন যে আবার নিজের খেলা ফিরে পেয়েছে তাতে কারুর আর সন্দেহ রইল না। পরের খেলা নিউ সাউথ ওয়েলসের বিরুদ্ধে সেশূন্য করল।

    ডনের অধিনায়কত্বে সাউথ অস্ট্রেলিয়া অপরাজিত থেকে শেফিল্ড শিল্ড জিতল। নয় বছর পরে প্রথম জয়। ভিক রিচার্ডসন, ক্ল্যারি গ্রিমেট প্রমুখ ছয় জন প্রবীণ ও দক্ষ ক্রিকেটার দলে নেই, তবু ডন দমেনি। নতুন ছেলেদের নিয়ে শিল্ড জিতল দলের মধ্যে প্রেরণাসঞ্চার করে।

    মরসুমের শেষ খেলায় টাসমানিয়ার বিরুদ্ধে ডন করল ৩৬৯। অ্যাডিলেড মাঠের সর্বোচ্চ রান, সাউথ অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে যেকোনো ব্যাটসম্যানেরও সর্বোচ্চ রান। এই মাঠেই ৩৫ বছর আগে ক্লেম হিলের অপরাজিত ৩৬৫ রানের রেকর্ড ডন ভেঙে দিল। হিল টেলিগ্রাম পাঠালেন : ‘খুদে শয়তান, আমার রেকর্ডটি ভাঙার জন্য অভিনন্দন’। ডনের এই রাজ্য রেকর্ডটি ভাঙার চেষ্টা করেছিল ব্যারি রিচার্ডস ১৯৭০-৭১ মরসুমে পার্থে, করেছিল ৩৫৬। ডন তার ৩৬৯ রান তুলেছিল এইভাবে—

    তৃতীয় উইকেটে ডন ও হ্যামেন্স (১২১) যোগ করে ২৫৬ রান। চারটি ৬ ও ছেচল্লিশটি ৪ ছিল ডনের ইনিংসে। নিজেকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার মরসুমে ডন দুটি ত্রিশত-সহ ১,১৭৩ রান করে ১৩০.৩৩ গড় রেখে।

    ইংল্যাণ্ড ১৯৩৬-৩৭ মরসুমে অস্ট্রেলিয়ায় দল পাঠাবার তোড়জোড় করছে। ব্র্যাডম্যান যে আবার তার নিজের খেলা ফিরে পেয়ে গেছে এটা ওরা জেনেছে। তাদের বোলাররা তছনছ হবে এবং বিরাট রানের স্কোরের পিছনে তাদের ব্যাটসম্যানদের ধাওয়া করার কাজ বরাদ্দ হবে—এ সম্পর্কে ইংল্যাণ্ড নিশ্চিত। তাহলেও ইংল্যাণ্ড অখুশি হয়নি। ডনকে বাদ দিয়ে তখন ক্রিকেটের আর থাকে কী?

    ১৯৩৬-৩৭ ডনের পক্ষে গর্বের মরসুম। উডফুল অবসর নিয়েছে, রিচার্ডসন দলভুক্ত হয়নি—ডনকে অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক করা হল। একজন টেস্ট নির্বাচকের মৃত্যু হওয়ায় সেনির্বাচক পদেও অধিষ্ঠিত হল। এরপর ভূমিষ্ঠ হল ডনের প্রথম সন্তান।

    অধিকাংশ খেলোয়াড়ের মতো ডনও চেয়েছিল ছেলে হোক। ছেলেটিকে সেক্রিকেট শেখাবে, মস্ত খেলোয়াড় হবে তারই মতো। ‘গাবি’ অ্যালেনের এমসিসি দল সাউথ অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে খেলার জন্য অ্যাডিলেডে পৌঁছোবার আগের রাত্রে জেসি উপহার দিল ডনকে প্রথম সন্তান—একটি ছেলে। হইচই পড়ে গেল চারিদিকে। অভিনন্দনের বন্যা বয়ে গেল।

    কিন্তু ডাক্তার আড়ালে ডেকে নিয়ে গেলেন ডনকে। ‘মিস্টার ব্র্যাডম্যান আপনার স্ত্রী ভালো আছেন, কিন্তু ছেলেটি বঁাচবে কি না বলতে পারছি না।’

    সেই রাত্রে এমসিসি সদস্যদের নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে, ডনও উপস্থিত। আগামীকাল সেসাউথ অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কত্ব করবে আগন্তুকদের বিরুদ্ধে। এ সভায় তাকে তো হাজির হতেই হবে। পিতা হওয়ার জন্য সেখানেও তাকে অভিনন্দিত করা হল। ডন হাসিমুখে তা শুনল। কিন্তু মনের মধ্যে দুশ্চিন্তা, উদবেগ। কোনোদিন কখনো সেতার ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ, হাসিকান্নার ব্যাপারগুলি সাধারণ্যে প্রকাশ করেনি। আজও করল না। সেই সভায় কেউ জানলও না তখন কষ্টে ডনের বুক ফেটে যাচ্ছে।

    পরদিন সকালে ডনের সদ্যোজাত ছেলেটি মারা গেল। অ্যাডিলেড মাঠের পতাকা অর্ধনমিত হল খেলা শুরুর সময়। খেলার মতো অবস্থা ডনের ছিল না, তাই খেলেনি।

    হ্যামণ্ড দারুণভাবে সফরে খেলেছে। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুটি, সাউথ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেও দুটি—পর পর চার ইনিংস শতরান। কিন্তু বাকি ইংরেজ ব্যাটসম্যানরা স্পিন বোলিংয়ে সুবিধা করতে পারছে না। তাহলেও ব্রিসবেনে প্রথম টেস্ট ম্যাচ ইংল্যাণ্ড চার দিনেই জিতল ৩২২ রানে। ডন ২৪টি টেস্ট ম্যাচে অধিনায়কত্ব করে ১৪টিতে টসে হারে। তার প্রথমটি ঘটে প্রথম অধিনায়কত্বেই। এই ম্যাচে প্রথম দিনের প্রথম বলেই ইংল্যাণ্ডের ওয়ার্দিংটন ক্যাচ আউট হয় ওল্ডফিল্ডের হাতে— বোলার ম্যাককরমিক। ডনের রান ৩৮ ও ০। দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া আউট হয় ৫৮ রানে।

    ফিঙ্গলটন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে পর পর তিনটি টেস্ট ইনিংসে শতরান করে এসে ব্রিসবেনে প্রথম ইনিংসে ১০০ রান তুলে নতুন টেস্ট রেকর্ড করে। এখন রেকর্ড এভার্টন উইকসের—পর পর পাঁচটি টেস্ট ইনিংসে শতরান। চতুর্থ ও পঞ্চমটি হয় কলকাতায় ১৯৪৮-৪৯ এ।

    সিডনিতে দ্বিতীয় টেস্টে ডন আবার টসে হারল এবং অস্ট্রেলিয়াও—ইনিংস ও ২২ রানে। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে রান ৮০। দুই ইনিংসে ডনের ০ রান ও ৮২। বৃষ্টি এই দুটি পরাজয়ের কারণ। আধশুকনো চটচটে পিচে ডনের ব্যাটিং দুর্বলতা সর্বজনবিদিত। তার ওপর নবীন অধিনায়কের ঘাড়ে জাতীয় দল পরিচালনায় দায়িত্ব, মনের মধ্যে সন্তানবিয়োগের দুঃখের বোঝা।

    ডনের দল পরিচালনা নিয়ে সমালোচনা শুরু হল। দলের সদস্যদের সঙ্গে তার মতবিরোধ ও ঝগড়ার কথা রটল। শোনা গেল কেউ কেউ অসহযোগিতা করছে। ডন অস্বীকার করল সব কিছু। সর্বসম্মতিক্রমে ডন অধিনায়ক পদ পায়নি। উডফুলের সঙ্গে সঙ্গে তার প্রথম উইকেটের জুড়ি পন্সফোর্ডও অবসর নেয়। নয়তো পন্সফোর্ডই অধিনায়ক হত। বাকি থাকে দুই দাবিদার— ভিক রিচার্ডসন (ইয়ান ও গ্রেগ চ্যাপেলের দাদামশাই) এবং ডন। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে রিচার্ডসনের অস্ট্রেলীয় দল দুর্দান্তভাবে ৪-০ ম্যাচে সিরিজ জিতে এসেছে। কিন্তু তা হলেও নির্বাচকরা তাঁকে দল থেকেই বাদ দেয় যেহেতু সেদলভুক্ত হবার মতো ভালো খেলছেন না। ডন সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা— ব্যাট হাতে ডনের ক্ষমতার তুলনা হয় না, কিন্তু ভালো অধিনায়ক হবার মতো যথেষ্ট সামাজিক সেনয়। কিন্তু কিছু-একটা করব বললে ডন যে তাতে সফল হবেই, এটা আর কেউ ধর্তব্যের মধ্যে আনল না।

    আর তিনটি টেস্ট ম্যাচ বাকি। ডন কোণঠাসা। অস্ট্রেলিয়া ০-২ পিছিয়ে।

    ডন ব্র্যাডম্যান রুখে দাঁড়াল।

    অস্ট্রেলিয়া মেলবোর্নে তৃতীয় টেস্ট ম্যাচ জিতল ৩৬৫ রানে। ডন দিয়েছিল ২৭০ রানের একটি ইনিংস।

    সবাই জানে ডন বিরাট ব্যাটসম্যান। তারা এবার জানল, ডন কূটবুদ্ধিসম্পন্ন অধিনায়কও। ডন টসে জেতে। অস্ট্রেলিয়া প্রথম দিনে ৬ উইকেটে ১৮১ রান করল। নামল বৃষ্টি। দ্বিতীয় দিনে লাঞ্চের পর ৯ উইকেটে ২০০ রান উঠতেই ডন প্রথম ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে দেয় (তার রান ১৩)। উইকেটের অবস্থা খুবই খারাপ। এই উইকেটে ইংল্যাণ্ডকে উড়িয়ে দেওয়া যায় কিন্তু তাতেই আবার অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাট করতে হবে দ্বিতীয় ইনিংসে। ব্যাপারটা মোটেই সুবিধাজনক হবে না। ডন তার বোলারদের বলল, ‘উইকেট চাই না। ওরা ব্যাট করে যাক। শুধু রান ওঠা বন্ধ রাখো। এখুনি এই উইকেটে আমরা ব্যাট করতে চাই না।’

    একটু দেরিতেই অ্যালেন ডনের মতলবটা বুঝে ফেলে। ৯ উইকেটে ৭৬ রানেই সেইংল্যাণ্ডের প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে। আর আধ ঘণ্টা আগে ঘোষণা করলে অস্ট্রেলিয়া যথেষ্ট বিপদে পড়ত। অ্যালেন অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাট করতে নামাল দিনের শেষাশেষি।

    উইকেটের অবস্থা তখনও বেশ খারাপ, আকাশে মেঘ, আলোও কম। ডন বরাত ঠুকে একটা কান্ড করল। নিয়মিত দুই ওপেনারকে না পাঠিয়ে দুই বোলার ওরিলি এবং ফ্লিটউড স্মিথকে পাঠাল ব্যাট করতে।

    ডন খোলাখুলিই ফ্লিটউড স্মিথকে বলল, ‘এই উইকেটে তুমি একটি মাত্র উপায়েই নিজেকে আউট করতে পারো, যদি বল মারতে যাও। কিন্তু ভালো উইকেটেই তুমি বল মারতে পার না, কাজেই এই উইকেটে তোমার ঘাবড়াবার কিছু নেই, বল মারবার সুযোগই পাবে না।’

    ওরিলি প্রথম বলেই আউট। নামল আর এক স্পিনার ওয়ার্ড। বাকি সময়টা সেউইকেট কামড়ে পড়ে রইল। ফ্লিটউড স্মিথ অপরাজিত রইল শূন্য রানে এবং দু-দিন পর সোমবারে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু হতে সেপ্রথম বলে ব্যাট ঠেকিয়েই আউট হয়ে যায়। উইকেট ইতিমধ্যে স্বাভাবিক হয়ে ব্যাটসম্যানের সহায়ক। ডন আউট হয় পঞ্চম দিন সকালে ২৭০ রান করে। তখন সেসামান্য ‘ফ্লু’-য়ে ভুগছে। এই রানের জন্য তার সময় লাগে ৪৫৮ মিনিট। ষষ্ঠ উইকেটে সেআর ফিঙ্গলটন (১৩৬) তোলে ৩৪৬ রান। এটা আজও বিশ্ব টেস্ট রেকর্ড।

    জেতার জন্য ইংল্যাণ্ডের দরকার ৬৮৯ রান। লেল্যাণ্ড ১১১ করলেও ইংল্যাণ্ড হেরে যায় ৩৬৫ রানে। প্রথম দুটি টেস্টে পরাজয়ের পর ডন আরও ১৭ বার অধিনায়ক হয়ে আর মাত্র একটি টেস্ট ম্যাচে পরাজিত হয়েছিল, ১৯৩৮ ওভাল টেস্টে। তৃতীয় টেস্ট ম্যাচের পর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট বোর্ড কিছু ‘রটনা’ বিষয়ে ভর্ৎসনা করেছিল চারজনকে ডাকিয়ে এনে। এরা হল— ম্যাককেব, ওরিলি, ফ্লিটউড স্মিথ এবং ও’ব্রায়েন।

    চতুর্থ টেস্ট ম্যাচ অ্যাডিলেডে। যদি অস্ট্রেলিয়া এটি হারে তা হলে ‘রাবার’ হারবে। ডন দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করল ৪৩৭ মিনিট ধরে তার ২১২ রানের জন্য। সেজানে, বড়ো রান তাকে করতেই হবে, নয়তো জেতার আশা নেই। তাই সাবধানে, সময় নিয়ে, খুঁটে খুঁটে রান তুলল। ২১২ রানে চার মাত্র ১৪টি। অসাধারণ সংযত এই ইনিংসে সেএক বারও তার বিখ্যাত হুক স্ট্রোক ব্যবহার করেনি। ইংল্যাণ্ডের বিরুদ্ধে এটি তার সপ্তম দ্বিশত রান।

    ইংল্যাণ্ড ৩৮২ রান তুলে টেস্ট ম্যাচটি জেতার জন্য খেলা শুরু করে ১৪৮ রান তুলল তিন উইকেটে। খেলা তখন ষষ্ঠ দিনে, হ্যামণ্ড দারুণভাবে ব্যাট করে যাচ্ছে। সাত উইকেটে ২৩৪ রান তোলা কিছু অসম্ভব নয় ইংল্যাণ্ডের পক্ষে। ডনের কপালে উদবেগের রেখা ফুটে উঠল। পরাজয় বোধ হয় আর এড়ানো গেল না। হ্যামণ্ড, একমাত্র হ্যামণ্ডই হচ্ছে সবথেকে বড়ো সমস্যা।

    ফ্লিটউড স্মিথের হাতে বলটি তুলে দিয়ে ডন তাকে বলল, এই ম্যাচের ভাগ্য তোমার হাতে তুলে দিলাম। তাই শুনে কী যে হয়ে গেল এই ল্যাটা গুগলি বোলারটির! তার ফ্লাইট করা বল, হ্যামণ্ড ফরোয়ার্ড খেলতে পা বাড়াল। বলটি অফ স্টাম্পের বাইরের দিকে ভেসে গিয়ে মাটিতে পড়েই স্পিন করে ঢুকে এল প্যাড ও ব্যাটের ফাঁক দিয়ে। হ্যামণ্ড বোল্ড। শুধু ম্যাচটিরই নয়, সিরিজের ভাগ্যও নির্ধারিত হয়ে গেল ওই একটি বলে। ইংল্যাণ্ড ১৪৮ রানে হেরে গেল। এখন সিরিজের ফল ২-২।

    পঞ্চম টেস্ট ম্যাচ মেলবোর্নে। ডন টসে জিতল এবং প্রথম দিনে অস্ট্রেলিয়ার হল তিন উইকেটে ৩৪২ রান। তৃতীয় উইকেট জুড়িতে ডন ও ম্যাককেব তুলল ২৪৯ রান। পরদিন ডন ১৬৯ রানে বোল্ড ফার্নেসের বলে মোট ২১০ মিনিট ব্যাট করে। এক বারের জন্যও সেজমি থেকে তুলে বল মারেনি। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে উঠল ৬০৪ রান। ইংল্যাণ্ড ২৩৯ রান করে ফলো অনে বাধ্য হয় এবং শেষ পর্যন্ত ইনিংস ও ২০০ রানে হেরে যায়। ০-২ পিছিয়ে থেকে অস্ট্রেলিয়া ৩-২ ম্যাচে সিরিজ জেতে এবং অ্যাসেজও।

    ডন দুটি শূন্য করলেও মরসুমে একশোর উপর ইনিংস ছয়টি, তার মধ্যে তিনটি দ্বিশতের। সিরিজে ৯ ইনিংসে ৮১০ রান, ৯০ গড় এবং শতাধিক রানের ইনিংস তিনটি। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়করূপে প্রথম সিরিজে ডন সফল হয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ১ম খণ্ড
    Next Article মতি নন্দী কিশোর সাহিত্য সমগ্র ১ম খণ্ড

    Related Articles

    মতি নন্দী

    অপরাজিত আনন্দ – মতি নন্দী

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    কলাবতী সমগ্র – মতি নন্দী

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দীর গল্পসংগ্রহ

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী কিশোর সাহিত্য সমগ্র ১ম খণ্ড

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ১ম খণ্ড

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ২য় খণ্ড

    November 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }