Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্রিকেটের রাজাধিরাজ ডন ব্র্যাডম্যান – মতি নন্দী

    মতি নন্দী এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. ইংল্যাণ্ডে তৃতীয় বার

    ডন যখন অস্ট্রেলীয় দল নিয়ে ১৯৩৮-এ ইংল্যাণ্ডে এল তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কালোছায়া ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ছে। জাহাজে আসার সময় নেপলস বন্দরে তারা গুনল ৩৬টি ডেস্ট্রয়ার, ৮টি ক্রুজার ও ৭২টি সাবমেরিন। ডকের ধারে কুচকাওয়াজে ব্যস্ত নাবিকরা। লণ্ডনে পার্কে ও খেলার মাঠে বিমান আক্রমণ আশ্রয়স্থল তৈরি হচ্ছে, ট্রেঞ্চ খোঁড়া হয়েছে।

    তাই বলে খেলার মাঠে দর্শকের কমতি হল না। অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটারদের খেলা দেখতে মাঠ ঠিকই ভরে গেল। বলা বাহুল্য, প্রধান আকর্ষণ ডন। ইংল্যাণ্ডে তখন সেঅসম্ভব খ্যাতিমান। ‘হুজ হু’ পরিচিতি গ্রন্থে ডনের জন্য তখন ২১ লাইন বরাদ্দ অর্থাৎ হিটলারের থেকে আট লাইন কম, স্ট্যালিনের থেকে সতেরো লাইন বেশি। ডনের পায়ে পায়ে তখন ছেলের পাল ঘোরে। রাস্তায় লোকজন দাঁড়িয়ে গিয়ে তাকায়। হোটেলে অনেকেই দেখা করতে আসে পুরোনো বন্ধুর ভান করে।

    জাহাজে ডন ফ্লু-তে আক্রান্ত হয়ে বেশিরভাগ সময় বিছানাতেই কাটায়। তার উপর এক দুর্ঘটনা, দলের সবথেকে ছোটো সিডনি বার্নেস পিছল ডেকে পড়ে গিয়ে কবজির হাড় ভাঙে জিব্রাল্টারে। জুনের শেষে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বার্নেস সফরে প্রথম ব্যাট করে। জাহাজে অসুস্থ হয়ে বিছানায় কাটালেও ডন মানসিক বিশ্রাম নেয়নি। কাগজ-পেনসিল নিয়ে বোলিং প্ল্যান ছকেছে, ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের স্কোর আর কীভাবে তারা আউট হয়েছে তাই নিয়ে বিশ্লেষণ করেছে, বিভিন্ন ধরনের উইকেটে ও বিভিন্ন ধরনের বোলারের বিরুদ্ধে তাদের দক্ষতা সম্পর্কিত রিপোর্টও গভীর মনোযোগে পড়েছে। জাহাজে সামাজিকতা রক্ষার জন্য মেলামেশার থেকেও তার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছিল এই কাজগুলি করা।

    ডন ইংল্যাণ্ডে খেলতে ভালোবাসে। অস্ট্রেলিয়ার থেকে ইংলিশ উইকেট মন্থর। তার ব্যাটিং প্রধানত পিছিয়ে গিয়ে খেলার ওপরই ভিত্তি করে, ফলে মন্থর উইকেট তার স্টাইলেরই উপযোগী। ইংল্যাণ্ডের মৃদু কোমল আলোয় বল দেখতেও তার সুবিধা হয়।

    যথারীতি সফরের প্রথম খেলা উরস্টারে। প্রথম দুটি সফরের মতো ডন এবারও সফর শুরু করল দ্বিশত রান দিয়ে। ২৯০ মিনিটে ২৫৮ রান, তাতে ৩৩টি চার। উরস্টারশায়ারের বিরুদ্ধে প্রথম দুটি সফরে করেছিল ২৩৬ ও ২০৬। এই ত্রি-সাফল্যের জন্য সেখানকার এক চিনামাটির দ্রব্যনির্মাতা বিশেষ এক ফুলদানি তৈরি করে ডনকে উপহার দেয়। সেটির একদিকে আঁকা আছে উরস্টার মাঠের ছবি— দর্শকরা, নদীতীরের গাছের সারি, অনবদ্য উরস্টার ক্যাথিড্রাল এবং উইকেটে ব্যাটিংরত ডন ব্র্যাডম্যান। অন্য দিকে উৎকীর্ণ আছে প্রশংসাবাক্য।

    সফর শুরু করে ২৭ মে পর্যন্ত ডন সাতটি ম্যাচে এক ইনিংস করে খেলে সাত ইনিংসে করে ১,০২১ রান। মরসুমের শুরু থেকে মে মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে হাজার রান এখন পর্যন্ত সাত জন পূর্ণ করতে পেরেছে। কিন্তু ডনের মতো দু-বার (১৯৩০ ও ১৯৩৮) কেউ পারেনি। অন্য ছয় জন হলেন— গ্রেস (১৮৯৫), টম হেওয়ার্ড (১৯০০), ওয়ালি হ্যামণ্ড (১৯২৭), চার্লি হ্যালোজ (১৯২৮), বিল এডরিচ (১৯৩৮) ও গ্লেন টার্নার (১৯৭৩)। এঁদের মধ্যে গ্রেস, হ্যামণ্ড ও হ্যালোজ ছাড়া বাকি সবাই এপ্রিল থেকে ব্যাটিং শুরু করেন। গ্রেস সবথেকে দ্রুত, ২২ দিনে হাজার রান করেন।

    ডনের ১৯৩৮-এর স্কোর : ২৫৮, ৫৮, ১৩৭, ২৭৮, ২, ১৪৩ ও ১৪৫ = ১,০২১ রান। ডনের হাজার রান পূর্ণ হয় হ্যামশায়ারের সঙ্গে খেলায়। ১৯৩০-এর মতো এবারও বৃষ্টি সম্ভাবনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তাকে এই সাফল্য অর্জন করতে হয়েছে। পরের ম্যাচ মিডলসেক্সের সঙ্গে। তাদের বিল এডরিচের এখন পর্যন্ত ৯৮১ রান ১৩ ইনিংস খেলে। প্রথমে অস্ট্রেলিয়া তারপর মিডলসেক্স ব্যাট করে এবং এডরিচ ৯ রান করে আউট হয়। আর মাত্র দশটি রান যদি দ্বিতীয় ইনিংসে পায় তাহলে সেঅসাধারণ সম্মান অর্জন করবে।

    কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংস খেলার সুযোগ মিডলসেক্স পাবে কি! নির্দয় কঠিন চরিত্ররূপে অভিহিত ডন ওকে সুযোগ দেবার জন্য অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে দিল মাসের শেষ দিনে ৩১ মে। দর্শকরা প্রথমে ব্যাপারটা বুঝতে পারেনি। তারা চেঁচামেচি করে ডনের আদ্যশ্রাদ্ধ শুরু করে দেয়। তারপর যখন বুঝল ডন কেন ইনিংস ঘোষণা করেছে, তখন আবার চিৎকার ডনকে সাধুবাদ জানিয়ে। এডরিচের প্রতিটি স্ট্রোকে তারা উল্লাসে ফেটে পড়তে লাগল। শেষ পর্যন্ত সেঅপরাজিত রইল ২০ রানে। অর্থাৎ ৩১ মে এডরিচের ১,০১০ রান।

    এই খেলাতেই ডনের পিঠে আবার যন্ত্রণা শুরু হয়। ডাক্তারের উপদেশে প্রথম টেস্ট ম্যাচ পর্যন্ত সেবিশ্রাম নেয়। অবশ্য তখন সেজানত না এই যন্ত্রণাটাই তার খেলোয়াড় জীবনকে সংক্ষেপিত করবে। তবে প্রথম টেস্ট পর্যন্ত বিশ্রাম নেওয়াটা ভালোই হয়েছিল, কেননা তার সহনশক্তি ও মনোনিবেশ ক্ষমতা আবার যাচাই হয় এই টেস্ট ম্যাচে।

    নটিংহামে নিখুঁত ব্যাটিং উইকেটে হ্যামণ্ড টসে জেতে। মাত্র এক রানের জন্য চার্লি বার্নেট রেকর্ড বইয়ে তিন অস্ট্রেলীয়— ট্রাম্পার, ম্যাকার্টনি ও ব্র্যাডম্যানের পাশে নিজেকে রাখতে পারেনি। টেস্ট ম্যাচের প্রথম দিনে লাঞ্চের আগে বার্নেট ৯৯ রানে অপরাজিত থাকে। অস্ট্রেলীয়রা তাকে কিছুতেই শতরান পূর্ণের জন্য একটি রান করতে দেয়নি।লাঞ্চের পর অবশ্য বার্নেট ১২৬ রান করে আউট হয়। হাটন ও কম্পটনের এটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলা। এরা দুজনেই শতরান করে যথাক্রমে ১০০ ও ১০২ এবং তারপরও এডি পেন্টার ২১৬ রানে অপরাজিত থাকে। ইংল্যাণ্ড ইনিংস হ্যামণ্ড ৮ উইকেটে ৬৫৮ রানে ঘোষণা করে দেয়।

    অস্ট্রেলিয়া জবাব দিল ৪১১ রান করে। ২৪৭ রানে পিছিয়ে অর্থাৎ ফলো অন এড়ানো গেল না। ডন করেছিল ৫১ কিন্তু স্ট্যানলি ম্যাককেবের ২৩২, ডনের মতে স্তম্ভিতকারী ইনিংস, এমন অসাধারণ ব্যাটিং আর কখনো দেখা যায়নি। অস্ট্রেলিয়া ছয় জনকে হারিয়ে ১৯৪, ম্যাককেবকে খেলতে হয়েছিল উইকেট-কিপার বেন বার্নেট ও তিন বোলার ওরিলি, ম্যাককরমিক ও ফ্লিটউড স্মিথকে জুড়ি নিয়ে। যতক্ষণ সেউইকেটে ছিল অস্ট্রেলিয়ার ওঠে ৩০০ রান, তার মধ্যে ২৩০ মিনিটে তার নিজেরই ২৩২। তাতে ৩৪টি চার ও ১টি ছয় অর্থাৎ ১৪২ রান এসেছিল ৩৫টি স্ট্রোক থেকে। খেলা দেখতে দেখতে ডন আর পারছিল না মাঠের দিকে তাকাতে। অকল্পনীয় অসম্ভব ব্যাটিংয়ের মহিমায় তার দু-চোখ জলে ভরে গেছল। নেভিল কার্ডাস তাঁর অনুপম গদ্যে ডনের মতো একই কথা বলেছেন :

    হৃদয় আলোড়নকারী ক্রিকেট। তার ব্যাটের নিখুঁত স্পর্শ নান্দনিক বোধকে নাড়া দেয়। ম্যাককেব ইংলিশ আক্রমণকে ধ্বংস করে আভিজাত্যিক বিনয় সহকারে, সুরুচি দ্বারা।

    ডগলাস রাইটের তিন ওভারে ম্যাককেব নেয় ৪৪ রান এবং শেষদিকে ৭২ রান করে ২৮ মিনিটে, শেষ উইকেটে যোগ করে ৭৭ রান। তবু ফলো অন এড়ানো গেল না। জয়ের জন্য নয়, ম্যাচ বঁাচানোর জন্য এবার ডনকে খেলতে হবে। উইকেটে ক্ষয় ধরেছে, বোলারদেরই প্রাধান্য এখন। ম্যাচের শেষ পর্যন্ত ডন ব্যাট করল অসাধারণ সংযমে, প্রকৃতি-বিরুদ্ধ রক্ষণাত্মক মেজাজে নিখুঁত টেকনিকে, শুধু দলের মর্যাদা রক্ষার জন্য। তাকে যোগ্য সাহচর্য দেয় বিল ব্রাউন ১৩৩ রান করে। এমন ডনকে লোকে আগে কখনো দেখেনি। সারাদিন ব্যাট করে ১৪৪ রানে অপরাজিত। পিঠের ব্যথাটাও আবার চাগিয়ে উঠেছে। পিচ থেকে ধুলোর কণা চোখে গিয়ে চোখ করকর করছে। কিন্তু ম্যাচ তাকে বঁাচাতেই হবে। অত্যন্ত বিরক্তিকর ইনিংস সেখেলল, যে-খেলা দর্শকরা দ্রুত মন থেকে তাড়িয়ে দিতে পারলে হাঁফ ছাড়বে। কিন্তু ডনের কাছে এই ইনিংস তার সেরাগুলির অন্যতম, বীরত্ব ব্যঞ্জনায় শ্রেষ্ঠত্বের থেকে কোনোমতেই ন্যূন নয়। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ৪২৭ রান করার পর খেলা শেষ হয়।

    লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচও অমীমাংসিত রয়ে যায়। দ্বিতীয় ইনিংসে ডন ১০২ রানে অপরাজিত থাকে ১৪০ মিনিট ব্যাট করে। এই শতরান পর পর পাঁচটি টেস্ট ম্যাচে তার পঞ্চম শতরান। তা ছাড়া তখন ইঙ্গ-অস্ট্রেলীয় দুই দেশের মধ্যে টেস্ট খেলায় জ্যাক হবসের ৩,৬৩৬ মোট রানের রেকর্ডটিও ডন অতিক্রম করে। এই টেস্টে হ্যামণ্ড ২৪০ করে এবং অস্ট্রেলিয়ার ৪২২ রানের প্রথম ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যাট করে বিল ব্রাউন ২০৬ রানে অপরাজিত থেকে যায়। দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যাণ্ডের অর্ধেক ব্যাটসম্যান ৭৬ রানে ফিরে আসার পর তরুণ কম্পটন অসাধারণভাবে ৭৬ রান না করলে হয়তো অস্ট্রেলিয়া জেতার সুযোগ পেত। ইংল্যাণ্ড করে ৮ উইকেটে ২৪২। প্রসঙ্গত বলে রাখি, লর্ডস প্যাভিলিয়নে বসেই ডন প্রথম টেলিভিশন সেট চোখে দেখে। দেখেছিল উইম্বলডন টেনিস। টিভি-র তখন শৈশবকাল।

    তৃতীয় টেস্ট ম্যাচটি শুরুই হল না। মাঠে একটা বলও পড়ল না। দুই অধিনায়ক টস করারও দরকার বোধ করল না। কারণ বৃষ্টি, অবিশ্রান্ত অঝোরে দিনের পর দিন বৃষ্টি। তৃতীয় টেস্টম্যাচের স্থান? অবশ্যই ম্যাঞ্চেস্টার ছাড়া আর কোথায়ই-বা হবে!

    লিডসে চতুর্থ টেস্ট ম্যাচ। ডনের মতে, আধুনিক কালে অন্যতম সেরা টেস্ট ম্যাচ। ভালো পিচে ইংল্যাণ্ডের প্রথম ইনিংস শেষ হল ২২৩ রানে। আকাশে ঘন মেঘ জমে উঠছে। বৃষ্টি আসবে। আসবেই। এইবার অধিনায়ক ডনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়। আলো কম বটে কিন্তু উইকেটের অবস্থা ভালো, বৃষ্টির পর আলো ভালো হবে বটে কিন্তু উইকেট খারাপ হবে—তাহলে কোন অবস্থায় ব্যাটিং শ্রেয়? ডন ঠিক করল প্রথম অবস্থাটিরই সুযোগ নেওয়া ভালো। ব্যাটসম্যানদের প্রতি তার নির্দেশ : ‘আর যাই করো, আলো কম হওয়ার জন্য আবেদন কোরো না।’

    রীতিমতো অন্ধকারেই অস্ট্রেলিয়া ব্যাট করেছিল। মাঠের মাঝ থেকে ওরা দেখতে পাচ্ছিল গ্যালারিতে দেশলাই জ্বালানো আগুনের শিখা। প্রেসবক্সে এক সাংবাদিক তো রেগে বলেছিল, ‘অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা যদি আপিল না করে তো আমিই করব। আমি নিজের লেখাই দেখতে পাচ্ছি না।’

    অন্ধকারে ডন প্রায় তিন ঘণ্টা ব্যাট করে ১০৩ রান করে। এক সাংবাদিক লিখল, ‘পিকাডিলিতে মোমবাতির আলোয়ও ডন শতরান করবে।’ পর পর ছয়টি টেস্টে হল ছয়টি শতরান। পরের টেস্ট ওভালে ডন ব্যাট করেনি এবং তারপরই আবার সেপর পর দুটি টেস্টে দুটি শতরান করে (১৯৪৬-৪৭ অস্ট্রেলিয়া)। লিডসে অস্ট্রেলিয়া ১৯ রানে এগিয়ে ২৪২ রানে ইনিংস শেষ করে। ইংল্যাণ্ডের দ্বিতীয় ইনিংস ১২৩ রানে শেষ হওয়ার পরই আবার আকাশে ঝঞ্ঝামেঘ দেখা দিল। ঝড়-বৃষ্টি এখনি শুরু হবে। ডন নির্দেশ দিল, পেটাও, রান তাড়া করো। ১০৫ রান সংগ্রহের জন্য ব্যাটসম্যানরা তাই শুরু করল। রান উঠছে উইকেটও পড়ছে। খেলা ধীরে ধীরে উত্তেজনায় কাঁপতে শুরু করল। প্রকৃতির সঙ্গে রেষারেষি করে ইংলিশ প্রতিরোধ ভেঙে জয় সম্ভব হবে কি হবে না। দুটি টেস্ট অমীমাংসিত, একটি পরিত্যক্ত, আর একটির খেলা বাকি, সুতরাং এই টেস্টের বিজয়ীর ‘রাবার’ হারাবার ভয় অন্তত থাকবে না। লিডসে জিতলে অস্ট্রেলিয়ার কাছেই ‘অ্যাশেজ’ থাকবে।

    অস্ট্রেলিয়া জিতল পাঁচ উইকেটে ১০৭ রান তুলে। ম্যাচে ওরিলি পায় ১০ উইকেট ১২২ রানে। ডন করে ১৬ রান। শেষদিকে উত্তেজনা এমন পর্যায়ে পৌঁছোয় যে সেআর খেলার দিকে তাকাতেই পারছিল না। ডেসিং রুমে বসে কিছু-একটা কাজে ব্যস্ত থাকার জন্য গাদা গাদা রুটি আর জ্যাম চিবোতে শুরু করে আর বাইরে থেকে একজন রিলে করে তাকে বলে যায় খেলার কী অবস্থা। এত নার্ভাস সেজীবনে হয়নি।

    কিন্তু ওভালে ‘টাইমলেস’ শেষ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জন্য অপেক্ষা করছিল অকল্পনীয়, টেস্ট ইতিহাসের বিরাটতম পরাজয়—ইনিংস ও ৫৭৯ রানে। এমন বিপুল ইনিংস হার এখনও কোনো দেশের বরাতে জোটেনি।

    এই ওভাল টেস্ট, হাটনের টেস্ট। ২২ বছরের ইয়র্কশায়ার ওপেনিং ব্যাটসম্যান ১৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট (তখনকার উইকেটে থাকার রেকর্ড) ব্যাট করে বিশ্ব টেস্ট রেকর্ড স্থাপন করে ৩৬৪ রানের। আগের রেকর্ড ছিল ডনেরই ৩৩৪। বিশ্ব টেস্ট রেকর্ড হল সর্বোচ্চ ইনিংস রানের ও ইংল্যাণ্ড ৭ উইকেটে ৯০৩। (৫৮ বছর পর শ্রীলঙ্কা এই রেকর্ড ভাঙে ভারতের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে ৯৫২ রান করে।) পার্টনারশিপে ইংল্যাণ্ডের রেকর্ড হল—দ্বিতীয় উইকেটে হাটন-লেল্যাণ্ড ৩৮২ রান; ষষ্ঠ উইকেটে হাটন-হার্ডস্টাফ ২১৫ রান। তার নিখুঁত ইনিংসে হাটন শুধু ৪০ রানের মাথায় ফ্লিটউড স্মিথের বলে স্টাম্পিং সুযোগ দিয়েছিল। টেস্ট ইতিহাসের সবথেকে দামি সুযোগ!

    হাটন যখন ৩৩৪ রানের দিকে এগোচ্ছে তখন ডন সিলি মিড-অফে এসে দাঁড়ায়। অনবদ্য কাট করে হাটন ৩৩১ থেকে ৩৩৫-এ পৌঁছোতেই ডন সর্বপ্রথম হাত বাড়িয়ে দেয় অভিনন্দন জানাতে। ৩০ হাজার দর্শক গেয়ে ওঠে ‘ফর হি ইজ এ জলি গুড ফেলো’। এই টেস্টে ইংল্যাণ্ড দলে ইয়র্কশায়ারের পাঁচ জন মিলে ৬১২ রান করে ও ১০টি উইকেট পায়। তাদের উইকেটকিপার উড তিনটি ক্যাচ ধরে ও ৫৩ রান করে।

    খেলার তৃতীয় দিন লাঞ্চের পর ক্লান্ত বোলারদের রেহাই দেবার জন্য ডন নিজে বল করতে এল। ১৯৩০-এর পর ইংল্যাণ্ডের মাঠে এই তার প্রথম বল-করা। দ্বিতীয় বলটি করার সময় বোলারদের পায়ে তৈরি গর্তে তার পা ঘুরে গিয়ে পায়ের গোছের একটা হাড় সামান্য ভাঙল। তাকে তুলে নিয়ে যেতে হল মাঠ থেকে। তৃতীয় দিন চা পানের পর হ্যামণ্ড যখন শুনল ডন ব্যাট করতে পারবে না তখনই নিশ্চিন্ত হয়ে ইনিংস ঘোষণা করে। হ্যামণ্ড জানত, এই সহজ ব্যাটিং উইকেটে ডনের প্রতিভাকে দমিয়ে রাখার সাধ্য তার বোলারদের নেই। নশো রানের মোকাবিলা করতে ডন যে কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠবে কেউ তা জানে না।

    এই টেস্টে ডন ব্যাট ধরেনি। পায়ের পেশি জখম করে ফিঙ্গলটনও মাঠ থেকে ফিরে এসেছে। মনমরা অস্ট্রেলিয়ার দল ভেঙে পড়ল ২০১ এবং ১২৩ রানে। সিরিজের ফল ১ : ১। ডন সফরের বাকিটুকুতে আর খেলতে পারেনি। তার হাঁটা বারণ, এমনকী বিলিয়ার্ডস খেলা পর্যন্ত। মিডলসেক্সের ও ইংল্যাণ্ডের বিখ্যাত বোলার ওয়াল্টার রবিন্সের বারনহামের বাড়িতে সেবিশ্রাম নেয় তাস খেলে, পিয়ানো বাজিয়ে আর চিঠির উত্তর দিয়ে। দেশের বাইরে ডনের এই প্রথম সফর অধিনায়কের দায়িত্ব নিয়ে। দায়িত্বের চাপটা যে কী প্রচন্ড তা সেভালোভাবেই বুঝেছে। প্রায়শই তার মনে হত, ভবিষ্যতে এইরকম আর একটা সফরে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে আর সেপারবে না। দেশে ফিরে বড়োজোর আর একটা টেস্ট সিরিজ, তারপরই অবসর।

    কিন্তু দশ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে সবথেকে মর্যাদাপূর্ণ, অজেয় সফরের নেতৃত্ব দেবার জন্য ডন আবার ইংল্যাণ্ডে ফিরে এসেছিল।

    ডন ১৯৩৮ ইংল্যাণ্ড সফরে ২৬ ইনিংস খেলে সংগ্রহ করে ২,৪২৯ রান। আজ পর্যন্ত কোনো বিদেশি দলের কেউ ইংল্যাণ্ডের মাঠ থেকে এত রান বা ১৩টি শতরান (তাতে তিনটি দ্বিশত) তুলতে পারেনি। ডনের গড় হয় ১১৫.৬৬ রান। ইংল্যাণ্ডে একটি মরসুমে ১৫টির বেশি ইনিংস খেলেছে এমন কোনো ব্যাটসম্যান এখনও পর্যন্ত এই গড় স্পর্শ করতে পারেনি। এই মরসুমে ইংল্যাণ্ডে সবথেকে বেশি মোট রান করে হ্যামণ্ড, ৪২ ইনিংসে ৩,০১১ রান; ৭৫.২৭ গড়। ১৯৩৮-এ ডন ইংল্যাণ্ডে ১৩টি শতরান করে ১৯টি ম্যাচে। দশ বছর পর ফিরে এসে ১৯৩৮-এর মোট রান থেকে সেমাত্র একটি রান ও দুটি শতরান কম করে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ১ম খণ্ড
    Next Article মতি নন্দী কিশোর সাহিত্য সমগ্র ১ম খণ্ড

    Related Articles

    মতি নন্দী

    অপরাজিত আনন্দ – মতি নন্দী

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    কলাবতী সমগ্র – মতি নন্দী

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দীর গল্পসংগ্রহ

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী কিশোর সাহিত্য সমগ্র ১ম খণ্ড

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ১ম খণ্ড

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ২য় খণ্ড

    November 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }