Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্রিকেটের রাজাধিরাজ ডন ব্র্যাডম্যান – মতি নন্দী

    মতি নন্দী এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৮. শেষ সফর

    অধিনায়কের থেকে যদি দলে তার অধীনস্থ কয়েক জনের খেলার বয়স বেশি হয় তাহলে অধিনায়কের যে কী অসুবিধা হয় সে-অভিজ্ঞতা ডনের আছে। কিন্তু ১৯৪৮-এর ইংল্যাণ্ড সফরের জন্য দলে ৪০ বছর বয়সি ডনই সর্বজ্যেষ্ঠ। দলের কেউ তার বিচারবুদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন তুলবে এমন ভয় নেই। স্বচ্ছন্দ মুক্ত মেজাজে সেতার সৃজনশীল ক্ষমতা ও ব্যক্তিগত বিচারবোধকে প্রয়োগ করতে পারবে। ডন এমনটিই চেয়েছিল। এমন একটি দল, যাদের শ্রদ্ধা ও আনুগত্য প্রশ্নাতীত হবে, যারা তাকে পিতার মতো অনুভব করবে, উপদেশে কান দেবে, নির্দেশ মেনে চলবে এবং প্রশ্ন তুলবে না।

    ডনের ধারণা, যে ক-টি দলের সঙ্গে সেইংল্যাণ্ড সফর করেছে, টেকনিক্যাল দিক থেকে ১৯৪৮ দলটিই তার মধ্যে সেরা। দলে আছে দুজন ওপেনিং ব্যাটসম্যান বার্নেস ও মরিস, তার সঙ্গে বিল ব্রাউন; তারপর ডন নিজে, হ্যাসেট, হ্যামেন্স, হার্ভে, অলরাউণ্ডার মিলার ও লক্সটন; বোলার লিণ্ডওয়াল, জনসন, ম্যাককুল, রিং ও টোশাক; উইকেট-কিপার ট্যালন ও স্যাগার্স।

    অস্ট্রেলীয় দলকে নিয়ে জাহাজ ১৯ মার্চ নোঙর তুলল পারথ বন্দর থেকে, ইংল্যাণ্ডের টিলবেরি বন্দরে পৌঁছোল ১৬ এপ্রিল। এর মাঝে তাদের সই করতে হয়েছে দলের ৫ হাজার গ্রূপ ছবিতে। খেলেছে কলম্বোয়। বোম্বাইয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি অ্যান্টনি ডি মেলো, বিজয় মার্চেন্ট প্রভৃতি ব্যক্তিরা জাহাজে এসে ডনকে ভারতীয় ব্লেজার ও দলের অন্যান্য সদস্যদের টাই উপহার দেন। জাহাজে তার দলের অন্যান্যদের সঙ্গে ট্যাকটিকস বিষয়ে আলোচনা ছাড়াও আর একটি ব্যাপার ডন তাদের মনের গভীরে গেঁথে দেয়—এই দল অপরাজিত থাকার ক্ষমতা রাখে।

    এ পর্যন্ত কোনো অস্ট্রেলীয় দল সফরে অপরাজিত থাকেনি। ডন চেয়েছিল ১৯৪৮ সফরে অপরাজিত থাকতে। তার বিদায় মরসুমটিকে স্মরণীয় করে রাখতে।

    যথারীতি লাঞ্চ, ডিনার, বক্তৃতা, সংবর্ধনা ইত্যাদির পালা শেষ হয়ে ক্রিকেট শুরু হল। শুধু শেষ হল না চিঠির জবাব এবং স্বাক্ষর দেবার পালা।

    ১৯৩৮ সফরে টেস্ট ম্যাচ বাদে অন্য সব ম্যাচে টস করার সময় ডন ‘টেইল’ ডেকেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সফল হয়েছে। কিন্তু ব্যর্থ হয় প্রতিটি টেস্টে। ১৯৪৮ সফরে সেস্থির করে টেস্টসমেত সব ম্যাচেই ‘হেড’ ডাকবে। উরস্টারের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ। ডন ‘হেড’ ডাকল এবং টসে হেরে গেল। গত তিনটি সফরে উরস্টারে প্রথম খেলায় ডন দ্বিশত রান করেছে, এবারে করল ১০৭। লেস্টারসের সঙ্গে দ্বিতীয় ম্যাচে ৮১। পরের ম্যাচ ইয়র্কশায়ারের সঙ্গে, ডন খেলল না। শরীরের কথা ভেবে এবং ক্ষমতা মজুত রাখার জন্য ডন এই সফরে অনেকগুলি ম্যাচ খেলেনি বা একটি ম্যাচে দুই ইনিংসে খেলা এড়িয়ে গেছে। তখনও তার পিঠে ব্যথা রয়েছে।

    ইংল্যাণ্ডের আবহাওয়ায় ও মাঠে বেডসার কেমন বল করে এটা জানতে ডন উদবিগ্ন ছিল। ওভালে সারের বিরুদ্ধে ১৪৬ করার পর ডন বোল্ড হয় বেডসারের বলে। হুবহু সেই ধরনেরই বল, যা গত বছর অ্যাডিলেড টেস্টে তাকে ০ রানে ফিরিয়ে দিয়েছিল। লেগ স্টাম্পে পড়ে ছিটকে আসে অফ স্টাম্পে। হ্যাসেটও শতরান করার পর বেডসারের ঠিক এই বলেই বোল্ড হয়। সঙ্গে সঙ্গে ডন অনুভূতিবশেই বুঝে যায়, টেস্ট ম্যাচে এই বোলারটিই অস্ট্রেলিয়ার ভয়ের কারণ হবে।

    সাউথ এণ্ড-এ এসেক্সের সঙ্গে খেলা। অস্ট্রেলিয়া প্রথম দিনে তুলল ৭২১। একদিনে এত রান আজও বিশ্বরেকর্ড। ডন করে ১৮৭ রান। দ্বিতীয় দিনে এসেক্সকে দু-বার আউট করে দিয়ে অস্ট্রেলিয়া বুঝিয়ে দেয়, ব্যাটিংয়ে ও বোলিংয়ে এই দল অসাধারণ ক্ষমতা ধরে। লর্ডসে এমসিসি-র বিরুদ্ধে ডন করল ৯৮ এবং ইনিংসে পরাজিত হয় এমসিসি। ল্যাঙ্কাশায়ারের বিরুদ্ধে বৃষ্টিভেজা উইকেটে দুই ইনিংসে ডনের উইকেট পায় ল্যাটা স্পিনার ১৯ বছরের হিলটন। ডন করে ১১ ও ৪৩। হিলটনের এটি প্রথম ম্যাচ খেলা। সারা ইংল্যাণ্ডে মাতামাতি শুরু হল ছেলেটিকে নিয়ে। কয়েকটি কাগজ লিখল, এখুনি একে টেস্ট খেলানো হোক। হিলটন পরে চারটি টেস্ট খেলে ১৪ উইকেট পায় গড় ৩৩.৬৪ রানে—দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারতের বিরুদ্ধে। তারপর ওকে সবাই ভুলে যায়। এরপর ডন নটিংহামের বিরুদ্ধে ৮৬ ও সাসেক্সের বিরুদ্ধে ১০৯ করে। এবার নটিংহামে প্রথম টেস্ট ম্যাচ।

    নটিংহামের আকাশে মেঘ, উইকেট তাজা ঝকঝকে। প্রথম টেস্ট ম্যাচের শুরুর মুহূর্তে ডন টস হেরে ড্রেসিং রুমে এসে বলল, ‘এটা বোধ হয় জীবনের সবথেকে পয়া হার হয়েছে।’ চমৎকার উইকেট, বাতাসে বৃষ্টির আমেজ। শুরুতেই মিলার উড়িয়ে দিল হাটনের মিডল স্টাম্প। দিনের শেষদিকে ইংল্যাণ্ড ইনিংস শেষ হল ১৬৫ রানে।

    দ্বিতীয় দিনে মরিস ফিরে আসার পর ডন খেলতে নামে। হ্যাসেটের সঙ্গে জুড়ি বেঁধে যখন তার ব্যাটিং প্রস্ফুটিত হচ্ছে, ইয়ার্ডলি তখন রক্ষণাত্মক ফিল্ড সাজিয়ে রক্ষণাত্মক বল করতে শুরু করে। উদ্দেশ্য ডনের রান তোলা বন্ধ করা। বোলারদের অধিকাংশ বল লেগ-স্টাম্পের বাইরে। ওরা ছেড়ে দিতে লাগল। খেলা চলল মন্থর গতিতে, রান উঠেছে আরও মন্থরে। মিডিয়াম পেসার বার্নেটের একটা ওভারে ডন শুধু ব্যাট তুলে বলের দিকে তাকিয়ে থাকে, খেলার চেষ্টা না করে। বল লেগ-স্টাম্পের এক ফুট বাইরে দিয়ে যায়। চায়ের আগে ১৫ মিনিট ডন একটিও রান করল না। দর্শকরা বিরক্ত হয়ে তার উদ্দেশ্যে চেঁচামেচি-বিদ্রূপ করতে থাকে।

    তৃতীয় দিনে নতুন বল নিয়ে ইংল্যাণ্ড শুরু করল ১৩০ রানে অপরাজিত ডনের বিরুদ্ধে। আরও ৮টি রান করার পরই লেগ-স্টাম্পের উপর বেডসারের ইন-সুইং বল গ্লান্স করে ব্যাকোয়ার্ড শর্ট লেগে হাটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে আসে। বলটি ডন না খেললেও পারত। কিন্তু লেগ-সাইডে ফিল্ড সাজিয়ে, লেগ-স্টাম্পে মিডিয়াম পেস ইন-সুইং—অধুনা প্রচলিত এই পদ্ধতির বলকে ডন তীব্র অপছন্দ করে। তার মতে এই ধরনের বলই খেলাকে একঘেয়ে নিষ্প্রভ করে দেয়। তাই বেডসারের বলটিকে সেশাস্তি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এরপর প্রতিটি খেলায়ইংরেজ বোলাররা এইভাবে বল করে ডনের উইকেট পাওয়ার চেষ্টা করে।

    অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস শেষ হয় ৫০৯ রানে। ইংল্যাণ্ড দ্বিতীয় বারে করে ৪৪১। জেতার জন্য ৯৮ রান তুলতে অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে হয় মরিস ও ডনকে। এবারও বেডসার-হাটন জুড়ি ডনকে আউট করে এবং শূন্য রানে। ইংল্যাণ্ডে টেস্ট ম্যাচে এই প্রথম তার শূন্য রান।

    লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ শুরুর আগে ডন একটি ম্যাচ খেলে ইয়র্কশায়ারের বিরুদ্ধে। সফরে ইয়র্কশায়ারের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার এটি দ্বিতীয় সাক্ষাৎ। প্রথম সাক্ষাতে ডন খেলেনি। প্রায় হারের মুখে এসে অস্ট্রেলিয়া সে-খেলায় ৪ উইকেটে জিতেছিল। জয়ের জন্য যখন ৬০ রান দরকার তখন তাদের ষষ্ঠ উইকেট পড়ে ৩১ রানে। হার্ভি ও ট্যালন শেষপর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে ৬৩ রানে পৌঁছে দেয়। এবারের খেলা অমীমাংসিত থাকে। ডন করে ৫৪ ও ৮৬।

    লর্ডসে ডন টসে জিতল। ইংল্যাণ্ডে দুটি সিরিজে অধিনায়কত্ব করে এই এক বারই মাত্র ডন টসে জেতে। অস্ট্রেলিয়ার ৩৫০ রানের ইনিংসে সেদিল মাত্র ৩৮ রান। আবার সেআউট হয় বেডসারের বলে হাটনের হাতে। ইংল্যাণ্ড ৪০৯ রানে দ্বিতীয় টেস্ট হেরে গেল।

    ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে তৃতীয় টেস্ট ম্যাচের আগে ডন একটি মাত্র ইনিংস খেলে। ওভালে সারের বিরুদ্ধে ১২৮। খেলার শেষে ডন উইম্বলডনে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার জন ব্রমউইচকে ফাইনালে হারতে দেখল আমেরিকার বব ফকেনবার্গের কাছে।

    যথারীতি বৃষ্টি ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে। দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যাণ্ড যখন ৩১২ রানে এগিয়ে এবং হাতে সাতটি উইকেট, তখনই বৃষ্টি নেমে দেড় দিন খেলা বন্ধ থাকে। অস্ট্রেলিয়া খেলার বাকি সময় ব্যাট করে কাটিয়ে দেয়। এই টেস্টে ডনের রান ৭ ও অপরাজিত ৩০। ইংল্যাণ্ডের প্রথম ইনিংসে ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে ফিল্ড করার সময় ডিক পোলার্ডের প্রচন্ডভাবে পুল করা বল সিড বার্নেসের বুকে লাগে। বার্নেস প্রাণে বেঁচে যায় সে-যাত্রা।

    দুটি টেস্টে জয় ও একটি অমীমাংসিত। ‘রাবার’ হারবার ভয় থেকে মুক্ত অস্ট্রেলিয়া লিডসে চতুর্থ টেস্ট জিতল ৭ উইকেটে। এই ম্যাচে ৩১ উইকেটে সংগৃহীত হয় ১,৭২৩ রান—টেস্ট ক্রিকেটে চতুর্থ বৃহত্তম মোট রান। পঞ্চম বৃহত্তম চতুর্থ ইনিংস রানও (৪০৪-৩ ডি:) হয়েছে এই টেস্টে। ডনের প্রিয় হেডিংলি মাঠ। ইয়র্কশায়ারের ক্রিকেটপাগলরা ভোলেনি এই মাঠে ডনের ঐতিহাসিক কীর্তিগুলি— ১৯৩০-এ ৩৩৪, ১৯৩৪-এ ৩০৪, ১৯৩৮-এ ১০৩। ইংল্যাণ্ডের ৪৯৬ রানের ইনিংসের পর ডন যখন ব্যাট করতে আসে দর্শকরা তুমুলভাবে অভিনন্দন জানায়। ডন রীতিমতো অবাক হয়ে যায়। যখন মাঠে নামল তখন প্রচন্ড কলরব, তারপর একটু কমে গিয়ে আবার উত্তাল হয়ে ফেটে পড়ল ডন যখন ক্রিজে পৌঁছোয়। টুপি তুলে সেনাড়ল; অভিনন্দন তখনও অব্যাহত। দেশের বাইরে সেএমন স্বতঃস্ফূর্ত স্বাগতধ্বনি কখনো পায়নি। বুকের মধ্যে বাষ্প ঠেলে উঠল। ডন ব্যাট তুলে তাদের অভিনন্দন জানায়। ৩৩ রান করে পোলার্ডের বলে বোল্ড হয়ে সেফিরে আসে। ফেরার পথে তার কানে এল : ‘ঘাবড়াও মাত, আর একটা ইনিংস আছে।’

    লিডসে ওরা ডনকে জানে। কোনোভাবেই দ্বিতীয় ইনিংসে ওর শতরান করা কেউ বন্ধ করতে পারবে না। ওরা বন্যার মতো এল এবং বাউণ্ডারি লাইন ছাপিয়ে মাঠে উপচে পড়ল ডনের প্রতিশোধ নেওয়া দেখতে। আম্পায়ার দুজন ব্যর্থ হল দর্শকদের ঠেলে লাইনের ওপারে পাঠাতে। পুলিশও পারল না।

    অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ৩৮ রানে পিছিয়ে থাকার পর ইংল্যাণ্ড ৮ উইকেটে ৩৬৫ রান তুলে ইনিংস ছেড়ে দেয় ৪০৪ রান ৩৪৫ মিনিটে তুলে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ জেতার সুযোগ দিয়ে। চতুর্থ ইনিংসে চারশো রান! ইংল্যাণ্ডের মাঠে টেস্ট ম্যাচে এর আগে কোনো দল তুলতে পারেনি।

    চতুর্থ দিনে ইংল্যাণ্ড চারশো রানে এগিয়ে, রাত্রে ডন ডায়েরিতে লিখল, ‘জেতার জন্য আমাদের ৪০০ রান তুলতে হবে এবং আমার ভয় হচ্ছে হয়তো আমরা হেরে যাব।’

    দেখে মনে হচ্ছে উইকেটের দ্রুত অবনতি ঘটছে এবং দারুণ স্পিন ধরবে। ভারী রোলার চালিয়ে উইকেট ভেঙে দিলে অস্ট্রেলিয়া বিপদে পড়বে এই বিশ্বাসে খেলার শেষ দিনে পাঁচ মিনিট ব্যাট করে ইয়ার্ডলি ইনিংস ঘোষণা করে। এই ভারী রোলার ব্যবহারের সিদ্ধান্তটিই অস্ট্রেলিয়াকে সুবিধা করে দেয়। ভারী রোলার কখনোই উইকেট ভাঙে না। কেননা ক্রিকেট পিচ শক্ত হয় এবং সেটি খেটেখুটে তৈরি করা। মাটি সহজে আলগা হয় না। রোলারের ওজন নির্দিষ্ট এবং তার ভার পিচের উপর চারিয়ে থাকে। ভারী রোলারে পিচ তো ভাঙেই না বরং জমিকে চেপে বসিয়ে দিয়ে সহজ করে দেয় ব্যাটিংয়ের পক্ষে। ইয়ার্ডলির সিদ্ধান্ত যে কতটা ভুল, সেটা ম্যাচের ফলই বলে দিল। এর উপর, উইকেট ভালো হয়ে যাওয়া ছাড়াও স্পিন ধরল অতি মন্থরগতিতে। দলে লেকার ছাড়া খাঁটি স্পিন বোলারও কেউ ছিল না এবং ১৯৪৮-এ লেকার যথেষ্টই কাঁচা ছিল।

    অস্ট্রেলিয়ার ৫৭ রানে হ্যাসেট ফিরে আসতেই ভিড় সরিয়ে পুলিশ ডনকে পথ করে দিল মাঠে নামার জন্য। উত্তাল অভিনন্দন মাঠে ভেঙে পড়ল।

    ডন চটপট রান তোলার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। মরিস এবং সেলাঞ্চের আগের আধ ঘণ্টায় তুলল ৬২ রান। ডনের যখন ৫০, পয়েন্টে ইয়ার্ডলিকে ক্যাচ দিয়ে অব্যাহতি পায়, ৫৯ রানে ক্যাচ দিয়েছিল স্লিপে, দু-বারই কম্পটনের বলে, এরপরই ক্র্যানস্টনকে বাউণ্ডারিতে হুক করেই ডন পাঁজর চেপে ধরে। আবার ফাইব্রোসাইটিস তাকে ধরেছে। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে খেলা শুরু করল। হুক করে আবার চার এবং আবার যন্ত্রণা! পোলার্ড তার বুকে মালিশ করে দিল, ইংল্যাণ্ডের একজন ছুটে গিয়ে জল আনল। মাঠের চারধারে তখন নিঝুমতা নেমে এসেছে। শুরু করল ডন আবার। তবে যতটা সম্ভব মরিসকে খেলতে সুযোগ দিয়ে, যন্ত্রণাটা কমার জন্য সময় নিল সেএবং ১৪৭ মিনিটে এইভাবেই সেশতরানে পৌঁছোল। এটি তার জীবনের ১১২তম এবং টেস্টের ২৯তম শতরান।

    দ্বিতীয় উইকেটে মরিস (১৮২) ও ডন তুলল ৩০১ রান। নীল হার্ভে যখন বাউণ্ডারিতে বল পাঠিয়ে অস্ট্রেলিয়ার রান তিন উইকেটে ৪০৪ করল, ডনের রান তখন ১৭৩। অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে চতুর্থ টেস্ট ম্যাচ জিতল। এরপর ম্যাঞ্চেস্টারের ল্যাঙ্কাশায়ারের বিরুদ্ধে ডন ১৩৩ রানে অপরাজিত থাকে।

    ওভালে পঞ্চম টেস্ট ম্যাচ। সফরের শেষ এবং ডনের জীবনেরও। অধিনায়ক হিসাবে ১৯৩৮-র প্রথম সফরে এই মাঠেই ডন নিষ্ঠুর এবং জঘন্যভাবে হেরেছিল। এই মাঠ থেকেই তাকে বহন করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল পায়ের গোছের হাড় ভাঙায়। এই মাঠেই ইংল্যাণ্ড বিশ্ব টেস্ট রেকর্ড করে এক ইনিংসে ৯০৩ রান। এ সবই দশ বছর আগের কথা।

    টেস্ট শুরুর কয়েক দিন আগে লণ্ডনে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছিল। উইকেট ভিজে বটে কিন্তু নির্জীব। অথচ প্রথম ব্যাট করে ইংল্যাণ্ড আউট হয়ে গেল ৫২ রানে। দুই অঙ্কের রান এক জনই মাত্র করে—লেন হাটন। ইনিংসে শেষ আউট হয় ৩০ রানে। লিণ্ডওয়ালের ছয় উইকেট ২০ রানে। নিজের দেশে এত কম রানে ইংল্যাণ্ড কখনো আউট হয়নি। ১৩০ মিনিটে ইনিংস শেষ।

    অস্ট্রেলিয়ার ১১৭ রানে ডন ব্যাট হাতে মাঠে নামল। তুমুল অভিনন্দনে ওভাল ফেটে পড়ল। হঠাৎ ডনের মনে এল ১৮ বছর আগে এই মাঠেই শেষ টেস্ট খেলতে নামা জ্যাক হবসের কথা। ঠিক এইভাবেই তাঁকে সেদিন সংবর্ধিত করেছিল অস্ট্রেলীয়রা। ডনও ছিল তাদের মধ্যে। ওভালে তার প্রথম টেস্ট খেলা। সেই একই দৃশ্য আবার আজ।

    ইয়ার্ডলি ‘থ্রি চিয়ার্স’ দেবার জন্য দলের সবাইকে ডেকে আনল উইকেটে। ডনের সৌভাগ্য কামনা করল সেএবং হাজার হাজার দর্শক, যাদের মধ্যে অনেকে ১৫ ঘণ্টা আগে থেকে লাইন দিয়ে টিকিট কেটেছে ডনের শেষ টেস্ট ম্যাচ দেখতে।

    ডন, কঠিন নির্দয় ডন ব্র্যাডম্যানের হৃদয়, শীতল পেশাদারি মস্তিষ্ক সম্ভবত এই প্রথম বিচলিত হল সাধারণ মানুষের মতো। অতিমানব নয়, যন্ত্র নয়, সেযে আর পাঁচজনের মতোই আবেগবশীভূত তা এই প্রথম প্রমাণিত হল। জীবনে এই প্রথম সেহারাল একাগ্রতা, অভিনিবেশ। এই মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস শুরু করার অনুপযুক্ত। নটিংহাম, লিডস, ম্যাঞ্চেস্টার এবং লর্ডস মাঠে জীবনের শেষ খেলায় ডন শতরান করেছে। ওভালে নয় কেন?

    বোলার ওয়ারউইকাশায়ারের এরিক হোলিজ। কিছুদিন আগে সেতার লেগব্রেক ও গুগলি বলে অস্ট্রেলিয়ার আট জনকে আউট করেছে এক ইনিংসে। প্রথম বলটি ডন খেলল যন্ত্রবৎ, অনেকটা আন্দাজেই। দ্বিতীয় বলটি গুগলি, নিখুঁত লেংথে। ডন ফরোয়ার্ড খেলল, ব্যাটের ভিতরে কানায় লেগে বল… মহাকাব্যের উপযুক্ত পরিণতি দেওয়ার জন্য এই মহাখেলোয়াড়ের অফ-স্টাম্পের বেলটি ফেলে দিল।

    মাঠে মহাশ্মশানের নৈ:শব্দ্য। স্বপ্নোত্থিতের মতো ডন স্টাম্পের দিকে তাকিয়ে; বিশ্বাস করতে পারছে না তার খেলোয়াড় জীবনের শেষ পরিণতি। শুধু একটি বার ব্যাট চালিয়ে বাউণ্ডারিতে বল পাঠালেই টেস্ট ক্রিকেটে ইনিংস পিছু গড় রান হত ১০০। মাত্র চারটি রান দরকার ছিল।

    শেষ টেস্টে অস্ট্রেলিয়া জেতে ইনিংস ও ১৪৯ রানে। খেলাশেষে হাজার হাজার মানুষ জমায়েত হল ওভাল প্যাভিলিয়নের সামনে, তারা ডনকে দেখতে চায়। ডন বারান্দায় এসে দাঁড়াল। কিছু বলতে হবে।

    আপনারা কাগজে যা-ই পড়ুন-না কেন, নিশ্চিত করেই বলছি এইটিই আমার শেষ টেস্ট ম্যাচ। এতে আমার ব্যক্তিগত অবদান এত কম, যার জন্য দুঃখবোধ করছি। এর দুটি কারণ— আমাকে দেওয়া অভিনন্দনের বিপুল দাক্ষিণ্য এবং দ্বিতীয়ত, আমাকে যে চমৎকার বলটি করা হয়েছিল।

    ইংল্যাণ্ড অধিনায়ক নর্মান ইয়ার্ডলি বলল, ‘ডনকে গুড-বাই বলার সঙ্গে সঙ্গে সর্বকালের সেরা ক্রিকেটারকেই আমরা বিদায় জানাচ্ছি।’

    এরপর জনতা গেয়ে উঠল—‘ফর হি ইজ এ জলি গুড ফেলো।’

    ডন ধীরে ধীরে মুখ ফিরিয়ে নিল, কিছু-একটা সেলুকোতে চাইছে।

    ডন পর পর তিনটি ইনিংসে— জেন্টলমেন, সাউথ অফ ইংল্যাণ্ড ও লেভিসন গাওয়ারস একাদশের বিরুদ্ধে তিনটি শতরান করে সফর শেষ করে। সফর শেষ করবে অপরাজিত থেকে, যা কোনোদিন কেউ পারেনি। সিরিজে ৪-০ জয়ের পরও ডন প্রতিটি খেলা টেস্ট ম্যাচের গুরুত্ব দিয়ে খেলে।

    ডন লর্ডসে জেন্টলমেন অফ ইংল্যাণ্ডের বিরুদ্ধে ১৫০ করল। সফরে পূর্ণ ফল ২,০০০ রান। চার বার ইংল্যাণ্ড সফরে প্রতি বারই দু-হাজার রান, কোনো দেশের কেউ পারেনি। এই খেলার মধ্যেই ডনের জীবন ৪০ বছর অতিক্রম করে। খেলার শেষে দর্শকরা প্যাভিলিয়নের সামনে জড়ো হয়ে গান ধরে— ‘হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ।’ ডন মনে মনে তখন বলেছিল—যেভাবে খেলা উচিত বোধ হয় সেইভাবেই ক্রিকেট খেলেছি, নয়তো এই ভালোবাসা কেন পাব!

    হেস্টিংসে সাউথ অফ ইংল্যাণ্ডের বিরুদ্ধে ১৪৩। স্কারবরোয় শেষ খেলায় তিন ঘণ্টায় ১৫৩ করে বেডসারের বল হাটনের মাথার উপর তুলে দিয়ে ডন ছুটতে ছুটতে প্যাভিলিয়নে ফিরে আসে। ইংল্যাণ্ডের মাঠে ডনের শেষ নিষ্ক্রমণ। একটি যুগের প্রস্থান। চারটি সফরে ইংল্যাণ্ডে তার ১২০তম ইনিংসে ৯,৮৩৭ রান। ইংল্যাণ্ডের মাঠে ডন শেষ খেলায় শেষ ওভারটি নিজে বল করে। এরপর অবশ্য স্কটল্যাণ্ডের অ্যাবারডিনে একটি দ্বিতীয় শ্রেণির খেলায় ডন দেড় ঘণ্টায় ১২৩ রান করে।

    ডন দারুণ খুশি। জীবনের সেরা বাসনা পূর্ণ হয়েছে। ইংল্যাণ্ড সফরে অপরাজিত অধিনায়ক থাকার মর্যাদা সেপেয়েছে। ৩১টি ম্যাচে ২৩ জয় (১৫টি ইনিংসে), ৮ অমীমাংসিত। টেস্ট বাদে কোনো দল ৩০০ রানের ইনিংস করতে পারেনি। টেস্ট খেলোয়াড় বাদে কেউ পারেনি তাদের বিরুদ্ধে শতরান করতে। সফরে অস্ট্রেলিয়া করেছে ১৫,১২০ রান, বিরুদ্ধে হয়েছে ১০,৯৩২ রান। সাত জন অস্ট্রেলীয় হাজার রান পূর্ণ করে। ২৭ রানের জন্য পারেনি লক্সটন। ডন সফরে করে ২,৪২৮ রান, ৮৯.৯২ গড় এবং ১১টি শতরান।

    শুরু হল সম্মান বর্ষণ। ইয়র্কশায়ার, ল্যাঙ্কাশায়ার, হ্যামশায়ার ও অন্যান্য ক্লাব ডনকে আজীবন সাম্মানিক সদস্য করল। ইংরেজ নয় এমন একজনকে এই প্রথম ইয়র্কশায়ার এই সম্মান দিল। লণ্ডনের রবিবাসরীয় ‘দ্য পিপল’ সংবাদপত্র ডনের জন্য তহবিল খুলল। সব শ্রেণির মানুষ যাতে শ্রদ্ধা জানাতে পারে তাই দানের পরিমাণ বেঁধে দেওয়া হয় এক শিলিং। তারা বিরাট বিদায়-ভোজের ব্যবস্থা করল। তাতে এল ইংল্যাণ্ডের সাত জন প্রাক্তন ও নয় জন কাউন্টি অধিনায়ক। অতিথিসংখ্যা দুশো। তাদের মধ্যে অনেকেই মাঠে ডনের বিরোধিতা করেছে। দেখা গেল লিণ্ডওয়ালের পাশে বসে আছেন হ্যারল্ড লারউড!

    তহবিলের অর্থে তৈরি বিশ্ববিখ্যাত ঐতিহাসিক ‘ওয়ারউইক ভাস’-এর প্রতিকৃতি ব্রিটেনের ক্রিকেটপ্রেমীদের তরফ থেকে ডনকে উপহার দেওয়া হল এই সংবর্ধনা-ভোজে। নিরেট রুপোর তৈরি ২১ ইঞ্চি উচ্চ এই ভাস যার নকল, সেই আসলটি কিন্তু শ্বেতপাথরের এবং গোলাকৃতি। উচ্চতায় সাড়ে পাঁচ ফুট, ব্যাস ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি। সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকে নির্মিত। স্যার উইলিয়াম হ্যামিলটন নেপলসে চতুর্থ ফার্দিনান্দের রাজদরবারে তৃতীয় জর্জের রাষ্ট্রদূত থাকাকালে ১৭৭০ সালে রোম থেকে ১২ মাইল দূরে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন চালিয়ে এই ভাসটি পান। এর গাত্রে কতকগুলি অর্ধপশু-অর্ধমানব মুখ খোদাই করা। মুখের একটি নিখোঁজ। হ্যামিলটন ঠিক করেন তাঁর স্ত্রী লেডি হ্যামিলটনের মুখ সেখানে বসাবেন। এক ইটালির ভাস্করকে তিনি নিযুক্ত করেন। লোকটি রগচটা, ততোধিক লেডি হ্যামিলটনও; ফলে খিটিমিটি ঝগড়া দুজনের মধ্যে বেঁধে যায়। শোধ নেওয়ার জন্য ভাস্করটি লেডি হ্যামিলটনের সুন্দর মুখটি নিখুঁত খোদাই করে কান দুটি করে দেয় গাধার। অতঃপর গৃহশান্তি বজায় রাখতে হ্যামিলটন বাড়ি থেকে ভাসটি বিদায় করতে বাধ্য হন। তিনি মামাতো ভাই ওয়ারউইকের আর্ল-কে সেটি দান করেন।

    তহবিলের যে-অর্থ ভাসটি তৈরির পরও রয়ে যায়, ডনের অনুরোধে ইংল্যাণ্ডের বিভিন্ন পার্কে ছোটোদের জন্য কংক্রিট ক্রিকেট পিচ তৈরির জন্য তা ব্যয়িত হয়।

    এই সময় একটা ব্যাপার কাগজে সামান্য ঝড় তোলে। বামোরালে ষষ্ঠ জর্জ অস্ট্রেলীয় দলকে রাজপরিবারের সঙ্গে চা-পানের নিমন্ত্রণ করেন। কাগজে ছবি বেরোল ডন ইংল্যাণ্ডের রাজার সঙ্গে কথা বলছে ট্রাউজারের পকেটে হাত ঢুকিয়ে। হইচই পড়ে গেল ডনের অসৌজন্য ভঙ্গি নিয়ে। কাগজে চিঠি বেরোল। অপ্রতিভ ডন শুধু এইটুকু বলল, ‘এরকম ক্ষেত্রে লোকে হাত দুটো নিয়ে করে কী?’

    জাহাজে অস্ট্রেলিয়া রওনা হওয়ার আগে ডন চিঠি পেল ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রসচিব ফিলিপ নোয়েল বেকারের কাছ থেকে:

    অস্ট্রেলিয়া থেকে আগত আর কোনো দল এইরকম নিরবচ্ছিন্ন বিস্ময়কর ক্রিকেট সাফল্য লাভ করেনি। আপনার সাফল্য শুধু মাঠেই নয়। আর কোনো খেলায় কোনো সফরকারী দল আপনার দলের মতো জনপ্রিয় হয়নি, এত সৌভ্রাতৃত্ব গড়ে তুলতে পারেনি। যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া উভয়েই আপনার কাছে কৃতজ্ঞতার ঋণে আবদ্ধ থাকল। আশা করি আপনি যা করেছেন সেজন্য নিশ্চয়ই গর্ববোধ করছেন।

    বলা বাহুল্য, ডন মনের নিভৃতে গর্ববোধ করেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ১ম খণ্ড
    Next Article মতি নন্দী কিশোর সাহিত্য সমগ্র ১ম খণ্ড

    Related Articles

    মতি নন্দী

    অপরাজিত আনন্দ – মতি নন্দী

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    কলাবতী সমগ্র – মতি নন্দী

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দীর গল্পসংগ্রহ

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী কিশোর সাহিত্য সমগ্র ১ম খণ্ড

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ১ম খণ্ড

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ২য় খণ্ড

    November 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }