Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্রিকেটের রাজাধিরাজ ডন ব্র্যাডম্যান – মতি নন্দী

    মতি নন্দী এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. শিরোনামকারী

    ইংল্যাণ্ড সফর (১৯৩০) থেকে ফিরে আসামাত্র ডনকে ঘিরে তর্কাতর্কি শুরু হয়ে যায়। সফরকালে একটি পত্রিকায় তার আত্মজীবনী ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়। অস্ট্রেলীয় দলের ম্যানেজার এটা পছন্দ করেননি। তিনি অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ব্যাপারটা জানান। অমনি রটে যায় ডনের সঙ্গে বোর্ডের ঝগড়া হয়েছে। রটনা এমন জায়গায় পৌঁছোয় যে, বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বিবৃতি দিয়ে বলতে হয় যে এসব মিথ্যা, অন্যায় কথা। দায়িত্বজ্ঞানহীন লোকেরা ঝগড়া পাকাবার জন্যই এসব রটাচ্ছে।

    ইংল্যাণ্ড থেকে জাহাজে অস্ট্রেলীয় দল অ্যাডিলেডে পৌঁছোয়। যে সম্পত্তি-দালালের অফিসে ডন চাকরি করত তার ব্যবসায়ে মন্দা পড়ায় সেটা ছেড়ে দিয়ে সিডনিতে ক্রীড়া সরঞ্জামের এক প্রতিষ্ঠানে সেচাকরি নিয়েছিল। তারা জাহাজেই টেলিগ্রাম করে ডনকে বলে তাড়াতাড়ি সিডনিতে চলে এসো। ডন জাহাজ থেকে অ্যাডিলেডে নেমে বিমানে সিডনি পৌঁছোয় দলের সকলের আগে।

    সকলের আগে দেশে ফিরেছে, তার ওপর সফরের প্রধান নায়ক সুতরাং সাংবাদিকরা, ফোটোগ্রাফাররা ঝাঁপিয়ে পড়ল। এরপরই ডনের প্রতি ক্রিকেট জগতের প্রথম ঈর্ষা প্রকাশ পেল। রটনার মধ্য দিয়ে এই কথাটাই বোঝাবার চেষ্টা হল, প্রশংসা ও স্তুতি নিজে সবটা দখল করার জন্যই ডন সবার আগে দেশে ফিরেছে। ওকে বলা হল ‘প্রশংসা-শিকারি’।

    ব্যাপারটা কিন্তু আদপেই তা নয়। ডন বরাবরই প্রচার জিনিসটা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। নিজের ব্যাটিং, ফিল্ডিং এবং পরে অধিনায়কত্ব সম্পর্কে রচনা পাঠ করেই সেখুশি, তার বেশি আর কিছু সেচায়নি। তার পদ্ধতি ও কৌশল সম্পর্কে সমালোচনা সেঅকুন্ঠে মেনে নেয়, যদি তা বিদ্বেষপ্রসূত না হয় এবং যুক্তিপূর্ণ হয়। তার খেলা যে জনসাধারণের সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে, এটা বোঝার মতো বোধ তার ছিল। সুতরাং সমঝদারদের সঙ্গে নিজের খেলা নিয়ে আলাপ করতে তার আপত্তি হত না। কিন্তু কোনো সাংবাদিক যদি তার সম্পর্কে বেফাঁস কিছু লিখত, তাহলে ডন তার সঙ্গে আর কখনো কথা বলত না।

    মাঠের বাইরে ডন নিজের জীবনকে নিজস্ব ব্যক্তিগত ব্যাপাররূপে গণ্য করত। তার বন্ধুবান্ধব, পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্য, পছন্দ-অপছন্দ, মতামত এইসব তার ব্যক্তিগত জীবনের এক-একটি অংশ, এগুলি নিয়ে কথা বলায় তার ঘোরতর আপত্তি ছিল। সাংবাদিকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা করেও এ সম্পর্কে তার মুখ খোলাতে পারেনি, ব্যক্তিগত প্রশ্ন বা রাস্তায় বেরোলে ছবি তোলা, ডন রীতিমতো ঘৃণা করত। ডন কিছুতেই ভেবে পেত না সাফল্যের জন্য তাকে কেন এইভাবে দাম চোকাতে হবে। কিন্তু ডন এটাও বুঝতে পারেনি, লোকে ডন ব্র্যাডম্যানের বিষয়ে যতটা জানতে চায়, ততটুকু তারা পাচ্ছে না। অবশ্য খবরের কাগজ তার সম্পর্কে যথেষ্ট খবরই তাদের দিচ্ছিল।

    ডনের সম্পর্কে প্রকাশিত খবরগুলি বিশ্লেষণ করে একজন তিন মাস সময়ের মধ্যে নিম্নোক্ত খবরগুলি পেয়েছেন :

    ডন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছে।ডন ইংল্যাণ্ডে বসবাস করতে যাচ্ছে।

    ডন ইংরেজ মেয়ে বিয়ে করবে।

    ডন মঞ্চে নামছে।

    হলিউড ফিলম ডন অভিনয় করবে। রক্তাল্পতা ডনের খেলা শেষ করে দিচ্ছে।

    ইংলিশ কাউন্টিতে ডন খেলবে।

    এর একটাও সত্য প্রমাণিত হয়নি! এরপরই খবরের কাগজে ডনকে নিয়ে আর এক ঝড়ের খবর বেরোল। ল্যাঙ্কাশায়ার লিগ ক্রিকেটের অ্যাক্রিংটন ক্লাব ডনকে প্রস্তাব দেয় তাদের ক্লাবে খেলার জন্য। খবরটা অস্ট্রেলিয়ায় প্রকাশ হওয়া মাত্র সেখানে এমন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় যেন কোনো দেশ পারমাণবিক ফর্মুলা চুরি করার চেষ্টা করছে।

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    পিডিএফ
    নতুন উপন্যাস
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    গ্রন্থাগার সেবা
    সাহিত্য পর্যালোচনা

    ইংল্যাণ্ডের কী স্পর্ধা, ডনকে ভাগিয়ে নিয়ে যেতে চায়! খবরের কাগজে নানান খবর, অজস্র চিঠি ছাপা হতে লাগল। এক কাগজ লিখল, ‘ডন মনস্থির করে ফেলেছে; সেযাবেই!’ অন্য কাগজ জোর দিয়ে লিখল, ‘ডন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবে, অস্ট্রেলিয়াতেই থাকবে।’ তাড়া তাড়া চিঠি আসতে লাগল ডনের কাছে; উপদেশ, পরামর্শ আর অনুনয়ে সেগুলো ভরা। কেউ লিখল, দেশত্যাগ করলে তাকে দেশদ্রোহী বলা হবে; কেউ লিখল, নিজের আখেরটা আগে গুছিয়ে নাও। যে যা-ই বলুক কান দিয়ো না। যদি যেতে চাও তো চলে যাও।

    আসলে ডন ইতিমধ্যেই ঠিক করে ফেলেছে, সেকী করবে। তার অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আদৌ ছিল না, তবে প্রস্তাবটায় কর্ণপাত করতেও তার আপত্তি ছিল না। চারিদিকে লেখালেখি হইচই-এর ফলে ডনের কাছে বহু পালটা প্রস্তাব এল। ক্রিকেট সম্পর্কে খবরের কাগজে লেখা ও বেতারে আলোচনা করার একটি প্রস্তাব পেয়ে সেতা নিয়ে নিল। এর অর্থ ডন দেশেই থেকে যাচ্ছে, অতএব জাতীয় সংকটও কেটে গেল।

    ১৯৩০-৩১ মরসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আসে অস্ট্রেলিয়া সফরে। দলটা খুব শক্ত ছিল না, জিতেছিল শুধু শেষ টেস্টটি ভিজে উইকেটে। অস্ট্রেলিয়া জিতেছিল প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটে এবং দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ প্রত্যেকটিই ইনিংস ও ১০০ রানেরও বেশি ব্যবধানে। মাত্র পঞ্চম টেস্ট ছাড়া ডন আর কোনো ম্যাচে এক বারের বেশি ব্যাট করেনি। তাতেই সেতিন বার নিজেকে আলোচনার বিষয় করে ফেলল, তৃতীয় টেস্টে ২৩৩ ও চতুর্থে ১৫২ রান এবং পঞ্চম টেস্টে শূন্যরান করে। ফাস্ট বোলার গ্রিফিথের একটি মন্থর বলকে লেগে ঘোরাতে গিয়ে ডন বোল্ড হয়।

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    অনলাইন বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা উপন্যাস
    PDF
    বাংলা শিশু সাহিত্য

    টেস্ট সিরিজ শেষে অ্যালান কিপ্যাক্সের নেতৃত্বে একটি দলের সঙ্গে ডন উত্তর কুইন্সল্যাণ্ড ও নিউ সাউথ ওয়েলস সফর করে। ব্ল্যাকহিথে লিথগো দলের বিরুদ্ধে একটি দ্বিতীয় শ্রেণির প্রদর্শনী ম্যাচে ডন ২২ বলে শতরান করে তিনটি আট বলের ওভারে! আসলে করেছিল ২৫৬ রান, তাতে ছিল ১৪টি ছয় ও ২৯টি চার। প্রথম ওভারেই ৩৮ রান করার পর ডন তিন ওভারে যুক্ত হওয়া ১০২ রানের মধ্যে নিজে করে ১০০ রান। প্রথম ওভারে ডনের স্কোর— ৬, ৬, ৪, ২, ৪, ৪, ৬, ১। দ্বিতীয় ওভারে— ৬, ৪, ৪, ৬, ৬, ৪, ৬, ৪। তৃতীয় ওভারে তার জুড়ি ওয়েণ্ডেল বিল ১ রান নেওয়ার পর ডন ৬, ৬, ১ রান করে। ওয়েণ্ডেল বিল তারপর ১ রান এবং ওভারের বাকি বলে ডন ৪, ৪, ৬ করে। মোটামুটি মিনিট পনেরোর মধ্যেই এই তিন ওভারের ব্যাপারটা সম্পন্ন হয়।

    এই হচ্ছে সেই ডন, যার খেলা দেখতে লোক পাগল হয়। যেখানে খুশি বল মেরে পাঠায়। যত খুশি বোলার বদল হোক, ডন যেখানে মনে করবে সেখানেই বল পাঠাবে। লিথগো দলের হতভাগ্য বোলারদের মধ্যে ছিল বব নিকলসন। সেই মরসুমের শেষে ১৯৩২-এর ৩০ এপ্রিল ডনের বিয়ের দিন বব সিডনিতে এসে বিয়ের আসরে গান গেয়েছিল। ডনের ব্যাটিং তাকে মুগ্ধ করেছিল।

    একবার সিডনিতে ভিক্টোরিয়ার ফ্লিটউড স্মিথ বল করেছিল ডনকে। নাগাড়ে বল, করে যাচ্ছে অফব্রেক বল আর ডন মিড অফ এবং এক্সট্রা কভার পয়েন্টের মাঝের ফাঁক দিয়ে সেগুলো বাউণ্ডারিতে পাঠাচ্ছে।

    অবশেষে ডন বোলারকে বলল, ‘ব্যাপার কী, ফাঁকটা বন্ধ করছ না কেন? যত বার অফব্রেক দেবে তত বারই যে আমি ওই ফাঁকটা দিয়ে বল পাঠাব।’

    ডনের পক্ষে তা সম্ভব, তাই একজন ফিল্ডসম্যান রাখা হল সেই ফাঁকে। মুচকি হেসে বোলার বলল, ‘এবার কী করবে?’

    ‘এবার,’ একগাল হেসে ডন বলল, ‘এবার তোমায় গ্যালারিতে পাঠাব।’ এবং পাঠিয়েও ছিল।

    চ্যাটসউডে গর্ডন দলের বিরুদ্ধে ডন ১৭১ মিনিটে ২০১ রান করে। দ্বিতীয় শতরানটি ৪৫ মিনিটে। একটা হাফভলি বলে সেওভার বাউণ্ডারি মেরেছিল পয়েন্ট দিয়ে। একজন ফিল্ডার বলল, এটা মিস হিট থেকে হয়ে গেছে। পরের ওভারে ডন একইভাবে বল মেরে পয়েন্ট থেকেই ছয় রান পায়। মাঠটা অবশ্য ছোটো ছিল।

    লর্ডসে ১৯৪৮-এ ইংল্যাণ্ড অধিনায়ক নর্মান ইয়ার্ডলি দেখল দুই ফিল্ডারের মাঝ দিয়ে ডন বার বার বল ড্রাইভ করে যাচ্ছে। ফাঁকটা বন্ধ করার জন্য সেএকজন ফিল্ডারকে সরিয়ে আনল। ডন নৈর্ব্যক্তিক দৃষ্টিতে শুধু দেখল। পরের বলটি সেভাবলেশহীন মুখে ঠিক সেই জায়গাটিতেই পাঠাল, যেখান থেকে ফিল্ডারটিকে সরিয়ে আনা হয়েছে।

    চ্যালেঞ্জ পেলে বিশেষ কোনো মার ডন আবার মেরে দেখাতে পারত।

    দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট দল ১৯৩১-৩২ মরসুমে অস্ট্রেলিয়া সফরে আসে। অস্ট্রেলিয়া সহজে পাঁচটি টেস্টেই জেতে প্রধানত ডনের জন্য। চারটি টেস্টে খেলে সেচারটি শতরান করে : ২২৬, ১১২, ১৬৭ ও ২৯৯ নট আউট। অন্য দুটি ম্যাচেও দুটি শতরান করে সফরকারীদের বিরুদ্ধে : ১৩৫, ২১৯। সিরিজে চারটি টেস্টে তার গড় ছিল ২০১.৫ রান। ডন পঞ্চম টেস্টেও দলে ছিল। ফিল্ড করতে যাওয়ার আগে ড্রেসিং রুমে পা মচকে যাওয়ায় ব্যাট করতে পারেনি। ক্ল্যারি গ্রিমেট দলে থেকেও ব্যাট করেনি। করার দরকার হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৬ ও ৪৫ রানে আউট হয়। আয়রনমঙ্গার ২৪ রানে ১১ উইকেট নেয়। এই সিরিজে ৮০৬ রান করার পর ডন বিনীতভাবে বলেছিল, ‘খারাপ ফিল্ডিংয়ের জন্যই রান পেয়েছি।’

    ডন একদিন এক খবরের কাগজের অফিস থেকে বেরিয়ে আসছে; তখন ঢুকছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ফাস্ট বোলার স্যান্ডি বেল। ডনের অপস্রিয়মাণ চেহারার দিকে তাকিয়ে বেল মন্তব্য করে : ‘এই সফরে এই প্রথম আমি এর পিঠ দেখলাম!’

    কুইন্সল্যাণ্ডের ‘কুকটাউন ইন্ডিপেণ্ডেন্ট’ নামে এক খবরের কাগজ এই টেস্ট সিরিজ চলাকালে ডনকে পরলোকে পাঠিয়ে দেয়। তারা লেখে : ‘বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যানের পরলোকগমনে অস্ট্রেলিয়া আজ শোকাহত। ব্রিসবেন টেস্ট ম্যাচ চলাকালে ডন ব্র্যাডম্যান আমাশয়ে আক্রান্ত হয়ে শনিবার মারা গেছেন।’

    খবরটি পড়ে ডন খুব হেসেছিল। খুব কম লোকেরই নিজের মৃত্যুসংবাদ পাঠের ভাগ্য হয়। এই সময় সেজনপ্রিয়তার তুঙ্গে আরোহণ করেছিল। ট্রেনে কোথাও গেলে প্রত্যেক স্টেশনে দলে দলে ক্রিকেটপাগলরা তার নাম ধরে কামরায় কামরায় খোঁজাখুঁজি করে, রাস্তায় বেরোলে ভিড় জমে যায়। নীরব, নির্বিবাদী ডনের পক্ষে এই বীরপূজা সামলাতে যে ধকল সহ্য করতে হচ্ছিল, তাতে মানসিক দিক থেকে তার ক্ষয় হত।

    বাওরালের লোকেরা তাকে উপহার দেয় সোনার ঘড়ি ও চেন। এক মোটর গাড়ির প্রতিষ্ঠান দেয় নতুন একটি স্পোর্টস কার। এই সময় সারা অস্ট্রেলিয়ার চোখে ডন ছিল ভগবানের প্রায় সমতুল।

    ডন আবার খবরের কারণ হল ১৯৩২-এর এপ্রিলে বিয়ে করে। বধূ জেসি মেঞ্জিস সিডনিতেই ব্যাঙ্কের চাকুরিয়া। ডনের গ্রাম বাওরালের কাছেই মিটাগং-এর মেয়ে। স্কুল থেকেই দুজনের ভাব। এই মিটাগংয়েই ডন প্রথম শতরান করেছিল ছাত্রাবস্থায় এবং ব্যাটটি ভুলে ফেলে রেখে এসেছিল।

    অত্যন্ত সুখের বিবাহ হয়েছে ডনের। পরে সেবলেছিল, ‘এমন অনেক সময় জীবনে এসেছে যখন ওকে ছাড়া আমার পক্ষে চলা একদমই সম্ভব হত না।’ বিয়ের পরই উত্তর আমেরিকা সফরে ডনের সঙ্গে জেসিও যায়। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় এই সফরের উদ্যোক্তা ছিলেন আর্থার মেইলি। আমেরিকানরা প্রথমেই জানিয়ে দিয়েছিল দলে ডন না থাকলে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই ক্রিকেট সম্পর্কে। মেইলিও ডনকে বলে, তোমাকে যেতে হবেই। ডন দেখল, এই সফরে খেলতে হবে মজা করে সুতরাং আপত্তির আর কারণ কী!

    প্রথম খেলা ভ্যাঙ্কুভার আইল্যাণ্ডে ১৮ জনের এক দলের বিরুদ্ধে। ওরা করে ১৯৪। অস্ট্রেলীয়রা ৮ উইকেটে ৫০৩। ম্যাককেব করে ১৫০। অধিনায়ক রিচার্ডসন ও ডন ৭ মিনিটে তোলে ৫০ রান। ঝোপঝাড়ের মধ্যে হারিয়ে যায় ছয়টি বল। পরের ম্যাচে ডন ছয়টি উইকেট পায় আট বলের এক ওভারে, কিন্তু হ্যাট্রিক হয়নি।

    নিউ ইয়র্কে ডন খুশি হয়েছিল রাস্তায় বেরিয়ে। কেউ তার দিকে তাকাচ্ছে না, অটোগ্রাফের বই এগিয়ে দিচ্ছে না। আর খুশি হয়েছিল বিখ্যাত বেসবল খেলোয়াড় বেব রুথের সঙ্গে আলাপ করে। ক্রিকেটে ব্র্যাডম্যান যা, বেসবলে বেব রুথ তাই। যুক্তরাষ্ট্রে ওরা মজা করেই ক্রিকেট খেলেছে। কোনো ম্যাচে হয়তো আম্পায়ার খেলা ফেলে রেখে কথা বলতে চলে গেল বাউণ্ডারির ধারে; কোনো ম্যাচে দুই আম্পায়ারের একজন ছয় বলে অন্য জন আট বলে ওভার দিয়েছে; কোনো ম্যাচে বিপক্ষ দলে ১৬ বা ১৭ জন করে খেলেছে। একটি খেলায় আম্পায়ার ছিল চিউইং গামের ব্যবসায়ী। মাঠেই সেখেলোয়াড়দের মধ্যে তার ব্যাবসা সামগ্রীর নমুনা বিতরণ করে এবং হাওয়ায় বেল পড়ে যাচ্ছে দেখে স্থানীয় ব্যাটধারীরা চিউইং গাম দিয়ে স্টাম্পের ওপর বেল আটকে রাখে। একজনকে স্টাম্প আউট করা হলে বেলটি আঠায় ঝুলতে ঝুলতে যতক্ষণ-না ভূমি স্পর্শ করেছে ততক্ষণ আম্পায়ার আউট দেওয়া থেকে নিবৃত্ত ছিল। একটি খেলায় অসমান খারাপ পিচ সম্পর্কে অনুযোগ করায় স্থানীয় কতৃপক্ষ পিচে জল ঢেলে দেয় যাতে বল আর না লাফায়।

    একবার বিপক্ষের ১৭ জন ব্যাট করে ও ১৪ জন বল করে। সান ফ্রান্সিসকোয় একটি ম্যাচে বিপক্ষের ১৫ জন ২০ রানে আউট হয়। ডন কয় বার মাত্র বল ছুঁয়েছিল— তিনটি ক্যাচ ধরা ও চারটি রান আউটের জন্য।

    আড়াই মাসে অস্ট্রেলীয় দলটি ছয় হাজার মাইল অতিক্রম করে। ডন ৫১ ইনিংসে করে ৩,৭৭৯ রান। ক্রিকেট উচ্চ পর্যায়ের ছিল না, কিন্তু ডনের জীবনের অন্যতম সুখের কাল ছিল এই আড়াই মাস। কিন্তু ঝড় যে আসছে, তার পূর্বাভাস ঘুণাক্ষরেও ডন তখন জানত না। বছর ঘোরার আগে ক্রিকেটের ইতিহাসের সবথেকে প্রলয়ংকর ঘটনার কেন্দ্রে সেএসে গেল। ঝড়ের নাম : ‘বডিলাইন’।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ১ম খণ্ড
    Next Article মতি নন্দী কিশোর সাহিত্য সমগ্র ১ম খণ্ড

    Related Articles

    মতি নন্দী

    অপরাজিত আনন্দ – মতি নন্দী

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    কলাবতী সমগ্র – মতি নন্দী

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দীর গল্পসংগ্রহ

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী কিশোর সাহিত্য সমগ্র ১ম খণ্ড

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ১ম খণ্ড

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ২য় খণ্ড

    November 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }