Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প116 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্ষমা – ২

    দুই

    মেয়েটির নাম রোজিনা আখতার। ডাক নাম রোজ। দেখতে অপরূপা না হলেও রূপসী। বাবা জামাল উদ্দিন সরকারি বড় অফিসার। মা তাহেরা বেগম শিক্ষিতা গৃহিণী।

    বিয়ের পর পাঁচ-ছয় বছর তাহেরা বেগমের পেটে সন্তান না হওয়ায় স্বামী স্ত্রী দু’জনেরই মনে শান্তি নেই। জামাল উদ্দিন নিজের ও স্ত্রীর সবকিছু ডাক্তারি পরীক্ষা করিয়েছেন। ডাক্তাররা বলেছেন, কারও কোনো দোষ নেই। অনেকের দেরিতে সন্তান হয়। আপনাদেরও সেরকম হতে পারে।

    এরপর আরও দু’বছর তাহেরা বেগমের পেটে সন্তান না আসায় একদিন তিনি স্বামীকে বললেন, আমার বড় বোনের দুটো ছেলে ও একটা মেয়ে। এ বছর আরও একটা ছেলে হয়েছে। ছেলেটা পেটে থাকতে বুবু খুব অসুস্থ ছিল। ছেলে হবার পর আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বুবুর শাশুড়ি তাকে উঠানো দুধ খাইয়ে মানুষ করছেন। তুমি রাজি থাকলে ঐ ছোট ছেলেটাকে আমি মানুষ করতে চাই। মুরুব্বিদের মুখে শুনেছি, “যে মেয়ের বাচ্চা হয় না, সে যদি অন্য কোনো মেয়ের বাচ্চাকে মানুষ করে, তা হলে তারও বাচ্চা হয়।”

    জামাল উদ্দিন অনেক সময় গভীর রাতে স্ত্রীকে কাঁদতে দেখেছেন। প্রথম প্রথম দেখে ভাবতেন, হয়তো কোনো দুঃস্বপ্ন দেখে কাঁদছে। তারপর আরও কয়েক রাতে কাঁদতে দেখে একদিন কাঁদার কারণ জিজ্ঞেস করেন।

    তাহেরা বেগম স্বামীর বুকে মুখ লুকিয়ে বলেন, আমাদের যদি একটা সন্তানও থাকত, তা হলে, কথাটা শেষ করতে না পেরে ফুঁপিয়ে উঠেন।

    জামাল উদ্দিনও সন্তানের জন্য বেদনা অনুভব করেন; কিন্তু সে কথা স্ত্রীকে বুঝতে দেননি। স্ত্রীকে ফুঁপিয়ে উঠতে দেখে নানান কথা বলে প্রবোধ দিয়েছেন। আজ স্ত্রীর কথা শুনে মনের মধ্যে আবার নিঃসন্তানের বেদনা অনুভব করলেন। তাই না করতে পারলেন না। বললেন, ঠিক আছে, অনুমতি দিলাম; কিন্তু তোমার বড় আপা ও দুলাভাই কি রাজি হবেন?

    তাহেরা বেগম বললেন, তাদের মতামত নিয়েই তোমাকে কথাটা বলেছি।

    জামাল উদ্দিন বললেন, তাদেরকে বলল, “সারাজীবনের জন্য ঐ ছেলেকে আমাদের কাছে দিয়ে দিতে হবে। আমরা ওকে লেখাপড়া করিয়ে মানুষের মতো মানুষ করব। তারপর রুজী-রোজগারের ব্যবস্থা করে বিয়ে দেব। তারা যেন কখনও ছেলের দাবি না করেন।

    তাহেরা বেগম বললেন, ওসব নিয়ে তোমাকে চিন্তা করতে হবে না। তুমি বলার আগেই আমি বড় আপা ও দুলাভাইয়ের সঙ্গে পাকা কথা বলে নিয়েছি।

    জামাল উদ্দিন বললেন, তা হলে তো আপত্তি করার কোনো কারণই নেই।

    তাহেরা বেগমের বড় আপা নাসরীনের বিয়ে হয়েছে কুমিল্লা টাউনে। তিনি ছোট ছেলের নাম রেখেছেন শাহিন।

    তাহেরা বেগম শাহিনকে নিয়ে আসার দেড় বছর পর একটা কন্যা সন্তান প্রসব করেন। সেই মেয়েই রোজিনা ওরফে রোজ। রোজের পর ওনার আর কোনো সন্তান হয়নি।

    রোজ এখন জাহাঙ্গীর নগর ইউনিভার্সিটিতে ইসলামিক হিস্ট্রিতে অনার্স। করছে। এটা তার দ্বিতীয় বর্ষ। আর শাহিন একই ভার্সিটিতে জিওগ্রাফীতে অনার্স করছে। এখন তার তৃতীয় বর্ষ চলছে। ওরা দেড় দু’বছরের ছোট বড় হলেও তুই তোকারী করে কথা বলে।

    রোজদের বাড়ির কেউ ধর্মের বিধি বিধান মেনে চলত না। রোজ ভার্সিটিতে ভর্তি হবার পর শিউলি নামে একটা ধার্মিক মেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয়। শিউলিই তাকে কুরআন হাদিসের বাণী শুনিয়ে ধর্মের পথে এনেছে। রোজ আবার প্রথমে শাহিনকে ও পরে মা-বাবাকে কুরআন হাদিসের বাণী শুনিয়ে ধর্মের পথে এনেছে।

    আজ প্রায় একমাস হয়ে গেল ছেলেটা ফোন না করায় রোজ ভাবল, ছেলেটা ঠিকই বখাটে। তাই আমার কাছে সুবিধে করতে না পেরে হয়তো অন্য কোনো মেয়ের পিছনে লেগেছে। এমন সময় মোবাইলে রিং হচ্ছে শুনে ছেলেটার নাম্বার উঠেছে দেখে চমকে উঠে ফোন রিসিভ করবে কিনা চিন্তা করতে লাগল।

    আট দশবার রিং হয়ে লাইন কেটে যাওয়ার পর আবার রিং বাজতে শুরু করলে রিসিভ করে রাগের সঙ্গে কিছু বলতে যাচ্ছিল। কিন্তু তার আগেই ছেলেটাকে সালাম দিতে শুনে থেমে গেল। তারপর গম্ভীরস্বরে সালামের উত্তর দিয়ে বলল, আমার পড়াতে আপনি খুব ডিস্টার্ব করছেন, এটা কি ঠিক হচ্ছে? আমার পিছনে লেগেছেন কেন বলুন তো? আমি তো আপনার কোনো ক্ষতি করিনি; তবু আপনি আমার ক্ষতি করছেন, কেন? রাত বারটা পর্যন্ত আমি পড়াশোনা করি। আপনি যদি সত্যিই ভালো ছেলে হন, তা হলে আর কোনোদিন আমাকে ফোন করবেন না।

    নাহিদ দুঃখিত গলায় বলল, সরি, এক্সট্রিমলি সরি। আপনি এসময় পড়াশোনা করেন জানলে ফোন করতাম না। এবার বলুন, কখন ফোন করলে আপনার ডিস্টার্ব হবে না?

    রোজ বলল, কিন্তু কেন আপনি আমার পেছনে লেগেছেন?

    তার কথাগুলো নাদিমের কানে কান্নার মতো শোনাল। বলল, প্লিজ, ক্ষমা করে দিন। আসল কথা কী জানেন, প্রথম দিন রং নাম্বারে আপনার কণ্ঠস্বর শুনে এত মুগ্ধ হয়েছি যে, তারপর থেকে বারবার শুনতে ইচ্ছা করে। আপনি আমাকে খারাপ ছেলে ভাবতে পারেন ভেবে আপনার কণ্ঠস্বর শোনার জন্য প্রতিদিন ফোন করার ইচ্ছে হলেও করিনি। প্লিজ, আপনার নামটা বলবেন?

    কেন? নাম জেনে কী হবে?

    মনে হচ্ছে কণ্ঠস্বরের মতো আপনার নামটাও সুন্দর হবে।

    তাতে আপনার কী?

    স্মৃতিতে গেঁথে রাখব আর ভাববো, সুন্দর কণ্ঠের মেয়েটির নামও সুন্দর।

    নাদিমের কথা শুনে রোজের রাগ পড়ে গেল। ভাবল, ছেলেটা ভদ্র ঘরের, বখাটে হতে পারে না। বলল, আপনি কী করেন?

    চাকরি করি।

    কতদূর লেখাপড়া করেছেন।

    বাংলায় অনার্স নিয়ে মাস্টার্স করেছি।

    তা হলে বখাটের মতো আচরণ করছেন কেন?

    ভুল করছেন, কোনো মুসলমান বখাটে হতে পারে না।

    কিন্তু আপনি তোতা…

    তাকে কথাটা শেষ করতে না দিয়ে নাদিম বলল, আমি মোটেই বখাটে নই। আপনার সুমিষ্ট কণ্ঠস্বর আমার মনকে পাগল করে তুলেছে। তাই মাঝে মাঝে ফোন করি।

    রোজ হেসে উঠে বলল, শুনেছি ছেলেমেয়েরা একে অন্যের রূপ দেখে মুগ্ধ হয়। আবার অনেকে ছেলে বা মেয়ের বাবার ঐশ্বর্য দেখে প্রেমে পড়ে। আমি তো এ দুটোর কোনোটার মধ্যে পড়িনি। তবু কেন আমার পিছনে লেগেছেন? মনে হয় ভেতরে ভেতরে আমার বাবার ঐশ্বর্যের খবর নিয়ে সুমিষ্ট কণ্ঠস্বরের দোহায় দেখিয়ে আমাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলতে চান?

    নাদিম বলল, আপনি যা কিছু ভাবছেন তা ভুল। প্লিজ, নামটা বললে খুব খুশি হতাম।

    সরি, আপনাকে খুশি করতে পারছি না বলে দুঃখিত। তারপর লাইন কেটে দিয়ে রোজ মোবাইল অফ করে দিল।

    নাদিম কয়েকবার ফোন করে বুঝতে পারল, মেয়েটা মোবাইল অফ করে রেখেছে।

    নাদিম সারাদিন অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকলেও যখন মেয়েটির কথা মনে পড়ে তখন খুব বিচলিত হয়ে চিন্তা করে কীভাবে তার সঙ্গে পরিচয় করা যায়। একদিন রাতে ঘুমোতে যাবার সময় সেকথা ভেবে ঘুম আসছিল না। তখন হঠাৎ তার মন বলে উঠল, যাকে কখনও দেখিসনি, তার সঙ্গে শুধু ফোনের মাধ্যমে প্রেম করা এবং তাকে নিয়ে কোনো কিছু চিন্তা করা তোর মোটেই উচিত নয়। তা ছাড়া ধার্মিক ছেলে হিসেবে তুই জানিস, বিয়ের আগে প্রেম ভালবাসা ইসলামে নিষেধ। এই যে একটা বেগানা মেয়ের সঙ্গে ফোনে আলাপ করছিস, এটাও তো ইসলামে নিষেধ।

    মনের কথা শুনে নাদিমের বুক চিরে একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস বেরিয়ে এল। ভাবল, তাই তো এটা করা ঠিক হচ্ছে না। তারপর আল্লাহর নাম স্মরণ করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ল। এই সব চিন্তা করে নাদিম প্রায় দু’মাস মেয়েটাকে ভুলে যাবার জন্য কোনো ফোন করল না।

    .

    আজ কয়েকদিন থেকে নাদিমের খুব জ্বর। সাধারণত মেসে যারা থাকে তাদের রান্না করে দেয়ার জন্য ও থালা বাসন ধুয়ে দেয়ার জন্য কাজের মেয়ে থাকে। নাদিম কাজের মেয়ে না রেখে প্রথম দিকে নিজেই কাজের মেয়ের কাজগুলো করত। তারপর একটা চৌদ্দ পনের বছরের ছেলে রেখেছে। ছেলেটার নাম বসির। বসির নিউমার্কেট ও ভার্সিটি এলাকায় কাগজ টোকাত। একদিন তাকে দেখে নাদিমের কেমন যেন মায়া হল। ভাবল, এত সুন্দর ছেলেটা লেখাপড়া না করে টোকাইয়ের কাজ করছে। তার সঙ্গে আলাপ করে জানতে পারল, তার বাড়ি সিরাজগঞ্জে। ক্লাস সেভেন পর্যন্ত পড়েছে। তাদের অবস্থা মোটামুটি সচ্ছল ছিল। নদীতে তাদের জায়গা জমি ও বাড়ি-ঘর ভেঙ্গে যাবার পর তাদের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। ওরা চার ভাইবোন। তার বাবা কামলা খেটে কোনো রকমে সংসার চালালেও ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া করাবার মতো ক্ষমতা নেই। তাই বসির লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে কাজের চেষ্টায় ঢাকায় আসে। প্রথমে পুরানো ঢাকায় একটা হোটেলে মেসিয়ারের কাজ করত। হোটেলের মালিক তাকে প্রচুর খাটাত। মেসিয়ারের কাজ ছাড়া তাকে বাবুর্চির সঙ্গে কাজও করাত। এত খাটুনি তার সহ্য হত না। তা ছাড়া ঠিকমতো বেতনও দিত না। তাই সেই কাজ ছেড়ে দিয়ে টোকাইয়ের কাজ করছে। রান্নার কাজ জানে জেনে নাদিম তাকে নিজের কাছে মেসে রেখেছে। সেই-ই এখন নাদিমের বাজার ও রান্নার কাজ করে। তার কাছে থাকে, খায়। মাসে মাসে কিছু টাকা তার দেশে মা বাবার কাছে মানিঅর্ডার করে নাদিম পাঠিয়ে দেয়। বসির অবসর সময়ে পান সিগারেটের ডালা নিয়ে রাস্তায় ঘুরে ঘুরে বিক্রি করে। অবশ্য নাদিমই এই ব্যবস্থা করে দিয়েছে। নাদিম তাকে কুরআন শরীফ পড়া শিখিয়েছে। নামায পড়তে জানে জেনে নিয়মিত নামায পড়াচ্ছে।

    নাদিমের যে কয়েকদিন জ্বর বেশি ছিল, বসির ডাক্তার ডেকে এনে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। ডাক্তারের কথামতো তার মাথায় পানি দিয়েছে, নিয়ম মাফিক ওষুধ খাইয়েছে।

    আট দশ দিন জ্বরে ভোগার পর আজ নাদিম কিছুটা সুস্থ। রাত বারটা বেজে গেলেও তার ঘুম আসছে না। কেবলই মেয়েটাকে ফোন করতে ইচ্ছে। করছে। চেষ্টা করেও ইচ্ছেটাকে দমন করতে পারছে না। প্রথম দিকে বসির ঘরের মেঝেয় ঘুমাত। কিছুদিন আগে একজন শোবার মতো একটা ছোট রেডিমেট তক্তপোষ নাদিম কিনে দিয়েছে। এখন বসির সেই তক্তপোষে শোয় । রাত দশটার দিকে বসির ঘুমিয়ে পড়ে। নাদিম তার দিকে একবার চেয়ে মেয়েটাকে ফোন করল।

    রোজ ঘুমাবে বলে বালিশে মাথা রেখেছে, এমন সময় মোবাইল বেজে উঠতে ভাবল, এত রাতে কে আবার ফোন করল, সেই ছেলেটা নয়তো? তারপর নাম্বার দেখে সিওর হল। প্রায় দু’মাস ফোন করেনি দেখে ভেবেছিল, ছেলেটা হয়তো সত্যিই বখাটে নয়। তা না হলে এতদিনে কয়েকবার ফোন করত। ততক্ষণে ছয় সাতটা রিং বেজে গেছে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও রিসিভ করে মনের অজান্তে সালাম দিয়ে বলল, এত রাতে কেউ কাউকে ফোন করে?

    নাদিম ভেবেছিল, এত রাতে ফোন করেছি জেনে হয়তো রেগে গিয়ে যা তা করে বলবে অথবা লাইন কেটে দিয়ে মোবাইল বন্ধ করে দেবে। তার বদলে প্রথমেই সালাম দিতে শুনে ও তার কথা শুনে আনন্দে নাদিমের হার্ট বিট বেড়ে গেল। কিছু বলতে না পেরে চুপ করে রইল।

    কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করে রোজ বলল, জানেন না, সালামের উত্তর না। দিলে গুনাহ হয়?

    নাদিম সালামের উত্তর দিয়ে আবার চুপ করে রইল।

    রোজ তার চুপ করে থাকার কারণ জানে। তাই আবার বলল, আমার দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর দিলেন না যে?

    নাদিম বলল, এগারটার সময় ফোন করলে আপনার পড়ার ডিস্টার্ব হবে, তাই বলে থেমে গেল।

    রোজ হেসে উঠে বলল, এখন তো ঘুমের ডিস্টার্ব হচ্ছে।

    তা হলে বলুন, কখন ফোন করলে কোনো কিছুতেই ডিস্টার্ব হবে না।

    সে কথা পরে, তার আগে বলুন, বেগানা ছেলেমেয়েদের মধ্যে ফোনে আলাপ করা ইসলামে নিষেধ জেনেও কেন ফোন করেন?

    এ প্রশ্ন আগেও একদিন করেছিলেন। যে কারণে সেদিন উত্তর দিইনি, সেই একই কারণে আজও দেয়া যাবে না।

    কেন দেয়া যাবে না?

    বললে আপনি যেমন খুব রেগে যাবেন, তেমনি আমাকে খুব খারাপ ছেলে ভাববেন।

    তাই যদি হয়, তা হলে বলার দরকার নেই। এবার তাহলে লাইন কেটে দিচ্ছি।

    প্লিজ, লাইন কাটবেন না, দু’একটা কথা বলব।

    বলুন।

    আমার নাম নাদিম। বাংলায় মাস্টার্স করে চাকরি করছি, সেকথা আগে একদিন বলেছি। আপনারটা বলবেন?

    যদি না বলি?

    বললে তো জোর করতে পারব না, তবে মনে খুব কষ্ট পাব।

    মনে কষ্ট পাবেন কেন?

    মনে হচ্ছে, বুঝেও না বোঝার ভান করছেন।

    ভালো নাম রোজিনা আখতার। ডাক নাম রোজ। জাহাঙ্গীর নগর ইউনিভার্সিটিতে ইসলামিক হিস্ট্রীতে অনার্স করছি। এটা থার্ড ইয়ার।

    নাদিম তার নাম শুনে খুশি হয়ে ভাবল, নিশ্চয় নামের মতো মেয়েটি দেখতেও সুন্দর।

    রোজ বলল, আমার পরিচয় শুনে মনে হচ্ছে কিছু ভাবছেন?

    কী করে বুঝলেন?

    কিছু না ভাবলে চুপ করে ছিলেন কেন?

    ঠিক বলেছেন বলে নাদিম ধন্যবাদ জানিয়ে বলল, কি ভাবছিলাম বলতে পারেন?

    না, পারব না। কারণ মানুষের মনের খবর আল্লাহ ছাড়া কেউ বলতে পারে না। তবে অনুমান করে বলতে পারি। সেটা ঠিকও হতে পারে আবার বেঠিকও হতে পারে।

    ঠিক বেঠিক যাই হোক না কেন আপনি বলুন।

    রোজ কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বলল, প্রথম দিন আমার কণ্ঠস্বর শুনে মুগ্ধ হয়েছিলেন, আর আজ আমার নাম শুনে আরও বেশি মুগ্ধ হয়ে ভাবছেন, নামের মতো হয়তো আমি সুন্দর। এবার বলুন, আমার অনুমান ঠিক না বৈঠিক?

    নাদিম অবাক কণ্ঠে বলল, একশ’ পার্সেন্ট ঠিক!

    রোজ বলল, এবার একটা ঘটনা বলব শুনবেন? ঘটনাটা কয়েকটা দৈনিক কাগজে ছাপা হয়েছিল।

    বলুন, শুনব।

    একটা মেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এম.বি.বি.এস পাস করে যখন ইন্টারনিসিপ করছিল তখন একটা ছেলে আপনার মতো মোবাইল টিপতে টিপতে ঐ মেয়েটির নাম্বারে রিং হতে থাকে। মেয়েটি ফোন রিসিভ করে জিজ্ঞেস করে কাকে চান? ছেলেটা মেয়েটির কণ্ঠস্বর শুনে মুগ্ধ হয়। তারপর দিনের পর দিন মেয়েটিকে ফোন করে আলাপ করতে থাকে। প্রথম দিকে মেয়েটি ছেলেটাকে বখাটে ভেবে রাগারাগি করে ফোন করতে নিষেধ করে; কিন্তু ছেলেটি দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ফোন করে প্রেম নিবেদন করতে থাকে। মেয়েটিও হয়তো ছেলেটার কণ্ঠস্বর শুনে ও কথাবার্তা শুনে মুগ্ধ হয়ে তাকে ভালবেসে ফেলে। তারপর তাদের দেখা সাক্ষাৎ না হলেও ফোনের মাধ্যমে তাদের সেই ভালবাসা গভীর থেকে গম্ভীর হয়। ছেলেটি তখন জুওলজিতে মাস্টার্স করছিল।

    মেয়েটি ইন্টারনিশীপ শেষ করে একটা প্রাইভেট ক্লিনিকে জয়েন করে। তখনও তাদের ফোনে প্রেমালাপ চলতে থাকে। প্রায় দু’আড়াই বছর তাদের ফোনে সম্পর্ক থাকলেও দেখা সাক্ষাৎ হয়নি।

    ছেলেটা মাস্টার্স কমপ্লিট করার পর হঠাৎ একদিন ঐ প্রাইভেট ক্লিনিকে এসে মেয়েটির সঙ্গে দেখা করে নিজের পরিচয় দেয়।

    ছেলেটা খুব রোগা আর কালো কুৎসিত। তাই তাকে দেখেও তার পরিচয় পেয়ে মেয়েটি চমকে উঠে ও তার মন ঘেন্নায় ভরে উঠে। কারণ মেয়েটি খুব সুন্দরী। দুধে আলতা মেশান গায়ের রঙ, চোখ দুটো পটলচেরা। গোলগাল চেহারা। সে ভাবতেই পারেনি, প্রায় দু’আড়াই বছর যার সঙ্গে ফোনে প্রেম করেছে, সে এত রোগা ও কালো কুৎসিত। তাকে দেখে মেয়েটির মন বেসামাল হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যে সামলে নিয়ে বলল, ফোনে যার সঙ্গে আমার সম্পর্ক হয়েছে, সে আপনি নন।

    ছেলেটা মেয়েটিকে দেখে তখন আনন্দ সাগরে ভাসছিল। তার কথা শুনে বলল, এ তুমি কী বলছ? আমার কণ্ঠস্বর ও কথাবার্তা শুনেও এরকম কথা বলতে পারলে?

    আসলে মেয়েটি তাকে ঠিকই চিনেছে। তার কুৎসিত চেহারা দেখে তার মন বিষিয়ে গেছে। সে ভেবেছিল, যার কণ্ঠস্বর এত সুন্দর, সে দেখতেও নিশ্চয় খুব সুন্দর হবে। তাই রেগে উঠে বলল, আপনার কথা আমি বিশ্বাস করি না। আপনি এখান থেকে চলে যান। নচেৎ লোকজন ডাকতে বাধ্য হব।

    ছেলেটা প্রথমে মনে করেছিল, মেয়েটি তার সঙ্গে জোক করছে। পরে তার কথা শুনে বুঝতে পারল, তার কুৎসিত চেহারা দেখে তাকে ডিনাই করছে। তাই রেগে গেলেও ফোনে যে সমস্ত কথা হত, সেসব বলে বোঝাবার চেষ্টা করল।

    মেয়েটি ছিল এ্যাসিস্টেন্ট সার্জেন। তার রুমে কিছু সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি ছিল। মেয়েটি যখন মোটেই পাত্তা দিল না এবং পুলিশে ফোন করার কথা বলল তখন ছেলেটি রাগ সামলাতে পারল না। সার্জিক্যাল ছুরি দিয়ে মেয়েটির গলা কেটে খুন করল।

    একজন নার্স মেয়েটির রুমে আসছিল। রুমের ভেতর ধস্তাধস্তি হচ্ছে শুনে তাড়াতাড়ি এসে ঘটনা দেখে ভয় পেয়ে ছুটে ফিরে গিয়ে অন্যান্য ডাক্তারকে ঘটনাটা জানাল। মুহূর্তের মধ্যে ক্লিনিকের সবাই জেনে গিয়ে ছেলেটিকে ধরে বেঁধে ফেলে থানায় ফোন করে জানাল।

    থানা থেকে পুলিশ এসে ছেলেটিকে এ্যারেস্ট করে নিয়ে গেল। পুলিশের জেরার মুখে ছেলেটা তাদের দীর্ঘ দিনের সম্পর্কের কথা বলে কেন খুন করল সেকথাও জানাল।

    মেয়েটির বাবা খুনের মামলা করল। কোটে জজ সাহেবের কাছেও ছেলেটা একই জবানবন্দী দিয়ে খুন করার কথা অকপটে স্বীকার করল। কিছু দিন মামলা চলার পর মামলার রায় অনুযায়ী তার ফাঁসি হয়ে গেল।

    ঘটনাটা শেষ করে রোজ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, আসলে কী জানেন, মোবাইল ফোন দেশে চালু হয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উপকার হলেও টিনএজার বলুন আর বয়স্ক ছেলেমেয়ে বলুন, সবাই-এর অনেক ক্ষতি হয়েছে। সমাজের নৈতিক অবক্ষয় দ্রুত গতিতে বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে মা-বাবারা, কিশোর কিশোরী ও তরুণ-তরুণীদের হাতে মোবাইল দিয়ে তাদের ভীষণ ক্ষতি করছে। এই বয়সেই তারা সহপাঠিদের সঙ্গে মোবাইলে চুটিয়ে প্রেম প্রেম খেলছে। আর একটা ঘটনা বলছি শুনুন–

    আমাদের পাশের বাড়ির সপ্তম শ্রেণির একটা মেয়ে মোবাইলে দুতিনটে ছেলের সঙ্গে প্রেম করে।

    নাদিম বলল, আপনি খুব দামি কথা বলেছেন। এই বয়সের ছেলেমেয়েদের হাতে মোবাইল দেয়া মোটেই উচিত নয়। এবার আমি একটা কথা বলি?

    রোজ বলল, কি বলবেন আমি বুঝতে পারছি। পরে সে ব্যাপারে আলাপ করা যাবে। এখন ঘড়ির দিকে চেয়ে দেখুন কটা বেজেছে। তারপর নাদিমকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে আল্লাহ হাফেজ বলে লাইন কেটে দিয়ে মোবাইল অফ করে ঘুমিয়ে পড়ল।

    নাদিমও ক্লিনিকের ঘটনাটা একটা দৈনিক পেপারে পড়েছিল। রোজ লাইন কেটে দেয়ার পর সারারাত ঘুমোতে পারল না। চিন্তা করতে লাগল, রোজের। ধারণা, আমি যদি দেখতে কুৎসিত হই, তা হলে কী ঘটনা ঘটতে পারে? তার। ধারণা ভাঙ্গাবার জন্য তাদের দেখা সাক্ষাৎ হওয়া একান্ত দরকার। তাছাড়া। তাকে দেখার জন্য তার মনও খুব উতলা হয়ে উঠেছে। তাই কয়েকদিনের মধ্যে দেখা সাক্ষাতের ব্যবস্থা করতে হবে। কোথায় কিভাবে দেখা করবে ভাবতে ভাবতে এক সময় ঘুমিয়ে পড়ল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমিও মানুষ – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }