Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প116 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্ষমা – ৪

    চার

    পরের দিন রোজ ভার্সিটিতে গেলে এক সময় শিউলি জিজ্ঞেস করল, কীরে, তোর প্রেমিকবরের খবর কী?

    রোজ কপট রাগ দেখিয়ে বলল, প্রেমিকবর কাকে বলে জানিস?

    শিউলি হেসে উঠে বলল, জানি। একটু জোক করলাম আর কী।

    রোজ বলল, এরকম জোক আর করবি না। তারপর বলল, সে অনেক কথা। চল, কোথাও বসি।

    একটা নিরিবিলি জায়গায় বসে শিউলি বলল, নে, এবার শুরু কর।

    রোজ নাদিমের বায়োডাটা বলে গত রাতে ফোনে যেসব কথা হয়েছে, তা থেকে যতটুকু বলার বলে বলল, সে আমার সঙ্গে দেখা করতে চায়।

    তুই কী বললি?

    বললাম, আপনার বায়োডাটা ইনকোয়ারি করার পর সত্য হলে দেখা সাক্ষাতের ব্যবস্থা হবে।

    তুই খুব ভালো কথা বলেছিস। বায়োডাটা ভালো; কিন্তু কী করে ইনকোয়ারি করবি কিছু ভেবেছিস?

    তোকে একদিন বলেছিলাম আমার এক খালাত ভাই আমাদের বাড়িতে থেকে এখানেই মাস্টার্স করছে। তার বাড়ি কুমিল্লা। তাকে দিয়েই করাব ভেবেছি।

    তুই তো বলেছিলি, সে তোর থেকে বড়। বড় ভাইকে দিয়ে ইনকোয়ারি করাবি, ব্যাপারটা ঠিক মেনে নিতে পারছি না।

    রোজ হেসে উঠে বলল, সে আমার থেকে দেড় বছরের বড়। তাকে বড় বলে আমি মানিই না। আমরা বন্ধুর মতো তুই তোকারি করে কথা বলি।

    শিউলি বলল, তাই-ই বল, আমার কাছে যেন কেমন কেমন মনে হচ্ছিল। যাক, ইনকোয়ারি করার পর রেজাল্ট জানাবি তো?

    রোজ বলল, অফকোর্স। তোকে জানাব না তো কাকে জানাব? চল, এবার ক্লাসে যাই।

    একদিন রোজ শাহিনকে বলল, আমার একটা কাজ করে দিবি?

    শাহিন বলল, সাধ্যের মধ্যে হলে করে দেব।

    রোজ তাকে নাদিমের ঠিকানা দিয়ে বলল, এই ছেলেটার সম্পর্কে সবকিছু জেনে আমাকে জানাবি।

    শাহিন কাগজটার উপর একবার চোখ বুলিয়ে নিয়ে জিজ্ঞেস করল, এই ছেলেকে তুই চিনিস?

    সে কথা পরে শুনিস, যা বললাম করতে পারবি কিনা বল।

    পারব না কেন? সামনের সপ্তাহে কয়েকদিনের জন্য ভার্সিটি বন্ধ থাকবে। সে সময় বাড়িতে যাব ভেবেছি। তখন একদিন ছেলেটার বাড়িতে গিয়ে সবকিছু জেনে আসব।

    তুই না একটা গাধা।

    আমি আবার গাধার মতো কি বললাম?

    গাধা নয়তো কী? ভার্সিটিতে পড়ছিস আর একথা জানিস না, কারও সম্পর্কে কিছু জানতে হলে অন্যের কাছ থেকে জানতে হয়। সব থেকে ভালো জানা যায় তার শত্রুর কাছ থেকে। এক বিখ্যাত কবি, ঔনার নাম আমার মনে নেই। তিনি একটা কবিতায় লিখেছেন,

    “দোষ যদি আপনার চাহ জানিবার,
    অরাতির কাছে পাবে সন্ধান তাহার।”

    সরি, কথাটা আমিও জানতাম। তবে ভুলে গিয়েছিলাম।

    তোরা, ছেলেরা কি সবাই একই রকম? জানা থাকলেও কাজের সময় মনে থাকে না?

    শাহিন বলল, একথা বলছিস কেন? আর কেউ বুঝি আমার মতো তোকে বলেছে?

    নাদিমের কথাটা মনে পড়তে হঠাৎ করে রোজের মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেছে। শাহিনের কথা শুনে তাড়াতাড়ি সামলে নিয়ে বলল, হ্যাঁ, না মানে একদিন একটা ছেলে বলেছিল।

    কে রে ছেলেটা?

    বলা যাবে না।

    শাহিন কাগজটা দেখিয়ে বলল, আমার তো মনে হচ্ছে এই ছেলেটা।

    রোজ বলল, তুই না দিন দিন খুব ভেঁপো হয়ে যাচ্ছিস। ছোট বোনের সঙ্গে কীভাবে কথা বলতে হয় সেকথাও জানিস না।

    তুই আমাকে বড় বলে মানিস? মানলে প্রেমিকের বায়োডাটা ইনকোয়ারি করার কথা বলতিস না।

    তুই কিন্তু এবার ছোট বোনের সঙ্গে ফাজলামি করছিস।

    ঠিক আছে, আর কোনো কিছু করব না তোর সঙ্গে।

    কথাটা মনে রাখবি। আর শোন, কাজটা যদি ঠিকমতো করতে পারিস, তা হলে তোকে এমন একটা সারপ্রাইজ দেব, যা তুই সারাজীবনেও ভুলতে পারবি না।

    সারপ্রাইজ না দিলেও তোকে সুখী করার জন্য কাজটা করে দেব।

    আমিও তোকে কথা দিলাম, আমি সুখী হই, বা না হই তবু তোকে সারপ্রাইজটা দেব। আর কাজটা না করে দিলেও দেব।

    শাহিন বলল, একটা কথা না বলে পারছি না, বিয়ের আগে প্রেম-ভালবাসা অথবা মন দেয়া-নেয়া ইসলামে নিষেধ। তুই একজন ধার্মিক মেয়ে হয়ে এ পথে পা বাড়ানো কি উচিত হয়েছে?

    রোজ বলল, তুই অবশ্য ঠিক কথা বলেছিস, আর আমিও সেকথা জানি। তবে কী জানিস, ছেলেটার সঙ্গে পরিচয় বা মেলামেশা তো দূরের কথা, একবারও দেখা সাক্ষাৎ পর্যন্ত হয়নি।

    তাই নাকি? তা হলে তার বায়োডাটা পেলি কী করে? আর তার সবকিছুর খোঁজ-খবর নিতেই বা চাচ্ছিস কেন?

    সেসব আর একদিন শুনিস। তুই এখান যা। আর শোন, এই ব্যাপারটা অন্য কেউ যেন না জানে।

    .

    রোজের বায়োডাটা নেয়ার পর নাহিদ চিন্তা করল, রোজকে বিয়ে করার কথা বাবা বা ভাইয়াদের তো বলা যাবে না, মাকে দিয়ে বলাতে হবে। মা রোজদের সম্পর্কে সবকিছু জানতে চাইলে বায়োডাটা দিয়ে খোঁজ-খবর নিতে বললে হবে; কিন্তু সেখানে গিয়ে তাদের খারাপ কিছু দেখে যদি কুটুম্বিতা করতে রাজি নাহয়? তার চেয়ে মাকে জানাবার আগে তারই উচিত রোজদের গ্রামে গিয়ে তাদের সবার খোঁজ-খবর নেয়া। এইসব চিন্তা করে নাদিম এক শুক্রবারে গাজীপুর টাউনে গিয়ে প্রথমে জুম্মার নামায পড়ল। তারপর হোটেলে খাওয়া দাওয়া করে মসজিদে ফিরে এসে খাদেমকে দেখতে পেয়ে জিজ্ঞেস করল, ইমাম সাহেব কোথায় থাকেন?

    খাদেম মসজিদের পাশে দুটো রুম দেখিয়ে বললেন, উত্তর দিকের রুমটায় ইমাম সাহেব থাকেন।

    নাদিম ইমাম সাহেবের রুমের দরজার কাছে এসে পর্দার বাইরে থেকে সালাম দিল।

    ইমাম সাহেব সবে মাত্র খেয়ে উঠে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। কাউকে সালাম দিতে শুনে সালামের উত্তর দিয়ে বললেন, ভেতরে আসুন।

    নাদিম পর্দা ঠেলে ভেতরে ঢুকল।

    ইমাম সাহেব একটা চেয়ার দেখিয়ে বসতে বললেন।

    ইমাম সাহেব বেশ বয়স্ক লোক। চুল দাড়ি পেকে সব সাদা শনের মতো হয়ে গেছে। তাই দেখে নাদিম বসে বলল, দেখুন, আমি আপনার নাতির বয়সি, আমাকে তুমি করে বললে খুশি হব।

    ইমাম সাহেব বললেন, শুনে আমিও খুশি হলাম। তোমার মতো আমার একটা নাতি ছিল। সৌদিতে চাকরি করতে গিয়ে রোড এ্যাকসিডেন্টে মারা গেছে। তা ভাই, তোমাকে তো চিনতে পারছি না।

    নাদিম বলল, আমি ঢাকা থেকে এসেছি।

    আমার কাছে কেন এসেছ বল।

    কিছু মনে করবেন না, আমি একজনের সম্পর্কে কিছু জানতে এসেছি।

    ওনার নাম বল।

    জামাল উদ্দিন।

    ইমাম সাহেব মৃদু হেসে বললেন, আরে ভাই শুধু নাম বললে হবে? ঠিকানাও তো বলতে হবে। ঐ নামে তো অনেককে চিনি।

    নাদিম ঠিকানা বলল।

    ইমাম সাহেব বললেন, হ্যাঁ, ওনাকে খুব ভালোভাবেই চিনি। ওনার আর আমার বাড়ি একই গ্রামে। কী জানতে চাও বল?

    নাদিম বলল, ওনার আর্থিক অবস্থা কেমন? উনি কী করেন? ধর্মের বিধি নিষেধ মেনে চলেন কি না, স্বভাব-চরিত্র কেমন? ছেলেমেয়ে কয়জন? তাদেরও স্বভাব চরিত্র কেমন? তারা কে কী করে?

    ইমাম সাহেব জ্ঞানী ও বিচক্ষণ লোক। নাদিমের কথা শুনে যা বোঝার বুঝে গেলেন। তবু জিজ্ঞেস করলেন, ওনার সম্পর্কে এত কিছু জানতে চাচ্ছ কেন?

    নাদিম বলল, আমার তো মনে হচ্ছে আপনি বুঝতে পেরেও জিজ্ঞেস করেছেন?

    হ্যাঁ ভাই, তোমার কথা ঠিক। তা তুমি ছেলের না মেয়ের পক্ষের হয়ে এসেছ?

    বেয়াদবি মাফ করবেন, আগে আমার কথার উত্তর দিন। তারপর আপনার কথার উত্তর দেব।

    ইমাম সাহেব অল্পক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, জামাল উদ্দিন সরকারি চাকরি করেন। ওনার কোনো ছেলে সন্তান নেই। একটা মাত্র মেয়ে। বিয়ের পর অনেক বছর কোনো সন্তান হয়নি। তাই ওনার স্ত্রী বড়বোনের একটা ছেলেকে নিয়ে আসেন মানুষ করার জন্য। আল্লাহর কী শান, বোনের ছেলেকে নিয়ে আসার এক দেড় বছর পর একটা মেয়ে সন্তান হয়। তারপর আর কোনো সন্তান হয়নি। মেয়েটি জাহাঙ্গীর নগর ইউনিভার্সিটিতে পড়ছে।

    নাদিম জিজ্ঞেস করল, ওনারা ধর্ম-কর্ম মেনে চলেন কিনা বললেন না, আর্থিক অবস্থা কেমন তাও বললেন না।

    ইমাম সাহেব বললেন, আগে ধর্ম-কর্ম তেমন একটা মেনে চলতে দেখিনি। মেয়েটি ভার্সিটিতে ভর্তি হবার কিছুদিন পর থেকে সবাইকে নিয়মিত নামায রোযা করতে দেখি। মেয়েটা বোরখা পরে ভার্সিটি যায়। আর আর্থিক অবস্থা খুব ভালো। এবার আমার কথার উত্তর দাও।

    নাদিম বলল, আমি ছেলের পক্ষ থেকে জামাল উদ্দিনের মেয়ের জন্য এসেছি। তবে এখন বিয়ের প্রস্তাব দেব না। একই গ্রামে বাড়ি যখন, তখন। ওনাদের বংশ কেমন, উনি বা ওনার পূর্ব পুরুষরা কেউ মদ তাড়ি খেতেন কিনা, সুদের ব্যবসা করতেন কিনা নিশ্চয় জানেন?

    ইমাম সাহেব বললেন, না ভাই, আমার জ্ঞান হবার পর থেকে আজ পর্যন্ত ওসব কিছু শুনিনি। তারপর জিজ্ঞেস করলেন, সত্যি করে বলতো ভাই, পাত্র তোমার কে হয়?

    বলাটা ঠিক হবে কী না নাদিম চুপ করে চিন্তা করতে লাগল।

    কী হল ভাই, চুপ করে আছ কেন? বলতে না চাইলে জোর করব না। তবে আমার বিশ্বাস, পাত্র তুমি নিজেই।

    নাদিম মৃদু হেসে বলল, হ্যাঁ, আপনার অনুমান ঠিক। মেহেরবানী করে কথা দিন, আমার ব্যাপারে মেয়ের মা-বাবা বা ওনাদের আত্মীয়দের কাউকে কিছু বলবেন না।

    ইমাম সাহেব বললেন, বললেও কারও কোনো ক্ষতি হবে না। তবু তুমি যখন নিষেধ করছ তখন কথা দিলাম, এসব কথা এখানকার দ্বিতীয় কেউ জানবে না।

    নাদিম শোকর আলহামদুলিল্লাহ বলে বলল, আপনাকে অনেক অনেক মোবারকবাদ জানাচ্ছি। দোয়া করুন, আল্লাহ যেন আপনাকে দাদুর মতো জীবনভর মনে রাখতে পারি। চলুন মিষ্টিমুখ করাব।

    না ভাই, আজ নয়। কিছুক্ষণ আগে ভাত খেয়েছি। আল্লাহ যেদিন তোমার মনস্কামনা পূরণ করবেন, সেদিন খাব।

    দাদু ভাই, আর একটা কথা, ঐ মেয়েটার স্বভাব চরিত্র সম্পর্কে কিছু বলতে পারেন?

    একই গ্রামে বাড়ি হলেও আমাদের বাড়ি অন্য পাড়ায়। তবু যতটুকু জানি, ওর মতো মেয়ে সচারাচর দেখা যায় না।

    নাদিম বলল, দাদু, আল্লাহ রাজি থাকলে আপনাকে দিয়ে প্রস্তাব দেওয়াব।

    ইমাম সাহেব বললেন, তুমি যে আমাকে দিয়ে প্রস্তাব দেয়াবে বলছ, তা কী করে হয়? আমি তো তোমাদের সম্পর্কে কিছুই জানি না।

    নাদিম বলল, ভুল করে ফেলেছি। তারপর একটা কাগজে নাম ঠিকানা লিখে দেয়ার সময় বলল, একদিন এসে আপনাকে আমাদের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাব। স্বচক্ষে সরজেমিন করবেন।

    ইমাম সাহেব বললেন, আল্লাহ রাজি থাকলে তা না হয় করব। এখন বলত, এই মেয়ের খোঁজ তুমি পেলে কী করে?

    মাফ করবেন দাদু, এখন সেকথা বলতে পারব না। তবে ইনশাআল্লাহ বিয়ের পর বলব। তারপর জিজ্ঞেস করল, নিশ্চয় আপনার মোবাইল আছে?

    আজকাল রিকশাওয়ালা, কুলি ও ভিখেরীদের যখন মোবাইল আছে তখন। আমার কী আর না থেকে পারে।

    মোবাইলটা দিন, আমার নাম্বার ও নাম সেভ করে দিই। সেভ করার পর মোবাইল ফেরত দেয়ার সময় বলল, আপনার নাম্বার বলুন, আমার মোবাইলে সেভ করে নিই।

    সেভ করার পর নাদিম বলল, কবে আমাদের বাড়ি যেতে পারবেন ফোন করে জানাবেন, আমি এসে আপনাকে নিয়ে যাব। ভাববেন না আপনাকে ফাঁকি দেব। বিয়ে হোক বা না হোক, ঘটকালি করার জন্য উপযুক্ত সালামি পাবেন।

    ইমাম সাহেব হেসে উঠে বললেন, নাতির জন্য ঘটকালি করে কোনো দাদু কি সালামি নেয়, না নিতে পারে?

    আপনি অবশ্য ঠিক কথা বলেছেন? তবে নাতি যদি খুশি হয়ে দাদুকে কিছু দেয়, তাতে তো কোনো দাদুর মনে করার কিছু নেই। তা হলে এবার আসি দাদু আপনার ফোনের প্রতীক্ষায় থাকব। তারপর নাদিম সালাম বিনিময় করে বিদায় নিয়ে বাসস্ট্যান্ডের দিকে রওয়ানা দিল।

    .

    রোজের খালাত ভাই শাহিন বাড়িতে আসার দুদিন পর বাড়াইল গ্রামে গিয়ে বিভিন্ন লোকজনের কাছে নাদিম ও তার পরিবারবর্গের খোঁজ-খবর নিয়ে ফিরে এল। তারপর ভার্সিটি খোলর আগের দিন গাজীপুর এল।

    সুযোগমতো একসময় রোজ শাহিনকে বলল, কী খবর বল।

    শাহিন নাদিমের সবকিছু ভালো জেনেছে। রোজ কী করে তার বায়োডাটা পেল এবং কেনই বা তার খোঁজ-খবর নিতে বলেছে, তা জানার জন্য দুষ্টমী করে বলল, খবর খুব খারাপ। নাদিম তোকে যে বায়োডাটা দিয়েছে তার সম্পূর্ণ বিপরীত। তেড়েল মাতাল বংশের ছেলে। আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো নয়। ছেলেমেয়ে পড়িয়ে লেখাপড়া করেছে। কথা শেষ করে রোজের মুখের দিকে চেয়ে রইল কোনো পরিবর্তন হয় কিনা দেখার জন্য।

    রোজ বুঝতে পারল, শাহিন কোনো কারণে নাদিমের সম্পর্কে মিথ্যে বলছে। তাই খুব রেগে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, সত্যি বললি, না ফাজলামি করছিস?

    তার ওপর রোজ যে খুব রেগে গেছে তা বুঝতে পেরে শাহিন ঘাবড়ে গেল। আমতা আমতা করে বলল, তুই অত রেগে গেছিস কেন?

    রোজ রাগ সামলে নিয়ে সংযত কণ্ঠে বলল, কই রেগে গেছি? যা জিজ্ঞেস করলাম বলবি তো?

    শাহিন বলল, বলতে যে ভয় করছে।

    সত্যি বলতে কাপুরুষরা ভয় পায়। তা ছাড়া কোনো মুসলমানের মিথ্যা বলা উচিত নয়। কারণ মিথ্যা বলা হারাম। এটা হাদিসের কথা।

    সত্য বলব, তবে তোকে ওয়াদা করতে হবে, নাদিমের বায়োডাটা পেলি কী করে এবং তার সবকিছু জানতে চাচ্ছিস কেন বলতে হবে।

    রোজ বলল, ঠিক আছে, ওয়াদা করলাম।

    শাহিন বলল, ওদের গ্রামে গিয়ে যাকেই নাদিমের ও তার পরিবারবর্গের কথা জিজ্ঞেস করেছি, তারা সবাই ভালো বলেছে। শুধু তাই নয়, ওর মতো ছেলে নাকি লাখে একটা। আর ও যে বায়োডাটা দিয়েছে, তা সব সত্যি। তবে ফেরার পথে ওদের গ্রামের শেষ প্রান্তে এসে একটা সুন্দর ও হ্যান্ডসাম ছেলের সঙ্গে দেখা হতে সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনার বাড়ি কোন গ্রামে?

    সালামের উত্তর দিয়ে বললাম, আপনার সঙ্গে পরিচয় নেই, অথচ আমার বাড়ি কোথায় জিজ্ঞেস করছেন কেন?

    ছেলেটা মৃদু হেসে বলল, এক মুসলমান অন্য মুসলমানের ভাই। তাই এদিকে আপনাকে নতুন দেখে জিজ্ঞেস করলাম। মনে হচ্ছে বাড়ির কথা জিজ্ঞেস করতে অসন্তুষ্ট হয়েছেন।

    বললাম, আমার বাড়ি কুমিল্লা।

    ছেলেটা জিজ্ঞেস করল, এখানে কোনো আত্মীয়ের বাড়িতে এসেছিলেন বুঝি?

    বললাম, না, একটা ছেলের সম্পর্কে খোঁজ নিতে এসেছিলাম।

    ছেলেটি আবার জিজ্ঞেস করল, খোঁজ পেয়েছেন, না পেলে বলুন। আমার বাড়ি এই গ্রামে, আমি হয়তো আপনাকে সহযোগিতা করতে পারব।

    ছেলেটাকে দেখে ও তার কথাবার্তা শুনে মনে হল, ভদ্র ঘরের শিক্ষিত ছেলে। নাদিমের সম্পর্কে এই গ্রামের সবাই ভালো বললেও এই ছেলে কী বলে জানা যাবে ভেবে বললাম, আপনাদের গ্রামের নাদিম নামে একটা ছেলের সম্পর্কে কিছু তথ্য জানতে এসেছিলাম।

    ভার্সিটি বন্ধ থাকায় আজ নাদিম বাড়ি আসছিল। শাহিনের কথা শুনে মনে মনে চমকে উঠে ভাবল, তা হলে কি রোজ এই ছেলেকে আমার খোঁজ নিতে পাঠিয়েছে? কিন্তু ছেলেটাতো বলল, তার বাড়ি কুমিল্লা?

    তাকে চুপ করে থাকতে দেখে বললাম, কী ভাই, নাদিমকে চেনেন নাকি?

    ছেলেটা বলল, হ্যাঁ, চিনি।

    বললাম, তা হলে বলুন ছেলেটার স্বভাব-চরিত্র কেমন?

    ছেলেটা রাস্তার পাশে একটা চা-দোকান দেখিয়ে বলল, খুব ক্লান্তি লাগছে। চলুন, ঐ চায়ের দোকানে বসে চা খেতে খেতে বলব।

    চায়ে চুমুক দিয়ে ছেলেটা বলল, আগে আপনি বলুন, নাদিমের সম্পর্কে কেন জানতে এসেছেন? সে কি আপনাদের গ্রামে কোনো অপকর্ম করেছে?

    বললাম, না-না, ওসব কিছু নয়। আমার এক আত্মীয়ের সঙ্গে নাদিমের বিয়ের কথাবার্তা চলছে। তাই একটু খোঁজ খবর নিতে এসেছিলাম।

    ছেলেটা বলল, তা নাদিমের সম্পর্কে কী খবর জানলেন? ভালোনা মন্দ?

    বললাম, “গ্রামের অনেককে জিজ্ঞেস করেছি, সবাই বলল, খুব ভালো ছেলে। এরকম ছেলে আজকাল দেখাই যায় না। তা আপনি কী বলেন?”

    ছেলেটা বলল, আপনাকে যারা বলেছে, তারা তার বাইরের দিকটা দেখেছে। তা ছাড়া ভিন গাঁয়ের কেউ কারও সম্পর্কে জানতে চাইলে সবাই তো ভালো বলবেই। কারণ কেউ নিজের গ্রামের ছেলের দুর্নাম করে না।

    বললাম, সে যাই হোক, আপনিও কি তাই বলবেন?

    ছেলেটা বলল, না। নাদিমদের সঙ্গে আমাদের অনেক দিনের শক্রতা। তাই সত্য কথাই বলব। সে তেড়েল মাতাল বংশের ছেলে। তার বাপ-চাচারা এখনও তাড়ি খায়। ধর্ম-কর্ম কেউ মানে না। নাদিমের চরিত্রও ভালো না। কলেজে পড়ার সময় একটা মেয়ের সঙ্গে ফষ্টি-নষ্টি করে ধরা পড়ে। সেজন্যে গ্রামে থাকতে না পেরে ঢাকায় গিয়ে একজনের বাড়িতে লজিং থেকে তাদের ছেলেমেয়েদের পড়িয়ে নিজে লেখাপড়া করছে।

    বললাম, কিন্তু গ্রামের লোকজন তো কেউ তার সম্পর্কে এতটুকু খারাপ কিছু বলল না। মনে হচ্ছে আপনি শত্রু বলে তার দুর্নাম করছেন।

    ছেলেটা বলল, আপনি বোধ হয় জানেন না, কারও সম্পর্কে কিছু জানতে হলে তার শত্রুকে জিজ্ঞেস করতে হয়। আপনজনেরা ও বন্ধুর দোষ চেপে গিয়ে তার শুধু গুণগুলো বলবে। যাই হোক, আমার কথা বিশ্বাস করুন বা না করুন, যা সত্যি তাই বললাম।

    ছেলেটার কথা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল। বললাম, কথাগুলো জানিয়ে অনেক উপকার করলেন। তারপর তার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ফিরে আসার সময় তোর কথা মনে পড়ল। তুইও একদিন আমাকে ঐ কথা বলেছিলি। এখন কী করবি বল।

    শাহিনের প্রথম দিকের কথা শুনে রোজ আনন্দিত হলেও শেষের কথাগুলো শুনে খুব চিন্তায় পড়ে গেল। ভাবল, নাদিম কি সত্যিই খারাপ ছেলে?

    তাকে চুপ করে ভাবতে দেখে শাহিন বলল, যা কিছু সিদ্ধান্ত নিবি খুব ভেবে চিন্তে নিবি। আর আমাকে অবশ্যই জানাবি।

    রোজ জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা, ছেলেটা দেখতে কেমন বলতো?

    শাহিন বলল, একটু আগে বললাম না, সুন্দর হ্যান্ডসাম ছেলে?

    তাতো বলেছিস, আমার জিজ্ঞেস করার উদ্দেশ্য হল, তাকে ভালো ভাবে লক্ষ্য করে বুঝতে পারিস নি, সত্য বলল, না মিথ্যে বলল?

    সেরকম কিছু বুঝতে পারিনি; তবে লম্বা-চওড়া পেটাই শরীর। মনে হয় নিয়মিত ব্যায়াম করে অথবা কংফু ক্যারাটে পারদর্শী।

    রোজ বলল, নাদিম ও তার বাপ-চাচাঁদের সম্পর্কে যেসব কথা বললি, সেসব যে সত্য প্রমাণ দিতে পারবি?

    শাহিন বলল, প্রমাণ দেব কী করে? তবে আল্লাহ পাকের নামে কসম খেয়ে বলতে পারি, যা কিছু বলেছি সত্য বলেছি। আর একথা নিশ্চয় জানিস, কোনো মুসলমানই আল্লাহ পাকের নামে মিথ্যে কসম খেতে পারে না। কারণ আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, “আল্লাহ পাকের নামে মিথ্যা কসম খাওয়া বড় গুনাহ।”

    এবার যে কথা বলবি বলে ওয়াদা করেছিস বল।

    রোজ বলল, তুই ভার্সিটিতে পড়ছিস, এই সামান্য ব্যাপারটা বুঝতে পারছিস না?

    শাহিন বলল, তা আর পারিনি; কিন্তু তুই তো বলেছিলি, নাদিমের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎও হয়নি।

    রোজ বলল, যা সত্যি তাই বলেছি। তারপর কীভাবে তাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বলল।

    শাহিন বলল, তোর মতো ধার্মিক মেয়ে মোবাইলে প্রেম করবি ভাবতেই পারছি না। তার সম্পর্কে গ্রামের লোকেরা ভালো বললেও ফেরার সময় অন্য ছেলেটা যেসব কথা বলল, সেসব যদি সত্যি হয়, তা হলে কী হবে?

    রোজ বলল, তুই ভালো কথা বলেছিস। কি জানিস, প্রেম ভালবাসা এমন এক জিনিস, যা নাকি ভালোমন্দ বিচার করে না, যাকে বলে অন্ধ।

    তাকে থামিয়ে দিয়ে শাহিন বলল, তাই যদি হয়, তা হলে সে কথা জেনেও তুই ঐ পথে পা বাড়ালি কেন?

    তুই তো আমাকে কথাটা শেষ করতে দিলি না। বলছি শোন, প্রেম ভালবাসা অন্ধ হলেও আমি তা বিশ্বাস করি না। তাই তো তোকে নাদিমের সবকিছু সত্য মিথ্যা যাচাই করার জন্য তাদের গ্রামে পাঠিয়েছিলাম।

    ভবিষ্যতে তুই কি নাদিমকে বিয়ে করতে চাস?

    হ্যাঁ, চাই।

    তার সম্পর্কের এত খারাপ খবর শোনার পরও একথা বলতে পারলি?

    পারব না কেন? গ্রামের সবলোক যাকে ভালো বলেছে, সে ভালো না হয়ে পারে না। আর যে ছেলেটা তোকে তার সম্পর্কে খারাপ বলেছে, আমার মন বলছে সেই-ই নাদিম।

    শাহিন অবাক হয়ে বলল, হঠাৎ তোর মন একথা বলছে কেন?

    কেনর উত্তর দিতে পারব না। তবে আমি হান্ড্রেড না হলেও এইট্টি পার্সেন্টে সিওর, ঐ ছেলেটাই নাদিম।

    তোর তো সবেমাত্র অনার্স থার্ড ইয়ার। নাদিম যদি এরমধ্যে তোকে বিয়ে করতে চায়, তা হলে কি পড়াশোনা বন্ধ করে দিবি?

    পড়াশোনা, বন্ধ করব না। এর মধ্যে বিয়ে করতে চাইলে বলব, মাস্টার্স কমপ্লিট করার পর আমরা বিয়ে করব।

    সেশন জটে পড়লে তো তিন চার বছর কিংবা আরও এক বছর নাদিমকে অপেক্ষা করতে হবে। অতদিন নাদিম যদি অপেক্ষা করতে না চায়?

    তাহলে বলব, বিয়ের পরও পড়াশোনার সুযোগ দিতে হবে। আশা করি, আমার কথা নিশ্চয় নাদিম রাখবে।

    ধর, খালা খালু যদি নাদিমের সঙ্গে বিয়ে দিতে না চান, তখন কী করবি?

    যা করব তখন তুই দেখতে পাবি। আর বেশি বকবক না করে এখন তুই যাতো।

    শাহিন কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বলল, কী যেন আমাকে একটা সারপ্রাইজ দিবি বলেছিলি?

    রোজ বলল, হ্যাঁ, দেব। তবে এখন নয়, যখন দেব তখন জানতে পারবি।

    শাহিন আর কিছু না বলে সেখান থেকে চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমিও মানুষ – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }