Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প116 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্ষমা – ৬

    ছয়

    আজ শাহিন বেলা দুটোর সময় ভার্সিটির লাইব্রেরিতে একটা বই জমা দিয়ে অন্য একটা বই নিয়ে বেরিয়েই শিউলির সঙ্গে প্রায় ধাক্কা লাগতে যাচ্ছে দেখে তাড়াতাড়ি তাকে সাইড দিতে গেল, কিন্তু তবু ধাক্কাটা জোরে না হয়ে হালকাভাবে হল।

    শিউলি অন্যমনস্ক হয়ে একটু দ্রুত হাঁটছিল। তাই কোনো দিকে খেয়াল ছিল না। ধাক্কা লাগতে সরি বলে মুখের দিকে তাকিয়ে শাহিনকে দেখে লজ্জা পেয়ে বলল, কিছু মনে করবেন না, একটু অনমনস্ক ছিলাম। প্লিজ, ক্ষমা করে দিন।

    শাহিন কিছু না বলে তার মুখের দিকে চেয়ে রইল।

    তাই দেখে শিউলিও তার মুখের দিকে চেয়ে রইল। কেউ এদেরকে দেখলে ভাববে, একজোড়া প্রেমিক প্রেমিকা অনেক দিন বিরহের পর একে অপরকে দেখে বাস্তবজ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে।

    প্রথমে শাহিন সামলে নিয়ে সালাম দিয়ে বলল, ক্ষমা চাইছেন কেন? আমি কিছু মনে করিনি।

    শিউলি কিন্তু তার কথা শুনতে পায়নি। সে একইভাবে চেয়ে রইল।

    শাহিন ব্যাপারটা বুঝতে পেরে তার হাতের বইটা ধরে নাড়া দিয়ে বলল, মনে হয় আমাকে চিনতে পারছেন না?

    এবার শিউলি বাস্তবে ফিরে এসে সালাম দিয়ে বলল, কেমন আছেন?

    সালামের উত্তর দিয়ে শাহিন বলল, প্রথমে আমি সালাম দিয়েছিলাম উত্তর দেননি।

    শিউলি ওয়াআলায়কুমুস সালাম বলে বলল, আজ যে আমার কী হয়েছে কিছুই বুঝতে পারছি না। সকাল থেকে মনটা খুবই বিচলিত।

    কারণ, জানতে পারি?

    কারণটা জানতে হলে সময়ের দরকার। এখন আপনার ক্লাস নেই তো?

    না।

    তা হলে আসুন বলে শিউলি হাঁটতে শুরু করল।

    শাহিন তার সঙ্গে না গিয়ে চিন্তা করতে লাগল, ওর সঙ্গে জড়ানো কি ঠিক হবে? তখন তার রোজের কথা মনে পড়ল, “শিউলি সম্ভ্রান্ত ও ধনী হিন্দু পরিবারের মেয়ে। ওর এক দাদা, মানে বড় ভাই মেজর। রূপে মুগ্ধ হয়ে ওর সঙ্গে অনেকে প্রেম নিবেদন করতে চেয়েছিল; কিন্তু পরিচয় পেয়ে ফিরে গেছে।”

    শিউলি কিছুদূর গিয়ে শাহিন আসছে না বুঝতে পেরে তার কাছে ফিরে এসে অবাক কণ্ঠে বলল, কী ব্যাপার দাঁড়িয়ে রয়েছেন যে আমার বিচলিত হবার কারণ শুনবেন না? এনিথিং রং?

    হঠাৎ শাহিনের মনে হল, রোজ আমার সঙ্গে কৌতুক করার জন্য শিউলির সম্পর্কে মিথ্যে বলেনি তো? যাচাই করে দেখা যাক।

    তার মুখের দিকে চেয়ে শিউলি বলল, কী এত ভাবছেন বলুন তো।

    না, ও কিছু না বলে শাহিন বলল, চলুন, কোথায় যেন নিয়ে যাবেন। বললেন।

    শিউলি তাকে আর্টস বিল্ডিং-এর পিছনে একটা নির্জন জায়গায় নিয়ে এসে বসে শাহিনকেও বসতে বলল। তারপর বলল, তখন কেমন আছেন জিজ্ঞেস করেছিলাম উত্তর দেন নি।

    শাহিন আলহামদুলিল্লাহ…ভালো আছি বলে বলল, একটু অনমনস্ক ছিলাম, তাই আপনার কথা শুনতে পাইনি। আপনি কেমন আছেন বলুন?

    শিউলি বলল, আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি।

    সে হিন্দু কিনা জানার জন্য শাহিন জিজ্ঞেস করল, আলহামদুলিল্লাহ শব্দের অর্থ জানেন?

    শিউলি বলল, মুসলমান ঘরের মেয়ে হয়ে আলহামদুলিল্লাহ শব্দের মানে জানব না, ভাবলেন কী করে?

    শাহিন অবাক কণ্ঠে বলল, আপনি মুসলমান?

    শিউলিও অবাক কণ্ঠে বলল, কেন, আপনার কি মনে হয় অন্য জাতের মেয়ে? অন্য জাতের মেয়েরা কি বোরখা পরে? সালাম দেয়?

    শাহিন বুঝতে পারল, রোজ তাকে ঘোল খাইয়েছে। মনে মনে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে আমতা আমতা করে বলল, না, মানে একজনের কাছে শুনেছিলাম, আপনি মুসলমান না। আর বোরখা পরার কথা যে বললেন, আজকাল বখাটেদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য অন্য জাতের কোনো কোনো মেয়ে বোরখা ব্যবহার করে এবং অনেকে সালামও দেয়।

    শিউলি বলল, তা না হয় মানলাম; কিন্তু আমি মুসলমান না, একথা কে বলেছে এবং কোন জাতের বলেছে?

    শাহিন বলল, কে বলেছে তা বলা যাবে না, তবে কোন জাতের বলেছে তা। বলছি, আপনি সম্ভ্রান্ত ধনী হিন্দু পরিবারের মেয়ে। আপনার এক দাদা, মানে বড় ভাই মেজর।

    শিউলি বেশ জোরে হেসে উঠে বলল, যে এসব বলেছে, সে কোনো কারণে আপনাকে ঘোল খাইয়াছে।

    শাহিন মৃদু হেসে বলল, হ্যাঁ, এখন আমারও তাই মনে হচ্ছে। তারপর বলল, প্লিজ, এত জোরে হাসবেন না। হাদিসে আছে, আমাদের নবী করিম (সঃ) বলেছেন, “বেশি জোরে হাসলে হৃদয় মরে যায় এবং মুখমণ্ডলের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়।”

    শিউলি বলল, আল্লাহ মাফ করুক, আমি এই হাদিসটা জানতাম না। তারপর বলল, কথাটা যেই বলুক তার নিশ্চয় কোনো উদ্দেশ্য আছে। যাই হোক, আমি যে মুসলমান এখন নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন?

    শাহিন বলল, হ্যাঁ, পেরেছি।

    শিউলি বলল, এ প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে রোজের কথা বলুন। ও আজ আসেনি কেন বলতে পারেন?

    শাহিন কখনও মিথ্যা না বললেও আজ রোজের কারণে বলল, ওর না কী দশটায় একটা ক্লাস ছিল। তাই আমার থেকে দু’ঘণ্টা আগে বাড়ি থেকে বেরিয়েছে।

    শিউলি কপাল কুঁচকে বলল, আজ আমাদের প্রথম ক্লাস ছিল বারটায়, ওতো ক্লাসে আসেনি। মনে করেছিলাম, আসতে দেরি হয়েছে বলে হয়তো লাইব্রেরিতে ঢুকেছে। তাই খুজতে এসে আপনার সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। পথে কোনো বিপদ হয়নি তো?

    শাহিন হাসি চেপে রেখে বলল, দাঁড়ান ওকে ফোন করি। তারপর কয়েকবার ফোন করে বুঝতে পারল, রোজ মোবাইল বন্ধ করে রেখেছে।

    সে কথা জানাতে শিউলি আতঙ্কিত স্বরে বলল, আমার যেন মনে হচ্ছে, নিশ্চয় পথে কিছু না কিছু হয়েছে। কারণ ও শুধু শুধু ক্লাস মিস কখনও করেনা। আমার নাম্বার বলছি সেভ করে নিন। বাড়িতে গিয়ে ওর খবর জানাবেন।

    শাহিন তার নাম্বার সেভ করার পর বলল, চলুন, এবার উঠা যাক।

    শিউলি বলল, আরও কিছুক্ষণ বসুন, এত তাড়া কিসের? আপনার নাম্বারটা বলুন সেভ করে নিই। আপনি যদি রোজের খবর জানাতে ভুলে যান, তা হলে আমি আপনাকে ফোন করব।

    শাহিন বলল, আমার নাম্বার সেভ করার দরকার নেই। বাড়িতে গিয়ে আপনি রোজকে ফোন করবেন।

    শিউলি বলল, আপনিই তো বললেন, বোজ মোবাইল বন্ধ করে রেখেছে, পরে যদি চালু করতে ভুলে যায়। তাই আপনার নাম্বারটা সেভ করা থাকলে আপনাকে ফোন করে ওর খবর জানবো।

    শাহিন তার মুখের দিকে চেয়ে নাম্বার বলল।

    শিউলি নাম্বার সেভ করে নিয়ে তার দিকে চাইতে চোখে চোখ পড়ে গেল। কয়েক সেকেন্ড সেও তার চোখের দিকে চেয়ে থেকে বলল, কী দেখছেন?

    শাহিন লজ্জা পেয়ে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে দাঁড়িয়ে উঠে বলল, আসি, আল্লাহ হাফেজ।

    শিউলিও দাঁড়িয়ে উঠে আল্লাহ হাফেজ বলে জিজ্ঞেস করল, আমার প্রশ্নের উত্তর দিলেন না যে?

    শাহিন চলতে শুরু করে বলল, অন্য একদিন দেব।

    শিউলি দ্রুত এগিয়ে এসে তার পথরোধ করে বলল, আপনাকে পাওয়াই যায় না, অন্য একদিন বলবেন কেমন করে?

    শাহিন বলল, আমার নাম্বার তো নিলেন, পেতে অসুবিধে হবে না। কথা শেষ করে পাশ কেটে দ্রুত হেঁটে চলে গেল।

    শিউলি তার চলে যাওয়ার দিকে চেয়ে ভাবল, আমি যেমন ওকে নিয়ে ভাবি, ও-ও নিশ্চয় আমাকে নিয়ে ভাবে। আড়াল হয়ে যেতে নিজের গাড়ির দিকে হাঁটতে লাগল।

    শাহিন বিকেলে একটা টিউসনি করে। আজ ভার্সিটি থেকে ফিরে টিউসনি করল। তারপর মসজিদ থেকে আসরের নামায পড়ে ঘরে এল। কাজের মেয়ে। চা নাস্তা নিয়ে এলে তাকে রোজ ফিরেছে কিনা জিজ্ঞেস করল।

    কাজের মেয়ে বলল, আপা কিছুক্ষণ আগে ফিরেছে।

    শাহিন বলল, তাকে আমার কাছে আসতে বল।

    রোজ ঘরে ফিরে চা নাস্তা খেয়ে নিজের রুমে বসে বসে আজকের অভিসারের কথা ভাবছিল। এমন সময় কাজের মেয়ে এসে বলল, শাহিন ভাই আপনাকে ডাকছে।

    তার কথা শুনে রোজের ঠোঁটে হাসি ফুটে উঠল। শাহিনের রুমে এসে বলল, কেন ডেকেছিস বল।

    শাহিন বলল, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শুনবি, না বসবি?

    রোজ বসে বলল, এবার বল।

    শাহিন বলল, দুটো কারণে তোকে ডেকেছি। প্রথম কারণটা তুই জানিস। আর দ্বিতীয় কারণটা অবশ্য জানিস না। তুই প্রথমটা বলার পর আমি দ্বিতীয়টা বলব।

    রোজ বলল, বড় ভাই হয়ে ছোট বোনের অভিসারের কথা শুনতে চাওয়া কি উচিত? তবু বলছি, নাদিমের সবকিছু পজেটিভ। এর বেশি কিছু বলতে পারব না। এবার দ্বিতীয় কারণটা তুই বল।

    শাহিন বলল, তুই শিউলির ব্যাপারে আমার কাছে মিথ্যে বলেছিস কেন?

    প্রমাণ করতে পারবি?

    অফকোর্স। শিউলি আজ নিজে আমাকে বলেছে, সে মুসলমান পরিবারের মেয়ে। আর তার একটা মাত্র ভাই। সে বিদেশে সেটেল্ড। মেজর হবে কী করে?

    মিথ্যে করে বলার কারণ আছে।

    কারণটা বলতো শুনি।

    বললে বিশ্বাস করবি তো?

    সেটা আমার ব্যাপার, তুই বল।

    তোকে একটা সারপ্রাইজ দেব বলেছিলাম মনে আছে?

    তা থাকবে না কেন?

    ঐ সারপ্রাইজটার জন্য শিউলির ব্যাপারে তোকে মিথ্যে বলেছিলাম।

    বুঝলাম না, হেঁয়ালি না করে সোজা কথায় বল।

    তুই যে শিউলিকে দেখে মুগ্ধ হয়েছিস এবং তার কথা ভাবিস। সেকথা বুঝার পর শিউলির মনের খবর নেয়ার চেষ্টা করে জানতে পারলাম সেও তোকে দেখে মুগ্ধ হয়েছে এবং তোর কথা ভাবে। শিউলির মনের খবর তোকে জানিয়ে সারপ্রাইজ দেব বলে যাতে তুই তার কাছে না ঘেঁষিস সেজন্যে তার সম্পর্কে মিথ্যা করে ঐসব বলেছিলাম। তবে একটা কথা সত্যি বলেছি, সেটা হল ও খুব বড়লোকের মেয়ে ও নাতনি।

    ওরকম মিথ্যে বলা তোর উচিত হয়নি। আর শোন, কোনো মেয়েকে দেখে মুগ্ধ হয়ে তার কথা ভাবলেই যে, তাকে একান্ত করে পেতে হবে, এরকম যারা চিন্তা করে তাদের দলে আমি নই। আর একটা কথা মনে রাখবি, তুই প্রেম করে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিস, সেটা তোর নিজস্ব ব্যাপার। আমাকে সেরকম ভাববি না। যাই হোক, আজ শিউলি তোকে দেখতে না পেয়ে লাইব্রেরিতে খুঁজতে এসে আমার সঙ্গে দেখা হতে তোর কথা জিজ্ঞেস করল। তারপর যা কিছু কথা হয়েছে, তা থেকে যতটুকু বলা উচিত ততটুকু বলে বলল, আমাকে তোর আর সারপ্রাইজ দেয়া হল না, তাই না?

    হ্যাঁ, তাই। তারপর জিজ্ঞেস করল, আমি যে তোকে ওর সম্পর্কে ঐ সব বলেছি, সেসব ওকে বলেছিস না কি?

    ও জিজ্ঞেস করেছিল, আমি বলেছি বলা যাবে না।

    আজ ভার্সিটি কেন যাইনি বলেছিস না কি?

    না, বলিনি।

    ধন্যবাদ জানিয়ে এবার আসি বলে রোজ সেখান থেকে চলে এল।

    .

    মসজিদ থেকে এশার নামায পড়ে এসে শাহিন পড়তে বসল। এমন সময় মোবাইল বেজে উঠতে নাম্বার দেখে বুঝতে পারল শিউলি করেছে। রিসিভ করে সালাম বিনিময় করে বলল, আমারই আগে ফোন করা উচিত ছিল। উচিত কাজটা করিনি বলে ক্ষমা চাইছি।

    শিউলি বলল, উচিত অনুচিত ভাবিনি, রোজের খবর বলুন।

    ওর খবর ভালো। ভার্সিটি যাওয়ার কথা ঘরে বলে গেলেও অন্য কোথায় যেন গিয়েছিল।

    কোথায় গিয়েছিল জিজ্ঞেস করেন নি?

    জিজ্ঞেস করলেও বলবে না, তাই করিনি। কাল আপনি জিজ্ঞেস করলে আপনাকে নিশ্চয় বলবে।

    শিউলির মনে হল, ও হয়তো আজ নাদিমের সঙ্গে দেখা করার জন্য ভার্সিটি যায়নি। তাই যদি হয়, তা হলে কাল সবকিছু জানা যাবে।

    তাকে চুপ করে থাকতে দেখে শাহিন বলল, মনে হচ্ছে কিছু যেন ভাবছেন?

    শিউলি বলল, না, মানে রোজের কথাই ভাবছিলাম।

    তা হলে এবার রাখি?

    এত তাড়া কিসের? আমার সঙ্গে কথা বলতে ভালো লাগছে না বুঝি?

    না, তা কেন? ভাবলাম, রোজের খবর জানার জন্য ফোন করেছিলেন, তার খবর জানার পর কথা বললে হয়তো বিরক্ত হবেন। তাই ফোন রাখার কথা বলেছি।

    যদি বলি বিরক্ত না হয়ে বরং অন্য কিছু হচ্ছে?

    শাহিন এই কথার অর্থ বুঝতে পেরে মনে মনে খুশি হলেও তা যাতে প্রকাশ না পায় সেজন্যে অনেকক্ষণ চুপ করে রইল।

    কী হল? ফোন ধরে কেউ এতক্ষণ চুপ করে থাকে?

    কী বলব বুঝতে পারছি না বলে চুপ করে আছি।

    তা হলে আমি বলি?

    বলুন।

    কাল, না-না, পরশু আপনার সঙ্গে দেখা করতে চাই। অভাগীর এই আশা কি পূরণ করবেন?

    জেনেছি আপনি খুব বড়লোকের মেয়ে ও বড়লোক নানার একমাত্র নাতনি। আপনি যদি অভাগী হন, তা হলে আপনার তুলনায় আমি তো নিতান্ত এক হতভাগ্য ছেলে।

    আমি খুব বড়লোকের মেয়ে একথা কার কাছ থেকে জেনেছেন? নিশ্চয় রোজ বলেছে?

    যেই বলুক না কেন, কথাটা অস্বীকার করতে পারবেন?

    সত্যকে অস্বীকার করব কেন? তবে একথা মনে হয় জানেন না। রাজার মেয়েরও দুঃখ থাকে।

    দুঃখ কমবেশি সব মানুষের আছে। তবে যারা আল্লাহ ও তার রাসুল (সাঃ)-এর আদেশ মোতাবেক চলে, তাদেরকে আল্লাহ দুঃখ সহ্য করার তওফিক দেন। আর তারা দুঃখকে দুঃখ বলে মনে করে না।

    কথাগুলো আমিও জানি।

    তা হলে নিজেকে অভাগী বলছেন কেন?

    শুধু ধন-ঐশ্বর্য থাকলেই কেউ ভাগ্যবান বা ভাগ্যবতী হয় না। মানুষের এমন কিছু চাওয়া পাওয়া থাকে, যা না পেলে দুর্ভাগা বা অভাগী হয়। অনুগ্রহ করে যদি পরশু দিন আমার সঙ্গে দেখা করেন, তা হলে নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করব।

    তার এই কথারও ইঙ্গিত বুঝতে পেরে শাহিন বলল, ভাগ্য যিনি লিখেছেন, তিনি ছাড়া আর কেউ কে ভাগ্যবতী ও ভাগ্যবান জানে না। দেখা করার কথা

    যে বললেন, প্রয়োজন থাকলে নিশ্চয় দেখা করব।

    শিউলি বলল, প্রয়োজন না থাকলে কেউ কারও সঙ্গে দেখা করে বুঝি?

    করে।

    যেমন?

    অনেকে সময় কাটাবার জন্য, অনেকে আড্ডা দেয়ার জন্য, আবার অনেকে বলে… শাহিন থেমে গেল।

    শিউলি বলল, শেষের কথাটা না বলে থেমে গেলেন কেন?

    কথাটা বললে আপনি মাইন্ড করবেন; তাই থেমে গেলাম।

    কথা দিচ্ছি মাইন্ড করব না, আপনি বলুন।

    কাউকে কারও ভালো লাগলে দেখা করার কথা বলে প্রেম নিবেদন করে।

    আমার সম্পর্কে আপনার ধারণা কোনটা, প্রথম, দ্বিতীয় না তৃতীয়টা?

    বলা যাবে না।

    কেন বলা যাবে না?

    তাও বলা যাবে না।

    ঠিক আছে, না বললে তো কিছু করার নেই। এবার প্রেম সম্পর্কে আপনার ধারণা বলুন।

    তা জেনে আপনার কী লাভ?

    লাভ অলাভের কথা ভেবে কথাটা বলিনি, বলেছি আপনার ধারণা জানার জন্য।

    শাহিন কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বলল, প্রেম খুব পবিত্র শব্দ। সেটা মানবিক হোক আর আধ্যাত্মিক হোক। কিন্তু বর্তমানে এই পবিত্র শব্দকে অপবিত্র জায়গায় ব্যবহার করা হচ্ছে।

    আমি মানবিক প্রেমের ধারণা জানতে চাই।

    আজকাল ছেলেমেয়েরা যে প্রেম করছে, তাকে পবিত্র প্রেম বলে না। তাই এরকম প্রেম ইসলামে নিষিদ্ধ। শুধু তাই নয়, সাবালক ছেলেমেয়েদের মধ্যে মেলামেশা করাও নিষিদ্ধ। এমন কী স্কুল, কলেজ ও ভার্সিটিতে কো এডুকেশনে আমরা যে লেখাপড়া করছি, তাও নিষিদ্ধ। তবে ছেলে মেয়েরা যদি আলাদা আলাদা ভাবে এবং মেয়েদের মেয়ে শিক্ষিকা ও ছেলেদের পুরুষ শিক্ষক শিক্ষা দান করে, তাহলে ইসলামে নিষিদ্ধ নয়। আর মেয়েরা অবশ্যই হিজাব পরে শিক্ষাঙ্গনে যাবে। ইসলামের এই আদেশ উপেক্ষা করার ফলে যে কত অঘটন ঘটছে, সেসব আমাদের সমাজে অহরহ দেখছি ও প্রতিদিন খবরের কাগজেও ছাপা হচ্ছে।

    শিউলি বলল, আপনার কথাগুলো খুব দামি এবং ওগুলো আমিও জানি। আমি বিশেষ প্রয়োজনে দেখা করতে চাচ্ছি।

    শাহিন বলল, ঠিক আছে, আগামী পরশু দিন বেলা দুটোর সময় লাইব্রেরিতে আসুন দেখা হবে।

    শিউলি ধন্যবাদ জানিয়ে বলল, এতক্ষণ ফোনে কথা বলে আপনার অনেক সময় নষ্ট করলাম। তাই ক্ষমা চাইছি। আশা করি, ক্ষমা করে দেবেন। তারপর সালাম বিনিময় করে লাইন কেটে দিল।

    পরের দিন শিউলি অফ পিরিয়ডে রোজকে জিজ্ঞেস করল, কাল ক্লাস মিস করলি কেন?

    রোজ কিছু না বলে তার মুখের দিকে চেয়ে মিষ্টিমিষ্টি হাসতে লাগল।

    কীরে, মিটিমিটি হাসছিস কেন? আমার কথার উত্তর দিবি তো?

    তার আগে বল, কাল শাহিনের সঙ্গে তোর কী কী কথা হয়েছে?

    শিউলি কপট রাগ দেখিয়ে বলল, আমি আগে প্রশ্ন করেছি, তাই আমার প্রশ্নের উত্তর আগে দিবি। তারপর তোর প্রশ্নের উত্তর দেব।

    রোজ কীভাবে কথাটা শুরু করবে চুপ করে চিন্তা করতে লাগল।

    কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে শিউলি বলল, তুই যখন বলতে পারছিস না তখন আমিই বলি?

    রোজ বলল, নিশ্চয় কাল তোকে শাহিন বলেছে?

    না, শাহিন ভাই বলেন নি। আমি এমনই অনেক কিছু বলতে পারি।

    রোজ ভ্রু কুঁচকে বলল, শাহিন কবে থেকে তোর ভাই হল রে?

    শিউলি বলল, বান্ধবীর ভাইকে ভাই বলা দোষের নাকি?

    তা অবশ্য দোষের না। এবার অনেক কিছু কী বলতে পারিস বলতো শুনি।

    নিশ্চয় নাদিম সাহেব কাল তোর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন?

    রোজ অল্পক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, হ্যাঁ, ঠিক বলেছিস।

    শিউলি বলল, তা হলে দেরি না করে ফলাফল বলে ফেল।

    রোজ মৃদু হেসে বলল, আল্লাহর রহমতে তার সবকিছু ভালো।

    আলহামদুলিল্লাহ বলে শিউলি বলল, শুধু ভালো, আর কিছু নয়?

    রোজ বলল, প্রথম সাক্ষাতে যা মনে হয়েছে তাই বললাম। বাকি আমার তকদীর।

    এবার নাদিম সাহেবের অনুভূতির কথা বল।

    দু’জনের অনুভূতি একই।

    শুনে খুশি হলাম। দোয়া করি, আল্লাহ পাক তোদের মন-মানসিকতাও যেন একই করেন। কি জানিস, সবকিছু ভালো হলেও মন যদি কারও ভালো না হয়, তা হলে দাম্পত্য জীবনে দুজনকেই অনেক অশান্তি ভোগ করতে হয়। তা কোথায় ও কীভাবে তোদের দেখা সাক্ষাৎ হল?

    দেখা সাক্ষাতের প্রোগ্রাম ও কোথায় কিভাবে তা হল, সেসব জানিয়ে রোজ বলল, হানকাটা ও স্বপ্নভিলায় গিয়ে অনেকক্ষণ আলাপ করেছি।

    ওঁর ফটো চেয়ে নিসনি?

    নিয়েছি। ও-ও আমার একটা ফটো চেয়ে নিয়েছে। তারপর রোজ ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে নাদিমের ফটো বের করে শিউলির হাতে দিল।

    শিউলি অনেকক্ষণ ধরে ফটোটা দেখে ফেরত দেয়ার সময় বলল, তুই খুব ভাগ্যবতী। এরকম ছেলে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।

    কথাটা বললি কী করে?

    আল্লাহ যাকে সেরকম দেখার চোখ দিয়েছেন, সে বাস্তবে দেখে হোক অথবা তার ফটো দেখে হোক সবটা না হলেও কিছুটা অন্তত বলতে পারে।

    দোয়া করিস, আল্লাহ যেন ওর সবকিছু ভালো করেন।

    এই দোয়াতো একটু আগেই করলাম। আবার করছি, আল্লাহ যেন তোদরকে দোনো জাহানে সুখী করেন।

    আমিন বলে রোজ বলল, শাহিনের সঙ্গে কাল তোর কী কথা হয়েছে এবার বল।

    তোরা প্রেমিক-প্রেমিকা তাই তোদের কথা জানতে চেয়েছি। আমরা তো তোদের মতো না, তবু জানতে চাচ্ছিস কেন?

    রোজ বলল, আমার তো মনে হচ্ছে, তাদের মনে অনেক আগে প্রেমের বীজ অঙ্কুরিত হয়েছে এবং এতদিনে সেটা কাণ্ড ও ডালপালা বিস্তার করার পথে অগ্রসর হচ্ছে।

    শিউলি বলল, তোদের ব্যাপারে আমি আন্দাজে ঢিল ছুঁড়লেও ঢিলটা ঠিক জায়গায় লেগেছে; কিন্তু তোর ঢিলটা ঠিক জায়গায় লাগেনি।

    ঠিক জায়গাতেই লেগেছে, তবে তুই স্বীকার করছিস না।

    কী জানি হয়তো তোর কথা ঠিক।

    সেইতো স্বীকার করলি, তা হলে এত ভূমিকা করার কী দরকার ছিল–বলে রোজ বলল, সত্যি করে বলতো, তুই শাহিনকে ভালোবাসিস কি না?

    শিউলি তার কথার উত্তর না দিয়ে জিজ্ঞেস করল, শাহিন ভাই কোনো । মেয়েকে ভালবাসে কিনা জানিস?

    রোজ বলল, সে কথা পরে বলব, আগে আমার কথার উত্তর দে।

    শিউলি দীর্ঘ নিঃশ্বাস চেপে রেখে বলল, ভালবাসি কিনা বলতে পারব না, তবে ওঁর কথা একদণ্ডের জন্যও ভুলতে পারি না।

    রোজ হেসে উঠে বলল, আরে বোকা, কেউ কাউকে ভালবাসলে তার কথা সব সময় মনে পড়ে।

    তোর কথা কতটা সত্যি জানিনা। এবার আমার কথার উত্তর দে।

    রোজ মৃদু হেসে বলল, জানি। আর সেই মেয়েটা হল তুই।

    কথাটা শুনে শিউলির সমস্ত তনু-মনুতে আনন্দের শিহরণ বয়ে গেল। সামলে নিয়ে বলল, সত্যি বলছিস, না ইয়ার্কি করছিস?

    রোজ বলল, যখন থেকে হাদিস পড়ে জানতে পারলাম “মিথ্যে বলা হারাম। এমন কী ইয়ার্কি করেও মিথ্যা বলা নিষেধ তখন থেকে সব ধরনের মিথ্যে বলা ছেড়ে দিয়েছি।

    শিউলি জিজ্ঞেস করল, উনি যে আমাকে ভালবাসেন জানলি কী করে?

    রোজ বলল, তোর সম্পর্কে এমন কিছু কথা বলেছে, তাতেই বুঝেছি সে তোকে ভালবাসে।

    কিন্তু উনি তো আমাকে পাত্তাই দেননি।

    এটাই তো তোকে ভালবাসার লক্ষণ।

    বুঝলাম না, হেঁয়ালি না করে খোলাখুলি বল।

    ছেলেদের মধ্যে অনেকে হ্যাংলা থাকে, যারা নাকি মেয়েদের পিছে ঘুর ঘুর করে ভালবাসার প্রসাদ পাওয়ার জন্য। শাহিন তাদের দলের না, তা ছাড়া ও ধর্মের বিধি বিধান মেনে চলে। তাই শুধু তোকে নয়, অন্য কোনো মেয়েকেও পাত্তা দেয় না। তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। তাই বলছি, তুই যদি সত্যি সত্যি ওকে মনে প্রাণে ভালবেসে থাকিস, তাহলে তোকে অগ্রণীভূমিকা নিতে হবে।

    শিউলি ছলছল চোখে বলল, আমি যে ওঁকে কতটা ভালবেসে ফেলেছি, সে কথা আমি ও আমার অন্তর্জামি জানেন। তারপর চোখ মুছে বলল, তুইও তো নাদিম সাহেবকে ভালবেসেছিস, তা হলেতো বুঝতে পারছিস আমার মনের অবস্থা।

    রোজ বলল, তুই দুশ্চিন্তা করিস না। আমি সিওর সে তোকে ভালবাসে।

    কী করে সিওর হলি বলবি তো?

    অনেক আগে শাহিন নিজে আমাকে বলেছে, “বছর খানিক আগে একদিন বাসে ওঠার সময় তোকে দেখে খুব মুগ্ধ হয়েছে। তারপর থেকে তোক নিয়ে ভাবে। একটু আগে বললাম না, তুই অগ্রণীভূমিকা নিলেই বুঝতে পারবি আমার কথা সত্যি না মিথ্যে।

    শিউলি বলল, ঠিক আছে এবার চল, ক্লাসের সময় হয়ে গেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমিও মানুষ – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }