Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প116 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্ষমা – ৭

    সাত

    আজ শিউলির দুটো ক্লাস ছিল। একটা নটায় আর একটা বারটায়। মন দিয়ে দুটো ক্লাসই করতে পারল না। কেবলই শাহিনের কথা মনে পড়ছে আর চিন্তা করছে, কীভাবে মনের কথা তাকে জানাবে।

    প্রথম ক্লাস করার সময় রোজ তার অন্যমনস্কতা বুঝতে না পারলেও দ্বিতীয় ক্লাস করার সময় বুঝতে পারে; কিন্তু তখন কিছু না বলে ক্লাস শেষ হবার পর বলল, কী ব্যাপার বলতো, আজ তোকে খুব অন্যমনস্ক লাগছে? শরীর খারাপ?

    শিউলি বলল, মনটা ভালো নেই, তাই শরীরটাও যেন কেমন কেমন লাগছে।

    রোজ বলল, মনে হয়, শাহিনকে নিয়ে খুব টেনসানে ভুগছিস। রাতেও ঘুমোতে পারিস না।

    শিউলি বলল, তুই ঠিক বলেছিস। শাহিন আমার হৃদয়ের স্পন্দনের সঙ্গে সব সময় স্পন্দিত হচ্ছে। তাকে নিয়ে ভাববো না তো কাকে নিয়ে ভাববোর তারপর বলল, তুইতো ভার্সিটির বাসে বাড়ি যাবি, আর দেরি করিস না, বাস চলে যাবে।

    রোজ ঘড়ি দেখে বলল, মনে করিয়ে দিয়ে ভালো করলি। বাস ছাড়তে আর মাত্র পাঁচ মিনিট বাকি। যাওয়ার আগে একটা কথা বলে যাই, “তুই যদি বলিস, তা হলে তোর ভালবাসার কথা শাহিনকে বলতে পারি।”

    শিউলি বলল, খবরদার বলিব না। যদি বলিস, তা হলে চিরকালের জন্য বন্ধুত্ব হারাবি। তুই তো একটু আগে বললি, আমি তোর বেস্ট ফ্রেন্ড। সেই সম্পর্ক যদি রাখতে চাস, তা হলে ওয়াদা কর, “আমার ব্যাপারে শাহিনকে কিছু বলবি না।

    রোজ বলল, আমি তোর ভালর জন্য কথাটা বলেছি। তুই যখন নিষেধ করছিস তখন আর বলব না ওয়াদা করলাম। এবার আসি রে…বলে সালাম বিনিময় করে চলে গেল।

    রোজ চলে যাবার পরও শিউলি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল। তারপর লাইব্রেরির দিকে এগোল, যদিও তখনও দু’টো বাজতে পৌনে একঘণ্টা বাকি। লাইব্রেরিতে ঢুকে ঘুরে ঘুরে বই দেখার সময় হঠাৎ দেখতে পেল, শাহিন একটা বই খুলে নোট করছে। তাকে দেখেই শিউলির মনে আনন্দের ঝড় বইতে শুরু করল। ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে তার টেবিলের সামনের চেয়ারে বসে মুখের দিকে চেয়ে রইল। কতক্ষণ চেয়ে ছিল তার খেয়াল নেই। যখন চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ল তখন খেয়াল হতে চোখ মুছে আবার চেয়ে রইল।

    প্রায় আধ ঘণ্টা পর শাহিন নোট শেষ করে বইটা বন্ধ করার সময় শিউলিকে তার মুখের দিকে চেয়ে থাকতে দেখে ভীষণ আনন্দিত হল; কিন্তু তা প্রকাশ না করে সালাম দিয়ে বলল, আপনি? কখন এলেন?

    শিউলি সালামের উত্তর দিয়ে ঘড়ি দেখে বলল, আধ ঘন্টা আগে।

    শাহিন বলল, এতক্ষণ বসে আছেন? আমাকে ডাকলেই পারতেন।

    শিউলি বলল, আপনার ডিস্টার্ব হবে ভেবে ডাকিনি।

    ঘড়ি দেখে শাহিন বলল, আমি কিন্তু আপনাকে দুটোর সময় আসতে বলেছিলাম। দুটো বাজতে এখনও পনের মিনিট বাকি।

    আগে এসেছি বলে কি অসন্তুষ্ট হয়েছেন?

    না-না, তা কেন? চলুন বাইরে গিয়ে কোথাও বসি।

    লাইব্রেরি থেকে বেরিয়ে শাহিন বলল, কী যেন জরুরি প্রয়োজনীয় কথা বলবেন বলেছিলেন?

    সেকথা এখানে বলা যাবে না।

    বেশতো, যেখানে বলা যাবে সেখানেই চলুন।

    আজ শাহিনকে বাসায় নিয়ে আসবে বলে ড্রাইভারকে না নিয়ে শিউলি নিজেই ড্রাইভ করে এসেছে। শাহিনকে গাড়ির কাছে নিয়ে এসে সামনের গেট খুলে দিয়ে বলল, উঠুন।

    শাহিন চিন্তা করতে লাগল উঠবে কিনা।

    অল্পক্ষণ অপেক্ষা করে শিউলি বলল, কই, উঠুন। তবু যখন শাহিন চুপ করে রইল তখন মিনতি স্বরে বলল, প্লিজ উঠুন। বিশ্বাস করুন কোনো খারাপ। জায়গায় নিয়ে যাব না অথবা কোনো খারাপ উদ্দেশ্যেও নিয়ে যাব না।

    তার কথাগুলো শাহিনের কানে কান্নার মতো শোনাল। গাড়িতে উঠে গেট লাগিয়ে দিল।

    শিউলি ড্রাইভিং সিটে বসে গাড়ি ছেড়ে দিল। মিরপুরে একটা দোতলা বাড়ির গেটের কাছে এসে হর্ন বাজাল।

    একটু পরে ছোট গেট খুলে দারোয়ান বেরিয়ে এসে সালাম দিয়ে বড় গেট খুলে দিল।

    শিউলি সালামের উত্তর দিয়ে গাড়ি নিয়ে ভেতরে ঢুকে বারান্দার সামনে পার্ক করল। তারপর নেমে শাহিনের দিকে গেট খুলে দিয়ে বলল, নেমে আসুন।

    গাড়ি থেকে নেমে বাড়ির পরিবেশ দেখে শাহিনের মন জুড়িয়ে গেল। অনেকখানি জমির মাঝখানে বাড়িটা। রাস্তার একপাশে ফুলের বাগান। অন্য পাশে খেলার মাঠ। বাকি জমিতে নানারকম ফলের বাগান।

    শিউলি বলল, পরিবেশটা খুব সুন্দর, তাই না?

    শাহিন বলল, সত্যিই খুব সুন্দর। শহরের মধ্যে এরকম বাড়ি আছে জানতাম না।

    ভেতরে চলুন বলে শিউলি তাকে দোতলার বারান্দায় নিয়ে এসে দুটো চেয়ারে মুখোমুখি বসল।

    শাহিন লক্ষ্য করল, নিচের পুরো বারান্দায় দামি কার্পেট বিছান। সিঁড়িতে ও উপরের বারান্দাতেও তাই। দোতলায় এসে চারপাশে চাইতে তার মনে হল, সে যেন অন্য এক অপূর্ব জগতে চলে এসেছে। শিউলিকে তার দিকে একদৃষ্টে চেয়ে থাকতে দেখেও তার চোখে পানি টলটল করছে দেখে কিছু বলতে যাচ্ছিল, দু’জন আয়াকে আসতে দেখে থেমে গেল।

    আয়া দুটো দু’গ্লাস লাস্যি নিয়ে এসে সালাম দিয়ে গ্লাস দুটো টেবিলের উপর রেখে মুখ নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল।

    শিউলি চোখ মুছে সালামের উত্তর দিয়ে বলল, কলিং বেল বাজালে লাঞ্চ রেডি করবে। এবার তোমরা যাও। তারা চলে যাবার পর একটা গ্লাস নিয়ে শাহিনের দিকে বাড়িয়ে বলল, নিশ্চয় এতক্ষণে পিপাসা লেগেছে।

    শাহিনের সত্যিই খুব পিপাসা লেগেছে। গ্লাসটা নিয়ে ধন্যবাদ জানিয়ে বলল, আপনিও নিন।

    হ্যাঁ, নিচ্ছি বলে শিউলি অন্য গ্লাসটা নিয়ে বলল, আপনি আগে শুরু করুন।

    শাহিন বড় বড় মার্কেটে অনেকবার লাস্যি খেয়েছে; কিন্তু এই লাস্যির সঙ্গে সেসবের তুলনা হয় না। খালি গ্লাস টেবিলের উপর রেখে বলল, এবার বলুন, কী বিশেষ প্রয়োজনীয় কথা বলার জন্য আমাকে এখানে নিয়ে এলেন।

    ততক্ষণে শিউলিরও খাওয়া শেষ হয়েছে। সেও খালি গ্লাসটা টেবিলে রেখে বলল, তার আগে এই হতভাগীর একটা অনুরোধ রাখবেন বলুন।

    শাহিন বলল, রাখার মতো হলে ইনশাআল্লাহ নিশ্চয় রাখব। তবে দয়া করে এমন অনুরোধ করবেন না, যা রাখা সম্ভব নয়।

    শিউলি বলল, কী বিশেষ প্রয়োজনীয় কথা শোনাবার জন্য এখানে এনেছি, তা বলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমার কোনো কথার বা কাজের প্রতিবাদ করবেন না এবং কোনো কৈফিয়ৎও চাইবেন না বলুন।

    শাহিন কিছুক্ষণ চিন্তা করে বলল, ঠিক আছে, আপনার অনুরোধ রাখব, কিন্তু যদি ইসলামের পরিপন্থি কিছু বলেন বা করেন, তা হলে রাখতে পারব না।

    শিউলি বলল, কোনো মুমিন বান্দা বান্দি ইসলামের পরিপন্থী কিছু করতে বা বলতে পারে না।

    শাহিন বলল, তা হলে আর কোনো কথা নেই।

    শিউলি বলল, আসুন আমার সঙ্গে। তারপর তাকে নিয়ে একটা রুমে এসে একদিকে হাত বাড়িয়ে বলল, ঐ যে এটাচড বাথরুম আর ঐ যে আলনায় নামাযের মাশাল্লা। জোহরের নামায পড়ে নিন। আমিও পাশের রুমে পড়ব বলে সেখান থেকে বেরিয়ে এল।

    শাহিন রুমের চারপাশ চেয়ে দেখল, একপাশে স্টিলের ডবল খাট। খাটে পরিপাটি করে বিছানা পাতা। মাথার দিকে একটা ছোট টেবিল, তার উপর ল্যান্ডফোন। অন্যপাশে দু’টো এক সিটের সোফা। সোফার সামনে একটা টি টেবিল আর পাশে একটা স্টিলের আলমারি। তার পাশে বুক সেলফ ও ড্রেসিং টেবিল। সব আসবাবপত্র খুব দামি বলে মনে হল শাহিনের। বাথরুম থেকে অজু করে এসে নামায পড়ে সোফায় বসে চিন্তা করতে লাগল, এটা কাদের বাড়ি, দু’জন আয়া ছাড়া অন্য কোনো লোকজনও নেই। কেনই বা এখানে নিয়ে এল? বাড়ির নাম জেসমিন ভিলা। কে এই জেসমিন? এমন সময় শিউলির গলা পেয়ে চিন্তা ছিন্ন হয়ে গেল।

    পর্দা সরিয়ে শিউলি বলল, আসুন খুব ক্ষিধে পেয়েছে।

    খাওয়ার পর শিউলি জিজ্ঞেস করল, শুয়ে কিছুক্ষণ রেস্ট নেবেন, না বারন্দায় চেয়ারে বসবেন?

    শাহিন বলল, বারান্দায় বসব।

    দুজনে বারান্দায় বসার পর শাহিন বলল, আমাকে এবার ফিরতে হবে। বিকেলে একটা টিউশনি করি। যা আলাপ করার তাড়াতাড়ি করুন।

    শিউলি বলল, সেজন্যে চিন্তা করবেন না। আমার ড্রাইভার আপনাকে। সময় মতো পৌঁছে দেবে। তারপর বলল, প্রায় দু’বছর আগে বাসে ওঠার সময় যে ঘটনা ঘটেছিল, তা কি আপনার মনে আছে?

    শাহিন বলল, আছে।

    শিউলি বলল, বড় হবার পর থেকে স্বপ্ন ছিল, যে আমার জীবনসঙ্গী হবে, সে যেন আমার মনের মতো হয়। আপনি কী মনে করবেন জানি না, সেদিন বাসে উঠার ঘটনার মাধ্যমে আল্লাহ আমাকে আমার সেই স্বপ্নের মানুষকে দেখান। তখন থেকে আপনার স্মৃতি আমার হৃদয়ের স্পন্দনের সঙ্গে স্পন্দিত হচ্ছে। তারপর থেকে আপনাকে অনেক খুঁজেছি; কিন্তু পাইনি। বেশ কয়েকমাস পরে একদিন ভার্সিটিতে যখন বান্ধবী রোজের সঙ্গে কথা বলছিলাম তখন রোজ আপনাকে ডেকে ঘরে ফেরার কথা জিজ্ঞেস করতে দ্বিতীয়বার আপনাকে দেখি এবং জানতে পারি আপনি রোজের খালাত ভাই। তারপর ওর কাছে আপনার বায়োডাটা জেনেছি। এটাই ছিল আমার জরুরি আলাপ। এরপর যদি আমাকে নিরাশ করেন, তা হলে, কথাটা শেষ না করে চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে বলল, প্লিজ শাহিন, আমাকে ফিরিয়ে দিও না বলে দু’হাতে মুখ ঢেকে ফুঁপিয়ে উঠে আবার বলল, তোমাকে এখানে এনে হয়তো অন্যায় করে ফেলেছি, দয়া করে ক্ষমা করে দাও।

    শিউলি তাকে যে ভালবাসে শাহিন বুঝতে পেরেছিল; কিন্তু সেই ভালবাসা যে এত গভীর তা জানতো না। সেও তাকে ভীষণ ভালবাসে; কিন্তু নিজের যোগ্যতার কথা চিন্তা করে শিউলিকে জানাতে সাহস হয়নি। তা ছাড়া রোজের কাছে তার পরিচয় জেনে ভেবেছে, শিউলিকে পাওয়া মানে ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে রাজকন্যাকে পাওয়ার স্বপ্ন দেখা। তাই তার ধারে কাছে ঘেঁষেনি। এখন তার কথা শুনে ও তাকে কাঁদতে দেখে এতদিনের সংযমের বাঁধ ভেঙ্গে খান খান হয়ে গেল। এক সময় তার চোখেও পানি এসে গেল। সামলে নিয়ে চোখ মুছে চেয়ারটা টেনে কাছে নিয়ে এসে চিবুক ধরে ভিজে গলায় বলল, ক্ষমা চাইছ কেন? বরং এখানে নিয়ে এসে আমাকে ধন্য করেছ। আজকালের ছেলেমেয়েদের মধ্যে প্রেম ভালবাসার ঘটনার পরিণতি দেখে শুনে প্রেম ভালবাসাকে প্রচণ্ড ঘৃণা করতাম। তা সত্ত্বেও সেদিন বাসে উঠার ঘটনার সময় তোমাকে দেখে ভীষণ মুগ্ধ হলাম। সেই থেকে আমিও তোমাকে একদণ্ড ভুলতে পারিনি। এর মধ্যে রোজের কাছে যখন শুনলাম, তুমি খুব বড়লোকের মেয়ে তখন থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিলাম। এখন কি মনে হচ্ছে জান? তোমার প্রেম হয় আমাকে পাগল করে দেবে, নচেৎ মৃত্যুর দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবে।

    শাহিনের কথা শুনতে শুনতে শিউলি এত আনন্দিত হল যে, তার মনে হল, হয় সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলবে, নচেৎ হার্টফেল করবে। তারপর শাহিনের শেষের কথা শুনে হার্টফেল না করলেও চেয়ারে হেলান দিয়ে জ্ঞান হারাল।

    শাহিন তা বুঝতে পেরে টেবিলের রাখা জগ থেকে পানি হাতের দু তালুতে নিয়ে তার মুখে ঝাঁপটা দিতে লাগল ও মাঝে মাঝে তার মাথা ধরে নাড়া দিতে দিতে নাম ধরে ডাকতে লাগল।

    কিছুক্ষণের মধ্যে শিউলি জ্ঞান ফিরে পেয়ে সোজা হয়ে বসে ওড়না দিয়ে মুখ মোছার সময় বলল, ছি-ছি, হঠাৎ কী করতে কী হয়ে গেল। নিশ্চয় ভয় পেয়েছিলেন?

    শাহিন বলল, প্রথম দিকে আমরা আপনি করে বললেও মাঝখানে থেকে তুমি করে বলেছি। এখন আবার আপনি করে বলছ কেন? তুমি করেই বল।

    শিউলি বলল, ঠিক আছে, তাই বলব। এখন ভয় পেয়েছিলে কিনা বললে না তো?

    শাহিন বলল, তা অবশ্য একটু পেয়েছি। তারপর জিজ্ঞেস করল, এর আগেও এরকম হয়েছে না কি?

    শিউলি মৃদু হেসে বলল, না, হয়নি। তবে এর আগে যদি তুমি এরকম কথা বলতে, তা হলে হয়তো বলে থেমে, গেল।

    শাহিন এতক্ষণ শিউলির প্রেম সাগরে সাঁতার কাটতে কাটতে নিজের সত্ত্বা হারিয়ে ফেলেছিল। শিউলির কথা শুনে সজ্ঞানে ফিরে এসে বলল, আমরা দু’জনেই যেমন খুব ছেলেমানুষি করে ফেললাম। তেমনি ইসলামের আইনের পরিপন্থী কাজও করে ফেললাম। সে জন্যে আমাদেরকে তওবা করে আল্লাহর কাছ ক্ষমা চাইতে হবে।

    শিউলি বলল, হ্যাঁ, আমাদের নিশ্চয় তাই করতে হবে।

    শাহিন জিজ্ঞেস করল, এত বড় বাড়িতে তুমি একা থাক?

    শিউলি, বলল, আমার নানা-নানিও থাকেন। তা ছাড়া দু’জন আয়া, চার পাঁচজন কাজের লোক ও একজন দারোয়ান আছে।

    এটা তা হলে তোমার নানার বাড়ি।

    হ্যাঁ।

    বাড়ির নাম জেসমিন দেখলাম। উনি কে?

    আমার মা।

    তোমার মা বাবা কোথায় থাকেন?

    আমার মা নেই। ছয় সাত বছর আগে মারা গেছেন। আমাদের বাড়ি চট্টগ্রামের মীরশরাই গ্রামে। বাবা বড় ব্যবসায়ী। চট্টগ্রাম টাউনেও আমাদের একটা বাড়ি আছে। তিনি সেখানে থাকেন।

    তোমার নানাজি কী করেন?

    উনিও বড় ব্যবসায়ী। মা ওদের একমাত্র সন্তান ছিলেন। আর কোনো ছেলে সন্তান হয়নি। তাই এখনও নিজের ব্যবসা নিজেই চালাচ্ছেন।

    তোমার মা মারা যাবার পর বুঝি নানা-নানির কাছে চলে এসেছ?

    ঠিক ঐ কারণে আসিনি। মা মারা যাবার কিছুদিনের মধ্যে বাবা তার অফিসের পি.এ. কে বিয়ে করেন। আমার একটা বড় ভাই আছে। সে যে বছর বিদেশে পড়াশোনা করতে যায়, সে বছর মারা যান। আমি তখন ক্লাস টেনে পড়তাম। সম্মা আমাকে ভালো নজরে দেখতেন না। সামান্য ব্যাপার নিয়ে আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেন। বাবা আমাকে ভীষণ ভালবাসতেন। পি.এ. কে বিয়ে করার পর যেন কেমন হয়ে গেলেন। সৎমার দুর্ব্যবহারের কথা বললে উল্টে বাবা আমাকে বকাঝকা করতেন। বুঝতে পারলাম, সম্মা বাবাকে এমনভাবে ক্যাপচার করেছেন যে, বাবা ওঁর বিরুদ্ধে কিছু বলতে বা করতে পারবেন না। তবু সহ্য করে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলাম। রেজাল্ট বেরোবার পর যখন কলেজে পড়তে চাইলাম তখন সন্মা রাজি হলেন না। বাবাকে বললেন, মেয়েকে আর লেখাপড়া করাবার দরকার নেই। আমার ভাইপোর সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দাও। বাই দা বাই, সত্য ভাইপোকে বিয়ের পরপর বাবার অফিসে ম্যানেজারের পোস্টে লাগিয়েছেন।

    বাবা শুনে বললেন, শিউলি ভালো ছাত্রী। মাধ্যমিক পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করেছে। তা ছাড়া ওর বিয়ের বয়স এখনও হয়নি। আমরা চাইলেও ও কিছুতেই বিয়েও করবে না আর লেখাপড়া বন্ধও করবে না।

    সৎমা বললেন, মেয়েকে বেশি লেখাপড়া করিয়ে কী হবে? এই তো আমি। এম.এ.পাস করেও হেসেল ঠেলতে হচ্ছে। অথচ ওঁকে একদিনও আমি হেসেলে যেতে দেখিনি। দু’জন কাজের মেয়ে আছে, তারাই সবকিছু করে। আসলে ওঁর উদ্দেশ্য হল সবকিছু করায়াত্ত করা। এরই মধ্যে শহরের বাড়িটা নিজের নামে করে নিয়েছেন।

    সৎমার কথা শুনে বাবা বললেন, আর অন্তত দু’টো বছর পড়ে উচ্চ মাধ্যমিকটা পাস করুক।

    সৎমা বললেন, বুঝেছি তুমি মেয়েকে কিছু বলতে পারবে না, আমাকেই বলতে হবে।

    আমি আড়াল থেকে ওঁদের কথা শুনে বাবার উপর মনে খুব কষ্ট পেলাম। চিন্তা করে ঠিক করলাম নানা-নানির কাছে চলে যাব। ওঁদেরকে সৎমায়ের দুর্ব্যবহারের কথা বলে পড়াশোনা করার কথা বলব। এক ছুটির দিন সত্য গাড়ি নিয়ে মায়ের বাড়িতে বেড়াতে গেলেন। বাবাকেও যেতে বলেছিলেন। বাবার শরীর খারাপ থাকায় যাননি। এক সময় বাবার রুমে গেলাম। উনি তখন শুয়ে ছিলেন। আমি পাশে বসে বাবার চুলে বিলি কাটতে লাগলাম।

    বাবা ঘুমাননি। এমনি চোখ বন্ধ করে শুয়েছিলেন। আমি চুলে বিলি কাটতে চোখ খুলে বললেন, কিছু বলবি মা?

    বললাম বাবা, আমার মনে হয় তুমি আমার জন্য খুব দুশ্চিন্তা কর। তাই সব সময় তোমার মন খারাপ দেখি।

    বাবা দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে বললেন, হ্যাঁরে মা, তুই ঠিক বলেছিস। আমি বোধ হয় দ্বিতীয় বিয়ে করে ভুল করে ফেলেছি। ওযে তোর সঙ্গে এরকম। দুর্ব্যবহার করবে কখনও ভাবিনি। এই কথা বলে বাবা চোখ মুছলেন।

    বললাম, না না, দ্বিতীয় বিয়ে করে ভুল করনি। আমার মনে হয় অফিস স্টাফকে বিয়ে না করে অন্য কোনো মেয়েকে বিয়ে করলে ভালো হত। যাই হোক, যা হবার হয়েছে। কয়েকদিন ধরে চিন্তা করে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সুযোগের অভাবে বলতে পারিনি।

    বাবা বললেন, বেশ তো এখন বল, তোর মা বাসায় নেই।

    বললাম, সেদিন আমার ব্যাপারে তোমরা যা কিছু আলাপ করেছ, শুনেছি। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমি ঢাকায় নানুবাড়িতে থেকে লেখাপড়া করব। আমি চলে গেলে তোমার খুব কষ্ট হবে জেনেও সজ্ঞার কারণে কথাটা বলতে বাধ্য। হলাম। সেজন্যে ক্ষমা চাইছি। তারপর বাবার দু’পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললাম, তুমি আমাকে বাধা দিও না বাবা। আরও বললাম, তুমি আমার জন্য দোয়া করো, “আমি যেন উচচ শিক্ষা নিতে পারি ও তোমার মনের কষ্ট দূর করতে পারি।

    বাবা আমার গায়ে মাথায় হাত বুলোতে বুলোতে ভিজে গলায় বললেন, তোর সিদ্ধান্ত খুব ভালো আমার কষ্ট হলেও দোয়া করছি। “আল্লাহ যেন তোর মনের আশা পূরণ করেন।

    তারপর একদিন নানুর বাড়ি বেড়াতে আসার নাম করে চলে এলাম।

    শাহিন জিজ্ঞেস করল, তোমার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ আছে?

    হ্যাঁ, আছে। আমি প্রায় প্রতিদিন ফোন করে বাবার খোঁজ-খবর নিই। বাবাও মাঝে মাঝে ফোন করে আমার ও নানা-নানুর খোঁজ-খবর নেন। কোনো কারণে ঢাকায় এলে এখানে এসে উঠেন।

    তোমার নানা-নানিকে দেখছি না কেন?

    নানা তো ব্যবসা চালান আর নানি ওঁকে সাহায্য করার জন্য অফিসে যান। আজ তোমাকে নিয়ে আসার কথা বলে ওঁদের থাকতে বলেছিলাম। বললেন, ঢাকার বড় বড় ব্যবসায়ীদের নিয়ে আজ একটা মিটিং আছে। তাই থাকতে পারব না। অন্য একদিন নিয়ে আসিস। তখন তোর পছন্দ করা পাত্রটাকে শুধু দেখব নয়, বাজিয়েও দেখব মাকাল ফল কিনা।

    শাহিন জিজ্ঞেস করল, তুমি আমার সম্পূর্ণ পরিচয় জান?

    শিউলি বলল, হ্যাঁ, রোজের কাছে জেনেছি।

    শাহিন বলল, একটা কথা ভেবে খুব অবাক হচ্ছি, মেয়েরা সাধারণত সুন্দর, স্বাস্থ্যবান ও বড়লোকের ছেলেদেরকে ভালবাসে। আমার তো ওগুলোর কোনোটাই নেই, তবু কেন আমাকে ভালবাসলে?

    যেসব মেয়েরা এরকম ছেলেদের ভালবাসে তারা স্বার্থান্বেষী। তারা প্রেম ভালবাসা কী জিনিস জানে না। আমি তাদের দলে নই।

    আমার পরিচয় তোমার নানা-নানিকে জানিয়েছ?

    হ্যাঁ, জানিয়েছি।

    জেনে কিছু বলেন নি?

    বলেছেন, আমরা কিছু বললে তুই তো শুনবি না। তবু একদিন নিয়ে আসিস দেখব তোকে কতটা ভালবাসে।

    আমি তোমাকে ভালবাসি, একথা জানলে কী করে?

    আমি অনেক কিছু এমনিই জানতে পারি?

    শাহিন মৃদু হেসে বলল, দুষ্টুমি করা হচ্ছে?

    শিউলিও মৃদু হেসে বলল, দুষ্টুমি নয়, সত্যি বলছি।

    তোমার বাবার দ্বিতীয় বিয়ের কথা, সৎ মায়ের দুর্ব্যবহারের কথা ও এখানে চলে এসে পড়াশোনা করছ, এসব কথা তোমার ভাইয়া জানে?

    হ্যাঁ, আমি জানিয়েছি। শুনে বলল, তুই খুব ভালো কাজ করেছিস। তারপর থেকে ভাইয়া প্রতি মাসে বেশ কিছু করে টাকা পাঠায়। তা ছাড়া বাবাও প্রতিমাসে টাকা পাঠান।

    আমার কথা তোমার ভাইয়াকে বলেছ?

    সেই বাসের ঘটনার পরপর জানিয়েছি।

    শুনে কী বললেন?

    বলল, আজকাল গ্রামের গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেরা ভার্সিটিতে পড়তে এসে বড়লোকের মেয়েদেরকে বিয়ে করার জন্য প্রেম করে। দেখিস, সেরকম কিছু যেন না হয়।

    ভাইয়ার কথা শুনে তুমি কিছু বলনি?

    শিউলি হেসে উঠে বলল, তাও শুনতে চাও? ঠিক আছে বলছি, বললাম ঐ ছেলে আমার সঙ্গে প্রেম করা তো দূরের কথা আমাকে পাত্তাই দেয় না।

    শাহিন বলল, রোজ তোমাকে আমার সম্পর্কে কতটুকু জানিয়েছে জানি না। অন্য একদিন সবকিছু জানাব। তারপর দাঁড়িয়ে বলল, এবার আমাকে যেতে হবে।

    শিউলি বলল, প্লিজ, আর অল্পক্ষণ বস, চা বা কফি দিতে বলি।

    শাহিন বলল, বসতে পারছি না বলে ক্ষমা চাচ্ছি।

    শিউলি কলিং বেল টিপতে একজন আয়া এসে সালাম দিল।

    সালামের উত্তর দিয়ে শিউলি বলল, ড্রাইভারকে গাড়ি বের করতে বল। মেহমানকে পৌঁছে দেবে।

    না-না, আমি বাসে চলে যেতে পারব বলে শাহিন সিঁড়ির দিকে এগোল। শিউলি তার পিছনে যেতে যেতে বলল, গাড়িতে না গেলে আমার মনে খুব কষ্ট হবে।

    শাহিন আর আপত্তি না করে, গাড়িতে উঠল।

    গেট লাগিয়ে দিয়ে শিউলি ছলছল চোখে বলল, কবে তোমার সবকিছু শোনাবে?

    শাহিন বলল, আল্লাহ যেদিন রাজি হবেন। আর শোন, তোমার ও আমার কোনো কিছুই রোজকে জানাবে না। তারপর সালাম বিনিময় করে ও আল্লাহ হাফেজ বলে ড্রাইভারকে গাড়ি ছেড়ে দিতে বলল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমিও মানুষ – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }