Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প116 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্ষমা – ৮

    আট

    প্রথম দেখা সাক্ষাতের পর নাদিম ও রোজের মধ্যে প্রায় প্রতিদিন মোবাইলে কথাবার্তা হয়। একদিন রোজ বলল, তোমার জান এত পাষাণ কেন?

    নাদিম বলল, সারাদিন অফিসে কাজ করে ক্লান্ত হলেও না ঘুমিয়ে প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত তোমার সঙ্গে ফোনে কথা বলি, তবু আমাকে পাষাণ বলবে?

    বলব বলব একশ’ বার বলব। ফোনে কথা বলা আর সামনা সামনি কথা বলা বুঝি এক কথা?

    তা অবশষ্য এক কথা নয়, কিন্তু এর বেশি কী আর করতে পারি বল। তবে এবারে বাড়িতে গিয়ে মাকে তোমার কথা জানিয়ে বিয়ের ব্যবস্থা করতে বলেছি।

    বিয়ের কথা শুনে আনন্দে রোজের বুকের রক্ত ছলকে উঠল। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, নিজের বিয়ের কথা মাকে বলতে পারলে? লজ্জা করল না?

    লজ্জা তো করবেই, তবু বলতে হল। কারণ তোমার কথা মনে পড়লে অফিসের কাজে মন বসে না। তা ছাড়া ফোনে কথা বলার সময় তোমাকে একান্ত করে পাওয়ার তীব্র বাসনা হয়। তোমার হয় না?

    তোমার চেয়ে বেশি হয়। তাই আজ মাকে তোমার কথা আমিও বলেছি।

    তাই নাকি? তা শুনে উনি কী বললেন?

    শুনে আতঙ্কিত হয়ে বললেন, কোথাকার কেমন ছেলে, তার স্বভাব চরিত্র কেমন, ফ্যামিলির স্ট্যাটাস কেমন জেনেছিস? আজকাল মোবাইল ফোনে ছেলেমেয়েরা প্রেম করার ফলে কত দুর্ঘটনা ঘটছে। সেসব কাগজেও ছাপা হচ্ছে।

    বললাম, তার সবকিছুই ভালো জেনেই তোমাকে বললাম।

    কার কাছে জেনেছিস? সে তো মিথ্যেও বলতে পারে? ছেলেটার ঠিকানা দে, তোর বাবাকে খোঁজ খবর নিতে বলব।

    তুমি ঠিকানা দিয়েছ?

    তোমার অনুমতি না নিয়ে তো দিতে পারি না। তাই বলেছি পরে দেব।

    নাদিম বলল, অনুমতি দিলাম। তারপর বলল, কাল তোমাদের ভার্সিটির গেটের কাছে সকাল দশটার সময় আসব। ঐ সময়ে ওখানে থাকবে। তোমাকে নিয়ে সাভার স্মৃতিসৌধে বেড়াতে যাব।

    রোজ উৎফুল্ল কণ্ঠে বলল, সত্যি বলছ?

    আল্লাহর মুমিন বান্দা-বান্দি কখনও মিথ্যে বলে না।

    সরি, কথাটা ভুলে গিয়েছিলাম। তা ছাড়া তোমার আসার কথা শুনে আনন্দের চোটে হঠাৎ মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেছে। ক্ষমা করে দাও।

    এই সামান্য কথায় ক্ষমা চাওয়ার দরকার নেই। কাল আসবে কিনা বললে না যে?

    ইনশাআল্লাহ আসব।

    কাল যে আসবে, তোমার ক্লাস নেই?

    তিনটে ক্লাস আছে।

    ক্লাস মিস করলে ক্ষতি হবে না?

    ক্লাস মিস করলে যতটা ক্ষতি হবে, তোমাকে মিস করলে তার থেকে অনেক বেশি ক্ষতি হবে।

    তা হলে এখন রাখছি বলে নাদিম সালাম বিনিময় করে লাইন কেটে দিল।

    পরের দিন দশটার সময় আসার কথা থাকলেও রাস্তায় জ্যামের কারণে নাদিম এগারটায় সময় জাহাঙ্গীর নগর ভার্সিটির গেটে এসে পৌঁছাল।

    এদিকে দেরি হচ্ছে দেখে নাদিম ফোন করে রোজকে দেরি হওয়ার কারণ বলেছে। তাই রোজ অস্থিরতা বোধ করলেও ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছিল।

    নাদিম বাস থেকে নেমে রোজকে দেখতে পেয়ে এগিয়ে এসে সালাম বিনিময় করে বলল, এক ঘণ্টা দেরি হওয়ার জন্য দুঃখিত। তারপর তাকে নিয়ে একটা সি.এন.জিতে উঠে ড্রাইভারকে সাভার বাস স্ট্যান্ডে যেতে বলল।

    সি.এন.জি চলতে শুরু করলে রোজ বলল, তুমি তো স্মৃতিসৌধে বেড়াবার কথা বলেছিলে সাভারে যাবে কেন?

    নাদিম বলল, ওখানে তো যাবই, তার আগে সাভারে একটা কাজ আছে, সেটা সেরে যাব।

    কাজটা কি খুব জরুরি?

    হ্যাঁ, জরুরি।

    আমাকে বলা যাবে না?

    নিশ্চয় যাবে। বলছি শোন, সেই প্রথম দিন ফোনের আলাপ ও তারপর থেকে আজ পর্যন্ত যা কিছু আমরা করছি, সবটাই গুনাহের কাজ। তাই ভেবে। চিন্তে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা যখন আমাদের মাকে ব্যাপারটা জানিয়েছি তখন আজই কাজি অফিসে আমরা কাবিন করব। তাই কাজি অফিসে যাচ্ছি। আমি সিওর তুমি অমত করবে না। অবশ্য তোমার মতামতকেও প্রাধান্য দেব। তুমি যদি আজ রাজি না থাক, তা হলে যেদিন বলবে, সেদিন করব। যেদিনই করি না কেন, আমাদের গার্জেনদের জানান যাবে না।

    আজ এক্ষুনি কাবিন করার কথা শুনে রোজের মনে যেমন আনন্দের বান। ডাকল, তেমনি মা-বাবাকে না জানিয়ে কাজটা করতে বেশ ভয় ভয় করতেও লাগল। তাই কী করবে না করবে ভেবে ঠিক করতে না পেরে অনেকক্ষণ চুপ করে রইল।

    নাদিম বলল, তুমি কি আমাকে বিশ্বাস করতে পারছ না?

    রোজ বলল, তোমাকে অবিশ্বাস করার আগে যেন আমার মৃত্যু হয়।

    নাদিম বলল, ছি রোজ, এরকম কথা আর কখনও বলবে না। তারপর আবার বলল, আমাকে যখন এতই বিশ্বাস কর, তা হলে—-

    তাকে কথাটা শেষ করতে না দিয়ে রোজ বলল, আমি রাজি।

    আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে নাদিম বলল, তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। তোমার কাছ থেকে এটাই আশা করেছিলাম। কাবিন ও বিয়ের কাজ শেষ হতে জোহরের নামাযের সময় হয়ে গেল। কাজি অফিস থেকে বেরিয়ে নাদিম বলল, আজ আর স্মৃতিসৌধে যাব না। অন্য একদিন যাওয়া যাবে। এখন খাওয়া দাওয়া করি চল। রেস্টুরেন্টে খাওয়া দাওয়া করে বেরিয়ে এসে নাদিম বলল, চল, হোটেলে রুম ভাড়া নিয়ে নামায পড়ে বিশ্রাম নেয়ার সময় গল্প করব।

    হোটেলের রুম ভাড়া নেয়ার কথা শুনে রোজ ভাবল, নাদিম তাকে নিয়ে রাতেও থাকবে। তাই ভয়ার্ত স্বরে বলল, রাতেও থাকবে নাকি? ওদিকে মা বাবা কিন্তু ভীষণ দুশ্চিন্তা করবে।

    নাদিম বলল, প্লিজ রোজ, আমাকে এতটা আন্ডার স্টিমেট করো না। আমি কি এতই অমানুষ, তোমার মা-বাবাকে দুশ্চিন্তায় রেখে তোমাকে নিয়ে হোটেলে রাত কাটাব?।

    রোজ ভাবল, কথাটা বলা উচিত হয়নি। ছলছল চোখে বলল, কথাটা বলা আমার অন্যায় হয়েছে, ক্ষমা করে দাও।

    নাদিম বলল, চল, তোমাকে গোলচাক্তির কাছে নামিয়ে দিয়ে আমি ঢাকা চলে যাব।

    রোজ চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বলল, তোমার তুলনায় আমার বয়স শুধু কম নয়, জ্ঞানও অনেক কম। তাই তোমার কথা বুঝতে না পেরে কথাটা বলে ফেলেছি। সেজন্য ক্ষমাও চেয়েছি। তবু ফিরে যাবার কথা বলতে পারলে? ওয়াদা করছি, জীবনে আর কখনও কোনো ব্যাপারেই তোমার অবাধ্য হব না। প্লিজ, ক্ষমা করে দাও বলে চোখ মুছতে লাগল।

    নাদিম বুঝতে পারল, রোজ ঠিক কথা বলেছে। ক্ষমা চাওয়ার পর ফিরে যাবার কথা বলা ঠিক হয়নি। বলল, ফিরে যাওয়ার কথা বলে আমিও ভুল করেছি। আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করুন। তারপর চল বলে কয়েক পা এগিয়েছে এমন সময় বন্ধু মামুনকে আসতে দেখে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল।

    মামুনও তাদেরকে দেখতে পেয়ে কাছে এসে সালাম দিয়ে বলল, আরে দোস্ত তুই?

    নাদিম সালামের উত্তর দিয়ে বলল, তাতে দেখতেই পাচ্ছিস। তারপর আবার বলল, তুই তো ড্যামরা থানার ওসি ছিলি, এখানে বদলি হলি কবে?

    মামুন বলল, এই তিন মাস হল সাভার থানায় বদলী হয়ে এসেছি। তারপর রোজের দিকে ইঙ্গিত করে বলল, পরিচয় করিয়ে দিবি না? তারপর নাদিম কিছু বলার আগে আন্দাজে ঢিল ছুঁড়ল, মনে হচ্ছে কিছুদিন আগে যার কথা বলেছিলি ইনিই তিনি?

    নাদিম হেসে উঠে বলল, তোর আন্দাজে ঢিল ছোঁড়ার অভ্যাস এখনও গেল না। অনেক ঢিল আগে বেজায়গায় লাগলেও আজকের ঢিলটা ঠিক জায়গামতো লেগেছে। হ্যাঁ, ইনিই তিনি। ঘণ্টা খানেক আগে এখানকার কাজি অফিসে আমরা বিয়ে করেছি। এখন ওঁকে ভাবি বলতে পারিস।

    মামুন রোজের সঙ্গে সালাম বিনিময় করে বলল, ভাবি কেমন আছেন জিজ্ঞেস করা ঠিক হবে না। কারণ এখনও আপনাদের বাসর রাত হয়নি। তাই বলব, চলুন, এই গরিবের আস্তানায়। সেখানে আমার গিন্নী আছে। আপনাদেরকে দেখলে খুশিতে লাফাতে লাফাতে খাতির যত্ন করবে।

    রোজের দিকে চেয়ে নাদিম বলল, তোমার আপত্তি না থাকলে বন্ধুর বাসায় যাওয়া যাক।

    রোজ বলল, আমার কোনো আপত্তি নেই।

    মামুন দু’রুমের ফ্লাটে ভাড়া থাকে। দু’বছর আগে বিয়ে করলেও এখনও ছেলেমেয়ে হয়নি। মামুনের বিয়েতে নাদিম গিয়েছিল। সেইদিন মামুন তার বৌয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। তারপর আর এই দু’বছরের মধ্যে দেখা সাক্ষাৎ হয়নি। অবশ্য ফোনে মাঝে মাঝে উভয়ে উভয়ের খোঁজ খবর নেয়। মামুনের বৌ-এর নাম সায়মা। সায়মা খুব চটপটে ও প্রাণখোলা মেয়ে। স্বামীকে ওদের সঙ্গে ফিরে আসতে দেখে অবাক হয়ে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তার দিকে চাইল।

    মামুন বলল, নাদিমকে চিনতে পারলে না? অবশ্য চিনতে না পারারই কথা। দু’বছর আগে বিয়ের দিন ওকে একবার মাত্র দেখেছিলে যাই হোক, আমার চারজন বন্ধুর কথা তোমাকে একসময় বলেছিলাম। এ তাদের মধ্যে একজন হলেও সবার থেকে এর সঙ্গে অন্তরঙ্গ বেশি ছিল। শুধু তাই নয়, আমরা একই গ্রামের ছেলে। নিচের ক্লাস থেকে এক সঙ্গে মাস্টার্স পর্যন্ত লেখাপড়া করেছি। তারপর রোজের দিকে চেয়ে ইশারা করে বলল, তোমার মনে আছে কিনা জানি না, ওঁর সঙ্গে নাদিমের সম্পর্কের কথা একদিন তোমাকে বলেছিলাম। আজ ওঁরা গার্জেনদের অগোচরে ঘণ্টা দেড়েক আগে কাজি অফিসে বিয়ে করেছে। তারপর হোটেলে খেয়ে বেরিয়ে আমার সঙ্গে দেখা হতে নিয়ে এলাম। এখন তোমার কাছে দিয়ে গেলাম, তোমার যা কর্তব্য করে ফেল। আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে। তারপর নাদিমকে উদ্দেশ্য করে বলল, দুপুরে খেতে এসেছিলাম, এবার আসি। সায়মা খুব পটু মেয়ে। আশাকরি, আমি না থাকলেও তোদের খাতির যত্নের অভাব হবে না। আর শোন, আমি ফিরে না আসা পর্যন্ত চলে যাবি না। তাড়াতাড়ি ফেরার চেষ্টা করব। তারপর কেউ কিছু বলার আগে হন হন করে বেরিয়ে গেল।

    সায়মা তাদেরকে একটা রুমে নিয়ে এসে বলল, এটা গেস্টরুম আর আপনারা আমাদের গেস্ট। স্বাধীনভাবে এখানে গল্পটল্প করবেন, না রেস্ট নেবেন সেটা আপনাদের ব্যাপার। আমি গেলাম আপনাদের মেহমানদারির ব্যবস্থা করতে। এই বলে চলে যাবার সময় দরজা ভিড়িয়ে দিল।

    মামুন ফিরল চারটেয়। ততক্ষণে সায়মা কয়েক পদের নাস্তা বানিয়ে ফেলেছে।

    নাস্তা খেয়ে তাদের কাছ থেকে বিদায় নিতে নিতে পাঁচটা বেজে গেল। বিদায় নেয়ার সময় নাদিম বলল, সামনের শুক্রবার বিকেলের দিকে আমরা স্মৃতিসৌধে বেড়াতে আসব, তুই তোর বৌকে নিয়ে আসবি।

    মামুন বলল, ঠিক আছে। তবে তোরা যদি সকালের দিকে এখানে আসিস, তা হলে খাওয়াটাও জব্বর হবে আর একসঙ্গে স্মৃতিসৌধে বেড়াতে যাওয়াও হবে।

    নাদিম বলল, তা সম্ভব নয়, আমরা বিকেলে ডাইরেক্ট স্মৃতিসৌধে যাব। তোরা ওখানে আসবি।

    মামুন বলল, সম্ভব নয় যখন তখন আর কী করা, তুই যা বললি তাই হবে। চল তোদেরকে বাসে তুলে দিয়ে আসি।

    নাদিম রোজকে তাদের বাড়ির কাছে পৌঁছে দিয়ে ফিরার সময় বলল, মানুষ মাত্রই ভুল করে। আজকের এই দিনে তোমাকে কাঁদানো আমার উচিত হয় নি। সেজন্যে আবার ক্ষমা চাইছি।

    রোজ অশ্রুভরা চোখে কিছু বলতে যাচ্ছে দেখে তাকে থামিয়ে দিয়ে নাদিম বলল, রাতে ফোন করব তখন যা বলার বলো। এবার ঘরে যাও এমনিই দেরি হয়ে গেছে, আর দেরি করা ঠিক হচ্ছে না। তারপর আসি বলে সালাম বিনিময় করে ফিরে আসতে লাগল।

    রোজ চোখের পানি ফেলতে ফেলতে তার দিকে চেয়ে রইল। আড়াল হয়ে যেতে ঘরের দিকে হাঁটতে লাগল। ঘরে যখন ঢুকল তখন মাগরিবের নামাযের প্রায় শেষ সময়। তাড়াতাড়ি অযু করে নামায পড়ল।

    আয়শা খাতুন মেয়েকে ফিরতে দেখেছেন। তখন কিছু না বলে পরে এক সময় মেয়ের রুমে এসে জিজ্ঞেস করলেন, ফিরতে এত দেরি হল কেন? এরকম দেরিতো আগে হত না। মনে হয় সেই ছেলেটার সঙ্গে আজও বেড়াতে গিয়েছিলি?

    রোজ মাকে জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল।

    আয়েশা খাতুন আতঙ্কিত হয়ে বললেন, আমার কথার উত্তর না দিয়ে কাঁদছিস কেন? কী হয়েছে বলবি তো?

    রোজ একইভাবে থেকে বলল, তোমাদের না জানিয়ে একটা কাজ করে ফেলেছি।

    কাজটা কী বলবি তো?

    বকবে না বল।

    তোকে কখনও বকাবকি করেছি? এবার বল কী করেছিস।

    আমরা আজ কাজি অফিসে কাবিন করে বিয়ে করেছি।

    আয়েশা খাতুন কথাটা শুনে ভীষণ রেগে গেলেন। রোজ একমাত্র সন্তান, ছোটবেলা থেকে তাকে কখনও এতটুকু বকাঝকা করেন নি। বড় আদরের মেয়ে। তাই বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে রাগ সামলে নিয়ে বললেন, আমাকে ছেড়ে দিয়ে বস।

    রোজ মাকে ছেড়ে দিয়ে বসে মুখ নিচু করে চোখের পানি ফেলতে লাগল।

    আয়েশা খাতুন বললেন, তুই এরকম কাজ করবি ভাবতেই পারছি না। আল্লাহ না করুক, ছেলেটা যদি চরিত্রহীন লম্পট হয়, তা হলে কী হবে ভেবে দেখেছিস? তোর বাবা জানলে কী ঘটনা ঘটবে আল্লাহ মালুম। তোর দাদা দাদিই বা কী বলবেন? আর গ্রামের লোকজন ও আত্মীয়-স্বজনরা শুনে কী মনে করবে? এসবের কোনোটাই তুই ভাবলি না?

    রোজ মায়ের দু’পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতেই বলল, একথা তুমি এখন কাউকেই জানাবে না। তা হলে কেউ কিছু বলতে পারবে না। আমার অনার্সের ফাইন্যাল পরীক্ষার পর ও তার মা-বাবাকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে পাঠাবে বলেছে। আর ওর ব্যাপারে তুমি কোনো দুশ্চিন্তা করবে না। ধার্মিক ফ্যামিলির ধার্মিক ছেলে। মাস্টার্স করে ঢাকায় ভালো চাকরি করে। গ্রামের অবস্থাও ভালো। তারপর কেন এখন গোপনে বিয়ে করল বলল।

    আয়েশা খাতুন বললেন, তুই এসব জানলি কী করে? ছেলেটা তোকে বলেছে বুঝি?

    অনেক আগে বলেছিল। বেশ কিছুদিন আগে আমি শাহিনকে ওদের গ্রামে খোঁজ নিতে পাঠিয়েছিলাম। শাহিন ফিরে এসে যা বলল, সেসব ওর কথার সঙ্গে মিলে গেছে। আমার কথা বিশ্বাস না হলে শাহিনকে জিজ্ঞেস করতে পার।

    ছেলেটার পূর্ণ বায়োডাটা তোর কাছে আছে?

    আছে।

    নিয়ে আয়তো দেখি।

    রোজ নিজের আলমারি থেকে এনে মায়ের হাতে দিল।

    আয়েশা খাতুন পড়ে বললেন, এটা আমার কাছে থাক। তারপর বললেন, তোদের বিয়ের কথা শাহিন জানে?

    না।

    তোর বাবা অফিসে চলে যাবার পর ওকে একদিন আসতে বলবি। দেখব ছেলেটা কেমন। তুই পড়, আমি এখন যাই বলে আয়েশা খাতুন চলে গেল।

    রোজ ভেবেছিল, বিয়ের কথা শুনে মা খুব রেগে গিয়ে বকাবকি করবে, তা করল না দেখে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করল।

    .

    বন্ধু মামুনের গেস্টরুমে নাদিম রোজকে জড়িয়ে ধরে অনেক আদর করেছে। তখন রোজ জীবনে প্রথম স্বামীর আলিঙ্গন ও আদরে শুধু ভয়মিশ্রিত আনন্দে কেঁপে কেঁপে উঠেছে। প্রতিদান দেয়ার শত ইচ্ছে হলেও লজ্জায় তা পারেনি। রাতে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়লেও রোজের কিছুতেই ঘুম আসছে না। চোখ বন্ধ করলেই স্বামীর আদর করার কথা মনে পড়তে লাগল। এক সময় হঠাৎ তার মনে হল, আমি তাকে আদরের প্রতিদান দিইনি বলে মনে হয় ফোন করার কথা বললেও রাগ করে করল না? এমন সময় মোবাইল বেজে উঠতে বুকটা ধক করে উঠল। নাম্বার দেখে রিসিভ করে সালাম দিল।

    নাদিম সালামের উত্তর দিয়ে বলল, দেরিতে ফেরার জন্য বাড়িতে কেউ কিছু বলেনি তো?

    রোজ বলল, মা শুধু দেরির কারণ জিজ্ঞেস করেছিল।

    তুমি কী বললে?

    আমি কখনও মিথ্যা বলি না, তাই সত্য কথাই বললাম।

    শুনে মা কিছু বলেন নি?

    তেমন কিছু বলেননি, তবে খুব রেগে গিয়ে অনেকক্ষণ চুপ করে ছিল। আমি কান্নাকাটি করে ম্যানেজ করে নিয়েছি। শেষে বলল, একদিন ছেলেটাকে নিয়ে আসিস দেখব।

    আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে নাদিম বলল, আল্লাহ আমাকে অনেক বড় দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিলেন। তোমাকে পৌঁছে দিয়ে আসার পর থেকে ঐ ব্যাপারটা নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম। শোন, সামনের শুক্রবারে স্মৃতিসৌধে বেড়াতে যাওয়া হবে না। কারণ ওখান থেকে ফিরে আসার পর বাড়ি থেকে বাবা ফোন করেছিলেন, মায়ের শরীর খারাপ। বৃহস্পতিবার অফিস করে বাড়ি যাব। কবে বেড়াতে যাব, বাড়ি থেকে ফিরে এসে জানাব।

    রোজ জিজ্ঞেস করল, মায়ের কী হয়েছে?

    নাদিম বলল, মায়ের অনেক আগে থেকে হার্টের প্রবলেম আছে, সেটা বেড়েছে।

    রোজ বলল, বাড়িতে গিয়ে মা কেমন থাকেন জানাবে। তোমার বন্ধুকে একথা জানিয়েছ?

    হ্যাঁ, জানিয়েছি।

    আমার মা যে তোমাকে দেখতে চেয়েছে তার কী হবে?

    বেশতো যেদিন বেড়াতে যাব, সেদিন সকালে তোমাদের বাড়িতে যাব, তারপর বেড়াতে যাব।

    হ্যাঁ, সেটাই ভালো হবে। তবে শুক্রবার আসবে না, অন্যদিন বেলা ন’টার পর আসবে। কারণ বাবা অফিসে চলে যাবার পর মা তোমাকে নিয়ে যেতে বলেছে।

    নাদিম হেসে উঠে বলল, ঠিক আছে, তাই হবে। তারপর আবার বলল, সেদিন কিন্তু এক ঢিলে দু’পাখি মারব।

    কথাটা বুঝলাম না।

    অনার্স করছ অথচ এই সামান্য কথাটাও বুঝতে পারলে না?

    অনার্স করার সঙ্গে এই কথার কী সম্পর্ক?

    বোকার মতো কথা বলছ কেন?

    ঠিক আছে, আমি না হয় বোকা, তুমি বুদ্ধিমান হলে কথাটা বলার উদ্দেশ্য বলছ না কেন?

    তার মানে তুমিও আমাকে বোকা বলে প্রতিশোধ নিলে? ঠিক আছে বলছি, তোমাদের বাড়িতে গেলে তোমার মা আমাকে দেখবেন। আর আমি তোমাকে শুধু দেখব না, চান্স পেলে আদর করে মনের আশা মেটাব। এবার নিশ্চয় কথাটার উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছে।

    রোজ হেসে উঠে বলল, দুই কোথাকার।

    নাদিম বলল, দুষ্টুমি করলে আনন্দ পাওনি?

    রোজ লজ্জা পেয়ে বলল, যাও, বলব না।

    নাদিম বলল, এখন না বললেও তখন তোমাকেও দুষ্টুমি করাতে বাধ্য করব, কথাটা মনে রেখ।

    রোজ কিছু না বলে অনেকক্ষণ চুপ করে রইল।

    নাদিম বলল, কী হল, কিছু বলছ না কেন?

    রোজ বলল, কী বলব কিছু ভেবে পাচ্ছি না।

    নাদিম বলল, তা হলে এবার রাখি?

    রোজ বলল, এত তাড়াতাড়ি রাখতে চাচ্ছ কেন? আমার সঙ্গে কথা বলতে ভালো লাগছে না বুঝি?

    নাদিম বলল, খুব ভালো লাগছে; কিন্তু তুমি তো কিছু বলছ না। তা ছাড়া ভোরে উঠে অফিস যাবার প্রস্তুতি নিতে হবে ভেবে বলেছি। ঘড়ি দেখলে তুমিও রাখার কথা বলতে।

    রোজ তিনটে বেজেছে দেখে বলল, সত্যি, এখন আমাদের ঘুমান উচিত। তারপর সালাম বিনিময় করে আল্লাহ হাফেজ বলে লাইন কেটে দিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমিও মানুষ – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }