Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প289 Mins Read0
    ⤷

    ঈশা

    এখনও রোদটা তেমন ভয়ংকর হয়ে ওঠেনি। রুদ্ররূপ, চণ্ডভণ্ড প্রকাণ্ড নির্মম। এইভাবে অন্ধ্রের রোদকে ভাবে সে। জানলাগুলো যারা শুধুমাত্র কাচের করেছিল, তারা ভেবেছিল জলজ্যান্ত ভারতবর্ষের এক্কেবারে কোলের ওপর একখণ্ড ফ্রিজ-ঠান্ডা ইয়োরোপ বসিয়ে দেওয়া যায়। ভিন্ন ভূগোল, ভিন্ন ঋতুরঙ্গ, ভিন্ন অভ্যেস ও প্রয়োজনের কথা আদৌ ভাবেনি। দু শতাব্দীর বিলেত-স্বপ্ন দু চোখে মেখে ভেবেছিল এখানে এ.সি থাকবে, কেউ আর দেশটা গরম বলে বুঝতে পারবে না। ভেবেছিল ধুলো ময়লা এখানে হবে না। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকবে, ম্যাজিক আই দিয়ে দেখে নিয়ে দরজা না খুললেই হল। মে জুন মাসের পাওয়ার কাট-এর সময়ে এলে টেরটা পাবে তারা। এক দিকে বিন্ধ্য অন্য দিকে গোদাবরী, মাঝে তপ্ত কটাহ। তবে হ্যাঁ, শীত, যাকে গ্রীষ্মদেশের লোকেরা সবচেয়ে ভালবাসে, সেই শীত এখানে নেই।

    ভারী ভারী পর্দাগুলোকে টেনে টেনে জানলা ছায়, কাচ ছায় ঈশা ঘরে ঘরে ঘুরে ঘুরে। হালকা হলুদের ওপর এক বর্ণচ্ছায় গাঢ় হলুদ মোটিফ বসানো চমৎকার পর্দা সব বিপন্ন হয়ে পড়েছে। কেননা এ তো রৌদ্রশোষক রং নয় একেবারেই। ঘন সবুজ, গাঢ় মেরুন কি খয়েরি ছিল ঠিকঠাক রং। কিন্তু রুচির সঙ্গে প্রয়োজনের প্রায়ই মতে মেলে না। সাত হাজার টাকার পর্দা কিনে শেষ শীতে মুখ আলো করে ফিরেছিল দম্পতি। হালকা চন্দন দেওয়াল। তাতে হলুদ পর্দার আভা সিলিং পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে। কী সুন্দর! এখন রোদের তাপের সঙ্গে নিজের তাপ যোগ করে, ফেরত পাঠাচ্ছে সেই শখের পর্দা।

    জানলা দিয়ে নীচের দিকে তাকিয়ে দেখো, সেখানেও কোনও স্নিগ্ধ সবুজ নেই। মেটে মেটে রং। কাজ হচ্ছে। লরি এসে উজাড় করে দিয়ে যাচ্ছে পাথরকুচি। মিক্সার মেশিন ঘড়ঘড় করে ঘুরছে। থামের খাঁচা তৈরি, এবার ভেতর ভরাট করার পালা। আরও হাউজিং উঠছে, আরও। পরে গাছপালা, ঘাস লাগানো হবে মাটির ন্যাড়া গা ঢাকতে, বাগিচা-বাহার। কিন্তু আপাতত ধূলিবসন পশ্চিম রুদ্রামাপল্লির এই তিন নম্বর তিরুপতি কমপ্লেক্স। জুবিলি হিলস পেরিয়ে আধুনিক সাইবারাবাদের বাড়িগুলো তৈরি হচ্ছে। সেখানে হয়তো পাওয়ার কাট হবে না। এমন একান্ত সাধনায় নির্জন নিঃশব্দ ছিল অনেক দিন এই প্রাচীন শহরিকা, তার খানদানি ইতিহাসের ধ্যানে, পৃথিবী পালটে যাচ্ছে খেয়াল করেনি। গণ বিস্ফোরণে আর যন্ত্রসাধনায় ছিটকে উড়ে খণ্ড খণ্ড হয়ে গেছে ধ্যান। চারমিনারে পুরনোকে অন্তরিন রেখে চকচকে ঝকঝকে করে গড়ে উঠেছে যমজ শহর। কে বলবে এখানেই আছে গোলকোন্ডার গোলালো দুর্গ—বহু প্রাচীন, কে বলবে রয়েছে অত সমাধি মন্দির। ঠিক যেমন কে বলবে তার জীবনে একদিন খড়খড়ি দেওয়া সবুজ জানলা ছিল!

    আরও দেখুন
    নতুন বই
    রেসিপি বই
    বাংলা কৌতুক বই
    গ্রন্থাগার
    অনলাইনে বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    গল্প, কবিতা
    লেখকের বই
    বইয়ের তালিকা
    Library

    আলোছায়ায় ভরা সেই ঘরটা কি মনে পড়ে ঈশা? লম্বাটে, অন্তত ষোলো সতেরো ফুট লম্বা ঘরখানা? সাত-সাতটা জানলা! মেঝেতে ঠাম্মার বিয়ের শীতলপাটি বিছিয়ে শুয়ে শুয়ে কত গল্প করত তারা তিনজন—সে, মা, আর…আর ভাই। খড়খড়ি দিয়ে পথচলতি মানুষের উলটো ছায়া পড়ত সিলিং-বরাবর। ভাই বলত—সিনেমা।

    আস্তে করে গান চালিয়ে দিয়েছে মা ‘তুমি কেমন করে গান করো হে গুণী।’ গানটা মার খুব প্রিয়, নিজেও গুনগুন করে গায়, চুপ-ঘরের আধো-আঁধারে সে ভাবত সুরের আলো গগন ছেয়ে ফেলছে। সুরের হাওয়া গগন বেয়ে চলছে, সে কেমন সুর? কেমন তার গায়ক? ভাবতে ভাবতে কখন ঘুম সব ভাবনা ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। মনে কি পড়ে ঈশা? অন্যরকম দিনকাল সে সব, নয়? খড়খড়িটা একটু তুলে রাস্তার চল-জীবন দেখা সেই! ছাতা মাথায় লোক, ‘চারুলতা’ সিনেমার মতো, বাসন বাজাতে বাজাতে বাসনঅলা, ফুচকাঅলা, পিঠের ওপর অবলীলায় ঝাঁক ঝাঁক বেডকভার নিয়ে একটা লোক যেত! চৌখুপি-চৌখুপি, আবার এই অন্ধ্রর বেডকভারও তাতে থাকত, সে এখন পেছন ফিরে তাকিয়ে চিনতে পারে। অন্যদিকে রাস্তা নয়, হরেন জ্যাঠামশায়দের বাড়ি। খড়খড়ির পটোলচেরা চোখ সেখানে খাঁ-খাঁ দুপুরের উঠোনে তারের ওপর সার সার কাপড় শুকোনো দেখত। কয়েকটা পেঁপে গাছ, তার তলায় পাঁজা করে বাসন ফেলা। শুকনো এঁটো বাসনে কাকের ঝাঁক, দূরে দূরে চড়ুই। একটা বেড়াল ঝাঁপ দিয়ে পড়ল পাঁচিল থেকে বাসনের ওপর, প্রবল বিরক্তি জানিয়ে কাকের দল সরে যাচ্ছে, শুকনো বাসনকে হেলাচ্ছেদ্দায় পেছনে ফেলে হুলো গদাইলশকরি চালে উলটো দিকের নিচু পাঁচিলে অনুপম একটা লাফ দিয়ে উঠল, বিপজ্জনক ভাবে লাফিয়ে পড়ল ওদিকে। কাঁচা নর্দমার নোংরা জলে পড়ল না তো আবার! এক লহমার ভাবনা বিচ্ছিরি ফ্যাঁচফেঁচে, কোঁকানি-কান্না-কাঁদা হুলোর জন্যে, তারপর সারা দুপুর জেগে থাকে রোদ আর ঝিমধরা চরাচর। নিঘুম। শরীরে কেমন জল কাটে, হিউমিডিটি নব্বুই নাকি? জলাক্রান্ত বাতাস কেন অত ঘর্মস্নাবী হবে! তার জলের ভেতরের শীতলতাটি কোথায় গেল? সবই বাষ্প?

    আরও দেখুন
    লেখকের বই
    গল্প, কবিতা
    পিডিএফ
    Library
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইনে বই
    বাংলা বই
    বইয়ের
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

    খসখসে পিচকিরি দিয়ে জল ছেটাত তারা। চমৎকার একটা গন্ধ উঠত। শোঁ করে শ্বাস টেনে গন্ধটা নিতে নিতে জল ছেটানো। মাঝে মাঝেই পিচকিরির অভিমুখ ঠিক করে দিত মা, কেননা জল চলে যাচ্ছে ঊর্ধ্বগতিতে যেখানে ছাদ উপুড় হয়ে পড়েছে বিজলি পাখার ওপর।

    —‘তোরা এবার একটা সর্বনাশ করবি, রবারের চটি পর—’

    —‘পড় পড় ঈশা, প্লিজ একটু পড়ে নে, পরীক্ষার সময়ে ওরকম ঘাড়মোড় ভেঙে পড়লে পাশ হয়তো করে যাবি। কিন্তু ভাল হবে না। শিখবিও না কিছু।’ তার যে পড়তে ভাল্লাগে না, যে মুহূর্তে ধাতু আর অধাতুর লিস্ট মুখস্থ করতে হয়, মৌলিক পদার্থ নিয়ে মাথা ঘামাতে হয়, বলের প্রকারভেদ অনুধাবন করতে হয়, অমনি মনটা কেমন উচাটন হয়ে চলে যায় উড়ে। পেছনে ফেলে রেখে যায় একরাশ বিরক্তি মার জন্য, একরাশ মন খিচখিচ তার নিজের জন্য। উড়ে চলে যায় জজপুকুরের নির্জন বাঁধানো ঘাটে, সেখানে হলুদ ফুল লাল ফুলেরা ইচ্ছেমতো ঝরে গেছে। এমন নয় যে সে উন্মত্ত প্রকৃতিপ্রেমিক, তবু তো প্রকৃতি একটা আবহ তৈরি করে দেয় যা দেয়ালের ওদিকের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। ওই ঘাটের ওপর আড্ডা বসে, সে তিন্নি, দীপু আর আসিফা। গল্প, স্রেফ গপ্পো, তার মধ্যে ভৌতবিজ্ঞান জীববিজ্ঞানের কোনও ছায়া থাকবে না। গণিত, ইতিহাস, ভূগোল সব নিশ্চিহ্ন। কিছু গল্প, কবিতা, গান থাকলেও থাকতে পারে কিন্তু আফি, তিন্নি, দীপুদের সে সব বেশিক্ষণ পছন্দ হবে না। আফির সৎমা, রমুর বাবার মদাভ্যাস, দীপুর ঠাকুমার ঝগড়াটেপনামি… এই সব। মা একদম পছন্দ করে না, এসব আবার কী, এইটুকু মেয়েদের পরচর্চা। মা বোঝে না, যাকে ভুগতে হচ্ছে, তার ভেতরে বাষ্প জমছে, একটা সেফটি ভাল্‌ভ চাই, না হলে সে ফেটে বেরিয়ে যাবে। এ সেইরকম। এরই মধ্যে ইউনিভার্সাল হারুদা লাঠি হাতে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলতে চলতে —‘কী রে মা, ঘাটে বসে বসে কী করছিস?’ অমনি হাসি, চোখ চাওয়া-চাওয়ি, দীপু চমৎকার চোখ মটকাতে পারে… তারপর হঠাৎ উপলব্ধি— ধুত, বেকার সব, ভাল্লাগছে না, একদম ভাল্লাগছে না। ছুটে চলে যেতে ইচ্ছে করছে—‘শোন দীপু, তিন্নি—আমি কাল থেকে আর আসব না।’ কিন্তু এটা বলা যায় না। তাই মিষ্টি হেসে—‘এবার আসি রে দীপু, আফি—মা আবার বকবে।’ আঙুর-গুচ্ছ চুল দুলতে থাকে। সে জানে না, আবছা আন্দাজ করতে পারে এবার কিছুক্ষণ ওদের আড্ডার কেন্দ্র হয়ে থাকবে সে। খামখেয়ালি? গুমুরে? মাটিতে পা পড়ে না! মা বাবা পণ্ডিত! হুঁঃ, অমন পণ্ডিত অনেক দেখা আছে। ছোট ছোট মেয়ে, কিন্তু এমন চক্র চারদিকে ঘুরে যাচ্ছে যে বিষে-বিষে ভর্তি হয়ে থাকে ভেতরটা। মা বলে না—ওদের সঙ্গে মিশো না। বলে—এত কী আড্ডা ঈশ! সময় কাটাবার কত উপায় আছে! বই পড় না, গল্পের বই। গল্পের বইয়ের মানুষদের সঙ্গে ভাব কর, আড্ডা দে।

    আরও দেখুন
    PDF
    গল্প, কবিতা
    ডিজিটাল বই
    রেসিপি বই
    বই ডাউনলোড
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    PDF বই
    বাইশে শ্রাবণ

    মায়ের বকুনি যে শুনছে, সে যে নিতান্ত বাধ্য এটা সে মাকে বুঝতে দিয়েছে। মা আসলে তাকে গভীর, গহন, অনন্ত ভালবাসে, বিশ্বাস করে। সেও কি বাসে না? মা না থাকলে তো বাড়িটা তার কাছে টাওয়ার অব লন্ডন লাগে, যেখানে লেডি জেন গ্রে বন্দিনী ছিলেন! কয়েদখানা একটা! বড় বড় কালো কালো ছায়ারা আস্তে আস্তে গ্রাস করে ফেলতে থাকে সব শূন্য স্পেস, শুষে নিতে থাকে আলো। প্রখর রোদের দুপুরই হোক আর শীতের আমেজি দুপুরই হোক, মা না থাকলে বাড়িটাকে বাড়ি বলে মনে হয় না। ভাই কেমন দূরের পুতুল, খুটখাট হাজার রকমের বল নিয়ে খেলছেই খেলছেই, ঠাম্মা এখন ঘুমবুড়ি। আর কে আছে বাড়িতে! জেঠিমা তো বাপের বাড়িতেই থাকে ঘুরে ঘুরে…। জ্যাঠাও অফিস-ফেরত শ্বশুরবাড়ি গিয়ে অনেক রাতে ফেরে কোনও-কোনও দিন। তারপর বাজনা বাজে ক্যাসেটে। অমল কারুকাজ বাজতে থাকে রাত ভরে। আরও আরও মন কেমন করে তখন, অথচ মা তখন আছে। মা তখন নিজের কাজে মগ্ন, বাবাও। টেবিলের দু দিকে বসে দুজনে। মাঝে মাঝে দুরূহ সব কথাবার্তা বলছে, কথা কাটাকাটিও হল। কিন্তু কাজ। এই কাজকে সে হিংসে করে আবার শ্রদ্ধাও করে। কিন্তু হিংসে আর শ্রদ্ধার মাঝামাঝি দাঁড়িয়ে কাজটা কখনও তার আপন হয় না। ভীষণ একটা নেগেটিভ সংকল্প জাগে মনে, সে করবে না, এ সব করবে না, পারবে না, এই দুরূহ আলোচনা, এই সব পাতার পর পাতা লেখা, মোটা মোটা বই অক্লান্ত উলটে যাওয়া, এদিকে ওদিকে পুরনো পাথরের টুকরো, ভাঙা মূর্তি, হাত দিয়েছ কি বকুনি—‘টেরাকোটা, ওটা টেরাকোটা, পড়লেই ভেঙে যাবে। ঈশা-বুবুন!’ এই জগৎটা তার মায়ের অঙ্গীভূত, তাকে কী করেই বা ভাল না বেসে থাকা যায়। অথচ মাকে সে, তারা পুরো পাচ্ছে না যে! ওই সব সময়ে মায়ের মনে ঈশা নেই, বুবুন নেই, হর্ষবর্ধন, কিংবা রাজা শশাঙ্ক অধিকার করে রেখেছেন সে মন।

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    অনলাইনে বই
    ডিজিটাল বই
    বাংলা সাহিত্য
    গ্রন্থাগার
    গল্প, কবিতা
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাইশে শ্রাবণ
    নতুন বই

    ওই কাজগুলো কোল থেকে নামিয়ে মাঝে মাঝেই তার সঙ্গে, ভাইয়ের সঙ্গে বসে কথা আর গল্পের ফুলঝুরি ঝরায় মা, তার থেকেই তো রাজ্যশ্রী, হর্ষবর্ধন, শশাঙ্ক…সব জানতে পারে তারা। হারমোনিয়াম টেনে গানের পর গান গেয়ে যায় মা, দিদিমা ভাল গাইতে পারেন, মা ততটা নয়। তবে মা স্বভাব গায়ক, যা শোনে, সোজা-সরল করে গেয়ে যায়। সে শ্রোতা, হয়তো নিবিষ্ট তখনকার মতো, কিন্তু মনের খানিকটা, জজপুকুরের পাড়ে বসা মনটা বলে সে এসব পারবে না। পারতে চায় না। এই পড়া এই গান—সবই প্রচুর পরিশ্রমের জিনিস, সে লাল ফুল হলুদ ফুলের মতো বিনা আয়াসে ফুটে থাকার কথা ঝরে যাওয়ার কথা ভাবে। কাদায় পড়ে গেলে অত সুন্দর ফুল পিষ্ট হয়ে যায় ভেবে শিউরে ওঠে একটু। কী তুমি তবে চাও খুকু? কে যেন সারা দিনমান জিজ্ঞেস করতে থাকে। তার কাছে উত্তর থাকত না। আকাশ-বাতাস ভরে চাওয়া বাজে। ঘনিয়ে ওঠে বাদল মেঘে। গাছের ডালে পাতার পাশে পাশে চাওয়ার কুঁড়ি ফোটে। সে শুধু একটা হয়ে ওঠার চাওয়া। কোনও বিশেষ গুণ নয়, সমস্ত অস্তিত্বটা একটা সুগভীর আবেগে টলটল করতে থাকে, হাওয়ায় ভর দিয়ে উধাও… যদি হওয়া যেত! কোথা যে উধাও… উধাও মনটাকে কি অভিনিবেশে টানতেই হবে? এই শুধু ফুটে থাকায়, শুধু হয়ে থাকায় কি কোনও তপ্তি নেই? যা সহজে প্রাপ্য, জল বাতাস আলো হাওয়া… ভালবাসা। এই-ই।

    আরও দেখুন
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    Library
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    গল্প, কবিতা
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    PDF বই
    লেখকের বই

    এখন ঈশা জানে তার চাওয়া একরকম সৃষ্টি-ছাড়া। সমাজ-ছাড়া। কে জানে এখনকার জানাটাও হয়তো ঠিক জানা নয়।

    এরকম মানুষ কি হয়? হয়তো হয় না। সবাইকার জীবনে একটা লক্ষ্য থাকে সে দেখেছে। তার বন্ধুদের উচ্চাকাঙক্ষা? ছোট হলেও আছে। ভাল করে গ্র্যাজুয়েশনটা, তারপর কেউ মাস্টার্স, কেউ কম্প্যুটার, কেউ বা আর কিছু ধরবে। চাকরি করুক না করুক, একটা বিয়ে তো হবেই। বিয়ে চাই-ই চাই। তারই জন্য সবার গোপন, রোমাঞ্চিত প্রতীক্ষা। কেমন হবে? কে হবে? স্থির করে ফেলছে কেউ। কেউ স্থির করে আবার ভেঙেও ফেলেছে। হাই স্কুল থেকেই গল্প কাহিনি শুনছে ঈশা। তার মনের মানুষ বাইরে কোথাও নেই তো! কিন্তু আছে, ছিল। গোপন মনে স্বপনলোকে। আজকের দিনের মেয়ে হয়েও যে সে বিয়ে ও তারপর রোমাঞ্চময় দাম্পত্য ও চমৎকার স্বাদু গাৰ্হস্থ্যের আবছা-স্বপ্নে বুঁদ হয়ে থাকল— এর কী মানে? এটা কি স্বাভাবিক? সে কি তার ঠাকুমা-দিদিমার চেতনা নিয়ে জন্ম নিল! এ কি একটা প্রতিক্রিয়া? মেয়েদের বহির্গমন ও তার দরুন চাপ ও প্রতিযোগিতার বিরুদ্ধে মানবীমনের একটা শান্ত বিদ্রোহ? নাকি প্রতিক্রিয়াটা অন্য কিছুর? তার মায়ের তো গার্হস্থ্যে অভিনিবেশ ছিল না তত! নিজের কাজটা মা বড্ড ভালবাসত। সময় ও মনোযোগ দাবি করত কাজটা। সেটারই ছিল অগ্রাধিকার। মা একটু হারানো-ছড়ানো টাইপও ছিল। মাসির কাছে এ নিয়ে কত বকুনি খেয়েছে মা। ‘যেখানে দেখো পাঁজা পাঁজা বই। কী রে! একটু গুছোতেও পারিস না?’ হতাশ হয়ে অপ্রতিভ হেসে মা বলত ‘তুই-ই দেখিয়ে দে। কোথায় রাখব। সব ভর্তি। যত আলমারি, যত তাক সব ভর্তি, এবার টেবিলে স্তূপ হবে না তো কী! —ওর বিছানা দেখ, চারপাশে বই নিয়ে ঘুমোয়, আমারটা তো তবু ফ্রি। এসেই যাচ্ছে, এসেই যাচ্ছে, জার্নাল, প্যামফ্লেট, বই। রাখতে তো হবে?’

    আরও দেখুন
    অনলাইনে বই
    রেসিপি বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ডিজিটাল বই
    বাংলা বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    Library
    Books
    বই ডাউনলোড

    ঠাম্মা? বড্ড গোঁড়া। খুব বাঁধা-ধরা পথে চলতে চায়। তাদের হয়তো ইচ্ছে হল— রাতে নুড্‌লস্ খাবে। ঠাম্মা বলবেন— ‘রাতে লুচি না রুটি না ভাত না, খাবি ওই চিনে কেন্নো! দুর!’ ব্যস হয়ে গেল। মা একবার দুর্বলভাবে বলল— ওটাতেও তো আটাই আছে মা। স্টেপ্‌ল ঠিকই যাবে। ক্ষতি কী! চাইছে!

    —তা হলে আমি সরে যাচ্ছি। তোমরা যা হয় করো।

    এই অভিমানের সামনে মা খুব সহজেই আত্মসমর্পণ করত। কে জানে হয়তো তাই-ই তার সুন্দর বিন্যাস, বিলাস, শৌখিনতার ওপর এত আকর্ষণ! সে তার বাড়ি এই ভাবে সাজাবে, ওই ভাবে। আর এই বিস্তৃত স্বপ্নের মাঝখান দিয়ে চলাচল করত একটা আবছা মূর্তি। তার মুখ পুরো বোঝা যায় না। অথচ নিরবয়বও তো নয় সে। তার আকৃতি কেমন! পেটা স্বাস্থ্য? লম্বা-চওড়া? না দেবকুমারের মতো সুন্দর! জানে না ঈশা। তার রোম্যান্টিক মন সব কিছুকে নির্দিষ্ট করে দিতে চায় না। চায়নি। শুধু ভালবেসো। গভীর ভালবেসো। আমাকে, একমাত্র আমাকে।

    ‘সাতনরি হার দেবো ফুলের বাহার দেবো

    আরও দেখুন
    লাইব্রেরি
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা অডিওবুক
    বইয়ের
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বইয়ের তালিকা
    কৌতুক সংগ্রহ

    রুপোর হাঁসুলি যদি চাও …’ একটা গান আছে না?

    তেমনই— দুধসাদা শয্যা দেব অমৃতস্বাদ খাদ্য দেব

    নিতুই নতুন যদি চাও…

    ঘর ভরা সাজ দেব বুক ভরা লাজ দেব

    রাগ দেব ঝাল দেব মান-অভিমান দেব তা-ও।

    পর্দা টানা আধো-অন্ধকার ঘরে লম্বা আয়নায় নিজের আবছা প্রতিবিম্বর দিকে নিষ্পলক তাকিয়ে থাকে ঈশা। ও কে? কে ও বিষাদ প্রতিমা? ওকে তো সে চেনে না?

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখারাপ ছেলে – বাণী বসু
    Next Article অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    যখন চাঁদ এবং – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }