Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প289 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    খনামিহিরের ঢিপির দিকে

    খাতাটা মুড়ে দীর্ঘ একটা নিশ্বাস ফেলে উঠে দাঁড়াল রঞ্জাবতী।

    —কখন এত সব ভাবলেন, লিখলেন ভাই!

    নিবারণ অন্য লোকদের মতো নয়। শহরের পরিশীলিত কায়দাদুরস্ত জ্ঞানীগুণী লোক দেখলে হাত কচলায় না। চোখ নিচু করে বিনয়ে গলে যায় না। খুব শান্ত। দৃঢ় অথচ নম্র ব্যক্তিত্বের ছেলেটি।

    —এই সব দেখি দিদি, সাজাই গোছাই, রেফারেন্স বই পড়ি, ভাবি। সমস্ত ইতিহাসটা কেমন ঘুমের মধ্যে, দিবাস্বপ্নের মধ্যে দেখি। দেখি যেন সত্যি-সত্যি ঘটছে। কিছু মনে করবেন না— যেই আপনি এসে দাঁড়ালেন, আমার মনে হল এ মুখ যেন আমি কোথায় দেখেছি।

    —জার্নালে-টার্নালে দেখে থাকতে পারেন। রঞ্জা বলল। কাগজে-টাগজেও… অনেক সময় বড় কনফারেন্স বা হিস্ট্রি কংগ্রেসের ছবি তো বেরোয়।

    —হতে পারে দিদি… যেন সায় দিয়ে নিবারণ বলল… ইতস্তত করে বলল, জানি না আমার মনে হল এ মুখ অনেক অতীতকালের জল ঠেলে ঠেলে আমাকে ধাক্কা দিচ্ছে, ধাক্কা দিচ্ছে। বলছে দেখো, যা সত্যি তা সত্যিই। স্বপ্নে সত্যের প্রতিভাস ফোটে। এই তোমার রঞ্জা। বিবর্তিত হতে হতে হতে হতে আজ উলটে পালটে কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে।

    রঞ্জা চমকে উঠল। সামনে কোনও অতীতদর্শী কবির চোখ। কবি মুহূর্তের মধ্যে দেখতে পায় লক্ষ লক্ষ বছরের সার। নিংড়ে বার করে দিতে পারে তার নির্যাস সামান্য ক’টি শব্দ চতুর্দিকে। মানুষ, প্রকৃতিতে, অতীত বস্তুতে, বর্তমান বস্তুতে মিল দেখে। কবি কিনা জাতিস্মর!

    বলল—দেখুন দিদি। এই ফলকটা— পুরুষটি নারীটিকে চাইছে, ওপরে একটা ফাঁসের মতো দড়ি। কেন? —শাস্তির ভয় দেখিয়ে মিলনে বাধ্য করছে ওকে পুরুষটি। কতকাল আগে। এটা দেখেই আমার রঙ্কার হাত-পা-গলার দড়ির কথা মনে আসে। আর ইতিহাস তো বলছেই, তার প্রজনন ক্ষমতার জোরে আদি সভ্যতায় নারীই ছিল নেত্রী, পরিচালিকা। নারী-পুরুষের মিলনে তখন কোনও নিয়ম তৈরি হয়নি, কোনও প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। যে যাকে যখন চাইত অপর পক্ষ রাজি হলে অসুবিধে হত না। জোরজুলুম কি আর ছিল না। কিন্তু সে-ও বিলাস, লীলা! দিদি আপনি কিছু মনে করছেন না তো?

    আরও দেখুন
    গল্প, কবিতা
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    অনলাইন বুকস্টোর
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    PDF
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    PDF বই

    রঞ্জা হাসল, হাসিতে মুখটা একটু লাল হয়ে থাকবে। বলল—সত্য নিয়ে, সত্যের সন্ধান নিয়ে আমাদের কারবার, এগুলো সব তথ্য নিবারণ। মনে করার কী আছে?

    আর দেখুন, এই যে নারী-পুরুষের বিবাদের একটা ট্যাবলেট। কী চিরন্তন দৃশ্য। প্রতিদিন, প্রতিক্ষণে, প্রতি জায়গায় ঘটছে। দেখুন যেন নারী-পুরুষই নয় শুধু, যেন দুটো বিবাদী শক্তি, দুজনেই জিততে চাইছে। তাদের মধ্যে মিল সামান্যই। অমিল গভীর। দুজনের চাওয়া পরস্পরের পরিপূরক নয়। নারীকে মেরেধরে বেঁধে কঠিন শাস্তি দিয়ে তবে তাকে বাধ্য করা হচ্ছে পুরুষের কথায় সায় দিতে।

    রঞ্জা হাসি হাসি মুখে বলল—এই ফলকটা যা বলছে তার থেকেও অনেক বেশি আপনি দেখতে পাচ্ছেন মনে হচ্ছে।

    একটু অপ্রতিভ হল নিবারণ, তারপর হার-না-মানা গলায় বলল, এটা প্রতীকী। দেখুন দিদি নারী-পুরুষের মিলনের কত অজস্র ছবি আমরা পাই, পাথরে পাথরে উৎকীর্ণ রয়েছে। কোনার্ক, খাজুরাহো। দেখি বীরপুরুষের মূর্তি, বীরাঙ্গনা নারীর মূর্তি গ্রিক রোম্যান আর্টে। আমাদের চেনা অভিজ্ঞতা বলেই তো আঁকেন, গড়েন শিল্পী। কিন্তু এই যে বিরোধ, যা সত্য, ফ্যাক্ট, যা আজকের আপনাদের এই ফেমিনিস্ট জাগরণের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসছে। একে শিল্পীরা কেন উপেক্ষা করলেন? মিলন মুহূর্তের দিদি, বিরোধ চিরদিনের, প্রতিদিনের…

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    লেখকের বই
    ডিকশনারি
    লাইব্রেরি
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাইশে শ্রাবণ
    বই পড়ুন
    বই ডাউনলোড

    নিজের আবেগে নিজেই অপ্রতিভ হয়ে থেমে গেল নিবারণ। রঞ্জা চোখে কৌতুক নিয়ে বলল, এখন বুঝতে পারছি আপনি বিয়ে করেননি কেন?

    সে হাসল, বলল— ঠিক জায়গায় আপনার হাত পড়েছে দিদি। এই বিরোধ আমি দেখেছি আমার বাবা-মার মধ্যে। দুজনেই খুব তেজি। দুজনেরই নিজস্ব মতামত খুব জোরালো ছিল। সামান্য একটা উদাহরণ দিচ্ছি। বাবা চাইতেন আমি শহরে যাই, ইঞ্জিনিয়ার হই, মা বলতেন— ও তো পুতুল গড়ে, দেখো না ও আকাশ মাটি জল কীরকম ভালবাসে? ওকে যন্তরের হাতে দেবে? খবরদার না! ও শিল্পী। সে প্রায় হাতাহাতি অবস্থা। বাবার মত তো আমি মানলামই না, মায়েরটাও না —আমি গড়ি না, দেখি বা পুনর্গঠন করবার চেষ্টা করি। ভাল আছি। ভালই আছি।

    রঞ্জা অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিল নিবারণের দিকে। এখন তার মনে হল ছেলেটি একটা সত্যকে স্পর্শ করেছে। সত্যিই যেই মেয়েরা পুরুষদের মতো শিক্ষিত, সংস্কৃত, কর্মী হচ্ছে অমনি প্রতিযোগিতার ব্যাপারটা স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হচ্ছে। এত ডিভোর্স, এত কামড়াকামড়ি, চাকরির জায়গায় মেয়েদের এত অপমান, র‍্যাগিং যাকে বলে— সত্য তো! পুরুষে পুরুষে বা নারীতে নারীতেও প্রতিযোগিতা আছে, কিন্তু তা বোধহয় এমন ভয়ংকর নয়। এটার চরিত্র আলাদা। এখানে একটা লিঙ্গগত বিরোধের মানসিকতা কাজ করছে।

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    স্বাস্থ্য টিপস
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ই-বুক রিডার
    PDF বই
    Library
    বইয়ের তালিকা
    বই

    —যাই হোক, রঞ্জা বলল— খনামিহিরের ঢিপিটা আজ ভাল করে দেখব। চন্দ্রকেতুতে আমার আগ্রহ আছে। কিন্তু কেন্দ্র ওই খনামিহিরের টিপি।

    —খনার উত্তরাধিকারিণী তো আপনি, তাই! রঙ্কা থেকে খনা… একটু লজ্জা-লজ্জা মুখে সে বলল।

    —যা বলেন— রঞ্জা হাসল— স্থানীয় লোকেরা ওটাকে ‘দমদমা’ বলে কেন ভাই?

    —আর বলবেন না। অজন্তার গুহায় যেমন লোকে রান্না করে খেত। আগুনের কালি বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে ছবির, সেই একই বৃত্তান্ত। কোনও একসময়ে টিপিটাকে চাঁদমারি বলে ব্যবহার করত ইংরেজ সৈন্যরা। বন্দুক ছুড়লে আওয়াজ হত দমদম। তার থেকে দমদমা।

    খনাকে নিয়ে অনেক কাহিনি প্রচলিত আছে। অনেকে বলেন খনা সিংহল-কন্যা। সিংহলের রাজার মেয়ে। সিংহলের সঙ্গে ভারতের সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের ইতিহাসের কথা ভেবে দেখলে সিংহল-কন্যার ভারতের বধূ হওয়ার কাহিনি এমন কিছু অবিশ্বাস্য নয়। নামটাও যেন কেমন। খনন-এর খন্ ধাতু থেকে কি?

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ডিজিটাল বই
    বাইশে শ্রাবণ
    স্বাস্থ্য টিপস
    ডিকশনারি

    —বারবারই সব বলছে ‘খনা’ মানে জ্ঞানী। খনার বচন মানে জ্ঞানীর বচন। রঞ্জা নিবারণকে জিজ্ঞেস করল।

    নিবারণ বলল— হরিচরণ বন্দ্যো তো বলছেন তিব্বতি রুট থেকে এসেছে শব্দটা, তিব্বতি রুট ম্‌খন, উচ্চারণ খন।

    ব্যাখ্যাটা পছন্দ হল না রঞ্জার। হঠাৎ দুম করে তিব্বতি রুট এসে গেল কোথা থেকে? আশ্চর্য তো! খনা শব্দটা কিন্তু ভীষণ দেশি শব্দের মতো শোনায়। তৎসম নামগুলোর একটা পরিষ্কার মানে থাকে, কিন্তু দেশি নাম, আদর করে দেওয়া নামের কি সব সময়ে মানে থাকে? টুকি, টুকু, বুবু, বুবাই, মনা, রুনা, —এসব নামের কি মনে আছে? খনা বাংলাতেই বা বচন তৈরি করলেন কেন? তবে কি তিনি বাংলার বউমা! এখানে এসে বাংলা শিখে গিয়েছিলেন মাতৃভাষার মতো? নাকি তিনি বাংলারই মেয়ে!

    যদি বর্ষে ফাল্গুনে

    শস্য হয় দ্বিগুণে॥

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    নতুন বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    Books
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    যদি বর্ষে মাঘের শেষ

    ধন্য রাজার পুণ্য দেশ॥

    নিত্যি নিত্যি ফল খাও

    বদ্যি বাড়ি না যাও॥

    পটোল বুনলে ফাল্গুনে

    ফল বাড়ে দ্বিগুণে॥

    আশ্চর্য, এত বচন! এবং যুগের পর যুগ বাংলার কৃষকরা এগুলো মেনে ফল পেয়েছেন, কিন্তু সারা বাংলায় আর কোথাও খনার ভিটের কথা শোনা যায় না, একমাত্র উত্তর চব্বিশ পরগনার এই দেউলিয়া বা বেড়াচাঁপায় এই ঢিপিটি। একে খনন করে আশুতোষ মিউজিয়াম অনেক মূল্যবান আবিষ্কার করেছেন। কোথাও কোনও বিভ্রান্তি নেই। খনা তুমি এই বেড়াচাঁপা, উত্তর ২৪ পরগনারই। এই-ই তোমার আসল ভিটে।

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বুক শেল্ফ
    ই-বই পড়ুন
    বইয়ের তালিকা
    অনলাইনে বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বইয়ের
    রেসিপি বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল

    খনামিহিরের ঢিপির মধ্যে বিখ্যাত মন্দিরটি দেখে স্পষ্ট নালন্দার আর্কিটেকচার মনে পড়ে যায়। ওইরকম পাতলা পাতলা, পালিশ করা ইট। গুপ্ত যুগের সঙ্গে সম্পর্ক পাওয়া যাচ্ছে। তবে কি সত্যিই এই বাংলার দেউলিয়া গ্রাম থেকে এক গ্রামপণ্ডিত, তাঁর পুত্র ও পুত্রবধূ সুদূর উজ্জয়িনীতে বিক্রমাদিত্যর সভায় যাতায়াত করতেন? অসম্ভব কী! আজকের এম এল এ-রা যেমন পার্লামেন্টের অধিবেশন চলার সময়ে দিল্লিতে আসেন! বরাহ ও তৎপুত্র মিহিরের স্থায়ী বা অস্থায়ী বাসস্থান নিশ্চয় ছিল উজ্জয়িনীতে। রাজার নবরত্ন সভার সদস্য বলে কথা! খনার পাণ্ডিত্যের কথাও রাজা জানতেন। একবার সভায় একটি দুরূহ গণিতের প্রশ্ন করে বসেন, বরাহ পারেন না। মিহির পারেন না। খনাকে ডেকে পাঠানো হয়, তিনি পারেন। কিন্তু শ্বশুর ও স্বামীর এই অপমানে লজ্জিত খনা নাকি নিজের জিব কেটে ফেলেছিলেন। কেটে ফেলেছিলেন, না কেটে ফেলা হয়েছিল, বরাহ অথবা মিহির অথবা উভয়ের আদেশে! দুটোই সম্ভব। শ্বশুর-স্বামী তো পারেনই। বউমারাও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য বহু দুরূহ আত্মত্যাগ করে এসেছেন যুগে যুগে।

    —দিদি, কিছু ভাবছেন?

    —আমি ভাবছিলুম খনা নির্ঘাত নারী।

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    Books
    বুক শেল্ফ

    আশ্চর্য হয়ে নিবারণ বলল— নারীই তো! কেউ তো বলেনি তিনি পুরুষ। খনা, লীলাবতী —উভয়কে তো আমরা প্রাতঃস্মরণীয় বিদুষী বলেই জানি।

    রঞ্জা বলল— না, আসলে প্রাচীন কথার একটা সত্য ভিত্তি থাকেই, কিন্তু অনেকে বলেন না, ডাকের বচন! —অসংলগ্ন রঞ্জার কথা। কিন্তু তার মধ্যে থেকে তার দ্বিধা বেরিয়ে এল।

    —না, না খনার নারীত্ব নিয়ে খোঁড়াখুঁড়ি করবেন না দিদি।

    কার্তিকের উন জলে।

    দুনো ধান খনা বলে॥

    উঠোন ভরা লাউ শশা।

    খনা বলে লক্ষ্মীর দশা॥

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বই
    বাইশে শ্রাবণ
    অনলাইনে বই
    নতুন বই
    বইয়ের
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    লেখকের বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

    —এসব একেবারে মেয়েলি ভাষা। মেয়েদের বলা ছড়ার মতন।

    মন্দিরের অদ্ভুত গহ্বরটি দেখে আস্তে আস্তে ফিরতে থাকে রঞ্জা। গভীরতা ২৩ ফুট ৬ ইঞ্চি। ৩৭টি ধাপ তির্যকভাবে কমতে কমতে পৌঁছেছে ভিত্তিভূমি পর্যন্ত। আশ্চর্য সুন্দর। সম্ভবত কুয়োর মতো এই গহ্বরটি মূল স্তম্ভটির আধার। এই ধরনের গঠন মহাস্থান, ময়নামতী, পাহাড়পুরের মন্দিরেও আছে। আর কিছুর সঙ্গে যদি মিল পায় তার গবেষকরা। আজ ওদের কেউই সঙ্গে নেই। লেখালেখির কাজ করছে লাইব্রেরিতে।

    আজ নিবারণের বাড়িতেই থাকতে হবে। ধূলিধূসরিত রঞ্জা পথ চলে। ক্লান্তিতে অবসন্ন। উৎখনন দর্শন করে এমন অবসন্ন হয়েই তো ফেরবার কথা। কিন্তু তার অবসাদের কারণ কিছু জটিল।

    কাল সন্ধেয় বাড়ি ফিরে সে একটি উত্তেজিত ফোন পায়। নিশীথ। ভদ্রতার মুখোশ খুলে, আদিমানব বেরিয়ে পড়েছে— আর নয়, আর নয়, আর চলছে না!

    —কী চলছে না নিশীথ!

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    অনলাইন বুকস্টোর
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    Library
    রেসিপি বই
    বইয়ের
    লাইব্রেরি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বইয়ের

    —আপনার মেয়েকে নিয়ে আর চলছে না!

    —কেন বলো তো!

    —ও কিছু করে না। করতে চায় না।

    —মানে? তুমি তো জানতে ও চাকরি করবে না, তা ছাড়া তোমার কি টাকার খুব অভাব?

    —চাকরি তো নয়ই, বাড়িতেও কিছু করে না।

    —তা হলে তোমার সংসারটা চলছে কী করে? খেতে পাচ্ছ না? না জামা-কাপড় ঠিকঠাক পাচ্ছ না, জুতো পরিয়ে দিচ্ছে না? টাই! তা-ও না। শায়রী তো শুনছি ক্লাসে র‍্যাংক রাখছে।

    —ওহ শিট, ওসব কিছুই নয়। একটা আত্মীয়-বন্ধুর বাড়িতে ও যাবে না। বাড়িতে এনটারটেইনও করবে না।

    আরও দেখুন
    Library
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    লেখকের বই
    PDF বই
    বইয়ের তালিকা
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    রেসিপি বই
    কৌতুক সংগ্রহ

    —কেন? ওকে দাও তো!

    —হ্যাঁ মা, বলো। কোনওক্রমে সুদূর থেকে, অশ্রুনদীর মধ্য থেকে বলে উঠল ঈশা। তুই কোথাও যাস না? কারও সঙ্গে মিশিস না? কাউকে বাড়িতে ডাকিস না?

    —যাই তো মা! প্রতি সপ্তাহে একই বাড়িতে গিয়ে একই সঙ্গ একই কথা আমার ভাল লাগে না মা। নিজেদের মধ্যে কি সময় কাটানো যায় না? বাবা, মা, মেয়ে! আমরা কাটাতুম না? বাইরে কোথাও বেড়াতে যাওয়া যায় না! আমার ভাল লাগে না, ভাল লাগে না…!

    —নিশীথ, কথাটা তো ও ঠিকই বলেছে। নিজের পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে ভাল লাগে না তোমার? স্পিকারটা চালু করে দিয়েছে রঞ্জা।

    গর্জন করে ওঠে নিশীথ—না, ভাল লাগে না। ক্যান শি টক! কী কথা আমি বলব ওর সঙ্গে?

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    গ্রন্থাগার
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য
    বই পড়ুন
    লাইব্রেরি
    গল্প, কবিতা

    —কী কথা তুমি ওর থেকে প্রত্যাশা করো জানি না। তোমার সাইবার ওয়র্ল্ড-এর কথা তো ও বলতে পারবে না— একটা কম্প্রোমাইজে এসো।

    —সেটা তো আমি একাই করে যাচ্ছি। আর চলে না। আমার কলিগ বারোজনকে বাড়িতে ডাকা জরুরি— শি ইজ আনউইলিং।

    —বারোজন? কাপ্‌ল নাকি? তার মানে চব্বিশজন? মাই গড নিশীথ! ইটস অ্যান ইমপসিব্‌ল প্রপোজিশন!

    —আমার মা তো করতেন!

    —তিনি হয়তো পারতেন। তাঁর ইনফ্রাস্ট্রাকচারও ছিল। তোমার বউ পারে না… অত বাসনই কি আছে তোমার ওখানে?

    ঈশার গলা ভেসে এল— দেখো না মা আমি বলছি হয়, তিনটে করে কাপ্‌ল বলো— আমার সে বাসন আছে। আর নয় কেটারার বলে দাও, জেদ ধরেছে, যা বলছে তা-ই করতে হবে। আমি পারব না। আমার ভীষণ শরীর ক্লান্ত লাগে, শায়রীর পরীক্ষা, সাঁতার নাচের ক্লাস। বড্ড খাটুনি মা একটুও বিবেচনা…

    নিশীথ আবার গর্জে উঠল— ঠিক আছে। তুমি পারবে না এবং আমার স্ত্রী হতে হলে পারতে হবে। উই আর ডিফরেন্ট। লেট্‌স পার্ট।

    —নিশীথ শোনো নিশীথ— সে গলা তুলল— স্ত্রীর সঙ্গে এ ভাবে কথা বলবে না। আই কমান্ড।

    —কে আপনার কমান্ড শুনছে! আমি ডিক্টেটেড হই না।

    —অর্থাৎ ডিক্টেট করো। ভাল। পাঠিয়ে দাও। ওদের পাঠিয়ে দাও আমার কাছে।

    তুমুল একটা গর্জন, কান্না, ভেসে এল। তারপর টেলিফোন যন্ত্রটা নীরব হয়ে গেল। কিছুতেই আর লাগাতে পারল না রঞ্জা। বোধহয় নামিয়ে রেখেছে। বহুবার চেষ্টা করেও পারেনি। সুইচ অফ্‌ করে রেখেছে, তা-ও হতে পারে। হাতে কড়া, পায়ে কড়া, গলায় গোরুর দড়ি। রঞ্জা সারারাত ধরে এপাশ ওপাশ করছে, রেগে অধীর হয়ে যাচ্ছে, রাগ গলে বেরিয়ে আসছে লাভাস্রোতের মতো। গাল পুড়ে যায়। হৃদয় পুড়ে যায়।

    সুবীর বলল— ফট করে তুমি বললে কেন, আমার কাছে পাঠিয়ে দাও। চিরকালের গোঁয়ার। রাগি তুমি। রাগলে আর কাণ্ডজ্ঞান থাকে না!

    —ও যে বলল আর চলে না, লেট্‌স পার্ট— তার পরেও? আত্মসম্মান নেই একটা?

    —আত্মসম্মান? ওই এক হয়েছে তোমাদের এই আজকালকার মেয়েদের। আত্মমর্যাদা! কেন, আমাদের বাবা-মা, ঠাকুরদা-ঠাকুমাদের মধ্যে ঝগড়া হত না? তাতে সব পার্ট করে যেত!

    —বাপের বাড়ি চলে যেতেন ওঁরা সুবীর। দু মাস তিন মাস… তারপর কর্তা হাতে পায়ে সেধে নিয়ে আসতেন!

    —হ্যাঁ, আবার আরেকটা বিয়েও করে নিতেন…

    —ঠিকই, ঠাকুমা, দিদিমারা আবার সেটা করতে পারতেন না। স্যাড।

    —কী বলতে চাইছ?

    —কী আবার বলতে চাইব? সমাজ তাঁদের যে স্যাংশন দেয়নি, পুরুষদের তাই দশ গুণ করে দিয়ে রেখেছিল। শোনো, তুমি ঠাকুমা-দিদিমাদের কালের কথা প্লিজ তুলবে না। আমার মাথায় আগুন জ্বলে যায়, অন দেয়ার বিহাফ!

    —মাথায় আগুন জ্বললে চলবে না হে, ডেজ আর ক্রিটিক্যাল! ওই পার্ট-এর মানে কী জানো? আমরা চলে যাওয়ার পর অকূল সমুদ্র। নো সিকিওরিটি। ডিভোর্সি জানলে খ্যাপা কুকুরের দল…

    —যাক, রঞ্জার মুখ তিক্ত হাসিতে ভরে গিয়েছিল, —এতক্ষণে কথাটা স্বীকার করলে, খ্যাপা কুকুর। দা রাইট ডেসক্রিপশন…

    তার টাকার জোর আছে বলে সে টেলিফোনটাকে মূক পর্যন্ত করে দিতে পারে? এ কেমন মানুষ?

    পরদিন ভোরবেলায় উঠে সে আবার চেষ্টা করল মোবাইলে। বেজে বেজে থেমে গেল। যাক বাজছে তা হলে। তারপরেই মনে হল— ভোর ছটার সময়ে কী করে ফোন ধরবে ঈশা! হয়তো কাল রাত একটায় শুয়েছে, কিংবা দুটোয়। এখুনি সাতটার সময়ে পড়িমরি করে উঠে পড়তে হবে। স্বামীর ব্রেকফাস্ট, মেয়ের স্কুল…।

    সকালে তার লাল চোখ আর কাঁধের গুছোনো ব্যাগের দিকে তাকিয়ে নিবারণ বলল— এখুনি রেডি? আমি ভেবেছিলাম আজ আপনাকে কিছু প্লেট দেখাব। আসলগুলো আশুতোষ মিউজিয়ামে চলে গেছে।

    —না ভাই, আমি বাড়ি যাচ্ছি, খুব দরকার!

    একটু থতমত খেয়ে গেল নিবারণ, কিছু বলল না।

    ধুলো উড়ছে। অকূল অনন্তকালের ধূলিবারিধি থেকে ধোঁয়ার মতো ধুলো উড়ছে। চোখ মুখ, শাড়ি সব ধূলিগ্রস্ত করে দিচ্ছে। নিজের শাড়ির ভাঁজের ধুলোর দিকে চেয়ে সে ভাবল— এইটাই আসল চেহারা আমার হে কালের ঈশ্বর, যতই অতীত খুঁড়ি, এক কণা আলো যদি বেরোয়, তার একশো গুণ ধুলোয় ভরে যায় সব। ধুলোই জীবন। ধুলোই সত্য। অথচ আমরা ভাবি, যখন জীবন আরম্ভ করি বাবা-মার স্নেহাশ্রয়ে, কিংবা স্বামীর শয্যায়, নিজের রসুইঘরে… আমরা ভাবি জীবন কত সরল। আনন্দ কী সহজপ্রাপ্য। জীবনটা একটা ‘সব পেয়েছির দেশ’ হয়ে উঠতেই পারে যদি আমি চাই। ঠিক ভাবে চাই। ঠিক ভাবে সব করতে পারি। তা ঠিকঠাকই তো সব করলুম। কিন্তু বাইরের শক্তি আছে যে। যার ওপর আমার কোনও হাত নেই! আছে সমাজ, আছে প্রবল জনসংখ্যার আধিপত্য, আছে রাজনীতির জটিলকুটিল ফাঁদ। আছে পরিস্থিতি। আর… আর… আর আছে বিচিত্র মানুষ। খুব নিজের মানুষ বলে যাকে জানি, সে-ও অচেনা-অজানা হয়ে যায়, আমি কিছু ভুল করেছি বলে সব সময়ে নয়। বাইরের কোনও রহস্যময়, ব্যাখ্যার অতীত কারণে অজানা হয়ে যায় জানা মানুষ। তখন জীবনও হয়ে ওঠে এক মহারণ। কার জন্য, কীসের জন্য এ যুদ্ধ তা গুলিয়ে যায়। শুধু কি নিজের ন্যায্য অধিকারের জন্য যুদ্ধ করছি! যেমন পাণ্ডবরা করেছিলেন? শুধু কি ন্যায়, সুবিচারের প্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধ করছি, যেমন কৃষ্ণ করেছিলেন! শুধু কি অবর্ণনীয় বিস্মরণ অসম্ভব অপমানের প্রতিশোধ নিতে যুদ্ধ করছি, যেমন যাজ্ঞসেনী করেছিলেন! জানে না, তখন মানুষ জানে না— তখন শুধু যুদ্ধ। আর যুদ্ধ জয়ই চৈতন্যে সর্বস্ব হয়ে জেগে থাকে।

    দুদিকে ভেড়ি শুরু হল। ভেড়ির আঁশটে জোলো গন্ধ বাতাসে। বিস্তৃত জলাশয়ের মধ্যে কোথাও একটা দুটো সরু মাটির রাস্তা গিয়ে মিশেছে এক একখানা ঘরে। পাহারাদারের ঘর। ভেড়িতে চুরি বন্ধ করা এক অসম্ভব ব্যাপার। তাই ভেড়ির মালিকরাও সব সহজ মানুষ নয়। সবাইকারই লাঠিয়াল অর্থাৎ বন্দুকবাজ আছে, আছে বড় বড় পদস্থ পুলিশ, নীচস্থ পুলিশ ও পলিটিশিয়ান, দাঙ্গাবাজ, হুলিগানদের সঙ্গে সমঝোতার জটিল অঙ্ক। এই যুদ্ধ, নিরন্তর যুদ্ধও মানুষ জীবন ও জীবিকার জন্য বেছে তো নেয়! আর বেছে নেয় বলেই আমাদের পাতে পড়ে দুশো আড়াইশো টাকার অনুপম ভেটকি, ট্যাংরা, কই মাগুর!

    সারা পথ, সারা আকাশ, বাতাস, মহাজগৎ, জীবন ও কাল ছেয়ে এক মহাবিতংস দেখতে পায় সে। বিতংস। জাল, আটাকাঠি, হাতিখ্যাদা। বিশ্বজোড়া এই ফাঁদে পড়ে মানুষ ছটফট করছে, এই ছটফট করাই তা হলে জীবন!

    ঈশা! ঈশা! শক্তি সঞ্চয় করো মা! নিজের মধ্যে মহাউদাসীনতার সাধনা করো, সাধনা করো একনিষ্ঠ হবার কোনও না কোনও দৈনন্দিন-ঊর্ধ্ব বস্তুর সাধনায়। সেই জন্যই অনেক করুণা করে ঈশ্বর মানুষকে ললিতকলা দিয়েছেন, পার্থিব জটিলতার ঊর্ধ্বে এক গান্ধর্ব বিন্যাস! পৌঁছে যাও মা সেখানে! ঈশ্বর করুণা করে মানুষকে সাহিত্যও দিলেন, তুমি অজন্তার মহানির্বাণ তথাগতর সামনে দাঁড়িয়ে যেমন বাক্যহীন, রুদ্ধকণ্ঠ হবে, তেমনই হবে ওয়র অ্যান্ড পিস, তেই, ফাউস্ট, হ্যামলেট এবং সমগ্র রবীন্দ্ররচনার সামনে, বিভূতিরচনার সামনে। স্কলারশিপ, বিজ্ঞান এসবও ঈশ্বর তুলে দিলেন মানুষের হাতে। যদি সেই দুরূহে প্রবেশ করতে ইচ্ছে না-ও হয়— অন্তত সাহিত্যে প্রবিষ্ট হও। জীবনে প্রেম নলিনীদলগত জলমতি তরলম, যে কোনও মুহূর্তে গড়িয়ে পড়ে যায়। সুখ একমাত্র স্বার্থপর বা নির্বোধেরই আয়ত্ত। আর আনন্দ? তা সেই পোর্শিয়া কথিত করুণার মতো। ‘দা কোয়ালিটি অব মার্সি ইজ নট স্ট্রেইন্‌ড’ আকাশ থেকে মানুষ নির্বিশেষে সবার ওপর ঝরে পড়ছে। কিন্তু তাকে পেতে গেলেও এক গভীর আত্মজিজ্ঞাসা ও সাধনার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এক জীবনে কি মানুষ তা পারে? পায়? আমি চেষ্টা করেছি, ঝলক এসেছে, এসেছে যে তা অস্বীকার করব না, কিন্তু তা আবার হারিয়ে গেছে ঘোর তমিস্রায়। আমি যদি তার চাবিকাঠিটি হাতে পেতুম, কি তার ঠিকানাটা জানতুম। আমি তোমার হাতে তুলে দিতুম মা। আমি জানি না। কিন্তু জগজ্জননী জনয়িত্রী নিশ্চয় জানেন, তাঁর কাছে তোমার হৃদয়ের শূন্য মন্দির খুলে ধরো। খোলো খোলো হে আকাশ স্তব্ধ তব নীল যবনিকা।

    সকাল থেকে ঘোর হয়েছিল আকাশ। হঠাৎ মুষলধারে অশ্রু ঝরতে লাগল। কী অঝোর ঝরন। বাপরে! দুদিকে ভেড়ির জল, মাঝখানে আকাশগঙ্গা ভেঙে পড়েছে। সাঁইসাঁই করে চলছে স্কর্পিওর সুইপার! তবু সব ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। ড্রাইভার বিনোদের ভুরু অভিনিবেশে কুঁচকে উঠেছে। আয়নার তার প্রতিফলন দেখতে পায় সে। আবহাওয়া অফিসের আজ বার্তা কী?

    —ঠিক আছে বিনোদ, না থামবে?

    —থামবার উপায় নেই ম্যাডাম। কিছুক্ষণের মধ্যে ভেড়ি আর পথ এক হয়ে যাবে। দিক-দিশা বুঝতে পারব না। সোজা গিয়ে… সামলে নিল বিনোদ, ম্যাডামকে ভয় দেখানো ঠিক নয়। রায়চৌধুরীসাবও যদি থাকতেন! একটা হেলপার নেই, পুরুষমানুষ নেই। হঠাৎ কী ভয়ানক দুর্যোগ! ডিপ্রেশন একটা হচ্ছিল ঠিকই। বিল্ড করছিল। ঠিক এখনই ভাঙতে হবে! ম্যাডামেরও ঠিক এখনই, আজই ফিরতে হবে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখারাপ ছেলে – বাণী বসু
    Next Article অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    যখন চাঁদ এবং – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }