Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প289 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রঙ্কা

    শম, ছন্দ, পুলহ আস্তে আস্তে উঠে দাঁড়াল। ভগ বলল— আকাশ, নদী, বাতাস তোমাদের মঙ্গল করুন।

    বনভূমিতে হেমন্ত এসেছে। কিছু কিছু গাছের পাতা ঝরছে, ঝরে যাচ্ছে, ঝরে গেছে। আবার কিছু কিছু বৃক্ষ পুরনো পাতার সজ্জা নিয়ে গম্ভীর দাঁড়িয়ে আছে। ধন্যা শীর্ণা হয়ে গেছে, বাতাসে ছুরির ধার এবং এবং —অদূরে সোনার মাঠ। —শম ছন্দের দিকে চায়, ছন্দ চায় পুলহর দিকে, পুলহ আবার শমের দিকে। তাদের হাত নিশপিশ করছে। নিজেদের হাতে গড়া সৃষ্টি ডাকছে, আনন্দে আকুল হয়ে ডাকছে। তাদের মনের মধ্যেটা সাড়া দিয়ে উঠছে— যাই, যাই, এই যে যাই সোনালি শস্য, আমরা আসছি। মন, মুখ চেপে ধরে তিনজনে।

    ধোঁয়ার মতো কুয়াশা উঠছে দূর পাহাড়ের ওপর। নীলাভ কুয়াশা। আর একটু রোদ উঠলে সে কুয়াশাকে তাড়া করবে।

    তোমরা তৈরি—? গম্ভীর স্বরে বলল দলপতি।

    মাথা নাড়ে তিনজন।

    —তা হলে বাকিদের নিয়ে এসো।

    লোকগুলি বোকা। যে ছোরা দিয়ে শিকার করে সেইগুলি নিয়ে শস্য কাটতে এসেছে। হাসি এসেছিল, হাসি চাপে শম। —এইগুলিতে হবে না।

    গাছের কোটরে রাখা তাদের পাতলা বাঁকা ছোরা নিয়ে আসে তারা। উপায় নেই, নইলে শস্যগুলি নষ্ট হবে। এক হাতে মুঠো করে ধরা অন্য হাতে শস্য কাটার কায়দা শিখতে এদের কত চাঁদ কত সূর্য কাবার হয়ে যাবে! তারা চোখ চাওয়া-চাওয়ি করে, নিজেদের মনে কেটে যায়। হাত ভরে ওঠে। শুকনো ডাঙায় রাখা শস্য চিকচিক করে রোদের ছটার মতো। সারাদিন হাত চলে। বি-গোষ্ঠীর বোকা লোকগুলি গোছাগুলি পরপর সাজিয়ে রাখে। কাটার কাজ করতে পারে না।

    সারাদিন কাজ চলে, সূর্য মাথায় উঠলে আধ-ঝলসানো হরিণ মাংস পায় ওরা। এইরকম আধপোড়া মাংস খাওয়ার অভ্যাস তাদের কবেই চলে গেছে। মুখ বিকৃত করে শম, অলম্বুষ। অন্যরা মুখ নিচু করে দাঁত দিয়ে টেনে ছিঁড়তে থাকে ছিবড়ে মাংস। দলপতি লক্ষ করে— কী হল? তোমরা যেন ভাল করে খাচ্ছ না!

    আরও দেখুন
    ই-বই পড়ুন
    PDF বই
    বাংলা বই
    গ্রন্থাগার
    গল্প, কবিতা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    Library
    বাংলা ই-বুক রিডার
    লেখকের বই

    —বেশ খাচ্ছি— শম জানায়।

    অর্যা বলে— হ্যাঁ, বেশ তো।

    নিভৃত মধ্যাহ্নে মাংস চিবোবার শব্দ ওঠে। চবৎ, চবৎ, চবৎ। চ্যাৎ, চ্যাৎ। চবৎ চবৎ—

    নিমেষ এখানে নেই। সূর্যকে ধান্য-কাটার দলপতি করে দিয়েছে সে। তার আরও অনেক কাজ আছে। প্রধান কাজ এই ধান্য রাখবার ব্যবস্থা করা। দূরের পাহাড়ে গুহা আছে বটে, কিন্তু তা তেমন ভাল নয়। অনেকটা দূরেও বটে। কেউ কেড়ে নিতে চাইলে রক্ষা করা শক্ত হবে। তারা অবশ্য অশ্বে চড়ে ওখানে তাড়াতাড়ি পৌঁছে যেতে পারে। কয়েকজনকে পাহারা রেখে দিলেও হয়। কিন্তু এরা কী ভাবে রাখত? নিমেষ ও মধুরা ভাবে ভাবে, ভাবতে ভাবতে একদিন বনের মধ্যে প্রবেশ করে, গাছগুলি ঘেঁষাঘেঁষি। এখানে অশ্ব ঢুকবে না। ধান্যভূমির আশপাশে কিছুই চিহ্ন নেই। শস্যগুলি কী ভাবে রাখা হত? জিজ্ঞেস করলে হয়, কিন্তু তাতে লোকগুলির চোখে বিদ্রুপ ঝিলিক দেয়। ধান্যজয় হয়েছে, এবারে রক্ষার ব্যবস্থা তাদেরই করতে হবে।

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা কৌতুক বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    অনলাইন বুকস্টোর
    গল্প, কবিতা
    বইয়ের
    বুক শেল্ফ
    বই ডাউনলোড

    ক্রমশ আরও গহন হচ্ছে জঙ্গল। বড় বড় গাছের শাখাপ্রশাখা পত্রজালের মধ্য দিয়ে সূর্যকিরণ বৃষ্টির মতো ঝিরঝির করে ঢুকছে। পায়ের কাছে ঝোপঝাড়। সাপ চলে গেল এঁকেবেঁকে। কে জানে সাপটি নিমেষকে চেনে কি না। একবার ফণা তুলে যেন দেখে নিল, তারপর চলে গেল। সাপ সহসা আক্রমণ করে না, করে ভালুক, ভয় পেয়ে, বরাহও অতি রাগি এবং জেদি জন্তু। সিংহ কখন লাফিয়ে পড়বে, তিরের মতো ধেয়ে আসবে তুমি বুঝতে পারবে না। এই হয়তো দেখলে সিংহীটি শাবক নিয়ে শুয়ে রয়েছে, তোমাকে দেখে বেড়ালের মতো চোখ মিটমিট করল, তুমি পাশ দিয়ে চলে গেলে, তার ভ্রূক্ষেপ নেই। আবার অন্য সময়ে হঠাৎ পিছন থেকে নিঃশব্দে ছুটে এসে তোমার ঘাড় কামড়ে ধরল। আসলে সিংহ খিদে না পেলে আক্রমণ করে না। কখন তাঁর খিদে পেয়েছে, কখন পায়নি সে হিসেব করা কি সোজা? এই সব অশ্বও বনেরই জন্তু, হরিণের মতো ছোটে। বহু চেষ্টায় কতকগুলিকে বশ করেছে মধুরা, শব্দ আর সে। খোলা জায়গায় নদীনালা পাহাড়-পর্বত হলে আর দেখতে হয় না। কিন্তু এইরকম ভারী জঙ্গলে তারা অচল। হাতে কুঠার নিয়ে পথ চলতে হয় এসব জায়গায়। বন্যজন্তুর মোকাবিলা করবে, ঝোপজঙ্গল কেটে সাফ করে এগোনোও যাবে।

    মধুরা হঠাৎ শিস দিয়ে উঠল। খুব অবাক হলে বা আনন্দ হলে মধুরা শিস দেয়। —কী হল?

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা সাহিত্য
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা অডিওবুক
    কৌতুক সংগ্রহ
    গ্রন্থাগার

    —আরে দেখ দেখ নিমেষ, ঝোপঝাড় কেটে চমৎকার একটি পথ কে কেটে রেখেছে। তাই তো! পরিষ্কার পথ। কোথাও কোনও বড় ঝোপ নেই। শুধু কিছু বুনো ফুল, ঘাসে সবুজ রঙিন হয়ে আছে পথটি। তবে কোনও রংই বেশি নয়। কেননা এই পথে নিয়মিত যাতায়াত হয়। দুধারে উঁচু গাছ। ওপরে বানর দোল খাচ্ছে।

    শিস দিতে দিতে মধুরা আগে আগে যায়। নিমেষ পেছনে। হঠাৎ সে কর্কশ গলায় বলে উঠল— শিস থামাও মধুরা।

    —ওহ্। তাই তো!

    আর তার পরই তারা দেখল বনভূমির মধ্যে একটি পরিষ্কৃত স্থান, ঝোপঝাড়, বড় বড় গাছ রয়েছে, ছড়িয়ে ছিটিয়ে, কিন্তু স্থানটি পরিষ্কৃত। এবং এবং এবং… সেখানে ইতস্তত কতকগুলি লতাপাতার গুহা। ওপরে ছাওয়া, চারদিকে ছাওয়া, এক দিকে একটি চওড়া ফাঁক। গুহাটির সামনে লম্বাচওড়া একটি উঁচু সমতল স্থান।

    পায়ের শব্দ থামাতে পারেনি তারা, খুব সতর্ক ছিল না। এইরকম একটি পত্রগুহা থেকে বেরিয়ে এল— রঙ্কা।

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    Library
    কৌতুক সংগ্রহ
    বইয়ের তালিকা
    বইয়ের
    গল্প, কবিতা
    বাংলা বই
    ডিজিটাল বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ

    সে মাথা নিচু করে বেরিয়ে এল, তার হাতে একটি বড় পাতায় সিদ্ধ ধান্য। সে খাচ্ছে। তাদের দেখেই নিমেষে ভেতরে চলে গেল রঙ্কা। পরমুহূর্তে বেরিয়ে এল, দু হাতে দুটি বল্লম। বলল— এক পা এগিয়ো না, ঘৃণিত বি-গোষ্ঠী, খুনি, নৃশংস— দুটি বল্লম দুটি দেহে বিঁধে যাবে এক্ষুনি।

    তারা হতচকিত হয়ে গিয়েছিল। বিশেষত নিমেষ। এই ক’ মাসে অদ্ভুত পরিবর্তন হয়েছে রঙ্কার। সে যে কোনও সময়ে মারাত্মক আহত হয়েছিল বোঝবার জো নেই। শুভ্র বর্ণ, তাতে রক্তের আভা, পিঙ্গল কেশ পিঠের ওপর ঝাঁপ দিয়ে পড়েছে। একটি বল্কল কোমরে আঁটা তাতে লাল নীল হলুদ ফুল আঁটা। রঙ্কার কেশে একটি রক্তবর্ণ ফুল গোঁজা। সে আরও লম্বা হয়েছে, চক্ষে নীল আভা। ছুরির ধার চোখে এবং আশ্চর্য প্রশান্তি তার দাঁড়িয়ে থাকায়। দৃঢ়, আত্মস্থ, সংকল্পে অটল।

    নিমেষ বলল— আমরা শত্রু নই। আমি আর আমাদের নেত্রী মধুরা সবার জন্য ফলমূল সংগ্রহে বেরিয়েছি। ওদিকে ধান্য-কাটা হচ্ছে তো! তোমাদের লোকেরাই কাটছে, তাদের তো আমরা মুক্তি দিয়েছিই, বলো মধুরা?

    আরও দেখুন
    রেসিপি বই
    ই-বই পড়ুন
    PDF
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    Library
    ডিজিটাল বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি

    মধুরা সতর্ক ভাবে তাকিয়ে বলল— ভগ তাদের ক্ষত সারিয়ে দিয়েছে। তারা ধান্য পালন ও কাটার কাজ শেখাচ্ছে আমাদের। আমরা বন্ধু।

    —চলে যাও। —তীব্রস্বরে বলল রঙ্কা। রঙ্কার কণ্ঠস্বর যেন বনভূমিতে হিল্লোল বইয়ে দিল, অন্তত নিমেষের তাই মনে হল।

    —আমাদের কুটির থেকে, পাড়া থেকে চলে যাও, যাও বলছি! সে একটি বল্লম নিমেষের মাথা লক্ষ্য করে ছুড়ল। ভাগ্যে নিমেষ বসে পড়েছিল তাই। তারা সভয়ে দেখল বল্লম নিমেষের মাথার ওপর দিয়ে উড়ে গিয়ে একটি গাছকে এফোঁড় ওফোঁড় করে ফেলেছে। আবার ঢুকে গেল রঙ্কা, তিরধনুক নিয়ে বেরিয়ে এল। মধুরা মৃদুস্বরে বলল— ফিরে চলো নিমেষ। পরে আসা যাবে। এই পাড়া, কুটির ও এই মেয়েটিকে আমাদের দরকার হবে। এ যোদ্ধী।

    পিছু হঠতে হঠতে যতক্ষণ না নিশানার বাইরে চলে গেল তারা, উদ্যত ধনুর্বাণ নামাল না রঙ্কা। পেছন ফিরে বনের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে দেখল, অনেকক্ষণ ধরে খেয়াল রাখল, তারপর নিশ্চিন্ত হয়ে অস্ত্র নামিয়ে ঘরে গিয়ে তার অসমাপ্ত আহার শেষ করল। রঙ্কাদের গ্রামে বহু ধান্যবীজ সঞ্চিত আছে। একেবারে সিদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত, সে তার শিকার করা খরগোশটি ভাল করে ঝলসে নিয়েছিল, বনের লবণক্ষেত্র থেকে লোনা মাটি এনে মিশিয়েছিল। খাবারটা ভালই হয়েছে কিন্তু বি-গোষ্ঠীর লোক দুটি তার স্বাদ নষ্ট করে দিয়ে চলে গেল। আজ আক্রমণ করল না ঠিকই, কিন্তু দেখে গেল তাদের পল্লি, তাদের পর্ণকুটির, তাদের শস্যঘর, শস্য আছড়াবার ঝাড়বার জন্য শুকোবার জন্য বেদিগুলি। এবং পুরো পল্লিতে সে একা। যদিও তার ঘরে অন্য আরও ঘর থেকে নিয়ে আসা অজস্র তির, বল্লম, কুঠার। সে চমৎকার স্বাধীনভাবে এই ক’মাস বিচরণ করেছে, আপন মনে শিকার করেছে, রেঁধেছে, খেয়েছে, কুটিরগুলি পরিষ্কার করেছে, শস্যগুলি রোদে দিয়েছে, পাছে কোনও পোকা লাগে। আশ্চর্য তার পোষা হরিণ নন্দ তো কোনও সূচনা দিল না! নন্দকে ওরা মেরে ফেলেনি তো? মেরে ফেললে আরও নন্দ তৈরি করে নিতে তার কোনও অসুবিধে নেই। কিন্তু সে একা এই পুরো পল্লি রক্ষা করবে কী করে? কত দিন? এই অসভ্যগুলি শস্য বুনতে জানে না, বিকটাকৃতি জানোয়ারে চড়ে, এদের হাত থেকে সে নিজের পল্লি কী করে বাঁচাবে? কী বলে গেল, তাদের আহতরা সেরে গেছে? তারা এখন শস্য তুলছে! তবে কি সবাই হার মেনে গেল? হায় মাতঙ্গী, সিংহ, দেখো কী অবস্থা হল তোমাদের গোষ্ঠীর। তোমাদের সন্তানদের। মাতঙ্গী-ই… তার ডাক বন চিরে দেয়। সে রাগে উন্মত্ত হয়ে নিজেকেই আঘাত করে। চুল ছেঁড়ে, উপুড় হয়ে পড়ে থাকে মাটির ওপর, কলকল করে জল বেরোয় চোখ দিয়ে। এই জলধারা সে খুব কৌতূহলের সঙ্গে দেখে। আঘাত লাগলে, খুব জোর আঘাত, ধরো তির বিঁধে গেল, কুঠারের আঘাত লাগল, কি বন্যজন্তু মাংস খুবলে নিল, তখন এই জলধারা বেরিয়ে আসে চোখ থেকে। এখন তো কোনও চোট নেই, ক্ষত নেই, কেন এরকম হচ্ছে তার? মাতঙ্গী বাতাসে মিশে যাবার সময় থেকেই এরকম হচ্ছে। তবে কি কোথাও ক্ষত আছে? কোথাও শরীরের গভীরে, সে আঁতিপাঁতি করে দেখতে থাকে; এবং নিশ্চিত হয়, নেই। শরীর অটুট, তা হলে? শরীরের ভেতরে কোথাও ক্ষতটি আছে ঠিকই। এবং তা মাতঙ্গীর অদৃশ্য হয়ে যাবার সঙ্গে যুক্ত।

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গল্প, কবিতা
    PDF
    পিডিএফ
    বাংলা অডিওবুক
    বই পড়ুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বই ডাউনলোড

    হঠাৎ তার মনে পড়ে শুক্কো বলে বালকটিকে যখন তরক্ষু নিয়ে গেল! মাতঙ্গী সবাইকে বকছিল অসাবধান হবার জন্য, সেই সময়ে তার চোখ দিয়ে এমনি জলধারা নেমেছিল। তার মানে কারও অদর্শন হয়ে যাবার সঙ্গে যুক্ত এই ক্ষত। এই কান্না, চোখের ভেতর থেকে, শরীরের যেসব অংশ দেখতে পাওয়া যায় না সেখান থেকে, ক্ষতমুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে জলধারা। এই ক্র ক্র করে ক্রন্দন।

    রষ্কার আশঙ্কা অচিরেই সত্য হল। কিন্তু সে যা ভেবেছিল সে ভাবে নয়।

    ঠিক দু সূর্য পরে রঙ্কার দরজার সামনে এসে দাঁড়াল শম।

    —শম তুই?

    —আমরা সবাই আছি রঙ্কা, বেরিয়ে আয়।

    বেরিয়ে রঙ্কা দেখল সত্যিই তাদের গোষ্ঠীর শম, দম, অলম্বুষ, অর্যা— ইত্যাদি সবাই উপস্থিত।

    আরও দেখুন
    নতুন বই
    গল্প, কবিতা
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    Library
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বইয়ের
    বাংলা বই

    অর্যা বলল— আমরা দুই গোষ্ঠী মিলে গেছি রঙ্কা। আর আমাদের মধ্যে কোনও বিভেদ নেই। আমরা ওদের ধান্য লালনপালন, তার থেকে বীজ বার করে শুকনো সব কায়দা শিখিয়ে দিয়েছি, ওরা আমাদের অশ্বের পিঠে চড়তে দিচ্ছে। কী ক্ষতি বল যদি আমরা মিলে এক হয়ে যাই।

    দম বলল— দেখ ওরাও শ্বেত, আমরাও শ্বেত। ওরা তুষারের মতো, আমরা অত সাদা নই। ওদেরও কেশ পিঙ্গল, আমাদেরও। ওরাও উচ্চনাস, আমরাও তাই। শুধু ওরা দূরে, বহু দূরে ছিল বলে পরস্পরের মধ্যে জানাশোনা হয়নি। আমাদের এই যেমন ধান্য আছে, ওদের তেমন অশ্ব আছে। ওরা আমাদের চেয়েও তীক্ষ্ণ ফলা তৈরি করতে পারে।

    —আর মাতঙ্গী… সিংহ… অদ্রি… যারা বিনা কারণে নিহত হল!

    রঙ্কার চোখ দিয়ে আগুন ঝরছে।

    এই সময়ে পেছনে গাছের আড়াল থেকে বেরিয়ে এল একটি লোক, সকলে পথ ছেড়ে দিল, সে আস্তে আস্তে এগিয়ে এল যেন যুদ্ধে পরাজিত, আত্মসমর্পণ করবে। খুব ধীর গম্ভীর মধুর গলায় লোকটি বলল— আমি ভগ, শুনেছি তুমি রঙ্কা। আমি ক্ষত সারাই। বহু গাছ-গাছড়ার গুণাগুণ জানি, আরও একটা কথা জানি। এই তুমি, মধুরা, শব্দ, অর্যা, রোধিনী— আর এই আমি, নিমেষ, শম, দম, অলম্বুষ, কৌর… আমাদের ভেতরে কোনও তফাত নেই। প্রত্যেকের দুটো হাত দুটো পা দুটো চোখ দুটো কান। দুই নাসাছিদ্র, রক্ত এক রঙের— নারীদের দুটি অতিরিক্ত অঙ্গ আছে। তাদের প্রজনন অঙ্গও ভিন্নরূপ, কিন্তু সব নারীরই এক। তা হলে? —আমি এই মহান কথা জানতে পেরেছি— আমরা সবাই একরূপ। আমাদের মিলে যেতে হবে। যখন কিছু পাওয়ার স্বার্থে যুদ্ধ করি, হত্যা করি, নিজেদের প্রতিরূপকেই করি।

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    লেখকের বই
    বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ই-বুক রিডার

    রঙ্কা একটু থমকে গেল। লোকটি অতি শ্বেত, তার চুলগুলিও সাদা, যদিও সে বৃদ্ধ নয়। এই সর্বশ্বেতত্ব তাকে কেমন একটা মহত্ত্ব, বিশেষতা দিয়েছে, সে যেন আকাশ বাতাস থেকে নেমে এসেছে, জলের ভেতর থেকে উঠে এসেছে। সমীহ চোখে নিয়ে রঙ্কা তার দিকে তাকিয়ে রইল। বাক্যহীন।

    ভগ বলল— জানি তোমাদের গোষ্ঠীর অনেককেই আমরা হত্যা করেছি। ভুল করেছি। আমি ওদের বারণ করেছিলাম। বলেছিলাম দেখো ওরা আমাদের মতো দেখতে, আমরা পরস্পরের কথা বুঝতে পারি। এ হত্যা এ যুদ্ধ কোরো না। আমি ওদের হয়ে তোমার কাছে শাস্তি নিতে এসেছি। কী শাস্তি দেবে দাও। এই নাও কুঠার, বল্লম, এই সব তিরধনুক। মারো। —ভগ হাঁটু গেড়ে মাথা নিচু করে বসে পড়ল।

    রঙ্কা কথা বলল না। ভেতরে চলে গেল। তার ভেতরে কল্লোল জাগছে। কেন? কেন? এমন লোক সে কখনও দেখেনি, এমন কথাও কখনও শোনেনি। সবাই এক! ভুল করেছে! মেরে ভুল করেছে! শাস্তি নিতে চায়! বাইরে তাকালে সে দেখতে পেত নিমেষ, মধুরা… এবং বি-গোষ্ঠীর আরও সব লোক আস্তে আস্তে বনের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসছে। তারা কুটিরগুলিতে ঢুকে যাচ্ছে। ধান্যের বোঝা মাথায় নিয়ে আসছে, ওই কিছু ধান্যঘাস বেদির ওপর চড়াত শব্দ করে আছড়ে ফেলল। শমের নির্দেশে একটি মোটা বেঁটে যষ্টি দিয়ে ওরা ধান্য প্রহার করছে। সূর্য আকাশ পরিক্রমা করছে। কোলাহল শুরু হয়ে গেল। কুটিরগুলি ভাগ ভাগ হচ্ছে। দু’তিনজন করে একেকটিতে থাকবে। ধান রাখার গর্তগুলি পরিষ্কার করছে কেউ কেউ। আগুন-চক্র তৈরি করার জন্য কাঠকুটো বয়ে আনছে কেউ কেউ, কাছাকাছি ঝরনাটি দেখিয়ে দিচ্ছে একজন। চক্ চক্ গব্‌ গব্‌ করে জল পান করছে সব।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    পিডিএফ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই পড়ুন
    রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    অনলাইনে বই
    কৌতুক সংগ্রহ

    —তোমরা মধুরাকে নেত্রী বলে মানবে। —মধুরা বলল।

    নিমেষ বলল— মধুরা, নিমেষ তোমাদের রক্ষা করবে, তোমরা নিশ্চিন্তে ধান্য-উৎপাদন করো, মৃত্তিকা থেকে পাত্র তৈরি করো, তোমরা পশুগুলিকে চরাও, পশুলোম কাটো। হরিণ ইত্যাদির চামড়াগুলি পেটো, গাভিগুলিকে ঘাস খাওয়াও, ওরা দুধ দেবে, কে কী করবে আমরা বলে দিচ্ছি।

    রঙ্কা বুঝতে পারছিল বাইরে কোলাহল হচ্ছে। কিন্তু তার কানে যেন কিছু ঢুকছিল না। সে একটি সর্বশ্বেত মানুষকে দেখছিল। শ্মশ্রু ও কেশ এমনকী ভ্রূ ও চোখের পাতা পর্যন্ত শ্বেত, কিন্তু বৃদ্ধ নয়। বলিষ্ঠ সুন্দর মানুষ, তার চোখ দুটি কেমন আকাশের মততা। বক্ষ যেন বনস্পতির প্রাচীর। তার ভেতরটা ক্রমশ শান্ত হয়ে যাচ্ছিল, কেমন ঘুম আসছিল। কেননা অনেক দিন সে শুধু নিষ্ফল ক্রোধে ফুঁসেছে। সম্পূর্ণ একা কাটিয়েছে। এতটা একা থাকা তার অভ্যাস ছিল না। মাতঙ্গীর ঊর্ধ্বনেত্র, দৃষ্টিহীন চোখ, মৃদু প্ৰাণবায়ুর সেই রঙ্কা… আ আ বলে ডাক দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া, শুকনো কঠিন দেহ নিশিদিন তার চোখে ভাসছিল। সে সবচেয়ে দুর্বল বলে তাকে এবং ছন্দ সবচেয়ে সবল বলে তাকে ভালবাসত মাতঙ্গী। সে স্পষ্ট বুঝতে পারত। কী ভাবে খেলার সময়ে তার দিকে তাকাত মাতঙ্গী। কীভাবে সে তার ফুল তোলা বাকলগুলি দেখে প্রশংসা করত। তিরধনুকের শিক্ষায় সে যখন প্রথম লক্ষ্যভেদ করল পরপর তিনবার, মাতঙ্গী তাকে প্রায় পিষ্ট করেছিল বক্ষে, বলেছিল কে বলে রঙ্কা আনমনা? সে তো লক্ষ্য বিঁধল! প্রথম হরিণটা যখন শিকার করল! সে কী আনন্দ মাতঙ্গীর। সে এখন বুঝতে পারে মাতঙ্গীর গর্ভে যে যে জন্মেছিল, সে, ছন্দ, শুক্কো, বদ্রি, অন্যা… এদের সবার জন্য মাতঙ্গীর বিশেষ ভালবাসা ছিল। ভালবাসা মানে একরকম টান। সে আর মাতঙ্গী বলে মাতঙ্গীকে ভাবে না, যে মাতঙ্গী গোষ্ঠীনেত্রী, শিকারে, যুদ্ধে, বিতরণে, পরামর্শে অগ্রণী, যার কাছে সব শিশু বালকই সমান, তার ভেতর থেকে এক স্নেহশীলা, কারও কারও প্রতি বিশেষ টানযুক্তা মাতঙ্গী বেরিয়ে এসে তার স্মৃতিতে বসবাস করছে। সে মাতঙ্গীর কথা ভাবলে এখন নিজেকে মাতঙ্গীর নিম্নদেশের ছিদ্র দিয়ে বেরিয়ে তারপর কোলে-পিঠে উঠে তার স্তন্য পান করা একটি শিশু হিসেবে দেখতে পায়। মাতঙ্গীর মুখের কোমল হাসি, তার উন্নত কপালে তার জন্য নিশ্চিন্ত আশ্রয়, তার দেহ মনের বলিষ্ঠ প্রশান্তি বোঝে, এবং কেন কে জানে ‘মাতঙ্গী’ নয়, শুধু ‘মা’ ডাকটিই তার মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে।

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    স্বাস্থ্য টিপস
    গল্প, কবিতা
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন

    ক্রমশ ছায়া লম্বা হতে থাকে। ধূসর অপরাহ্নের দিকে রঙ্কা কেমন এলিয়ে ঘুমিয়ে পড়ল। পাখিদের কলকাকলিতে যেন বহু ধন্যার জল বইছে চারদিকে। গোলাপি কমলা আলো নেমে আসছে আকাশ থেকে। কুটিরগুলোতে কুলোচ্ছে না। আরও কয়েকটি গড়া শুরু হয়ে গেছে। শম, দম, অৰ্যা নেতৃত্ব দিচ্ছে, সবাই মিলে তৈরি করছে। সন্ধে নেমে যাওয়ার আগেই আরও কয়েকটি কুটির তৈরি হয়ে গেল। আর করতে হলে আরও বন কাটতে হবে— এখন ক্ষান্ত দেওয়াই ভাল। পাড়া ঘিরে আগুনের ব্যবস্থা হচ্ছে। তিনটি বরা ও প্রচুর খরগোশ পোড়ানো হচ্ছে। রঙ্কা বহু দিনের টান-টান পাহারাদারি, ক্রোধ, শোক থেকে আজ বোধহয় মুক্তি পেয়েছে। সে ঘুমোচ্ছে। শমেরা নোনা মাটি থেকে লবণ বার করে মাংসে মিশিয়ে দেয়। অপূর্ব তার স্বাদ। মধুরা গোষ্ঠীর লোকেরা খেতে খেতে মুখে নানারকম প্রশংসাসূচক শব্দ করছিল— ‘আহ্, বাহ্‌। ওহ।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখারাপ ছেলে – বাণী বসু
    Next Article অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    যখন চাঁদ এবং – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }