Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প289 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঈশার অসুখ

    এখানে সূর্যাস্ত একটু আগেই হয়। পশ্চিমের জানলার কাচে আলো ঝলকাচ্ছে। ছোটবেলায় তারা ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে সূর্যের আলো কেন্দ্রীভূত করে কাগজ পোড়াত। কোণের বাড়ি থেকে কে একটি ছেলে তার চোখ তাক করে আয়না দিয়ে সেই একই কাজ করত। পড়ার টেবিলে সরিয়ে তবে শান্তি। শায়রী ঘুমোচ্ছে। জানলার দিকে তাকিয়ে তার হঠাৎ মনে হল; ওই সূর্যাস্তের পুঞ্জীভূত তাপ কি একমাত্র তারই পশ্চিমের জানলায়? গৃহদাহ হবে না কি? উঠে পড়ে সে বৈকালিক গোছগাছ শুরু করে দিল। জামাকাপড়গুলো ছাত থেকে তুলে পরিপাটি করে পাট করে যার যার জায়গায় রেখে দেওয়া। ঝাড়ন দিয়ে একবার সব কিছু দ্রুত ঝেড়ে নেওয়া। ময়লা, ধুলো, অপরিপাটি সে দেখতে পারে না। বেডকভারের কোণ টেনে দিল সমান করে। এবার এক কাপ চা করে খাওয়া যাক। এখানে ভাল চা পাওয়া যায় না। সব অসম। দুধ চিনি চা পাতা একত্র করে ফোটায় এরা, পুরো ভারতেই প্রায় এই রীতি। চলে যায়। লিকার চলে যায়। কিন্তু মকাই বাড়ির চা যেটা মা পার্সেলে পাঠিয়েছে সেটা একটা ডিলাইট, ঠিক আছে যত দিন থাকে তত দিন চলুক। বুড়োমার মৃত্যুর খবরটা তাকে এত নাড়িয়ে দেবে সে ভাবেনি। চায়ে প্রথম চুমুকটা দিয়ে সে ভাববার চেষ্টা করল মায়ের দিদিমার কী স্মৃতি তার মনে সঞ্চিত আছে। মায়ের মামার বাড়ি প্রতি বিজয়াদশমীতে অবশ্যই যেত। বিচিত্র সব খাবার হত ওখানে। কত রকমের মিষ্টি, মিষ্টির ফুলঝুরি। খাজা, কুড়মুড়ে, খুব মিষ্টি নয়, মালপো, ভেতরটা নরম বাইরেটা কড়া, রসবড়া— রসে টুপুটুপু, এলাচ গন্ধওয়ালা চন্দ্রপুলি, এগুলো মনে করতে পারছে। অদ্ভুত একরকম শুকনো খাস্তা গজা করতেন ওঁরা। সেটা সে খুব ভালবাসত। সব মামি-দিদাই অদ্ভুত ভাল রান্না করতে পারতেন। একটা বড় ঘরে, পালঙ্কের ওপর পিঠে বালিশ ঠেস দিয়ে বসে থাকতেন বুড়োমা। সবাই এলেই নেমে আসতেন, প্রণাম হবে, চিবুক ছুঁয়ে। এটা বোধহয় তার বারো তেরো বছরের স্মৃতি। স্মৃতি খুঁড়লে আরও আগের বুড়োমাকে সে সাদা থান পরে খটখট করে ঘুরে বেড়াতে দেখে। খুব স্পষ্ট করে কেটে কেটে কথা বলতেন। ওঁকে সবাই ভয় করত কি না কে জানে, কিন্তু মানত খুব। মামি-দিদারা সবসময়ে মাথায় ঘোমটা দিয়ে থাকতেন। স্বামী, ভাশুর দেওরদের সঙ্গে কথা বলতেন না। যেমন

    —ঈশা তোর ছোটদাদুকে জিজ্ঞেস কর তো অম্বল নেবে কি না।

    ছোটদাদু বললেন—ঈশা তোর ছোড়দিদিকে বল অম্বল, আবার দই! দুটো খাব না।

    এই ভাবে সাক্ষী মেনে মেনে কথা। একমাত্র সেজদিদা এসব মানতেন না। গরমকালের দুপুর। ফট করে ঘোমটা খুলে ফেললেন। বাপরে, ঘাড়ে একটু বাতাস লাগুক। বুড়োমা বললেন—আরও তো পাঁচটা বউ রয়েছে বউমা। গরমটা কি তোমার একারই? সেজদিদি বললেন— হ্যাঁ মা, সে তো আপনি জানেনই। ও রাঙাঠাকুরপো শোনো, শোনো— শুনে যাও, বলতে বলতে চলে গেলেন।

    বুড়োমা বললেন— বেহায়া মেয়েমানুষ! শিখবে না, ওকে কী শেখাব? মা বলত— আরও বুড়োমাকে রাগাবার জন্যে ওইরকম করেন সেজমামি।

    ও-বাড়িতেও তো এখন তাদের জেনারেশন এসে গেছে। তারা কী করে কে জানে! মায়ের মামাতো বউদি ও বোন অর্থাৎ তার মামাতো মামি ও মাসিদের সঙ্গে তার যোগাযোগ অনেক দিনই কমে গেছে। যদিও মামিদের মাথার আধ ঘোমটার কথা তার ভালই মনে আছে। সিঁদুর-টিপ, চওড়া সিঁদুর, শাঁখা, ঘোমটা। পাঁঠার মাংসের একটা সুরুয়া রাঁধেন দিদিমা, যেটা তাঁর বাপের বাড়ি থেকে শেখা। এত ভাল— যে মাইলের পর মাইল হেঁটে সেটা খেতে যাওয়া যায়। রাহুল সাংকৃত্যায়ন সে পড়েনি, কিন্তু মাতৃতান্ত্রিক সমাজের কথা যা যা লিখেছেন অদ্ভুত! আজব! মায়েতে মেয়েতে কর্তৃত্ব নিয়ে ঝগড়া! ভাবাই যায় না। মা মেয়েকে মেরেই ফেলল! কে জানে মাতৃতন্ত্রের সেই উত্তরাধিকারটাই শাশুড়িরা পেয়েছেন কি না! নিজের মা আর বরের মা! আকাশ-পাতাল তফাত। তার বন্ধু ইন্দ্রাণীর মায়ের নিজস্ব টাকাপয়সা আছে। থাকেন কানপুরে। যখনই কদমতলায় ওদের বাড়িতে আসবেন, ইন্দ্রাণী, চাকরি করা, বাচ্চার মা একটা, শাশুড়ির খাস দাসীতে পরিণত হবে। আজ মোচার ঘণ্ট করো, কাল থোড় ছেঁচকি। কুমড়ো ফুল ভাজো—ওসব ওখানে খাই না। কোনও দিন একটা উপহারও কিনে দেন না ইন্দ্রাণীকে, তার ছেলেকে, বেশি কথা কী, ফ্যাশনেবল মহিলা কলকাতা এসে বিউটি পার্লারে চলে গেলেন। একবারও খাটাখোটা বউয়ের কালিপড়া মুখখানা তাকিয়ে দেখলেন না। ‘তুমিও চলো বউমা’ —বলতেই তো পারতেন। শুধু তাই নয়। ছেলের সঙ্গে গিয়ে একখানা গাদোয়াল কিনে আনলেন নিজের জন্যে, বাড়িতে যে একটা ইয়াং মেয়ে রয়েছে, একটা বাচ্চা রয়েছে এসব কিছু না।

    সে নিজে যে ভয়াবহ ঘূর্ণির মধ্যে পড়েছিল, যার থেকে এখনও বেরোনোর চেষ্টা করে যাচ্ছে, পারছে না। মাকে সে একবারও বলেনি তার এই দুর্গতির কথা। মা কষ্ট তো পাবেই ভীষণ, সেইসঙ্গে বিষণ্ণ চোখে চেয়ে বলবে—আমি তো পড়াশোনাটা শেষ করতে বলেছিলাম ঈশ, কথা শুনলি না। সেক্ষেত্রে বাইরের একটা জগৎ হতে পারত। ছোট জায়গা, অল্প মানুষ। কঠিন নিয়ম। এসবের আবর্তে পড়ে গেলে জীবনটা একটা কুয়োর জীবন হয়ে যায়।

    মায়ের সেই ‘বাইরের জীবনে’ যে সে কখনও স্বচ্ছন্দ বোধ করেনি, কেমন করে বলবে মাকে কথাটা? অর্ধেক জিনিস, ভাবনা-চিন্তা অনুভূতি গোপন করে যাওয়াই তার স্বভাব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সামলাতে পারে না। মা, গড়পড়তা মায়ের মতো কোনও দিন জিজ্ঞেস করেনি—শ্বশুর-শাশুড়ি কেমন! এত বোকা মা, সবাইকেই নিজের মতো মনে করে। বাবা-মা তো! বাবা-মার মতোই হবেন! মেয়ে ছিল না, মেয়ে হল, কত আহ্লাদ! স্নেহ-ভালবাসা, আদর—এসব দিতে কোনও বাবা-মার কার্পণ্য থাকবে, মায়ের এটা কল্পনার বাইরে। কিন্তু ওই ভদ্রমহিলা তার প্রত্যেকটি কাজে খুঁত ধরে চেঁচাবেন, কঠিন চোখে তাকাবেন, যেন এক্ষুনি একটা থাপ্পড় কষিয়ে দিলেন বলে।

    —না না, রান্নাঘরে তোমায় আসতে হবে না—কর্কশ গলায় বললেন। আসলে যে চাইছেন সে রান্নাঘরেই যাক—কী করে বুঝবে? সে তো অত কুটিলতার মধ্যে মানুষ হয়নি! কাজেই সে গেল না। তা ছাড়া লোক রয়েছে তো!

    শ্বশুরের চা দিতে গেল, গর্জন করে উঠলেন—ওঁর চায়ে তুমি হাত দিয়েছ কেন?

    হকচকিয়ে যায় সে। ভেতরে একটা রাগ উথলে ওঠে। ব্যাপার কী? ব্যাপারখানা কী রে বাবা, এরা চায় কী?

    নিশীথ বলত—একটু মানিয়ে নাও, লেগে থাকো, মা ওইরকম রাগি বরাবর, কাছে কাছে থাকো—ঠিক হয়ে যাবে।

    মানিয়ে যে নেব, কীসের জোরে নিশীথ? তুমিই কি তোমার স্ত্রীকে কোনও পূর্ণতা দিতে পেরেছ? বিবাহিত স্ত্রীকে ফেলে তুমি বান্ধবীদের সঙ্গে গল্প করো। হতে পারে তারা আমার চেয়ে চালাক চতুর, খবর রাখে, পাকা ঝানু সব। তুমি তো তাদের বলতে পারতে দেখো, আমার বউ কিন্তু একেবারেই সরল, সাদাসিধে, সে কখনও এত মেলামেশা করেনি। ট্রাই টু পুট হার অ্যাট ইজ। বলারও দরকার করে না। ভদ্রতার নিয়মই হল নতুন কেউ এলে তাকে সহজ করে নেওয়া। নিশীথ তুমি কেন আমাকে বিয়ে করলে? কেন আমাকে ভোলালে? যদি বা করলে কেন সর্বক্ষণ কূট দৃষ্টিতে আমার গতিবিধি নজর করছ! কে তোমাকে বারণ করেছিল ইকনমিক্স-এর ফার্স্ট ক্লাস, কর্নেল ইউনিভার্সিটির উৎপাদনকে বিয়ে করতে! আসলে তুমি-ই কনফিডেন্ট ছিলে না। এত বিদুষী তেজি মেয়ে সে কত দিন তোমার পুরুষ অহমিকা সইত! সে কত দিন তোমার মা-বাবার কর্তৃত্ব সইত? সইত না, সইত না। তুমিও যে প্রভুত্ব করাটাই পছন্দ করো। মালবিকাদির ওপর কর্তৃত্ব চলত না নিশীথ। সে তোমার থেকে অনেক বেশি উপার্জন করত। অনেক উঁচুতলায় ঘোরাফেরা করত, ইভেনচ্যুয়ালি। এবং সেখানে পৌঁছোবার জন্য তোমাকে হাড়ভাঙা ঘোড়দৌড়ে নামতে হত! স্ত্রীর থেকে কম হওয়া কোন পুরুষ সয়? টিকত না। তোমার আত্মাভিমান আর তার আত্মাভিমানে লড়াই লাগত। তোমাকে আমি যতটুকু দেখেছি, তুমি যেটা ঠিক করবে সেটাই হবে, তুমি যা ভাববে সেটাই ঠিক। তোমার সিদ্ধান্তই চরম। এ জিনিস মালবিকাদি কেন সইবে? তার কীসের দায়? প্রেম? প্রেমের দৌড় ন’বছরের বিবাহিত জীবনে, অন্যদের বিবাহ বিশ্লেষণ করে করে করে করে আমার জানা হয়ে গেছে। প্রেম বলে কিছু থাকতে পারে সেই প্লেটোর আদর্শর জগতে। কিন্তু এই নশ্বর পার্থিব জীবনে প্রেম নেই। বোঝাপড়া আছে, দয়ামায়া আছে, সয়ে নেওয়া আছে, সহযোগিতা আছে, কিন্তু প্রেম নেই। প্রেম নেই। প্রেম বলতে কী বোঝায়? সে কী বুঝত? দুজন মানুষ পরস্পরকে গভীর ভাবে চাইবে। শরীরে, মনে। পরস্পরের দিকে যখন চাইবে এমন ভালবাসা মগ্ধতা ঝরে ঝরে পড়বে তা থেকে যে মনে হবে তা একলা ধারণ করতে পারছি না। সবাইকে আলোর মতো বিলিয়ে দিই। কোনও মানুষ, যে সত্যিকারের ভালবাসা পেয়েছে বা বাসতে পেরেছে সে কখনও নীচ হবে না, ইতর হবে না, ঈর্ষাকাতর হবে না। তার স্বপ্নের পুরুষ অবশ্য ছিল পরম সুন্দর। কার মতো? কার মতো! লর্ড বায়রনের ছবি দেখে একদা সে এত মুগ্ধ হত যে বইয়ের পাতা উলটে উলটে ছবিটা খালি দেখত। তারপর যখন মনে হত—এই লোকটি চূড়ান্ত দুশ্চরিত্র, কতজনকে মর্মান্তিক কষ্ট দিয়েছে, তখন তার মন বিমুখ হয়ে যেত। রূপকথার রাজপুত্রদের চেহারা বড়ই মেয়েলি, ছবিতেই ভাল লাগে। সে কল্পনা করে নিতে পারে অর্জুনকে, কৃষ্ণকে—অপরূপ সুন্দর, কিন্তু বহুগামী। চলবে না। সৈয়দ মুজতবা আলিকে অল্প বয়সে দারুণ অ্যাট্রাকটিভ দেখতে ছিল, ওইরকম চোখা চেহারার পুরুষের যে শেষ বয়সে কী দুর্গতি হল, চেনাই যায় না! এমনই তার সৌন্দর্যের দিকে ঝোঁক, যে কোনও অসুন্দর পুরুষকে সে ভালবাসবে—ভাবতেই পারেনি। নিশীথ একজন বেশ ব্যক্তিত্ববান, স্বাস্থ্যবান, বুদ্ধিমান যুবক। তার স্বপ্নে দেখা রাজপুত্তুর নয়। তবু তার প্রাণঢালা ভালবাসা সে দিয়েছিল তাকে। দোষের মধ্যে নির্ভর করেছিল, লতা যেমন গাছকে জড়িয়ে খুশি থাকে তেমনই। দুঃখের বিষয় এ গাছ লতা-টতা পছন্দ করে না। ঝেড়ে ফেলে দিল। কোথায় প্রেমিকের কূজন? কোথায় চোখে চোখে চাওয়া? স্পর্শের বিদ্যুৎ! ফর গডস সেক হোল্ড ইয়োর টাং অ্যান্ড লেট মি লাভ। কোথায়? কিছু উত্তেজিত কথা সহবাসের সময়ে, তারপরে উলটো দিকে ফিরে ঘুমিয়ে পড়লেন। সকালে অফিস যান। রাত করে বাড়ি ফেরেন, ছুটির দিনে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে চান, কিংবা অনন্ত টি.ভি দেখে যান। এর মধ্যে প্রেমের ভূমিকা কোথায়? সে যত্ন করে চা করে এনে দিল। খাওয়ার সময়ে শাশুড়ি ছেলেবউ পাশাপাশি বসে খাওয়া পছন্দ করেন না। মুখোমুখি বসা পছন্দ করেন না, পিঠোপিঠি বসতে পারলে বোধহয় ভাল হত। হনিমুন?

    হ্যাঁ—পুরীতে, যে পুরীতে সে মা বাবার সঙ্গে বার চারেক গেছে আগেই। আপত্তি করেছিল—গোয়া চলো না? খুব দেখতে ইচ্ছে করে।

    —পুরী হাতের কাছে। চট করে উইকএন্ড-এর সঙ্গে দু দিন জুড়ে নিলেই হবে। গোয়া আউট অব কোয়েশ্চন। তা ছাড়া পুরী ঠিক করেছি, পুরীই যাব। যখন গোয়া ঠিক করব তখন গোয়া যাওয়া যাবে। সব কিছু প্ল্যানমাফিক।

    —কখন প্ল্যান করলে গো?

    —কখন? অটোমেটিক্যালি হয়ে গেছে বিয়ের আগেই।

    সে বেশি যুক্তিপূর্ণ কথা, কথার পিঠে কথা বলতে পারে না। চোর পালালে তার বুদ্ধি বাড়ে। নবদম্পতি হনিমুন যাবে। পত্নীটির পছন্দ-অপছন্দেরও তো একটা ভূমিকা থাকার কথা! দুম করে এল কথাটা তারপর।

    —ফর্মালিটিজ, রিচুয়ালস— এসব চটপট সেরে নেওয়াই ভাল।

    ফর্ম্যালিটিজ? হনিমুন ফর্ম্যালিটি? রিচুয়াল? হায় ভগবান, এ কেমন ভুল প্রেমের হাতে সে ধরা দিল?

    মা কী খুশি! নিজের হনিমুন-টুন হয়নি। মেয়ে হনিমুনে গেছে, না মা-ই তার মধ্যে দিয়ে গেছে বোঝা ভার। চাপা খুশির আলো মুখে নিয়ে— তোদের বোঝাপড়া মানে রিলেশনস ঠিকঠাক হয়েছে তো!

    —আঃ মা!

    —না রে, সব মা সব মেয়েকে এ-কথা জিজ্ঞেস করে। খুব ইমপর্ট্যান্ট!

    মাকে সে লজ্জার মাথা খেয়ে কী করে বলবে তার জামাইয়ের সবই প্ল্যান ও মর্জিমাফিক। তার মর্জি। তারই ইচ্ছে, তারই প্ল্যান—তার বাইরে কিছু নয়। কিচ্ছু নয়।

    আমার বড় অসুখ করেছে মা! বড্ড অসুখ। ভালবাসা চেয়ে না পাওয়ার ভীষণ অসুখ। ন’বছরের প্রতিটি মুহূর্ত কেটেছে কোনও অলৌকিক প্রত্যাশায়। ঘটল, এই বুঝি ঘটল। জাদুমন্ত্রে বদলে গেল সব। এখনও এখনও সেই দিবস রজনী কার আশায় আশায় থাকা। এ ভুল মানুষ, ভুল পরিবেশ, আমি নিজেও তো ভুলই। বুঝি, তবু তৃষ্ণা যায় না। চাতকের পিপাসা। স্বাতী নক্ষত্রের জলের জন্য হাঁ করে বসে রয়েছি যেন। কবে সেই একফোঁটা জাদু জল পড়বে, আমার মুক্তি হবে।

    আচ্ছা, এই যে বুড়োমার মামি-দিদা, মাসি-দিদা, এমনকী দিদিমা… এঁরা পেয়েছেন? দুর, ওঁরা তো বুড়ো। যখন ওঁরা ছোট ছিলেন? দুর— ওঁদের অত সব আইডিয়াই ছিল না। বালিকা বয়সে বিয়ে হত। ধেড়ে একটা বরের সঙ্গে। বরটার সব জেগেটেগে গেছে, মেয়েটা নেহাতই খুকি। খুকি অবস্থায় সেক্স যে কী ভয়ানক বিতৃষ্ণা জাগায় তা অল্পবিস্তর সব মেয়েই জানে। যাই হোক, প্রকৃতি তো সংযোগ ঘটিয়েই দেয়। সোহাগ খুব। তারপর একটার পর একটা বাচ্চা। প্রেম করেছ কি মরেছ! তখনকার দিনে আবার ঘরের সঙ্গে বাথরুমও থাকত না। হয়তো বা একতলায়, কোণে। কী করে কী করত বাবা সব কে জানে! এক মেয়ে হওয়াতেই যা কষ্ট তার! আগে, পরে। ওঁদের কী হত? দিনের পর দিন খেতে না পেরে, হড়হড় বমি করে, তারপর দিবারাত্র বুকের দুধ খাইয়ে, রান্নাবান্না করে, সংসার দেখে, বড় ছেলেমেয়েগুলো, শ্বশুর, ভাশুর, দেওর, ননদ, নন্দাই… ওরে বাপ রে বাপ! প্রেম বাপ বাপ বলে পালাবে।

    তবে কি প্রেম খুব ভঙ্গুর কিছু! রিয়্যালিটির ধাক্কা খেলেই ভেঙে যায়? শকে পুড়ে যায়? থেকে যায় ছাই—বৈচিত্র্যহীন দাম্পত্যের, সহনশীলতার, বিতৃষ্ণাকে কোনওমতে চাপাচুপি দিয়ে রাখার? এমনই তো অভিজ্ঞতা তার বহু বন্ধুর। মাত্র পাঁচ বছর বিয়ে হয়েছে সংযুক্তার, বলে—কিছু মনে করিসনি ভাই, প্রেম করে বিয়ে করেছিলম বটে, কিন্তু বরটাকে দেখলে আমার এখন গা জ্বলে যায়। আমাকে থাকতে হবে স্লিম। সুন্দর, টিপ কাজল পরে ফিটফাট। আর উনি? নোয়াপাতি ভুঁড়ি বাগিয়েছে একটা। সিগারেট খেয়ে খেয়ে আঙুলের ডগা, ঠোঁট ঝাঁজালো, দাঁত তামাটে, মুখে কড়া তামাকের গন্ধ, অনেকের নাকি খুব সেক্সি লাগে, জানি না ভাই আমার তো নিশ্বাস বন্ধ করে থাকতে হয়, তারপর এখন পাওয়া হয়ে গেছে, আর কী! লুঙ্গি পরে পা তুলে বসবে, গবগব করে খাবে, ঘোঁত ঘোঁত করে রাগবে, রোজ এই রাঁধো সেই রাঁধা, সুড়ুৎ করে যখন চা খায় না আমার ভেতরটা সিটকে যায়।

    রুবি বলল—তা এত দিন মেলামেশা করলি বুঝলি না কিছু?

    —কনশাসলি সব কন্ট্রোল করেছে। জ্ঞানপাপী তো!

    রুবি বলল—লুঙ্গি তত ভাল। আমার বর তো পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে নাক খোঁটে, দমাস করে বায়ুত্যাগ করে আমার সামনেই। বললে বলবে— তুমি তো আমার নিজের বউ। —মানে পরের বউয়ের বেলায় বায়ু সংবরণ করবেন, নিজের বউয়ের বেলা আর কোনও কেতা, সভ্যতা, নিয়ন্ত্রণের দরকার নেই। আসলে আমার আর কোনও দাম নেই। কোনও ভব্যতার চাহিদা থাকতে নেই। আর আমি? আমি যদি একটা ম্যাক্সি বা হাউজ-কোট পরে ঘুরি। কাজের সময় সুবিধে হয় তো! বলবে— এই ঢোলাটা তুমি ছাড়ো তো, বিশ্রী লাগে। মাইন্ড ইটস আ ম্যাক্সি, নট আ নাইটি। তা আমার তো আর ঐশ্বর্য রাইয়ের মতো চাঁছা-পোঁছা ফিগার নয়! হয়তো মডেলের মতো লাগে না। মডেল দেখে দেখে এদের ধারণা হয়ে গেছে বউ হবে না-রোগা না-মোটা না-বেঁটে না-লম্বা।

    সংযুক্তা বলল—আর ওঁরা হবেন মোটা থলথলে ভুঁড়িদাস, ঘেমো, বেঁটে কি লম্বা কিছুতেই কোনও ছিরিছাঁদ নেই। আমরাও তো মডেল, ফিল্ম অ্যাক্টর, খেলোয়াড় দেখে দেখে বড় হয়েছি ভাই। কী দারুণ দারুণ সব চেহারা, কই বাস্তবে ওরকম হামলে পড়িনি তো, নিজেদের কালো কালো, মোটা বেঁটে বর নিয়েই তো খুশি আছি। আপত্তিটা এই গা-ছেড়ে দেওয়া ভালগারিটিতে। আমাকে সুন্দর থাকতে হবে, তুমিও থাকো, দুজনের জন্য দুরকম প্রিন্সিপল হবে কেন? পুরুষ জাতটাই ভালগার, ছিঃ!

    কৃষ্ণা বলে তার এক বান্ধবী নিয়মিত স্বামীর কাছে মার খায়। ঠাস ঠাস করে চড়। ভাবা যায়? কোম্পানি এগজিকিউটিভ বর তার সফ্‌টওয়্যার প্রফেশন্যাল বউকে ঠেঙাচ্ছে? তবু ডিভোর্স হয় না। বাচ্চা আছে দুটো।

    রুবি বলে—কেন যে পটাপট দুটো বাচ্চা নামাতে গেলি!

    —ও কথা বলিস না। কৃষ্ণা বলল, ওরাই আমার জীবনের আসল মানে। তোরা এই যে সব স্থূলতা, বিয়ের পর টেক ফর গ্রান্টেড করে নেওয়া— এসব বললি না! এসব আমার কাছে কিছুই না। নিষ্ঠুরতা, নির্ভেজাল নিষ্ঠুরতার সামনাসামনি হতে হলে বুঝতিস বিয়ে কী জিনিস!

    —কেন? তুই চাকরি করছিস, যথেষ্ট মাটি তোর পায়ের তলায়, লোকটার সঙ্গে থাকিস কী করে? ডিভোর্স নে!

    —তা হয় না রে। এক তো ছেলেমেয়ে তাদের বাবাকে ভালবাসে, বাবাও ওদের জন্য করে, তাদের পিতৃহীন করি কী করে? ধর এটা আমার স্যাক্রিফাইস ওদের জন্যে। তা নয় তো অধীরের সঙ্গে আমার আর কোনও সম্পর্ক নেই। আমার মা-বাবা চলে যাবার পর বাপের বাড়ি বলতেই বা কী? কতটুকু? তোদের সমাজই বা ডিভোর্সিদের জন্যে কী অভ্যর্থনা ডালায় করে সাজিয়ে রেখেছে, বল?

    —মারে কেন? মদ খেয়ে?

    —উঁহু। কেমন একটা অদ্ভুত রাগ আছে। সেসব মুডে মুখখানা ভয়ংকর হয়ে যায়, সে সময়ে কিছু বলতে গেলেই উঠে এসে এক চড়।

    —এ তো মেন্টাল কেস রে! কাউন্সেলিং করা! ডিজঅর্ডার একটা।

    —বেড়ালের গলায় ঘন্টাটা বাঁধবে কে? বললে বলে—আমার কোনও মেন্টাল প্রবলেম নেই, আমি পাগল নই, তুমি যাও কাউন্সেলরের কাছে। আমিই নাকি ঘ্যানঘ্যান করে, ইমোশন্যাল হয়ে ওর রাগ বাড়িয়ে দিই।

    সংযুক্তা বলে এই একুশ শতকে কাউন্সেলিং সম্পর্কে এই মনোভাব? এ যে একেবারে মধ্যযুগীয় রে! কিন্তু কৃষ্ণা তুই কি সত্যিই ঘ্যানঘ্যান করিস খুব? ইমোশন্যাল হয়ে পড়িস বেশি বেশি!

    —দেখ ঘ্যানঘ্যান মানে ন্যাগিং প্রত্যেক স্ত্রীকে করতে হয়, স্বামী যদি একই ভুল বারবার করে, একই দায়িত্ব এড়ায়। ও শুধু চাকরি করবে, আর আমি চাকরি করব, ছেলেমেয়ের পড়াশোনা দেখব, সংসার চালাব, সামাজিকতা করব। স-ব। বাচ্চাদের স্কুলে পেরেন্টস-টিচার্স মিটিং-এ একটাতেও আজ পর্যন্ত যায়নি। অ্যানুয়াল ফাংশনে ওরা গান করবে,— বাবা যাবে না। প্রিন্সিপ্যাল, ক্লাস-টিচারের কাছে কথা শুনতে হয় আমায় এ জন্যে…

    অন্যমনস্ক হয়ে যায় ঈশা। বিয়ে আছে, দাম্পত্য আছে, সহবাস আছে, ডেটিং আছে, আছে সাম্প্রতিক অতি পপুলার ভ্যালেনটাইনস ডে। খালি প্রেম নেই। কাগুজে ধারণা একটা। ভাবের ফানুস।

    মৃদুল বলে তার এক সহপাঠী, এখনও যোগাযোগ রাখে। একদিন বলল—তোকে ম্যানেজ করতে পারলাম না ঈশা, ঘরে একটি যা জিনিস এসেছে না! যদি দেখতিস!

    দেখাটাই তোদের সব, না! —সে ঝেঁঝে ওঠে।

    না না, দেখতে ভাল। ফরসা, বড় বড় চোখ। ভাল ফিগার। কী ডিমান্ডিং, কী ডিমান্ডিং, তুই ধারণা করতে পারবি না। আমাকে দেউলে করে ছেড়ে দেবে। মার্কেটিং… মার্কেটিং হল তার একমাত্র বিনোদন।

    —একদিন বসলেই পারিস। ভাল করে বুঝিয়ে বল। ইয়ে মানে ভালবেসে বল—

    —সে গুড়ে বালি। বলবে দুটো চুমুর ফাটকা খেলে আমাকে মেটিরিয়্যাল জিনিস না দেবার ধান্দা, না? অতি ধড়িবাজ মেয়েছেলে…

    —ছিঃ মৃদুল!

    —স্যরি—নিশ্বাস ফেলে মৃদুল বলল—কিন্তু আর কিছু ভেবে পেলাম না, অ্যাডজেকটিভ হিসেবে। আমার সন্দেহ টাকাগুলো নিয়ে আলাদা অ্যাকাউন্টে রাখছে।

    —কেন? তুই কিছু পকেটমানি দিস না?

    —দিই বই কী! সেটাই তো সরিয়ে রাখে। একসঙ্গে বেরোবে। তখন আমার গ্যাঁট থেকে যাবে।

    কতরকম প্রবলেম। নারী-পুরুষ রসায়ন আর মিলছে না, মিলছে না। পরস্পরকে চাইছে। চেয়ে, পেয়ে দেখছে এ চাইনি। ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে! কেউ বলছে ও বড্ড চুপচাপ। কেউ বলছে ও বড্ড বকবক করে, কারও নালিশ অপর পক্ষ শীতল, কারও নালিশ ও পক্ষ বড্ডই গরম, যে রূপ দেখে বিয়ে সে রূপই আর কিছু দিন পর ভাল লাগে না, যে গুণ দেখে বিয়ে সেই গুণই কিছু দিন পর গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়। কেমিস্ট্রি হচ্ছে না, হচ্ছে না। এ কি প্রকৃতিরই নির্দেশ! কঠিন নির্দেশ! এত দিন তোমাদের মিলতে দিয়েছি, এখন থেকে আর দেব না—আলাদা থাকো, একা থাকো, একা ক্রমশ আরও একা হয়ে যাও।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখারাপ ছেলে – বাণী বসু
    Next Article অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    যখন চাঁদ এবং – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }