Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প289 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সৎকার

    ভোরের হিম বাতাস বইছে উত্তর থেকে। আবার আসছে শীত। কিছুকাল অন্তর অন্তরই এরকম হয়। পালটে যায়, আকাশ-বাতাস, জল, জলের রংচং। এ এক বিস্ময়। এই বিস্ময়ের সঙ্গে আজও মানিয়ে নিতে পারল না অর্যমা। প্রতিটি দিনের আলো-অন্ধকার এক বিস্ময়, নদীতে জোয়ার, ভাটা আরেক বিস্ময়। বিস্ময় চাঁদের ক্ষয়ে যাওয়া, পুবের ওঠা, তারপর অদৃশ্য হয়ে যাওয়া। সূর্য কিন্তু ওরকম করে না। সে সব সময়ে গোল। তার রং বদলায় অবশ্য। কিন্তু বর্তুলতা নষ্ট হয় না। ভেতরে কোনও কালো দাগও নেই চাঁদের মতো। অর্যমা যোদ্ধা নয়, তাই গোষ্ঠীতে তার তেমন কদর নেই। তাতে তার কিছু এসে যায় না। সে যে মাতঙ্গী, সিংহ এদের মতো স্তব্ধ হয়ে যায়নি বি-গোষ্ঠীর আক্রমণে— এটাই তার কাছে অনেক। সে দেখতে পাবে—এই সব দেখতে পাবে আরও অনেক দিন ধরে। সিংহরাও দেখছে নিশ্চয়। কিন্তু তাদের তো কেউ দেখতে পায় না। তারা কী ভাবে দেখে কে জানে! দেহহীন হয়ে দেখে কি? সে রাত্রে অর্যমা বনের অনেক গভীরে যে নিভৃত কুটির তৈরি করেছে, সেখানে বসে মাটিতে আঁচড় কাটছিল। অনেককাল ধরে সে এই আঁচড় কাটছে, ঠিক কত চাঁদ কত সূর্য পরে এই হিম আসে, তারপর দাহ আসে, তারপর আকাশ থেকে জল নামে এই সব হিসেব, গুলিয়ে গুলিয়ে যায়, গণনা সমান হয় না, কেন কে জানে? সে বোঝে তার থেকে অনেক অনেক শক্তিশালী এরা, নিজেদের ইচ্ছামতো নিজেদের চালনা করবে, কিন্তু তার ভেতর কিছু নিয়ম আছেই আছে। সেই নিয়ম তার কাছে এখনও অধরা, যদিও কাছাকাছি একটা হিসেব সে করতে পারে। মাতঙ্গী বলত—বাতাস গায়ে ঠেকলে, আকাশ দেখলেই তো এই বদল চোখে পড়ে, তার জন্য মাটিতে আঁক কাটতে হবে কেন! বুদ্ধু একটা! হয়তো ঠিকই। কিন্তু অর্যমার এটা নেশা। সে চাঁদের আকাশভ্রমণ দেখছে বসে বসে। অন্ধকারে গাছগুলি দুলছে চুপচাপ। হাওয়া নেই। চাঁদের আলো ছেঁড়া মেঘের মধ্য দিয়ে এসে পড়েছে গাছগুলির মাথায়। তার ইন্দ্রিয় বলে একটা কিছু ঘটছে। কিছু একটা! সে বেরিয়ে এল, তার গায়েও পড়ল চাঁদের আলো। কেমন শিউরে উঠল সে। চাঁদ তাকে কী বলছে, কী বলছে! সে বুঝতে পারছে না, কী যেন তাকে একটু দোলা দিল। বুঝতে পারছে না কেন? হঠাৎ তার মনে হল—কেউ এসেছে, খুব কাছে দাঁড়িয়েছে, তার নিশ্বাসের চাপা শব্দ শোনা যাচ্ছে, চকিতে সে কুটিরে ঢুকে গেল। বর্শা হাতে বেরিয়ে এল। কোনও জন্তু, এক্ষুনি পেছন থেকে তার টুঁটি টিপে ধরত। নিজেকে কেন্দ্র করেই সে কয়েক পাক ঘুরে গেল, কেউ নেই। কিন্তু বোধটা যাচ্ছে না, কেউ আছে! কে আছে! কে! সহসা সে বুঝতে পারে—এ মাতঙ্গীর ভারী দেহের প্রভাব। বিদেহী মাতঙ্গী এসে দাঁড়িয়েছে কাছেই। দেখছে, তার পুত্র অর্যমার মতোই দেখছে এই চন্দ্রালোকিত রাত! শুনছে এই নিস্তব্ধ বনভূমিতে পশুদের চরার শব্দ, গর্জন। পাখি পোকা সাপ এদের সবার চলা ফেরা ওড়া বসার অস্ফুট শব্দগুলি—সব একটার থেকে একটা আলাদা। মনে সাহস এনে সে চেঁচিয়ে উঠল—মাতঙ্গী! কী চাও! তোমার কি আর কিছু প্রয়োজন হয়! খাদ্য, বাকল, জল, কিছু! কিছু! একটা গভীর নিশ্বাস ভেসে এল কোন সুদূর থেকে। মাতঙ্গী বলতে পারে না। কিন্তু সে চায়। তার হাত পুড়ে গেছে তাই ধরতে পারে না। পা পুড়ে গেছে, তাই চলতে পারে না। তাই চলতে… এই তো এখানে চলে এসেছে তো! কী করে এল? অনেকক্ষণ ভাবে অর্যমা, এই বাতাসে মিশে রয়েছে মাতঙ্গী। বাতাস চালালে চলে। নইলে চলে না।

    আরও দেখুন
    Books
    নতুন বই
    লাইব্রেরি
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

    হরিণ মাংসর একটা পিণ্ড তার খাওয়ার জন্য ছিল, আর ফল। সে সেগুলিকে আধাআধি করল। তারপর পাতায় করে বাইরে রেখে দিল। বলল—মাতঙ্গী, তুমি আমায় গর্ভে ধারণ করেছিলে। জন্ম দিয়েছ বলে আমি এই জীবন, এই পৃথিবী উপভোগ করতে পাচ্ছি। তুমি আমার অর্ঘ্য নাও, যদি তোমার খাওয়ার ক্ষমতা থাকে তো খাও। না থাকলেও তুমি তৃপ্ত হও। কম্পিত দেহে সে কিছুক্ষণ অর্ঘ্যের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে। কিছু ঘটে না। তার সামনে বিদেহী মাতঙ্গী কিছু করতে পারবে না। সে কুটিরের ভেতরে চলে যায়। ছিদ্রপথ দিয়ে তাকিয়ে থাকে। একটু পরে একটি শিয়াল এসে মাংসখণ্ডটি মুখে করে ছুটে পালায়। তবে কি মাতঙ্গী শিয়ালের দেহে প্রবেশ করেছে? নাকি মাতঙ্গী নেই, ওটা নেহাতই শিয়াল। মাংসখণ্ড দেখে স্বভাবমতো মুখে তুলে নিয়েছে। সারারাত অযৰ্মা ভাবল আর ভাবল আর ভাবল। শিয়াল না মাতঙ্গী? মাতঙ্গী না শিয়াল? ভাবতে ভাবতে রাত কেটে গেছে কখন। কখন ভোর রাতে সে ঘুমিয়ে পড়েছে, সে জানে না, জানে একমাত্র সাক্ষী গাছপালাগুলি।

    খড়মড় খড়মড় শব্দে ঘুম ভেঙে গেল। এক বোঝা গাছপাতা হাতে একটি মূর্তি। সর্বশ্বেত। চুল, ভ্রূ, শ্মশ্রু— সব শ্বেত। চোখ দুটি পিঙ্গল। কীরকম যেন দৃষ্টি, যেন অনেক দূরের দিকে দেখছে। অনেক দূর অবধি দেখতে পাচ্ছে।

    আরও দেখুন
    বাংলা কৌতুক বই
    বইয়ের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    নতুন বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    লাইব্রেরি
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    ই-বই পড়ুন

    অর্যমা হাঁটু গেড়ে বসল—ভগ, তুমি আমায় বাঁচিয়েছ, আমার কৃতজ্ঞতা নাও।

    উত্তরে ভগ বলল—এগুলি কী?—সে মাটির ওপর দাগগুলির দিকে আঙুল দেখাল।

    —এসব অঙ্ক কীসের? অঙ্কিত করেছ? কী? চিত্র তো নয়?

    অর্যমার ভাষায় কুলোয় না, সে ভয়ে ভয়ে বলে—এই হিম, এই দাহ, এই বৃষ্টি, ঘুরে ঘুরে আসে। কত চাঁদ, কত সূর্য পর—হিসাব করি।

    —কী ভাবে?

    —এক শীত থেকে আরেক শীত ছোট ছোট দাগ কেটে যাই। তারপর সেগুলির পাশে—একটি নতুন বড় দাগ বসাই। আবার ছোট ছোট দাগ বসাতে থাকি। আগের জায়গায় আবার শীত ঘুরে আসে দেখি দাগগুলি মিলল কি না!

    —মেলে? ভগ আশ্চর্য হয়ে তার দিকে চেয়ে আছে।

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বইয়ের তালিকা
    বই ডাউনলোড
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    ডিকশনারি
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা বই
    গ্রন্থাগার

    —মেলে না। একটু এদিক ওদিক হয়। তবে মোটামুটি মেলে।

    —তুমি গণনা করো, প্রকৃতি বোঝো, তুমি মহান অর্যমা।

    অর্যমা সসম্ভ্রমে বলল—তুমিই প্রকৃত মহান। তুমি আঘাত সারাও। প্রাণ ফিরিয়ে দাও।

    —চেষ্টা করি অর্যমা। এই সব অরণ্যের বহু বহু গাছপালা, লতাপাতা, বাকল শেকড়ের বন্ধুত্ব আছে মানুষের সঙ্গে, পশুর সঙ্গে। আমি সেই বন্ধুত্বটুকু কাজে লাগিয়ে চলেছি। কিন্তু হায় একবার দেহ স্তব্ধ হয়ে গেলে, বুকের ধুকধুকি চুপ হয়ে গেলে দেহটি কেন শক্ত, পাণ্ডুর, দুর্গন্ধ হয়ে যায় বুঝি না। এই মৃত্যু থেকে মানুষকে ফিরিয়ে আনতে পারি না।

    —মৃত্যু হলে শরীর বাতাসে মেশে ভগ, তখন বাতাসে মিশে দেহহীন ঘুরে বেড়ায় মৃতরা।

    —সে কী? তোমার অনুমান সুন্দর। কিন্তু কেন এ কথা মনে হল তোমার?

    —আমি মাতঙ্গীকে অনুভব করেছি…কাল। মাতঙ্গী এসেছিল। মাতঙ্গী তার সন্তানদের ভালবাসে, তাই এসেছিল।

    আরও দেখুন
    ডিকশনারি
    লাইব্রেরি
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা বই
    নতুন বই
    বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    Books

    —মাতঙ্গী? তোমাদের নেত্রী?

    —হ্যাঁ।

    অনেকক্ষণ চুপ করে রইল ভগ, তারপর বলল—তুমি ঠিক জানো!

    —হ্যাঁ ভগ, আমি তার ক্ষুৎপিপাসা বুঝে তাকে মাংস দিয়েছিলাম।

    —তারপর? —ভগর স্বরে চাপা উত্তেজনা।

    —একটি শেয়াল হয়ে সে এসে নিয়ে গেল।

    —শিয়ালই নয়? শিয়ালের মধ্যে মাতঙ্গী? কী করে নিশ্চিত হচ্ছ!

    —আমি অনুভব করেছি। স্পষ্ট অনুভব করেছি।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    নতুন বই
    রেসিপি বই
    বই পড়ুন
    PDF বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    লেখকের বই
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্য

    ভগ উঠে দাঁড়াল। বলল— চলো অর্যমা, এই কথা আমাদের পাড়ায় গিয়ে বলো। মৃতরা শান্তি না পেলে জীবিতরা শান্তি পাবে না। আমাদের কিছু করা উচিত।

    অতঃপর তারা দুজনে যায়। পাড়ার মাঝখানে দাঁড়িয়ে বলে,

    —শোনো মাতঙ্গী ও মধুরার মিলিত দল— আজ আমরা একটি নতুন কথা জেনেছি। মৃতরা যায় না। মৃতরা বাতাসের সঙ্গে মিশে থাকে। তাদের দীর্ঘশ্বাস আমাদের জীবিতদের কাছে কিছু প্রার্থনা করে। এখনও সদ্যোমৃতদের ক্ষুৎপিপাসা যায়নি। তা মেটাও। আমাদের সমবেত হয়ে তা মেটাতে হবে।

    —নইলে? —নিমেষ উদ্ধত ভঙ্গিতে ধানের শিষ দাঁতে কাটছে।

    ভগ হাসল— কীসে কী হয়, তার কতটুকু আমরা জানি নিমেষ! যে কোনও অমঙ্গলের জন্য প্রস্তুত থাকো। হতে পারে সিংহ, তরক্ষু, বরাহ ও ভালুকের দল আমাদের ছিন্নভিন্ন করে দিল। হতে পারে ঝঞ্ঝা প্রবল হয়ে ভাসিয়ে নিয়ে গেল সব। হতে পারে বিষফল খেয়ে আমাদের শিশুগুলি মারা গেল। হতে পারে আর কোনও গোষ্ঠী ঝাঁপিয়ে পড়ল আমাদের ওপর, আমরা যেমন ঝাঁপিয়েছিলাম মাতঙ্গীদের ওপর। এবং এ-ও হতে পারে নিমেষ, তুমি, মধুরা ও অন্যান্য বীর তাদের প্রতিহত করতে পারলে না।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    Books
    Library
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা অডিওবুক

    —এই সব, শুধু মাতঙ্গীদের জন্যই হবে? —নিমেষ উদ্ধতভাবে প্রশ্ন করে।

    —হতে পারে।

    —কী মধুরা? তুমি এ কথা মানো?

    মধুরা কিছু বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু হঠাৎ উত্তর দিক থেকে এক প্রবল শীতার্ত হাওয়া ধেয়ে এল। ক্রমে জোরালো হতে লাগল ঝড়, গাছগুলি বিপজ্জনক ভাবে দুলতে থাকল, পাখিদের আর্তনাদে ভরে উঠল বনস্থল! ঝড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে মাটিতে পড়তে লাগল উড়ন্ত পাখিরা। এবং… এবং ভূ প্রকম্পিত হতে লাগল। চতুর্দিকে ছিটকে পড়ল মানুষগুলি। পাতার কুটিরগুলো উড়ে কোন দিগ্‌বিদিকে চলে গেল, গর্ত থেকে বেরিয়ে সাপেরা মৃতপ্রায় হয়ে শুয়ে পড়ল। আছড়ে পড়তে লাগল বড় বড় গাছ। ভূমি জায়গায় জায়গায় ফেটে গেল। তার মধ্যে কারও পা, কারও কোমর পর্যন্ত ঢুকে গেল, পরমুহূর্তে ফাটল জুড়ে গেলে আর বেরোতে পারল না তারা। আর্তনাদ করতে করতে অঙ্গহীন হয়ে বেরিয়ে এল কেউ কেউ— অন্যান্যরা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল। এরই মধ্যেই অশ্বগুলি তাদের বাঁধন ছিঁড়ে বিকট চিৎকার করতে করতে নদী পেরিয়ে ছুটতে লাগল। ভূ-কম্পনে বেশির ভাগই মাটিতে পড়ে ছটফট করতে করতে মারা গেল। অন্যরা উধাও। একই দশা অন্য পোষ্য পশুগুলির।

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    Library
    ডিকশনারি
    বইয়ের
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    অনলাইন বুকস্টোর
    গল্প, কবিতা
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

    পৃথিবীর, বনের, বন্যজন্তুদের, মানুষের মূৰ্ছা যখন ভাঙল, ভস্ম রঙের আকাশে তখন কোথাও আর কোনও রং নেই। ধন্যার জল প্লাবিত করেছে চারিদিক। সহসা ছোট নদীটি যেন মত্তমাতঙ্গী হয়ে গেছে। সগর্জন ভীমদেহ নিয়ে বইছে। বিধ্বস্ত গ্রাম। কোনও কুটির নেই, ধান্য নেই, শস্যক্ষেত্ৰ ফাঁকা হয়ে গেছে। ধন্যার জলে কাদায় মাখামাখি হয়ে আছে। একটি সাপ জড়িয়ে ছিল নিমেষকে। সে নড়াচড়া করতে সাপটি সড়সড় করে চলে গেল। মধুরা একটি ভালুকের পিঠে শুয়ে ছিল, ভালুকটি হঠাৎ তাকে পিঠ ঝেড়ে ফেলে দিতে তার মূর্ছা ভাঙে। মধুরাদের দলের অধিকাংশই মৃত কিংবা আহত। নিমেষ, মধুরা— কেউই সুস্থ নেই। সম্পূর্ণ সুস্থ এবং অপ্রভাবিত আছে কেবল তিনজন। অর্যমা, ভগ ও রঙ্কা।

    বিধ্বস্ত শ্মশানে শুধু শুশ্রূষা চলে, ভগ নির্দেশ দেয় অর্যমা, রঙ্কা ওষধি তৈরি করে, শম, অলম্বুষ আদি সেগুলি যথাসাধ্য মাখায়, খাওয়ায়, উন্মুক্ত বনে তুষার বায়ুর তলায় ঠান্ডায় জমে যায়, মরে যায় কেউ কেউ, দ্রুত কুটির তৈরি শুরু হয়। মৃত পশুদের ছালগুলি খুলে, পরিষ্কার করে কাঁচা অবস্থাতেই গায়ে দিয়ে হি হি করে কাঁপতে থাকে সব। এবং শুশ্রূষা চলতে থাকে, চলতে থাকে।

    গণনা করে অর্যমা— এক পূর্ণ চাঁদ থেকে আর এক পূর্ণ চাঁদ চলে যায় কুটির তৈরি করতে। পশু মেরে খাদ্য তৈরি করে, ছালটি রোদে শুকিয়ে পিটিয়ে পরিধানযোগ্য করে নিতে। কেউ চাঁদ প্রথমবার অদৃশ্য হতে হতেই উঠে বসে, কারও আরও সময় লাগে, উঠে বসে নিমেষ, তার মাথার জটাগুলি ছুরি দিয়ে কেটে দেয় রঙ্কা। উঠে বসে মধুরা, তারও জটাবদ্ধ কেশ কাটা যায়। মাঝে মাঝে চিরে চিরে ওষধি লেপে দেওয়া হয়। আবার বনের ফল, কন্দমূল সংগ্রহ করতে যেতে হয় কাউকে কাউকে। কেউ কেউ শিকারে যায়। ধানক্ষেত্রে জল থইথই করে।

    আরও দেখুন
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    গল্প, কবিতা
    নতুন বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বই
    গ্রন্থাগার
    Library
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    অবশেষে একদিন যখন সব মোটামুটি গোছগাছ হয়ে গেছে— নিমেষের বল, মধুরার বল ফিরে এসেছে, তাদের জন্য কন্দমূল পাতায় করে এনে রঙ্কা দু হাত কোমরে রেখে দাঁড়ায়, বলে—হল তো? হল?

    তার উজ্জ্বল শানানো চোখে চোখ রাখতে পারে না নিমেষ। মধুরা, অন্য দিকে তাকিয়ে বলে—কী হল?

    —মাতঙ্গী সিংহ অদ্রিরা কাতর ছিল। তাদের প্রাপ্য দাওনি, তাই…

    —মৃতরা কি এই ভাবে প্রতিশোধ নেয়, রঙ্কা?

    অর্যমা মৃদুস্বরে বলে— প্রতিশোধ নয়, বুভুক্ষা। তাদের আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান জানাতে হয়। ভগ মাথা নাড়ে। বলে— সেবার যখন আমাদের গোষ্ঠী নেত্রী সুজলা স্তব্ধ হয়ে গেল, আমরা তাকে জলে দিয়ে স্তব্ধ ভাবে বসে ছিলাম। আমাদের ভাল লাগছিল না, শোক জাগছিল। সজলা বর্ণার গর্ভধারিণী, মধুরা বর্ণার কন্যা, সুজলার সঙ্গে বর্ণার রেষারেষি ছিল। তবু মধুরাও আর্ত হয়েছিল, কেননা সুজলা কোনও দিন অসম বণ্টন করেনি। তার সংগ্রহ সে কখনও সঞ্চয় করে কোনও প্রিয়পাত্রকে দিত না। সেই যে শোক, সেও আমাদের স্মরণ, দান। কিন্তু এই মাতঙ্গীর দল, এদের আমরা হত্যা করেছি। এদের যা কিছু ছিল, কেড়ে নিয়েছি। যথাযথ সৎকার করিনি।

    আরও দেখুন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্য
    বই ডাউনলোড
    বাইশে শ্রাবণ
    PDF
    বইয়ের তালিকা
    ডিকশনারি
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ

    —সৎকার? —ভগ নিজেই শব্দটি উচ্চারণ করে, নতুন একটি শব্দ। আশ্চর্য হয়ে থাকে। বিনম্র ভাবে বলে— সৎকার। সৎকার চাই।

    সুতরাং ভারে ভারে পাতায় করে ফল আসে, মাংস আসে। সিদ্ধ ধান্য আসে। মাটির তালের মধ্যে গর্ত করে রোদে শুকিয়ে পাত্র হয়, তাতে ভরা হয় জল এবং আকাশ বাতাস ধ্বনিত করে আওয়াজ ওঠে।

    হে কুরঙ্গীর পুত্রী মাতঙ্গী, হে সন্নার পুত্র সিংহ, হে মাতঙ্গীকন্যা অদ্রি, হে মাতঙ্গীপুত্র অম্ব, অদ্রিপুত্র শব, রোমাপুত্র সর্ব… তোমাদের রোচক মাংস দিচ্ছি, ফল দিচ্ছি, জল দিচ্ছি— খাও, পান করো, তারপর আমাদের প্রতি প্রসন্ন হও হে…।

    পুরোহিত জলধর ভট্টাচার্য মশাই বললেন—কুশের আংটিটি ঠিক করে নিন, খুলে গেছে ভবানীবাবু। আপনি তো অনেকগুলি শ্রাদ্ধ পার হলেন। হ্যাঁ, এবার জলস্পর্শ করে পিণ্ডের ওপর হাত রাখুন, বলুন— বিষ্ণুরোম তৎসৎ অদ্য চৈত্র মাসি কৃষ্ণপক্ষে অষ্টমী তিথৌ কৌশিক গোত্রস্য মন্মাতুর সর্বমঙ্গলা দাস্যা:… গত তিন পিতৃপিতামহের নাম করেছেন তো, মাতামহ প্রমাতামহদের নামগুলি করুন… তিন পুরুষ অবধি… হ্যাঁ, এবার বলুন অক্ষয় স্বৰ্গকাম, এতৎ স্বোপকরণামান্নচর্চিত, শ্রীবিষ্ণুদৈবতং যথাসম্ভব গোত্ৰনাম্নে ব্রাহ্মণায় অহং দদানি।… কুশপত্রের দ্বারা আমান্নের ওপর জলের অভ্যুক্ষণ মানে ছিটে দিন।

    আরও দেখুন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    রেসিপি বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

    ঠিক দেড়টার সময়ে বুড়োমার কাজ শেষ হল। অধ্যাপক বিদায় আগেই ছোটপুত্র শিবানীপ্রসাদ করে রেখেছেন। দ্বাদশ ব্রাহ্মণ-ভোজনের পাতা পড়েছে। ওদিকেও সর্বসাধারণের জন্য পাতা পড়ছে। বুড়োমা বা কর্তামার নাতি অভিষেক, নাতবউ পূর্ণা ওদিকটা দেখাশোনা করছে।

    “বলো শান্তি বলো শান্তি দেহসাথে সব ক্লান্তি

    পুড়ে হোক ছাই।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখারাপ ছেলে – বাণী বসু
    Next Article অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    যখন চাঁদ এবং – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }