Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খুনির রং – অনীশ দেব

    লেখক এক পাতা গল্প539 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হিসেবে কিছু ভুল ছিল – ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়

    জুতোজোড়া প্রথমে সজীব হয়ে নড়ে উঠল, তারপর গটগট করে বিছানার কাছে গিয়ে থেমে পড়ল।…

    মহীতোষবাবুর গায়ে কাঁটা দিল। হেমেন রায়ের রহস্যরোমাঞ্চ সমগ্র বইটা বন্ধ করে উঠে দাঁড়ালেন। নাহ, আজ থাক। বাকিটা কাল সকালে পড়বেন।

    ঘড়িতে এগারোটা পঞ্চাশ। কনকনে শীতের রাত। চারিদিক নিশুতি। মহীতোষবাবুর মনে পড়ে গেল, আজ হেরম্ব দাস লেনে প্রকাণ্ড বাড়িতে তিনি একেবারে একা।

    করিডরের আলোগুলো জ্বালিয়ে দিলেন। জ্বলুক সারারাত। বেডরুমেও আজ আলো নেভাবেন না।

    হঠাৎ য—যা! আলো নিভে গেল। ঘুটঘুটে অন্ধকার। লোডশেডিং? শনিবারের রাতে!

    পাঞ্জাবির পকেট হাঁটকে লাইটারটা বের করলেন। বুকের ভিতর ধপ—ধপ শব্দ।

    হলুদ শিখা অনেকটা সাহস ফিরিয়ে দিয়েছে। মোমবাতি কোথায় আছে? মনে পড়ছে না।

    পিপিং…পিপিং…। ল্যান্ড ফোনটা বাজতে শুরু করেছে। এত রাতে কে করল? বাজুক গে। তুলবেন না। উহুঁ, ইলেকট্রিক সাপ্লাই থেকে হতে পারে। নতুন কী একটা যন্ত্র বসিয়ে দিয়ে গেছে। সেই সিস্টেমে হয়তো পাওয়ার ফেলিওর ধরা পড়েছে।

    মহীতোষ চেনা পথে ফোনের দিকে এগোলেন। একহাতে জ্বলন্ত লাইটার।

    ‘হ্যালো।’

    ‘দাদা! ভালো আছ?’

    গলাটা চেনা—চেনা। একটু ফ্যাঁসফেসে।

    ‘ক—কে?’

    ‘সে কী দাদা! ছোটভাইকে এর মধ্যেই ভুলে গেলে?’

    ‘ম—মানে? ক—কে আপনি?’

    ‘তোমার ছোট ভাই। মনোতোষ।’

    ‘কী! বাজে কথা বোলো না। আমার কোনও ছোটভাই নেই।’ মহীতোষের গলা কেঁপে যাচ্ছে।

    ‘এখন নেই। কিন্তু ছিল তো! এখানে একা—একা বড্ড কষ্টে আছি দাদা। তোমার কাছে আসছি।…ধরো না, এসেই গেছি। আজ তোমায় নিয়ে যাব দাদা।’

    ফোন কেটে গেল।

    মহীতোষ ধপ করে বিছানায় বসে পড়েছেন। শরীর থরথর করছে। দরদর করে ঘাম বেরোচ্ছে। বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলে চেপে থাকা লাইটারটা পড়ে গেল। ডান হাতের রিসিভারটাও টলটল করছে।

    ঠিক তখনই খট—খট…খটাখট…খট….খট…। বাথরুমের ভেতর থেকে বিশ্রী আওয়াজ। হঠাৎ কারা ধস্তাধস্তি শুরু করে দিয়েছে।

    মনোতোষ! ওকে নিয়ে যেতে সদলবলে এসে গেছে?

    মহীতোষ বিছানায় এলিয়ে পড়লেন। সর্বাঙ্গ ভিজে গেছে। বুকের বাঁ দিকে চিনচিনে ব্যথা।

    একটানা মিনিটখানেক চলার পরে অপার্থিব আওয়াজ থেমে গেল। মনোতোষ ঢুকে আসবে?

    মহীতোষের চক্ষু বিস্ফারিত। একফোঁটা শক্তি নেই। চিনচিনে ব্যথা লাফিয়ে—লাফিয়ে বাড়ছে, ঠোঁট শুকনো, জিভ অসাড়।

    বাথরুমের ভিতরে এবার কল—কল—কল—কল। কেউ জলের কল খুলে দিয়েছে। কী চায় মনোতোষ?

    জলের শব্দ বন্ধ হয়েছে। মহীতোষ উঠে বসার চেষ্টা করলেন। পারলেন না।

    আচমকা আবার! আবার সেই ভয়ানক ধপাধপ…ধপাধপ। পুরো বাথরুমটা সেই শব্দে কাঁপছে।

    বুকের বাঁ দিকটা খিমচে ধরলেন মহীতোষ সান্যাল। উঃ! অসহ্য!

    .

    ‘প্রিয়তোষবাবু, নমস্কার। ভেতরে আসব?’

    ‘আপনি!’

    ‘কিরণকুমার। ডি.ডি. ইনসপেক্টর, লালবাজার।’

    ‘আসুন। কিন্তু আমি ঠিক…লালবাজার…’

    ‘মহীতোষ সান্যাল আপনার জ্যাঠামশাই তো?’

    ‘হ্যাঁ। কাল রাতে জ্যাঠাবাবু ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে…আজ সকালে দরজা ভেঙে ওনাকে… তখনই ফ্যামিলি ফিজিসিয়ানকে খবর দিয়েছি…কিন্তু…পুলিশ…কেন?’

    ‘সোজাসুজি বলতে গেলে তদন্ত করতে।’

    ‘তদন্ত!’

    ‘ইয়েস প্রিয়তোষবাবু। সকালে জয়েন্ট সিপি সায়েবের ফোন পেয়ে তড়িঘড়ি আমায় ছুটে আসতে হয়েছে। ও.সি.—ও একটু পরে আসছেন।’

    ‘জয়েন্ট কমিশনার!’

    ‘হ্যাঁ। মহিমা বাগচীকে চেনেন নিশ্চয়ই?’

    ‘নিশ্চয়ই। আমার বোন। জ্যাঠাবাবুর একমাত্র মেয়ে। বিয়ের বছর পাঁচেক পরে ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যায়। ঘণ্টাখানেক আগে আমিই ওকে খবরটা জানিয়েছি।’

    ‘ঠিক। ম্যাডামের হাসব্যান্ড জয়েন্ট সিপির বাল্যবন্ধু। সেই কানেকশানেই সাহেবকে ওনারা জানিয়েছেন, মহীতোষবাবুর মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। দে ওয়ান্ট পোলিস ইনভেস্টিগেশন।’

    ‘মাই গড! মহিমা আমায় তো কিছু বলল না! স্ট্রেঞ্জ! ও বিদেশে চলে যাওয়ার পর থেকে জ্যাঠাবাবুকে আমরা—আই মিন আমার ফ্যামিলিই দেখাশোনা করে আসছে। আমায় ছেলের থেকেও বেশি ভালোবাসতেন। এমনকী জ্যাঠাবাবুর ব্যবসা—কারখানা সবকিছুই আমায় সুপারভাইস করতে হয়! ওনার বয়েস হয়েছিল সেভেনটি প্লাস।’

    ‘জানি মিস্টার সান্যাল। আসতে—আসতে আমি কিছু ইনফরমেশন ইন—পুট নিয়ে এসেছি। কিন্তু বুঝতেই পারছেন, আমি হেলপলেস। হাই লেভেলের অর্ডার…।’

    ‘আমি টেরিবলি শকড মিস্টার কুমার। মহিমা কি আমায় সন্দেহ করছে?’

    ‘না। তেমন কিছু অবশ্য শুনিনি।…আপনার জ্যাঠা কি একাই থাকতেন?’

    ‘মহিমার বিয়ের পর পাঁচবছর একাই ছিলেন। একা মানে উনি আর কাজের লোকজন। জেঠিমা অনেকদিন আগেই গত হয়েছেন। আমি শ্যামবাজারের ফ্ল্যাটে থাকতাম। একদিন নিজে থেকেই বললেন, বউমাকে নিয়ে তুই এখানেই চলে আয়। এত বড় বাড়ি, ফাঁকা পড়ে আছে। আমরা তবু আসতে চাইনি। শেষে খুব জোরজার করাতে বউ—ছেলে নিয়ে চলে আসি। সেও প্রায় তিন বছর হয়ে গেল। আমার ছেলে তো দাদাইয়ের খুব ন্যাওটা।…উঃ, কিছুই বুঝতে পারছি না। মহিমা বলছে…’

    ‘কুল ডাউন মিস্টার সান্যাল। আপনি বললেন, দরজা ভেঙে ঢুকেছেন। দ্যাট মিনস, কালকে রাতে আপনারা এ বাড়িতে ছিলেন না?’

    ‘না। অ্যানুয়ালের পরে ছেলের ছুটি। মামার বাড়ি যাওয়ার বায়না করছিল। তাই পাঁচদিন হল, বউ—ছেলেকে হাতিবাগানে শ্বশুরবাড়ি রেখে এসেছি। কাল রাতে আমায় শাশুড়ি মা খেতে ডেকেছিলেন। তাই আমিও সেখানে যাই। হঠাৎ ভোর ছ’টা নাগাদ সন্ধ্যা ফোন করে জানাল, দরজা বন্ধ। কলিংবেল বাজিয়ে, ধাক্কাতেও জ্যাঠাবাবু সাড়া দিচ্ছেন না। তখন এক কাপড়ে ছুটে আসি।’

    ‘ওকে। সন্ধ্যা কি কাজের মহিলা?’

    ‘হ্যাঁ। রাত দিন থাকে। কাল ওর ছেলের শরীর খারাপ খবর পেয়ে রাতটুকুর জন্যে গেছিল। জ্যাঠাবাবু নিজেই ওকে ছুটি দিয়েছিলেন।’

    ‘অন্য কাজের লোকজন? একা সন্ধ্যাই বাড়ির সব কাজ করত?’

    ‘না। একমাত্র সন্ধ্যা রাতদিন থাকত। আমরা এ বাড়িতে আসার পর থেকে অন্যরা পার্ট টাইম। কেউ রান্না, কেউ ঘরদোর সাফ, বাসন মাজা, বাজারঘাট…ফ্যামিলির দিকটা আমার স্ত্রী দেখতেন।’

    ‘হুম! তার মানে কাল মহীতোষবাবু একাই ছিলেন?’

    ‘জাস্ট রাতটুকু। আমি সাতটা নাগাদ জ্যাঠাবাবুকে বলে বেরিয়েছি। সন্ধ্যা বলল, ও গেছে আটটা নাগাদ।’

    ‘আপনার বাবা কোথায় থাকেন?’

    ‘বাবা!…আমার বাবা—মা কেউ নেই মিস্টার কুমার। বাবা দশ বছর হল গত হয়েছেন। মা গেছেন আমায় জন্ম দিতে গিয়ে।’

    ‘সো স্যাড। কী হয়েছিল বাবার?’

    ‘কিছু হয়নি। হি কমিটেড সুইসাইড। তখন আমি জাস্ট এম.এ. পাশ করেছি।’

    টুং—টুং। কলিংবেল বাজল।

    ‘আসুন ডাক্তারকাকু।’

    ‘হঠাৎ কী হল প্রিয়তোষ? আমি তো স্তম্ভিত! লাস্ট উইকেও মহীতোষদার সব চেক আপ হল। হি ওয়াজ অ্যাবসলিউটলি পারফেক্ট! ইনি?’

    ‘লালবাজার থেকে।’

    ‘নমস্কার ডক্টর। আমায় তদন্ত করতে জয়েন্ট কমিশনার সায়েব পাঠিয়েছেন। মহীতোষবাবুর সব ঠিক ছিল, বলছেন?’

    ‘হ্যাঁ অফিসার। জাস্ট হার্টটা একটু—’

    ‘কী?’

    ‘একটু উইক। অবশ্য সে বরাবরই। বাইরের থেকে মানুষটা খুব কড়া, রাশভারী। কিন্তু ভেতরে—ভেতরে একটু ভিতু।’

    ‘ভিতু!’

    ‘ওই আর কী! ভূতের ভয় ছিল। আমার সঙ্গে অনেকদিনের সম্পর্ক, তাই নানারকম কথা হত। আবার পরলোকতত্ত্ব, আত্মা—টাত্মা, ভৌতিক—থ্রিলার এসব বই খুব পড়তেনও।’

    ‘পিকিউলিয়র।’

    ‘হ্যাঁ অফিসার।…চলো প্রিয়তোষ, একবার দেখে আসি ওনাকে। আপনিও চলুন। ভেরি স্যাড।…ভালো কথা, মহিমাকে খবর দিয়েছ?’

    ‘দিয়েছি। ও আসছে বলল। না আসা পর্যন্ত বডি পিস হেভেনে রাখতে হবে।’

    ‘সে তো নিশ্চয়ই।…হুঁ! বডিতে রাইগর মর্টিস সেট ইন করেছে। মানে মৃত্যুটা হয়েছে কাল বারোটা—সাড়ে বারোটা নাগাদ।’

    ‘আর?’

    ‘ম্যাসিভ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে অফিসার। সাডেনলি!’

    ‘সাডেনলি কেন?’

    ‘কারণ আমার ডাক্তারি চোখ বলছে, মৃত্যুর আগে কোনও কারণে খুব ভয় পেয়েছেন। চোখদুটো খোলা। ডানহাত বুকের বাঁ দিকে।’

    ‘বিছানাটা দেখুন ডক্টর! এলোমেলো। জায়গায়—জায়গায় ভিজে গেছে।’

    ‘আতঙ্কে নিশ্চয়ই ঘাম বেরিয়েছিল।’

    ‘ডক্টর, নিচের দিকটা দেখেছেন? পাজামাটা ভিজে।’

    ‘দেখেছি অফিসার। সাডেন অ্যাটাকে অনেকসময় ইউরিন বা স্টুল বেরিয়ে আসে।…আচ্ছা, আমি কি ডেথ সার্টিফিকেট লিখতে পারি?’

    ‘হ্যাঁ ডক্টর। আপনার ফাইন্ডিংস লিখে দিয়ে যান। বাই এনি চান্স, এখন তো ক্রিমেশন হচ্ছে না। ন্যাচারালি কোনও তাড়া নেই। ম্যাডাম আসুন, তারপর ডিসিশন নেওয়া যাবে। প্রিয়তোষবাবু! একটু কাছে আসুন তো।’

    ‘মানে! কেন?’

    ‘গন্ধ! কাম! কাম! কাল রাতে কী করছিলেন?’

    ‘ওই মানে…শালাদের সঙ্গে একটু আড্ডা, তার সঙ্গে…ইয়ে…’

    ‘কখন?’

    ‘রাত দশটা নাগাদ।’

    ‘তারপরে আর বেরোননি?’

    ‘না—না। ডিনার সেরে ওখানেই শুয়ে পড়ি।’

    ‘গুড। বাথরুমটা কোথায়?’

    ‘এই তো। পাশেই।’

    ‘খুলুন। লাইটটা জ্বালুন।…হুঁ…উঁ…ওকে, ওকে।’

    ‘অফিসার, আমি কি এবার যেতে পারি?’

    ‘জাস্ট একমিনিট। আপনার নাম্বারটা নেব। আচ্ছা, ডক্টর এটা খেয়াল করেছেন? বেডসাইড ফোনের রিসিভার নিচে ঝুলছে।’

    ‘হ্যাঁ, তাই তো!’

    ‘এর মানে কী বলুন তো? মৃত্যুর ঠিক আগে মহীতোষবাবু কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।…যাই হোক, যা দেখার আপাতত কমপ্লিট। ওসি এলেই আমরা বেরিয়ে যাব। বাড়ি সিল করে পুলিশ ওয়াচিং থাকবে মহিমা ম্যাডাম না আসা পর্যন্ত। প্রিয়তোষবাবু, আপনার আর ডাক্তারসায়েবের নাম্বারটা নেব।’

    ‘কিন্তু জ্যাঠাবাবুর বডি…?’

    ‘ওটা আর আপনার হেডেক নয়। বডি আমাদের কাস্টডিতে থাকবে।…আপনাদের সন্ধ্যা কোথায়?’

    ‘এখানেই আছে। ও খুব ভেঙে পড়েছে। সারাদিন ও—ই তো মানুষটার সেবা করত।…সন্ধ্যা! এদিকে এসো।’

    ‘ওকে আমি সঙ্গে নিয়ে যাব। না—না—না, নিশ্চিন্ত থাকুন প্রিয়তোষবাবু। ওর ওপর কোনও টর্চার করা হবে না।’

    .

    ‘এসো কিরণ। উই আর ওয়েটিং ফর য়ু। উইদিন আ ডে, য়ু হ্যাভ ব্রেক থ্রু দ্য ক্রাইম, ডান আ গ্রেট জব।’

    ‘থ্যাঙ্ক য়ু স্যার। অল ক্রেডিট গোস টু য়ু স্যার। আপনিই আমায় ওখানে পাঠিয়েছিলেন।’

    ‘না কিরণ। বরঞ্চ মহিমাকে কিছুটা ক্রেডিট দেওয়া যায়। বিকস ও আমাকে অত ভোরে ফোন করে বারবার রিকোয়েস্ট করেছিল। আই ডিডন্ট বিলিভ। কিন্তু আফটার অল ও আমার বেস্ট ফ্রেন্ডের বেটার হাফ। আমি ওর রিকোয়েস্ট রাখতে বাধ্য হই।’

    ‘রাইট স্যর। ম্যাডামের কাছে আমরা গ্রেটফুল। নইলে সত্যিটা কোনওদিন প্রকাশ পেত না।’

    ‘ইয়েস কিরণ।…স্টার্ট করো।’

    ‘ডক্টর মিত্র, সবচেয়ে আগে আপনাকে কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনার কথা থেকে আমি প্রথম ক্লু পেয়েছি।’

    ‘তাই?’

    ‘ইয়েস। মনে করে দেখুন ডক্টর, কাল আপনি বলে ছিলেন, মহীতোষবাবু বাইরে কড়া। আসলে ভিতু মানুষ। পার্টিকুলারলি ওনার ভূতে খুব ভয়। ভূত বিশ্বাস করেন, তাই ভয় পান, আবার ভূতপ্রেত নিয়ে চর্চা করেন। এরপর মহীতোষবাবুর চোখ—খোলা ডেডবডি দেখে আপনার ফার্স্ট রিঅ্যাকশন ছিল, মৃত্যুর আগে উনি ব্যাপক ভয় পেয়েছেন।’

    ‘হুঁ।’

    ‘তখনই আমার মনে হল, মহীতোষবাবু ভয় পাবেন কেন? কেউ কি ভূত সেজে এসেছিল? মেন গেট বন্ধ। পসিবল নয়। হঠাৎ আমার চোখে পড়ল, ল্যান্ডফোনের রিসিভারটা ঝুলে আছে। অর্থাৎ একটা ফোন এসেছিল…এবং কথা বলার পরে মহীতোষবাবুর ফোন ধরে রাখার কন্ডিশন ছিল না। সে ফোন কার বলুন তো?’

    ‘কার?’

    ‘মহীতোষবাবুর ছোটভাই মনোতোষের। যিনি দশ বছর আগে ইহলোক ত্যাগ করেন।’

    ‘ওয়াট! আমার ছোটকাকা! কী বলছেন?’

    ‘ঠিকই বলছি ম্যাডাম। আপনার মৃত ছোটকাকা তো ফোনটা করেননি। করেছিলেন প্রিয়তোষ। বাবার গলা নকল করে, ডিসটর্টেড ভয়েস—এ। জ্যাঠাকে ভয় দেখাতে। ঠিক তার আগেই উনি বাড়ির মেন সুইচ অফ করে দেন। পুরো বাড়ি অন্ধকার হয়ে যায়।…কাল সকালে আমি যখন আচমকা পৌঁছ যাই, তখনও বাড়িটায় ইলেকট্রিসিটি ছিল না। সকালবেলা, শীতকাল। ফ্যান বা এসির দরকার নেই। পুরো বাড়ি থেকে সকলকে বের করে যখন আমরা দখল নিই, তখন ব্যাপারটা পরিষ্কার হয়।’

    ‘ওয়ান মিনিট কিরণ। হাও ইস ইট পসিবল? সাপ্লাই লাইনের মেইন সুইচ, মিটার সব তো বাড়ির মধ্যেই থাকে!’

    ‘না চম্পকদা। মিস্টার কুমারের ইনফর্মেশন কারেক্ট। নর্থ ক্যালকাটার পুরনো বাড়িগুলো সব গায়ে—গায়ে জোড়া। অন্ধকার সরু কমন প্যাসেজে মিটার—বক্স, মেন—সুইচ সেই মান্ধাতার আমল থেকে আছে। পরে সিইএসসিকে চিঠি দিয়ে অনেকে মিটারের প্লেসমেন্ট চেঞ্জ করে নিয়েছে। বাবা করেননি। একটু গেঁতো ছিলেন।…কিন্তু মিস্টার কুমার, আমার দুটো প্রশ্ন আছে।’

    ‘বলুন ম্যাডাম।’

    ‘প্রথমত, প্রিয়দাই যে ফোনে ছোটকাকা হয়ে ভয় দেখিয়েছে, এভিডেন্স কী? সেকেন্ডলি, সে—ই যে মেন সুইচ অফ করেছে, তার প্রুফ?’

    ‘ফোনের প্রুফ কালকেই বি.এস.এন.এল. থেকে কালেক্ট করেছি। ওটাই ছিল লাস্ট কল। নেক্সট কল না আসা পর্যন্ত কথাগুলো রেকর্ডেড থাকে। ফোনটা এসেছিল কোনও মোবাইল থেকে। ব্যাঙ্গালোরের সিম। অরিজিন্যাল মালিককে পাওয়া যায়নি।’

    ‘দ্বিতীয়টা?’

    ‘দ্বিতীয়টা সিসি টিভির ফুটেজ দেখে। তাছাড়া মেন সুইচে প্রিয়তোষবাবুর ফিঙ্গারপ্রিন্টও পাওয়া গেছে।’

    ‘সিসি টিভির ফুটেজ বলতে?’

    ‘রিসেন্টলি কলকাতা পুলিশ প্রায় সব মাঝারি স্ট্রিট আর বড় রাস্তায় সিসি টিভি বসিয়েছে। হেরম্ব দাস লেন গলির মুখের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে, প্রিয়তোষবাবু রাত ১১—৫৫ পর্যন্ত আমহার্স্ট স্ট্রিট থানা থেকে বেচু চ্যাটার্জি স্ট্রিট ধরে বেশ কয়েকবার হাঁটাহাঁটি করেছেন। অথচ আমায় বলেছিলেন, উনি নাকি সাড়ে দশটায় শুয়ে পড়েছিলেন। অথচ শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলল, পরশু রাতে উনি সেখানে আদৌ যাননি।’

    ‘আনবিলিভেবল! প্রিয়তোষ যেভাবে জ্যাঠার দেখভাল করত, নাহ! মেলাতে পারছি না।’

    ‘আমিও প্রথমে পারিনি। কাল দুপুরে আপনার কাছ থেকে ওদের ফ্যামিলি হিস্ট্রি জানার পরে ক্রিমিনোলজি বইগুলো ঘেঁটেছি। এরকম ইনসট্যান্স আছে ডক্টর। এনি ওয়ে ওনার মোটিভ প্রসঙ্গে সব শেষে আসছি ডক্টর। তার আগে প্রিয়তোষের টোটাল প্ল্যানটা বলে নিই।’

    ‘ওকে কিরণ।’

    ‘থ্যাঙ্কয়ু স্যার। প্রিয়তোষবাবু ফোন, আলো নেভানো ছাড়াও আরেকটা ইনোভেটিভ প্ল্যান সাজিয়েছিলেন। ভেরি ইন্টারেস্টিং। সেটা কাজের মেয়ে সন্ধ্যাকে একতাড়া নোট ঘুষ দিয়ে। সন্ধ্যা কিন্তু বোঝেনি। মহীতোষবাবুর বেডরুমের ঠিক বাইরে বেশ বড় বাথরুম। তার এককোণে ওয়াশিং মেশিন। লেটেস্ট মডেল, পুরোটাই কম্প্যুটারাইজড। ঠিকঠাক টাইমার সেট করে, কাপড়জামা ঢুকিয়ে দিলে মেশিন নিজে—নিজেই জল নেয়, কাচাকুচি করে, জল বের করে দেয়, আবার জল নেয়, ধোয়, জল বের করে। টাইম ফুরনো না পর্যন্ত এই প্রসেস চলতেই থাকে।’

    ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ। আমার বাড়িতেও স্ত্রী কিনেছে। দারুণ ব্যাপার!’

    ‘রাইট ডক্টর। কিন্তু আপনি মিসেসের কাচাকুচির সময় কখনও থেকেছেন কি?’

    ‘কী করে থাকব! আমি তো সকালেই বেরিয়ে যাই।’

    ‘মহীতোষবাবুও কখনও থাকেননি। উনিও সকালে অফিস বেরিয়ে যেতেন। দুপুরে সন্ধ্যা কাচাকুচি করে। তাই জানতেন না, কাচার সময় রেগুলার ইন্টারভ্যালে মেশিনের ভিতর থেকে ‘খটাখট’ শব্দ হয়! তারপর জল বেরোনোর কলকল…তারপর শিস—এর শব্দ…কিছু বুঝলেন?’

    ‘নাহ!’

    ‘ইমাজিন করুন। আলো নিভল, ভৌতিক ফোন করল মৃত ভাই, তারপর নিঝঝুম বাড়িতে ওইরকম বিকট শব্দ…জল পড়ছে…! কী ঘটবে মহীতোষবাবুর?’

    ‘মাই গড! কী বলছ কিরণ! ওয়াশিং মেশিনে টাইমার সেট করে কাপড়জামা ঢুকিয়ে দেওয়া ছিল?’

    ‘ইয়েস স্যার। সন্ধ্যাকে দিয়ে প্রিয়তোষ এই কাজটা করিয়েছেন। টাইম সেট করা ছিল রাত বারোটা!’

    ‘তুমি বুঝলে কী করে?’

    ‘স্যর, মেশিনের মোটা পাইপ দিয়ে ওই সকালেও জল সিপ করছিল। নর্দমার মুখটা ভিজে। সেকেন্ড টাইম চেক করতে গিয়ে সব ক্লিয়ার হয়ে গেল স্যার।’

    ‘গ্রেট! গ্রেট কিরণ! উই আর রিয়্যালি প্রাউড অব য়ু।’

    ‘আই’ম অলওয়েস অ্যাট ইওর সার্ভিস স্যার।’

    ‘এবার ইন ব্রিফ বলো তো, প্রিয়তোষের মোটিভ কী ছিল? যাকে এতদিন এত যত্ন করে দেখাশোনা করল, তার বিজনেস সুপারভাইস করল, তাকেই এভাবে সরিয়ে দিতে গেল কেন?’

    ‘স্যর, একটা কথা বলব?’

    ‘বলো।’

    ‘প্রিয়তোষবাবুর মোটিভ ম্যাডাম সব জানেন স্যর। নইলে খুড়তুতো দাদার কাছে বাবার মৃত্যুর খবর পেয়েই আপনাকে ফোন করতেন না। আমি স্যার, ওনাদের ফ্যামিলি হিস্ট্রি জেনেছি ডক্টর মিত্রর কাছ থেকে।’

    ‘মহিমা! বলবে?’

    ‘আমি?…আ—চ্ছা। ইটস আ স্যাড স্টোরি। চম্পকদা, আমার বাবা মানুষটা কিন্তু খারাপ ছিলেন না।’

    ‘না—না। তা কেন হবে? বলো, বলো। আমরা বিশ্বাস করব।’

    ‘চম্পকদা, বাবা ছিলেন একটু অদ্ভুত স্বভাবের। একদিকে স্নেহপ্রবণ, অন্যদিকে প্রচণ্ড রাশভারী। তেমনি ভয়ানক রগচটা। রেগে গেলে কোনও জ্ঞান থাকত না। যে—ই হোক, যা মুখে আসত, বলে দিতেন! একটা টাকাও বাজে খরচ করতেন না, অন্য কেউ করলে তার আর রক্ষে নেই। বাবা তাকে ধুয়ে দিতেন।’

    ‘আ—চ্ছা।’

    ‘কাকিমাকে আমি দেখিনি। তারপর মা—ও হঠাৎ চলে গেলেন। বাবা লাগামছাড়া বদরাগী হয়ে উঠলেন। একেবারে হিটলার হয়ে গেলেন। তখন বাবা—কাকা আর আমরা দুজন। আমাদের ব্যবসায় বাবা সোল প্রোপ্রাইটার। কিন্তু কাকা অংশীদার না হলেও ছিলেন মালিকের মতো। কারণ ভাইকে অসম্ভব ভালোবাসতেন বাবা। এরকম একটা সময়ে, বোধহয় বছর আট—নয় আগে, বাবার সঙ্গে কাকার একদিন মতান্তর হল। ব্যবসায় কোনও একটা লোকসান নিয়ে বাবা সকলের সামনে কাকাকে অকথ্য গালাগালি করলেন। কাকা নিতে পারেননি। সেই রাতে কাকা অপমানে সুইসাইড করলেন।’

    ‘সে কী!’

    ‘হ্যাঁ চম্পকদা। প্রিয়দা কাঁদতে—কাঁদতে মামাবাড়ি চলে গেল।…কিছুদিন পরে অবশ্য বাবা নিজে গিয়ে প্রিয়দাকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে এল। প্রিয়দা তবু এ বাড়িতে থাকল না। তবে বাবার অনুনয়—উপরোধে ব্যবসা দেখতে শুরু করল।’

    ‘তারপর?’

    ‘আমার বিয়ে হয়ে গেল। একসময় আমেরিকাও চলে গেলাম। বাবার বয়স বাড়ছে। আবার খ্যাপামি বাড়তে শুরু করল। যখন—তখন গালাগালি করে প্রিয়দাকে। দাদা গুম খেয়ে রাতে ফোন করে আমায়। আমি ফোন করে দাদাকে বোঝাই। রাগ কমে গেলে বাবা আবার অন্য মানুষ। ভাইপোর হাত জড়িয়ে দুঃখপ্রকাশ করে। এরমধ্যেই বাবা ধুমধাম করে ওর বিয়ে দিয়েছে।’

    ‘তারপর?’

    ‘বাবা অনেক অনুনয়—উপরোধ করে দাদা—বউদিকে পার্মানেন্টলি এ বাড়িতে থাকার জন্য নিয়ে এল।…তাতে সমস্যা কিন্তু বাড়ল। চম্পকদা, বউয়ের সামনে অপমান সহ্য করা খুব কঠিন।’

    ‘রিসেন্টলি এরকম কোনও ঘটনা ঘটেছিল?’

    ‘হ্যাঁ চম্পকদা।…দিন চারেক আগে। প্রিয়দা বউদি—ছেলেকে নিয়ে বেরিয়ে যায়। শ্বশুরবাড়ি গিয়ে ওঠে। বাবা অনেকবার ওকে বুঝিয়েছে, নিজের দোষ স্বীকার করেছে, প্রিয়দা ফেরেনি। কিন্তু অফিসে ঠিক আসত। বাড়িতে এসে বাবাকে দেখাশোনা করে রাতে চলে যেত। আসলে বাইরের লোককে বুঝতে দিত না। প্রতি রাতে এই নিয়ে বাবার সঙ্গে আমার ফোনে কথা হত। আমার ধারণা, প্রিয়দা সেই সময়েই প্রতিশোধের ডিসিশন নিয়ে ফেলে।’

    ‘ওঃ!’

    ‘প্রিয়দা স্যালারি পেত। বাবা ওকে পার্টনার করেনি। কিন্তু আমায় বলেছিল, গোটা ব্যবসাটা প্রিয়দার নামেই উইল করেছে। সম্পত্তিরও ফিফটি পার্সেন্ট ওকেই দিয়েছে। কিন্তু প্রিয়দা তো এসব কিছুই জানে না। তাই—’

    ‘হ্যাঁ মহিমা। বাবার মানে তোমার ছোটকাকার সুইসাইডের ঘটনাই বা প্রিয়তোষ ভোলে কী করে?’

    ‘ঠিক বলেছেন চম্পকদা। প্রিয়দাকে আমি খুনি ভাবতে পারছি না।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপিশাচ দেবতা – অনীশ দাস অপু
    Next Article বাড়িটায় কেউ যেয়ো না – অনীশ দেব

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }