Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন

    কাজী মায়মুর হোসেন এক পাতা গল্প162 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    খুনে ক্যানিয়ন – ৯

    নয়

    অসহ্য গরমে ধুলোর মধ্যে চওড়া একটা সমতল ভূমিতে ঘোড়া দাবড়ে বেড়াচ্ছে বেনন। ওর পাশে চলেছে রিয়ো। প্রতিদিন একই রুটিন। রেঞ্জে ঘুরে বেড়ানো। ভাগ্যের পরিহাস, ভাবল বেনন, সেই সীমান্ত থেকে বেন স্টার্কের সঙ্গে যোগ দিতে এতদূর এসেছে ও, বলা চলে তার দলের লোক হয়ে গেছে, অথচ স্যাডলে চড়ে পাছা ব্যথা করা ছাড়া কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।

    রিয়ো সিদ্ধান্ত নিল দক্ষিণের দিকটায় যাওয়া দরকার। নদীটা ওদিকেই। মসৃণ ঢেউ খেলানো টিলাগুলোকে পেছনে ফেলে রুক্ষ বিরান প্রান্তরে চলে এল ওরা। অজস্র ক্যানিয়ন আর র‍্যাভিনের কারণে দুর্গম এক অঞ্চল এটা। অনেকক্ষণ পর উঁচু একটা ব্লাফের ওপর থেমে দাঁড়াল ওরা। নিচে দেখা যাচ্ছে নদীটাকে, ঘোলাটে পানি বুকে নিয়ে ধীরে বয়ে চলেছে নিঃশব্দে।

    ‘জিলা?’ জিজ্ঞেস করল বেনন।

    নড করে ঘোড়া ঘুরিয়ে নিল রিয়ো, একটা অ্যারোয়োর সামনে থমকে দাঁড়াল। খাদটা দেখলে মনে হয় ন্যাড়া পাহাড়ের বুকে ছুরির তীক্ষ্ণ পৌঁচ মেরেছে কেউ। মাঝখান থেকে কেটে নিয়েছে বিরাট একটা অংশ।

    রিয়োর দৃষ্টি অনুসরণ করে তাকাল বেনন। অ্যারোয়ো ধরে হেঁটে এগিয়ে আসছে এক প্রসপেক্টর তার খচ্চর নিয়ে। শামুকের মত ধীর গতিতে আসছে সে। লোকটাকে দূর থেকে দেখে কেমন পরিচিত বলে মনে হলো বেননের।

    বেননকে হাতের ইশারা করে হাতে রাশ তুলে নিল রিয়ো, স্পারের খোঁচা দিয়ে পূর্ণ গতিতে ঘোড়া ছোটাল আগন্তুকের দিকে। অ্যারোয়োর ভেতরে ঢুকে লোকটার দু’পাশে ঘোড়া থামাল ওরা, তাকিয়ে থাকল নির্বাক।

    বিস্মিত ভাবটা লুকাতে হলো বেননকে। লোকটা আর কেউ নয়, মাইক ফ্ল্যানারি। মুখ ভর্তি খোঁচা খোঁচা দাড়ি, পরনে এখন প্লেইড শার্ট আর কর্ডের প্যান্ট, কিন্তু মাথায় ঠিকই শোভা পাচ্ছে তোবড়ানো স্টেটসন। কোমরে ঝুলছে সিক্সগান।

    ‘চমৎকার সঙ্গী পাবার জন্যে ভাগ্যকে ধন্যবাদ দিতেই হয়,’ মন্তব্য করল ফ্ল্যানারি। রিয়োর ওপর থেকে সরে এসে তার দৃষ্টি স্থির হলো বেননের ওপর। নীল চোখে স্পষ্ট বদমায়েশী। পরিচয়ের কোন চিহ্ন ফুটল না তার চেহারায়, একটা সিগারেট, রোল করে ধরাল ধীরেসুস্থে।

    ‘আইসিসি রেঞ্জে কী করা হচ্ছে?’ জিজ্ঞেস করল রিয়ো।

    বালু আর ক্যাকটাস হাত দিয়ে দেখাল ফ্ল্যানারি। বিস্মিত শোনাল তার কণ্ঠ। ‘রেঞ্জ এটা! জ্যাক র‍্যাবিটও তো না খেয়ে মরবে।’

    ‘প্রসপেক্টিং করো তুমি?’

    ‘তা নইলে এই জাহান্নামে আসি?’ খচ্চরটা দেখাল ফ্ল্যানারি। মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে ওটা। ওটার পিঠে কোদাল, শাবল ইত্যাদি বেঁধে রাখা হয়েছে।

    স্যাডলে আরাম করে বসল রিয়ো, আইরিশ ম্যানের চোখে চোখ রেখে বলল, ‘নদীর দিকে কোন খনিজ নেই।’

    ‘তারমানে কি আমি ধরে নেব যে পাবার কোন আশাও নেই?’

    ‘এদিকে ঘুরঘুর করছ কয়দিন হলো?’

    চিন্তিত চেহারায় সিগারেটে টান দিল ফ্ল্যানারি। ‘তা বিশ বছর তো হবেই। কিছু কম বা বেশি হতে পারে।’

    ‘আস্ত মিথ্যুক তুমি,’ বলেই ঝটকা দিয়ে সিক্সগান বের করল রিয়ো। ‘তোমার কোদাল আর শাবল পুরানো, কিন্তু বুট জুতোগুলো একেবারে নতুন। দেখি তোমার হাত?’ কাছে ঘেঁষল রিয়ো, আইরিশম্যানের ওপর থেকে মুহূর্তের জন্যেও অস্ত্র সরাল না। একটা হাত টেনে নিয়ে পরখ করে দেখল। ‘একেবারে গানম্যানদের মত নরম! জীবনে কোনদিন তুমি শাবল বা কোদাল চালাওনি।’

    ‘এটা ঠিক যে হাতের যত্ন নিই আমি,’ বলল অবিচলিত আইরিশ লোকটা। ‘এমন কোন আইন আছে যে কাজের সময় গ্লাভ্স্ ব্যবহার করা যাবে না?’ বেল্টের তলা থেকে ভারী দুটো গ্লাভ্স্ বের করে দেখাল সে।

    ‘বাজি ধরে বলতে পারি, খনিজের বদলে বাউন্টি মানি সংগ্রহ করো তুমি,’ টিটকারির সুরে বলল রিয়ো।

    হাসল ফ্ল্যানারি। ‘এখানে এই দুর্গম নির্জন এলাকায় বাউন্টি মানি?’

    ‘ফালতু কথা বন্ধ করো!’ ধমক দিল রিয়ো। বেননের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘একে নিরস্ত্র করো, রন।’

    ঘোড়া থেকে নেমে ফ্ল্যানারির সিক্সগানটা নিয়ে নিল বেনন।

    ‘এবার এগোও আমাদের সঙ্গে, নির্দেশ দিল রিয়ো। অ্যারোয়োর উঁচু দিকটা দেখাল চোখের ইশারায়। ‘হাত যেমন নরম তেমনি তোমার পা-ও যদি নরম হয় তা হলে এক গাদা ফোস্কা উপহার পাবে তুমি।’

    প্রায় আর্তনাদ করে উঠল ফ্ল্যানারি, ‘একজন নিরীহ মানুষকে অস্ত্রের মুখে কোথায় নিয়ে যাচ্ছ তোমরা?’

    ‘আইসিসি,’ সংক্ষেপে উত্তর দিল রিয়ো।

    ‘আইনের কানে অবশ্যই যাবে যে আমাকে জোর করে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

    ‘আইন!’ টিটকারির সুরে বলল রিয়ো। ‘পেকোসের পশ্চিমে! হাঁটা শুরু করো বকবক থামিয়ে।’

    কথা না বাড়িয়ে সামনে বাড়ল ফ্ল্যানারি। তার পেছনে চলল খচ্চরটা। অনুসরণ করল বেনন আর রিয়ো।

    দ্রুত কাজ করছে বেননের মাথা। এখন বুঝতে পারছে ওর ধারণা ভুল ছিল, মাইক ফ্ল্যানারি বেন স্টার্কের দলের লোক নয়। রিয়ো যেমন বলছে তাই কি সঠিক? লোকটা বাউন্টি হান্টার? সম্ভবত ভুল ভাবছে রিয়ো। ধারণা করল এলডোরাডোতে রুপোর বাঁট দেখে প্রভাবিত হয়ে প্রসপেক্টর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লোকটা। ভাগ্য তাকে নিয়ে এসেছে খুনে ক্যানিয়নের কাছে। সম্ভবত গর্বের কারণে সে বলতে পারছে না যে প্রসপেক্টিঙে সে একেবারে নতুন। সেকারণেই রিয়োর সন্দেহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সে।

    ‘হয়তো ভুল লোককে বিনা কারণে ধরে নিয়ে চলেছি আমরা,’ মন্তব্য করল বেনন।

    কাঁধ উঁচু করল রিয়ো। ‘হতে পারে। এদিকের পাহাড়ে প্রসপেক্টরদের অভাব নেই। লাশের ওপর মাছির দলের চেয়ে বেশি প্রসপেক্টর এদিকে ঘুরঘুর করে। কিন্তু এর মত নরম হাতওয়ালা নয় তারা কেউ। রেড এর পেট থেকে সমস্ত কথা টেনে বের করতে বেশি সময় নেবে না।’

    ‘রেড বেশ নিষ্ঠুর বোধহয়?’

    ‘কতটা তা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না। রেড যখন একে ছাড়ান দেবে ততক্ষণে এ বারবার ভাববে যে ওকে যদি গুলি করে মেরে ফেলতাম তা হলে এত কষ্ট পেত না।’

    চুপ করে গেল বেনন। ভুলতে পারছে না যে সঙ্গী হিসেবে ফ্ল্যানারি মোটেও খারাপ ছিল না। লোকটা জীবন বাঁচিয়েছে ওর। তাছাড়া নির্দোষ কাউকে যারা অত্যাচার করে তাদের দলে থাকাটা সত্যিই কষ্টকর। মানসিক নির্যাতন।

    হাঁটছে বলে দেরি হচ্ছে ফ্ল্যানারির। সূর্য ডুবে যাওয়ার কিছু পরে র‍্যাঞ্চে পৌঁছল ওরা। আরেকটা বিস্ময় অপেক্ষা করছিল বেননের জন্যে। বাঙ্ক হাউসের পাশে দাঁড়িয়ে আছে বাক্স আকৃতির একটা ওয়্যাগন। ঝকমকে হলুদ রং ওটার। প্রফেসর রুবেন স্টাসির ওয়্যাগন ওটা।

    ‘রেডকে খবর দাও,’ বেননকে বলল রিয়ো। ‘আমি একে পাহারা দিয়ে রাখছি।’

    স্যাডল থেকে পিছলে নামল বেনন। ফ্ল্যানারির অবস্থা খারাপ। ধুলোময় চেহারা। ক্লান্ত শ্রান্ত। ফোস্কা পড়ে গেছে পায়ে। খচ্চরটার গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়াল সে।

    রাগান্বিত একটা চিৎকার শোনা গেল বাঙ্ক হাউসের ভেতর থেকে। পরক্ষণেই ভেসে এল সমস্বরে হাসির আওয়াজ। ভেতরে ঢুকে বেনন দেখল চকচকে দাড়ি নিয়ে টুলে বসা একটা লোকের ওপর ঝুঁকে আছে প্রফেসর, চোখ দুটো ঝিকমিক করছে অনাবিল আনন্দে। লোকটার চেহারায় ব্যথার ছাপ। প্রফেসর সোজা হয়ে দাঁড়াল, হাতের ফরসেপে একটা মাড়ির দাঁত। ‘এই অসুস্থ দাঁত আর কখনও ভদ্রলোককে কষ্ট দেবে না,’ ঘোষণার সুরে বলল সে। ‘তোমরা দেখেছ কী দক্ষতা আর যত্নের সঙ্গে উপড়ে আনা হয়েছে এটা। এক ডলার প্লিজ! পরেরজন বসে যাও টুলে।’

    দাঁত হারানো গানহ্যাণ্ড তাড়াহুড়ো করে টুল ছাড়তেই কয়েকজনকে ঠেলে এগিয়ে এসে টুলে বসল রেড কেলটন।

    কনুইয়ের গুঁতো দিয়ে পথ করে নিয়ে তার পাশে চলে এল বেনন। ‘বাইরে এক প্রসপেক্টরকে নিয়ে এসেছি আমরা। নদীর কাছে ঘোরাঘুরি করছিল লোকটা।’

    ‘আটকে রাখো ওকে।’ কেলটনের মন যে সম্পূর্ণ অন্যদিকে তাতে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই। ‘জ্বালাতন কোরো না, এমনিতেই আমি অনেক ঝামেলায় আছি। মাথা ঝিমঝিম করছে, দাঁত কনকন করছে, হাড় ঝনঝন করছে। খুবই খারাপ অবস্থা।’

    ‘আচ্ছা।’ প্রফেসরের দিকে ফিরল বেনন। ‘আমাকে চিনতে পারছ?’

    একটু অন্যমনস্ক ভাবে বেননকে দেখল রুবেন, দাড়ি হাতাল কিছুক্ষণ, তারপর বলল, ‘চিনেছি। রন জনসন। তা তোমার শরীরের অবস্থা কী, রন? পেট ঠিক আছে তো? দাঁতে ব্যথা নেই? পিঠের যাতনা? মাথা ধরা? প্রফেসর রুবেন সব জানে, চিকিৎসা করে, এবং বিশ্বাস করো, সুস্থ করেও তোলে।’

    ‘স্যাডলে চেপে চেপে পেছনটা শুধু ব্যথা হয়ে আছে,’ জানাল বেনন। ওষুধের অপেক্ষা না করে বেরিয়ে এল বাঙ্ক হাউস থেকে। বুঝতে পারছে প্রফেসরের ভাল করে মনেও নেই যে তাকে ও মরুভূমিতে বাঁচিয়েছিল।

    ‘রেড বলল একে আটকে রাখতে,’ বাইরে এসে রিয়োকে জানাল বেনন। ‘ঠিক আছে,’ ঘোঁৎ করে উঠল রিয়ো, ফ্ল্যানারির কাঁধ আঁকড়ে ধরে বাঙ্ক হাউসের কোনার দিকে ঠেলে নিয়ে চলল। পেছনে পা বাড়িয়ে বেনন দেখল, কামারশালা আর ওয়্যাগন শেডের মাঝখানের ছোট একটা অ্যাডোবি ঘরের দিকে ফ্ল্যানারিকে নিয়ে যাচ্ছে রিয়ো। জোর খাটিয়ে পুরু কাঠের দরজাটা খুলল সে। ভেতর থেকে ভাপসা একটা গন্ধ আসছে। ক্লান্ত আইরিশম্যানকে ঠেলা দিয়ে ভেতরে ঢোকানো হলো। থমকে দাঁড়াল ফ্ল্যানারি, নাক কুঁচকে ঘোষণা দিল, ‘এই দুর্গন্ধযুক্ত ঘরে যেয়ো কুকুরও থাকতে পারবে না।’

    অস্ত্র বের করে ওটার নল দিয়ে ফ্ল্যানারির মাথার পাশে জোরে একটা বাড়ি দিল রিয়ো। ধড়াস করে মাটিতে পড়ল ফ্ল্যানারি। সন্তুষ্টির আওয়াজ করল রিয়ো নাক দিয়ে। ‘এবার শালা গন্ধ পাবে না আর।’ দরজাটা বন্ধ করে দিল, তারপর কাঠের আড়াটা আটকে ফিরে তাকাল বেননের দিকে। ‘আমাদের কাজ শেষ, এবার রেডের কাজ শুরু হবে সকালে।’

    বাঙ্ক হাউসের দেয়ালের গায়ে ঠেস দিয়ে একটা সিগার ধরাল বেনন। মাইক ফ্ল্যানারির পরিণতি চিন্তা করে ভাল লাগছে না ওর। ওর জীবন বাঁচিয়েছিল ফ্ল্যানারি। হালকা মনের আইরিশ লোকটা ভাগ্য পরীক্ষা করতে চাইবে ঠিক তেমন ধরনেরই মানুষ। ভুল জায়গায় ভুল সময়ে চলে এসেছে সে। সেজন্যে তাকে চরম মাসুল দিতে হবে সেটা হওয়া উচিত নয়। কাল পর্যন্ত ফ্ল্যানারি বন্দি থাকলে তার শেষ আশ্রয় যে বুটহিল হবে তাতে তেমন একটা সন্দেহের অবকাশ নেই। রেড তাকে ছাড়তে পারবে না ফ্ল্যানারি আইন নিয়ে ফিরে আসতে পারে সেকারণে। আইসিসিতে আইনের উপস্থিতি মোটেই কাম্য নয়। ধরে নেয়া যায় ফ্ল্যানারি মারা গেছে। অথচ লোকটা ভাল। ভরসা করা যায় তার ওপর। ভাল বন্ধু হবার সমস্ত সৎ গুণই আছে ফ্ল্যানারির।

    পরিকল্পনা ঠিক করে ফেলল বেনন।

    বাঙ্ক হাউসের ভেতর থেকে প্রফেসর রুবেনের কথা শুনতে পাচ্ছে ও। ওষুধ বেচছে সে ক্রুদের কাছে। লোকটার সাহায্য চাইবে কিনা ভাবল বেনন, পরক্ষণে চিন্তাটা মাথা থেকে দূর করে দিল। রুবেন ওকে ঠিক মত চিনতে পেরেছে কিনা তাতেও সন্দেহ আছে। তাছাড়া পিছলা লোক এই প্রফেসর রুবেন। নিজের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে তেমন কোন কাজে তাকে জড়ানো যাবে না। যাকে চেনেই না তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিতে যাবে না সে।

    রুবেনের দর্শন বুঝতে অসুবিধে হয়নি বেননের। ওষুধ ভরা ওয়্যাগন নিয়ে নানা জায়গায় যায় সে, নানা ধরনের মানুষের সঙ্গে মেশে, ব্যবসা করে তাদের সঙ্গে। নিশ্চিত নিরপেক্ষতা আর মুখ বন্ধ রেখে নিজের কাজ করে যাওয়ার কারণেই এখানে এই বন্য এলাকায় টিকে আছে সে। বেন স্টার্কের দল যেখানে জড়িত সেখানে প্রফেসর দ্বিগুণ সতর্ক থাকবে। এদিকের আউট-লরা খেপা র‍্যা স্নেকের মতই ছোবল দিতে উদ্যত-বিপজ্জনক। না, ফ্ল্যানারিকে যদি সাহায্য করতেই হয় তা হলে আর কারও সহায়তা নেয়া যাবে না, যা করার করতে হবে ওর নিজেকেই। একা। যা করার করতে হবে দ্রুত। হাতে বেশি সময় নেই।

    কূকের ঘণ্টার আওয়াজ শুনতে পেল বেনন। সাপারের জন্যে বাঙ্ক হাউস থেকে বেরিয়ে আসছে ক্রুরা। তাদের সঙ্গে মিশে গেল বেনন, যদিও দুশ্চিন্তার কারণে খিদে নষ্ট হয়ে গেছে ওর।

    ছায়া ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। পাহাড়ের চূড়োগুলো আবছা হয়ে এল, তারপর রাত নামল চারপাশ অন্ধকার করে। উঠানে এখনও রয়েছে প্রফেসরের ওয়্যাগন, কিন্তু তাকে কোথাও দেখল না বেনন। আন্দাজ করল প্যাশিয়োতে আছে সে, রিয়ার নৈকট্যে স্কচ হুইস্কি গিলছে। বাক্যবাগীশ প্রফেসর যেকোন পরিস্থিতিতে নিজেকে সহজেই মানিয়ে নিতে পারবে।

    আজ রাতে বাঙ্ক হাউসে কোন হট্টগোল নেই। মেঝেতে পড়ে আছে প্রফেসরের ব্যথা নিরোধক ওষুধের খালি বোতল। আশি ভাগ অ্যালকোহলে তৈরি ওষুধ নামের কড়া মদ গিলে মাতাল হয়ে গেছে গানম্যানরা। স্টোভটাও জ্বলছে না। ঘরের ভেতরটা বেশ শীতল। যে যার বাঙ্কে শুয়ে নাক ডাকাচ্ছে। রেড চিৎ হয়ে পড়ে আছে তার বাঙ্কে, মুখটা হাঁ করা, নাক ডাকছে বেশ জোরেশোরে।

    নিজের বাঙ্কে চলে এল বেনন, জুতো খুলে শুয়ে পড়ল। ঠিক করেছে ঘুমাবে না। মাইক ফ্ল্যানারিকে উদ্ধার করতে হবে, তার আগে বিশ্রামের উপায় নেই। মনোযোগ দিয়ে ভারী নিঃশ্বাস প্রশ্বাস শুনছে ও। একজনকে টলতে টলতে বাঙ্ক থেকে উঠতে দেখল। বাইরে গেল লোকটা প্রস্রাব করতে। একটু পরই ফিরে এল, শুয়ে পড়ল। নাক ডাকতে শুরু করল প্রায় সঙ্গে সঙ্গে।

    রাত শেষ হবার আগেই করতে হবে যা করার। কাল বড় বেশি দেরি হয়ে যাবে। নিঃশব্দে বাঙ্ক ছাড়ল বেনন, জুতো পরে নিয়ে গানবেল্টের দিকে হাত বাড়িয়ে থমকে গেল। ওটা নেয়া ঠিক হবে না। এমনিতে কেউ ওকে বাইরে যেতে দেখলেও অজুহাত দেখানো যাবে যে পেট খালি করতে বেরিয়েছে সে। কিন্তু গানবেল্ট নিলে সেটা সন্দেহজনক ঠেকবে।

    ঘুমন্ত লোকদের পাশ কাটিয়ে সাবধানে খোলা দরজার কাছে চলে এল বেনন। আধ খাওয়া চাঁদ উঠানে মৃদু আলোআঁধারির খেলায় মেতেছে। হলুদ ওয়্যাগনটার কাছে নড়াচড়া চোখে পড়তে বরফের মত জায়গায় জমে গেল ও। মনোযোগ দিয়ে তাকানোয় দেখতে পেল দুটো মূর্তি। পরস্পরের খুব কাছাকাছি দাঁড়িয়ে আছে তারা। একে অপরকে জড়িয়ে ধরল। রিয়াকে চিনতে ভুল হলো না। প্রফেসরের গলা জড়িয়ে ধরেছে মেয়েটা, গভীর আবেগে চুমু বিনিময় করছে দু’জন। মেয়েটা বোধহয় ভাবছে রুবেন স্টাসিকে ব্যবহার করে আইন ডেকে আনতে পারবে র‍্যাঞ্চে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা
    Next Article মৃত্যু উপত্যকা – কাজী মায়মুর হোসেন

    Related Articles

    কাজী মায়মুর হোসেন

    অদৃশ্য ঘাতক – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    ধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মৃত্যু উপত্যকা – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৮ – মহাপ্লাবন

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }