Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প139 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    খুনে মার্শাল – ৫

    পাঁচ

    শব্দ তুলে হাসল বেভিন। ‘আমি জানতাম তোমাকে বেছে নিয়ে ভুল করিনি,

    টেড।

    ‘অর্থাৎ আমি একজন ঠাণ্ডা মাথার খুনী?’

    ‘না, ঠিক তা নয়,’ নিজেকে সংযত করে বলল মিলার। ‘আমি বোঝাতে চেয়েছিলাম তোমার বেলায় কথা পাড়ার আগে ধানাই-পানাই না করে সোজা কাজের কথায় আসা যায়।’

    মাথা নাড়ল টেড। ‘আমি তোমার সাথে এখনও কোন চুক্তিতে আসিনি। কাজটা কি তার ওপর সব নির্ভর করছে।’

    ‘কাজটার জন্যে তোমাকে এক হাজার ডলারের সোনার মুদ্রা দেব আমি। তারপর তুমি টাকা নিয়ে কোথায় যাও বা কি করো সেটা তোমার খুশি। ইচ্ছে করলে তুমি টেক্সাসে আমার র‍্যাঞ্চেও কাজ করতে পারো।’

    ‘তোমার ওখানে থেকে গেলে বেতন কত হবে?’

    ‘মাসে একশো ডলার। থাকা, খাওয়া ফ্রী।’

    ‘আমার কাজটা কি হবে?’

    ‘এখানে তুমি যা করছিলে তাই। র‍্যাঞ্চটাকে গরু চোর, গুণ্ডা আর বদমায়েশের হাত থেকে বাঁচাতে হবে। কেবল ব্যাজটা থাকবে না-এটাই তফাত।’

    ‘অর্থাৎ সহজ কথায় খুন।’ মুখ তুলে সরাসরি মিলারের দিকে তাকাল টেড। ‘তোমাকে আমি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, আমি যত মানুষ মেরেছি তাদের প্রত্যেকেই ছিল আউটল। এবং নেহাত বাধ্য না হলে আমি গুলি করিনি।’

    ‘কেবল একটাই ব্যতিক্রম। আজ যাদের তুমি মেরেছ তাদের একজন মহিলা।’

    মুখ কুঁচকে চোখ সরিয়ে নিল টেড। কথাটা কি করে সে ভুলবে? ‘হ্যাঁ,’ বিড়বিড় করে বলল সে, ‘কিন্তু পুরুষের পোশাক ছিল ওর পরনে।’

    ‘ভাবনার কিছু নেই, টেড। আমার হয়ে যাকে তোমার সরাতে হবে সে একজন আউটল। আচ্ছা, এম্পোরিয়ামে গিয়ে আমাদের বাকি কথা শেষ করলে কেমন হয়? গরমে আমার গলা একেবারে শুকিয়ে উঠেছে।’

    একটু হেসে কাঁধ উঁচিয়ে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াল টেড। ‘চমৎকার প্রস্তাব। চলো, ওখানেই যাওয়া যাক।’

    দরজার দিকে এগোতে এগোতে পিছন ফিরে তাকাল মিলার। ‘তাহলে আমার প্রস্তাবে তুমি আগ্রহী?’

    কোমরের পিস্তলটা ডান উরুতে জায়গা মত বসিয়ে নিয়ে টেড জবাব দিল, ‘ক্ষতি কি?’ র‍্যাঞ্চারের পিছু নিয়ে রাস্তায় নামল মার্শাল।

    এম্পোরিয়ামের দিকে যেতে যেতে রাস্তায় লোকগুলোর জটলা আড়চোখে খেয়াল করল টেড। রাস্তায়, ফুটপাথে, কোনটা আবার দোকানের দরজার সামনে।

    আরও একটু সামনে গ্রেট প্লেইন্স হোটেলের সামনে মেয়র মায়ার্স, টোনি রস, জেরি ট্যানার, জন শেপার্ড আর ডক সেলবি গভীর আলোচনায় ব্যস্ত। আর কোনদিকে ওদের খেয়াল নেই

    বাঁকা একটা হাসি ফুটে উঠল টেডের ঠোঁটে। সে ভাবল, তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ওদের বেগ পেতে হচ্ছে না তো?

    ‘মনে হচ্ছে শহরের মাথারা প্রকাশ্যেই আলোচনা চালাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত ওরা যদি তোমাকে বরখাস্ত না করে, তাহলে তুমি কি করবে?’

    ‘হাহ! তুমি ভুল বুঝেছ, মিলার। ওরা হয়তো আমাকে শহর থেকে দাবড়ে বের করার ফন্দিই আঁটছে। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে দাঁড়াবার মত সাহস ওদের কারও নেই। ওই চটকদার টুপি পরা লোকটাই এখানকার মেয়র।’

    ‘বুঝতে পারছি, লোকটা তোমার বন্ধু নয়।’

    ‘না, আমার বন্ধু সে কোনকালেই ছিল না।’

    এমপোরিয়ামের কাছে এসে পৌঁছল ওরা। সামনের সাইন বোর্ডে লেখা আছে, বিভিন্ন প্রকার উৎকৃষ্ট মদ, জুয়া, আর পছন্দ মত মেয়েমানুষ!

    সেলুনের সামনে জনা ছয়েকের একটা জটলা। টেড আর বেভিন এগোতেই ওদের আলাপ একেবারে থেমে গেল।

    অতীতে ওদের জন্যে টেড যা করেছে তা ভুলতে ওদের সময় লাগেনি। একজন লম্যান তাকে যা বলেছিল সেটাই হয়তো ঠিক। সে বলেছিল তুমি ওদের মত অনুযায়ী যতদিন চলো ততদিনই ওদের ভালবাসা পাবে, একটু ব্যতিক্রম হলেই ওরা তোমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তে দ্বিধা করবে না।

    কথাটা সে হেসেই উড়িয়ে দিয়েছিল। ভেবেছিল তার জীবনে এটা কোনদিনই ঘটবে না। সৎভাবে তার কাজ করে গেলে তাকে সবাই সম্মান করবে।

    এটা বছরখানেক আগের কথা। কিন্তু এর পর থেকে দেখেছে কেউ তাকে সমর্থন করেনি। তার সব চেষ্টাই বৃথা গেছে। কেবল মিথ্যে সমালোচনা আর অবজ্ঞার পাত্রই হয়েছে ও।

    ওরা এম্পোরিয়ামের বারান্দায় উঠে ভিতরে ঢুকল। একজন কাউপাঞ্চার ওকে দেখে সামান্য নড করে বেরিয়ে শহরের জটলার সাথে যোগ দিল।

    একটু ইতস্তত করে আড়চোখে মার্শের দিকে তাকাল মিলার। ‘তোমার স্টার কেড়ে না নিলে তুমি কি করবে তা কিন্তু তুমি বলোনি।’

    কঠিন একটা হাসি ফুটে উঠল টেডের মুখে। কাউন্সিলের কিছু লোককে বারে ঢুকতে দেখা গেল। ডান হাত তুলে ওদের থামাল টেড। ‘তোমরা ওখানেই থামো,’ বলল সে। ‘এই গরমের মধ্যে কারও ঘেমে ওঠার দরকার নেই।’

    ‘মিস্টার মার্শ,’ বলল মেয়র মায়ার্স, ‘আজকে যা ঘটেছে সেটা নিয়ে কাউন্সিল মীটিঙে অনেক আলাপ আলোচনা হয়েছে, এবং আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি…’

    ‘বৃথা কথা খরচ করে লাভ নেই, মিস্টার মেয়র। আমি নিজে থেকেই কাজে ইস্তফা দিচ্ছি।’ বুক থেকে স্টারটা খুলে ওদের দিকে ছুঁড়ে দিল সে। তারপর মিলারকে বলল, ‘চলো, ড্রিঙ্ক নিয়ে কাজের কথায় বসি। এই মুহূর্ত থেকে আমি তোমার হয়ে কাজ করছি।’

    ছয়

    একটা সন্তোষের হাসি ছড়িয়ে পড়ল মিলারের চেহারায়। ‘শুনে খুশি হলাম, টেড,’ বলে কোনায় একটা খালি টেবিলের দিকে এগোল।

    বাইরে শহরবাসীর মৃদু গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। কাউন্সিলমেন এম্পোরিয়ামের থেকে বাইরে থাকাই ভাল বলে মনে করছে। টেডের মোকাবিলা করতে কেউ রাজি নয়। ওকে ওরা ভয় পায়।

    ‘তুমি কোন্ আউটলকে শেষ করার জন্যে আমাকে লাগাচ্ছ, মিলার?’ খালি চেয়ার টেনে বসে প্রশ্ন করল টেড। একটু অসহিষ্ণুভাবেই বারটেণ্ডারকে হাতের ইশারায় ডাকল। ওর মূড এখন খিঁচড়ে আছে-স্বটা তিক্ত। ব্যবহারও একটু রূঢ়।

    ওর উলটো পাশের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসল মিলার। হ্যাটটা নামিয়ে রুমাল বের করে ঘামে ভেজা কপাল মুছল। তারপর সামনে ঝুঁকে সোজা মার্শের চোখে চোখ রাখল।

    ‘যাকে মারতে হবে সেই আউটলর নাম রেক্স বিলিঙ,’ বলল সে। ‘লোকটা খুব নিষ্ঠুর। নরকের আগুনে পুড়ে কঠিন হয়েছে। তাই কাজটা খুব সহজ হবে মনে কোর না। তাছাড়া পিস্তলেও ওর হাত খুব চালু।’

    ‘কোন কাজই আমি হালকাভাবে নিই না.’ শুষ্ক স্বরে জবাব দিল টেড। ‘এই বিলিঙ লোকটা কি ওয়ানটেড ক্রিমিন্যাল?’

    ‘অবশ্যই! তবে আমি জানি না ওর বিরুদ্ধে অভিযোগটা কি।’ চেয়ারে হেলান দিয়ে আরাম করে বসল র‍্যাঞ্চার। বারটেণ্ডার দুটো গ্লাস আর একটা বোতল দিয়ে গেল। ‘আসলে কথা হচ্ছে কোন লম্যান ওর মোকাবিলা করতে সাহস পায় না, কারণ কাজটা রিস্কি।’

    মিলারের জন্যে অপেক্ষা না করে নিজের গ্লাসটা ভরে এক চুমুকেই পুরোটা শেষ করল মার্শ। ‘হ্যাঁ, কিছু-কিছু সময়ে এমন ঘটে বটে,’ বলে হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে মুখ মুছল সে।

    ‘কিন্তু তোমার জন্যে নয়,’ বলল মিলার। ‘আমি জানি যত বড় খুনীই হোক, তুমি তাকে সামলাতে পারবে।’

    প্রশংসাটা মাঠেই মারা গেল। ‘এই বিলিঙ লোকটা…সে তোমার কি ক্ষতি করেছে যে তুমি ওর মৃত্যু চাইছ?’

    ‘কি ক্ষতি করেছে? সেটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। ওই কথা না তুললেই আমি খুশি হব। যাক, আমার যা ক্ষতি করেছে তা তো করেছেই, অন্যান্য আরও মানুষের অনেক ক্ষতি সে করেছে। ছোট র‍্যাঞ্চার, ব্যবসায়ী, এদের।’

    ‘মানে হোল্ডআপ, ডাকাতি?’

    ‘সাথে কিছু খুনও করেছে।’

    মুখ বাঁকা করে একটু ভেবে নিয়ে মার্শ বলল, ‘তোমাদের লম্যানের এতদিনে ওর বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা নেয়া উচিত ছিল।’

    বিষণ্ণভাবে হাসল মিলার। ‘এই রেক্স বিলিঙ লোকটা নিজের ট্র্যাক কিভাবে লুকাতে হয় তা ভাল করেই জানে। আমরা মাত্র কয়েকজন ছাড়া কেউ জানে না ও কি ধরনের মানুষ।’

    কাঁধ উঁচিয়ে আবার নিজের গ্লাসটা ভরে নিল মার্শ। ওপাশ থেকে কোন মহিলার প্রাণখোলা হাসির শব্দ ভেসে এল।

    ‘তুমি নিজেই এর একটা সমাধান করতে পারতে, মিলার,’ অল্পক্ষণ চুপ করে থেকে বলল মার্শ। ‘তুমি একটা পাসি নিয়ে-’

    টেক্সানের চেহারা গম্ভীর হলো। ‘তুমি যা বলছ আমাদের তা করতে না পারার যথেষ্ট কারণ আছে। প্রতিশোধ নিতে আগ্রহী আত্মীয়-স্বজন- না, সেটা আমরা চাই না,’ একটু অস্থির স্বরেই বলল মিলার। ‘সবকিছুর জন্যেই একটা ব্যাখ্যা দরকার হলে কাজটা তোমার না নেয়াই ভাল।’

    ‘শোনো, মিলার,’ কঠিন স্বরে বলল মার্শ। ‘আমি যদি কাউকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে বেরোই, আমার জানতে হবে কারণটা কি।’

    নীরবতার মধ্যে কাটল কিছুক্ষণ। দুজনেই দুজনের দিকে চেয়ে আছে— চোখের পলক ফেলছে না কেউ। একটু নড়ছেও না। শেষে মিলার মুখ খুলল, ‘তুমি কাজটা নিচ্ছ, কি না?’

    ধীরে দ্বিতীয় গ্লাস হুইস্কি গলায় ঢেলে আবার নিজের গ্লাস ভরল মার্শ।

    মিলারের প্রস্তাব গ্রহণ করলে সে ভাড়াটে পিস্তলবাজের পর্যায়ে পড়বে তা বুঝতে পারছে মার্শ। মানুষ হিসেবে ভাড়াটে খুনী তার চোখে খুব নিচু স্তরের মানুষ। তাকেও তাই হতে হবে, এটা মেনে নিতে পারছে না। ওর মন প্রতিবাদ করছে।

    কিন্তু পিস্তলবাজিই তার ব্যবসা, পেশা। নিজেকে বোঝাল টেড। এছাড়া সে কেবল র‍্যাঞ্চের কাজ জানে। এবং বর্তমানে এই এলাকায় কেউ তাকে র‍্যাঞ্চের কাজে নিতে রাজি হবে না। তাহলে প্রস্তাবটা গ্রহণ করতে দোষ কোথায়?

    আজ পর্যন্ত যাদের সে হত্যা করেছে তাদের সবাই ছিল আউটল। তাকে মারতে চেষ্টা করেনি এমন কাউকে সে মারেনি। যুক্তিসঙ্গতভাবে বিচার করে দেখলে এতে কোন বাধা নেই। মিলারের প্রস্তাব সে গ্রহণ করতে পারে।

    সন্দেহ নেই বিলিঙ একজন আউটল। এবং মিলার তার মৃত্যু চায়-এটাই স্বাভাবিক। অনেক ভেবে-চিন্তেই এই কাজের জন্যে ওকে উপযুক্ত মনে করে মিলার টেক্সাস ছেড়ে এতদূর এসেছে। কি আছে? সে তো এখন এই শহরে অচ্ছুৎ।

    মিলারের প্রস্তাবে সম্মত হতে যাচ্ছে, এই সময়ে তিনজন মাতাল ওর টেবিলের সামনে এসে দাঁড়াল। মার্শ ওদের ভাল করেই চেনে। পুবের একটা র‍্যাঞ্চের লোক। শহরে কিছু অশান্তি সৃষ্টি করায় টেড ওদের একবার জেলে ভরেছিল।

    ‘চমৎকার! তুমি আর এখানে থাকছ না জেনে খুশি হলাম,’ ওদের একজন বলল। লোকটার মুখে দাড়ি আর গোঁফ দুটোই আছে। মাঝারি গড়ন।

    ‘তাই নাকি, ডেভ? তোমাদের মত জীবের সাথে আর বাস করতে হবে না বলে আমিও খুশি।’

    ‘তোমার সাথে আমাদের কিছু বোঝাপড়া বাকি আছে। আমাদের অনেক জ্বালাতন করেছ, মার্শাল। কিন্তু কথা হচ্ছে, তুমি এখন আর মার্শাল নেই,’ লম্বা লোকটা বলল।

    ‘তোমার কাছে আমাদের অনেক দেনা রয়ে গেছে, মার্শাল, আমরা তার কিছু শোধ দিতে চাই,’ বলে উঠল ডেভ।

    ‘তাতে আমার কোন আপত্তি নেই,’ জানাল মার্শ। বেভিনের দিকে চেয়ে হাসল সে। ‘আমার কিছু তথাকথিত বন্ধু,’ বলে হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে ডেভের বুকের শার্ট আঁকড়ে ধরে বাকি দুজনের দিকে ওকে ছুঁড়ে দিল মার্শ।

    ‘আমাকে উত্ত্যক্ত করার ফল ভাল হয় না,’ বিষাক্ত স্বরে বলল মার্শ। ‘এখন আমার চোখের সামনে থেকে দূর হয়ে যাও-নইলে অবস্থা খারাপ হবে।‘

    সেলুনের সবাই থ হয়ে গেছে। এখন সবার দৃষ্টি তিনজন কাউবয় আর মার্শের ওপর।

    কাউবয় তিনজন বার ছেড়ে টলমল পায়ে বেরিয়ে গেলে পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হলো।

    আবার একটা ড্রিঙ্ক নিয়ে গলায় ঢালল মার্শ। মিলার ওকে কিছুক্ষণ লক্ষ করে বলল, ‘তোমাকে আগামীতে ওই তিনজনের মত আরও অনেকেরই মোকাবিলা করতে হবে। এবং স্টারের আড়াল তুমি আর পাবে না।’

    ‘ওসব কথা থাক, এখন বলো ওই রেক্স বিলিঙকে কোথায় পাওয়া যাবে?’

    সাত

    একটা আধো হাসি ফুটল মিলারের মুখে। ডান হাত দিয়ে গোঁফ হাতিয়ে বোতলটা মার্শের গ্লাসের কাছে এগিয়ে দিয়ে সে বলল, ‘আমি অনেকটা আশ্বস্ত বোধ করছি, মার্শ। তুমি কাজটা নেবে কিনা এসম্পর্কে আমি অনিশ্চিত হয়ে উঠছিলাম। তাহলে এখন আমাদের ডীলটা চালু আছে, তাই না?’

    ‘হ্যাঁ, তা তুমি বলতে পারো,’ জবাব দিল টেড। ওর স্বরটা একটু ভারি শোনাল। মূডটা এখনও বদলায়নি।

    ‘রেক্সকে খুঁজে পাওয়া মোটেও কঠিন হবে না, টেড।’ গ্লাসে মদ ভরে গলায় ঢালল বেভিন। তারপর গ্লাসটা টেবিলের ওপর নামিয়ে আঙুল দিয়ে ঘোরাতে শুরু করল। ‘কোমাঞ্চি ওয়েল্স নামে একটা ছোট শহরে তুমি ওকে পাবে। বর্ডার পার হয়ে টেক্সাসে ঢুকে একটু দক্ষিণে। সব মিলিয়ে এখান থেকে তিনদিনের পথ। আগে কখনও ওই শহরে গেছ?’

    মাথা নাড়ল টেড। টেক্সাসের অনেক শহরেই সে গেছে, কিন্তু কোমাঞ্চি ওয়েলসে কখনও যায়নি।

    সন্ধ্যা হয়ে আসছে। এম্পোরিয়ামের ব্যবসা এখন বেশ জমে উঠেছে।

    ‘না, গেছি বলে মনে পড়ে না।’

    ‘শহরটা ছোট,’ বলে চলল বেভিন। ‘না গেলেও কিছু মিস করোনি। শহরে ডজনখানেক সেলুন, গোটা চারেক স্টোর, কিছু ক্যাফে আর কয়েকঘর বেশ্যাবাড়ি আছে।

    ‘আইনের মানুষ?’

    ‘না। মাঝেমধ্যে কাউন্টি শেরিফ ওখানে গিয়ে খোঁজ-খবর নেয়। কিন্তু কোন সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা শেরিফের নেই।’

    ‘তোমার র‍্যাঞ্চটা ওখান থেকে কতদূর?’

    ‘কোমাঞ্চি ওয়েলস থেকে প্রায় দশ মাইল উত্তর-পুবে। কিন্তু আমি চাই তুমি আগে রেক্স বিলিঙের মোকাবিলা করো, তারপর র‍্যাঞ্চে আসো। আমার রাইডাররা হয়তো তোমাকে বাধা দেবে। তুমি কে, তা আমি ওদের জানিয়ে রাখব। তোমার কোন ঝামেলা হবে না।’

    ‘কোমাঞ্চি ওয়েলসের লোকজন রেক্স বিলিঙ সম্পর্কে জানে?’

    ছোট কোরে ছাঁটা দাড়িটা চুলকাল বেভিন। ‘হ্যাঁ, কোমাঞ্চি ওয়েলসের প্রত্যেকেই বিলিঙের কথা জানে। কিন্তু ওদের কিছু করার নেই। ওর মোকাবিলা করার কথা কেউ ভাবতেও পারে না।’

    মুখ কুঁচকাল টেড। ‘ওর ব্যাপারে শেরিফের একটা কিছু ব্যবস্থা নেয়া উচিত। ওখান থেকে শেরিফ কত দূরে থাকে?

    ‘প্রায় বিশ মাইল, মিডল্যাণ্ডে।’

    টেডের চেহারা আরও কুঁচকে উঠল। ‘এই বিলিঙ, ও কি কোমাঞ্চি ওয়েলসেই বাস করে?’

    ‘হ্যাঁ, শহরে নয়, তবে শহরের কাছেই। তুমি ওখানে পৌঁছে ডাণ্ডি সেলুনে জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবে ওকে কোথায় পাওয়া যাবে।’

    ‘বারের মালিকের নাম কি?’

    ‘ওর নাম ক্লাইড ডোটি। তুমি কবে কাজ শুরু করছ?’

    বোতলের দিকে হাত বাড়াল টেড, কিন্তু পরক্ষণেই ওটা আবার ঠেলে সরিয়ে দিল। ‘শহরে আমার কিছু কাজ রয়েছে। ওটা সেরেই তোমার কাজ ধরব।

    ‘নিশ্চয়, তোমার কাজ শেষ করেই আমার কাজে নেমো। কাউকে বিদায় জানাতে যাচ্ছ?’

    ‘না, তেমন কিছু নয়, আস্তাবলে আমার কিছু বাকি আছে, দেনা শোধ করে দিয়েই ফিরব। একটু অপেক্ষা করো, দুজনে একসাথেই যাওয়া যাবে।’

    ‘না, এল পেসোতে আমার একটু দরকারী কাজ আছে। পরে তোমার সাথে আবার দেখা হবে। এল পেসোতে আমার দুদিন থাকতে হতে পারে। কোমাঞ্চি ওয়েলসের কাজ সেরে এলে তুমি আমাকে র‍্যাঞ্চেই পাবে।’

    ‘তাই হবে,’ শান্ত স্বরে বলল টেড। ‘তবে কোমাঞ্চি ওয়েলসের কাজ সেরে আমি খালি র‍্যাঞ্চে পৌছতে চাই না।’

    ‘কোন চিন্তা কোরো না, টেড। সময় মত আমি র‍্যাঞ্চেই থাকব। পুরো টাকাই তুমি বুঝে পাবে। যদি চাও আমি তোমাকে কিছু অগ্রিমও দিয়ে যেতে পারি।’

    হাত উঁচিয়ে বাধা দিল টেড। ‘কোন দরকার নেই। আমার টাকা মেরে পৃথিবীর কোথাও তুমি লুকাবার জায়গা পাবে না। আমি ঠিকই তোমাকে খুঁজে

    বের করব।’

    হাসল বেভিন। ‘টেক্সাসে আমাকে খুঁজে পাওয়া খুব সহজ।’ হাত মেলাবার জন্যে ডান হাতটা বাড়িয়ে দিল সে। ‘তাহলে আপাতত বিদায় নিচ্ছি।’ টুপি পরে উঠে দাঁড়াল মিলার। ‘দু’তিন দিন পরে আমার র‍্যাঞ্চে তোমার সাথে আবার দেখা হবে।’

    আন্তরিকতার সাথেই হাত মেলাল টেড। ‘তুমি কি আজ রাতেই এল পেসো রওনা হচ্ছ?’

    ‘ঘণ্টা দুই বিশ্রাম নেয়ার পর যদি একটু চাঙ্গা বোধ করি তাহলে আজ রাতেই রওনা হব, আর তা না হলে আগামীকাল সকালেই যাব।’

    ‘তাহলে অ্যাডিয়স্, আমিগো।’

    ‘গুড নাইট, টেড। এবং…গুড লাক!’

    লম্বা টেক্সানের হাত ছেড়ে ওকে দরজা দিয়ে বেরিয়ে রাতের আঁধারে অদৃশ্য হতে দেখল টেড।

    আরও কয়েক গ্লাস মদ খাওয়ার পর অফিসে ফিরে নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিল। কিছু জিনিস সে সেসিলার কাছে পাঠিয়ে দেবে দেখেশুনে রাখার জন্যে, বাকি তার বেডরোল আর স্যাডলব্যাগেই থাকবে। উঠে দরজা দিয়ে বেরিয়ে এল টেড। চমৎকার একটা সন্ধ্যা-দিনের সেই গরম আর এখন নেই। আকাশে পূর্ণিমার চাঁদটা নতুন রূপার ডলারের মতই চিকচিক করছে। চাঁদের কোমল আলোয় ধুয়ে যাচ্ছে শিপরক।

    সেলুনের দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড়ানো তিনজনকে উপেক্ষা করে রাস্তা ধরে নিজের অফিসের দিকে এগোল টেড। কেন যেন বেশ অস্থির বোধ করছে, বুঝতে পারছে না কি করবে, শহরের শেষ প্রান্তে এমা আর তার মেয়েদের বিদায় জানাতে যাবে, নাকি শেষবারের মত গ্রেট প্লেইন্স হোটেলে গিয়ে ভাল ডিনার খাবে?

    ‘মার্শাল…’

    এম্পোরিয়াম আর হার্পারের স্যাডল শপের মাঝখানে অন্ধকার গলি থেকে নিচু স্বরে ডাক শুনে থমকে দাঁড়াল সে।

    ‘টোনি রস তোমার সাথে কথা বলতে চায়,’ অন্ধকারের আড়াল থেকে লোকটা বলল।

    শহরের এটর্নি ওকে কি বলতে চায়? অন্ধকার গলি ধরে এগোল সে। হয়তো লোকটা তাকে জানাতে চায় ওর স্টার কেড়ে নেয়ার বিরুদ্ধেই সে ভোট দিয়েছে। ওর চিন্তাধারা মেয়র বা অন্যান্য কাউন্সিলমেনের মত নয়।

    অবশ্য এখন আর এতে কিছুই আসে যায় না। ভাবল টেড। শিপরক ছেড়ে সে চলে যাচ্ছে, তাই এখন মেয়র আর ওই আইনের লোক তাকে নিয়ে কি ভাবে তা অবান্তর।

    দালানের শেষে অন্ধকারে একজনকে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেখে ঝটকা দিয়ে সরে গেল টেড। বুঝতে পারছে অসাবধানে একটা ফাঁদে ধরা দিয়েছে।

    ঘুরে পিস্তল বের করার চেষ্টা করল সে। কিন্তু তার আগেই পিস্তলের নলের আঘাতে ওর হাঁটু ভাঁজ হলো।

    আট

    আঘাতে কিছুটা হতবুদ্ধি হলেও জিদের বশে লাফিয়ে উঠে দাঁড়াল টেড। অন্ধকারেই সামনের মানুষটাকে ডান হাতে প্রচণ্ড একটা ঘুসি মারল। লোকটা পড়ে গেল।

    ‘ধরো! মারো হারামজাদাকে!’

    টেড টের পাচ্ছে আরও একটা আঘাত আসছে। হাত তুলে আঘাত ঠেকাবার চেষ্টা করল, কিন্তু পারল না, আঘাতটা ওর কাঁধের ওপর পড়ল। ওই মুহূর্তে সে টের পেল কয়েকজন ওকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করছে। একটা প্রচণ্ড ঘুসিতে ওর মাথাটা পাশের দিকে সরে গেল। মাথাটা ঝিমঝিম করছে। মুখে নিজের রক্তের স্বাদ। মাথার পাশে আরও একটা ঘুসি লাগল। ওর পেশীগুলো যেন অবশ হয়ে আসছে।

    ‘পেয়েছি! শয়তানটাকে এবার আমরা বাগে পেয়েছি!’

    ‘ওর পিস্তলটা কেড়ে নাও!’ আর একজন কেউ বলে উঠল। ‘আমি সাধ মিটিয়ে ওকে শায়েস্তা করব!’

    ঘোরের মধ্যে টেড টের পেল খাপ থেকে ওর পিস্তলটা কেড়ে নেয়া হচ্ছে। ওটা ছুঁড়ে ফেলায় দালানের সাথে আঘাত খাওয়ার শব্দও ওর কানে পৌছল।

    ‘ঠিক আছে, ডেভ, ও এখন তোমার!’

    ডেভ…ঝাড়া দিয়ে মাথাটা পরিষ্কার কোরে নিল টেড। হ্যাঁ, বারে অপমানিত হওয়ার প্রতিশোধ নিতেই ওরা তাকে এই ফাঁদে ফেলেছে।

    ‘কিছু করার আগে ঠাণ্ডা মাথায় ভাবো।’ চোয়াল ব্যথা করলেও কথাটা সে বলল। ‘পরে পস্তাতে হবে এমন কাজ কোরো না!’

    ‘মিথ্যে হুমকিতে কাজ হবে না, টেড,’ বলল রেড। ‘এখন আর তোমার ব্যাজের আড়াল নেই!’

    ‘তা নেই,’ শান্ত স্বরে বলল টেড। ‘কিন্তু তবু আবার ভেবে দেখো।

    ‘মার্শ, এই মুহূর্তে তুমি কিছুই না,’ উদ্ধতভাবে বলল ডেভ। ‘তোমাকে পিটিয়ে জেলে যাওয়ার ভয় আর নেই। ‘

    ‘পিছিয়ে যাও! ব্যাজ থাক, আর না থাক, তোমাদের মত দুর্বৃত্তের দলকে শায়েস্তা করার ক্ষমতা আমার আছে!’

    ‘কাঁচকলা আছে!’ বলে ঝাঁপিয়ে পড়ল ডেভ। আরও দুজন সাহায্য করল। ওকে ধরে এক ফালি চাঁদের আলোয় দাঁড় করাল ওরা।

    ‘নাও, ডেভ, এখন তুমি যা খুশি করো!’

    মাথাটা একবার ভালভাবে ঝাঁকিয়ে পরিষ্কার করে নিল টেড। এই তিনজনই এম্পোরিয়ামে তার সামনে দাঁড়িয়েছিল। ডেভ, চার্লস আর রেড। আক্রমণ ওরাই করেছে। আরও কয়েকজন বন্ধুবান্ধব নিয়ে তাকে আটকেছে।

    ‘এখনও ভাল করে ভেবে দেখো!’ চোয়ালের ব্যথা ভুলে চিৎকার করল টেড। ‘যা হজম করতে পারবে না তাতে কামড় দিয়ো না!’

    ‘এখন তুমি সাধারণ মানুষ। মার্শাল নও। আমাদের ভয় কিসের?

    ‘সেটা সময় এলেই টের পাবে, বাছা,’ কঠিন স্বরে বলল টেড। ‘ব্যাজ না থাকলেও আমি টেড মার্শ! সুতরাং সাবধান!

    ‘কচু করবে তুমি!’ বলে ডেভ আবার ওর দিকে ঝাঁপ দিল।

    সংঘর্ষ এড়াতে বাম পাশে সরে গিয়ে ডেভের চিবুকে প্রচণ্ড একটা ঘুসি মারতে চেয়েছিল মার্শ, কিন্তু তা হলো না।

    ডেভের লম্বা হাত দুটো ওর কোমর জড়িয়ে ধরল। দুজনেই আছাড় খেয়ে মাটিতে পড়ল।

    আছাড় খাওয়ার ঝাঁকিতে ছুটে গেল ডেভের হাত। লাফিয়ে উঠে দাঁড়াল মার্শ। বিকেলে মেয়র মায়ার্সের সাথে কথা কাটাকাটি, আর ওই দিনের সমস্ত ঘটনাবলীর রাগ টেডের মনে ফুঁসে উঠল।

    বড় শ্বাস নিয়ে ডেভ ওঠার মাঝেই বাম হাতে প্রচণ্ড একটা হুক মারল ওর মাথায়। হাতে ব্যথা পেয়ে মুখ কুঁচকাল টেড। এই কারণেই সে হাতাহাতি ফাইট পছন্দ করে না। এতে সহজেই হাত বা একটা আঙুল ভেঙে যেতে পারে। ওর পেশার জন্যে এটা মোটেও ভাল নয়। চোট পাওয়া বাম হাতটাকে আড়াল করে ডান হাতে একটা ঘুসি চালাল সে। হাতের তোয়াক্কা রাখল না। পড়ে গেল ডেভ। ওর পেটে বুটের লাথি মারল টেড। মুহূর্তে দুপাশ থেকে দুজন ওকে আঁকড়ে ধরল।

    ‘ওঠো, ডেভ। আমরা ওকে তোমার জন্যে ধরে রেখেছি।’

    একটা গালি দিয়ে উঠে দাঁড়াল ডেভ। নিজেকে ছাড়াবার চেষ্টা করল মার্শাল। কিন্তু বৃথা…ওরা অনেকজন। পারল না। পেটে ডেভের প্রচণ্ড ঘুসি খেয়ে ফুঁপিয়ে উঠল। মাথায় একটা জোরাল ঘুসি খেয়ে ককিয়ে উঠল সে।

    মরিয়া হয়ে লাফিয়ে ডান দিকে সরে গেল টেড। নিজের হাত ছাড়িয়ে নিয়ে ডেভের সামনে দাঁড়াল। সামনা সামনি দাঁড়িয়ে ওরা দুজন ঘুসাঘুসি করল কিছুক্ষণ। তারপর ডেভ পড়ে গেল।

    কিন্তু পর মুহূর্তেই একটা লাঠি বা পিস্তলের বাড়ি পড়ল ওর মাথায়। চিত হয়ে মাটিতে পড়ল টেড। টের পেল মাথার কাছে আরও কয়েকজন লোক রয়েছে। ওঠার চেষ্টা করল, কিন্তু একজন বুট দিয়ে ওর হাত চেপে ধরল।

    ‘এটা করা কি ঠিক হবে?’ প্রশ্ন তুলল একজন।

    ‘নিশ্চয়, আমাদের অনেক কষ্ট দিয়েছে ও। এখন আমরা তার শোধ তুলব।’ মাটি ছেড়ে উঠে টেডের পেটে একটা ঘুসি মারল ডেভ।

    নিজেকে ছাড়াতে চেষ্টা করল টেড। কিন্তু পারল না। ওরা সংখ্যায় অনেক। ওকে আঁকড়ে ধরে আছে। পেটের ওপর আরও দুটো শক্ত মার হজম করল টেড। কে যেন আবার মাথায় আঘাত করল।

    জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গেল মার্শাল। কিছুক্ষণ পরে একটু নড়ে উঠতেই একজন চেঁচিয়ে বলল, ‘দেখো, ও জেগে উঠছে!’

    ‘ডেভ!’ আরেকজনের স্বর শোনা গেল। ‘এভাবে একটা লোকের আঙুল বুটের তলায় পিষে ফেলা মোটেও ঠিক হবে না।’

    ‘আলবৎ হবে!’ ডেভ খেঁকিয়ে উঠল। ‘এই ব্যাটা আমাদের অনেক জ্বালিয়েছে-আর সহ্য করব না! এখন সবকিছুর শোধ তুলব!’

    ‘কিন্তু মানুষকে কিছু না কিছু করে খেতে হবে, হাতের আঙুলই যদি না থাকে…।’

    আরেকজন বলল, ‘একটা কথা আমি পরিষ্কার বলে রাখছি, ও যখন উঠবে তখন আমি আশপাশে কোথাও থাকতে চাই না!’

    ‘ওই পাথরটা গেল কোথায়?’ সঙ্গীদের কথার কোন তোয়াক্কা না রেখেই বলল ডেভ।

    নড়ে উঠে নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করল মার্শাল। স্পষ্ট বুঝতে পারছে ডেভের মতলব।

    ‘ডেভ!’ প্রতিবাদ করল সে, ‘আমার হাত যদি ছেঁচো কোথাও পালিয়ে তুমি বাঁচবে না। আমি তোমাকে শেষ করব।’ থুতুর সাথে কিছু ধুলো বেরোল ওর মুখ থেকে।

    ‘তুমি কিছুই করতে পারবে না, মিস্টার এক্স মার্শাল,’ বিদ্রূপ করে বলল ডেভ। ‘কারণ তোমার হাতের বারোটা আমি বাজাব-ওই হাতে তোমাকে আর কোনদিন পিস্তল ধরতে হবে না! রেড! ওর হাত পাথরটার ওপর রাখো!’

    যথাসাধ্য সংগ্রাম করছে টেড। কিন্তু ওর পিঠের ওপর একজন পা দিয়ে চেপে ধরে থাকায় বিশেষ সুবিধা করতে পারল না। একটা গালি দিয়ে আবার চেষ্টা করল।

    ডেভ যা করতে চলেছে তাতে জীবনে আর পিস্তল ধরতে পারবে না টেড। সে জানে মানুষের আঙুলের ওপর বুটের গোড়ালি পড়লে কি অবস্থা হতে পারে। প্রাণপণ চেষ্টায় নিজের হাতটাকে শেষে সামনে ঠেলে দিল।

    লাথিটা কব্জির একটু উপরে পড়ল। ব্যথায় চিৎকার করে গালি দিয়ে উঠল টেড।

    ‘অনেক হয়েছে, ডেভ, চলো এবার কেটে পড়ি,’ কেউ একজন বলল।

    দ্রুত ছুটে পালাবার আওয়াজ শোনা গেল।

    নয়

    ককিয়ে উঠে চিত হয়ে শুলো টেড। আকাশের পাণ্ডুর চাঁদটাকে কিছুক্ষণ দেখল। তারপর চেষ্টা কোরে সিধে হয়ে বসল। বাম হাতের ব্যথাটা ভুলে গেল সে, বর্তমানে ওর ডান হাতটা ব্যথায় দপদপ করছে। টলতে টলতে উঠে চাঁদের আলোয় হাতের কতটা ক্ষতি হয়েছে পরীক্ষা করে দেখল।

    হাতটা অবশ হয়ে আছে, ক্ষতি কতটা হয়েছে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। আঙুল নড়াবার চেষ্টা করে ব্যথায় ওর মুখ কুঁচকে উঠল। আঙুলের কোন ক্ষতি হয়নি দেখে সে আশ্বস্ত হলো। শেষ চেষ্টায় হাত পিছিয়ে না এনে সামনে ঠেলায় ওর আঙুলগুলো বেঁচে গেছে। হাতের চোট কতটা মারাত্মক তা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। শুধু এইটুকু বুঝছে, ডাক্তার দেখানো এখন একান্ত জরুরী।

    ডান হাতটা চেপে ধরে ঝুঁকে নিজের পিস্তলটা খুঁজল টেড। পেয়েও গেল। ধুলো ঝেড়ে ওটাকে খাপে ভরে রাখল।

    প্রথমে ডক সেলবির কাছে যাবে। তারপর ডেভকে খুঁজে বের করে সাজা দেবে। এমন দুর্বৃত্তের পৃথিবীতে বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই।

    বড় রাস্তায় বেরিয়ে ডাক্তার সেলবির অফিসের দিকে তাকাল মার্শ। অন্ধকার। গ্রেট প্লেইন্স হোটেলের পাশে ছোট ক্যাফের দিকে ওর চোখ গেল।

    আইরিস! ওর কথা আগে কেন তার মনে পড়েনি? মেয়েটা জখম সারাতে ডাক্তার সেলবির থেকে কোন অংশে কম নয়। এর আগেও ডাক্তারের অবর্তমানে কয়েকবার আইরিসের সেবা নিয়ে সুস্থ হয়েছে টেড।

    বিধবা আইরিসের বয়স তিরিশের কোঠায়। অফিশিয়ালি সে ওই ছোট ক্যাফেটার ম্যানেজার হলেও ঠেকায় পড়লে নার্সিঙের কাজ চমৎকার চালিয়ে নিতে পারে।

    ক্যাফের পিছনদিকে এসে দাঁড়াল টেড। শেইড টানা জানালার রিম থেকে আলোর আভাস দেখে বোঝা যাচ্ছে মেয়েটা ঘরেই আছে।

    দরজায় নক করল মার্শ। দরজা খুলে ওর চেহারা দেখে প্রায় চেঁচিয়ে উঠল আইরিস।

    ‘তোমার একি চেহারা হয়েছে, মার্শাল!’ ওর রক্তমাখা ধুলোময় মুখ আর জামাকাপড় দেখে মনে হচ্ছে কেউ যেন ওকে ঘোড়ার পিছনে বেঁধে শহরের রাস্তায় হিঁচড়ে টেনে নিয়ে বেড়িয়েছে।

    তাড়াতাড়ি দরজা ছেড়ে সরে মার্শালকে ভিতরে ঢোকার জায়গা করে দিল আইরিস। ‘এসো, ঘরে এসো।’

    ভিতরে ঢুকে টেবিলে বসল টেড। ওখানে বসে অনেকদিনই গরম কফি আর পাই উপভোগ করেছে।

    ‘ইশ! একি চেহারা হয়েছে তোমার?’

    ‘খারাপ অবস্থা,’ বলে ডান হাতটা দেখাল টেড। ‘এটা একেবারে অবশ হয়ে আছে।’

    হাতটা পরীক্ষা করে গম্ভীর হলো আইরিস। ‘আমি দেখছি কি করা যায়।’ পানি গরম করতে আগুনে কেতলি চাপাল সে। ‘তোমার হাত খারাপভাবে থেঁতলে গেছে, কিন্তু ভেঙেছে বলে মনে হচ্ছে না। কিভাবে চোট লাগল?’

    ‘ডেভ নামে একটা লোক কিছু বন্ধুবান্ধব নিয়ে পুরোনো দিনের ঝাল মেটাতে চেয়েছিল। আমার ব্যাজ না থাকায় এখন এই শহরের অনেকের মাথাতেই শিঙ গজিয়েছে।’

    ‘কাউন্সিলমেন তোমার প্রতি যে অবিচার করেছে সেকথা আমি শুনেছি। তোমার মত লম্যান এই শহরের লোক আর পাবে না।’

    হেসে কাঁধ উঁচাল টেড। কামরার অন্যপাশে ট্রাঙ্ক থেকে একটা সুতির কাপড় বের করে আইরিস ওটাকে ফালিফালি করে টুকরো করল।

    ‘আমার পক্ষে যতটা সম্ভব তা আমি করছি, কিন্তু আগামীকাল ডক সেলবিকে দিয়ে জখমটা একবার পরীক্ষা করিয়ে নেয়া ভাল।’

    একটা গামলায় গরম পানি ঢেলে টেবিলের ওপর এনে রাখল আইরিস। ‘একটু ঠাণ্ডা হতে দাও, তারপর দুটো হাতই গরম পানিতে ডুবাতে হবে।’

    কামরা ছেড়ে কয়েক মুহূর্তের জন্যে বেরিয়ে নীল তরল পদার্থ ভরা একটা বোতল হাতে ফিরে এল। বোতল থেকে ওষুধটা গামলায় ঢেলে একটু অপেক্ষা করে মাথা ঝাঁকাল।

    ‘এবার চেষ্টা করে দেখো সহ্য করতে পারো কিনা। যত বেশি গরম থাকে ততই ভাল।’

    হাত দুটো তুলে ধীরে পানিতে ডুবাল টেড। মুখ কুঁচকে গরম ছেঁকাটা কোনমতে সহ্য করল।

    ‘তোমার কপাল ভাল, টেড। আঙুলগুলো ফুলে উঠেছে কিন্তু ভাঙেনি।’ উঠে গিয়ে দুকাপ গরম কফি তৈরি করে নিয়ে এল আইরিস। ‘তোমার হাতের কি অবস্থা এখন? একটু ভাল বোধ করছ?’

    ‘অনেক ভাল, আইরিস, ধন্যবাদ। ডেভকে আমি সাবধান করেছিলাম হাতে ছেঁচা দিলে ওকে আমি খুন করব-কিন্তু আমার কথায় কান দেয়নি। শয়তানটাকে আমি ছাড়ব না।’

    আইরিসের চোখ দুটো বিস্ফারিত হলো। ‘তুমি কি সত্যিই ওকে হত্যা করবে? সভ্য মানুষের মত ওর সাথে কথা বলে বিরোধ মেটাতে পারো না?’

    ‘তুমিও এখন জন শেপার্ড আর মেয়র মায়ার্সের মত কথা বলছ! আইন আমি সৃষ্টি করিনি, কেবল তা রক্ষা করার চেষ্টা করি-যেভাবে ভাল বুঝি সেইভাবে-পিস্তলের সাহায্যে! তুমি আমার হাতের সেবা করার জন্যে ধন্যবাদ।’

    একটা ভুরু উঁচাল আইরিস। ‘খবরদার! তুমি একটুও নড়বে না, টেড মার্শ। তোমার ওপর আমার ডাক্তারি এখনও শেষ হয়নি!’ ধমকের সুরে বলল সে। ‘শেপার্ড আর মায়ার্স যে ঠিকও হতে পারে, এই কথাটা কখনও ভেৰে দেখেছ?’

    ‘তাহলে কি তুমি বলতে চাও আমিই ভুল করছি?’

    ‘না, তা বলছি না। তবে আমি বিশ্বাস করি মানুষ হত্যা করে কোন সমস্যার সমাধান হয় না। কিন্তু আমি এটাও জানি লম্যানদের মাঝেমাঝে পিস্তল ব্যবহার করা অপরিহার্য হয়ে ওঠে। তখন মারা বা মরা ছাড়া উপায় থাকে না।

    ‘ব্যাপারটা সবসময়েই ওইরকম,’ নড়েচড়ে সুস্থির হয়ে বলল টেড। ‘আমাকে মারার জন্যে পিস্তল না তুললে আমি কারও জীবন নাশ করিনি। আজকে মেয়েটাকে গুলি করতে হয়েছে বলে আমি খুব দুঃখিত। পিস্তল ফেলে ওদের বেরিয়ে আসতে বলেছিলাম-কিন্তু দুজনেই গুলি ছুঁড়তে-ছুঁড়তে এল। কি করব?’

    ‘আমি সেটা বুঝি, টেড, কিন্তু…মানে তোমার বেলায় এমন ঘটনা এতবার ঘটেছে—’

    বিরক্ত হয়ে চলে যাওয়ার জন্যে উঠতে গেল টেড। ওর কাঁধে একটা হাত রেখে বাধা দিল আইরিস।

    ‘মাফ করো, টেড,’ বলল সে। ‘আমি ওই বিষয়ে আর কোন কথা বলব না। আচ্ছা, তুমি সাপার খেয়েছ?’

    এক মুহূর্ত ইতস্তত করে হাসল টেড। ‘না। আমার বেশ খিদেও পেয়েছে। খাবার সুযোগ আজ আর হয়ে ওঠেনি।’

    ‘তাহলে তুমি চেয়ারে আরাম করে বসে বিশ্রাম নাও, আর হাত দুটো গামলায় ভিজিয়ে রাখো। ততক্ষণে আমি তোমার জন্যে কিছু খাবার গরম করে দিচ্ছি।’

    ‘খাওয়ার পরই আমি আমার কাজ শেষ করতে বেরোব।’

    ওর দিকে ফিরে তাকাল আইরিস। ‘মানে…ডেভ?’

    ‘হ্যাঁ, ডেভ।’

    কোমরে হাত রেখে দাঁড়াল আইরিস। ‘তাহলে শুনে রাখো, তোমার আঙুলগুলো বেঁচেছে বটে, কিন্তু তোমার ডান হাত দিন দুই আড়ষ্ট থাকৰে ব্যথাও করবে। ওই হাতে পিস্তল ছোঁড়া তোমার পক্ষে সম্ভব হবে না।’

    ‘তাহলে তো ডেভের ব্যাপারটা আপাতত স্থগিত রাখতে হবে। কিন্তু কাজটা আমি শেষ করব। শিপরকে ফিরে আসাটা পছন্দ না করলেও আবার আসব।’

    ‘কোথায় যাচ্ছ তুমি?’

    ‘টেক্সাসে একটা বড় র‍্যাঞ্চে কাজ করার প্রস্তাব পেয়েছি।’

    ‘কবে যাচ্ছ?’

    ‘আগামীকাল ভোরেই রওনা হব।’

    ‘তাহলে আজকের রাতটা তোমার এখানেই কাটানো উচিত। আমি তোমার ওপর নজর রাখতে পারব। আজ রাতেই আরও কয়েকবার গরম পানিতে হাত। ভেজালে তুমি কাল লাগাম ধরতে পারবে না।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন
    Next Article শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }