Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খেলাঘরের ডাকে – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প385 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্যাট্রিক ও বিষপুরের জঙ্গল

    দুশ্চিন্তায় রাত্রে নির্ঘুম আছেন প্যাট্রিক। মুসাফির সমস্ত ব্যবস্থার মধ্যেও মনে রেখেছেন মধুবালাকে। তাকে পদ্মমহলের কাঞ্চনী বানাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যুদ্ধ শেষের উল্লাস উপভোগ করতে চান মধুবালার নৃত্যগীতের মাধ্যমে। প্যাট্রিক এত বছর মুসাফিরকে কাছ থেকে দেখে এটুকু চিনেছেন যে একবার যখন তাঁর অন্তরে মধুবালার নাম খোদাই হয়ে গেছে তখন এ নাম এত সহজে মুছবে না। তাঁবুর মধ্যে স্থির হয়ে বসে থাকতে পারছেন না প্যাট্রিক। মুসাফির বলেছিলেন, মধুবালাকে আমায় উপহার হিসেবে দাও প্যাট্রিক। কিন্তু প্যাট্রিক সেভাবে সাড়া দেননি। হয়তো মধুবালাকে অন্য উপায়ে অপহরণ করবেন মুসাফির। তার থেকে বরং নিজেই গিয়ে মধুবালাকে ওর গৃহ থেকে সসম্মানে নিয়ে আসাটা বাঞ্চনীয় ছিলো।

    কিন্তু তারপর! মধুবালা তো নিশ্চিন্তে প্যাট্রিকের হাত ধরে চলে আসবে গৃহ ত্যাগ করে। একবার গৃহত্যাগী হলে সে মেয়েকে আর গৃহে রাখার প্রথা নেই এখানে। আর মুসাফিরের দরবারে মধুবালাকে সমর্পণ করলে মধুবালার দৃষ্টির ভর্ৎসনা বয়ে বেড়াতে হবে প্যাট্রিককে আজীবন।

    জঙ্গলের শ্বাপদ প্রাণীর ভয়েও আজ ভীত নন প্যাট্রিক। তার জীবনটা যেন এক অমোঘ পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছে। সমস্ত তাঁবুতে তাঁবুতে মানুষ নিদ্রারত। একমাত্র বিনিদ্র রজনী যাপন করছেন প্যাট্রিক। জঙ্গলের মধ্যে পায়ে চলা পথটিতে পদচারণা করে চলেছেন অস্থিরভাবে। বারংবার ভাসছে মধুবালার মুখাবয়ব। বিশ্বাস, প্রতিশ্রুতি মিশ্রিত চাহনি ছিল ওর দৃষ্টিতে।

    .

    দূরে কতগুলো মশালের আলো দেখে সজাগ হলেন প্যাট্রিক। রুদ্রনগরের কোনো গোপন শত্রু নয় তো! রাত্রির দ্বিতীয় প্রহরে মশাল হাতে এগিয়ে আসছে রুদ্রনগরের শিবিরের দিকে। যুদ্ধক্লান্ত সৈনিকদের ওপরে আচমকা আঘাত হানাটাই হয়তো একমাত্র উদ্দেশ্য। বল্লভপুরের হিতৈষীও হতে পারে, হয়তো বন্দি হয়নি সকলে। তারাই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে উদ্যত হয়েছে। প্যাট্রিক কোমরবন্ধনী থেকে তলোয়ারটা উন্মুক্ত করলেন। একটা ঝাঁকড়া গাছের পিছনে দাঁড়ালেন নিজেকে লুকিয়ে নিয়ে।

    মশালের আলোটা কাছে আসতেই বুঝতে পারলেন, পালকি বাহকের সামনে রয়েছে চারজন সেনা। পাগড়িতে রুদ্রনগরের তকমা লাগানো। প্যাট্রিক বিস্ময়ে হতবাক হয়ে ভাবলেন, এত রাত্রে পালকি করে রুকসানা বেগম কোথায় গিয়েছিলেন! রুকসানা বেগম নাকি অন্য কেউ? কোনো গোপন শত্রু পালকিতে আশ্রয় নেয়নি তো। মুসাফিরের ওপরে বল্লভপুরের আচমকা আক্রমণ গোটা রুদ্রনগরবাসীকে সচেতন করে তুলেছে। প্যাট্রিক আর লুকিয়ে না থেকে সতর্ক হলেন। পালকিবাহকদের সম্মুখে দাঁড়িয়ে পথ আটক করে জিজ্ঞেস করলেন, কে আছে পালকিতে? নামাও পালকি। প্যাট্রিকের কোমরবন্ধনীর হীরকখণ্ডই প্রমাণ করে তিনি রুদ্রনগরের সম্ভ্রান্ত পদে আসীন। তাই সৈন্যরাও আর দ্বিরুক্তি না করে পালকি নামানোর নির্দেশ দিল।

    একজন সৈনিক বললো, বিষপুরের কাঞ্চনী যাচ্ছে এই পালকিতে। বাদশাহের নির্দেশে।

    প্যাট্রিক কিছু বলার আগেই পালকির যাত্রী প্রায় স্বচ্ছ পর্দাটা সরিয়ে দিলো। এ গলা তার ভীষণ পরিচিত। এর সম্মুখে নিজের ঘোমটা উন্মোচন করতেও ভীত নয় মধুবালা। মশালের আলোয় প্যাট্রিক দেখলো, পরণে জমকালো বেনারসী শাড়ি, এক গা গহনা পরে বসে আছে মধুবালা। তার চোখে শ্লেষ, ঠোঁটে বিদ্রুপের হাসি। স্থির কণ্ঠে বললো, আমার দেখা স্বপ্ন তবে সত্যি হলো ভিনদেশী? এই নিন, এ অঙ্গুরীয়র অধিকার আর আমার নেই। নিজের আঙুল থেকে আংটিটি পরিত্যাগ করে প্যাট্রিকের হাতে দিয়ে বললো, বাদশাহের কাছ থেকে সঠিক ইনাম নেবেন ভিনদেশী। আমাকে সওদা করার উপহারস্বরূপ বড় ইনাম পাবেন আপনি।

    প্যাট্রিক কাতর স্বরে বললেন, এ তোমার সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা মধুবালা। মধুবালা ওর কথা শোনার জন্য অপেক্ষা না করেই বললো, আমায় নিয়ে চলুন সৈনিক আপনাদের বাদশাহের কাছে।

    .

    উদ্ভ্রান্তের মত পালকির পিছনে পিছনে কিছুটা ছুটলেন প্যাট্রিক। তারপর জঙ্গলের রূঢ় মাটিতে লুটিয়ে পরলেন। পরিশ্রান্ত লাগছিলো। জীবনের সবকটা দুয়ার যেন কেউ সজোরে বন্ধ করে দিয়েছে ওঁর সম্মুখে। ওঁর হৃদয়ের রক্তক্ষরণ বন্ধ করার কোনো ঔষধ আজ আর জানা নেই। এই মুহূর্তে যেন দমবন্ধ হয়ে মারা যান উনি। এমন কামনাই করছেন প্যাট্রিক। মধুবালার ওই ভর্ৎসনার দৃষ্টি দেখার পরে বেঁচে থাকার আর বিন্দুমাত্র ইচ্ছে অবশিষ্ট নেই ওঁর।

    পোশাকটা ধুলোয় বিবর্ণ হয়ে গেছে। অবশ পা দুটোকে কোনোক্রমে টেনে নিয়ে চললেন নিজের তাঁবুর দিকে। কাল প্রাতে রুকসানা বেগমের কাছে গিয়ে দরবার করবেন প্যাট্রিক। মধুবালাকে কিছুতেই কাঞ্চনী পেশায় নিয়োজিত হতে দেবেন না প্যাট্রিক। তাতে যদি প্যাট্রিককে প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করে বাদশাহ সেটাও শ্রেয়।

    বাকি প্রহর অস্থির হয়ে তাঁবুর মধ্যেই কাটিয়ে দিলেন প্যাট্রিক।

    ভোর হতেই বাদশাহের নির্দেশ পৌঁছালো প্রতিটি তাঁবুতে। সকলকে প্রস্তুত হয়ে নিতে। এখনই রওয়ানা দেবে রুদ্রনগরের অভিমুখে।

    গোটা সেনাবাহিনীর মধ্যে উদ্ভ্রান্তের মত দৃষ্টিপাত করেও মধুবালাকে খুঁজে পেলেন না প্যাট্রিক। হাতির ওপরে ছাউনিওয়ালা হাওদাতে রয়েছেন রুকসানা বেগম। বেশ কয়েকটা পালকিও চলেছে। তার কোনটার মধ্যে যে মধুবালা আছে সেটা বুঝতে অক্ষম হলেন প্যাট্রিক।

    নিজের প্রিয় অশ্বের কাঁধে হাত রেখে প্যাট্রিক বললেন, ফিনাস তুই কি আমায় খুঁজে দিতে পারবি তাকে, যাকে আমি উদ্ধার করতে চাই এই জটিলতা থেকে!

    .

    যুদ্ধজয়ের আনন্দে আত্মহারা এখন রুদ্রনগরবাসী। সিংহদুয়ারে পুষ্পবৃষ্টি করে বরণ করে নিলো বাদশাহ মুসাফিরকে। মুসাফির অপদার্থ বাদশাহ থেকে বীরের তকমা পরিধান করতে ব্যস্ত। তাঁকে সুস্থ দেখে রাজ্যবাসী বড়ই প্রীত। সকলের মনেই আলোর রোশনাই। একমাত্র অন্ধকার বিরাজ করছে প্যাট্রিকের হৃদয়ে। অশান্ত চঞ্চল হয়ে উঠেছেন তিনি।

    বাদশাহ আর রুকসানা বেগম প্রবেশ করলেন তাঁদের প্রিয় পদ্মমহলে। জাহানারা পুত্রকে আশীর্বাদ করলেন। রুকসানাকে কৃতজ্ঞতা জানালেন তার পুত্রের জীবনরক্ষা করার জন্য।

    হারেমের নিয়ম বদলাতে চলেছে শুনে খুব একটা প্রীত না হলেও মুসাফিরের আদেশের বিরুদ্ধাচারণ করলেন না কেউই। জাহানারা বা সুজান খান সকলেই একবাক্যে স্বীকার করেছেন, রুদ্রনগরের ছোটি বেগম অসম্ভব ক্ষমতাশালী। তাই তাঁকে অমান্য করার সাহস এই মুহূর্তে রুদ্রনগরের কারোরই নেই।

    হারেমের নতুন কি কি নিয়ম কায়েম হয় তা দেখার অপেক্ষায় আছে কয়েকশো বেগম থেকে বাঁদী।

    .

    আগামীকাল বাদশাহ মুসাফির দরবারে বসবেন, শুনবেন রাজ্যবাসীর অভাব অভিযোগের কথা। বাদশাহ মিজানুরও প্রত্যহ সভায় দরবার বসাতেন। তাতে প্রজারা তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা সরাসরি বলতে পারতো বাদশাহের সম্মুখে। এই কারণেই হয়তো মিজানুর ছিলেন রুদ্রনগরের জীবন্ত আল্লাহ।

    মুসাফিরও পিতার পথ অবলম্বন করতে চলেছেন দেখে খুশি হলেন রুকসানা। বললেন, আজ নিশিতে আমার কক্ষে আপনার নিমন্ত্রণ বাদশাহ। মুসাফির আপ্লুত কণ্ঠে বলেছেন, আজ আমিও তোমাকে একটা উপহার দিতে চাই বেগম। নৃতগীতে সে মোহিত করে দেবে তোমার কঠিন হৃদয়। রুকসানা স্মিত হেসে বলেছেন, সে কাঞ্চনী কি রুকসানার দীপ্তিকে ম্রিয়মাণ করে তুলতে সক্ষম হুজুর?

    মুসাফির বেগমকে খুশি করার হেতু বলেছেন, একজন সামান্য কাঞ্চনীর সঙ্গে আমি রুদ্রনগরের ছোটি বেগমের তুলনা করবো এমন দুঃসাহস যেন আল্লাহ আমায় না দেন। তুমি মশালের মত উজ্জ্বল। চন্দ্রালোকের মত গর্বিত। মুক্ত বিহঙ্গের মত বাধাহীন। উন্মুক্ত আকাশের ন্যায় উদার…তোমার বিকল্প নেই বেগম। রুকসানা নিজেও বিশ্বাস করেন এটা। তাঁর মত সুন্দরী এ দেশে দ্বিতীয় নেই। তাই বাদশাহের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে নিজের কক্ষে প্রবেশ করলেন।

    রুকসানা বেগম গোসল করে বেরোলেন, তার দেহ থেকে সুগন্ধির সুবাস। সিক্ত কেশরাশিতে ধূপের গন্ধ দিয়ে পরিচর্যা করলেন এক দাসী। সর্বাঙ্গে কেশরের সুবাস। মুক্তের গহনা পরিধান করতে প্রস্তুত হলেন তিনি। আজ পদ্মমহলে বসবে কাঞ্চনীর আসর। বাদশাহ নাকি বিষপুরের নীলকণ্ঠ মন্দির থেকে এই কাঞ্চনীকে নিয়ে এসেছেন শুধুমাত্র রুকসানা বেগমের মনোরঞ্জনের জন্য। ধবলগড়েতেও মাঝে মধ্যেই বসতো বাইজিদের নাচের আসর। পর পর তিনরাত চলতো নৃত্যগীত। চিকের আড়াল থেকে বেগমরা সে নৃত্য দেখতো। কাঞ্চনীরাও আসতো ধবলগড়ে নাচ দেখাতে। তাদের দেখতে বেশ সম্ভ্রান্ত হতো। রুকসানা কয়েকবার ওদের নৃত্যকলা দেখেছে।

    .

    নিজেকে প্রস্তুত করে নিয়ে আবক্ষ বেলজিয়াম আরশির সম্মুখে দাঁড়ালেন রুকসানা। আরশির দিকে তাকিয়ে সম্মোহিতের গলায় বললেন, পুরুষের দৃষ্টি কেন অন্য দিকে ধায়!

    একজন দাসী এসে সংবাদ দিলো, হুজুর নাচঘরে অপেক্ষা করছেন।

    রুকসানা এগিয়ে গেলেন নাচঘরের দিকে। আজ নাচঘরে অন্য কোনো দর্শক থাকবে না। শুধু মুসাফির আর রুকসানা দুজনে উপভোগ করবেন এই নৃত্যগীত। অন্য পারিষদরা যখন উপস্থিত থাকে তখন অবশ্য রুকসানা থাকেন না। সেটাই নিয়ম। বেগম হলেও পরপুরুষের সম্মুখে বসে নৃত্য উপভোগ করা গর্হিত অন্যায়। তাই আজ মুসাফির এই বিশেষ ব্যবস্থা করেছেন ছোটি বেগমের জন্য।

    হারেমে অবশ্য প্রায়শই কাঞ্চনীদের যাতায়াত চলতে থাকে। হারেমের বেগমদের খুশি করতে তারা প্রায়শই আসে তাদের নৃত্যগীতের পশরা সাজিয়ে।

    আজ সবকিছুই অন্যরকম। পদ্মমহলের খোলা বারান্দা দিয়ে তাকিয়ে দেখলেন রুকসানা, আজ চাঁদটাও যেন বড্ড উজ্জ্বল। যে কোনো নিয়ম ভাঙার খেলায় রুকসানার বড়ই প্রীতি। এ খেলা তাঁর ছোট থেকেই বড় পছন্দের। এত দিনের অচলায়তন ভেঙে ফেলার মধ্যে লুকিয়ে থাকে জয়ের বার্তা। ওই জয়ের খুশিটা রুকসানাকে আনন্দ দেয়।

    নাচঘরে প্রবেশ করলেন রুকসানা। বাদশাহ অপলক চেয়ে বললেন, একি অসম্ভব! স্বয়ং চন্দ্র কি আজ আমার কক্ষে অবতীর্ণ হলো? আমি বিস্মিত!

    বেগম তোমার কণ্ঠের মুক্তহারের এত স্পর্ধা কিভাবে হয় যে সে তোমায় জড়িয়ে থাকে!

    কথাটা শেষ হবার আগেই রুকসানা গলা থেকে মুক্তহারটা এক টানে ছিঁড়ে দিলেন। মেঝেতে ছড়িয়ে পড়লো মহামূল্যবান মুক্তগুলো। হেসে বললেন, হুজুরের সম্মুখে এ স্পর্ধা আমিও বরদাস্ত করবো না। রুকসানাকে নিজের দিকে আকর্ষণ করতে গেলেন মুসাফির। সুরার পাত্র ভরে উঠলো রঙিন সুরায়। রুকসানা বললেন, বাদশাহের কাঞ্চনী কোথায়! নিরুদ্দেশ হলো নাকি!

    মুসাফির বললেন, বেগমের রূপের আগুনে সেওকি তবে জ্বলে পুড়ে গেলো!

    একজন বাঁদী হাঁপাতে হাঁপাতে এসে সংবাদ দিলো, বেগম সাহেবা কাঞ্চনী ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে অবচেতন হয়ে। হাতে মুখে লেগে আছে জহর। বাদশাহ লাফিয়ে উঠলেন, বিষ? কাঞ্চনী বিষ পান করেছে! এ যে ভয়ঙ্কর ঘটনা। বিষপুরের মন্দিরের পূজারীর কন্যা মেয়েটি। রুদ্রনগরের মহলের মধ্যে আত্মহত্যা করলে বিষপুরের মানুষ আমার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবে বেগম। প্রজারা সদ্য আমাকে আল্লাহর আসনে বসিয়েছেন। বল্লভপুর জয় আমাকে সে সম্মান দিয়েছে বেগম। কিন্তু এখন যদি বিষপুরের হিন্দু ব্রাহ্মণ কন্যার মৃত্যু হয় পদ্মমহলে তাহলে বড়ই দুশ্চিন্তার বিষয়।

    রুকসানা বিরক্ত হয়ে বললেন, কেন বাদশাহ, কেন আপনি একজন ব্রাহ্মণ কন্যাকে জোরপূর্বক কাঞ্চনী হতে বাধ্য করছিলেন? এ দেশে কি কাঞ্চনীদের অভাব আছে? প্রজা বিদ্রোহ দমন করা সহজ কর্ম নয়।

    মুসাফির বললেন, রুদ্রনগরের গুমঘরে গায়েব করে দিতে হবে বেগম। এ সংবাদ বাইরে বেরোতে দিলে হবে না। রুকসানা আদেশের সুরে বললেন, প্যাট্রিক হাকিমকে খবর দিন বাদশাহ। আগে তার প্রাণ বাঁচানোর প্রচেষ্টা করা হোক।

    মুসাফির রক্ষীকে আদেশ দিলেন প্যাট্রিককে ডেকে আনতে। মুসাফির নিজেও একজন চিকিৎসক। তাই রুকসানার নির্দেশে মধুবালার প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করলেন বাদশাহ স্বয়ং।

    প্যাট্রিক এসে প্রবেশ করলেন পদ্মমহলে। অবিন্যস্ত চুল, উদ্ভ্রান্তের মত দৃষ্টি দেখে মুসাফির চিন্তান্বিত হয়ে প্রশ্ন করলেন, চিকিৎসক তুমি কি শারীরিকভাবে অসুস্থ? কথা না বলে প্যাট্রিক নিজের কোলের মধ্যে তুলে নিলেন মধুবালাকে। ওর পরনে কাঞ্চনীর পোশাক। পায়ে ঘুঙুর। কপালে টিকলি। চোখ দুটি বন্ধ রয়েছে। বুকে মাথা দিয়ে শুনলেন প্যাট্রিক, খুবই ক্ষীণভাবে পড়ছে মধুবালার শ্বাস-প্রশ্বাস।

    নিজের ঔষধের সামগ্রী থেকে সঠিক ঔষধ নির্বাচন করে মধুবালার মুখে দেওয়া হলো কোনোক্রমে। পর্দার আড়াল পেরিয়ে রুকসানা বললেন, হাকিম আপনি বলুন সংকট কাটতে কতক্ষণ লাগবে? আমি চাই না এই মুহূর্তে হুজুরের বদনাম ছড়িয়ে পড়ুক বিষপুর এলাকায়।

    প্যাট্রিক স্থির কণ্ঠে বললেন, আজ আমি হুজুর এবং বেগম সাহেবার নিকট একটা আর্জি নিয়ে এসেছি। যদি মঞ্জুর হয় তো সম্মানিত হবো। যদি মঞ্জুর না হয় তাহলে হুজুর যেন আমার মুন্ডু ছেদ করে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

    রুকসানা চমকে উঠলেন। প্যাট্রিকের সঙ্গে মুসাফিরের দোস্তির কথা রুদ্রনগরের সকলেরই অবগত। মুসাফিরের আপনজন হিসাবেই পরিচিত প্যাট্রিক। তারপরেও কি এমন গর্হিত অপরাধ যে বাদশাহ তার মুন্ডু ছেদন করতে উদ্যত হতে পারেন!

    মুসাফির বললেন, নির্ভয়ে বলো প্যাট্রিক।

    প্যাট্রিক তখন মানসিক চাপে বিধস্ত। তাঁর প্রেমিকা মৃত্যুশয্যায় শায়িত। তিনি প্রতিশ্রুতিভঙ্গের দায়ে দণ্ডিত হয়েছেন মধুবালার কাছে।

    অসংলগ্ন কথাগুলোকে আপ্রাণ চেষ্টায় সাজিয়ে নিয়ে প্যাট্রিক বললেন, হুজুর আপনার পিতা আমায় রাজবৈদ্যের পদে আসীন করতে চেয়েছিলেন। আপনি সেদিন উপস্থিত ছিলেন রাজ দরবারে। আমি সেই পুরস্কার নিতে অস্বীকার করেছিলাম। কথা দিয়েছিলাম রুদ্রনগরের বফাদার থাকবো। আপনার পিতা জানিয়েছিলেন সে পুরস্কারের ভাগীদার আমি। তাই রাজবৈদ্য না হলেও আমি যে কোনো সময়ে সেই পুরস্কারের দাবি জানাতে পারি। সেটা মঞ্জুর করবেন উনি।

    রুকসানা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে বললেন, হাকিম সাহেব এটা কি সঠিক সময় পুরস্কারের দাবি জানানোর?

    প্যাট্রিক বললেন, বেগম সাহেবা গোস্তাকি মাফ করবেন। এটাই সঠিক সময় এ পুরস্কারের দাবি জানানোর।

    মুসাফির বললেন, জানতে চাই কি সেই পুরস্কার? রাজবৈদ্য পদে বর্তমানে আসীন হতে চাও প্যাট্রিক? তবে তা মঞ্জুর হলো।

    প্যাট্রিক মাথা নিচু করে কম্পিত কণ্ঠে বললেন, আমি মধুবালাকে চাই হুজুর। আমি ওকে বিবাহ করতে চাই। মুসাফির কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলেন। তারপর হাসতে শুরু করলেন। বললেন, শেষ পর্যন্ত এক কাঞ্চনীর প্রেমে মজলে হাকিম? তোমার দেশের লোকজন তো রসিকতা করবে হাকিম।

    রুকসানা বেগম বললেন, আমি এখন হারেমের মালকিন। তাই এ প্রার্থনা শুধু আমিই মঞ্জুর করার ক্ষমতা রাখি।

    প্রথম দর্শনেই এই ফরাসি চিকিৎসককে ভালো লেগেছিলো রুকসানার। এ যেন একটু অন্যরকম মানুষ। এর দৃষ্টিতে সর্বদা সম্ভ্রম রয়েছে।

    প্যাট্রিক বেগমের সম্মুখে হাঁটু গেড়ে বসে বললেন, আমায় মধুবালাকে উপহার হিসেবে দান করুন বেগম সাহেবা। আমি আপনার আজীবনের বফাদার হলাম।

    রুকসানা বললেন, এমন প্রেমিক যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে বাদশাহ। কাঞ্চনীর ভাগ্যকেও এই মুহূর্তে ঈর্ষা করছেন রুদ্রনগরের ছোটি বেগম সাহেবা।

    হাকিম সাহেব, আজ থেকে এ কাঞ্চনীর ওপরে অধিকার শুধুমাত্র আপনার।

    মধুবালা চক্ষু উন্মোচন করলো। অনুভব করলো সে তার কাঙ্ক্ষিত পুরুষটির কোলে শুয়ে আছে।

    বিষক্রিয়াকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়েছে প্যাট্রিকের ঔষধ।

    মধুবালা তার পাপড়ির মত ঠোঁটদুটো উন্মোচন করে বললো, আমায় বাঁচালেন কেন ভিনদেশী? আমি অন্য কোনো পুরুষের মনোরঞ্জন করতে অক্ষম। আমায় মৃত্যু দিন।

    বাদশাহ বললেন, আজ থেকে তুমি হাকিমের সম্পত্তি। এই প্রথম কোনো কাঞ্চনী রুদ্রনগরের হারেম থেকে মুক্তি পেলো। নজিরবিহীন ঘটনা ঘটলো এই রুদ্রনগরের প্রাসাদে।

    রুকসানা বললেন, হারেমের সব বেগম এবং বাদীকে জিজ্ঞাসা করা হবে তারা হারেমে থাকতে ইচ্ছুক কি না। যদি তারা স্বেচ্ছায় থেকে যায় তাহলে থাকবে। আর যারা বন্দি থাকতে চায় না, আমি তাদের মুক্ত করে দেব বাদশাহ। এটাই রুকসানা বেগমের মর্জি। বাদশাহ বললেন, হারেমের মালকিন তুমি রুকসানা। তাই তোমার মর্জিই রুদ্রনগরের ইচ্ছে।

    মধুবালাকে নিজের কোলে তুলে পদ্মমহল পরিত্যাগ করলেন প্যাট্রিক। নিজের বিশাল বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তুললেন মধুবালাকে।

    মধুবালা লজ্জিত হয়ে বললো, আমায় ক্ষমা করুন ভিনদেশী কুমার। আমি আপনার সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করেছিলাম।

    চুম্বনে চুম্বনে মধুবালাকে সিক্ত করতে করতে প্যাট্রিক বললেন, তুমি কাঞ্চনী নও, আমার ঘরণী।

    .

    রাতের অন্ধকারে একটা সফেদ আরবি ঘোড়া থামলো বিষপুরের নীলকণ্ঠের মন্দিরের সম্মুখে। দুটো ছায়া মূর্তি গোপন পথ দিয়ে প্রবেশ করলো মন্দিরের গর্ভগৃহে।

    ঘিয়ের প্রদীপ জ্বলছে। সামনে ধ্যানগম্ভীর হয়ে বসে আছেন চিত্তহরণ পণ্ডিত। তাকে সমাজচ্যুত করেননি জমিদার। তবে তার কন্যার এই গর্ভগৃহে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন তিনি।

    বিস্মিত হয়ে দেখলেন, তার সম্মুখে দাঁড়িয়ে আছে মধুবালা ও ফারসি হাকিম।

    মধুবালা বললো, পিতা, সনাতন পণ্ডিতের গণনা নির্ভুল হলো। আমি ওই ভিনদেশীকে বিবাহ করতে আগ্রহী। উনিই আমায় কাঞ্চনী দশা থেকে মুক্ত করেছেন। আমায় কাঞ্চনী হতে দেননি। গৃহিণী করে রাখবেন উনি।

    .

    চিত্তহরণ সমাজের বিধিনিষেধ ভুলে কন্যাকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। নীলকণ্ঠের সম্মুখে নিজে দাঁড়িয়ে বিবাহ দিলেন ভিনদেশী চিকিৎসকের সঙ্গে নিজ কন্যার।

    আর মধুবালাকে নির্দেশ দিলেন আর যেন কোনোদিন সে প্রবেশ না করে নীলকণ্ঠের গর্ভগৃহে।

    মধুবালার চোখে জল। নীলকণ্ঠ তাকে এভাবে পরিত্যাগ করলেন ভেবেই বুকটা মুচড়ে উঠলো।

    প্যাট্রিক মধুবালাকে আশ্বস্ত করে বললেন, আমার বাড়িতে একটা গৃহে অবস্থান করবেন তোমার নীলকণ্ঠ। আমি আগামীকাল শিল্পীকে নির্দেশ দেব বিষপুরের নীলকণ্ঠের মূর্তি গড়ে দিতে। তুমি প্রত্যহ ভোরে তোমার সঙ্গীতের মূর্ছনায় জাগ্রত করবে সে প্রস্তর মূর্তিকে।

    মধুবালা খুশিতে ঝলমল করে উঠলো। নীলকণ্ঠকে প্রণাম করে বললো, আমার স্বপ্নে দেখা সেই ভিনদেশী রাজপুত্রকে আমার কাছে ফিরিয়ে দেবার জন্য আমি আপনার নিকট কৃতজ্ঞ থাকলাম ঈশ্বর। আমি আপনার আজীবনের সেবাদাসী রইলাম।

    .

    রাতের অন্ধকারেই সেই সফেদ ঘোড়াটা বিষপুর পরিত্যাগ করলো।

    পরিণতি পেলো প্যাট্রিক ও মধুবালার প্রেমকাহিনী। শুরু হলো তাদের নবজীবন।

    .

    তথ্যসূত্র- আনন্দবাজার পত্রিকার মুঘল হারেমে ফরাসি প্রেমিক নিবন্ধ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার
    Next Article অনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }