Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খেলাঘরের ডাকে – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প385 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হারিয়ে যাওয়ার আগে – ২

    ২

    শরতের আকাশে পেজা তুলোর মত মেঘেরা ভেসে বেড়াচ্ছে নিজের খেয়ালে। তিলোত্তমা সেজে উঠেছে পুজোর মেজাজে। আলোয় আলোয় ঢেকেছে রাস্তাঘাট। ঢাকের বাদ্যি আর নতুন পুরোনো গানের মিশ্রণে বাতাসেও আনন্দের সুর। যদিও এই হাইরাইজের বারো তলার ছাদে পুজোর রেশ এসে পৌঁছাতে পারেনি। এমনকি নিচের আলোর রেখাও উঠতে পারছে না এত উঁচুতে। নিচের দিকে তাকালে শুধুই মানুষের ঢল, যদিও এত উঁচু থেকে তাদের দেখতে গ্যালিভার ট্রাভেলসের ক্ষুদ্র মানুষদের মতই লাগছে। সামনেই ভূমিশ্রীর বিখ্যাত দুর্গা, তাই ‘সন্ধ্যাতারা’ কমপ্লেক্সের অনেক আগে থেকেই লাইন পড়েছে। সন্ধ্যাতারা কমপ্লেক্সের ‘বি’ ব্লকের সাততলার বাসিন্দা প্রান্তিক। প্রান্তিক ব্যানার্জী। মেট্রোরেলে কর্মরত। বয়েস আন্দাজ সাতাশ বছর।

    সুঠাম জিম করা চেহারা, গোল্ডেন ব্রাউন কালারের চুল, টিকালো নাক, উজ্জ্বল শ্যাম গায়ের রং আর নিখুঁত ট্রিম করা দাড়ির দিকে তাকালে একনজরে বলা যেতেই পারে স্টাইলিশ। সব মিলিয়ে দেখতে মন্দ নয়। বিশেষ করে ওর স্মার্টনেস চোখে পড়ার মত। কথায় বিশেষ পারদর্শী নয় ও, তবে অপটু বলেও দুর্নাম নেই। সন্ধ্যাতারা হাইরাইজে ফ্ল্যাট কেনার মত বড়লোক প্রান্তিক নয়। এ হলো রীতিমত অভিজাতদের পাড়া। যারা উঁচুতে বসে একাকীত্ব উপভোগ করতে ভালোবাসে। প্রান্তিক শহরতলির ছেলে, নৈহাটিতে ওর পৈতৃক বাড়ি। মা, দাদা, বৌদি, ভাইপোর গোছানো সংসার। নৈহাটি থেকেই বছর দুয়েক জবটা কনটিনিউ করেছিল প্রান্তিক। তারপর পরিচয় হয়েছিল ওদেরই অফিসের সুপর্ণার সঙ্গে।

    সুপর্ণা প্রান্তিকের থেকে বছর দুই-তিনেকের বড়, বেশ গোলগাল চেহারার হাসিখুশি মেয়ে। প্রান্তিককে বলেছিল, তুই কিছু কচি খোকা নয় যে আমায় সুপর্ণাদি বলে ডাকবি। শুধু সুপর্ণা বল। শোন সরকারি চাকরি করছিস বছর দুয়েক হলো, মাইনে-পত্তর তো খারাপ পাস না। তো মহানগীরর টপে বসে দুর্গাপুজোর আমেজ নিতে ইচ্ছে করে না তোর? কলকাতায় চাকরি করছিস আর মফঃস্বলে পড়ে থাকবি, এ কেমন কথা রে! সাউথে একটা ছোট দেখে ফ্ল্যাট কিনে ফেল দেখি। প্রান্তিক হেসে বলেছিল, তোমার কি মাথা খারাপ হলো সুপর্ণা? এসব অভিজাত কমপ্লেক্স মধ্যবিত্তদের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে। সারাটা জীবন ব্যাংকে চড়া ই.এম.আই দিতে দিতেই মাথার চুল সাদা হয়ে যাবে। যদি একান্তই কখনো ফ্ল্যাট নিই তবে দমদমের দিকে কিছু ছোট ফ্ল্যাট হচ্ছে, বিজ্ঞাপন দেখলাম, ওখানে বুক করতে পারি। কিন্তু সাউথে কোথাও কেনার ক্ষমতা আমার নেই।

    .

    সুপর্ণা হেসে বলেছিলো, ধুর! ইচ্ছেটাকে বড় করতে হয় বুঝলি? যদি তুই চৌরঙ্গীতে ভাবিস তবে ঢাকুরিয়ায় পাবি। যদি দমদম ভাবিস তাহলে নৈহাটিতেই থাকবি, বুঝলি কিছু? কাল বিকেলে ঢাকুরিয়ায় ‘সন্ধ্যাতারা’ কমপ্লেক্সে আমার ফ্ল্যাটে চলে আয়, তোকে কলকাতা দেখাবো।

    সুপর্ণার কথা মত প্রান্তিক এসে হাজির হয়েছিলো সুপর্ণার ফ্ল্যাটে। মাত্র আটশ স্কোয়ার ফিটের ফ্ল্যাট, কিন্তু অদ্ভুত সুন্দর ভাবে সাজানো। দেখে মনে হচ্ছে কত বড়। ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে সন্ধের মহানগরীকে দেখে আপ্লুত হয়েছিল প্রান্তিক। এভাবে তো দেখা হয়নি কখনো। আলোয় আলোয় সেজে আছে তিলোত্তমা। অত্যন্ত ব্যস্ত সে, কাউকে গুরুত্ব দেবার কোনো দায় যেন তার নেই। বরং ভাবটা এমন যেন তোমরা দেখে মুগ্ধ হও আমার ব্যক্তিত্ব, ব্যস্ততা, সৌন্দর্য কিন্তু আমি ফিরেও দেখবো না তোমাদের। তোমরা বারবার আকর্ষিত হবে আমার রূপে, ছুটে ছুটে আসবে আমার দুয়ারে কিন্তু আমি চলবো বহতা নদীর মতই। তোমরা মিশে থাকবে জনসমুদ্রে, আলাদা করে চিনবো না তোমাদের। শুধু বলবো, তোমরা সবাই এই মহানগরীর বাসিন্দা অথবা অতিথি মাত্র, আমিই সত্য। প্রান্তিক মনে মনে বলেছিল, অহংকারী তিলোত্তমা, তবুও তোমার বুকে এলে লাখো লাখো প্রাণের স্পন্দন অনুভব করতে পারি।

    সুপর্ণা বলেছিলো, দেখ প্রান্তিক এখন সবে চতুর্থী তাতেও মানুষের ঢল দেখেছিস? ওপর থেকে দেখে নিজেকে রাজা রাজা মনে হচ্ছে না? তুই এদের সকলের মাথায় বসে আছিস কিন্তু। আর আমাদের মেট্রোর অফিসে কি হয়? আমরা বসে থাকি পাতালে আর লোকেরা আমাদের মাথার ওপর দিয়ে হেঁটে যায়। ধুর, বাঁচবি যখন সম্রাটের ফিলিংস নিয়ে বাঁচবি, অন্তত নিজের কাছে। তাই বলছি, তুই এখানে একটা ফ্ল্যাট কিনে ফেল।

    প্রান্তিক স্বপ্ন থেকে আছড়ে পড়েছিলো বাস্তবের মাটিতে।

    এই ‘সন্ধ্যাতারা’ হাইরাইজে ফ্ল্যাট কিনবে প্রান্তিক? পাগলেও এমন স্বপ্ন দেখতে ভয় পাবে, আর ও তো সুস্থ মানুষ। ওর বয়েসী ছেলের চোখে স্বপ্ন একটু বেশিই থাকে, তাই বলে এমন দুঃস্বপ্ন কখনোই নয়।

    মিনিট পনেরোর মধ্যেই সুপর্ণার ফ্ল্যাটে বেল বেজেছিলো।

    দরজা খুলতেই একটি বছর বাইশের অসাধারণ সুন্দরী মেয়ে ড্রয়িংয়ে এসে দাঁড়িয়ে ওর দিকে তাকিয়ে বলেছিলো, এটা কে সুপর্ণাদি? তোমার ভাই?

    সুপর্ণা বলেছিল, হ্যাঁ রে, ভাই প্লাস কলিগ।

    মেয়েটা ঝর্ণার মত হেসে বলেছিল, অনেকটা গ্রিক ভাস্কর্যের মত দেখতে তোমার কলিগকে, কিন্তু এমন আনসোশ্যাল কেন? হাই, হ্যালো কিছুই কেন বললো না?

    কিছু কিছু সৌন্দর্য তৈরিই হয় মানুষের চোখ ঝলসে দেবার জন্য। এই মেয়েটিও তাই। মেয়েটির উপস্থিতি বাকি সব কিছুকে ফিকে করে দিতে বাধ্য। মেয়েটি নিজেই সপ্রতিভভাবে এগিয়ে এসে বলেছিলো, ঈশা রায়। মাস্টার্সের ফাইনাল ইয়ার, বিষয়- ফাইন আর্টস। পেশায় ফ্যাশন ডিজাইনার।

    ঈশার দিকে তখনও হাঁ করে তাকিয়ে বসেছিলো প্রান্তিক। মনে হচ্ছিল পলকের জন্য চোখ সরালেই বোধহয় একটা মূল্যবান মুহূর্ত মিস হয়ে যাবার সম্ভবনা রয়েছে। তাই এই অমূল্য সময়টুকুকে নষ্ট না করে দেখে নিতে চাইছিলো ঈশার থুতনির ভাঁজের বিউটি স্পটের ঔদ্ধত্যকে।

    সুপর্ণা বললো, ওর নাম প্রান্তিক ব্যানার্জী, ও মেট্রো রেলের ইঞ্জিনিয়ার, পাশ করেই জব পেয়েছে, বছর দুয়েক হলো আমার সঙ্গে জব করছে। ব্রিলিয়ান্ট এন্ড সোবার বুঝলি?

    ঈশা খিলখিল করে উচ্ছল ঝর্ণার মত হেসে বলেছিলো, তোমায় কি অ্যাসিসটেন্ট নিয়োগ করেছে নাকি? তুমিই ওর বায়োডাটা দিচ্ছ?

    প্রান্তিক সম্বিৎ ফিরে পেয়ে বলেছিলো, আমার নৈহাটিতে বাড়ি। নাম তো শুনাহি হোগা। প্রান্তিক।

    ঈশা হেসে বলেছিলো, শুনিনি আপনার নাম।

    প্রান্তিক কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলেছিলো, সেটা আপনার ফল্ট, আমার নয়। যেমন আপনার নাম আমি অনেক শুনেছি।

    ঈশা চমকে উঠে বলেছিলো, কোথায় শুনেছেন?

    প্রান্তিক গম্ভীরভাবে বলেছিল, কবিতায়-গল্পে বহুবার শুনেছি। ঈশা হেসে বলেছিলো, না আপনাকে যতটা আনসোশ্যাল লাগে ততটা আপনি নন।

    সুপর্ণা বলেছিল, তোদের পরিচয় পর্ব কি মিটেছে? তাহলে কাজের কথাতে আসি, তুই বল ঈশা আমার লেহেঙ্গাটা কেমন করতে চাইছিস? কোনো স্কেচ এনেছিস?

    ঈশা দুটো ক্যাটালগ সেন্টার টেবিলে রেখে বলেছিলো, এই যে দেখো। এগুলো সব আমার ডিজাইন করা, এর মধ্যে যদি কোনটা পছন্দ হয় দেখো, নাহলে তোমার কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া আমার দায়িত্ব। কেমন নিতে চাও শুধু বলো?

    প্রান্তিক অবাক হয়ে বলেছিল, সুপর্ণা তুমি হঠাৎ ডিজাইনার ডেকে লেহেঙ্গা কেন বানাচ্ছ, বিয়ে করছো নাকি?

    সুপর্ণা ফিক করে হেসে বললো, ইয়েস। অঘ্রানের প্রথমেই আমার বিয়ে। শোন, পাত্র বিদেশে থাকে বুঝলি! আমি বিয়ের পরে সোজা চলে যাবো জার্মানি।

    প্রান্তিক ছটফট করে বলেছিল, আর তোমার জব?

    সুপর্ণা বললো, সেটাও ওখানে করবো। আরে ইঞ্জিনিয়ারদের চিন্তা কি রে, যেখানে যাবে ঠিক জুটিয়ে নেবে। সৌজন্য আর আমি সেই কলেজবেলার বন্ধু।

    প্রেম সেই তবে থেকেই। তুই তো জানিস আমি জামশেদপুরের মেয়ে। আমার বাবা নেই, মা দাদার কাছে থাকে। দাদার সঙ্গে কোনোদিনই বনিবনা হয় না আমার। তাই জামশেদপুরের বাড়ি বা প্রপার্টির ভাগ ছেড়ে দিয়েছি দাদাকে। সেজন্য দাদা আমায় একটা মোটা অ্যামাউন্ট দিয়েছিলো। সেই থেকেই এই ফ্ল্যাটটা কিনেছিলাম। পুরোটা ক্যাশে নয়, কিছু লোন ছিলো। যখন ফ্ল্যাটটা কিনেছিলাম তখন সৌজন্য আর আমার ভাবনা ছিলো কলকাতাতেই সেটেলড হবো। তারপর হঠাৎ সৌজন্যর অফিস থেকে একটা লোভনীয় সুযোগ এলো জার্মানিতে। বছর তিনেক হলো ও জার্মানিতে সেটেল্ড।

    এখানে ফিরবে না বোঝাই যাচ্ছে। তাই আমিও ভালোবাসার টানে ওখানেই সেটেল্ড হতে চাই।

    আমার জবের ব্যবস্থাও সৌজন্য করে ফেলেছে। শুধু বিয়েটা বাকি আছে এই যা। ফরম্যালি বিয়ে করে উড়ে যাবো কলকাতা ছেড়ে।

    বিশ্বাস কর প্রান্তিক, কলকাতার এই ‘সন্ধ্যাতারা’ কমপ্লেক্সে থেকে মহানগরীকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম। তাই ছাড়তেও ইচ্ছে করছে না, আবার সৌজন্যকে ছাড়ারও কোনো প্রশ্নই ওঠে না। তাই ভেবে দেখলাম, এই ফ্ল্যাটটা বিক্রি করে দেবো। এমনিতেই কলকাতায় সৌজন্য আর আমার নামে একটা জয়েন্ট ফ্ল্যাট ও কিনেই রেখেছে। ওটাতেই একদিনও থাকা হয়নি। তারপর আবার এটা রেখে দিয়ে লাভ নেই। বড্ড শখ করে কিনেছিলাম জানিস প্রান্তিক, নিজের টাকায়। সাজিয়েওছিলাম প্রাণ ভরে। তাই কোনো ব্রোকারের হাতে দিতে চাই না। যদি কখনো কলকাতায় আসি যেন একটা সন্ধে কাটাতে পারি এখানে ব্যালকনিটাতে। তাই তোকে বলছিলাম, তুই কিনবি প্রান্তিক?

    প্রান্তিক একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বললো, কিন্তু সুপর্ণা এর তো অনেক দাম, আমি কিভাবে….

    সুপর্ণা ছলছল চোখে বলেছিলো, ধীরে ধীরে ই.এম.আই-এ কেন। প্রতি মাসে আমার অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিবি। ফার্নিচারের দাম আমি কিছু ধরছি না। ফ্ল্যাটের দামটা শুনেও চমকে গিয়েছিলো প্রান্তিক। এত কম? সুপর্ণা বলেছিলো, ফ্ল্যাটটা আমি বুক করেছিলাম প্রায় বছর ছয়েক আগে। তখন এই দামই ছিল। তখন সদ্য উঠছে এই সন্ধ্যাতারা। ছয় বছরে এর দাম দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু এটা আমার সন্তানের মত, তাই একে চড়া দামে বেচতে পারবো না। শুধু দেখিস যেন যত্নে থাকে ও। অ্যাকুয়ারিয়মের মাছগুলো যেন মরে না যায়, ব্যালকনির এরিকাপামটা যেন শুকিয়ে না যায়, এটুকু খেয়াল রাখিস।

    প্রান্তিক রাজি হবে কিনা ভাবছিলো, ঠিক তখনই ঈশা হাততালি দিয়ে বলেছিল, বাহ, দারুণ হবে। সুপর্ণাদি চলে যাবে শুনে মনখারাপ হয়ে গিয়েছিলো। ভেবেছিলাম এই হাইরাইজের মাত্র হাতে গোনা তিনটে ফ্ল্যাটে আমার অবাধ বিচরণ, তার একটা বন্ধ হয়ে যাবে। প্রান্তিক এলে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঝগড়া হলে আমি লুকিয়ে থাকতে পারবো এখানে। এতদিন যেমন থেকেছি।

    প্রান্তিক ঈশার চোখের দিকে তাকিয়ে ভেবেছিলো, এমন মৃগনয়নার জন্যই বারবার যুদ্ধ হয়েছে পৃথিবীর বুকে, ট্রয়ের যুদ্ধ থেকে কুরুক্ষেত্র সব ক্ষেত্রেই বোধহয় ইন্সপিরেশন ছিল ঈশার মত কেউ। বীরেরা যুদ্ধে প্রাণ দিতে পেরেছে আর ও এই ফ্ল্যাটটা কিনতে পারবে না? নিশ্চয়ই পারবে, পারতেই হবে।

    সুপর্ণা কিচেনে ঢুকলো ওদের জন্য স্ন্যাকস আর চা আনতে।

    প্রান্তিক একটু মজার সুরেই বললো, ফ্ল্যাটটা যেদিন কিনবো বলে এগ্রিমেন্ট করবো সেদিন কিন্তু আপনাকেও প্রেজেন্ট থাকতে হবে।

    ঈশা নিখুঁত প্লাক করা ভ্রু দুটো একটু উপরে তুলে বললো, আমি কেন প্রেজেন্ট থাকবো? ফ্ল্যাট তো কিনবেন আপনি, আর সাইন তো করবে সুপর্ণাদি, আমি কি করবো?

    আরেকটা এগ্রিমেন্টে সাইন করতে হবে যে। এই ফ্ল্যাটে আমি শিফট করার পর রেগুলার আপনাকে হাজিরা দিতে হবে। বুঝতেই পারছেন, আমি এখানে একেবারেই একা, সম্পূর্ণ অপরিচিত পরিবেশ, তাই গাইড করার দায়িত্ব যদি লিখিত ভাবে আপনি নেন তবেই কিনতে পারি। নচেৎ ক্যানসেল করবো।

    ঈশা পার্পেল কালারের নেলপলিশ পরা আঙুলটা থুতনির তিলে ঠেকিয়ে কিঞ্চিৎ ভেবে বললো, কম্প্যানি দেওয়ার জন্য চার্জ লাগবে যে। সেটা দিতে রাজি থাকলে আমিও এগ্রিমেন্টে সাইন করতে রাজি।

    প্রান্তিক বলেছিল, ফিজটা কি পার্থিব না অপার্থিব?

    ঈশা মুচকি হেসে বলেছিলো, সেটা এখুনি বলা যাবে না, যখন দরকার হবে চেয়ে নেবো।

    প্রান্তিক ব্যালকনির দিকে তাকিয়ে বলেছিলো, তার মানে আমায় দিয়ে সাদা কাগজে সাইন করিয়ে নেওয়া হচ্ছে তাই তো?

    ঈশা আড়চোখে তাকিয়ে বলেছিলো, বিশ্বাস করতে অসুবিধা হচ্ছে বুঝি আমায়?

    প্রান্তিক গভীর গলায় বলছিলো, বিশ্বাস না করতে পারলে আমারই লোকসান, তাই ধৃতরাষ্ট্র হয়ে বিশ্বাস করলাম।

    সুপর্ণা চা আর স্ন্যাকস নিয়ে এসে বসেছিলো, একটু যেন অন্যমনস্ক। বোধহয় কলকাতা ছেড়ে, জবটা ছেড়ে চলে যাবার কষ্টটুকুকে সহ্য করছিলো নীরবে।

    প্রান্তিক বলেছিলো, সুপর্ণা তোমার এই ফ্ল্যাটটা আমি কিনতে রাজি, তবে শর্ত একটাই, কলকাতা ফিরলে যুগলে এই ফ্ল্যাটে উঠতে হবে। এবং আমার আতিথেয়তায় থাকতে হবে দুটো দিন অন্তত।

    সুপর্ণা প্রায় কাঁদো কাঁদো হয়ে বলেছিলো, তুই কিনবি? তাহলে আর চিন্তা রইলো না আমার। তোকে এই দু-বছর দেখে এটুকু বুঝেছি, তুই সম্পর্কের মানে বুঝিস। যত্ন করতে জানিস সেন্টিমেন্টকে। জানি তুই একটু একলা থাকতে পছন্দ করিস, তাই এই ফ্ল্যাট তোকে সেই নিরিবিলিও দেবে। তাহলে পেপার রেডি করি?

    প্রান্তিক বলেছিলো, আপাতত তোমায় আমি লাখ দশেক হার্ড ক্যাশ দিতে পারবো। চেক লিখে দেব, বাকিটা মান্থলি তোমার অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেবো।

    সুপর্ণা বললো, তুই পজেশন কবে নিতে চাস? প্রান্তিক হেসে বলেছিলো, যেদিন তুমি দিতে চাও!

    সুপর্ণা একটু ভেবে বলেছিলো, নেক্সট মাসে দিয়ে দেবো তাহলে।

    পরের মাসে প্রান্তিক পজেশন পেয়েছিলো সন্ধ্যাতারার বি ব্লকের সাততলার এই ফ্ল্যাটটার। মা এসে গৃহপ্রবেশের ছোট্ট একটা পুজো করিয়ে দিয়ে গিয়েছিলো। বাড়ির বাকিরা একটু বিরক্তই হয়েছিলো হঠাৎ এভাবে কলকাতায় শিফট করার সিদ্ধান্তে, তবে সামনে বিশেষ কিছু বলেনি। প্রান্তিক মাকে বলেছিলো, আমি সপ্তাহে সপ্তাহে যাবো তোমার কাছে, তোমায় সংসার খরচও দিয়ে আসবো। মা হেসে বলেছিলো, ওসব থাক, তুই ভালো থাকিস। বাড়ির ছেলে বাইরে শিফট করার কথা উঠলেই গোটা বাড়ির মানুষজন আচমকা তাকে পর করে দেয়, প্রান্তিকের বেলাতেও তার অন্যথা হয়নি। তবুও সন্ধ্যাতারা হাইরাইজের সাততলার ফ্ল্যাটটা বারবার ওকে হাতছানি দিয়ে ডাকছিলো, তাই কিছুটা স্বার্থপরের মতই ও নৈহাটির বাড়ি ছেড়ে চলে এসেছিলো ফ্ল্যাটে। সুপর্ণার যত্নে সাজানো ফ্ল্যাটে কোনো আসবাবই কিনতে হয়নি ওকে। শুধু ওয়ার্ডরোব খুলে নিজের জামাপ্যান্ট আর প্রয়োজনীয় জিনিসটুকু গুছিয়ে রেখেছিলো। প্রান্তিক ভেবেই নিয়েছিলো ফ্ল্যাটের টাকাটা শোধ করতে পারলে তারপর এসব আসবাবের দামও ধীরে ধীরে মিটিয়ে দেবে। খুব কম করে লাখ পাঁচেক টাকার ফার্নিচার আছে সুপর্ণার ঘরে। যেদিন থেকে প্রান্তিক এই ফ্ল্যাটে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছিলো সেদিন থেকেই বাড়ির সকলের সঙ্গে তৈরি হচ্ছিলো একটা অলিখিত দূরত্ব। কিন্তু এই হাইরাইজের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে রাতের আলো ঝলমলে মহানগরীকে দেখতে দেখতে একটা নেশায় পেয়ে বসেছিলো ওকে। অফিস থেকে ফিরে এককাপ চা নিয়ে ব্যালকনিতে বসাটা ওর রোজকার রুটিন ছিল। একাকীত্বের নীরবতাকে বড্ড ভালোবাসে প্রান্তিক। সুপর্ণা ঠিকই বলেছিল, রাজার মত বাঁচবি। সত্যিই প্রান্তিকের নিজেকে রাজা মহারাজাই মনে হতো। বড্ড মায়া পড়ে গিয়েছিল নিজের ছোট ফ্ল্যাটটার প্রতি। মাত্র মাস পাঁচেক আগে সুপর্ণার ধার শোধ করে ফ্ল্যাটটা রেজিস্ট্রি করিয়েছে প্রান্তিক ব্যানার্জীর নামে। যেটা একদিন স্বপ্ন ছিল সেটা সত্যি হয়েছে ওর জীবনে। কলকাতার অভিজাত পাড়ায় একটা নিজস্ব ফ্ল্যাট। দ্বিতীয় লক্ষ্য ছিলো অবশ্যই একটা গাড়ি, সেটাও কিনতে সক্ষম হয়েছে। তাই যে কেউ প্রান্তিককে এখন সুখী-সফল পুরুষ বলতেই পারে। দেখতে দেখতে এই ফ্ল্যাটে কাটিয়েও দিলো দুটো বছর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার
    Next Article অনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }