Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খেলাঘরের ডাকে – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প385 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হারিয়ে যাওয়ার আগে – ৩

    ৩

    সুপর্ণার বিয়েতে নিমন্ত্রিত ছিলো প্রান্তিক। শুধু নিমন্ত্রিত বললে ভুল হবে, বেশ কিছু কাজের দায়িত্বও পেয়েছিলো ও। তাই সকাল থেকে সুপর্ণা আর সৌজন্যের বুক করা বিশাল গেস্টহাউসটা দায়িত্ব নিয়ে সাজানোর কাজে মন দিয়েছিলো প্রান্তিক। ডেকোরেশন ম্যানেজারের সঙ্গে প্রান্তিকও দাঁড়িয়ে থেকে সুন্দর করে সাজিয়েছিলো সুপর্ণার বিবাহবাসর। সৌজন্য ছেলেটিকেও মন্দ লাগেনি প্রান্তিকের। তবে সুপর্ণার মত অতটা মিশুকে নয়, একটু ইন্ট্রোভার্ট । লাঞ্চের আগেই একটা অর্ধ পরিচিত কন্ঠস্বর কানের কাছে এসে বলেছিলো, সব এনার্জি অন্যের বিয়েতে খরচ করে দিলেন যে, নিজের বিয়ের জন্যও কিছু তুলে রাখুন। চমকে পিছন ফিরতেই দেখেছিলো, পেঁয়াজখোসা রঙের হালকা সিফনের আঁচল উড়িয়ে হাসছে ঈশা। প্রান্তিক ফিসফিস করে বলেছিলো, এই বিয়ে বাড়িতেই কি আরেকটা বিয়ের প্ল্যান করা আছে নাকি? সাজগোজ দেখে তো মনে হচ্ছে, দুজন কনে রেডি আছে। ঈশা মুখ ভেঙচে বলেছে, না মশাই, পাত্র একটাই, তাই দ্বিতীয় কনের আপাতত সুযোগ নেই শুনলাম। চলুন তো, অনেক কাজ হয়েছে, এবারে খেয়ে নেবেন চলুন।

    ঈশা প্রায় জোর করেই প্রান্তিককে নিয়ে এসে বসিয়েছিলো লাঞ্চ টেবিলে। সন্ধ্যাতারা অ্যাপার্টমেন্টে প্রান্তিক যেহেতু একেবারেই নতুন তাই কাউকেই চেনে না। ওদের অফিস কলিগরা আসবে সেই সন্ধেবেলায়। তাই অপরিচিতদের মধ্যে একটু অস্বস্তিই হচ্ছিল। ঈশা বেশ মিশুকে মেয়ে, সেটা সকলের সঙ্গে ওর কথা শুনেই বোঝা যাচ্ছিল। একজন মধ্যবয়স্ক মহিলাকে এনে প্রান্তিককে বললো, আমার মা, শ্রীমতী শ্রেয়া রায়। আমার মত নন, ভীষণ রাশভারী মহিলা। মাঝে মাঝে রীতিমত কনফিউশনে পড়ে যান, আমার মত এমন ফিচেল মেয়েটা কি করে ওনার পেট থেকে বেরোলো এই ভেবে! ইনি হলেন শ্রীমান সুফল রায়ের সুযোগ্য পত্নী। সুফল রায় হলেন আমার পিতৃদেব, প্রমোটারি করেন সঙ্গে ইন্টিরিয়র ডেকোরেশনের বিজনেস। লাইক এ বিজি বিজনেসম্যান। আর আমার মাতৃদেবী হলেন লাইক এ প্রপার হাউজ ওয়াইফ। আমি হলাম ওনাদের অবাধ্য কন্যা। যে পড়াশোনাটাকে ছেলেখেলা করে ফ্যাশন ডিজাইনার হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। শ্রেয়াদেবী একটু ইতস্তত করে বললেন, তুই থামবি ঈশা। এনাকে তো চিনলাম না, আগে ওনার পরিচয়টা করিয়ে দে।

    ঈশা জিভ কেটে বললো, ইনি হলেন প্রান্তিক ব্যানার্জী। মেট্রোরেলের ইঞ্জিনিয়ার। সুপর্ণাদির ভাই কাম কলিগ। ইনিই সুপর্ণাদির ফ্ল্যাটটা কিনলেন। শ্রেয়াদেবী একটু হেসে বললেন, ওহ তুই সেদিন এনার কথাই বলেছিলি, সুপর্ণার ফ্ল্যাটটা তাহলে ইনিই কিনেছেন?

    প্রান্তিক শ্রেয়ার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে বললো, প্লিজ আন্টি, আমায় আপনি নয় তুমি বলুন।

    ভদ্রমহিলা একটু অবাক হয়ে বললেন, তোমরা এখনকার যুগের ছেলেমেয়েরা পায়ে হাত দিয়ে নিচু হয়ে প্রণাম করো? আশ্চর্য হলাম! আমি তো হ্যালো বলবো বলে হাত বাড়াতে যাচ্ছিলাম। যাইহোক, বহুদিন পরে আবার কাউকে মাথায় হাত দিয়ে আশীর্বাদের সুযোগটুকু যখন পেলাম তখন এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাই না। শ্রেয়াদেবী প্রান্তিকের মাথায় হাত দিয়ে বললেন, ভালো থেকো বাবা, গুরুজনদের সম্মান করো। শ্রেয়া বললেন, তোমরা গল্প করো আমি একবার দত্ত গিন্নির সঙ্গে দেখা করে আসি, উনি হাত নেড়ে ডাকছেন অনেকক্ষণ ধরেই। উনি চলে যেতেই, ঈশা বেশ রাগত স্বরে বললো, আগে যদি জানতাম আপনি আমায় এভাবে ইনসাল্ট করাবেন, তাহলে আমি কখনো মাকে আপনার সঙ্গে পরিচয়ই করাতাম না। প্রান্তিক হকচকিয়ে বললো, কে আবার কাকে অপমান করালো! আমি কি করলাম?

    ঈশা প্রান্তিকের সামনের চেয়ারে ধপ করে বসে বললো, আপনি মশাই, জলজ্যান্ত আপনি। এই যে মা একটু আগে দায়িত্ব নিয়ে আমায় অপমান করছিলো সেটা বুঝেও না বোঝার মত মুখ করে মুচকি মুচকি হাসছিলেন কেন শুনি?

    প্রান্তিক আরেকটু হেসে বলেছিলো, কি মুশকিল! সে আপনি যদি কাউকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম না করেন সেটা আপনার নিজস্বতা, সকলে যে এক হবে এমন তো কোনো মানে নেই।

    ঈশা ঠোঁটটা কামড়ে বললো, সেটাই তো আমার মাকে কে বোঝাবে? দেখলেন না কেমন বললো, তোমরা এখনকার ছেলেমেয়েরা প্রণাম করো? এরপর বাড়ি ঢুকেই আরেকবার বলবে, যাক এখনও সবাই প্রাশ্চাত্যের সব কালচারকে ধুয়ে মুছে নিয়ে আসেনি, নিজেদের একটু আধটু রেখেও দিয়েছে। প্রান্তিক হেসে বললো, বুঝলাম আমি একটা চূড়ান্ত ভুল করেছি, যার জন্য আপনাকে মায়ের কাছে বেশ কিছু গোছানো কথা শুনতে হবে, তো আপনিই বলুন, পেনাল্টি ভরতে আমি রাজি।

    ঈশা ওর থুতনির আকর্ষণীয় তিলটাকে হাসির মাধ্যমে হাইলাইট করে বললো, আমার ডিজাইন করা একটা পাঞ্জাবি আজ সন্ধেতে আপনাকে পরতে হবে।

    প্রান্তিক একটু সংকুচিত হয়ে বলেছিলো, পাঞ্জাবিতে আমি বড্ড আনকম্ফোর্টেবল, ব্লেজার বরং বেস্ট। আমি তো টিশার্ট পরেও বিয়ে বাড়ি যাই।

    ঈশা অভিমানী গলায় বলেছিলো, বুঝলাম, আমার কাজের ওপরে আপনার একেবারেই ভরসা নেই। বেশ, তবে থাক। ওদের কথার মাঝেই টেবিলে প্লেট এসে গিয়েছিলো।

    তোপসে ফ্রাইয়ে কামড় দিয়ে ঈশা বলেছিলো, মাই ফেভারিট ডিস এটা।

    প্রান্তিক এমন মুখরোচক মেনু পেয়েও খাচ্ছিলো কম, ঈশাকে দেখছিলো বেশি। মনে মনে ভাবছিলো, একবার ক্লাস ইলেভেনে ওর মনে হয়েছিলো, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য প্রিপারেশন না নিয়ে কবি হলে বেশ হয়।

    ফেডেড জিন্স, শর্ট পাঞ্জাবি, এলোমেলো চুল, কয়েকদিনের না কাটা দাড়ি, কাঁধে শান্তিনিকেতনী ঝোলা…এমন একটা দারুণ কম্বিনেশন থাকবে পোশাকে ও চেহারায়। ঝোলায় থাকবে একটা ডায়েরি আর পার্কার পেন, যখন ইচ্ছে হবে বেখেয়ালে ওই ডায়রিতে কাটবে আঁকিবুঁকি, লিখবে কিছু এলোমেলো অক্ষর। পরে সবাই ওই ডায়েরির পাতাটা খুলে দেখবে অসাধারণ শব্দের আর ছন্দের মেলবন্ধন ঘটেছে। জন্ম হয়েছে একটা নিখুঁত কবিতার। এমনই এক কবি হওয়ার ইচ্ছে মাথাচাড়া দিয়েছিলো প্রান্তিকের মধ্যে। কিন্তু জয়েন্ট দেবার চাপে সে সুপ্ত ইচ্ছেটার বিকাশ ঘটেনি কখনোই। আজ ঈশার চোখের পলক গুনতে গুনতে মনে হচ্ছে যদি ও কবি হতো তাহলে এখুনি লিখে ফেলতে পারতো দুচার লাইন কবিতা। ওই কপালে পড়া অবাধ্য চুলের গোছাকে শাসন করতে পারতো ওর কবিতা দ্বারা, অথবা চিবুকের তিলটাকে চুম্বন করতে পারতো কালো অক্ষরের স্পর্শে। এমন একটা কাব্যের নায়িকাকে সামনে পেয়েও কিছুই যে করার নেই প্রান্তিকের, শুধু নির্নিমেষ তাকিয়ে থাকা ছাড়া। তাই প্রান্তিকের পাতে ভাত, ভেজ ডাল, তোপসে ফ্রাই, চিংড়ির মালাইকারি পড়া সত্ত্বেও ও কিছুতেই তেমন মনোনিবেশ করতে পারছিলো না। ঈশা কিন্তু মনের সুখে খেয়ে যাচ্ছিল। মজা করে বললো, বুঝতেই পারছেন, দুপুরে এই মেনু তাহলে রাতে কি হবে! তবে রাতে একটু গর্জাস সাজবো তো, এখনকার মত এলোমেলো নয়, তাই এত ভালো করে গুছিয়ে খেতে পারবো না। প্রান্তিকের খুব বলতে ইচ্ছে করছিলো, আবার গর্জাস সাজ! এই এলোমেলো সাজেই চোখের পলক ফেলতে পারেনি প্রান্তিক, রাতে কি তবে পাগল হয়ে যাবে! কথাগুলো বলতে গিয়েও সামলে নিয়েছে নিজেকে। ঈশা হয়তো ওকে ভুল বুঝবে। ভাববে, সুন্দরী মেয়ে দেখে হ্যাংলামি করছে। প্রান্তিক নিজেও জানে না ঈশাকে দেখলে ওর এমন একটা অদ্ভুত অনুভূতি কেন হচ্ছে! কলেজে, পাড়ায়, অফিসে, যাতায়াতের পথে কম সুন্দরী মেয়ে তো ও দেখেনি, কখনো এমন তো হয়নি। বরং বন্ধুরা মেয়েদের সম্পর্কে প্রান্তিকের উদাসীনতা দেখে মজা করেই বলেছে, তোর সব কলকব্জা ঠিক আছে তো রে! নাকি জিম টিম করে সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলো শেষ হয়ে গেছে!

    শরীরচর্চাটা প্রান্তিকের নেশা, আরেকটা নেশাও অবশ্য ওর আছে সেটা হলো একাকীত্ব উপভোগ করা। একাকীত্ব উপভোগ করার সময় ওর কানে থাকে হেডফোন আর তাতে প্রিয় কোনো গান, সঙ্গে এক কাপ কড়া কফি। আর তেমন কোনো নেশা ওর কোনোদিনই তীব্র নয়। বন্ধুদের সঙ্গ দিতে সিগারেট খেয়েছে বা ড্রিংকও করেছে। দুটোর কোনোটার স্বাদই ওর তেমন লাগেনি। বরং ভোরের সূর্যকে লুকিয়ে আধো অন্ধকারে ফাঁকা রাস্তায় মর্নিং ওয়াক বা হালকা পায়ে দৌড়াতে ওর অনেক বেশি ভালো লাগে। এহেন শরীর সচেতন, নেশাবিহীন প্রান্তিককে কেউ কখনো মেয়েদের দেখে হ্যাংলামি করতে দেখেনি। সেই প্রান্তিকেরই মনের মধ্যে যে কিসের এমন অদলবদল ঘটে গেলো তা স্বয়ং অন্তর্যামীই জানেন। ঈশাকে দেখার পর থেকে সেই ভীষণ চেনা প্রান্তিককে যেন ও নিজেই চিনতে পারছে না। ঈশার সামনে একটু সাবধানেই থাকতে হবে ওকে। এমন আলটপকা কথা বলা যাবে না। কে জানে কোন কথাতে কি মনে করবে ঈশা তারপর হয়তো ওর সঙ্গে মিনিমাম বন্ধুত্বটুকুও নষ্ট করে দিলো, তখন প্রান্তিক কি করবে! সত্যি বলতে কি ঈশার জন্যই সেদিন সুপর্ণার প্রস্তাবটা এক কথায় মেনে নিয়েছিলো ও। এত টাকা লোন নিয়ে কিনে ফেলেছিলো ফ্ল্যাটটা।

    ঈশার সঙ্গে গভীর সম্পর্ক না হোক ওকে যেন চোখের দেখা দেখতে পায় প্রান্তিক, নাহলে এই সন্ধ্যাতারার ফ্ল্যাটটা একেবারেই অর্থহীন হয়ে যাবে। ঈশা যেন ওর একঘেয়ে মধ্যবিত্ত জীবনে আচমকা লটারি পাওয়ার স্বপ্ন। ঈশা যেন ভিড় করে আসা অচেনা অনুভূতির উত্তেজনা। মনের মধ্যে হঠাৎ অনুভূত এই অচেনা অজানা অনুভূতিটুকুকে কিছুতেই এত তাড়াতাড়ি নিজের ভুলভাল কাজের জন্য শেষ করে দেবে না প্রান্তিক। বরং খুব কৃপণের মত একটু একটু করে খরচ করবে ও ঈশার সঙ্গে কাটানো এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোকে।

    ঈশা বললো, আরে আপনি না খেয়ে কি এত আকাশকুসুম ভাবছেন বলুন তো? বেশি ভাববেন না বুঝলেন! ভাবা একটা রোগ, একবার পেয়ে বসলে আর কিছুতেই ছাড়ে না। প্রান্তিক একটু হেসে বললো, পাঞ্জাবীটা কোথায় পাবো? মিস ঈশার ডিজাইন করা পাঞ্জাবিটা কি এখন পাওয়া যাবে? শর্ত একটাই, আমি কিন্তু কিনবো ওটা।

    ঈশা ঠোঁটটা টিপে বললো, কি মুশকিলের কাস্টমার বলুন তো? আমি বিক্রি করবো না আর এদিকে আমি কিনবো কিনবো বলে লাফাচ্ছে! না মশাই, আমি বেচবো না পাঞ্জাবি।

    ঘাবড়ে গিয়ে প্রান্তিক বললো, এমা আপনি রাগ করলেন বুঝি! তখন অতবার বললেন, আপনার ডিজাইন করা পাঞ্জাবি পরাবেন আমায় আজ রাত্রে, এখন এমন রাগ করলে হয়! এটুকুতে রাগ তো আমাদের বাড়ির পুচকে বেড়ালটাও করে না।

    ঈশা বাচ্চাদের মত হেসে বলেছিলো, আমি বেড়াল? আপনি আমায় বেড়ালের সঙ্গে তুলনা করলেন? জানেন আমার মাও বলে, আমি নাকি মাছ খেকো বেড়াল। যত মাছই দাও আমার বিরক্তি নেই।

    প্রান্তিক ঈশার প্রাণখোলা হাসির দিকে তাকিয়ে বলেছিলো, লাকি ম্যান।

    ঈশা হাসি থামিয়ে ভ্রু কুঁচকে বলেছিল, হু? হু ইস দ্য লাকি ম্যান?

    প্রান্তিক স্বপ্রতিভভাবে বলেছিলো, আপনার বয়ফ্রেন্ড।

    ঈশা মুচকি হেসে বলেছিলো, না মশাই এখনো সেই সৌভাগ্য কারোর হয়নি। ভাগ্য গণনা চলছে, দেখা যাক কাকে শেষ পর্যন্ত আপনার বলা লাকি ম্যান করা যায়।

    ঈশা এনগেজড নয় জেনে প্রান্তিকের ইচ্ছে করছিলো বিয়েবাড়ির লনেই দুর্গাপুজোর ভাসান ডান্সটা নেচে নিতে। নিজের উচ্ছসিত মনটাকে লাগাম পরিয়ে বললো, সে কি! সুন্দরীরা এমন ফ্রি ঘোরে বুঝি! আমার তো জানা ছিলো না।

    ঈশা কৌতুকের ছলে বলেছিলো, কজন সুন্দরীকে আপনি চেনেন বলবেন? কাফি জানকারি আছে দেখছি আপনার তাদের সম্পর্কে।

    প্রান্তিক হেসে বলেছিলো, ফেসবুকে ইদানীং কাউকেই সিঙ্গল দেখি না কিনা তাই বললাম।

    ঈশা মজার ঢঙে বললো, বুঝলাম, তাই আপনি মূর্তিমান সিঙ্গল ফেসবুকে পাত্রী খুঁজতে গিয়েছিলেন?

    শুনুন, ইদানীং ছেলেমেয়ে সব ভীষণ চালাক বুঝলেন! যারা সিঙ্গল তারাও বাড়তি উৎপাত এড়াতে এনগেজড লিখে রাখে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে। নাহলেই মেসেঞ্জারে সিঙ্গল খুঁজতে আসা পাব্লিকগুলো খেয়েছো, ঘুমিয়েছো করে করে খাইয়ে আর ঘুম পারিয়ে মোটা করে দেবার দায়িত্ব নিয়ে নেয় স্বেচ্ছায়। তাই সোশ্যাল মিডিয়ার স্ট্যাটাস থেকে দূরে থাকুন। প্রচুর ফেক গল্প থাকে। আপনার যদি একান্তই বিয়েথা’র শখ থাকে আমায় বলবেন, আমি পাত্রী খুঁজে দেবো।

    বেশ অভিভাবকের ঢঙে শেষ কথাটা বলেছিলো ঈশা।

    তারপর হঠাৎ বললো, এ বাবা! তিনটে বেজে গেল, পাওয়ার ন্যাপ না নিলে রাতে ক্লান্ত লাগবে। আমি চললাম। প্রান্তিক তাকিয়ে দেখছিলো, দামাল বসন্ত বাতাসটাকে। একমুঠো বুনো ফুলের গন্ধ ছড়িয়ে দিয়ে ঈশা চলে গিয়েছিলো পাওয়ার ন্যাপ নিতে। প্রান্তিকও আরেকটু এদিক ওদিক দেখে নিয়ে ফিরেছিলো নিজের ফ্ল্যাটে। এটাকে নিজের ফ্ল্যাট বলতে বেশ লাগছে প্রান্তিকের। দরজাটা খুলে ভিতরে ঢুকে পড়লে যেন একান্ত নিজের মহল। তিলোত্তমার চিৎকার চেঁচামেচি, ঠাসাঠাসি ভিড় সবকিছুকে পিছনে ফেলে এ যেন ওর একার রাজ্য। কেউ কেউ শুনলে হয়তো হাসবে, মাত্র আটশো স্কোয়ার ফিটের ফ্ল্যাটকে প্রান্তিক রাজত্ব বলছে?

    হ্যাঁ বলছে, কারণ এ রাজত্বের রাজা ও একা। ছোট হোক রাজত্ব শুধু স্বাধীনতাটুকু কাম্য ছিলো ওর। সুপর্ণা আর ঈশা দুজনকে যে কি বলে ধন্যবাদ জানাবে প্রান্তিক ও নিজেও জানে না তার ভাষা। ওরা দুজনে ছিলো বলেই, আজ ও ‘সন্ধ্যাতারা’ কমপ্লেক্সের একজন মেম্বার। মাত্র একমাস পজেশন পেয়েছে ও, তাতেই ফ্ল্যাটটাকে নিজের ভাবতে শুরু করেছে রীতিমত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার
    Next Article অনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }