Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খেলাঘরের ডাকে – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প385 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হারিয়ে যাওয়ার আগে – ৪

    ৪

    ঈশা, ছেলেটা কিন্তু খুবই ভালো ছেলে রে। দেখেই বোঝা যায়। ঈশা বিবর্ণ মুখে বলেছিলো, জানি মা, প্রান্তিককে যেদিন প্রথম দেখেছিলাম সেদিনই একটা কথা বুঝেছিলাম, ওর মধ্যে ‘র’ ব্যাপারটা এখনো আছে, পুরো পলিশড নয়। জানো মা, প্রান্তিক বলছিলো, আপনার মাকে দেখেই বোঝা যায়, মেয়েকে বড্ড বেশি আদর করে। আমি বললাম ছাই করে! শ্রেয়া মেয়েকে বুকের মধ্যে টেনে নিয়ে বললো, তুই ছাড়া আর কে আছে রে দুনিয়ায়!

    কেন দিদিভাই?

    শ্রেয়া মনমরা গলায় বললো, সে আর থাকা কোথায় রে! মায়ের একটা কথাও সে শোনে? কি কাজ করে, কেন রাতে মাঝে মধ্যেই বাড়ি ফেরে না, ফিরলেও কেন কোনো উত্তর দেয় না কিছুই তো বুঝি না। বিদিশার সঙ্গে সম্পর্কটা দিনদিন বড্ড জটিল হয়ে যাচ্ছে রে। মনেই হয় না ও আমার মেয়ে। অথচ ছোটবেলায় তুই ছিলিস বড় দুষ্টু, আর বিদিশা ছিল আমার বাধ্য। তবে তুই ছিলিস মা হ্যাংলা আর বিদিশা ছোট থেকেই বাবা ন্যাউটা ছিলো। বাবা যতক্ষণ না কাজ থেকে ফিরছে ততক্ষণ পর্যন্ত ঠায় জেগে থাকতো। পাঁচ বছরের বড় দিদি হয়েও তোকে কত আগলাতো বলতো! মেয়েটা যেন গত একবছরে কেমন একটা বদলে গেলো। ঈশা বললো, মা দিদিভাই যবে থেকে জবটা জয়েন করলো তবে থেকেই কেমন যেন হয়ে গেল। ইদানীং আমার সঙ্গেও দায়সারা কথা বলে।

    শ্রেয়া অন্যমনস্কভাবে বললো, কাউকে ভালো টালো বাসে, জানিস কিছু? ঈশা ঘাড় নেড়ে বললো, কিছুই জানি না। দিদিভাইয়ের ব্যাপারে আমি একেবারেই অজ্ঞ। কেমন যেন তল খুঁজে পাই না দিদিভাইয়ের গভীরতার। শ্রেয়া মানিপ্ল্যান্টটাতে সামান্য জল দিতে দিতে বললো, তোর বাবা মানুষটা চিরটাকালই চুপচাপ, বিদিশাও বোধহয় তোর বাবার স্বভাবটা পেয়েছে। ঈশা পাশবালিশটা জড়িয়ে ধরে বললো, আর আমি লাইক মাই মম।

    শ্রেয়া নরম গলায় বললো, বড় হয়েছিস, একটা কথা বলি, যার সঙ্গেই বন্ধুত্ব করিস না কেন মানুষ চিনতে যেন ভুল করিস না। ভুল মানুষ হলে একটা জীবন কেটে যাবে আফশোস করতে করতে। তাই বলছি ঈশা, যাকে তাকে কাছের মানুষ ভেবো না। তবে একনজর দেখে প্রান্তিককে আমার বেশ ভালো মনে হয়েছে, তার মানে এই নয় প্রান্তিক বিশাল কিছু সার্টিফিকেট পেয়ে গেল। খুব বেশি মেলামেশার দরকার নেই।

    মা গুরুগম্ভীর ভাবে কথাগুলো বলে চলে গেলো ঘর থেকে। ঈশা পাওয়ার ন্যাপের আশায় চোখ দুটো বন্ধ করলো।

    দূরে একটা বেশ বড়সড় স্কুল দেখতে পাচ্ছে ঈশা। দুদিকে রেড রিবন বেঁধে একটা মেয়ে ছুটছে। সাদা শার্ট আর সাদা স্কার্ট, শুধু মাঝের কোমরের বেল্টটা রেড। মেয়েটা ছুটে স্কুলে ঢুকলো। গেটের সামনেই দাঁড়িয়ে আছে ছেলেটা, মুখটা একটু কাঁচুমাচু করে। মেয়েটা ঢুকেই বললো, কি রে অনুভব, আজও তোর মনখারাপ?

    অনুভব ম্লান মুখে বললো, বাবার সঙ্গে মার খুব ঝগড়া হয়েছে। বাবা বলেছে মাকে, আমার বিজনেস ডিলের জন্য তোমাকেও যেতে হবে মিটিংয়ে। মা বলেছে, নিজের স্ত্রীকে, নিজের সন্তানের মাকে যে মানুষ অন্যের হাতে তুলে দেয় তাকে নাকি স্বামী বলা যায় না।

    জানিস ঈশা, আমাকে নিয়ে মা বোধহয় মামার বাড়ি চলে যাবে। ঈশা অনুভবের চোখ দুটো মুছে দিয়ে বলেছিলো, তাহলে আমার কি হবে! কে হবে আমার বন্ধু! আমি কার সঙ্গে টিফিন শেয়ার করবো? ক্লাস সেভেনের অনুভব বলেছিলো, তুই চিন্তা করিস না। আমি বড় হয়ে তোকেই বিয়ে করবো। আমি কখনো তোকে কষ্ট দেবো না ঈশা। আমি আমার বাবার মত হবো না। কাউকে তোর কাছে ঘেঁষতেই দেবো না। তুই আর আমি থাকবো একটা বড় বাড়িতে।

    দুজনেই মনখারাপ ভুলে কালার পেন্সিল আর নতুন ধরনের ইরেজার নিয়ে মেতে উঠেছিলো। আবার টিফিন ভাগ করে খাওয়ার সময় ঈশা বলেছিলো, আগে কথা দে, তুই আমার ছেড়ে কোথাও যাবি না অনুভব? তারপর আমি তোর টিফিন খাবো। অনুভব ঈশার টিফিন বক্স থেকে সন্দেশটা তুলে নিয়ে বলেছিলো, বললাম তো তোকে ছেড়ে আমি কোথাও যাবো না।

    পরের দিন মেয়েটা দৌড়ে ঢুকেছিলো স্কুলে। কিন্তু গেটের কাছে ওই ছেলেটা অপেক্ষারত ছিলো না। একসঙ্গে ক্লাসেও ঢোকেনি ওরা।

    শুধু প্রিন্সিপ্যাল প্রেয়ার লাইনে এসে বলেছিলো, ক্লাস সেভেনের সেকশন এ-র অনুভব মিত্র কাল রাতে মারা গেছে, তাই তোমরা দুমিনিট তার জন্য নীরবতা পালন করে তারপর বাড়ি চলে যাও। আজ ক্লাস হবে না, আজ ছুটি।

    ছোট্ট মেয়েটা স্থবির হয়ে গিয়েছিলো। অনুভব মারা গেছে? কি করে? অনুভব আর স্কুলে আসবে না? ও যে বলেছিলো, ঈশাকে ছেড়ে কোথাও যাবে না! অনুভবের পাড়ার একটা ছেলে বলছিলো, কাল রাতে তো অনুভব আর ওর মা দুজনেই একসঙ্গে মরে গেছে, ঘুমের ওষুধ খেয়ে। আগে অনুভবকে ওর মা মেরে ফেলেছে, তারপর নিজেও মরেছে। কথাগুলো ঈশার কানে এসে পৌঁছাচ্ছিলো, কিন্তু বিমূঢ় হয়ে বসেছিলো ও। কোনো কথাতেই যেন কর্ণপাত করছিলো না। সবাই বাড়ি চলে এসেছিলো। ঈশা একাই বসেছিলো ওদের রোজ টিফিন শেয়ার করে খাওয়ার গাছতলাটাতে। শেষে গেটকিপার এসে বলেছিলো, তুই এখানে কি করছিস? তোর মা বাইরে দাঁড়িয়ে তোকে খুঁজছে, চল শিগগির।

    ঈশা ভারী পা দুটোকে টেনে নিয়ে এসেছিলো স্কুল গেটের সামনে। মা বুঝেছিলো সবটা। রোজ টিফিন গোছানোর সময় মেয়ে যে একটা মিষ্টি, চারটে লুচি এক্সট্রা চায় সেটা মা জানতো, জানতো অনুভবের জন্যই ওগুলো নিয়ে আসে ঈশা। তাই আর কেউ না বুঝুক মা বুঝেছিলো, ঈশার পক্ষে এই স্কুলে পড়া আর সম্ভব নয়। স্মৃতি কিছুতেই ওর পিছু ছাড়বে না। ঘুমের মধ্যেই চমকে উঠতো ও। দিদিভাইকে আঁকড়ে ধরে ফুঁপিয়ে কাঁদত। একটা বছর পড়াশোনা করতে পারেনি ঈশা। মা-ই দায়িত্ব নিয়ে অন্য একটা স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছিলো ওকে। স্কুলে যেত, টিফিন খেত, পড়াশোনাও করতো ঈশা, শুধু সেই প্রাণচঞ্চল ঈশাটা যেন একটু একটু করে শুকিয়ে যেতে লাগলো। এমনকি কাজে ব্যস্ত সুফল অর্থাৎ ঈশার বাবারও চোখ এড়ায়নি মেয়ের এই পরিবর্তন। শ্রেয়া ঈশাকে একটা নামি আঁকার কোচিংয়ে ভর্তি করে দিয়েছিলো। আঁকায় ঈশার ছোটবেলা থেকেই ন্যাক ছিলো। পাড়ার একটা স্কুলে আঁকা শিখত। নতুন স্কুলে শিখতে শুরু করেই ঈশার আগ্রহ ছিলো কবে ও ফুল-ফল বাদ দিয়ে মানুষের মুখ আঁকতে পারবে নিখুঁত করে। অনুভবের মুখটা মনে থাকতে থাকতে এঁকে ফেলতে চেয়েছিলো ও। যদি একেবারেই হারিয়ে ফেলে অনুভবকে, তখন কি হবে!

    খাতার পর খাতা ও শুধু অনুভবকে এঁকেছিলো নিখুঁত করার জন্য। প্রায় বছরখানেকের অক্লান্ত চেষ্টায় ও আঁকতে পেরেছিলো অনুভবকে। একদম পারফেক্ট এঁকেছিলো। তারপর থেকে আর আঁকতে চেষ্টা করতো না অনুভবের ছবি। বরং একটা ডায়রিতে লিখে রাখতো নিজের মনের কথা, যেন অনুভবকেই বলতো ওর সবকিছু সিক্রেট। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছিল ঈশা। তবে এরপর কোনোদিন বেস্টফ্রেন্ড বলে ও ডাকেনি কাউকে। রণদীপ, বিজিত, সুজাতা, ঈশিতা এরা খুব কাছের বন্ধু ঠিকই কিন্তু বেস্টফ্রেন্ড নয়। অনুভবের সঙ্গে সঙ্গে ওই বিশেষ শব্দটাকেও বিদায় দিয়েছে ঈশা নিজের জীবন থেকে। এখন শুধু ফ্রেন্ড শব্দটাকে রেখেছে, যাতে হারিয়ে যাওয়ার পর কষ্ট না হয়। আর্ট কলেজে পড়ার সময়েও বেশ কিছু ছেলের কাছ থেকে পেয়েছে প্রোপোজাল, কখনো সাড়া দেবার তাগিদ অনুভব করেনি। করেনি কারণ অনুভব ছিল ওর রন্ধ্রে রন্ধ্রে। তাই কাউকে ভালোবেসে ওঠাও হয়নি। ঈশা ধীরে ধীরে অনুভবকে ভুলতে চেষ্টা করেছে, যত ভুলতে চেষ্টা করেছে ততই অনুভব ওর গোটা স্মৃতি জুড়ে বসেছে। ওর ওই সহজ সরল হাসিটা দিনের পর দিন নির্ঘুম রেখেছে ঈশাকে। তারপর একদিন ঈশা উপলব্ধি করেছে অনুভবকে ভোলার চেষ্টা না করে ওর বন্ধুত্বকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে ওকে। থাকুক অনুভব ওর স্মৃতি জুড়ে, ভুলতে চেষ্টা করলে ও যেন আরও প্রকট হচ্ছিল ঈশার দৃষ্টিপটে। আস্তে আস্তে অনুভবের স্মৃতিতে ধুলোর আস্তরণ পড়েছে, ঈশার জীবন এগিয়েছে অন্য খাতে। এখন ঈশা হাসে, সকলের সঙ্গে মজা করে কিন্তু ভালোবাসা, বেস্টফ্রেন্ড শব্দগুলো থেকে নিজেকে ব্রাত্য করে রেখেছে স্বেচ্ছায়।

    এসি ঘরেও নাকের ডগায় বিন্দু বিন্ধু ঘাম জমেছে ঈশার। সবুজ মাঠ দিয়ে ছুটছে ও। দূরে দাঁড়িয়ে আছে সাদা শার্ট আর ফুল প্যান্ট পরা ছেলেটা। প্রাণপণে ছুটছে ঈশা। ধরতেই হবে ছেলেটাকে, ছুটতে ছুটতে হাঁপাচ্ছে ও। ছেলেটার সামনে পৌঁছাতেই দেখলো ছেলেটা মুহূর্তে মিলিয়ে গেলো। ধড়ফড় করে উঠে পড়লো ঈশা। ঘামে ভিজে গেছে ওর টপটা, ঘাড়ের কাছেও অস্বস্তিকর ঘাম জমেছে। আজ বহুদিন পরে অনুভবকে দেখলো ও স্বপ্নে। ইদানীং অনুভব আর আসতো না ওর মধ্যরাতের স্বপ্নে, তছনছ করে দিতো না ওর একটুকরো দিবানিদ্রার বিলাসিতাকে। এখন ও শান্তিতে ঘুমাতে পারতো। আজ হঠাৎ কি এমন ঘটলো যে অনুভবকে দেখলো! মনে করার চেষ্টা করলো স্বপ্নের শেষ মুহূর্তটা। চমকে উঠলো একটু। অনুভবের মুখটা বদলে হয়ে যাচ্ছিল প্রান্তিকের মুখ। কাবার্ড খুলে সেই পুরনো ড্রয়িংয়ের ডায়রিটা বের করলো। দেখছিলো যেখানে পাতার পর পাতায় আঁকা আছে অনুভব। এই জন্যই প্রান্তিককে প্রথম দিন দেখেই কেমন যেন চেনা চেনা মনে হয়েছিলো ঈশার। অনুভবের মুখের সঙ্গে বেশ মিল আছে প্রান্তিকের। বিশেষ করে টিকাল নাক, আর ওই সরল হাসিটা দেখলে মনে হবে দুজনে যেন একই মানুষ। শুধু অনুভবের থুতনির নিচের কাটা দাগটা নেই প্রান্তিকের। কিন্তু প্রান্তিককে অনুভবের দাদা বলে চালানোই যায়। মুখের বেশ মিল আছে দুজনের।

    বহুবছর পরে ফুঁপিয়ে কেঁদে ফেললো ঈশা। ওই জন্যই কি এত বছর পরে প্রান্তিককে ওর ভালো লাগছে, ইচ্ছে করছে প্রান্তিকের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে? কারণটা কি শুধুই অনুভবের সঙ্গে মুখের মিল আছে বলে! কিন্তু তাহলে তো প্রান্তিকও হারিয়ে যাবে ওর জীবন থেকে, ঠিক যেভাবে অনুভব গিয়েছিলো। কথা দিয়েও কথা রাখেনি ও। ঠিক সেভাবেই কি প্রান্তিকও ….ডুকরে কেঁদে ফেললো ঈশা। ঠিক তখনই দেখলো প্রান্তিক মেসেজ করেছে, পাওয়ার ন্যাপ কি কমপ্লিট? একটা একান্ত অনুরোধ ছিলো আপনার কাছে, যদি রাখা সম্ভব হয় তবেই রাখবেন, না রাখতে পারলে রাগ করবো না কথা দিলাম। গেস্টহাউসে যাওয়ার আগে কি একবার আমার ফ্ল্যাটে আসা সম্ভব হবে? তাহলে একসঙ্গেই যেতাম আরকি।

    ক্লান্ত, বিষণ্ণ মনটা যেন প্রাণ ফিরে পেলো। মুচকি হেসে ঈশা টাইপ করলো, আপনাকে বডিগার্ড করবো ভাবছি আজকে রাতে। জিম টিম করেন, তেমন কোনো বেয়াদপি দেখলে দেবেন তার নাক উড়িয়ে!

    দুটো স্মাইলি পাঠিয়ে প্রান্তিক লিখলো, ব্রাহ্মণ মানুষ, চালকলা মেখে খাই তাকেও বক্সিং করিয়ে ছাড়বেন? অবশ্য যুদ্ধ যখন লাগে তখন শুনেছি ব্রাহ্মণরাও পুজোর ফুল ফেলে তলোয়ার ধরে।

    যদি সাহস দেন একটা কথা বলি, আজ কি রঙের পোশাক পরবেন?

    ঈশা লিখলো, গেস….

    প্রান্তিক লিখলো, রেড ব্ল্যাকের কম্বিনেশন বোধহয়।

    ঈশা বললো, জ্যোতিষ চর্চা করুন মশাই। সাইড ইনকাম জমে যাবে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে আসছি।

    ঈশার ঠোঁটের কোণে জমা হলো অনেকটা লজ্জা আর একমুঠো খুশি। অনুভব হারিয়ে গিয়েছিলো ঠিকই, কিন্তু প্রান্তিক হারাবে না, কিছুতেই না।

    ওয়াশরুমে যাওয়ার আগে বড় ওয়ার্ডরোবটা খুললো ঈশা। বেশ কিছুক্ষণ ধরে বেছে বেছে বের করলো লাইট স্কাইব্লু পাঞ্জাবিটা। যেটার এক কোনে আঁকা আছে জোড়া বাঁশি, তার ওপরে মিনাকারী কাজ করেছে ঈশা। এটা ফিটিং করার কথা। পাঁচ দশ হাইটের জন্য পারফেক্ট এটা। যদি একান্ত ফিট না করে তবে তো প্রান্তিকের টিশার্ট না কি যেন আছেই। নিজের মনেই গুনগুন করতে করতে ঘর থেকে বেরোলো ঈশা।

    দিদিভাই রেডি হয়ে বেরোচ্ছিলো কোথাও। ঈশা বললো, কি রে বিয়েবাড়ি যাবি না?

    বিদিশা বিরক্তির স্বরে বললো, তোর মত সুখী আর কে আছে বল। সংসারের একটা দায়িত্বও তো নিতে হয় না, উড়ে উড়ে বেড়াচ্ছিস, বেড়া। আমাকে অন্তত তোর এই আদিখ্যেতার মধ্যে ঢোকাস না।

    হন্তদন্ত হয়ে ঘড়ির বেল্টটা আটকাতে আটকাতে বেরিয়ে গেলো বিদিশা। দিদিভাইয়ের চলে যাওয়ার দিকে অপলক তাকিয়ে থাকলো ঈশা। পাল্টে গেল সবকিছু, বড্ড দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে এই বাড়ির আবহাওয়াটা। বিক্ষিপ্ত মনটা নিয়েই মায়ের ঘরের দিকে এগোলো ঈশা। মা শুয়ে শুয়ে একটা বই পড়ছে দেখে ঈশা বললো, মা আমাদের বাড়িটা এমন কেন হয়ে যাচ্ছে? দিদিভাই কেন এত রুড বিহেভ করে আমার সঙ্গে? আমি তো আমার বিজনেস শুরুর সময় কারোর কাছ থেকে টাকা ধার চাইনি। ঠাম্মা যে টাকা রেখেছিলো আমার নামে, সেটা দিয়েই শুরু করেছি। তাছাড়া এই তো মাত্র দু-বছর স্টার্ট করেছি, একটু দাঁড়িয়ে গেলেই আমিও ফ্যামিলিতে টাকা কনট্রিবিউট করবো দেখো।

    শ্রেয়া বইয়ের পাতা বন্ধ করে বললো, জানিস ঈশা, মনের মধ্যে কোনো বোঝা চেপে রেখে বাইরে স্বাভাবিক হবার চেষ্টা করলে কোথাও না কোথাও একটা বিস্ফোরণ ঘটবেই। বিদিশারও হয়েছে তাই। গত একবছর ধরে ওর মনের মধ্যে কিছু একটা নিয়ে চলছে মারাত্মক টানাপোড়েন, সেটার বহিঃপ্রকাশ ঘটছে এভাবে। ওকে তো চিনিস, জিজ্ঞেস করতে গেলে অপমানিত হওয়ার তীব্র আশঙ্কা আছে, তাই কোনোদিন ও নিজে বলবে সেদিনের অপেক্ষায় রইলাম। তার আগে পর্যন্ত ওর এই দুর্ব্যবহারে কষ্ট না পেয়ে ইগনোর করার চেষ্টা করছি, তাতে সফল হয়েছি। ও ইদানীং আমায় আর কিছু বলে না। কারণ এই যে এখন বেরিয়ে গেল সেজেগুজে, আমি একবারও জানতে চাইনি কোথায় যাচ্ছিস, সুপর্ণার বিয়েতে যাবি কিনা, এই সব….জিজ্ঞাসা করিনি বলেই আমার ঘরের সামনে এসে বলে গেল, মা আসছি, ফিরতে রাত হবে।

    তুইও আমার পদ্ধতি নে ঈশা। তোর বাবাকে বা বিদিশাকে জিজ্ঞেস করিস না, কোথায় যাচ্ছ? কখন ফিরবে?

    বরং ওদের বেরোনো বা ঢোকার টাইমে পারলে সামনে থেকে সরে যাস, বা অন্য কাজে মন দিস। দেখিস কাজে লাগবে, অন্তত নিজের মনটুকু শান্তিতে থাকবে। অকারণ তাকে কেন যন্ত্রণা দিবি বল? শ্রেয়ার গলাটা একটু ধরে এলো দেখে মাকে জড়িয়ে ধরে ঈশা বললো, ইউ আর দ্য বেস্ট মম ইন দ্য হোল ওয়ার্ল্ড। সবকিছুর সমাধান আছে আমার মায়ের ঝুলিতে। এমনকি মনখারাপ ভালো হওয়ার মেডিসিনও। শ্রেয়া মেয়ের কপালে চুমু খেয়ে বললো, যা রেডি হয়ে নে। আমি দত্তগিন্নিদের সঙ্গে যাব। তুই রিনিদের সঙ্গে যাবি তো?

    .

    ঈশা মুচকি হেসে বললো, তোমায় সাজিয়ে দিয়ে তারপর আমি বেরোবো। শ্রেয়া হেসে বললো, বিয়েটা তো সুপর্ণার রে, তোর বুড়ি মা সেজে কি করবে!

    বিরক্তির গলায় ঈশা বললো, উফ মা, বুড়ি বুড়ি করবে না তো, তুমি অলটাইম এভারগ্রিন। আমি রেডি হচ্ছি, তুমিও রেডি হয়ে নাও, আমি টাচ আপ করে দেবো তোমায়।

    ওয়াশরুমের বড় আয়নায় নিজেকে একবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখে নিলো ঈশা। আজ কি ওকে একটু বেশিই খুশি খুশি লাগছে? কিন্তু কেন? অন্যসময় তো দিদিভাই এভাবে কথা বললে ওর মুড অফ হয়ে যেত, আজ ইগনোর করতে পারলো কেন? কেউ ওর জন্য অপেক্ষা করছে এই অনুভূতিটাই কি ওকে প্রাণশক্তি যোগান দিচ্ছে? শাওয়ার ক্যাপটা মাথায় পরে নিয়ে শাওয়ারের ঠান্ডা জলের স্রোতের নিচে দাঁড়ালো ঈশা।

    ঠান্ডা জলের স্রোত ধীরে ধীরে নামছে ওর চিবুক বেয়ে বুকে, নাভিতে। শিউরে উঠলো ওর বাইশের যৌবন। জলের রেখাগুলো যেন আলতো করে আদর করছে ওকে। নরম আদর, কোনো বন্য হিংস্রতা নেই, নেই আগ্রাসী চাহিদা, শুধু আলতো করে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে ওর গোটা শরীরে। আবেশ জড়ানো গলায় যেন জিজ্ঞেস করছে, কেমন আছো ঈশা? শ্রান্ত মনের শান্তির প্রয়োজন, ধুয়ে দাও গ্লানি, শুরু করো নতুন করে।

    ঈশা তাকিয়ে দেখল, শাওয়ার থেকে ক্রমাগত নতুন জলের ধারা নেমে এসে ধুয়ে মুছে দিতে চাইছে ওর বুকের এককোণে জমে থাকা ঘন অন্ধকারের মত দুর্বিষহ কষ্টটাকে। সুখের স্পর্শে চোখ বন্ধ করে নিলো ঈশা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার
    Next Article অনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }