Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খেলাঘরের ডাকে – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প385 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাদশাহ আর ফরাসি ডাক্তার

    বাদশাহ মুসাফির অন্যমনস্ক হয়ে বসেছিলেন নিজের রাজকীয় তাঁবুর ভিতরে। সামনে কয়েকজন চাটুকার বাদশাহের মনকে প্রসন্ন করার তাগিদে চটুল অঙ্গভঙ্গিমা প্রদর্শনে ব্যস্ত। যদিও অল্পবয়সী বাদশাহের সেদিকে ভ্রূক্ষেপ নেই। তাঁবুর সামনে দিয়ে বয়ে যাচ্ছে নয়না নদীর ধারা। সেদিকে গভীর দৃষ্টিতে চেয়ে রয়েছেন তিনি। বাদশাহ মিজানুর ছিলেন রুদ্রনগরের বীরপুরুষ। সামরিক বুদ্ধিতে, শক্তিতে তিনি ছিলেন অপরাজেয়। তার একমাত্র বংশধর হয়েও মুসাফির যুদ্ধে পারদর্শী নন। রাজ্যে কানাঘুষো চলে নতুন বাদশাহ কাব্যচর্চায় ব্যস্ত। রাজ্য পরিচালনায় নাকি তিনি অক্ষম। বাদশাহ মিজানুরের সুযোগ্য সন্তান তিনি নন। মিজানুরের তিন বেগমের বাকি সন্তানরা কন্যা। তাই সিংহাসন দখলের লড়াইয়ে নামতে হয়নি মুসাফিরকে। ছোটি বেগম জাহানারার পুত্র মুসাফির পরিশ্রম না করেই রুদ্রনগরের সিংহাসনে আসীন হয়েছেন। বাদশাহ মিজানুরের আকস্মিক মৃত্যুতে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলো গোটা রুদ্রনগর। রুদ্রনগরের বাতাস এমন প্রজাবৎসল বাদশাহের জন্য ক্রন্দনধ্বনিতে ভারী হয়ে উঠেছিলো। ঠিক তখনই মহামন্ত্রী সুজান খানের তত্ত্বাবধানে রুদ্রনগরের সিংহাসনে বসেন মুসাফির।

    বাদশাহ মিজানুরকে যুদ্ধক্ষেত্রে বিষাক্ত তীরের আঘাতে হত্যা করা হয়। মিজানুরের যুদ্ধ জয় যখন নিশ্চিত, ঠিক তখনই বল্লভপুরের রাজা যুদ্ধনীতিকে বিকৃত করে জয়ী বাদশাহকে আঘাত করেন বিষাক্ত তীর দিয়ে। সেই বিষক্রিয়ার সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে প্রাণ ত্যাগ করেন বাদশাহ মিজানুর। পিতার ছত্রছায়ায় বাইশটা বসন্ত কাটানোর পরে মুসাফির বিস্মৃত হয়েছিলেন যে তিনি একজন শাহজাদা। তাঁকেও রাজ্যভার গ্রহণ করতে হবে। এমন গুরুদায়িত্ব আচমকাই তাঁর কাঁধে এসে পড়ায় তিনি কিছুটা বিহ্বল হয়ে পড়েছেন। সুজান খানই তাঁর মধ্যে গত আট মাস ধরে প্রতিশোধ স্পৃহা জাগিয়ে তুলেছেন। পিতার শত্রুকে নিধন করাটাই নাকি এই মুহূর্তে সবথেকে বড় সংকল্প হওয়া উচিত মুসাফিরের।

    .

    বালক বয়েস থেকেই যুদ্ধবিরূপ মনোভাব নিয়ে বড় হয়েছেন মুসাফির। যুদ্ধ, মৃত্যু, হাহাকার থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে নির্জনে থাকতে পছন্দ করেন তিনি। আয়ুর্বেদ তাঁর বড় প্রিয় বিষয় ছিলো। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা নিয়ে যথেষ্ট পড়াশোনা করেছেন। হারেম মহলে বহুবার ঢুকেছেন চিকিৎসার জন্য। রোগী যখন তাঁর চিকিৎসায় সাড়া দিয়েছে তখন বাদশাহ এসে বহুবার কাঁধে হাত রেখে বলতেন, বিদেশি ডাক্তার প্যাট্রিকের মতই সুদক্ষ চিকিৎসক হয়ে উঠছো। তুমি যদি সিংহাসনের অধিকারী না হতে তাহলে তোমায় শল্য চিকিৎসায় পারদর্শী করে তুলতাম।

    প্যাট্রিক ছিলেন রুদ্রনগরের বিদেশি চিকিৎসক। জাতিতে ফরাসি হলেও বাংলাভাষার প্রতি ছিল অপরিসীম টান। উর্দু, বাংলা শেখার আগ্রহ থেকেই প্যাট্রিক রুদ্রনগরের কাছের মানুষ হয়ে উঠেছিলেন। একমাত্র প্যাট্রিকের হারেমে প্রবেশের অধিকার ছিলো। বেগমেরা তাঁর সোনালী চুল দেখেও তাঁর দিকে তির্যক চাহনিতে চাইতো না। বরং হারেমের অনেক বেগমকেই তিনি নানা স্ত্রী রোগের হাত থেকে উদ্ধার করেছেন। বাদশাহের ভীষণ প্রিয় পাত্র ছিলেন চিকিৎসক প্যাট্রিক। মুসাফিরের থেকে বছর পাঁচেকের অগ্রজ প্যাট্রিকের সঙ্গে ক্রমে ক্রমে রীতিমত সখ্যতা তৈরি হয়েছিলো ওর। প্যাট্রিক আর মুসাফির রাত জেগে চিকিৎসা বিজ্ঞানের বই মুখস্থ করতেন। কিন্তু আফশোস একটাই প্যাট্রিককে কোনোদিন তলোয়ার চালাতে হবে না। কাউকে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে না। কাউকে যুদ্ধক্ষেত্রে খুন করতে হবে না। প্যাট্রিক শুধু মানুষকে জীবনদায়ী ঔষধ দিয়ে বাঁচবে, আর মুসাফিরকে মানুষের প্রাণ নিতে হবে। হতাশ লাগে মুসাফিরের। কেন ও বাদশাহের প্রাসাদে জন্মালো, কেন ও চিকিৎসক হতে পারলো না! কেন ও শব্দের পরে শব্দ মিলিয়ে কাব্য রচনার সুযোগ পেলো না!

    .

    জাহাপনা, জঙ্গলের অভ্যন্তর দিয়ে পথ প্রস্তুত হয়েছে। বিষপুরের জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে এ পথ পৌঁছাবে বল্লভপুরের সীমানায়।

    সচকিত হয়ে মুসাফির বললেন, খেয়াল রেখো বিষপুরের বাসিন্দাদের যেন সমস্যায় পড়তে না হয়। সাধারণ প্রজাদের যেন তকলিফ না হয়। সৈনিক মাথা নত করে জানালো, তারা নিরাপদেই আছে।

    ডাক্তার প্যাট্রিক ফিসফিস করে বললেন, বাদশাহের কি একটু ফুরসৎ হবে? তাহলে নয়না নদীর ধারে পদচারণা করে চক্ষুযুগলকে আরাম দেওয়া যেতে পারে। এই জন্যই যুদ্ধক্ষেত্রে তেমন প্রয়োজন হবে না জেনেও মুসাফির প্যাট্রিককে সঙ্গে করে নিয়ে আসেন। জখম সৈনিকদের ক্ষত নিরাময় করা ছাড়াও মুসাফিরের অন্তর পড়তে পারেন প্যাট্রিক। তিনি ঠিক বুঝেছেন এই সৈন্যদের পদচারণা, তলোয়ারের ঝনঝন, কামানের আওয়াজ, গোপন পথ দিয়ে বক্রপথে আক্রমণের পরিকল্পনা….এসবে কিছুতেই মনোনিবেশ করতে পারছেন না মুসাফির। সারি সারি শিবিরের এত মানুষের মধ্যে একমাত্র একজন বিদেশিই বুঝতে পারেন মুসাফিরকে। না, তার মা জাহানারাও বোঝেন না তার পুত্রকে। বুঝলে আসার আগে বলতেন না, বাদশাহের হত্যার প্রতিশোধ নিয়ে তবেই ফিরো মুসাফির।

    না, বাদশাহের বেগম কখনো কৃষক ঘরণী হতে পারেন না। সন্তানের অন্তরের ব্যাকুলতা অনুভব করার মত যথেষ্ট সময় তাঁর থাকে না। কিন্তু এক ফরাসি ভিনদেশী ডাক্তার অনেক বেশি মনোযোগ দেন মুসাফিরের প্রতি। বাদশাহকে তৈলমর্দন করার জন্য নয়, মানুষটা সত্যিই ভালোবাসেন মুসাফিরকে। মুসাফির বা বাদশাহ মিজানুরের দরবারে কোনোদিন কিছু প্রার্থনা করেননি প্যাট্রিক। শুধুমাত্র তাঁর ডাক্তারির পারিশ্রমিকটুকু বুঝে নিয়েছেন। মুসাফির সিংহাসনে অধিষ্ঠান করার পরেও প্যাট্রিকের ব্যবহারের কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করেননি মুসাফির। একবার কৌতূহলবশে জানতে আগ্রহী হয়েছিলেন, বাদশাহের কাছে তুমি কি ইনাম চাও প্যাট্রিক? প্যাট্রিক হেসে বলেছিলেন, এ সিংহাসনের অধিকারীকে আজীবন যত্নে রাখতে চাই। এ সুযোগ থেকে যেন বঞ্চিত না হই কখনও। মুসাফির বুঝেছিলেন, চিরকুমার ফরাসি ডাক্তারের চাহিদা বড়ই কম। নিজের উপার্জনের অর্থেই চলে যায় একলা জীবন।

    .

    মুসাফির ইশারায় আমির ওমরাহদের ওনার পশ্চাৎ অনুসরণ করতে নিষেধ করে প্যাট্রিকের সঙ্গে বেরিয়ে পড়লেন। মন্ত্রী সুজান খান জানতে পারলে নিষেধ করতেন। রুদ্রনগরের নতুন বাদশাহকে পরিচালিত করার ক্ষমতা একমাত্র সুজান খানেরই আছে। তিনি হয়তো বলতেন, তাঁবু ছেড়ে বাইরে না বেরিয়ে আসতে। শত্রুরা হয়তো টের পেয়ে গেছে বিষপুরের প্রান্তের এই তাঁবুর কথা। তাই বাদশাহকে একলা পেয়ে হত্যা করার এমন সুযোগ তারা কখনোই হারাবে না। সুজান খান হয়তো ঠিক, কিন্তু ওই তাঁবুর অভ্যন্তরে দুদিন ধরে বসে থাকতে থাকতে নিজেকে বড়ই অকর্মণ্য মনে হচ্ছে। তাই প্যাট্রিক সাহেবের প্রস্তাবের অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা না করেই নয়না নদী বরাবর হাঁটতে শুরু করেছেন মুসাফির।

    প্যাট্রিক প্রায় অস্তগামী সূর্যের দিকে তাকিয়ে বললেন, নয়না নদীতে স্নান সেরে তবেই বাড়ি ফিরবে দিবাকর। আপনার সাহিলকে বলুন তাড়াতাড়ি পা চালাতে। জঙ্গলের ওপাশে নয়নার জল বড়ই স্বচ্ছ। ওখানে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখাবো আপনাকে। আপনি কবি মানুষ, দু-কলম রচনা করবেন অমন সৌন্দর্য দেখে। সাহিল মুসাফিরের প্রিয় ঘোড়া। দুধ সাদা আরবি সাহিলকে বড্ড ভালোবাসেন বাদশাহ।

    নয়না নদীর জলে পড়েছে অস্তগামী সূর্যের আভা। নদীর ধারে একটা পুরোনো অশ্বত্থ গাছে নিজেদের ঘোড়াগুলোকে বেঁধে নদীর অভিমুখে চললেন মুসাফির আর প্যাট্রিক। মুসাফিরের চোখে প্রকৃতি দেখার বিস্ময়। প্যাট্রিক ফিসফিস করে বললেন, বাদশাহ কান পাতুন, ঘুঙুরের শব্দ শোনা যায় যে। মুসাফির থমকে দাঁড়িয়ে বললেন, কাঞ্চনী? এখানে? আমাদের হারেমে তো কাঞ্চনীদের থাকার বন্দোবস্ত আছে। মাসোহারার ব্যবস্থাও করে গেছেন স্বয়ং বাদশাহ মিজানুর। তাহলে কেন এখনও বিষপুরের কাঞ্চনীদের অন্যের মনোরঞ্জন করতে হচ্ছে?

    কাঞ্চনীরা নেচে, গেয়ে সকলের মনোরঞ্জন করে বেড়াবে এটাই স্বাভাবিক। এটাই তাদের উপার্জনের একমাত্র পন্থা। তাই বলে পাশেই রুদ্রনগর থাকতে তাদের এমন করুণ অবস্থা কেন?

    ফরাসি ডাক্তার প্যাট্রিক একটু ইতস্তত করে বললেন,কাঞ্চনী তার প্রমাণ কি? কোনো নর্তকীও তো হতে পারে? মুসাফির ফাঁকা প্রান্তর কাঁপিয়ে হো হো করে হেসে বলে উঠলেন, সাহেব, এ দেশে থাকলেই এদেশীয় হওয়া যায় না। এদেশের ভাষা শিখলেও সংস্কৃতি জানা সম্ভব নয়। কাঞ্চনী আসলে কারা জানো?

    প্যাট্রিক কৌতূহলী হয়ে তাকিয়ে রইলেন মুসাফিরের দিকে।

    কাঞ্চনীরা আসলে দিল্লির মুঘল দরবারের নর্তকী। নাচিয়েরা সব কাঞ্চনবর্ণা, তাই কাঞ্চনী। শুধু কাঞ্চনবর্ণ হলেই হবে না, হতে হবে অপরূপ রূপসী। তা হলেই মিলবে কাঞ্চনী দলে নাম লেখানোর ছাড়পত্র। এক সাহেবের বক্তব্য অনুযায়ী, কাঞ্চনীরা এমন ঝলমলে আর জমকালো পোশাক পরত, দেখে মনে হত যেন রক্তমাংসের নারী নয়, এরা সব বেহেশতের হুরি।

    প্যাট্রিক বললেন, আমারও আপনাদের সভায় দু-একবার এই কাঞ্চনীদের নৃত্য দেখার সুযোগ হয়েছে। তখন দেখেছি এরা অপরূপা হন।

    মুসাফির উদাসীন গলায় বললেন, সম্ভবত আকবরের আমল থেকেই দিল্লির খানদানি মহলে এদের রমরমা। প্রতি বুধবারে তাঁরা হাজির হতেন আম-খাসে, সম্রাটকে সেলাম জানাতে। এই রেওয়াজ অনেক দিনের পুরোনো। হয়তো আকবরই চালু করেছিলেন এই নিয়ম। তবে কাঞ্চনীরা ঠিক দরবারের বাঁধা নাচিয়ে নন। দরবারের বাইরেও নাচের আসর বসানোর অনুমতি ছিল এঁদের। যত্রতত্র নয়, শুধু খানদানি মহলে। এইভাবেই কাঞ্চনী প্রথা ছড়িয়ে পড়লো সারা দেশে।

    আসর বসতো আমির-ওমরাহ-মনসবদারদের বাড়িতে। কাঞ্চনীরা না থাকলে শহরের রইসদের বাড়ির বিয়ে কিংবা উৎসবের জৌলুস যেন ফিকে হয়ে যেত। কাঞ্চনীরা নৃত্য করলেও এদের যথেষ্ট সম্মান দেওয়া হতো। অবশ্য এর কারণও ছিল। এই খাতিরদারির কারণটা উল্লেখ করে গিয়েছেন এক ফরাসি পর্যটক। তোমাদের দেশের লোক। নাম, ফ্রাঁসোয়া বের্নিয়ে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কাঞ্চনবালাদের ‘দেহের গড়ন ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এমন নরম ও কোমল যে নৃত্যের প্রতিটি ভঙ্গিমা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে যেন লীলায়িত হয়ে ওঠে। তাল ও মাত্রাজ্ঞানও চমৎকার। কণ্ঠের মিষ্টতাও অতুলনীয়।’ মুঘল দরবার চিরকালই গান-বাজনার সমঝদার। এমন কলাপ্রেমীদের দরবারে কাঞ্চনীদের মতো শিল্পীদের কদর তো হবেই। তবে প্যাট্রিক আরেকটা কথা, কাঞ্চনী হওয়া কিন্তু সহজ ছিল না। কারণ কাঞ্চনী দলের আইন-কানুন ছিল বড্ড কড়া। কাঞ্চনী হওয়ার প্রথম শর্ত, গেরস্থ ঘরের মেয়ে হতে হবে। ভদ্রঘরের, তবে সম্পন্ন নয় কেউই। সাধ করে কি আর কেউ কাঞ্চনী হয়! আর হ্যাঁ, একবার কাঞ্চনী হলে তার আর সংসার পাতার উপায় নেই। কাঞ্চনীরা চিরকুমারী।

    .

    একে ভদ্র পরিবারের, তারপরে চিরকুমারী, নাচিয়ে-গাইয়ে মহলে তাই খাতির ছিলো কাঞ্চনীদের। অবশ্য হারেমের নাচিয়ে-গাইয়েরা তাঁদের একটু অবজ্ঞার চোখেই দেখতো। কারণ, এরা যে ‘বাজারু আওরত’। অস্পৃশ্য। দশ জনের দিল বহলায়। হারেমে তবায়েফদের কোনো ঠাঁই নেই। হারেমের নাচিয়ে-গাইয়েরা শুধু জানে বাদশাহকে। তাঁদের রূপ-যৌবন-শিল্পকলা, সবকিছুর ওপর অধিকার আছে মাত্র একজন পুরুষের। তিনি বাদশাহ। বেগমদের মনও তাঁরা বহলায় বই কী, কিন্তু পুরুষ ওই একজনই। হাজার পুরুষের মনোরঞ্জন করে যারা, বেগমখানা তাঁদের ঠাঁই দিতে নারাজ। তুমি তো এ বিষয়ে যথেষ্ট অবগত তাই না প্যাট্রিক?

    প্যাট্রিক হেসে বললেন, সে আর বলতে বাদশাহ! আপনাদের বেগমখানায় যখন প্রথম প্রবেশ করি তখন একখানা কালো কাপড় জড়িয়ে আমায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। যাতে কোনোদিকে নজর না দিতে পারি। তখন আমার বয়েস আরও কম। ভয়ে জিভ অবধি শুকিয়ে গিয়েছিলো। আপনার পিতার মুখেই শুনলাম বেগমখানার একজন বেগম অসুস্থ। বেগমখানায় তো সাধারণত অন্য পুরুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ। আমি অবশ্য তখন এত বিশদে জানতাম না।

    মুসাফির বললেন, হ্যাঁ হারেমে বেগানা পুরুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ। হারেম-কন্যারা পর্দানশিন কিনা! বেগমখানার অন্দরের সাফাখানা বা বিমারখানার ভার তাই মহিলা ডাক্তারদের ওপর। এছাড়াও আছে মেয়ে ‘জারাহ’ বা শল্য চিকিৎসকরাও। তবে রোগীর অবস্থা যখন জারাহদের আয়ত্তের বাইরে চলে যায়, তখন বাধ্য হয়েই পুরুষ হাকিমদের ডেকে পাঠাতে হয় বেগমখানায়। তুমি খুব দ্রুত বেগমদের বা বাদশাহের বিশ্বাস অর্জন করে নিয়েছিলে।

    প্যাট্রিক হেসে বললেন, এতটাও সহজ ছিল না প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা। আমি তখনও এদেশের রীতিনীতির সঙ্গে পরিচিত হইনি। সবে বিদেশে ডাক্তারি পাশ করে এদেশে পাড়ি জমিয়েছিলাম। এসেই পড়েছিলাম আপনার পিতার আনুকূল্যে। তাই হয়তো আমায় অসুবিধার সমুখীন হতে হয়নি।

    বেগমখানায় প্রথম পা রাখলাম আমি সেদিন। সফেদ চাদরে ঢাকা বেগম শুয়েছিলেন পালঙ্কে। আমি পালঙ্কের সামনে গিয়ে বসতেই একটা চুড়ি কঙ্কন পরা হাত বেরিয়ে এলো চাদরের ভিতর থেকে। হাত ধরে নাড়ি দেখতে গিয়ে মালুম হলো, এ হাত কোনো মহিলার নয়। এ হাত তলোয়ার চালানো দক্ষ সেনার হাত। তবুও ভয়ে কিছু না বলেই তার নাড়ি খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা করছি। পিছনে দাঁড়িয়ে দুজন হাবসি খোজা (বলপূর্বক নপুংসক বানিয়ে হারেমের পাহারায় রাখা হতো যে পুরুষ প্রহরীদের)। হাতে তলোয়ার নিয়ে উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আমার ঠিক পিছনে। এমন সময় বাদশাহ মিজানুর ঢাকা সরিয়ে উঠে বসে বললেন, আপনি পাশ করে গেছেন বিদেশি হাকিম। আমার বেগমেরা আপনার কাছে সুরক্ষিত। নিশ্চিন্তে আপনি আসবেন এই বেগমখানায় চিকিৎসার কারণে। সুস্থ করে তুলবেন আমার হারেমের সুন্দরীদের। আমি আজও জানি না কেন ঠিক কি কারণে সেদিন বাদশাহ আমায় পাশ মার্ক দিয়েছিলেন।

    মুসাফির হেসে বললেন, বাদশাহের মর্জি বোঝা আমার কম্ম ছিলো না কোনোদিনই। ঔরসজাত হয়েও তার স্বভাব আমার মধ্যে তেমন পরিলক্ষিত হয়নি বলেই রুদ্রনগরে অনেকেরই ক্ষোভ। আমি তাঁর মত ক্ষুরধার বুদ্ধির অধিকারী নই। পারদর্শী নই যুদ্ধবিদ্যায়। এমন বাদশাহকে তারা সিংহাসনের অধিকার দিতে নারাজ ছিলো। নেহাত উত্তরাধিকার সূত্রে সিংহাসনের অধিকার আমার তাই বসাতে বাধ্য হলো রাজ্যবাসী।

    নয়না নদীর জলে টুপ করে ডুবে গেলো সূর্যটা। ওরা নিজেরাও খেয়াল করেনি কখন জঙ্গলের পথে পথে এগিয়ে এসেছে কিছুটা।

    ঘুঙুরের শব্দটা আরও তীব্র হয়ে শোনা যাচ্ছে। প্যাট্রিক এদিক ওদিক তাকাচ্ছেন। মুসাফির বললেন, নর্তকী এই কাছে পিঠেই আছে। কিন্তু এই জঙ্গলের মধ্যে কোনো রইস আদমির বাসভবন তো দেখতে পাচ্ছি না ডাক্তার। তাহলে নাচ-গান করছে কে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার
    Next Article অনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }