Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খেলাঘরের ডাকে – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প385 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বর্ণিতার আত্মপক্ষ সমর্থন

    অন্যমনস্ক হয়ে বর্ণিতা বললো, বিশ্বাস করুন, প্রায় মাস আষ্টেক আগে আমার শেষ দেখা অব্যয়ের সঙ্গে। আমি জানতামই না অব্যয় মিসিং। মাসখানেক আগে শুনলাম ওর এক্সিবিশন হচ্ছে শহরের নামী একটা হলে। আমায় কোনো মেসেজ করেনি, কোনো কার্ড আসেনি নিমন্ত্রণের, তাই আমি অভিমান করেই উপযাচিত হয়ে যাইনি অব্যয়ের শোতে। লেডি পুলিশ অফিসার ভ্রুতে কোঁচ ফেলে বললেন, ওনার কলেজে গিয়ে শুনলাম আপনি নাকি মাঝে মাঝেই যেতেন ওনার সঙ্গে দেখা করতে। বর্ণিতা হাত জোড় করে বললো, দেখুন অফিসার মাঝে মাঝে বলতে ঠিক কি বলতে চেয়েছেন ওর কলিগরা আমি জানি না, তবে ওর অধ্যাপনা শুরু হবার পরে ওই কলেজে আমি হাতে গুনে চারবার গেছি গত আড়াই বছরে। তাও সম্পূর্ণ আচমকা গেছি। ও সেদিন কলেজে উপস্থিত থাকবে কিনা সেটাও কনফার্ম করিনি। ইচ্ছে হয়েছে ওকে দেখতে তাই চলে গেছি। কেউ যদি আপনাকে বলে থাকে অব্যয়ের সম্পর্কে আমি সব খুঁটিনাটি বলতে পারবো তাহলে সে ভুল বলেছে। অব্যয় চিরটাকাল ধরাছোঁয়ার বাইরে। ওর মনের মধ্যে প্রবেশ করার ক্ষমতা কারোর ছিল না অফিসার। আমাদের ব্যাচের সবথেকে ভালো ছেলে ও। প্রফেসররা ওকে দেখিয়ে বলতেন, দেখো ভবিষ্যতের যামিনী রায় বা পিকাসোকে সামনে থেকে দেখছো তোমরা। অব্যয় বরাবরই নিজের সম্পর্কে বেশি কিছু বলতো না। এমনকি দমদমের ঠিক কোন জায়গায় ওর বাড়ি ছিল তাও আমরা জানতাম না। কোনোদিন কাউকে নিজের বাড়িতে নিয়েও যায়নি ও। ওরা কয় ভাইবোন, বাড়িতে কে আছে এসব প্রশ্ন আমরাও কোনোদিন করিনি, ও স্বেচ্ছায় বলেনি।

    একটু ভেবে বর্ণিতা বললো, আচ্ছা অফিসার, ওর বাড়ি থেকে থানায় কেউ রিপোর্ট লেখায়নি?

    .

    অফিসার ঘাড় নেড়ে বললেন, কলেজের কয়েকজন কলিগ এসে রিপোর্ট লিখিয়ে গেছেন। দমদমের ওই ফ্ল্যাটে আর উনি এখন থাকেন না। ওর বাবা-মা ওর দাদার কাছে দমদমে থাকেন। অব্যয় সাউথের দিকে কোথাও একটা ফ্ল্যাট কিনেছিল। সেখানে আজ অবধি ওর বাবা-মা কাউকেই নিয়ে যায়নি। তাই তারা সঠিক অ্যাড্রেস দিতে পারলো না। আপনি যেহেতু অব্যয়ের কলেজফ্রেন্ড তাই এসেছিলাম আপনি যদি কিছু জানেন!

    বর্ণিতা চিন্তিত মুখে বললো, ওর একটা গ্রামের বাড়ি আছে। আমি ওকে দেখতাম ও একটা গ্রামের বাড়ির দৃশ্য আঁকত মাঝে মাঝেই। জিজ্ঞেস করলে বলতো, আমার গ্রামের বাড়ি। কোথায় তা তো বলতে পারবো না। আদৌ এখনও সে বাড়ি আছে কিনা জানি না। তবে গ্রাম আর ঘনসবুজ এই দুটোতে ওর আকর্ষণ ছিল মারাত্মক।

    .

    বর্ণিতা আকাশকুসুম ভাবছিল, তখনই অফিসার যেটা বললেন, সেটা শুনে আরেকটু হলেই ও জ্ঞান হারাত।

    অফিসার লগ্নজিতা ভট্টাচার্য বললেন, আপনার বন্ধু উত্তর কলকাতার এক বেশ্যাপল্লীতে যেতেন। ঠিক পল্লী বলা ভুল হবে, উনি একজনেরই বাড়িতে যেতেন তার জীবিকা ছিল প্রস্টিটিউশন। যার ঘরে যেতেন সেই লাবণ্য বলে মেয়েটি খুন হয়েছে দিন চারেক আগে। আর ঠিক ওই দিন থেকেই মিস্টার অব্যয় বিশ্বাস কলেজে আসেন নি। অ্যাটেনডেন্স রেজিস্টার তাই বলে। আপনি জানেন ওনার ওই এক্সিবিশনে মোট আয় কত হয়েছিল? প্রায় ছয় লক্ষ টাকা। ওনার প্রতিটা ছবি চড়া দামে বিক্রি হয়েছে। এত সাফল্যের পরে কোনো ব্যক্তি কেন নিরুদ্দেশ হতে পারেন? কলেজে কোনো ছুটির অ্যাপ্লিকেশন নেই। বাবা-মাও কোনো সন্ধান দিতে পারেননি। লাবণ্যর ঘরে একটা ব্যাগের মধ্যে প্রায় লাখ দুয়েক টাকার হার্ড ক্যাশ পাওয়া গেছে। সম্ভবত ওই টাকা লাবণ্যকে অব্যয়বাবুই দিয়েছিলেন। জানি না ওই টাকার লোভেই কেউ লাবণ্যকে খুন করেছে কিনা!

    পুলিশ অফিসার যাওয়ার সময় বলে গেলেন, যদি আপনার সঙ্গে কোনোরকম যোগাযোগ করেন, তাহলে প্লিজ ইনফর্ম করবেন। লাবণ্যর খুনিকে ধরার জন্য অব্যয়বাবুকে আমাদের বিশেষ প্রয়োজন।

    বর্ণিতার ফোনটা বেজে যাচ্ছে। বি বেঙ্গলির অফিস থেকে। ও ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে ফোনের স্ক্রিনের দিকে। অব্যয় আর নারী শরীর পিপাসু? মেলাতে গিয়ে বড্ড কষ্ট হচ্ছে ওর। ঘেঁটে যাচ্ছে হিসেব নিকেশ।

    দৃষ্টিপটে ভেসে উঠছে অব্যয়ের সঙ্গে শেষ দেখা হওয়ার দৃশ্যটা।

    .

    সত্যি বলতে কি তোমার এই রংতুলির টানেই আমি ফিরে আসি। বর্ণিতা নিচের ঠোঁটটা কামড়ে কথাটা বললো অব্যয়কে। অব্যয় উদাস চোখে তাকিয়ে বললো, পারছি না, ঠিক মত ফুটিয়ে তুলতে পারছি না চোখের সামনে ভেসে থাকা দৃশ্যদের। কি বলতো বর্ণিতা, আর্ট কলেজে প্রফেসরি করে, সারাটা দিন ছাত্র-ছাত্রীদের শিখিয়ে নিজের জন্য আর সময় বাঁচে কই! তাই মাথায় ভেসে থাকা দৃশ্যপটগুলোকে আর ধরা হয়ে ওঠে না ক্যানভাসে। বর্ণিতা ফিক করে হেসে বললো, আমি তো সেই কবেই আর্ট কলেজ ছেড়েছি, তারপর মেকআপ আর্টিস্ট বনে গেলাম। ভেবেছিলাম ক্যানভাসে গোটা আকাশকে ধরবো, পারলাম কি? লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পথ হারালাম। বি বেঙ্গলির মেকআপ আর্টিস্ট বর্ণিতা দত্তগুপ্ত এতদিনে বুঝেছে, মাসের শেষে মোটা টাকা উপার্জন করাটাই শেষ কথা নয়, প্যাশন থাকা উচিত, তবেই স্বপ্নরা ধরা দেবে।

    অব্যয় হাসতে হাসতে বললো, তাহলে শুরু করে দাও, হাতে তুলে নাও জল রং, ক্যানভাস ভরে উঠুক শরতের আকাশের মেঘপুঞ্জ দ্বারা। আর্ট গ্যালারিতে এক্সিবিশন হোক বর্ণিতা দত্তগুপ্তর। বর্ণিতা ভেজা গলায় বললো, লোভ দেখাচ্ছ? তাকিয়ে দেখো, তোমার কথাতে আমার রোমকূপরা পর্যন্ত শিহরিত হচ্ছে, আমার দৃষ্টিতে একটা উড়ন্ত স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাবে তুমি অব্যয়।

    অব্যয় আড়চোখে কৃষ্ণচূড়া গাছটার দিকে তাকিয়ে দেখলো, নিষ্ঠুরভাবে রক্তাত্ব করে রেখেছে নিজের প্রতিটা শাখা প্রশাখা। এতটা সৌন্দর্য পাওয়ার কোনো অধিকার নেই ওই পুজোর নৈবেদ্যতে অর্থহীন পুষ্পের। তবুও ওর জন্মদাত্রী ওকে দশহাতে সাজিয়েছেন, রাঙিয়ে দিয়েছেন প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত রং দিয়ে। চোখ ধাঁধানো রঙিন থেকে চোখ ফিরিয়ে অব্যয় বললো, ভাবো বর্ণিতা ভাবো, এসময় বোধহয় আর ফেরত পাবে না।

    বর্ণিতা অন্যমনস্ক ভাবে বললো, হ্যাঁ ভাববো। আসলে যখন আঁকা ছেড়ে মেকআপ আর্টিস্ট হলাম তখন একটা চাকরি আর বেশ কিছু টাকার বড্ড প্রয়োজন ছিলো। বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লেন, ট্রিটমেন্টের জন্য অনেক খরচ হচ্ছিলো। এখন বাবা নেই, মা বাবার চাকরিটা জয়েন করেছে, সংসার বলতে আমি আর মা। বি বেঙ্গলির চাকরিটা করেও আবার আঁকিবুকি করার সময় পাচ্ছি। আউটডোর কলগুলো অ্যাটেন্ড না করলেই হলো। তাহলেই আবার ফিরবো সম্পূর্ণ সাদা জমিতে, যেখানের একচেটিয়া অধিকার শুধু আমার। রং নিয়ে খেলবো আবার।

    অব্যয় বললো, এক্সিবিশনের শখ হয় না তোমার? মুচকি হেসে বর্ণিতা বললো, ওটা তো স্বপ্ন, আমরা সবাই দেখি। অব্যয় বললো, আমি সাধারণ এক্সিবিশনের স্বপ্ন দেখি না বর্ণিতা। আমি দেখি ইউনিক সব আঁকা। ব্যতিক্রমী সৃষ্টির ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে ছবি বোদ্ধা মানুষরা। আমি নিজেই নিজের সৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে দোলাচলে দুলছি, কোনটা শ্রেষ্ঠ বিচারে অপারগ আমি। এমন একটা স্বপ্ন দেখি আমি। তারপর ঘুম থেকে উঠে যখনই ক্যানভাসে আঁকতে যাই সেই ব্যতিক্রমী ছবিদের তখনই তারা ক্রমশ দূরে সরে যায়, হাত বাড়িয়ে আপ্রাণ ধরতে চাই, ছবি আঁকা শেষ হলে দেখি সেই গতানুগতিক এঁকেছি, কান্না পায় জানো। কষ্টে বুজে আসে গলার কাছটা। বর্ণিতা বললো, অব্যয় আমি জানি তুমি প্রেমে পড়ো না কোনো মানবীর, তোমার প্রথম এবং শেষ ভালোবাসা ছবির ওই এলোমেলো বা সাজানো রংগুলোই। তাই বলছি, কলেজ যেমন করছো করো সঙ্গে আঁকতে থাকো, এক পৃথিবী আঁকো।

    এই কথাটার পরেও বর্ণিতা আশা করেছিলো অব্যয় হয়তো বলবে, রংতুলির কাছে দাসত্ব স্বীকার করেছি ঠিকই কিন্তু ভালোবাসি না বললে অন্যায় হবে। হয়তো বাসি। বর্ণিতা খুব আশা করেছিলো অব্যয় বলবে, যদি বলি তোমাকে বাসি তাহলেই বা কি! ভালোবাসলেও যে বাধা পড়তে পারবো না পার্থিব কোনো শরীরের সঙ্গে, সে কি তুমি জানো না বর্ণিতা? বর্ণিতার কল্পিত একটা শব্দও ব্যবহার করেনি সেদিন অব্যয়। শুধু বলেছিলো, প্রেমে আমিও পড়ি, বারবার পড়ি কিন্তু ওই যে রংতুলি বড়ই হিংসুটে তাই কাউকে ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয় না আমার। পাখিরা ঝাঁক বেঁধে ঘরে ফেরার সময়টুকু অব্যয়ের সঙ্গে কাটিয়ে ফিরে এসেছিল বর্ণিতা। তারপর আবার নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলো ও। অব্যয়ের সঙ্গে কথা হয়নি বহুদিন। হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলে না অব্যয়। ফোন করলে মুড ঠিক থাকলে রিসিভ করে, না হলে নয়। তাই বর্ণিতার যেদিন খুব কথা বলতে ইচ্ছে করে সেদিন ও চলেই যায় অব্যয়ের কলেজে, একেবারে আচমকা। অব্যয় আর বর্ণিতা একসঙ্গেই আর্ট কলেজে পড়েছে। ফাইন আর্টস নিয়ে। কলেজে পড়ার সময় থেকেই অব্যয়কে ভালোবাসতো বর্ণিতা। অব্যয় মজা করে বলতো, বর্ণিতা তোমার চোখের দৃষ্টিতে যে আকুতি দেখি সেটা নিশ্চয়ই সত্যি নয়! তোমার কথার সুরে যে কথা হারানোর আবেগ দেখি সেটাও নিশ্চয়ই সত্যি নয়! যদি এগুলো মিথ্যে হয় তাহলে আমি তোমার বন্ধু হলাম। আর যদি এগুলো মিথ্যে না হয়ে চরম সত্যি হয় তাহলে আমি তোমার প্রেমিক হতে অপারগ। ঘাবড়ে গিয়েছিলো বর্ণিতা, এমন স্পষ্ট কথার তীব্র আঘাতে। তবুও সামলে নিয়ে বলেছিলো, বন্ধু হলে বুঝি প্রেমিক হওয়া মানা? অব্যয় সবুজ ঘাসের ওপরে এলোমেলো পা ফেলে বলেছিলো, বন্ধুত্বের দায়িত্বটুকু হয়তো নিতে পারবে এই অর্বাচীন কিন্তু প্রেমিকের দায়িত্ব, বাঁধন এসব আমার সাধ্যের বাইরে।

    সেদিন থেকেই অব্যয় ওর বন্ধু হয়েছিলো। আর বর্ণিতার একতরফা প্রেমের সঙ্গী। যে প্রেমের একমাত্র ভরসা সংযম আর অপেক্ষা। যদি কখনো অব্যয় ভালোবেসে ফেলে বর্ণিতাকে তার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষায় ছিলো ও। কলেজের তিনটে বছরে একবারও বর্ণিতা উচ্চারণ করেনি ও ভালোবাসে অব্যয়কে। অব্যয় তো করবে না এমনই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলো। এখন অব্যয় আর্ট কলেজের প্রফেসর, বর্ণিতা মেকআপ আর্টিস্ট, কেটে গেছে কলেজের সেই উদ্দীপনা তবুও অব্যয় নামটাকে খুব সংগোপনে রেখে দিয়েছে বর্ণিতা। যখন খুব মন খারাপ করে, দিশাহারা লাগে একঘেয়ে জীবনে, তখন ও গিয়ে দাঁড়ায় অব্যয় নামক বন্ধুটির সামনে। রঙের আঁচড়ে বর্ণিতাকে আবার উজ্জীবিত করে দেয় ও। আঁচল ভরে সেই উজ্জীবনী নিয়ে ফিরে আসে বর্ণিতা। মা শত বলা সত্ত্বেও বিয়ে করেনি বর্ণিতা। না, কারোর প্রতীক্ষায় আর থাকে না ও, শুধু অন্য কাউকে মেনে নিতে পারবে না বলেই হয়তো বিবাহ নামক জটিল বন্ধন থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছে।

    .

    মা টেবিলে খাবার সাজাতে সাজাতে বললো, ফোনটা রিসিভ কেন করছিস না বলবি? পুলিশ অফিসার বাড়িতে এলো কেন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানার অধিকার বোধহয় আমার আছে বর্ণি! বর্ণিতা গাঢ় গলায় বললো, মা মুখোশের আড়ালের মানুষটাকে আমরা কেন দেখতে পাই না সাদা চোখে? যে মানুষটাকে এতদিন পর্যন্ত একরকম জেনে এলাম হঠাৎ যদি দেখো সে মানুষটা বদলে গেছে বা এমনিই ছিল তুমি চিনতে পারো নি তখন কেমন লাগবে মা? কমলিনী মেয়ের হেঁয়ালিপূর্ণ কথার উত্তর না দিয়েই বললো, তুই যদি মনে করিস চাকরি ছেড়ে দিয়ে আঁকাটাকে নিয়ে থাকবি আমার কোনো আপত্তি নেই কিন্তু।

    বর্ণিতা অন্যমনস্ক ভাবে বললো, কে জানে কেন রংতুলির প্রতি বিতৃষ্ণা জন্মে গেল গত এক ঘণ্টায়। মানুষটা তার মানে মানবীর প্রেমে পড়েছিলো, প্রেমে না শরীরের প্রেমে? আমি তো অপেক্ষা করেছিলাম, না দেবার মত তো কিছুই ছিল না তাকে, শুধু একবার মুখ ফুটে বলার অপেক্ষায় ছিলাম আমি।

    কমলিনী মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে বললো, তুই কি কাউকে ভালোবাসতিস? ওই জন্যই বিয়ে করবি না ডিক্লিয়ার করেছিলি? তার কি কোনো দুর্ঘটনা ঘটেছে? আমায় বলবি কিছু?

    বর্ণিতা নির্লিপ্ত ভাবে বললো, ঠিক জানি না মা। তবে আমার কলেজের বন্ধু এখন লেকচারার, চারদিন ধরে মিসিং তাই পুলিশ ইনভেস্টিগেট করছে ওর পরিচিতদের কাছে গিয়ে। জাস্ট রুটিন ইনভেস্টিগেশন মা, নাথিং সিরিয়াস। তুমি অফিস যাও, আমি আজ ফার্স্ট হাফে ছুটি নিয়ে নেবো।

    কমলিনী একটু থমকে বললো, কষ্ট পাস না, সব ঠিক হয়ে যাবে। জীবনটাতে অনেকগুলো বাঁক থাকে। কোনো বাঁকে একমুঠো যন্ত্রণা তোকে রক্তাত্ব করবে আবার কোনো বাঁকে একরাশ আনন্দ তোকে সুখী করবে, তাই সবটুকুকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিবি বুঝলি!

    মা বেরিয়ে গেলো অফিস। একলা বাড়িতে বসে বসে বর্ণিতা ভাবছিল, বাবা বেঁচে থাকতে মা এতটা প্র্যাকটিক্যাল ছিলো না। তখন বরং বইপত্র পড়তো, সংসার সামলাতো, পুরোনো দিনের সিনেমা দেখে কাঁদতেও দেখেছে বর্ণিতা। বাবার মৃত্যুটাই বোধহয় মায়ের আবেগময় জীবনের ভীতটাকে আমূল নাড়িয়ে দিয়ে গেছে। সে তো বাবার মৃত্যু বর্ণিতাকেও বদলে দিয়েছে। ডক্টর যখন বলেছিলেন বাবার প্যানক্রিয়াসে ক্যানসার তখন টলে উঠেছিলো বর্ণিতার রামধনু রঙের দুনিয়াটা। সবে ফাইন আর্টসে মাস্টার্স করবে ভেবে ও তখন পরবর্তী জীবন নিয়ে রঙিন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। ওর নিজস্ব ছবির এক্সিবিশন হচ্ছে, মানুষজন ছবিগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করছে, ঠিক সেই মুহূর্তেই ওর অধরা স্বপ্নটা ক্যালাইডোস্কোপের মধ্যে থাকা কাঁচের টুকরোগুলোর মত ছড়িয়ে পড়েছিলো মেঝে ময়।

    ডক্টর শুনিয়েছিলেন, অপারেশন করতে প্রচুর টাকা লাগবে। বাবার ব্যাংকে জমানোর স্বভাব কোনোদিনই তেমন ছিল না। খরুচে মানুষ। তবুও ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙে শুরু হয়েছিলো ট্রিটমেন্ট। বিজ্ঞাপন দেখে চাকরি খুঁজতে শুরু করেছিলো বর্ণিতা। তখনই বি বেঙ্গলি চ্যানেলের মেকআপ আর্টিস্টের বিজ্ঞাপনটা চোখে পড়েছিলো, স্যালারিও মন্দ নয়। রঙের কাজ ও ভালোই পারবে, বাকি রইল মানুষকে সৌন্দর্য প্রদান করা, সাদা খাতাকে যে তুলির আঁচড়ে রঙিন করতে পারে সে একটা মানুষের মুখাবয়বকে সুন্দর করে তুলতে পারবে না, তাই হয় নাকি? কনফিডেন্স নিয়েই গিয়েছিলো ইন্টারভিউ দিতে।

    .

    ফোনটা রিসিভ করেই বর্ণিতা বললো, বল রক্তিম, বহুদিন পরে তুই ফোন করলি, কি খবর বল তোদের? তুই আর আমাদের পেঁচিরানী আছিস কোথায় এখন? রুবির কাছে ফ্ল্যাট নিয়েছিস?

    বর্ণিতাকে থামিয়ে দিয়ে রক্তিম বললো, পুলিশ গিয়েছিলো তোর কাছে? আমার কাছে এসেছিলো। আরে আমাদের অব্যয় নাকি মিসিং! অব্যয়ের এক্সিবিশনে গেলাম এই তো সেদিন। আমি আর গুঞ্জা দুজনেই গিয়েছিলাম। আমাদের বন্ধুদের ব্যাচের অনেকের সঙ্গে দেখাও হলো। বেশ খুশি ছিল অব্যয়। গুঞ্জা তো ওর আঁকা একটা ছবিও কিনলো সেদিন অনেকগুলো টাকা দিয়ে। অব্যয় অবশ্য কলেজফ্রেন্ড বলে একটু কমই নিলো। সেদিনও তো বুঝতে পারিনি ও ডিস্টার্বড আছে, এভাবে কোথাও পালিয়ে যেতে পারে! বর্ণিতা মনে মনে বললো, কলেজের সব বন্ধুকেই মোটামুটি ইনভাইট করেছিল অব্যয়, শুধু ওকে বাদ দিয়ে। বাকি সব বন্ধুদের বর্ণিতা তুই বলে সম্বোধন করলেও অব্যয়কে তুমিই বলতো। অব্যয়কে অন্যদের পংক্তিতে বসাতে মন চাইতো না ওর। অব্যয়ও বোধহয় ওর তুমি শুনেই বর্ণিতাকে তুই বলে ডাকেনি কখনো।

    একটু বোধহয় অন্যমনস্ক হয়ে গিয়েছিল বর্ণিতা। রক্তিম বললো, কি রে উত্তর দিচ্ছিস না কেন? তুই এখন চ্যানেলের অফিসে আছিস, না বাড়িতে? বর্ণিতা হালছাড়া গলায় বললো, না রে আজ আর অফিসে যাওয়া হলো না। একটু আগেই এস আই লগ্নজিতা ভট্টাচার্য এসেছিলেন। একপ্রস্থ জেরা করে গেলেন। রক্তিম উত্তেজিত হয়ে বললো, তোর কাছেও গিয়েছিল তাই না? গুঞ্জা ঠিকই বলেছে বর্ণিতার কাছেও নিশ্চয়ই যাবে। এই শোন না, আমারও আজ স্কুলে যাওয়া হলো না, গুঞ্জাও বুটিকে যায়নি, তুই একবার চলে আয় না আমাদের ফ্ল্যাটে। কুণাল আর স্বর্ণদীপও আসছে। অব্যয়ের বিষয়টা নিয়ে কথা বলার জন্যই, আসবি?

    .

    বর্ণিতা বিরক্তির গলায় বলতে যাচ্ছিলো, অব্যয় ওর জীবনের ফার্স্ট এক্সিবিশনে আমাকে ডাকেনি, ডেকেছিল তোদের, তাই তোরাই আলোচনা কর। কথাটা বলার আগেই গুঞ্জার গলা শোনা গেল, হ্যাঁ বর্ণিতা আমাদের সকলের থেকে ওকে চেনে বেশি, তাই ও ভালো বলতে পারবে অব্যয় এখন কেমন মেন্টাল কন্ডিশনে ছিলো। কথাটা শোনার পরেই বর্ণিতার মধ্যে একটা অদ্ভুত পরিবর্তন হলো। ওর অবাধ্য মন আবার ভাবতে শুরু করলো, ঠিকই তো, ওর মত করে অব্যয়কে আর কেই বা চিনবে। অব্যয়ের নিঃশ্বাস নেওয়ার ধরনে ও বুঝতে পারতো ওর মুড কেমন আছে। বর্ণিতার মত করে যে কেউ অব্যয়কে ভালোবাসবে না সেটা বোধহয় অব্যয় নিজেও জানতো। গুঞ্জার মুখে কথাটা শুনে আবার একটা নরম ভালোলাগায় ভরে উঠল মনটা। বন্ধুরা এখনও ভাবে, বর্ণিতা আর অব্যয় হয়তো অনেকগুলো বসন্ত পেরিয়ে এসেও আবার শুরু করবে নতুন করে। এই আলটুসী ‘হয়তো’ শব্দটা ঘিরেই বেঁচে আছে বর্ণিতা, ওর একতরফা ভালোবাসাকে সঙ্গী করে।

    রক্তিম রিপিট করলো, আসবি? তাহলে আমি আমাদের নতুন ফ্ল্যাটের অ্যাড্রেসটা টেক্সট করছি তোকে। বর্ণিতা ভাবনার মধ্যে নিমজ্জিত থেকেই বললো, হ্যাঁ আসছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার
    Next Article অনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }