Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খেলাঘরের ডাকে – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প385 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মুনলাইট বার

    নিজের থ্রি কোয়াটার জিন্সের পকেটে হাত ঢুকিয়ে দেখে নিলো ও সার্ভিস রিভলবারটা ঠিক জায়গায় আছে তো! ব্যাগি শার্টটা ইন না করে খুলে দিলো। এমনিতেই জিন্সের পকেটে দুটো দু-টাকার কয়েনকে কসরৎ করে ঢোকাতে হয়। সেখানে সার্ভিস রিভলবারটা এতটাই উঁচু হয়ে আছে যে কেউ তাকালেই নোটিশ করবে। তাই নিজের ঢোলা শার্টটায় ঢেকে নিলো গোপন অস্ত্রটা। আজ লগ্নজিতা একেবারে একা এসেছে। কোনো কনস্টেবলকে সঙ্গে নেয়নি। অতি সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট করার ইচ্ছে ওর নেই। ইউনিফর্মের বাইরে অন্য কিছু পরলেই মা ইদানিং একটু সন্দেহ করে। আজকেও তার ব্যতিক্রম নয়। লগ্নজিতা যখন বেরোচ্ছিলো, মা ঠিক সামনে এসে জিজ্ঞেস করলো, কোথাও যাচ্ছিস? বাবা ড্রয়িংরুমে টিভির রূপালি পর্দায় চোখ রেখেই বললো, বোধহয় ডেটিংয়ে, সাজগোজ দেখে তো তাই মনে হচ্ছে।

    মা কপালে ভাঁজ ফেলে বললো, ওমা, সেকি! বিয়ের আগেই এমন মেলামেশা একেবারেই ভালো নয়।

    যদি কাউকে পছন্দ থাকে, আমাদের বললেই তো আমরা বিয়েটা দিয়ে দিই। লগ্নজিতা ঘড়ির দিকে তাকিয়ে ক্লান্ত গলায় বললো, বাবা, দিস ইজ নট ফেয়ার! বাবা মুচকি হেসে বললো, বাহ, তুই ডেটিংয়ে যেতে পারিস আর তোর মা বিয়ের কথা বললেই আনফেয়ার হয়ে যাবে কেন? আমি আজ তোর মায়ের পক্ষে। এর হেস্তনেস্ত না করে তুই আজ বাড়ির বাইরে পা রাখবি না। যাও তো এককাপ কফি করে আনো, আজ জমিয়ে তোমার দলে লড়বো। মা রান্নাঘরের দিকে যেতে যেতে বলে গেলো, আদিখ্যেতা দেখে বাঁচি না। এই সুযোগে মেয়েকে ইশারায় বাইরে পাঠিয়ে দেবে, আবার অসময়ে এককাপ কফিও পেয়ে যাবে।

    এই মিষ্টি মিষ্টি মাটাকে বড্ড আদর করতে ইচ্ছে করে লগ্নজিতার। তাই মাকে জড়িয়ে ধরে একপ্রস্থ আদর করে ও ফিসফিস করে বললো, যেদিন ফার্স্ট ডেটিংয়ে যাবো, সেদিন তোমায় সঙ্গে করে নিয়ে যাবো। বলেই দেবো, এই হচ্ছে তোমার হবু শাশুড়ি, যদি এনার পছন্দ হয় তাহলে বিয়ে ফাইনাল, নাহলে জাস্ট ক্যানসেল। মা সুযোগমত সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করে বললো, সে সৌভাগ্য কি আর আমার কপালে আছে? একজন প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে, আরেকজন চব্বিশঘন্টা কাজের নাম করে যত অকাজ করে যাচ্ছে। যার যা ইচ্ছে করুক, আমি রূপনারায়নপুরে চলে যাব আমার ভাইয়ের কাছে।

    খুব ছোট থেকে লগ্নজিতা মায়ের এই এক ডায়লগ শুনে আসছে। বাবার সঙ্গে ঝগড়া হলেই মা বলতো, আমি চলে যাবো রূপনারায়নপুরে। বাবা বলতো, সে দু-দিন চলো, তোমার ভাইয়ের বাড়িতে কাটিয়ে আসি। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলো দেরি হয়ে যাচ্ছে। তাই বাবাকে জোরেই বললো, আসছি। এসে তোমার সঙ্গে বাকি বোঝাপড়াটা করে নেবো।

    স্নিকারের ফিতেতে টান দিয়ে গাড়িতে উঠলো লগ্নজিতা। বড়বাবু তো প্রস্টিটিউটের মৃত্যু বলে কেসটাকে গুরুত্বই দিতে চাইছেন না। কজ অফ ডেথে সুইসাইড লিখে লাবণ্যর মৃত্যুকে ধামাচাপা দিয়ে ফাইল ক্লোজ করে দিতে চাইছেন। কিন্তু ঘোষালের ওই একটা কথাতেই খিঁচটা রয়ে গেছে। ওটার গিঁট না খোলা পর্যন্ত শান্তি নেই ওর। শুভদীপ ঘোষাল কেন থানায় খবর দেওয়ার সময় বলেছিলো, এখানে একটা মার্ডার হয়ে গেছে। ইমিডিয়েট কিছু ব্যবস্থা করুন। কেন শুভদীপবাবুর মনে হলো, এটা আত্মহত্যা নয়, খুন!

    গাড়িটা মুনলাইটের আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং-এ পার্ক করার সময়েই একটা গাড়ির ওপরে নজর পড়লো লগ্নজিতার। ঠোঁটের কোণে একটুকরো হাসি খেলে গেলো।

    মুনলাইটের ভিতরটা আর পাঁচটা বারের মত। পার্থক্য তেমন নেই। শুধু লাইটের ডেকোরেশনটা একটু আলাদা। অন্য বারে বেশ ঝকঝকে লাইট থাকে, কিন্তু এখানে বেশ মায়াবী পরিবেশ সৃষ্টি করেছে এর নিভু নিভু আলোগুলো। টেবিলে কাস্টমাররা বসে আছে। স্বল্পবসনা মেয়েগুলো এসে তাদের ড্রিংক সার্ভ করছে। লগ্নজিতা বুঝতে পারলো, এভাবেই মদের সঙ্গে মেয়েদের শরীরের নেশা ধরাচ্ছে মুনলাইটের মালিক। অনেক কাস্টমারই ঝিমঝিম নেশার ঘোরে তরল পানীয়ের গ্লাস দিতে আসা মেয়েটার উন্মুক্ত কোমরে হাত দিয়ে তাকে আকর্ষণ করার চেষ্টাও করছে। সমস্ত কাস্টমারই পুরুষ। ইদানিং বিভিন্ন বারে মহিলাদেরও দেখা যায়। ঠোঁটের সামনে সুদৃশ্য গ্লাস নিয়ে লিপস্টিক বাঁচিয়ে রঙিন নেশায় বুঁদ হতে।

    কিন্তু মুনলাইটের সব কটি টেবিলেই এই মুহূর্তে পুরুষদের উপস্থিতি। উত্তর দিকের কোণের টেবিলে মাথা নিচু করে বসে আছে যে মানুষটা, সে লগ্নজিতার বিশেষ পরিচিত। তাই অন্য টেবিলে না গিয়ে সোজা চলে গেল আরেকটু পরিচয় বাড়াতে। মনে মনে বললো, ইকবালের খবরে আজ অবধি কোনো ভুল পায়নি লগ্নজিতা। ছেলেটাকে আরেকটু বেশি মাইনে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

    টেবিলে বসেই লগ্নজিতা বললো, কি মিস্টার ঘোষাল, একা একাই রয়েছেন দেখে একটু কম্পানি দিতে চলে এলাম। আপনার গ্লাসে তলানি কেন? এই ওয়েটার….

    শুভদীপ ঘোষালের আধঘন্টার চেষ্টায় যে নীলাভ নেশাটা চোখের সামনে বুজবুজি কাটছিলো সেটা নিমেষে গায়েব হয়ে গেলো সামনে বসে থাকা লগ্নজিতাকে দেখে।

    .

    লগ্নজিতার দিকে মৌতাত কেটে যাওয়া চোখে তাকালো শুভদীপ ঘোষাল। তারপর নিজেকে একটু সময় নিয়ে গুছিয়ে বললো, আপনি এখানে?

    লগ্নজিতা বললো, লাবণ্য তো এখানেই আসতো তাই না ঘোষালবাবু? আমি আসলে মুনলাইটের ম্যানেজারের সঙ্গে একটু কথা বলতে চাই, তাই এলাম। এসেই যে একজন পরিচিত মানুষকে এখানে দেখতে পাবো এটা অবশ্য ভাবিনি।

    ঘোষাল অপ্রস্তুত গলায় বললো, আমি মাঝে মাঝে আসি এখানে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। আজকে এদিক দিয়েই যাচ্ছিলাম, বেশ টায়ার্ড ছিলাম তাই বসে গেলাম গ্লাস নিয়ে।

    লগ্নজিতা মুচকি হেসে বললো, আমার মশাই কপালটা বড্ড ভালো। আজকেই আমি এলাম, আর আপনাকে পেয়ে গেলাম এখানে। নাহলে এই পরিবেশে আমাকে একা ওয়েট করতে হতো।

    আপনাকে পেয়ে গিয়ে জমিয়ে গল্প করা যাবে, যতক্ষণ পর্যন্ত না ম্যানেজার আসেন।

    আরে আপনার গ্লাস ফাঁকা যে…

    ওয়েটার এসে দাঁড়াতেই ঘোষাল পরিচিত ভঙ্গিমায় বললো, আমার আর লাগবে না। ছেলেটা বোকার মত বললো, কিন্তু স্যার আপনি যে রোজ দু- পেগ করে নেন?

    ঘোষাল প্রায় চিৎকার করে বললো, আউট।

    লগ্নজিতা নিজের সফটড্রিঙ্কে ঠোঁট ঠেকাতেই সাদা গ্লাসে ওর লিপস্টিকের ছাপ লেগে গেলো। ঘোষাল সেদিকে তাকিয়ে বললো, মেয়েদের এই রঙেতেই মিষ্টি লাগে। বিয়েটা করে নিন ম্যাডাম। কতদিন আর শীতের সন্ধেতে চোর-ডাকাতের পিছনে ছুটবেন বলুন তো! লগ্নজিতা একটুও উত্তেজিত না হয়েই বললো, আপনি একটা পাত্র দেখে দিন না ঘোষালবাবু। আপনি তো সকলেরই কিছু না কিছু উপকার করেছেন, আমারও নাহয় একটা করলেন। বিশেষ করে নিরীহ মেয়েদের দুঃখ তো আবার আপনার একেবারে সহ্য হয় না তাই না?

    গলার স্বরটা একটু দৃঢ় করে লগ্নজিতা বললো, আপনি লাবণ্যকে কতদিন বিনা ভাড়ায় রেখেছিলেন যেন?

    শুভদীপ একটু ইতস্তত করে বলেছিল, এই মুহূর্তে মনে নেই কতদিন, তবে রাজেশ চলে যাবার পরে যতদিন রোজগার শুরু করতে পারেনি ততদিন বিনাভাড়ায় ছিলো।

    লগ্নজিতা ভ্রু কুঁচকে বললো, তারপর নিরুপায় লাবণ্য একটা কাজের সন্ধানে আপনার কাছে এলো। তখন আপনি ওকে এই চাঁদে পৌঁছানোর রাস্তাটা দেখিয়ে দিলেন, তাই না শুভদীপবাবু?

    শুভদীপ বিরক্তির সঙ্গে বললো, আমি? আমি কেন তাকে কাজ দেখে দিতে যাব? লাবণ্য আমার জেঠিমার বাড়ির ভাড়াটে ছিলো মাত্র। আমার সঙ্গে তার কোনোরকম সম্পর্কই ছিলো না। শুধু মাসের একটা দিন দেখা হতো, সে এসে ভাড়া দিতো, আমি রসিদটা সাইন করে দিয়ে দিতাম। দ্যাটস এনাফ। নাথিং এলস।

    লগ্নজিতা মিষ্টি স্বরে বললো, আপনি নিশ্চয়ই জানেন, মিথ্যে কথা বলে কেসটাকে ভুল দিকে চালিত করা এবং অপরাধীকে আড়াল করার অভিযোগে আপনাকে আমি অ্যারেস্ট করতেই পারি।

    ঘোষাল গ্লাসের তলানি তরলটুকু গলায় ঢেলে মুখ বিকৃত করে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিলো, তার আগেই ম্যানেজার এগিয়ে এসে বললেন, বলুন ম্যাডাম। কি করতে পারি আপনার জন্য। আমি একটা কাজে বেরিয়েছিলাম, তাই আপনাকে ওয়েট করতে হলো। এক্সট্রিমলি সরি। লগ্নজিতা ম্যানেজারের দিকে তাকিয়ে বললো, এনাকে তো আপনি বেশ ভালো চেনেন ম্যানেজারবাবু। ইনি একজন সম্ভ্রান্ত প্রমোটার। শহর জুড়ে এনার বিজনেস। আপনার বারের বহু পুরোনো খদ্দের। তাই না? ম্যানেজার কিছু না বুঝেই বললেন, বিলক্ষণ চিনি। ওনার দাক্ষিণ্যে অনেক কাস্টমারও পাই।

    লগ্নজিতা দেরি না করেই বললো, ওনার দাক্ষিণ্যেই তো লাবণ্যকে পেয়েছিলেন তাই না?

    ম্যানেজার কি বলবে বুঝতে না পেরে শুভদীপের দিকে তাকালেন। শুভদীপ চোখের ইশারায় কিছু বোঝাবার আগেই লগ্নজিতা বললো, মিস্টার ঘোষালের আজ বোধহয় একটু বেশিই তাড়া ছিলো। ওনাকে আর অকারণে আটকে রাখবো না। আপনি আসুন ঘোষালবাবু।

    ঘোষাল আর কথা না বাড়িয়ে হালকা পায়ে চলে গেলো বারের বাইরে।

    ম্যানেজার ইতস্তত করে বললেন, কিন্তু ম্যাডাম আমরা তো পারমিশন নিয়েই এই বার চালাচ্ছি।

    লগ্নজিতা ম্যানেজারের ঘ্যানঘ্যানানিতে কান না দিয়েই বললো, লাবণ্য ঘটি এখানে কি কাজ করতো?

    ম্যানেজার নিজের রুমাল দিয়ে ঘামটুকু মুছে নিয়ে বললেন, এই যে টেবিলে টেবিলে ড্রিংক সার্ভ করছে মেয়েগুলো, লাবণ্যও এদের মতই ছিলো। আমি মাইনেও দিতাম ভালো। লগ্নজিতা নাক কুঁচকে বললো, শুধু ড্রিংক সার্ভ করতো? আর কাস্টমারদের যদি পছন্দ হয়ে যেত তখন আপনি কি করতেন? ম্যানেজার হাতের আঙুল কামড়ে বললেন, সেটা ওদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। ওরা যদি সেই কাস্টমারদের সঙ্গে কোথাও বাইরে মিট করতো তার দায় তো আমার নয়।

    লগ্নজিতা জিভে একটা টুকটুক আওয়াজ তুলে বললো, সেতো বটেই। আপনি আবার ব্যক্তিস্বাধীনতায় বড্ড বিশ্বাসী কিনা। তার মানে ওই মেয়েগুলোর কাছ থেকে কোনোরকম কমিশন আপনি খেতেন না তাই তো? তা বেশ। অত্যন্ত সৎ এবং পরোপকারী বার মালিকের সঙ্গে পরিচিত হয়ে আমি খুব খুশি হলাম।

    তো লাবণ্যকে আপনার কাছে কে নিয়ে এসেছিলো?

    ম্যানেজার একটা বড় ঢোক গিলে বললেন, শুভদীপ ঘোষাল। উনিই একদিন বিকালবেলায় লাবণ্যকে নিয়ে এসে বললেন, মেয়েটা একটা কাজ চায়, স্বামী ওকে ছেড়ে চলে গেছে। দেখুন যদি কোনো ব্যবস্থা করতে পারেন। আমার মায়া লেগেছিলো মেয়েটাকে দেখে। নিরীহ মুখচোরা মেয়ে। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, কি কি কাজ জানো? মেয়েটা সংকোচে বলেছিলো, আঁকতে জানে, ভালো সেলাই জানে, রান্না জানে। মেয়েটার মধ্যে একটা আর্টিস্টিক ব্যাপার ছিলো। লগ্নজিতা কথাটা শেষ না করতে দিয়েই বললো, সেই জন্যই তাকে প্রস্টিটিউশনের কাজে ঢুকিয়ে দিলেন? ম্যানেজার অত্যন্ত দক্ষতায় জিভ কামড়ে বললেন, ছি ছি একেবারেই নয়। আমি তো তাকে বললাম, ড্রিংক সার্ভ করতে হবে টেবিলে টেবিলে, এছাড়া আমার বারে আর মেয়েদের কাজই বা কি! লাবণ্য বলেছিলো, এত ছোট ড্রেস পরতে হবে? মেয়েটা লজ্জা পাচ্ছিলো দেখে আমি বলেছিলাম, অন্য কাজের জোগাড় করতে পারলে তোমায় ডাকবো। তো লাবণ্য আমার হাত দুটো ধরে বলেছিলো, ওর খুব বিপদ। তাই কাজটা ওকে করতেই হবে। আমার মায়ার শরীর, তাই আমি বললাম, তাহলে কাল থেকেই লেগে পড়ো। ওই গাইয়া মেয়ের পিছনে খরচ কম হয়নি। রীতিমত মেকওভার করাতে হয়েছিলো। তবে চটপটে মেয়ে নিজের কাজটা বুঝে নিয়েছিলো।

    লগ্নজিতার গলার কাছটা একটু ভারী হয়ে গিয়েছিলো। এমন কত মেয়ে এই শহরে রোজ বলি হচ্ছে নিরুপায়ভাবে। সে আঁকতে পারে, ভালো সেলাই পারে, রান্না পারে এসব গুণগুলো ধর্তব্যের মধ্যেই ধরা হয় না। তার দুটো স্তন আর একটা যোনিছিদ্রের মূল্য অনেক বেশি বেড়ে যায় সকলের কাছে। লাবণ্যর অসহায় মুখটা কল্পনা করেই চোখ দুটো জ্বলে উঠলো লগ্নজিতার। দাঁত চেপে বললো, শুভদীপ ঘোষালকে কত দিয়েছিলেন আপনি? ম্যানেজার ইতস্তত করে বললেন, আজ আর মনে নেই। অনেকদিন আগের কথা তো। তবে লাবণ্যকে আমি সব সময় মাইনে ঠিক সময়ে দিয়ে দিতাম। মেয়েটা আমার বারের লক্ষ্মী ছিলো। দুটো গ্লাস নিয়ে এসে বললেন, এই দেখুন এই গ্লাস পেন্টিংগুলো ওর করা। আমি জোর করিনি। অবসর সময়ে ও নিজেই করছে দেখে আমি আঁকার সরঞ্জাম এনে দিয়েছিলাম। লগ্নজিতা দেখলো, একটা গ্লাসে একটা মেয়ে নৃত্যের ভঙ্গিমায় বসে আছে। আরেকটা গ্লাসে দুটো পাখি ঠোঁটে ঠোঁট ঠেকিয়ে প্রেমালাপ সারছে। কি অদ্ভুত মেয়েটার হাতের কাজ। সেদিন অবশ্য ওর ঘরে ঢুকেও তাই মনে হয়েছিলো লগ্নজিতার। মেয়েটা অত্যন্ত গুণের মেয়ে ছিলো। রাজেশ ঘটি আর শুভদীপ ঘোষালের মত মানুষরাই আসলে বেশ্যা বানায়, তারপর নিজেরা ভালোমানুষ সেজে সমাজের উপরিস্থলে বসবাস করে নিশ্চিন্তে। লোকে এদের সম্মান করে, আর লাবণ্যকে দেখে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

    ম্যানেজার করুণ গলায় বললেন, কি যে হলো মেয়েটার, কেন যে আত্মহত্যা করে বসলো কে জানে! তিনদিন আগেও তো মাইনে নিয়ে গেলো, তখনও তো বুঝতে পারিনি এমন করবে। লগ্নজিতা এসব সাজানো ন্যাকামিতে বিশ্বাসী নয়। ম্যানেজারকে বললো, আপনার এখানে যতজন মেয়ে আছে ডাকুন সকলকে। আমার কথা আছে তাদের সঙ্গে।

    ম্যানেজার ইতস্তত করে বললেন, কাস্টমার রয়েছে টেবিলে এখন এসব করলে বদনাম হয়ে যাবে ম্যাডাম। লগ্নজিতা শীতল গলায় বললো, এক এক করে ডাকুন। মেয়েগুলোর সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলে চন্দ্রকলা নামক মেয়েটার ফোন নম্বর আর বাড়ির অ্যাড্রেস জেনে বার থেকে বেরিয়ে এলো ও। এই চন্দ্রকলার সঙ্গেই লাবণ্যের বন্ধুত্ব ছিল সব থেকে বেশি। গাড়িটা স্টার্ট দিয়েই ভাবলো, এই শুভদীপ ঘোষালকে আর লোভহীন ব্যবসাদার ভাবার কোনো কারণ নেই। লাবণ্যকে বিনাভাড়ায় রেখেছিলো বলে যে দুর্দান্ত গল্পটা ও ফেঁদেছিলো তার এইটটি পার্সেন্ট মিথ্যে। লাবণ্যকে মুনলাইটে সাপ্লাই দিয়েও মোটা অংকের টাকা কামিয়েছে শুভদীপ। ইকবালকে বলতে হবে শুভদীপের এই মুহূর্তের বিজনেস কন্ডিশানটা জানতে।

    ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলো এগারোটার দিকে দৌড় লাগিয়েছে ঘন্টার কাঁটাটা। গাড়িতে আরেকটু স্পিড তুলে বাড়ির দিকে ছুটলো লগ্নজিতা। কাল সকালে থানার কাজ মিটিয়ে কোথায় কোথায় যেতে হবে তার একটা লিস্ট বানালো মনে মনে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার
    Next Article অনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }