Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খেলাঘরের ডাকে – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প385 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানীভবনের তিনতলা

    রানীবালাদেবী, আপনার কাছে লাবণ্যের হাজবেন্ডের কোনো ছবি আছে? আর ওই রাধারমণ মুখুজ্জে বলে লোকটির কোনো ছবি?

    রানীবালা কিছু বলার আগেই গোপাল বলে উঠলো, আমি জানি। আমার সঙ্গে চলুন।

    রানীবালা একটু ইতস্তত করে বললেন, শুভ আপনাকে কোনোরকম সহযোগিতা করতে বারণ করেছে। তবুও আমি মেয়েটার মৃত্যুর কিনারা হোক এটাই চাই। ওর কেউ নেই বলে, এভাবে মারা যাবে এটা আমি মেনে নিতে পারছি না। আমার স্বামী অনেক কেস লড়েছেন বিনা পয়সায়, শুধু ন্যায় দেওয়ার জন্য।

    শুভ হঠাৎ করে কেন যে আপনার ওপরে ক্ষেপে উঠলো বুঝতে পারছি না। যাইহোক, দেরি না করে আপনি গোপালের সঙ্গে যান।

    লগ্নজিতা গোপালের সঙ্গে উঠে গেলো ওপরের তলায়। গোপাল বললো, লাবণ্যদিদির একটা অ্যালবাম আছে। তাতে ওদের বিয়ের ছবিও আছে। আমি দেখেছি। আর রাজেশ যখন এ বাড়িতে থাকতো তখনও আমিই একদিন জেঠিমাকে বলেছিলাম, লোকটাকে আমার মোটেই সুবিধার লাগে না।

    .

    লাবণ্যের ঘরটা খুলতেই একটা ভ্যাপসা গন্ধ এসে নাকে ঝাপটা দিলো। জানলা, দরজা বন্ধ থাকলে অব্যবহারের ফলে যেমন একটা সোঁদা গন্ধ তৈরি হয় ঠিক তেমন। গোপাল ঢুকেই লাইটটা জ্বেলে দিলো। এদিক ওদিক তাকিয়ে বললো, ওই যে কাঠের আলমারিটা, ওর মধ্যে আছে। আমায় একদিন দেখিয়েছিলো লাবণ্যদিদি। ওর বাবা, মা, বোন, ভাইয়ের ছবি।

    আলমারির সামনেই ঝুলছিলো একটা চাবি লাগানো রিং। রিংয়ে একটা লক্ষ্মী ঠাকুরের ছবি।

    গোপাল আলমারিটা খুলতেই লগ্নজিতা ভিতরে ঝুঁকে পড়লো। গোপালকে বললো, তুমি একটু সরে দাঁড়াও গোপালদা, আমি একবার চেক করে নিই।

    তুমি বরং বলো তো, ওদিন কে কে এই ঘরে এসেছিলো। গোপাল একটু মনে করে বললো, ওই প্রফেসরবাবু এসেছিলেন সকালের দিকে। তারপর দাদাবাবু মানে শুভবাবু এসেছিলেন একটু বেলার দিকে। আর তার একদিন আগেই রাজেশ এসেছিলো লাবণ্যদিদির ঘরে। বেশ চেঁচামেচি হয়েছিলো সেদিন।

    কিন্তু লাবণ্যদিদি ঠিক কেন মারা গেলো সেটা জানি না। আগেরদিন সন্ধের দিকে রাধারমণ মুখুজ্জে একবার ঢুকেছিলো এই ঘরে। আমি নিজের কানে শুনেছি, সে বলছিলো, বেইমানি করলি তুই? মেরে ফেলবো তোকে। আমার কাছে সব শিখে আমার সঙ্গে বেইমানি।

    লাবণ্যদিদি কি বলেছিলো আমি অবশ্য শুনতে পাইনি। লগ্নজিতা বললো, প্রফেসর যে ওইদিন এসেছিলো এটা শুভবাবু জানেন? গোপাল মাথা চুলকে বললো, বলেছি কিনা মনে পড়ছে না তো।

    লগ্নজিতার কাছে একটা জিনিস বেশ পরিষ্কার ঘোষাল লোকটা যথেষ্ট ঘোরালো।

    দুটো অ্যালবাম পাওয়া গেলো লাবণ্যের আলমারি থেকে। পোশাক-পরিচ্ছদ দেখে লগ্নজিতা বেশ বুঝতে পারছিলো মেয়েটার জীবনে আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। নিচের তাকের বেশ কিছু শাড়ি দেখে বোঝা যাচ্ছিলো, গ্রাম্য ছাপ সুস্পষ্ট সেই পছন্দে। আর ওপরের দুটো তাকে রাখা বেশ আল্ট্রা মর্ডান ওয়েস্টার্ন ড্রেস। সম্ভবত এগুলো ও কিনেছিলো মুনলাইটে নিজেকে খাপ খাওয়াতে।

    অ্যালবামের পাতায় বেশ কিছু ছবি রয়েছে লাবণ্যের বিয়ের। সম্ভবত কোনো মন্দিরে সিঁদুর পরিয়ে দিচ্ছে রাজেশ ওকে। রাজেশের কয়েকটা সিঙ্গেল ছবিও পেয়ে গেলো লগ্নজিতা।

    পরের অ্যালবামটা দেখে চমকে উঠলো লগ্নজিতা। খুবই স্বল্পবেশে লাবণ্যর ছবি, নানা ভঙ্গিমায় তোলা। তবে মেয়েটার চোখ দুটোতে যেন বর্ষার মেঘ টলটল করছে। মেয়েটা যেন বাধ্য হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ক্যামেরার সামনে। লগ্নজিতা দেখছিলো ছবিগুলো খুব মন দিয়ে। হঠাৎ গোপাল বলে উঠলো, এ ওই ছবিবাবুর কাজ। লাবণ্যদিদির অভাবের সুযোগ নিয়ে এসব ছবি তুলে এগুলো দেখে আঁকতো।

    গোপাল লোকটাকে দেখে যতটা বোকাসোকা মনে হচ্ছিলো, ততটা যে নয় সেটা ওর সমস্ত বিষয়ে তথ্যের জোগান দেওয়া দেখেই বুঝে নিয়েছে লগ্নজিতা। লোকটা অনেক কিছু জানে। কিন্তু সাবিত্রীর মত অতটা সাবধানী নয়। তাই একে কাজে লাগিয়ে বেশ কিছু তথ্য জোগাড় করার প্ল্যান করলো লগ্নজিতা।

    .

    লাবণ্যের ঘরে বসে বেশ কিছুক্ষণ গোপালের সঙ্গে কথা বলে ওরা গেলো চারতলায় রাধারমণ মুখুজ্জের ঘরে। গোপাল বললো, কেউ নিজের ঘরের চাবি কি আর দিতে চায়, কিন্তু জেঠিমা বলেছিলো, এখানে থাকতে গেলে এটাই নিয়ম। বাড়িতে কখনো শর্ট সার্কিট হলে তখন কি হবে। এত কম ভাড়ায় এমন বড় বড় ফ্ল্যাট আর পাবে নাকি কেউ কলকাতায়! তাই সবাই জেঠিমার কথাতেই রাজি হয়ে গিয়েছিলো। তখন থেকেই নাম লিখে লিখে চাবির আলাদা আলাদা গোছা রাখা ছিলো আমার কাছে। অবশ্য এই প্রথম আমি সেই চাবির ব্যবহার করছি। এর আগে এদের কারোর অনুপস্থিতিতে এদের ঘর খোলা হয়নি। জেঠিমার কড়া নির্দেশ ছিলো এ ব্যাপারে।

    .

    চারতলা লেখা চাবির গোছাটা নিয়ে এগিয়ে গেলো গোপাল। লগ্নজিতা বললো, রাধারমণ মুখুজ্জের সঙ্গে লাবণ্যর ঠিক কেমন সম্পর্ক ছিলো তুমি জানো? গোপাল বললো, মুখুজ্জে তো দিনরাত ছবি আঁকা নিয়েই ব্যস্ত থাকতো। লাবণ্যদিদি আঁকা শিখতে আসতো এখানে। মুখুজ্জে বিনা পয়সায় শেখাতো ওকে। লাবণ্যদিদির আঁকার হাতটা বড় ভালো ছিলো। সেই দেখেই মুখুজ্জে ওকে ছাত্রী করেছিলো। তারপর একদিন দেখলাম লাবণ্যদিদি কাঁদতে কাঁদতে নেমে আসছে ওপর থেকে। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম কি হয়েছে গো। সে কাঁদতে কাঁদতেই বলেছিলো, স্বামী পরিত্যক্তা মেয়েদের শরীরটাই তো একটা ক্যানভাস গো গোপালদা। তাই যার ইচ্ছে সেখানে তুলির আঁচড় দিতে পারে। টাকার প্রয়োজনেই লাবণ্যদিদি মুখুজ্জের মডেল হতো।

    লগ্নজিতা বললো, গোপালদা, তুমি এবাড়িতে কতদিন ধরে আছো?

    গোপাল বললো, বাবু যখন অসুস্থ হলো তখন থেকেই আমি বাবুর সঙ্গে সঙ্গে ছিলাম। জেঠিমার গ্রামের লোক আমি। কাজের সন্ধানে কলকাতা এসেছিলাম। লগ্নজিতা বললো, পড়াশোনা কোথায় শিখলে তুমি? গোপাল হাত কচলে বললো, গ্রামের স্কুলে মাধ্যমিক পাশ করে পালিয়ে এসেছিলাম কলকাতা। তারপর বাবুই আমায় পড়িয়েছে কিছুটা।

    বাবুর সঙ্গে থাকতে থাকতে কম মানুষ তো দেখলাম না। শিখলাম অনেক কিছুই। এটুকু হলফ করে বলতে পারি, মুখুজ্জে মোটেই ভালো লোক ছিলো না। প্রফেসরবাবু নিজের খেয়ালে বাঁচা মানুষ, লাবণ্যদিদিকে ভালোবাসতো। আর রাজেশ ঘটি তো বউয়ের পয়সা মেরে নেবার জন্যই জুটেছিলো।

    লগ্নজিতা বললো, আর শুভদীপ ঘোষাল কেমন লোক বলে তোমার মনে হয়?

    গোপাল ঘরটা খুলে বললো, গভীর জলের মাছ। ওনাকে বোঝা আমার কম্ম নয়। তবে জেঠিমার যত্ন করেন খুব। লাবণ্যদিদির ঘরে আসতেন মাঝে মাঝে। সেটা অবশ্য জেঠিমাকে লুকিয়ে।

    আমায় বলতেন, অসহায় মেয়ে তাই সুবিধা-অসুবিধা দেখাটা আমাদের কর্তব্য রে। জেঠিমাকে বলিস না।

    ঘন্টাখানেক থাকতেন তারপর বেরিয়ে যেতেন।

    লগ্নজিতা বুঝলো, অসহায় মেয়েটির সবরকম সুবিধা সকলেই নিয়েছে। অফিস থেকে বড়বাবু বলেছেন, এসব মেয়েদের এভাবেই মৃত্যু হয়, এদের নিয়ে মাথা ঘামিয়ে লাভ নেই। তার থেকে পৌরসভার মেয়রের বাড়ির পাশে ড্রেন নিয়ে যে ঝামেলাটা চলছে সেটা দেখাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    লগ্নজিতার জেদ চেপে গেছে। একটা মেয়ের আর কোনো উপায় ছিলো না বলে এই পেশা বেছে নিয়েছিলো। সে সমাজের চোখে অত্যন্ত খারাপ চরিত্রের। আর বাকিরা সমাজের গণ্যমান্য মানুষের তালিকায় জায়গা দখল করে থাকবে এটা মেনে নেওয়াটা ওর সইবে না। তাই ঘোষাল থেকে মুখুজ্জে, প্রফেসর থেকে রাজেশ ঘটি …কে আছে এই মৃত্যুর পিছনে সেটা ও খুঁজে বের করবেই।

    যে মেয়েটা আর্টিস্ট হতে পারতো, যে মেয়েটা গৃহবধূ হতে পারতো, তাকে এই পথে যেতে বাধ্য করে যারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে তাদের সকলকে একই টেবিলে বসিয়ে প্রশ্ন করবে লগ্নজিতা।

    রাধারমণ মুখার্জীর ঘরে অজস্র ক্যানভাস, কোনটাতে একটা ছবি অসমাপ্ত আবার কোনটাতে যত্ন করে সাদা কাপড় টাঙানো। এদিক ওদিক দেখতে দেখতেই চোখে পড়লো লাবণ্যর সম্পূর্ণ নগ্ন ছবি। মেয়েটার চোখে অসহায়তা। গোটা শরীরে যৌবনের ঢল। কপালে বিন্দু বিন্দু ঘামটুকুও নিখুঁতভাবে ফুটিয়েছে শিল্পী। অদ্ভুত আঁকার হাত তো তোমাদের মুখুজ্জেবাবুর।

    গোপাল ছবিটার দিকে তাকিয়ে করুণ গলায় বললো, সারাদিন জামা-কাপড় ছাড়া ঠায় বসিয়ে রেখে লাবণ্যদিদিকে বোধহয় চারশো না পাঁচশো টাকা দিতো। লগ্নজিতা অপলক তাকিয়ে বললো, লাবণ্যের টাকার এত প্রয়োজন কেন হতো জানো তুমি গোপালদা? গোপাল মাথা নিচু করে বললো, সে কথা দিদিমণি কাউকে বলতে বারণ করেছিলো। আজ তো আর সে নেই, তাই কথা রাখার দায়িত্বও নেই। দিদিমণির বাবা নেই। বাবা ছোটতেই ছেড়ে চলে গেছে। ওরা দুই বোন আর মা। কাকার সংসারে অবহেলায় মানুষ। মা অনেক কাজ করে ওদের মানুষ করেছে। মা এখন অসুস্থ। তাই মাকে টাকা পাঠাতো। কাউকে বলতে বারণ করেছিলো যে ওর মায়ের টিবি আছে। তাহলে যদি ওকে আর এবাড়িতে থাকতে না দেয় তাই। রাজেশ হারামজাদা নাকি ওকে বুঝিয়েছিলো, কলকাতায় গিয়ে ওর মায়ের ভালো হসপিটালে চিকিৎসা করাবে। সে হারামজাদা তো বউকে এই বাড়িতে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলো। লাবণ্যদিদি আর লজ্জায় গ্রামে ফেরেনি। কাকার বাড়ি থেকে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে এসে বিয়ে করেছিলো তো, তাই আর গ্রামমুখো হয়নি। এখান থেকেই মাকে চিঠি লিখতো। ও খুব ভালো আছে, রাজেশ ভালো রেখেছে, টাকা পাঠিয়ে বলতো, তোমার জামাই পাঠাচ্ছে।

    লগ্নজিতার বুকটা ভারী হয়ে গেলো। এই কম বয়সেই ও জীবনে অনেক কেস দেখেছে, তবে খুন, ছিনতাই, রাহাজানি দেখে দেখে ওর চোখ সয়ে গেছে। তারপরেও অচেনা এই মেয়েটার ছবির দিকে তাকিয়ে বুকটা মুচড়ে উঠলো। সেকি, ওর মা নাকি বলে, জিতার শরীরের কোনো রক্তকণিকায় নাকি মায়া-দয়া শব্দটাই নেই। তাহলে এই যন্ত্রণাটা কিসের! রাধারমণ মুখুজ্জের আরও কিছু ছবি ঘেঁটে লগ্নজিতা বললো, তুমি জানো গোপালদা লাবণ্যর বাড়ি কোথায়?

    গোপাল বললো, জানি। এবাড়িতে সে একমাত্র আমাকেই বিশ্বাস করে সবটুকু বলেছিলো। জেঠিমাকে সে সম্মান করতো আর আমাকে….

    গলাটা সামান্য ধরে এলো গোপালের।

    সেদিন ঠিক কি হয়েছিলো?

    গোপাল সবটুকু বলে দম নিয়ে বললো, আমিই শুভ দাদাবাবুকে খবর দিয়েছিলাম। শুভ দাদাবাবু ভয় পেয়ে থানায় ফোন করে বলেছিলো, এখানে খুন হয়ে গেছে।

    দিদিমণি সত্যিই কি লাবণ্যদিদিকে কেউ খুন করে রেখে গিয়েছিলো? বড় চাপা স্বভাবের মেয়ে ছিলো, পাঁচটা কথা বললে, একটার উত্তর দিতো। কে জানে মনে দুঃখ জমেছিলো নাকি! জীবনে তো কম ঠকেনি সে! লগ্নজিতা বেশ কয়েকটা পয়েন্ট নোট করে নিয়ে বললো, আমি আবার আসবো গোপালদা। ব্যাংকের কেউ বা ওপরের কলেজের ছেলেদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিলো না লাবণ্যর, তাইতো?

    গোপালদা একটু ভেবে বললো, না ছিলো না। তবে একদিন একজন লম্বা মত লোক ব্যাংকে এসে আমাকে বেশ কিছু প্রশ্ন করেছিলো। প্রফেসরবাবু এখানে কার সঙ্গে দেখা করতে আসেন, এ বাড়িতে কে কে থাকে, লাবণ্যদিদির খোঁজ নিচ্ছিল। জিজ্ঞেস করছিলো, প্রফেসরবাবু কবে কবে আসে এখানে। লাবণ্যদিদির সঙ্গে কথা বলা যায় কিনা! আমি তাড়িয়ে দিয়েছিলাম। লগ্নজিতা একটা ছবি বের করে জিজ্ঞেস করলো, দেখো তো এই লোকটা কিনা! গোপাল উত্তেজিত হয়ে বললো, হ্যাঁ এই তো এই লোকটাই।

    গোপাল বললো, আসলে ব্যাংক থাকায় নানারকম লোক আসছে চব্বিশঘন্টা। কত নজর রাখি বলুন তো? তবে আমি যেহেতু সব তলায় গিয়ে জল ভরার কথা বলে আসতাম তাই চোখ কান খোলা রেখে দেখার চেষ্টা করতাম।

    লগ্নজিতা রানীবালাদেবীর ঘরে ঢুকতেই উনি বললেন, অভাগী কি ভালোবাসা খুঁজতে ওপরে পাড়ি দিলো? নাকি ভালোবাসা এসেই তাকে ওপরে পাঠিয়ে দিলো? কি বুঝতে পারলেন অফিসার?

    লোভ লোভ, মেয়েটার বড্ড লোভ। ভালোবাসা, সংসার এসব কি এতোই সহজ জিনিস রে। আহা, উহু করবে ঠিকই, কিন্তু কেউ ক্লাবে যাওয়া মেয়েকে ঘরের বউ করবে না। এই সত্যিটা সে অভাগী বুঝলো না।

    .

    রানীবালাদেবী একটা খাম এগিয়ে দিয়ে বললেন, লাবণ্যের মায়ের চিঠি। লেটার বক্সে এসে পড়েছিলো। লাবণ্যকে আর দেওয়ার সুযোগ হয়নি। ওর ব্যাগের টাকাগুলো তো আপনাদের থানায় জমা রেখেছেন। এই নিন, ওর মায়ের চিঠিতে যদি ঠিকানা পান, তাহলে টাকাটা ফেরত পাঠাবার ব্যবস্থা করবেন। মা-মেয়ের পার্সোনাল চিঠি পড়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে আমার নেই। তবে টাকাগুলো ওর বাড়িতে পৌঁছে গেলে খুশি হবো।

    .

    আর একটা কথা, সাবিত্রীর কাছে শুনেছি লাবণ্য মারা যাবার আগে নাকি হঠাৎই একটা দাড়িওয়ালা লোক ওর ঘরে দিন দুই এসেছিলো। সাবিত্রীর ধারণা রাজেশই ছদ্মবেশে এসেছিলো।

    .

    ভদ্রমহিলার বাচনভঙ্গিমাটা ভীষণ আকর্ষণীয়। স্পষ্ট উচ্চারণে মার্জিতভাবে নির্দেশের সুরে অনুরোধ করেন রানীবালাদেবী। রানীভবনের মালকিন। যে রানীভবনের বর্তমান মূল্য কয়েক কোটি টাকা।

    .

    লগ্নজিতা রানীভবন থেকে বেরিয়েই গেলো শুভদীপ ঘোষালের অফিসে। গদির ওপরে বসে ল্যাপটপে কিছু একটা হিসেব কষছিলো শুভদীপ। ওকে দেখে ভূত দেখার ঢঙে বললো, ম্যাডাম এবারে তো আপনি পিছন ছাড়ুন। আমি তো কবেই আপনাদের থানায় জানিয়ে দিয়েছি, এটা খুন নয়, আত্মহত্যা! কলকাতায় কি অপরাধ এতোটাই কমে গেছে, যে একটা বাজারের মেয়ের আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে পড়ে আছেন! উত্তেজনায় হালকা কাঁপছিলো ঘোষালের গলাটা।

    লগ্নজিতা নির্লজ্জের মতই সামনের চেয়ারে ঝুপ করে বসে পড়ে বললো, আপনি বড্ড রেগে যান মিস্টার ঘোষাল। বিজনেস ম্যানদের কিন্তু আরেকটু ধৈর্যের দরকার। লাবণ্যের মুনলাইটে যাওয়ার পিছনে আপনার হাত আছে। শুধু ভাড়াটের কাছে মাসের একদিন যে আপনি যেতেন না সেটা আপনার জেঠিমা না জানলেও, আমি জানি।

    এমনকি সামান্য ভাড়াটের খোঁজ নিতে আপনি কখনো কখনো দুপুরের নিস্তব্ধতাকেও কাজে লাগিয়েছেন। লাবণ্যের ভাতঘুমের সময়ে আপনার উপস্থিতি ওকে কখনো কষ্ট দেয়নি মিস্টার ঘোষাল? আপনার যেন কটা সন্তান মিস্টার ঘোষাল? আপনারা সকলেই কি ওই বাড়িটাতে থাকেন? ঘোষালের বাড়ির দিকে আঙুল তুলে ইঙ্গিত করলো লগ্নজিতা।

    শুভদীপ ঘোষাল ভেঙে পড়ার গলায় বললো, প্লিজ ম্যাডাম। এই বয়সে বেইজ্জত করবেন না ফ্যামিলির চোখে। বলুন কি কি জানতে চান। যেটুকু জানি সত্যি বলবো কথা দিচ্ছি। লগ্নজিতা হেসে বললো, বিজনেস ম্যান আর পুলিশ দুজনকেই আমি বিশ্বাস করি না মশাই। দুজনের কেউ কথা দিয়ে কথা রাখে না।

    আগের দু-দিন আপনি যে লেভেলের মিথ্যে বলেছেন, তাতে বিজনেস ম্যানদের সম্পর্কে আমার ধারণাটাকে আরও দৃঢ় করে দিয়েছেন। আর পুলিশকে বিশ্বাস না করার একটা কারণ আপনাকে বলি, পুলিশরা যখন দেখে একজন ক্রমাগত মিথ্যে বলছে, তখন তার সততার প্রতি কোনোরকম আস্থা রাখতে না পেরে তাকে দেওয়া কথারও খেলাপ করে ফেলে বেখেয়ালে। গলার স্বরে দৃঢ়তা এনে লগ্নজিতা বললো, আমি দুটো কায়দায় জেরা করি। সত্য অনুসন্ধানকারী লগ্নজিতা ভট্টাচার্য মানুষকে এবং তার পেশাকে সম্মান করে, তার সঙ্গে বন্ধুর মত মিশে সাহায্য চায়। তার সত্য অনুসন্ধান করতে যারা হেল্প করে লগ্নজিতা তাদের ভোলে না। আর এস আই লগ্নজিতা ভট্টাচার্য বড্ড বেয়াদপ। কথা দিয়েও কথা না রাখার ইতিহাস তার ঝুলিতে খুঁজলে অনেক পাওয়া যাবে। আচমকা তাকে না জানিয়ে ভোররাত্রে কেউ শহর ছাড়বে ভেবে এয়ারপোর্টের দিকে এগুলো ধরুন, তখন লগ্নজিতা ভট্টাচার্য তাকে ডিরেক্ট নিজের কাস্টডিতে নিয়ে চলে আসে। সে জেরা হয় অন্যরকম পদ্ধতিতে। তাই মিস্টার ঘোষাল, সিদ্ধান্ত আপনার… আপনি কার কাছে কথা বলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। সত্য অনুসন্ধানী লগ্নজিতার সামনে নাকি এস আই ভট্টাচার্যর সামনে!

    শুভদীপ ঘোষাল ভীতু গলায় বললো, ম্যাডাম আমি আজকে যা বলবো সব সত্যি বলবো। ক্যাশবক্সে হাত রেখে বলছি। লগ্নজিতা রেকর্ডারটা অন করে বললো, বলতে পারেন। রাজেশ ঘটি লাবণ্যকে ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় আপনার কাছ থেকে ঠিক কত টাকা নিয়ে গিয়েছিলো মিস্টার ঘোষাল? লাবণ্যের আগে আপনি আর কটা মেয়েকে মুনলাইটে কাজ দিয়েছিলেন?

    মুনলাইট বারের কত পার্সেন্ট শেয়ার আপনার নামে? রিয়েল এস্টেটের বিজনেসে তো বেশ কিছুদিন ধরে ঝাড় খাচ্ছেন আপনি, ঠিক কত টাকা লোকসানে যাচ্ছে আপনার বিজনেস?

    লগ্নজিতার ক্রমাগত প্রশ্নে কপালে ভাঁজ পড়লো শুভদীপের। মুখে অন্ধকারের আস্তরণ ঘন হচ্ছিলো। ও বেশ বুঝতে পারছিলো, লগ্নজিতা ভট্টাচার্য প্রমাণ না নিয়ে কাজে নামেনি।

    শুভদীপ ঘোষাল ঢোক গিলে বলতে শুরু করলো লাবণ্যর রানীভবনে পদার্পন থেকে মুনলাইট জার্নি….মৃত্যুর দিন ঠিক কে কে এসেছিলো লাবণ্যের কাছে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার
    Next Article অনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }