Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খেলাঘরের ডাকে – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প385 Mins Read0
    ⤶

    জংলীর ড্রয়িংরুমে

    জংলী রিসর্টের সাজানো ড্রয়িংরুমে বেতের চেয়ারে বসে আছে সকলে। গুঞ্জা, রক্তিম, অব্যয়, বর্ণিতা, কুণাল বসে আছে একদিকে। স্বর্ণদীপ বিরক্ত মুখে ঘনঘন মোবাইলের স্ক্রিন ঘাঁটছে। শুভদীপ ঘোষালের মুখে কেউ যেন একপোঁচ ভয় মেশানো নীল রং মাখিয়ে দিয়েছে।

    গুঞ্জা খুব সাবধানে বর্ণিতাকে বললো, হ্যাঁ রে অব্যয়ের ওপরে কোনো দোষ পড়েনি তো! বর্ণিতা উত্তর দিলো, পুরোটা ধোঁয়াশায় ভরা আছে। কেন যে সকলকে লগ্নজিতা এখানে ডাকলো সেটাই তো বুঝতে পারছি না। স্বর্ণদীপ হঠাৎ বিরক্ত হয়ে বললো, না মানে আমি তো বুঝতেই পারছি না, আমরা ভিক্টিম হলাম কি করে! কেন এখানে আমাদের ডেকে আনা হয়েছে!

    কুণাল শান্ত গলায় বললো, অব্যয়, তুই হঠাৎ এখানে গা ঢাকা কেন দিয়েছিলিস? রক্তিম একটু বেশিই চুপচাপ, ভাবনার অতলে প্রবেশ করেছে যেন। শিমুল আর ওর মা জড়োসড়ো হয়ে বসে আছে। অব্যয় বললো, শিমুল তো এই রিসর্টের ঘরে আল্পনা দিতে আসে। ওকে কেন ডেকেছে লগ্নজিতা জানিস?

    বর্ণিতা ঘাড় নেড়ে বললো, আমিও আজ পাতালে হাবুডুবু খাচ্ছি। হতে কি চলেছে সেটাই তো ক্লিয়ার নয়। শুভদীপ ঘোষাল আড়চোখে একবার তাকালো অব্যয়ের দিকে। এই ছোঁড়া প্রায়ই ঢুকতো লাবণ্যের ঘরে। গোপাল অন্তত তাই বলেছে। লাবণ্য নাকি একে বেশ পছন্দ করতো।

    রাধারমণ মুখুজ্জে ঘরে ঢুকতেই অব্যয় প্রায় চিৎকার করে উঠলো, তুমি এখানেও এসেছো? মজা দেখতে এসেছো? লাবণ্য খুনের দায়ে আমি অ্যারেস্ট হই কি না দেখতে এসেছো বুঝি? অব্যয়ের কথা শেষ হবার আগেই লগ্নজিতা ঢুকলো। সঙ্গে আরও জনা তিনেক কনস্টেবল এবং আরেকজন অফিসার।

    অফিসার চেয়ারে বসেই বললেন, লগ্নজিতা, এবারে শুরু করো প্লিজ।

    লগ্নজিতা বলতে শুরু করলো, আপনাদের সকলের সঙ্গে সকলের পরিচয় পর্বটা বরং আমি আগে সেরে নিই।

    প্রফেসর অব্যয় বিশ্বাস- ইনি একজন নামী শিল্পী। আর্ট কলেজের প্রফেসর। যিনি রংতুলির খাতিরেই পরিচিত হয়েছিলেন লাবণ্যর সঙ্গে। পরে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। লাবণ্য ওনাকে অন্ধের মত বিশ্বাস করতে শুরু করেন। এমনকি লাবণ্যর আঁকা ছবি উনি নিজের নামে চালিয়ে ছবি প্রদর্শনী অবধি করেন, অবশ্যই লাবণ্যর অনুমতি নিয়ে। ছবি বিক্রির টাকা লাবণ্যের ঘরে পৌঁছে দিতেই উনি লাবণ্যের মৃত্যুর দিনে সকালে ওর ঘরেও আসেন। রানীভবনের অনেকেই ওনাকে দেখেছেন ওই দিন। একজন শিল্পীকে তার যোগ্য নাম না দেওয়ার দোষে উনি দুষ্ট। এবং পুলিশকে সাহায্য না করে উনি নিজে গা ঢাকা দিয়েছিলেন মৃত্যুর দিন থেকেই।

    লগ্নজিতার কথা শেষ হতেই স্বর্ণদীপ বলে উঠলো, দেখলি তো বর্নি ওর সবটুকু জালি কেস। এক্সিবিশন করছে তাও শালা অন্যের আঁকা ছবি নিয়ে। রক্তিম, কুণাল, গুঞ্জার চোখে বিস্ময়।

    লগ্নজিতা আবার শুরু করলো….

    বর্ণিতা সেনগুপ্ত- ও একজন মেকআপ আর্টিস্ট। ফাইন আর্টসের স্টুডেন্ট ছিলো। বাবার চিকিৎসার কারণে মাঝপথে পড়াশোনায় ইতি টেনে বি বেঙ্গলি চ্যানেলের মেকআপ আর্টিস্ট। ভীষণ রকমের সৎ একটি মেয়ে। ওই প্রথম আমাকে জানিয়েছিলো, অব্যয়ের নিজের আঁকা ছবি প্রদর্শনীতে ছিলো না। গুঞ্জার বাড়ির ছবিটা দেখেই ওর বিশ্বাস দৃঢ় হয়। বর্ণিতাই অব্যয়ের এই বনপলাশীর ঠিকানাও আমায় জানায়। একজন সভ্য নাগরিকের কাজ করেছে ও।

    .

    গুঞ্জা ও রক্তিম-এরা দুজনেই অব্যয়ের ক্লাসমেট। দুজনকে জেরা করে আমি জানতে পারি, অব্যয় লাবণ্যর জন্য গুঞ্জার বুটিক থেকে গিফট কিনেছিলো। এবং রক্তিমকে অব্যয় একবার রানীভবনে নিয়ে যেতে চেয়েছিলো লাবণ্যর সঙ্গে আলাপ করানোর জন্য।

    .

    কুণাল-অব্যয়ের ক্লাসমেট বলেই উনি আজ এখানে উপস্থিত। এছাড়া এই কেসে উনি একেবারেই জড়িত নন।

    .

    স্বর্ণদীপ-স্বর্ণদীপের ডিভোর্সি স্ত্রী মনীষার সঙ্গে কথা বলে আমি বুঝতে পারি স্বর্ণদীপ আজও বর্ণিতাকে মারাত্মক ভালোবাসে। ওর এই উগ্র বর্ণিতা প্রীতির কারণেই ওদের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি ঘটেছে। বর্ণিতার দিকে তাকিয়ে অব্যয় আলতো হাসলো।

    লগ্নজিতা বললো, স্বর্ণদীপ সম্ভবত অব্যয়কে ফলো করতে করতেই গিয়ে পৌঁছায় রানীভবনে। তারপর আবিষ্কার করে লাবণ্যর সঙ্গে অব্যয়ের সম্পর্ক। ঠিক তখন থেকেই স্বর্ণদীপ অব্যয়কে ফলো করতে শুরু করে। রানীভবনে ঢোকার রাস্তা সহজ করার জন্যই ও ওই বাড়ির কো-অপারেটিভ ব্যাংকে একটা অ্যাকাউন্ট ওপেন করে।

    স্বর্ণদীপ ছটফট করে বলে উঠলো, তার সঙ্গে লাবণ্য খুনের সম্পর্ক কোথায়! আপনি অকারণে কেসটাকে জটিল করছেন মিস ভট্টাচার্য।

    লগ্নজিতা আলতো করে বললো, কুল মিস্টার স্বর্ণদীপ। এতো উত্তেজনা শরীরের পক্ষে ভালো নয়।

    স্বর্ণদীপ গোপনে লাবণ্যর সঙ্গে অব্যয়ের কিছু ছবি তুলে নিয়ে গিয়ে বর্ণিতাকে দেখানোর ইচ্ছেতেই ছিলো। কিন্তু রানীভবনের বাড়ির প্ল্যানগুলোর জন্যই সেটা সম্ভব হয়নি। স্বর্ণদীপ তখন মুনলাইটে গিয়েই মিট করে লাবণ্যের সঙ্গে। অব্যয় সম্পর্কে বেশ কিছু নেগেটিভ কথাও সম্ভবত বলেছিলো লাবণ্যকে।

    স্বর্ণদীপ ভীষণভাবে চাইছিলো অব্যয়কে ওপেন করতে যাতে বর্ণিতার অব্যয় প্রীতি কমে। এবং তাতে লাভ ওর। সুতরাং লাবণ্য খুনে অব্যয় জড়িয়ে গেলে স্বর্ণদীপের লাভ বই লোকসান নেই।

    অব্যয় হেসে বললো, বাহ, পুরোনো বন্ধু!

    .

    শুভদীপ ঘোষাল- একজন অসৎ ব্যবসায়ী। যে ইললিগ্যাল জায়গায় ফ্ল্যাট বানিয়ে কেসে জর্জরিত হয়ে আছে। জেঠুর রানীভবন কব্জা করতে পারলে অনেকগুলো টাকা আত্মসাৎ করতে পারবে। কিন্তু রানীবালাদেবীর দৃঢ়তায় সেটা হচ্ছিলো না। অগত্যা ফ্ল্যাট সিস্টেমে ভাড়া দিতে শুরু করলেন রানীভবনের বিভিন্ন তলা। আর ঠিক তখনই রাজেশ ঘটি এসে উপস্থিত হলো ঘোষালের কাছে বাড়ি ভাড়া নিতে। রাজেশ ঘটি লাবণ্যর স্বামী। বনপলাশী থেকে লাবণ্যকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করে সে পৌঁছায় রানীভবনে। বিয়ে করে কয়েকমাস সংসার করে বউকে বেচে দেওয়া তার পুরোনো পেশা। সে যথারীতি দালালের সঙ্গে কথা বলছিলো সেইসময় শুভদীপ রাজেশকে টাকা অফার করলে শুভদীপের কাছেই লাবণ্যকে বিক্রি করে দিয়ে চলে যায় রাজেশ। শুভদীপ মুনলাইট বারে লাবণ্যকে বিক্রি করে অনেক বেশি টাকায়। লাবণ্য রানীভবনে আর থাকবে না এমন প্ল্যান পাকা হবার পরও শুধুমাত্র রানীবালাদেবীর কারুণ্যে লাবণ্য থেকে যায় রানীভবনে। ওখানেই ওর আলাপ হয় চারতলায় বাস করা রাধারমণ মুখুজ্জের সঙ্গে। ভদ্রলোক অসাধারণ চিত্রশিল্পী।

    যাইহোক, আগে রাজেশ ঘটির কথাতে আসি। কদিন আগে রাজেশ খবর পায় লাবণ্য মুনলাইট বারে কাজ করে। এবং রানীভবনেই থাকে। তাই আবারও স্বামীর অধিকার নিয়ে সে হাজির হয় লাবণ্যর সামনে। খেতে পাচ্ছে না এমন নাটক করায় লাবণ্য তার সামান্য রোজগার থেকেও সাহায্য করেছিলো রাজেশকে।

    .

    মৃণাল, বাদশা হয়তো এখনও সবটা জানে না। এখনও জংলী রিসর্টেই আছে। আবারও লাবণ্যর মতই একজনের খোঁজে রয়েছে ও। ওকে অ্যারেস্ট করে নিয়ে এসো। আমি ম্যানেজারকে গেটে তালা দিয়ে রাখতে বলেছি, কেউ যাতে পালাতে না পারে।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃণাল বাদশার হাতে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে এনে হাজির করলো ড্রয়িংরুমে। সকলের চোখ বাদশার দিকে।

    .

    কি মিস্টার শুভদীপ ঘোষাল, এই আপনার রাজেশ ঘটি তো?

    ঘোষাল ঘাড় নেড়ে বললো, হ্যাঁ, লাবণ্যের স্বামী।

    বাদশা ছটফট করে উঠতেই শিমুল গর্জে উঠলো, ওকে ছাড়বেক লাই অফিসার। উ আমার দিদিকে বিক্রি করেছে বটেক। উকে কেটে ফেলবি। লাবণ্যর মায়ের চোখ দিয়ে জল পড়ছে। এটা বোধহয় চোখের রোগে নয়। মেয়েটাকে হারানোর কষ্টেই।

    শুভদীপ ঘোষাল মিনমিন করে বললো, লাবণ্য আমার কাছে কাজ চেয়েছিলো, তাই আমি ওকে….

    লগ্নজিতা কিছু বলার আগেই বর্ণিতা বললো, থামুন আপনি। একজন শিল্পীকে আপনি দেহব্যবসায়ীর তকমা পরিয়ে দিলেন নির্দ্বিধায়? লজ্জা করে না আপনার! কলকাতায় কি আর কোনো কাজ পেতে পারতো না মেয়েটা! লগ্নজিতা, প্লিজ শুভদীপ ঘোষাল আর রাজেশ কিন্তু একই অপরাধে অপরাধী। তাই একেও ছেড়ে দিও না। অব্যয় শক্ত করে ধরলো বর্ণিতার হাতটা। ফিসফিস করে বললো, লাবণ্য মেয়েটা সত্যিই বড় দুঃখী ছিলো গো। আমি জানতাম তোমাকে বললে হয়তো তুমি বুঝবে। কিন্তু সাহস করে কোনোদিন বলতে পারিনি।

    লগ্নজিতা বললো, রাজেশ ওরফে বাদশা এখন লাবণ্যের বোন শিমুলকে কলকাতা নিয়ে যাবার প্ল্যান কষেছিলো। রাজেশের পিছনে নিশ্চয়ই কোনো নারী পাচারকারী চক্র আছে। আমরা অবশ্যই সেটা খুঁজে বের করবো।

    রাধারমণ মুখুজ্জে- লাবণ্য যে জাত শিল্পী সেটা অব্যয় ছাড়াও আরেকজন জেনে গিয়েছিল রানীভবনের। সেটা হলো রাধারমণ মুখুজ্জে। মুনলাইটের নীলাভ আলোয় স্বল্প ড্রেসধারী লাবণ্যকে চিনতে ভুল করেনি রাধারমণ। পরের দিনই রানীভবনের ভাড়াটে লাবণ্যর দরজায় টোকা পড়েছিলো। দরজা খুলতেই মডেল হবার ডাক পড়েছিলো লাবণ্যর কাছে। সস্তায় নেকেড মডেল উনি পাচ্ছিলেন না বোধহয়!

    বর্ণিতা একটু উদাস গলায় বললো, আমাদের কবিগুরু যদিও লাবণ্যকে তীব্র আত্মসম্মানের সঙ্গে এঁকেছিলেন। শিক্ষিত, গুণী একজন মেয়ে। যে অমিতের মত তুখোড় বুদ্ধিধরকেও পরাস্ত করতে পারে নিমেষে। বাস্তবের লাবণ্যরা বোধহয় এমনই পরাস্ত হয় অভাবের কাছে।

    লগ্নজিতা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো, হ্যাঁ লাবণ্যও নতিস্বীকার করেছিলো অভাবের তাড়নায়।

    দিনের পর দিন ঘন্টার পর ঘন্টা ওকে বসিয়ে রেখে হাতে ধরিয়ে দিয়েছে পাঁচশো কি ছয়শো টাকা।

    এই রাধারমণ মুখুজ্জে আসলে কলকাতার খুব অবস্থাপন্ন বাড়ির ছেলে। অল্প বয়েস থেকে মদের নেশা ধরায় বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়েছিলেন। তাতে অবশ্য তার নামে সম্পত্তির পরিমাণ কিছু কম ছিলো না। পৈতৃক সম্পত্তির বেশ বড় পরিমাণ পেয়েছিলেন। রানীভবনের একটা তলা ভাড়া নিয়েছিলেন নিজের স্টুডিও করবেন বলে। দেশে-বিদেশে যার নাম শিল্পী হিসেবে ছড়িয়ে পড়বে একদিন এই স্বপ্ন দেখা মানুষটাকেই যখন লাবণ্যর মত একজন দু-পয়সার প্রস বলে বসলো, স্যার আপনার আঁকা ছবিতে মানুষের চোখ এতো কথাহীন কেন? মানুষ তো কত কথা বলে চোখের মাধ্যমে। আমি তো মুখের থেকে বেশি কথা বলি চোখে। আপনি যখন আমায় এঁকেছেন তখন আমার শরীরের প্রতিটা ভাঁজ নিখুঁত এঁকেছেন, অথচ আমার চোখদুটো এমন ভাষাহীন কেন? তখন রাধারমণ মুখুজ্জের মাথায় রক্ত উঠে গিয়েছিলো। বিবস্ত্র লাবণ্যের হাতে তুলি ধরিয়ে দিয়ে বলেছিলেন, এঁকে দেখাও, দেখি চোখ কেমন বাঙময় হয়। অনুভূতিশীল লাবণ্য সাদা ক্যানভাসে এঁকেছিলো রাধারমণ মুখুজ্জেকে। যার চোখে ছিলো নামের লোভ, ভ্রূতে ছিল ওপরে ওঠার সুতীব্র বাসনা।

    নিজের ছবি দেখে চমকে উঠেছিলেন রাধারমণ। লাবণ্যকে বিনাপয়সায় আঁকা শেখাবেন বলেছিলেন। লাবণ্যর আঁকায় যে টুকিটাকি ভুল ছিলো সেগুলো নিখুঁত করায় মেতে উঠলেন রাধারমণ।

    লাবণ্যও বাধ্য ছাত্রীর মত শিখছিলো, নিজেকে আরও উন্নত করছিলো। ঘটনাক্রমে আচমকাই অব্যয় গিয়ে হাজির হয় রাধারমণ মুখুজ্জের কাছে। আর তারপর লাবণ্যর সঙ্গে তার পরিচয়। লাবণ্য এতোদিন জানতো, যেকোনো কিছুর বিনিময়ে মানুষ শরীর চায়। অব্যয় প্রথম পুরুষ যে শরীরকে ছাপিয়ে ওর মনকে স্পর্শ করেছিলো। তাই লাবণ্যর একান্ত আঁকার খাতায় বারবার আঁকা হয়েছে অব্যয়কে।

    অব্যয়ও চমকে উঠেছিলো লাবণ্যর আঁকা দেখে। যেকোনো দক্ষ শিল্পীকে সে বলে বলে ছক্কা হাঁকানোর ক্ষমতা রাখতো। অব্যয়ের সঙ্গে ওর বন্ধুত্ব জমে উঠেছিলো। অব্যয়ও নিজের অবসরে ওকে শিখিয়েছিলো নিজের সবটুকু বিদ্যে।

    রাধারমণ মুখুজ্জে ভেবেছিলেন, লাবণ্যের ছবি নিয়ে প্রদর্শনী করবেন। চড়া দামে বেচবেন সেইসব ছবি। তারপর লাবণ্যকে নামেমাত্র টাকা দিয়ে আত্মসাৎ করবেন সবটুকু। কিন্তু বাঁধ সাধলো লাবণ্যর সিক্সথ সেন্স। রাধারমণ মুখুজ্জে যখন কলকাতার নামী হলে নিজের এক্সিবিশনের অ্যানাউন্স করে ফেসবুকে পোস্ট করতে শুরু করে, ঠিক তখনই লাবণ্য তার নিজের আঁকা সব ছবি নিয়ে এসে দিয়ে যায় অব্যয়ের ফ্ল্যাটে। অব্যয়কে অনুরোধ করে এগুলো যেন কিছুতেই ও মুখুজ্জেকে না দেয়।

    তার কয়েকদিনের মধ্যেই অব্যয় সেইসব ছবি দিয়ে প্রদর্শনী করে।

    সেখানেও উপস্থিত হয়েছিলেন রাধারমণ মুখুজ্জে। নিজের চোখে দেখে এসেছিলন লাবণ্যের সৃষ্টিকে।

    রাগে তিনি দিগ্ব দিক জ্ঞানশূন্য হয়ে যান।

    খুঁজে বের করেন লাবণ্যের বনপলাশীর বাড়ির ঠিকানা। মুনলাইটের স্বল্প পোশাকের লাবণ্যের বেশ কয়েকটি ছবি নিয়ে শুরু করেছিলেন ব্ল্যাকমেইল। বনপলাশীর ঠিকানা আর ওর ছবি সামনে ফেলে শুরু করেছিলেন লাবণ্যকে ভয় দেখাতে।

    এদিকে অব্যয় লাবণ্যর ছবি বিক্রি করে অনেক টাকাই এনে দিয়েছে লাবণ্যের সামনে। লাবণ্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, ফিরে আসবে বনপলাশীতে। তখনই রাজেশের আগমন ঘটেছিলো, শিমুলের সঙ্গে রাজেশের পরিচয় হয়েছে শুনে ভয়েই লাবণ্য ওকে কিছু টাকাও দিয়েছিলো। অব্যয় যা টাকা দিয়েছিলো লাবণ্যকে তার থেকে হাজার দশেক টাকা কম ছিলো ওই ব্যাগে।

    ব্যাগপত্র সব গুছিয়ে নিয়েছিলো লাবণ্য। ফিরে আসবে বনপলাশী, সেই জন্যই বাড়ি ভাড়া মিটিয়ে দেবে বলে শুভদীপ ঘোষালকে ডেকেওছিলো নিজের ঘরে।

    শুভদীপ আসার আগেই ওই ঘরে ঢুকেছিলেন রাধারমণ। লাবণ্যকে প্রেসার দিতে শুরু করে ওকে একমাসে এঁকে দিতে হবে অন্তত দশটা ছবি। লাবণ্য অস্বীকার করেছিলো। তখনই ধস্তাধস্তি শুরু হয়। রাধারমণ রাগের মাথায় লাবণ্যকে বিছানায় ফেলে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে মেরে দিয়েছিলেন। তারপর ওরই কাপড়ে ওকে টাঙিয়ে দিয়েছিলেন ফ্যানে। উঠে এসেছিলেন নিজের ঘরে। এবং কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন রানীভবন থেকে।

    অব্যয় বলে উঠলো, হ্যাঁ আমিও দু-দিন লাবণ্যকে ধমকাতে শুনেছিলাম। লাবণ্যকে জিজ্ঞেস করলেও ও কিছু বলেনি। বরাবরের চাপা স্বভাবের ছিলো মেয়েটা। কিছুতেই বলতে চাইতো না কিছু।

    রাধারমণ বললো, অফিসার দেখছি বেশ ভালো যাত্রাপালা লিখতে পারেন। তা আমিই যে ওকে খুন করেছি তার প্রমাণটা ঠিক কি যদি একটু খোলসা করেন!

    লগ্নজিতা একটা ছোট্ট কাঠের পুঁতি বের করে বললো, মৃত্যুর সময় এটা লাবণ্যের হাতের মুঠোয় ছিলো মুখুজ্জে মশাই। দেখুন তো আপনার হাতের রিষ্টলেটে একটা কাঠের বিড কম আছে মনে হচ্ছে।

    শ্বাসরোধ করার সময়েই লাবণ্যর হাত মুঠো হয়ে যায়। তাই তার ভিতরের এটা ওর মৃতদেহের সঙ্গেই চলে গিয়েছিলো পোস্টমর্টেমে।

    আমি প্রথমে ভেবেছিলাম, কোনো মহিলার গলার হারের অংশ এটা। আজ আপনার হাতের রিষ্টলেটে দেখে স্যাঙ্গুইন হলাম।

    শুভদীপ বললো, হ্যাঁ, লাবণ্য আমায় ডেকেছিলো বলেই আমি ঢুকেছিলাম রানীভবনে। কিন্তু লাবণ্যর ঘরে ঢোকার আগেই গোপাল এসে বলেছিলো, শিগগির চলুন সর্বনাশ হয়ে গেছে।

    আমার সন্দেহ হয়েছিলো, ঘরে কোনো টুল নেই। ঘরের চাদর টান টান করে পাতা। লাবণ্যর যা হাইট তাতে বিছানা থেকে ফ্যানে নাগাল পাওয়া সম্ভব নয়।

    লগ্নজিতা বললো, হ্যাঁ তখনই আপনি নার্ভাস হয়ে বলে ফেলেছিলেন, খুন হয়েছে। পরে অবশ্য আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা অনেকেই করেছিলো। আসলে কি জানেন, বেওয়ারিশ লাশের মৃত্যু তদন্ত করার থেকে নিজেকে আড়াল করতে সকলে ভালোবাসে। রাধারমণ বনপালাশীতে এসে উঠেছিলো কারণ ও জানতো পুলিশ হয়তো লাবণ্যর বাড়ির খোঁজ করতে আসবে। তখন ও দূর থেকে দেখবে বিষয়টা কোনদিকে এগোচ্ছে। সেইমত কলকাতা ফিরবে ও।

    অব্যয় বললো, নিজেকে এই মুহূর্তে একজন চিত্রশিল্পী ভাবতে জাস্ট ঘৃণা হচ্ছে। মানুষের নামের লোভ এতোটা ভয়ঙ্কর হতে পারে আপনাকে না দেখলে বিশ্বাসই হতো না মুখুজ্জে মশাই।

    এই জন্যই লাবণ্য বলতো, মুখুজ্জের কাছ থেকে সাবধান, বড্ড লোভ ওর।

    লগ্নজিতা বললো, গাড়িতে তোলো বাদশা আর রাধারমণকে। শুভদীপ ঘোষালকে থানায় হাজিরা দিতে হবে।

    স্বর্ণদীপ বর্ণিতার দিকে তাকিয়ে বললো, তুই বোধহয় ঠিকই চিনেছিলি অব্যয়কে। ও আর পাঁচজনের থেকে বড্ড আলাদা।

    সকলেই উঠে চলে এলো। আজ রাতটা জংলীতে কাটিয়ে কাল ভোরে রওনা দেবে কলকাতা।

    বর্ণিতা উঠে দাঁড়াতেই অব্যয় বললো, একাকীত্ব শব্দটা কবিতা বা ছবিতে ভীষণরকমের সুন্দর। কিন্তু মধ্যরাতের নিস্তব্ধতায় একটা বিশাল হাঁ করে গিলে খেতে আসে। একমাত্র যে আমার সবটুকু বোঝে তাকে পাশে পেতে ইচ্ছে করে তখন। আমার এলোমেলো অগোছালো স্বভাবটাকে যে আপন করে নিয়ে এতোগুলো বছর অপেক্ষা করছে আমার জন্য তাকে আর ফিরিয়ে দেওয়া উচিত হবে না বোধহয়। লাবণ্য বারবার বলতো, বাবু, বিয়ে করে সংসার করো, বর্ণিতা দিদিমণি অপেক্ষা করছে।

    লাবণ্য চলে যাওয়ার পরে একটা জিনিস বুঝতে পেরেছি, জীবন বড্ড ক্ষণস্থায়ী। বর্ণিতা প্লিজ, আমায় ক্ষমা করে দাও।

    বর্ণিতা বললো, ক্ষমা তো আমিও চাইবো। লাবণ্য খুনের ঘটনায় একমুহূর্তের জন্য হলেও আমি তোমায় ভুল বুঝেছিলাম। ওই সময়টুকুর জন্য ক্ষমা করো আমায়।

    এই নাও, লাবণ্য শুধু আমার কাছে তোমার গল্প শুনে তোমায় এঁকেছিলো, দেখো হুবহু তুমি। আমি চমকে গিয়েছিলাম। বর্ণিতা তাকিয়ে দেখলো, একটা সাদা কাগজে ওর মুখের আদলে একটা মেয়ের মুখ। নীচে লেখা অব্যয়ের বর্ণিতা।

    নিজের অজান্তেই একটা সম্পূর্ণ অপরিচিত মেয়ের জন্য দু-ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়লো ওর চোখ দিয়ে।

    রক্তিম বাইরে বেরিয়ে এসে লগ্নজিতাকে বললো, ম্যাডাম পুলিশের পোশাকে নয়, কোনো ডিউটি নিয়েও নয় এমনিই একদিন আসবেন আমাদের ফ্ল্যাটে। আপনার বাকি কেস সলভের গল্পগুলো শুনতে চাই আমরা। আপনি ঠিক কখন জানতে পারলেন রাধারমণই খুনি?

    লগ্নজিতা বললো, যখন রাধারমণের ঘরে ঢুকে দেখলাম, লাবণ্যের একটা ছবির ওপরে কালো কালি দিয়ে ক্রস করা। আর নীচে লেখা….বেইমান।

    তখন থেকেই খুঁজে বেরিয়েছি রাধারমণের সঙ্গে লাবণ্যর কি নিয়ে ঝামেলা হয়েছিলো। অব্যয় এবং গোপাল দুজনেই জানিয়েছিলো লাবণ্যর সঙ্গে ঝগড়া হচ্ছিলো রাধারমণের।

    ওর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সার্চ করে দেখি অব্যয়ের প্রদর্শনীর ঠিক দিন পনেরো আগে ওর প্রদর্শনীর ডেট দিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া। অথচ ওই হলে গিয়ে শুনলাম বুকড হয়েও ওখানে রাধারমণ কোনো প্রদর্শনী করেনি। এদিকে বর্ণিতা জানালো অব্যয়ের কাছ থেকে গুঞ্জার কেনা ছবিটা অব্যয়ের আঁকা নয়। লাবণ্যর আঁকা কিছু ছবি দেখে বর্ণিতা আমায় বলেছিলো, গুঞ্জার কাছে যে ছবিটা রয়েছে সেই এঁকেছে এগুলোও। তখনই আমার কাছে পরিষ্কার হয়েছিলো, রাধারমণ কেন লাবণ্যর ছবির নীচে বেইমান লিখেছে। বাকিটা নিজের বুদ্ধিতে দুইয়ে দুইয়ে চার করেছি।

    স্বর্ণদীপ হেসে বললো, যাক অবশেষে অব্যয়কে আপনি কলঙ্কমুক্ত করলেন। লগ্নজিতা বললো, আমি শুধু সত্যের সন্ধান করেছি মাত্র।

    লগ্নজিতার কাঠিন্যের আড়ালের নরম মনটাতে ছায়া ফেললো শিমুল আর লাবণ্যের মায়ের অসহায় দুটো মুখ। মনে মনে বললো, লাবণ্য আরেকটু শক্ত হয়ে জন্মিও তুমি।

    ওর আর দুয়েকটা কাজ বাকি আছে। রানীবালাদেবীর কাছে যেতে হবে। সবটুকু ওনাকে জানাতে হবে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে ক্লান্ত শরীরে নিজের রুমের দিকে এগোলো লগ্নজিতা।

    .

    যখন আমার ক্লান্ত চরণ অবিরত বুকে রক্তক্ষরণ
    খুঁজে নিয়ে কোনো নির্জন কোণ…..

    .

    এগিয়ে চললো লগ্নজিতা আরেকটা সত্যের সন্ধানে।

    সমাপ্ত

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার
    Next Article অনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }