Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খেলাঘরের ডাকে – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প385 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মধুবালার গৃহে মুসাফিরের প্রবেশ

    বিষপুরের শেষে, বল্লভপুরের শুরুর সীমানায় নয়না নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে এই জঙ্গলের মধ্যস্থলে যে কোনো মানুষের বাস আছে এটা ঠিক জানতেন না প্যাট্রিক। এ চত্বরে বছরের কোনো একটা বিশেষ সময়ে জনসমাবেশ ঘটে এটুকুই জানতেন তিনি। সেটাও অবশ্য জেনেছিলেন বিশেষ কারণে।

    .

    কয়েক বছর আগে যখন প্যাট্রিক দিল্লি থেকে সোজা বাংলায় পদার্পণ করেছিলেন তখনই একবার এসেছিলেন বিষপুরের সেই জনসমাবেশে। এখানে লোক অবশ্য তাকে মেলা বলে। প্যাট্রিক তখনও বাংলা ভাষায় পারদর্শী হয়ে ওঠেননি। বাংলা ভাষা বুঝতে পারলেও বলতে পারতেন না সঠিক উচ্চারণে।

    গ্রীষ্মের দাবদাহে চারিদিক যখন উত্তপ্ত তখনই বিষপুরের এই নীলকণ্ঠের মেলাটা অনুষ্ঠিত হয়।

    .

    প্যাট্রিক রুদ্রনগরের একটি আস্তাবলে ঘোড়ার দরদাম করছিলেন। এমন সময় একটি পুরুষ হন্তদন্ত হয়ে ঢুকেছিলো আস্তাবলে। মালিককে বলেছিলো, একটা তেজী ঘোড়া লাগবে। আমার ভাই অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছে। হাকিমকে ঘোড়ায় চাপিয়ে ছুটতে হবে বিষপুরের মেলায়। আমার ঘোড়াটা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। একটা তেজী আরবি ঘোড়া কিনে ছুটছিল পুরুষটি।

    প্যাট্রিক আধা বাংলায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, ভাইয়ের কি হয়েছে? মানুষটা থমকে দাঁড়িয়ে বলেছিল, জ্ঞান হারিয়েছে। সর্বক্ষণের সঙ্গী ঔষধের কাঠের ভারী বাক্সটা নিয়ে উনি চেপে বসেছিলেন ছেলেটির ঘোড়ায়। বলেছিলেন, আমি একজন চিকিৎসক। দ্রুত চলুন সেই স্থানে। একজন সোনালী চুলের, নীল চোখের বিদেশিকে বিশ্বাস করতে সমস্যা হচ্ছিল মানুষটির। তাই প্যাট্রিক তার ঔষধের বাক্সটা খুলে নানাবিধ ঔষধের সরঞ্জাম দেখিয়ে বলেছিলেন, আর দেরী নয়। রোগী আরও অসুস্থ হয়ে পড়বে। আর দ্বিমত না করে সে ঘোড়া ছুটিয়েছিলো।

    পথ চলাকালীন প্যাট্রিক জানতে পেরেছিলেন পুরুষটির পরিচয়। সে বিষপুর নামক এক স্থানের জমিদার বংশোদ্ভূত। তার নাম সুজয় নারায়ণ রায়চৌধুরী। তারা বংশপরম্পরায় বিষপুরের জমিন্দার বংশ। বিষপুরের মেলার জনসমাবেশ তখনও কিছু মাত্র কমেনি। মেলার হাটে পসরা সাজিয়ে বসে আছে দোকানিরা। মানুষজন নিজেদের প্রয়োজনীয় ও শখের জিনিস ক্রয় করে চলেছে।

    ঘোড়া থেকে নেমে সুজয় নারায়ণকে অনুসরণ করে চলছিলেন প্যাট্রিক। দেখলেন একটি প্রশস্ত চাতালে একটি অতীব সুন্দর পুরুষ অচেতন অবস্থায় শুয়ে আছে। তার পরনে গেরুয়া বস্ত্র। বস্ত্রে ধুলো, কাদা লেগে নোংরা হয়ে রয়েছে। সুজয় নারায়ণের পোশাক বেশ দামি এবং যথেষ্ট পরিপাটি। তার ভ্রাতার এমন ভিক্ষুকের দশা কেন হলো সেই কথা ভাবতে ভাবতেই প্যাট্রিক সিঁড়ি দিয়ে ওই পাথরের চত্বরে উঠলেন।

    .

    আচমকা বিদেশি দেখে একটু অপ্রস্তুত হয়ে একজন বয়স্ক ব্যক্তি বললেন, বৈদ্য কোথায় সুজয়? সুজয় নারায়ণ অপরাধীর কণ্ঠে বললেন, বিষপুরের বৈদ্য আজ বাড়িতে নেই। রুদ্রনগরের এক হাকিম আসবেন না জবাব দিয়ে দিয়েছেন। আমি ঘোড়া কিনে রুদ্রনগরের শেষ প্রান্তে আরেকজন হাকিমের নিকট যাবো বলে যখন মনস্থির করলাম, তখনই সাহেব ডাক্তার বললেন, রোগী বিপদজনক অবস্থায় রয়েছে। এখন সময় অপচয় করা উচিত নয়। উনি একজন চিকিৎসক জেনেই নিয়ে এলাম।

    বয়স্ক মানুষটি বিড়ম্বনার গলায় বললেন, আমি শশাঙ্ক নারায়ণ রায়চৌধুরী। আমি স্বয়ং একজন ব্রাহ্মণ সন্তান হয়ে ম্লেচ্ছর ছোঁয়া স্পর্শ করবো? এ যে চরম অন্যায়।

    ঠিক তখনই একজন পুরোহিত বললেন, বাবু, সন্তানের জীবন বাঁচাতে হবে। নীলকণ্ঠের দুয়ারে আজ অবধি কেউ এভাবে জীবন ত্যাগ করেনি। নীলকণ্ঠ মেনে নেবেন না। আপনি আর দ্বিমত করবেন না। শশাঙ্ক নারায়ণ ইতস্তত করে বললেন, চিত্তহরণ, তুমি একটা প্রায়শ্চিত্তের বন্দোবস্ত করে রেখো। প্যাট্রিক কালবিলম্ব না করে রোগীর নাড়ি দেখলেন। অতি মৃদু চলছে শ্বাস। খুবই দুর্বল।

    প্যাট্রিক ভাঙা বাংলাতেই জিজ্ঞেস করলেন, ওর কি আজ খাওয়াদাওয়া হয়নি? একজন অবগুণ্ঠনবতী মহিলার কোলেই মাথা দিয়ে শুয়েছিল ছেলেটি। সেই মহিলাই খুব ধীর গলায় বললেন, সুশান্তের আজ তিনদিন উপবাস চলছে। প্যাট্রিক জিজ্ঞেস করলেন, কেন?

    শশাঙ্ক নারায়ণ গম্ভীর গলায় বললেন, এসব আমাদের সংস্কৃতির অঙ্গ, আপনি বিদেশি বুঝবেন কি! আমার কনিষ্ঠ সন্তান সুশান্ত জন্ম থেকে বোবা। সে কথা বলতে পারে না। প্রতিবারই নীলকণ্ঠের কাছে মানত থাকে, তিনদিন উপোস করে দণ্ডী কেটে পুজো দেওয়ার। নীলকণ্ঠের করুণা দৃষ্টি যেদিন সুশান্তের ওপরে পড়বে সেদিনই ওর স্বর ফিরে আসবে। আর যদি নীলকণ্ঠের ইচ্ছে হয় ওর প্রাণটা নেবে তাহলে আমরা তাই সইবো।

    অবগুণ্ঠনবতী মহিলা ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন। ইনি সম্ভবত সুশান্তের মা।

    প্যাট্রিক অবাক হয়ে শুনছিলেন ভদ্রলোকের কথা। ইনিই বিষপুরের জমিদার, এটুকু এতক্ষণে পরিষ্কার।

    কথা না বাড়িয়ে প্যাট্রিক চিকিৎসায় মনোনিবেশ করলেন। পনেরো মিনিট অতিক্রান্ত হবার পরে সুশান্ত প্যাট্রিকের চিকিৎসায় সাড়া দিলো। খুব দুর্বল দুটো চোখের পাতা একটু খুলে জানান দিলো সে এখনও মরেনি। আচমকা সকলে মিলে নীলকণ্ঠের নাম ধরে উচ্চস্বরে চিৎকার করতে শুরু করলো। জয় নীলকণ্ঠের জয়। বাবা ফিরিয়ে দিলেন তার সন্তানের জীবন।

    প্যাট্রিক একটু চমকে উঠে মনে মনে বললেন, এখানে মানুষের মনে এখনও কত অন্ধবিশ্বাস বাসা বেঁধে বসে আছে নিশ্চিন্তে। সুশান্তকে পরীক্ষা করে প্যাট্রিক বেশ বুঝতে পারলেন, এই ছেলেটিকে কেউ কোনোদিন কথা বলাতে পারবে না। কারণ এর জিহ্বার একটি অংশ অসম্পূর্ণ। তবুও প্রতি বছর এর শরীর ও মনের ওপর চলবে এই অত্যাচার।

    প্যাট্রিকের দিকে তাকিয়ে ছেলেটি হাত জোড় করে ইশারায় বোঝালো, ও ঋণী রইলো।

    শশাঙ্ক নারায়ণ রায়চৌধুরী তার জমিদার সুলভ ভঙ্গিমায় একশত স্বর্ণমুদ্রা প্যাট্রিকের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, আপনার পুরস্কার। প্যাট্রিক তার মধ্যে থেকে দুটি স্বর্ণমুদ্রা গ্রহণ করে বললেন, এটাই আমার পারিশ্রমিক। শশাঙ্ক নারায়ণ বিস্মিত হয়ে বললেন, তুমি তো আমায় বিস্মিত করলে হে ভিনদেশী। মানুষ এখনও এমন নির্লোভ আছে!

    তারপরে অবশ্য বিষপুরের শশাঙ্ক নারায়ণের বাড়ির ফিটন গাড়িতে চেপে প্যাট্রিক বেশ কয়েকবার ওনার বাড়িতেও গিয়েছেন। ওনাদের পরিবারের বেশ কয়েকজনকে চিকিৎসা করে সুস্থও করে তুলেছেন। প্যাট্রিকের ঔষধ গ্রহণ করার পরে সে ব্যক্তি চিত্তহরণ পণ্ডিতের বিধান মত প্রায়শ্চিত্ত করে নিজেকে শুদ্ধও করে নিয়েছে। কিন্তু তবুও কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে শশাঙ্ক নারায়ণ প্যাট্রিককেই ডেকে পাঠান।

    .

    কি হলো দাঁড়িয়ে রইলে কেন প্যাট্রিক, এসো। মধুবালার হাঁটার ছন্দেই নৃত্য রয়েছে প্যাট্রিক। একে বেগম রূপে না পাই কাঞ্চনী করে রাখতে মন চায়। মুসাফিরের কথায় সম্বিৎ ফিরলো প্যাট্রিকের।

    এই মন্দির চত্বরে তিনি আগে একবার এলেও এখানে যে মানুষের বাস আছে সেটা ভাবতেও পারেননি।

    নয়না নদীর জলের ছলাৎ ছলাৎ আওয়াজ আর বন্য প্রাণীর শব্দ ছাড়া তেমন কিছুই এসে পৌঁছায় না এ চত্বরে।

    .

    মধুবালা দুটো কম্বলের আসন দাওয়ায় পেতে দিয়ে বললো, বসুন।

    এই মেয়ে বহিরজগৎ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল না হওয়ার কারণ বোধহয় এটাই। এমন জনমানস বর্জিত অঞ্চলে বাস করার হেতুই মধুবালা আর পাঁচটা এই বয়েসী মেয়ের মত অভিজ্ঞ নয়। অভিজ্ঞ যে নয় সেটা সুস্পষ্ট হয় দুজন সম্পূর্ণ অপরিচিত পুরুষকে আপ্যায়ন করে নিজের গৃহপ্রান্তে আহ্বান করা দেখে।

    পাথরের বাটিতে মিষ্টান্ন ও পাথরের পাত্রে শীতল জল নিয়ে এসে সামনে রেখে নরম গলায় বললো, পান করুন। আপনারা আমার অতিথি। কিন্তু অতিথি সেবার মত পর্যাপ্ত সামগ্রী আমার গৃহে মজুত নেই। তাই আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

    মুসাফিরের লোভাতুর দৃষ্টি ঘুরছে মধুবালার অঙ্গের ভাঁজে। মধুবালার ঠোঁটে সরল হাসি। প্যাট্রিক আরেকবার তাড়া দিয়ে বললেন, হুজুর এবারে আমাদের প্রস্থান করা উচিত। সুজান খান দীর্ঘক্ষণ আপনাকে শিবিরে অনুপস্থিত দেখলে চিন্তান্বিত হয়ে পড়বেন। বিরক্তির স্বরে মুসাফির বললেন, বাদশাহ কে প্যাট্রিক? আমি না সুজান খান? সুজান খান আমাকে আদেশ করার কে? সে আমার অধীনস্ত কর্মচারী বৈ তো নয়।

    প্যাট্রিক এ রমণী তো নয়না নদীর জলের ন্যায় স্বচ্ছ। একে নিয়ে কাব্য রচনা করা যায় অনায়াসে।

    মধুবালা হঠাৎ প্যাট্রিকের দিকে তাকিয়ে বললো, আপনি ভিনদেশী রাজকুমার তাই না? আমার স্বপ্নে অবিকল আপনার মতোই এক ভিনদেশী আসেন। ঘোড়ায় চাপিয়ে আমায় নিয়ে যান বহুদূর। আমি সেই ভিনদেশীকে চিনি না বিন্দুমাত্র। তবুও তাঁর আন্তরিক কথা শুনে মনে হয় তিনি আমার বহুযুগের পরিচিত। আগ্রহের বশেই প্যাট্রিক জিজ্ঞেস করে ফেলেছিলেন, সে কি বিষয়ে কথা বলে আপনার স্বপ্নে?

    মধুবালা একটু অন্যমনস্ক হয়ে বলেছিল, ঘোড়ায় করে আমাকে একটা বড় রাজপ্রাসাদে নিয়ে যান তিনি। আমিও যাই তাঁর সঙ্গে, তাঁকে যে ভালোবাসি আমি। তিনি যে রোজ আসেন আমার খোঁজ নিতে। আর কেউ তো আসে না আমার এখানে। শুধু ঘুম এলে তিনিই আসেন। তারপর সেই প্রাসাদে গিয়ে আমি যখন আমার কক্ষ খুঁজি তখন সেই ভিনদেশী আমার হাত ধরে নিয়ে যান এক রাজসভায়, সেখানে সিংহাসনে বসে থাকেন এক রাজা। তাঁর হাতে আমায় সমর্পণ করে কোথায় যেন চলে যান। আর আসেন না।

    রোজ এই অবস্থায় আমার ঘুম ভেঙে যায়। আমি তাঁকে অনেক খুঁজি। কিছুতেই পাই না। আবার পরের দিন নির্দিষ্ট সময়ে তিনি আসেন তন্দ্রা এলে। তাঁকে আমি জিজ্ঞেস করি, কে ওই রাজা? কেন তিনি আমাকে অর্পণ করছেন ওই রাজার হস্তে? ভিনদেশীর চোখে জল, অধরে করুণ অসহায়তা, কিন্তু কোনো কথা বলেন না। আমার হাতে একটা আংটি দিয়ে বলেন, অন্যের শয্যাসঙ্গিনী হবার পূর্বে আমি যেন ওই আংটিটি মুখে চুষে নিই। তাহলেই অমরত্ব পাবে আমাদের ভালোবাসা।

    মধুবালার মুখে কষ্টের প্রতিচ্ছবি। প্যাট্রিক বুঝলেন, মধুবালা তার মানে জানে ওই আংটির ভিতরে বিষ থাকে। মুসাফির হেসে বললেন, প্যাট্রিক মধুবালার স্বপ্ন তবে তুমিই সত্যি করে দাও। রুদ্রনগরের চত্বরে আমার সুহৃদ আর কোনো বিদেশি বিরাজ করে বলে অবগত নই। তুমিই একমাত্র আমার সুহৃদ এবং ভিনদেশী। মধুবালাকে সাদা ঘোড়ায় বসিয়ে রুদ্রনগর প্রাসাদে নিয়ে যাওয়ার কাজটি তবে আমি তোমার ওপরেই অর্পণ করলাম। চলো হে, যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হবে। রুকসানা বেগমকে খুশি করতে গেলে এ যুদ্ধ আমাকে জিততেই হবে। যুদ্ধ বড় অপছন্দের কাজ আমার প্যাট্রিক। কেন যে বাদশাহ হলাম!

    মধুবালা তখনও প্যাট্রিকের সঙ্গে ওর স্বপ্নে দেখা ভিনদেশীর মিল-অমিল বিচারে ব্যস্ত। সেটা ওর দৃষ্টির বিহ্বলতাই প্রমাণ করে। মুসাফির এগিয়ে গেলেন কিছুটা। প্যাট্রিক মধুবালার কানের কাছে ফিসফিস স্বরে বললেন, আবার আসবো আপনার দ্বারে।

    মধুবালা লজ্জা পেতে জানে। তার গাল দুটি আরক্ত হলো।

    .

    মহিলা সম্পর্কে উদাসীন, অর্থ-প্রতিপত্তি সম্পর্কে সম্পূর্ণ নির্লোভ প্যাট্রিক এযাবৎ কাল অবধি জানতেন, তাঁর প্রথম ও দ্বিতীয় ভালোবাসা হলো—বাংলা ভাষা, বাংলা সংস্কৃতি এবং চিকিৎসা। মানুষকে নতুন জীবন দান করাতেই তাঁর আনন্দ। তাই অন্য ফরাসিরা ব্যবসাবাণিজ্য করে নিজ দেশে ফিরে গেলেও বাংলার মাটি ছেড়ে ফিরতে মন চায়নি প্যাট্রিকের।। ছোটবেলায় মাকে হারিয়েছিলেন প্যাট্রিক। বাবা পেশায় ব্যবসাদার। এদেশ-ওদেশ ঘুরে বেড়ানো তাঁর নেশা। সঙ্গে অনেক অর্থ উপার্জনের নেশাটাও তাঁর মারাত্মক। তাই একাকীত্বকে সঙ্গী করেই মহাপ্রাচুর্যে মানুষ হয়েছিলেন প্যাট্রিক। সেই থেকেই অর্থের প্রতি ওঁর একটা তীব্র বিতৃষ্ণা জন্মে গিয়েছিলো। ছোট থেকেই বুঝতে পারতেন, ঐশ্বর্য শুধু লোভ বাড়ায়, শান্তি দেয় না। স্কুলেও প্যাট্রিক ছিলেন সকলের থেকে আলাদা। গাছ-গাছালি, ফুল-ফল ওঁর বন্ধু ছিলো। ওঁদের বাড়ির বিশাল বাগানের গাছগুলোর সঙ্গে উনি গল্প করতেন। গাছেরা সাড়াও দিতো ওঁর কথায়। লোকে ওঁকে পাগলা বলতো।

    তখন উনি বছর বারোর ছেলে, ওঁর চোখের সামনে একটা পাখি মাটিতে পড়ে ছটফট করছিলো। অনেক শুশ্রুষা করে পাখিটিকে সুস্থ করে তুলেছিলেন প্যাট্রিক। তখন থেকেই উনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, ডাক্তার হবেন। সকলের প্রাণ বাঁচাবেন। এতদিনেও প্যাট্রিকের মন কখনও লক্ষ্য থেকে সরে যায়নি। মতিভ্রষ্ট হয়নি কোনো প্রলোভনে। আজ তবে এ কিসের দামামা বাজছে অন্তরে! কেন মুসাফিরের লোভাতুর দৃষ্টি মধুবালার অঙ্গ স্পর্শ করলে প্যাট্রিকের অন্তরে রক্তক্ষরণ চলছে? মধুবালার চাহনিতে যেন মুক্ত আকাশের হাতছানি। প্যাট্রিকের ইচ্ছে করছে ওই হাতছানিতে সাড়া দিতে।

    নিজেকে অতিকষ্টে সম্বরণ করে প্যাট্রিক বললেন, সে পরে হবে খন। আপনি এখনই শিবিরে ফিরুন হুজুর। মুসাফির বিরক্তির গলায় বললেন, উফ, বেরসিক বৈদ্য। চলো তবে। কিন্তু মনে রেখো, তোমার হাতে মাত্র একমাস সময় রইলো। মধুবালাকে আমার নিজস্ব মহলে আমি কাঞ্চনী রূপে দেখতে চাই। পদ্ম সরোবরের সম্মুখে ওর নৃত্য পরিবেশিত হবে। প্যাট্রিক বললেন, জি হুজুর।

    ওঁরা উঠে পড়লেন দালান থেকে। বাইরে ওঁদের ঘোড়া অপেক্ষা করছিলো। আর কোনো প্রহরী নেই। প্যাট্রিক পিছন ঘুরে দেখলেন, মধুবালার চোখে তখনও বিস্ময়। ও বোধহয় স্বপ্নের ভিনদেশীর সঙ্গে মেলানোর চেষ্টা করে চলেছে প্যাট্রিককে। মধুবালার অপলক দৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই প্যাট্রিক এগিয়ে চললেন নয়না নদীর ধার বরাবর। গাছের ছায়ায় পথ ঘন অন্ধকার। গোধূলিবেলার আলোর রেশটুকু অপসৃত হতেই সন্ধে নামে বিষপুরের জঙ্গলে। মুসাফির স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করতে করতেই ঘোড়ার লাগামে টান দিলেন। সম্মুখে সাপ জাতীয় কোনো প্রাণী পথ পার করছিলো।

    প্যাট্রিকের মনটা বিক্ষিপ্ত হয়ে আছে। নিজের আচরণের জন্য নিজের ওপরেই জন্মেছে আক্রোশ। কেন অহেতুক মধুবালাকে বিপদজনক পরিস্থিতির শিকার করে ফেললো সেটা ভেবেই রাগের জন্ম হচ্ছিলো। মুসাফিরের নজর থেকে মধুবালাকে বাঁচাতে স্বয়ং ওর সৃষ্টিকর্তাও পারবে না। ওর পিতা তো নেহাতই দুঃস্থ ব্রাহ্মণ। মুসাফিরের রাজ্যের সীমানায় যার বাস, তার কন্যার কাঞ্চনী হওয়া আটকায় কে। প্যাট্রিক মুসাফিরকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন বলেই জানেন, মুসাফির কোনো কিছুই অতি সহজে ভুলে যান না। মনে রাখেন দীর্ঘদিন।

    .

    শিবিরে প্রবেশ করতেই সুজান খান রুষ্ট দৃষ্টিতে তাকালেন প্যাট্রিকের দিকে। রাগত কণ্ঠে বললেন, আপনি ভিনদেশী। এখনও এদেশের রীতিনীতি রপ্ত করে উঠতে পারেননি। তাই যে কোনো মুহূর্তে বল্লভপুরের সীমানার নিকটবর্তী স্থানে বাদশাহের জীবন যে বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে তা বিবেচনা না করেই এমন কার্য করেছেন আপনি। বাদশাহের বন্ধুস্থানীয় না হলে আপনার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করতে সুজান খান সময় নিতো না।

    প্যাট্রিক দেখলেন, মুসাফির অন্যমনস্ক হয়ে সোনার কলম দোয়াতে চোবাচ্ছেন আর তুলছেন। মধুবালার ভাবনায় তিনি যে এখনও বিভোর হয়ে আছেন তা বেশ বুঝতে পারছেন প্যাট্রিক। তাই সুজান খানের ভর্ৎসনা শুনেও বিন্দুমাত্র প্রতিবাদ করলেন না বাদশাহ। প্যাট্রিকেরও বিশেষ ইচ্ছে নেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়ার। তাই তিনি নিজের শিবিরে প্রবেশ করলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার
    Next Article অনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }