Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খেলার নাম খুন – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    সৈকত মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প175 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তেরো নম্বর ছোরা – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    তেরো নম্বর ছোরা

    আজ বিনায়ক বসু পুরো গল্পের মুডে। সাধারণত চৌবেসাহেবের কাছে বিনায়ক দৌড়ে এসেছে মানেই বুঝতে হবে আলিপুরদুয়ার থানার তরুণ ওসিটি কোনো জটিল কেসে ফেঁসে গেছে। আজ কিন্তু ব্যাপারটা একদমই উলটো। ওদের থানার সেকেন্ড অফিসার নীলাদ্রি মিত্র একটা দারুণ কেস সলভ করেছে। চৌবেসাহেবের ছাদের বাগানে ওঁর মুখোমুখি একটা ডেক-চেয়ারে বসে আরাম করে চা খেতে খেতে বিনায়ক চৌবেসাহেবকে সেই কেস-হিস্ট্রিই শোনাচ্ছিল।

    শুরুতেই বিনায়ক বেশ নাটকীয়ভাবে বলল, বুঝলেন স্যার, আফশোস শুধু একটাই। এত ভালো অফিসারটি পুলিশের চাকরি ছেড়ে দিচ্ছে।

    চৌবেসাহেব একটু অন্যমনস্কভাবে বললেন, কে চাকরি ছেড়ে দিচ্ছে?

    —নীলাদ্রি, স্যার। এই কেসটার ইনভেস্টিগেটিং-অফিসার।

    —কেন?

    —ও বলে, যে রোমান্টিক আইডিয়া নিয়ে ও পুলিশের চাকরিতে ঢুকেছিল, তার সঙ্গে বাস্তবের অভিজ্ঞতা একেবারেই মিলছে না। কোনো স্যাটিসফ্যাকসন পাচ্ছে না কাজ করে।

    এখানে ক্রাইমের পেছনেও কোনো বুদ্ধির ছাপ নেই। মাঠের মধ্যে একশো লোকের সামনে দিনদুপুরে এক ভাই আরেক ভাইকে দা দিয়ে কুপিয়ে দিল কিংবা বাড়ির চাকর মালিককে খুন করে টাকা-গয়না হাতাল ঠিকই, কিন্তু সেসব নিয়ে উঠল গিয়ে কোথায়? না নিজের গ্রামের বাড়িতে— যেখানে তার জন্যে আগে থেকেই পুলিশের লোক ওয়েট করছে। এমন সব কেসে ইনভেস্টিগেশনের স্কোপ কোথায়? বুদ্ধির লড়াই লড়বে কার সঙ্গে? কথাগুলো ফেলে দেওয়ার মতন নয় স্যার।

    চৌবেসাহেব মজা পাওয়া মুখ করে বললেন, তাই? তা নীলাদ্রি এখন কী করবে?

    —ও কলেজ-সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় পাশ করে শ্রীরামপুর- কলেজে লেকচারারের চাকরি পেয়ে গিয়েছে। সামনের সপ্তাহেই জয়েন করবে। তবে তার আগেই দেখিয়ে দিয়ে গেল, বুদ্ধি কাকে বলে। একবারই চান্স পেয়েছিল বুদ্ধিমান ক্রিমিনালের মোকাবিলা করার। অ্যান্ড আই মাস্ট সে, হি হ্যাজ হ্যান্ডল্ড ইট ইন আ ওয়ান্ডারফুল ওয়ে। শুনবেন নাকি স্যার ঘটনাটা? এই কদিন আগের ঘটনা। কল্পেশ্বরের মেলা চলছিল তখন।

    —বলো, শুনি। চৌবেসাহেব গায়ের চাদরটা ভালো করে জড়িয়ে চেয়ারের ওপর পা তুলে বসলেন।

    —খুনটা হয়েছিল কল্পেশ্বর মেলায় খেলা দেখাতে আসা ফেমাস সার্কাসের তাঁবুর মধ্যে। সার্কাসের একজন মহিলা-খেলোয়াড় খুন হয়েছিল। প্রথমে অবশ্য খুন বলে বোঝা যায়নি। সবাই ভেবেছিল অ্যাকসিডেন্ট।

    চৌবেসাহেব বললেন, সবাই ভেবেছিল অ্যাকসিডেন্ট? তার মানে কি সার্কাসের কোনো খেলা চলাকালীন খুনটা হয়েছিল?

    —একদম ঠিক ধরেছেন স্যার। নেচার অফ ক্রাইমটা বুঝতে গেলে ওই খেলার ডিটেলটা একটু আপনাকে মন দিয়ে শুনতে হবে। বলি?

    —বলো, বলো। শুনব বলেই তো বসে আছি।

    —প্রায় সমস্ত সার্কাসেই এটা খুব পপুলার একটা ইভেন্ট। ‘নাইফ- থ্রোয়িং’এর খেলা। আপনিও নিশ্চয় দেখেছেন। একটা মানুষ-প্রমাণ কাঠের চাকা লোহার ফ্রেমের ওপরে এমনভাবে ফিট করা থাকে যাতে সেটা ঘুরতে পারে। ওই চাকাটার মাঝখানে এসে দাঁড়ায় একটা মেয়ে। তার দু’ হাত আর পায়ের পাতা চামড়ার ফাঁসে আটকানো থাকে; নাহলে তো পড়েই যাবে। মাটির সঙ্গে সমকোণে, মানে খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকে মেয়ে সমেত চাকাটা। ‘ফেমাস সার্কাসে’ এই মেয়েটা ছিল সাবিত্রী, সাবিত্রী গুনশেখরন। কেরালার মেয়ে, বছর পঁচিশেক বয়েস।

    আর চাকাটা থেকে হাত দশেক দূরে, একটা একচাকার সাইকেলের ওপর ভারসাম্য রেখে স্থির হয়ে দাঁড়াত কেশবন। সে-ও কেরালার লোক। প্রথমে শুনেছিলাম সাবিত্রীর সঙ্গে নাকি কেশবনের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। পরে অবশ্য জানলাম সেটা ঠিক নয়।

    খেলাটার জন্যে আর লাগত দুজন সহকারী। একজন একচাকার সাইকেলের ওপর ব্যালেন্স করে দাঁড়ানো কেশবনের হাতে একটা একটা করে ধারালো ছোরা তুলে দিত। আর একজন হাতের ঠেলায় কাঠের চাকাটাকে একটা সমান স্পিডে ঘুরিয়ে যেত। সঙ্গে সঙ্গে ঘুরত সেই মেয়েটাও। এই চাকা ঘোরানোর কাজটা নাকি বহুদিন ধরেই নটরাজন নিজের হাতে করত।

    —কে নটরাজন? প্রশ্ন করলেন ইনস্পেক্টর চৌবে।

    বিনায়ক উত্তর দিল, নটরাজন আর কেশবন ছিল ফেমাস সার্কাসের দুই পার্টনার। কেশবনের খেলা যেমন ‘নাইফ-থ্রোয়িং’, নটরাজনের তেমনি ছিল বাঘ-সিংহের খেলা। একসময়ে ওর চাবুকের আওয়াজে নাকি কুড়িটা হিংস্র পশু একসঙ্গে ওঠাবসা করত। তখন ‘ফেমাস সার্কাস’-এর একনম্বর আইটেম ছিল বাঘের মুখে নটরাজনের মাথা ঢুকিয়ে দেওয়া। তারপরে হঠাৎই আইন করে সার্কাসে বাঘ-সিংহের খেলা বন্ধ করে দেওয়া হল। একই সঙ্গে বিদায় নিল নটরাজনের গ্ল্যামার। তখনই সাবিত্রী কেশবনের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে তাকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছিল। তবে নটরাজন আর কেশবনের বন্ধুত্ব খুব গাঢ়। আলেপ্পির কাছে একই গ্রামে ওরা একসঙ্গে বড় হয়েছিল। তাই বরাবরই একে অন্যের খেলা দেখানোর সময়ে সাহায্য করতে এগিয়ে যায়।

    —বেশ, তারপর সেদিন কী হয়েছিল বলো। জানতে চাইলেন চৌবেসাহেব।

    —হ্যাঁ, ওই সাইকেলে বসা অবস্থাতেই পরপর বারোটা ছুরি সাবিত্রীর শরীর ঘিরে অব্যর্থ টিপ-এ গেঁথে দিত কেশবন। এরপর থাকত শেষ চমক। নটরাজন আঠা দিয়ে একটা লাল বেলুন আটকে দিত সাবিত্রীর মাথার মাত্র ইঞ্চি চারেক ওপরে। দর্শকাসন থেকে একজন কেউ এগিয়ে এসে একটা ফেট্টি দিয়ে শক্ত করে বেঁধে দিত কেশবনের চোখ দুটো। আর, কোনো সন্দেহের অবকাশ না রেখে, এর ওপরে আবার একটা কালো কাপড়ের থলি দিয়ে কেশবনের মাথা থেকে গলা অবধি ঢেকে দিত নটরাজন।

    —ইন্টারেস্টিং! নড়েচড়ে বসলেন চৌবেসাহেব। তারপর?

    এরপর তাঁবুর অন্যসব আলো নিভে গিয়ে, কাঠের চাকাটার একদম মাথার কাছে জ্বলে উঠত একটা নীল আলো— যাতে শুধু সাবিত্রী আর কেশবনকে ঘিরে একটু জায়গাতেই আলো পড়ত। চারিদিকের অন্ধকারের মধ্যে এই নীল আলোর বৃত্ত, আর চোখ বেঁধে ‘নাইফ-থ্রোয়িং’— এগুলোই কেশবনের ইনোভেশন। নিঃসন্দেহে খেলাটার আকর্ষণ এতে বেড়েছিল। এই নীল আলোর সুইচটা থাকত নটরাজনের হাতের কাছে।

    —তারপর?

    —এতক্ষণ যে চাকা ঘুরছিল সাবিত্রীকে মাঝখানে রেখে, তা এখন নটরাজনের হাতের চাপে একদম স্থির। চোখ বাঁধা অবস্থাতেই সাইকেলের ওপর ভারসাম্য রেখে ডান হাতটা বাড়িয়ে দিত কেশবন। সেই বাড়ানো হাতে তেরো নম্বর ছুরিটা ধরিয়ে দিয়ে, অ্যারেনা ছেড়ে দৌড়ে চলে যেত সহকারী ছেলেটি।

    কেশবন ছুরি সমেত হাতটা মাথার ওপরে তুলত, শরীরটা সামান্য এদিক-ওদিক বাঁকিয়ে ঠিক করে নিত নিশানা। তারপর হঠাৎ-ই নীল আলোর মধ্যে দিয়ে কেশবনের নিক্ষিপ্ত ছুরি এক রুপোলি বিদ্যুতের রেখার মতন গিয়ে বিধত বেলুনটার গায়ে। যে দর্শকেরা এতক্ষণ উদ্‌বেগে স্তব্ধ হয়ে বসেছিল, সাবিত্রীকে অক্ষত দেখে তারা হাততালিতে ফেটে পড়ত। সাবিত্রী আর কেশবন হাতে হাত রেখে হাসতে হাসতে ত্যাগ করত অ্যারেনা। কিন্তু পরশু …

    —হ্যাঁ, কী হয়েছিল বলো তো ঠিক করে।

    —পরশু সন্ধের ‘শো’-এ বেলুনের বদলে সাবিত্রীর কণ্ঠমণিতে গিয়ে বিঁধেছিল তেরো-নম্বর ছুরিটা। মুহূর্তের মধ্যেই মারা যায় মেয়েটি।

    এটা সন্ধে সাতটার শোয়ের শেষদিকে, মানে রাত ন’টা নাগাদ ঘটেছিল। আধঘণ্টার মধ্যেই নীলাদ্রি ওর দলবল নিয়ে কল্পেশ্বরের মেলায়, ‘ফেমাস সার্কাস’-এর তাঁবুতে পৌঁছে যায়। দর্শকশূন্য তাঁবুতে তখন সেই মরণঘূর্ণিকে ঘিরে হতভম্ব হয়ে বসেছিল নটরাজন, কেশবনসহ আরও প্রায় তিরিশজন বিভিন্ন বয়সের নারীপুরুষ। সকলেই প্রায় কেরালার লোক, ওই সার্কাসের কর্মী। সকলেই একবাক্যে বলল, এ এক ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা। আর সার্কাসে যারা খেলা দেখায় মৃত্যু তো তাদের নিত্য সহচর।

    তবু নীলাদ্রির মন মানছিল না। সে ঘুরে গিয়ে দাঁড়ায় কাঠের চাকাটার পেছনে। দেখে অ্যারেনার একপাশে একটা মোটা খুঁটির গায়ে লাগানো সুইচ বোর্ড থেকে একটা ইলেকট্রিকের তার উঠে গেছে ফ্রেমের ওপরে লাগানো নীল আলোটার দিকে—ওই যে, যে আলোটা অন্যসব আলো নিভে যাওয়ার পরেও জ্বলত। কিন্তু মাঝপথে ওই তারটা থেকে আরেকটা তার বেরিয়ে গেছে কেন? দ্বিতীয় তারটার গতিপথ অনুসরণ করতে গিয়ে নীলাদ্রি দেখে ফ্রেমের আড়ালে সহজে চোখে পড়ে না এমন এক জায়গায় লাগানো আছে এই বস্তুটি।

    পকেট থেকে একটা ইলেকট্রো-ম্যাগনেট বার করে চৌবে সাহেবের নাকের সামনে ধরল বিনায়ক, এরই গায়ে জড়ানো ছিল সেই দ্বিতীয় তারটি।

    -মানে বুঝলেন?

    চৌবেসাহেব ম্যাগনেটটা একবার হাতে নিয়ে সেটাকে দেখে আবার বিনায়কের হাতে ফিরিয়ে দিলেন। বললেন, বাঃ, গুড ফাইন্ডিং। অ্যাকসিডেন্ট নয়, এ তো খুন! বেলুনের দিকে ছুটে যাওয়া নিরীহ ছুরিটাকে সাবিত্রীর গলার দিকে নামিয়ে দিয়েছিল এই চুম্বকের টান। নিশ্চয় সাবিত্রীর গলার পেছনেই এটা লাগানো ছিল?

    -একদম ঠিক ধরেছেন। তাহলে বলুন তো খুনটা কে করেছে?

    —কেন? নটরাজন। সাবিত্রী ওকে বিয়ে করতে চায়নি, তারই শোধ নিল আর কি! ওর হাতেই তো আলোর সুইচ ছিল বললে। এমনই কল বানিয়েছিল শয়তানটা, যে আলোও জ্বলেছে, আর সাবিত্রীর মৃত্যুও নিঃশব্দে ওত পেতে দাঁড়িয়েছে তার গলার পিছনে। ভয়ঙ্কর!

    বিনায়ক বলল, কিন্তু স্যার, নটরাজনই যদি ইলেকট্রো-ম্যাগনেটের ফাঁদ পেতে থাকে তাহলে কাজ মিটে যাওয়ার পরেই সে সেটাকে সরিয়ে ফেলল না কেন? সামান্য একটা আড়াইশো ওয়াটের নীল আলোয় গ্যালারি থেকে ওই চাকার পেছনে ঘন অন্ধকারে কে কী করছে তা বোঝা তো কারুর পক্ষেই সম্ভব ছিল না। আর নটরাজনের কাছাকাছি যে দুজন মানুষ ছিল তাদের মধ্যে সাবিত্রী ততক্ষণে মৃত, আর কেশবনের তো চোখ বাঁধা।

    —তাও তো ঠিক। তাহলে কি নটরাজন নয়? নটরাজন কি না- জেনেই অন্য কারুর পাতা ফাঁদে পা দিয়েছিল? কে হতে পারে সেই খুনি?

    —কেন, কেশবন।

    —তার মানে? তুমি কী বলছ বিনায়ক? নটরাজনের অজান্তে কেশবন চাকার পেছনে ম্যাগনেট লাগিয়ে রেখেছিল? কিন্তু তা কী করে হবে বিনায়ক? নটরাজন ছিল ওর প্রিয় বন্ধু, আর সাবিত্রী ছিল কেশবনের বাগদত্তা। তাকে ও খুন করবে কেন?

    —কিছু ফ্যাক্ট নীলাদ্রি খুঁজে বের করেছে। ফেমাস সার্কাসের পুরোনো কয়েকজন কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেনেছে যে, সাবিত্রী যেমন কিছুদিন আগে নটরাজনকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, তেমনি ক’দিন আগে বাতিল করেছিল কেশবনকেও। সাবিত্রী নিজে ছিল খুবই দক্ষ ট্রাপিজের খেলোয়াড়। ওকে উত্তর ভারতের বিখ্যাত ‘স্টার সার্কাস’ অনেক বেশি বেতন দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। এই মাসটাই ছিল ফেমাসের সঙ্গে সাবিত্রীর চুক্তির শেষ মাস।

    —বুঝলাম। কিন্তু, তারপরেও তো কয়েকটা প্রশ্ন থেকে যায়।

    -বলুন স্যার। আত্মপ্রত্যয়ের সুর বিনায়কের গলায়।

    -এক, কেশবনের মোটিভ?

    -একাধিপত্য। নটরাজন জেলে গেলে কেশবন আর ফেমাস সার্কাসের পার্টনার থাকত না। মালিক হয়ে বসত।

    —কিন্তু, সাবিত্রীকে খুন করার কাজটা অমন কঠিন করে নিল কেন কেশবন? ও তো যে কোনো সময়েই, চোখ খুলেই, বারোটার মধ্যে একটা ছুরি সাবিত্রীর শরীরে গেঁথে দিতে পারত।

    —এটাও বুঝতে পারছেন না? সে ক্ষেত্রে কি নটরাজনের কন্সপিরেসির থিয়োরিটা এত চমৎকার ভাবে দাঁড় করানো যেত?

    —ঠিক আছে, এরপর আমার শেষ প্রশ্ন। কেশবন কীভাবে নিশ্চিত হয়েছিল যে চোখ বাঁধা অবস্থাতেও সে সাবিত্রীর গলাতে ছুরি বসাতে পারবে, লক্ষ্যভ্রষ্ট হবে না? সে যে প্রতিদিন সাবিত্রীর মাথার তিন ইঞ্চি ওপরে বেলুনটাকে বিঁধতে পারত— সেটা নিশ্চয়ই ওর দীর্ঘ অনুশীলনের ফল। কিন্তু মাথার তিন ইঞ্চি নীচে যে নতুন টার্গেটে ও পরশু ইচ্ছে করে ছুরি গেঁথেছে বলছ, সে ব্যাপারে তো আর কেশবনের প্র্যাকটিসের সুযোগ ছিল না। তাহলে?

    —আপনি ঠিক ধরেছেন। হাঁটুর ওপর চাপড় মেরে চেঁচিয়ে উঠল বিনায়ক বসু। চোখ খোলা থাকলে যে কেশবন একটা উড়ন্ত মাছিকেও ছুরি দিয়ে দু’ টুকরো করে ফেলতে পারে, চোখ বাঁধা থাকলে সে একটা হাতিকে মারার ব্যাপারেও নিশ্চিত থাকতে পারত না। তাই আমার বিশ্বাস শুধু নটরাজনকে ফাঁসানোর জন্যই নয়, তেরো নম্বর ছুরিকে নিশ্চিতভাবে লক্ষ্যে চালিত করবার জন্যেও কেশবনের প্রয়োজন ছিল এই ছোট্ট বস্তুটির। হাতের মধ্যে ‘ইউ’ আকৃতির চুম্বকটিকে ঘোরাতে-ঘোরাতে বলল বিনায়ক, এ কেশবনকে দিয়েছে সিদ্ধি, আর নটরাজনকে দিত শাস্তি। এবার শুধু কেশবনের কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায় করতে হবে।

    অনেকক্ষণ একনাগাড়ে কথা বলে বিনায়ক থামল। তারপর বলল, আপনার কী মনে হচ্ছে স্যার? এটা একটা আশ্চর্য ডিটেকশন নয়। আই উইল রিয়েলি রিয়েলি মিস দা বয়। আই মিন নীলাদ্রি।

    চৌবেসাহেব মাথার পেছনে হাত দুটো ভাঁজ করে রেখে পা দুটো সামনে ছড়িয়ে দিলেন। বিনায়ক জানে, এটা ওঁর গভীর চিন্তার লক্ষণ। ও কিছুক্ষণ চৌবেসাহেবের মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে ভয়ে-ভয়ে বলল, কী হল স্যার? এনি খটকা?

    মেনি খটকাস, টু টেল ইউ দ্য ট্রুথ। তুমি আমার কয়েকটা প্রশ্নের জবাব দাও তো বিনায়ক। প্রথমে বলো, ওই ম্যাগনেটটা, ওটা কি নীলাদ্রি প্রথমবারেই সার্কাসের তাঁবুতে গিয়ে খুঁজে পেয়েছিল?

    বিনায়কের চোখ দুটো গোল-গোল হয়ে উঠল। বলল, কেমন করে জানলেন? না! প্রথমবারে নয়। ওই দিনই একটু বেশি রাতের দিকে নীলাদ্রি আবার ফেমাস সার্কাসে ফিরে গিয়েছিল। ও আমাকে বলেছে, ওর মন বলছিল, ভাইটাল কোনো ক্লু মিস করেছে। সেই জন্যেই ও আবার গিয়েছিল ওখানে। তখনই ও চুম্বকটাকে খুঁজে পেয়েছিল। কিন্তু আপনি কেমন করে…

    পরে বলছি। এবার বলো, তোমরা নিশ্চয়ই ফেমাস-সার্কাসের অফিস থেকে কাগজপত্র সিজ করেছো।

    ইয়েস স্যার।

    তার মধ্যে সাবিত্রীর নামে ইনসিওরেন্সের কোনো সার্টিফিকেট পেয়েছ?

    বিনায়ক শক খাওয়ার মতন দাঁড়িয়ে উঠল। বলল, ইউ আর এ উইজার্ড। হ্যাঁ স্যার। পেয়েছি। পঁচিশ লক্ষ টাকার ইনসিওরেন্স কভারেজ। মাত্র গত বছরেই সার্কাস কোম্পানির টাকায় সাবিত্রীর নামে করানো হয়েছিল।

    ও মারা গেলে টাকাটা কে পাবে?

    দুই পার্টনার, মানে কেশবন আর নটরাজন সমানভাবে। কিন্তু এটা কি ইম্পর্ট্যান্ট?

    ভীষণ ইম্পর্ট্যান্ট বিনায়ক। সাবিত্রীকে সার্কাসের দুই পার্টনার মিলে খুন করেছে। ওই পঁচিশ লক্ষ টাকা ডুবন্ত সার্কাসকে বাঁচাতে পারত। কাজেই ধরে নাও সার্কাসের স্বার্থে ওরা দুজনে মিলে সাবিত্রীকে বলি দিয়েছে।

    বিনায়ক একরোখা গলায় বলল, কিন্তু ওরা যদি অ্যাক্সিডেন্ট থিয়োরিকেই কাজে লাগাবে, তাহলে চুম্বকটাকে সরিয়ে রাখল না কেন? এখনো তো সাক্ষ্য প্রমাণ সব কেশবনের বিরুদ্ধেই যাচ্ছে। ওই তো চুম্বকটাকে লাগিয়েছিল যাতে ছুরিটা সাবিত্রীর ঠিক গলার মাঝখানেই বেঁধে।

    চৌবেসাহেব অধৈর্য গলায় বললেন,

    —সরায়নি, তার কারণ, ওরা কেউই চুম্বকটার কথা জানত না। চুম্বকটা খুনের কাজে লাগেনি। আচ্ছা বিনায়ক, তুমি কি সত্যিই আমাকে বিশ্বাস করতে বলো যে একটা তীব্রবেগে ছুটে আসা ভারী ছোরার গতিবেগ বদলে দিতে পারে ওই ছোট একটা চুম্বক— আড়াইশো ওয়াটের বিদ্যুতে যা কাজ করে?

    বিনায়ক বলল, তাহলে কি আপনি বলতে চান কেশবনের অলৌকিক ক্ষমতা ছিল, চুম্বক ছাড়া লক্ষ্যভেদের ব্যাপারে কীভাবে অমন নিশ্চিত ছিল কেশবন?

    -যেভাবে ম্যাজিশিয়ানরা নিশ্চিত থাকেন চোখ বেঁধে বোর্ডে অঙ্ক কষার ব্যাপারে কিংবা ভিড়ের রাস্তায় গাড়ি চালানোর ব্যাপারে।

    — মানে?

    -মানে খুব সহজ। কেশবন একটা বহু পুরোনো ম্যাজিক ট্রিকের আশ্রয় নিয়েছিল। তুমি যখনই বলেছিলে দর্শকদের মধ্যে থেকে একজন এসে কেশবনের চোখে ফেট্টি বেঁধে যাওয়ার পরেও আবার নটরাজন একটা কালো ঢাকনা দিয়ে তার মাথা ঢেকে দিত, তখনই আমার কাছে পুরো ব্যাপারটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। ওই ঢাকনাটা কেশবনের মাথার ওপর দিয়ে গলিয়ে দেওয়ার সময়েই হাতের দ্রুত এক টানে নটরাজন কেশবনের চোখের ফেট্টিটা নামিয়ে দিত। আর ঢাকনাটা কালো মশারির কাপড়ের মতন একরকমের কাপড় দিয়ে তৈরি। যার ফলে কেশবন তার মধ্যে দিয়ে পুরো বাইরের জগৎটাই দেখতে পেত; কিন্তু দর্শকরা বুঝতে পারত না যে কেশবনের চোখের বাঁধন সরে গেছে।

    খেলা দেখানো হয়ে গেলে, আগে চোখের ফেট্টিটা স্বস্থানে সরিয়ে তারপর কাপড়ের ঢাকনাটা মাথা থেকে খুলত কেশবন।

    অতএব, বুঝতেই পারছ, সাবিত্রীকে কেশবন ঠান্ডা মাথায় দেখেশুনে খুন করেছে এবং তার জন্য চুম্বকের কোনো প্রয়োজন ছিল না। অবশ্য নটরাজন পুরো ব্যাপারটাই জানত। সে এই খুনের সহযোগী।

    কিন্তু তাহলে ওই ম্যাগনেট? ওটার তো কোনো প্রয়োজনই ছিল না। কোথা থেকে এল ওটা?

    এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে খুবই খারাপ লাগছে বিনায়ক, বললেন উমাশঙ্কর চৌবে। নীলাদ্রির সম্বন্ধে তোমার ধারনাটা সম্পূর্ণ বদলে দিতে খুবই খারাপ লাগছে আমার। কিন্তু আমার ধারনা, আমি ঠিকই বলছি। তুমি নিজে একবার নীলাদ্রিকে জিজ্ঞেস করলে ও নিশ্চয়ই স্বীকার করবে। চুম্বকটাকে দ্বিতীয়বারে সার্কাসের তাঁবুতে যাবার সময় ও নিজেই পকেটে করে নিয়ে গিয়েছিল। নীলাদ্রিই চাকাটার পেছনদিকটায় ক্লু খুঁজবার নাম করে গিয়ে ওটাকে ওখানে লাগিয়ে দিয়েছিল।

    কিন্তু কেন? কেন স্যার? বিনায়ক প্রায় চিৎকার করে উঠল।

    চৌবেসাহেব চেয়ার ছেড়ে উঠে দোপাটিগাছের পাতা থেকে টোকা মেরে একটা ছোট মাকড়সাকে ফেলে দিয়ে বললেন, মানুষের মন বড্ড জটিল বিনায়ক। নীলাদ্রি পুলিশের চাকরি ছেড়ে চলে যাবার আগে তোমাকে দেখিয়ে দিতে চেয়েছিল, সুযোগ পেলে, একটা মনের মতন বুদ্ধিদীপ্ত ক্রাইম পেলেও তাদের সঙ্গে কতটা টক্কর দিতে পারে।

    বাট আই অ্যাম সরি টু সে, ও পারেনি। এই ক্রাইমটার পেছনে নটরাজন আর কেশবনের অসাধারণ শয়তানি চাল ছিল। নীলাদ্রি সেটা ধরতে পারেনি। ও ভেবেছিল এটা একটা সিম্পল অ্যাকসিডেন্ট। সেটাকেই ও রং চড়িয়ে ক্রাইম বানাতে গিয়েছিল।

    হঠাৎ ঘুরে দাঁড়িয়ে বিনায়কের চোখে চোখ রেখে চৌবেসাহেব বললেন, এই ইনভেস্টিগেশনটা এখন তুমিই চালিয়ে নিয়ে যাবে। মনে হয় কেশবনের চোখের বাঁধনটা যে নকল ছিল সেটা প্রমাণ করতে অসুবিধে হবে না। ভালো করে জেরা করলে ওরা দুজন কনফেসও করে নেবে সবকিছু। কিন্তু আমার একটা রিকোয়েস্ট, পুরো রিপোর্টের মধ্যে এই চুম্বকের গল্পটার কোনো উল্লেখ কোরো না। রোমান্টিকরা মাঝে-মাঝে ভুল করে ফেলে। তাদের ক্ষমা করতে হয়।

    বিনায়ক মাথা নীচু করে বলল, ওকে, স্যার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার
    Next Article সন্ধ্যা নামে ধীরে – কোয়েল তালুকদার

    Related Articles

    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    ১৬ আনা ভয় – সম্পাদনা : সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 6, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }