Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গল্পসংগ্রহ – প্রমথ চৌধুরী

    প্রমথ চৌধুরী এক পাতা গল্প460 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দৈববাণী

    দৈববাণী

    ফ্ল্যাটের দরজা খুলতেই ওরকম বেশভূষোর একটা মানুষকে দেখে রমার ভয় পাওয়া উচিত ছিল। ঢাউস একটা কালো রেনকোট। মাথায় সেইরকমই একটা টুপি যা গল্পের গোয়েন্দারা পরে। ভারী কালো জুতো, হাতে আবার তিন-ব্যাটারির টর্চলাইট! ফ্ল্যাটে একলা থাকা কোনো মেয়েকে ভয় পাওয়ানোর পক্ষে এরকম চেহারা খুবই যথেষ্ট। রমা কিন্তু মোটেই ভয় পায়নি। অফিস থেকেই সুদীপ ফোনে জানিয়েছে বিকেলে ওর বন্ধু সুশান্ত আসছে। হয়ত ওর আগেই পৌঁছে যাবে ওখানে?

    রমা দরজা খুলেই বলল, আপনি তো সুশান্ত। দাঁড়িয়ে রইলেন কেন? সুদীপ ফোনে সব জানিয়ে দিয়েছে। ডন স্কুলে এক সঙ্গে পড়তেন। ডানপিটে ছিলেন। খুব গল্প করতে ভালোবাসেন। তাই তো? সত্যি বললাম কিনা বলুন?

    রজত অ্যাও হয়, অঁও হয় আওয়াজ করে ঘরটায় ঢুকে পড়ল। আঃ! একটা বেড়া অন্তত পেরুনো গেল। রমা মেমসাহেবি কায়দায় ওর পিছনে দাঁড়িয়ে রেনকোটটা খোলায় সাহায্য করতে এল। রজত ঝাঁ করে এক পাক ঘুরে, সলজ্জভাবে বলল, নো থ্যাংকস। কোটটা আর টুপিটা ভিজে আছে। তারপর কোটটা আর টুপিটা র‍্যাকে ঝোলাতে গিয়ে ওর মনে হল ক্ষুরটা ওর সঙ্গে রাখাই শ্রেয়। সুযোগ কখন, কীভাবে আসে কেউ জানে না। ক্ষুরটা ট্রাউজারের পকেটে রেখে টর্চটা রেনকোটের পকেটে ঢুকিয়ে রজত যখন বসার ঘরের মাঝখানটায় এল রমা তখন অবাক হয়ে ওর দিকে চেয়ে আছে। ওর মনে না হয়ে পারল না এরকম একটা গোছানে, স্বনির্ভর বন্ধু সুদীপের আর একটাও নেই। অন্যরা সবাই হাজির হয়ে ছোটোখাটো একটা হুকুম জারি করবেই। বাড়িতে কী ড্রিংকস আছে সে-খবরটাও অন্তত এতক্ষণে নিয়ে ফেলত। অবশ্য ইনি তো সবে এই প্রথম আবির্ভূত হলেন। পরে কী মূর্তি হয় কে জানে?

    আরেকটা কথা। সুদীপের আর বন্ধুরা যে স্টেটাসের এ বোধ হয় সেখানে পৌঁছোতে পারেনি। ডনের ছেলের পক্ষে অধঃপতনই একরকম। ড্রেস দেখে কি সেটাই মনে হয় না? যাকগে, মানুষটা সুবিধের হলেই হল!

    রমা জিজ্ঞেস করল, ঠাণ্ডা বা গরম কিছু খাবেন তো? রজত যেন প্রশ্নটা শুনতেই পায়নি। সে উলটে প্রশ্ন করল, কর্তা ফিরছেন কখন?

    সেটার কী কোনো ঠিক আছে সুশান্তবাবু? চাকরির উন্নতি, জীবনের সাকসেস না কীসব বলেন না আপনারা? সে-সব ঘটলে অফিস ছেড়ে বাড়ি যাওয়ার পাটটা চুকে যায়। ওর বোধ হয় সেই ফেজ চলছে এখন।

    কথাটা শুনতে শুনতে রজতের চোখ দুটো হঠাৎ ঝিলিক দিয়ে উঠল। আর প্রায় নিজের অজান্তে একটা জিজ্ঞাসা উচ্চারিত হয়ে গেল, এই এতখানি সময় আপনার একলা লাগে না? রজত বুঝতে পারল না, ও কেন এই প্রশ্ন করেছে। রমার মনে কোনো সন্দেহ জাগিয়ে তোলার কোনো মানেই হয় না এই স্টেজে। কিন্তু ওর আরেকটা সাংঘাতিক প্রশ্ন জানতে ইচ্ছে খুব। যা জিজ্ঞেস করলে ও এক্ষুনি ধরা পড়ে যাবে, আর রমা ওকে সোজা গেট আউট করে দেবে। ওর জানার ইচ্ছে হচ্ছে ডন স্কুলের ছেলেরা সত্যি কীরকম হয়।

    রমা এতক্ষণ ভাবছিল। ও ভাবছিল এই লোকটা নাকি ডন স্কুলের এক কালের চালু ছেলে। এর কাছে এসব প্রশ্ন এত রহস্যময় কেন? এদের বউরাই তো সচরাচর রূপবতী, নিঃসঙ্গ, মেন্টাল কেস হয়। পুরুষের সাকসেস স্টোরির ডার্ক সাইড। কিন্তু ও মুখে বলল, আরে ছাড়ন সে-সব কথা। ওসব নিয়ে আর ভাবি না আজকাল। বরং আপনার কিছু মজার গল্প বলুন। শুনেছি আপনি দারুণ গল্পবাজ ছিলেন।

    আজ সারাটা দিনে এই প্রথম বেশ ফুর্তি ফুর্তি লাগছে রজতের। ও বলল, হ্যাঁ হ্যাঁ সেই ভালো। তা কী গল্প শুনবেন বলুন?

    -আপনার নিজের গল্প।

    –না, না, আমার কোনো গল্প নেই।

    —সে কী? একটা জ্বলজ্যান্ত লোক আপনি! আপনার কোনো গল্প নেই মানে!

    —মানে আমার কোনো অতীত নিয়ে কিছু বলতেই ভালো লাগে না।

    –সুদীপ কিন্তু মোটেই তা বলেনি। তা যাকগে, তাহলে বর্তমান নিয়েই কিছু বলুন।

    –বর্তমান? তাহলে আরেকটা কথা বলি আপনাকে। এই বর্তমানের ওপরও না আমার কোনো বিশ্বাস নেই। আমরা যা যা আসলে দেখি তা যে আসলে তাই তারও তো কোনো মানে নেই। আপনি আমাকে যে সুশান্ত ভেবে নিয়েছেন আমি তো ঠিক সে-সুশান্ত নাও হতে পারি।

    রমার মনে সাঁ করে সেই প্রথম মুহূর্তের সন্দেহটা খেলে গেল। লোকটা তাহলে সুশান্ত নয়? যদি না হয় তাহলে ওর কী উচিত নয় ওকে এখনই বিদেয় করে দেওয়া? সুদীপ এলে পর কী বলে পরিচয় করাবে? সুদীপ সন্দেহপ্রবণ মানুষ নয়। কিন্তু এরকম অজ্ঞাত কুলশীল একটি লোকের উপস্থিতি ও কিছুতেই পছন্দ করবে না।

    রমা একটু ক্ষীণভাবে জিজ্ঞেস করল, আপনি কী ভুল ফ্ল্যাটে এসে পড়েছেন?

    –ভুল না, না। ভুল হবে কেন? এটাই তো কথা ছিল। আমি আসব, আপনি থাকবেন। আপনি আমায় ভুল করবেন না প্লিজ। আমি বর্তমানের কথা বলছিলুম তো। বর্তমানকে সাধারণত লোকে ধ্রুব বলে জানে। যা চোখের সামনে ঘটে তা তো মিথ্যে না। কিন্তু প্রশ্নটা অন্যখানে। প্রশ্ন, কী ঘটে আর আমরা কী দেখি। অ্যাপিয়ারেন্স অ্যাণ্ড রিয়্যালিটির প্রশ্ন যেটা। আপনি এফ এইচ ব্র্যাডলি পড়েছেন?

    রমা তার সারাজীবনের বইয়ের বিষয় ঘেঁটে এফ এইচ ব্র্যাডলির নামটা মনে করতে পারল না একটু লজ্জা হল এবং বেশ কিছুটা সম্রম হল উপস্থিত মানুষটির জন্য। সুদীপের বন্ধুরা সচরাচর এসব কথা বলে না। এইটেই আসলে মধ্যবিত্তের আদত খগ, ভাবল রমা। তারা অনেক আশ্চর্য, আশ্চর্য কথা জানে। রমা বলল, শুনেছি বলে তো মনে হচ্ছে না এই নামটা।

    রজত একটা সিগারেট ধরিয়ে ফেলল। দেশলাইয়ের কাঠিটা সন্তর্পণে অ্যাশট্রেতে শুইয়ে রেখে বলল, দেখুন, আমি যদি বাস্তবিকই আপনার স্বামীর বন্ধু না হতাম তাহলে আমি হতাম মাত্র একটা অ্যাপিয়ারেন্স। যেহেতু আমি তা নই তাই কথা শেষ হওয়ার আগেই ক্রি. ক্রি. ক্রি…করে সজোরে ফ্ল্যাটের বেল বেজে উঠল। রজত ভাবল, এই যাঃ! পুরো সুযোগটা আমি বেকার গল্পে নষ্ট করলাম। পকেটে হাত চালিয়ে ও ক্ষুরটাকে একবার স্পর্শ করল। দরজার দিকে হেঁটে যাওয়া রমার নধর শরীরটার দিকে চাইতেই ওর হাতটা লোভে, উৎকণ্ঠায় ঘেমে উঠল। রজতের বড়ো ভয় এই বুঝি আসল বন্ধুটি হাজির হল। রজতকে বেরিয়ে যেতেই হবে একটু বাদে, অনেক ক্ষমা ভিক্ষা করে।

    কিন্তু না। বাড়ির দরোয়ান এসে খবর দিয়ে গেল কাল সকালে পাম্পে জল আসবে না। পৌরসভার নোটিশ এসেছে।

    বাঁচা গেল, বলে পকেট থেকে হাত বার করল রজত। রমা বলল, আই’ম সরি। আপনাকে এতক্ষণ কিছু না খাইয়ে বসিয়ে রেখেছি। আমাকে এক মিনিট এক্সকিউজ করুন। রমা চলে যেতে রজত সামনে পড়ে থাকা খেলার ম্যাগাজিনটা খুলে আনমনে ওলটাতে লাগল। আর হঠাৎ এসে থেমে গেল গাভাসকরের একটা ছবিতে। বিজ্ঞাপনের ছবিতে দেখাচ্ছে গালভরতি ফেনা নিয়ে সুনীল গাভাসকর দাড়ি কামাচ্ছে। গালের ওপর ক্ষুর চললে রজতের একটা অভূতপূর্ব অনুভূতি হয় ভেতরে। অনেক ক্লান্তি ঝরে যায়। রজতের জানতে ইচ্ছে হয় কে প্রথম ক্ষুর আবিষ্কার করেছিল? সে কী দাড়ি কামানোর জন্য, নাকি সব চেয়ে নিটোলভাবে গলা কাটার জন্য?

    এ কি পুরুষ হয়েও গাভাসকরের ভক্ত? আমার তো ধারণা মেয়েরাই ওর সেরা ভক্ত আজকাল। রমা বেশ আওয়াজ করেই চায়ের ট্রে-টা সেনটার টেবিলে রাখল। দু-কাপ চা বানিয়ে একটা বাড়িয়ে দিল রজতের দিকে। নিজেরটায় চিনির বদলে গুলি গুলি স্যাকারিন মেশাল। বলল, আমার, জানেন ব্লাডে চড়া সুগার। চিনি খাওয়াও বন্ধ।

    চায়ে একটা ছোট্ট চুমুক দিয়ে রজত বলল, একেকজন দৈববাণী শুনতে পায়। কিন্তু তারা জানে না সেটা সত্যি কি মিথ্যে। এই ধরুন না খবরের কাগজের খবরটাই। ইয়র্কশায়ার রিপার তো সমানে দাবি করছে সে দৈববাণী শুনতে পায়। তাও আবার কবরখানায়।

    ওঃ গড! প্লিজ ওর কথা বলবেন না, আমার গায়ে জ্বর আসে। কথাগুলো প্রচন্ড ঘৃণা আর রাগের সঙ্গে বলে উঠল রমা। মুখটাকে যৎপরোনাস্তি ব্যাজার করে চা-টা পাশে ঠেলে দিল। যেন চাটুকু পাওয়ায়ও ওর ঘেন্না ধরে গেছে। রজত ওকে আশ্বস্ত করার জন্য খুব শান্ত গলায় বলল, রিপার কিন্তু একটা সৎ কাজ করছে, আপনাকে মানতেই হবে। সে দেশের সমস্ত বেশ্যাদের নিপাত ঘটাচ্ছে। তাই না?

    রমার মনে হল ওর মাথায় রগ ছিড়ে রক্ত ছিটকে বেরিয়ে আসবে। এমনিতেই প্রেসারের রুগী সে। রাগে থর থর কাঁপতে কাঁপতে উঠে দাঁড়াল রমা। একটু হেঁটে গিয়ে হল-ল্যাম্পের ডাঁটিটা শক্ত করে চেপে ধরল। তারপর প্রাণপণে চেঁচিয়ে উঠল গেট আউট অব হিয়ার, ইউ রেচেড মেল শভিনিস্ট পিগ। আই সে গেট আউট। অ্যাণ্ড রাইট নাও।

    এবার ধীরভাবে সিট ছেড়ে উঠে দাঁড়াল রজত। এবং সেরকম ধীর ‘উচ্চারণে’ বলল, আপনি বন্ধুর স্ত্রী। আমার প্রথম পদক্ষেপ আপনাদের বাড়িতে। একটা ছোট্ট উপহার এনেছিলাম। ধীর পদে এগিয়ে এসে পকেট থেকে বার করল ওর ক্ষুরটা, তারপর কবজির এক ঝটকায় খুলে ফেলল যন্ত্রটা। রমা তার সম্পূর্ণ রকম গোল হয়ে ওঠা চোখ দিয়ে দেখল ক্ষুরের ব্লেডে চাপ চাপ শুকনো রক্ত।

    রমার মনে হল একটা সাপের ছোবলের মতন জ্বালা হচ্ছে ওর গলায়। ওর চোখের সামনে মানুষটা ক্রমশ ঘোলাটে হয়ে উঠছে। কিন্তু সে স্পষ্ট শুনতে পেল উপস্থিত মানুষটির কথা। সে বলছে, ক্ষুরের আঘাতচকিত, শার্প। বেদনা অপেক্ষাকৃত কম। তবে দাগ থেকে যাবে। পরপুরুষের সামনে অতখানি বুক খুলে বসতে পারবেন না। রমার এবার চৈতন্য হল ক্ষুরটা উড়ে গেছে তার স্তনের পাশ দিয়ে। এবং এটা মনে হতেই সে নিজের রক্তের ফোঁটাগুলোর ওপর আছড়ে পড়ে জ্ঞান হারাল।

    ইয়েল লকের দরজা ঘড়াম করে বাইরে থেকে টেনে দিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামতে লাগল রজত। একটা লম্বা-চওড়া সুবেশ যুবক শিস দিতে দিতে ওপরে উঠে গেল। রজতের ধারণা হল এই ছেলেটাই সুশান্ত। যার হয়ে এতক্ষণ প্রক্সি দিয়ে নেমে যাচ্ছে রজত। মরুকগে শালা ! এইটুকুই মুখ দিয়ে বেরুল ওর। ওর একবার গোনার ইচ্ছে হল রমা কত নম্বর, দুই না তিন চার? কিন্তু ওর ওসমস্ত একেবারেই ভালো লাগছে না এখন।

    রজত চারটে একশো টাকার নোট সরিয়েছে রমার দেরাজ থেকে। চাকরি ছাড়ার পর এই প্রথম এতগুলো টাকা ওর হাতে। এত এত টাকা খরচ করার বেশি জায়গা ওর জানা নেই। এক সোনাগাছি ছাড়া। কিন্তু সোনাগাছিতে ওর খুব ভয়। গেলেই মাথায় খুন চাপবে, ক্ষুরটা খাই খাই করবে। এই ক্ষুরটাই ওর মস্ত লায়াবিলিটি আজকাল। কিছুতেই সঙ্গ ছাড়ে না। যখন-তখন গরম হয়ে ওঠে। রজতের ভারি করুণা জন্মাল ইয়র্কশায়ার রিপারের ওপর। হয়ত বেচারির কোনোই দোষ নেই। সব দোষ শালা…।

    রজতের মুখ দিয়ে একটা শালা’ আওয়াজ শুনে একটা ট্যাক্সি ওর পাশে এসে খাড়া হয়ে গেল। বেসামাল সওয়ারি তুলতে ট্যাক্সিদের ভীষণ আহ্লাদ। বাবু, কিস তরফ যাইয়েগা? জানতে চাইল ড্রাইভার। রজত কিছুটা মাতালের ঢং-এ বলল, বঁহা জানা হ্যায় চলো। ড্রাইভার বুঝে নিল বাকিটা।

    গাড়িটা যেখানে ছাড়ল ওকে সে-জায়গাটা ওর আবছা আবছা চেনা। পার্ক স্ট্রিটের পাশ দিয়ে বেরিয়ে গিয়ে দু-গলি পেরিয়ে একটা বেখাপ্পা এলাকা। ওই বাড়িটাও ওর আবছা আবছা চেনা। দিল্লি-আগ্রা থেকে ধরে আনা মেয়েদের আড়ত। কয়েকটা বাঙালিও আছে। তত ভালো কিছু না। ফিরিঙ্গি ফিরিঙ্গি ভাব, কিন্তু মোটেই তা নয়। পুরো ভেতো বাঙালি। অফিসের বসের এক বন্ধুকে একবার যেমন-তেমন ঢুকিয়ে বহুক্ষণ বাইরে দাঁড়িয়ে সিগারেট খেয়েছিল রজত। খুব গা ঘিনঘিন করছিল। যেমন আজও করছে। কিন্তু আজকে ওর মনে দারুণ বল এসেছে। পকেটে পয়সাও আছে, ক্ষুরও আছে। আর একটু নেশা করার ইচ্ছে।

    দালালটা বাইরের ঘরেই সব মেয়েদের এনে দাঁড় করাচ্ছিল। বিরক্তির স্বরে রজত বলল, শান্তিতে মদটাও খেতে দেবে না হারামজাদা? তখন দালালটাই উঠে দাঁড়িয়ে ‘ভাগে ভাগো’ করে মেয়েগুলোকে ভাগিয়ে দিল ওপরে। পুরো পাঁইট একাই মেরে দিয়ে রজত বলল, নিয়ে চলো এবার। কীরকম কালেকশন দেখি তোমার। দালাল ওকে সিঁড়ি বেয়ে একটা সরু বারান্দায় নিয়ে দাঁড় করাল। তারপর ওর কানের কাছে মুখটা এনে ফিসফিস করে বলল, সোজা চার নম্বর ঘরে চলে যান সাহেব। বেলা আছে, দারুণ জিনিস।

    রজতের পা একটু টলছিল। কিন্তু দৃষ্টি খুব পরিষ্কার। গুণে গুণে চার নম্বরে এসে পলকা দরজাটা পায়ে ঠেলে ঢুকল। ঘরে ডিম লাইট। কিন্তু সেই আলোতেও স্পষ্ট দেখল একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে দূরের কোণটায়। ছবির মতন চাহনি, মুখে দজ্জালের হাসি। ওকে দেখেই বলল, বেশ টেনেছ, না? না-হলে সাহস হয় না বুঝি?

    রজতের বেদম হাসি পেল ওর কথায়। অপূর্ব অভ্যর্থনা বলতে হবে এটিকে। সামাল দেবার জন্য রোয়াবের মাথায় বলল, চল, চল, বেশি ফিকির করিসনে। মেয়েটাও বাঁই বাঁই পাক দিয়ে শাড়ি খুলতে খুলতে বলল, তোমার কাপড়চোপড় কী গায়েই থাকবে?

    —হ্যাঁ থাকবে। তাতে তোমার কী?

    –ক-দিন কাচোনি জামা-প্যান্ট?

    –অ্যাই দ্যাখ, বেশি বকবি না।

    রজত রেনকোটটা খুলে টাঙাবার জায়গা খুঁজছিল। পা টলমল করছিল বলে দেয়ালের পেরেকটাকে যুতে পাচ্ছিল না। কিন্তু অযথা হাঁটাচলা করতেও ওর ইচ্ছে হচ্ছিল না। শরীরটা ক্লান্ত, কিন্তু দেহের বাসনা ষোলো আনা। হুড়মুড়ি করলে শরীরটা বেঁকে বসবে। ওর এখন মনে পড়ে, রমার রক্তমাখা ক্ষুরটা ওর রেনকোটের পকেটে। ওটাকে যত্ন করে প্যানটুলুনের পকেটে চালান দিতে হবে। কিন্তু মাগিটা টেরিয়ে টেরিয়ে সব দেখছে দেখে ও ধমকে উঠল, অ্যাই মেয়ে। ওদিকে তাকা। দেখছিস না জামাকাপড় ছাড়চি?

    ভারি লজ্জা রে আমার। তা এসেচো কেন কলির কেষ্ট? নাকি ভাবছ আমি তোমার মানিব্যাগ হাপিশ করব?

    নাঃ! এই মেয়েটাকে নিয়ে কিসসু করা সম্ভব না। যা মুখ খারাপ না এদের। এদের জন্য রিপারই ঠিক আছে, ভাবল রজত। হঠাৎ ঝাঁ করে ক্ষুরটা বার করল সে। দেখছিস কী জিনিস? বেশি তেড়িবেড়ি করবি তো এক কোপে শালা কোপ্তা বানিয়ে দেব।

    কিন্তু আশ্চর্য! মেয়েটা এখনও হেসে যাচ্ছে মিটিমিটি। হাসতে হাসতেই বলল, তুই শালা গাঁটকাটা আছিস, না?

    —অ্যাই চোপ!

    —তোর ওটাতে কি মুরগির খুন?

    এবার স্বল্প আলোয় রজত নাপিতের মতন নাচাতে লাগল ওর রক্তমাখা ক্ষুরটা। মেয়েটার এখনও বিশ্বাস হয়নি রক্তটা মানুষের। ঘা পড়লে বিশ্বাস হবে। মেয়েটা চট করে ওর ব্লাউজের একটা তরফ খুলে বলল, দ্যাখো, এই যে দাগ না, এটা আমার লাভার রসুল ব্লেড দিয়ে করে দিয়েছিল? বিশ্বাস হয়?

    নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে রজতের মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল, রসুল কে? মেয়েটিও খুব একটা গা-ছাড়া ভাব করে বলল, লাভার ছিল। বিয়ে করতে চাইত।

    —তা করলি না কেন?

    –করব কী? ব্যাটা চাকরিই করে না। খাওয়াবে কী?

    —কিছুই করত না?

    —ওই আর কি তোমার মতন। ক্ষুর দিয়ে গাঁট কেটে বেড়াত। ওসব লোককে বিশ্বাস আছে। তার চেয়ে লাইনে নেমে যাও।

    মেয়েটার শেষ কথাগুলো ঠিক কথা ছিল না। বিলকুল ক্ষুরের টান। রজতের সামনে সমস্ত ঘরটা, ওই খুদে জানালা, ওই ডিম লাইট, ওই মেয়েটা দোলনার মতন দুলতে লাগল। রজতের রগ বেয়ে প্রচন্ড ব্যথা চাড়া দিতে লাগল। সুস্থ থাকলে যেটাকে মনে হতে পারত মাইগ্রেন পেন! কিন্তু ও জানে এটা কীসের তাড়না। ও নিজেকে বোঝাতে চায় এটা দৈববাণী। বিশেষ করে ওরই জন্য উচ্চারিত। কিন্তু এই মুহূর্তে ওকে স্থির থাকতেই হবে। এ মেয়েকে ও জান থাকতে আঘাত করতে পারবে না। মুখপুড়ির বুকে দাগ দেখেছে রজত। বড়ো কষ্টের জীবন মেয়েটার। কিন্তু রজতের ক্ষুরের হাতও ধুকপুক করছে। ও খোলা ক্ষুরের ওপর ওর পাঞ্জা বসিয়ে প্রাণপণ চাপ দিল, যেন কী আরাম ওই চাপে।

    একই সঙ্গে চিৎকার করে রজত ও বেলা যখন অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ল গোটা বাড়ির জানতে বাকি রইল না বাড়িতে দারুণ অনর্থ ঘটে গেছে। নীচে দাওয়ায় বসে বৃদ্ধমাসি বলল, এইসব বদ মাতালদের হাতে এইজন্য কচি মেয়েগুলোকে ছাড়তে নেই। যা বাবা দ্যাখ কী হল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগোয়েন্দা কৃষ্ণা – প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    Next Article প্রবন্ধ সংগ্রহ – প্রমথ চৌধুরী

    Related Articles

    প্রমথ চৌধুরী

    চার-ইয়ারী কথা – প্রমথ চৌধুরী

    September 22, 2025
    প্রমথ চৌধুরী

    সনেট-পঞ্চাশৎ – প্রমথ চৌধুরী

    September 22, 2025
    প্রমথ চৌধুরী

    বীরবলের হালখাতা – প্রমথ চৌধুরী

    September 22, 2025
    প্রমথ চৌধুরী

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – প্রমথ চৌধুরী

    September 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }