Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গল্পসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প2026 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্বখাত সলিল

    স্বখাত সলিল

    যৌবনের দৃঢ় অসন্দিগ্ধ চিত্তবল অন্য বয়সে দেখা যায় না। যৌবনে সমগ্র বস্তুকে হয়তো আমরা সম্পূর্ণরূপে দেখিতে পাই না, কিন্তু যেটুকু দেখি খুব স্পষ্টভাবে দেখি। তাই, চল্লিশ পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখে যখন ‘চাল্‌শে’ ধরে, মনও তখন স্পষ্ট দেখার নিঃসংশয় দৃঢ়তা হারাইয়া ফেলে। হয়তো দৃষ্টি ধোঁয়াটে হওয়ার সঙ্গে দৃষ্টির ক্ষেত্র কিছু বিস্তৃত হয়; কিন্তু মোটের উপর একরোখা ভাবে নিজেকেই নির্ভুল মনে করিবার অকুণ্ঠিত সাহস আর থাকে না।

    দেবব্রতের কথা যখন মনে পড়িত, তখন ভাবিতাম তাহার বয়সও তো চল্লিশ পার হইয়া গেল; যৌবনের অদম্য দুঃসাহসিকতায় একদিন সে যাহা করিয়াছিল, আজ কি সেজন্য তাহার অনুশোচনা হয় না? বিদ্রোহীর রক্ত-রাঙা ঝাণ্ডা কি এখনও সে তেমনি খাড়া রাখিতে পারিয়াছে?

    কারণ, যে দুর্গম পথে সে একাকী যাত্রা শুরু করিয়াছিল, আদর্শের বৈজয়ন্তী কাঁধে লইয়া সে পথে চলা যে কত কঠিন, তাহা তো আর কাহারও অবিদিত নাই। পদে পদে নূতন সমস্যার সৃষ্টি হয়, অথচ তাহাদের জট ছাড়াইবার সময় যৌবনের কল্পনা-উদ্ভূত আদর্শ কোনও কাজে লাগে না।

    তারপর দেবব্রতের সঙ্গে হঠাৎ অপ্রত্যাশিত ভাবে দেখা হইয়া গেল। ব্যবসার উপলক্ষে মধ্য-প্রদেশের এক অখ্যাতনামা ক্ষুদ্র শহরে গিয়াছিলাম। সেখানে যে বাঙালী কেহ থাকিতে পারে, এ সম্ভাবনা আদৌ মনে আসে নাই; ইচ্ছা ছিল ধর্মশালায় দু’দিন থাকিয়া কাজ শেষ করিয়া ফিরিব।

    স্টেশনে নামিয়া গাড়ির খোঁজ করিতে গিয়া দেখি, দেবব্রত একখানা চক্‌চকে আট সিলিন্ডার মোটর হইতে নামিতেছে।

    ক্ষণকালের জন্য নির্বাক হইয়া গেলাম। তারপর বলিয়া উঠিলাম, ‘দেবব্রত! তুমি এখানে?’

    দেবব্রত আমাকে দেখিতে পাইয়াছিল, সে এক লাফে আসিয়া আমাকে দু’হাতে জড়াইয়া ধরিল— ‘মন্মথ! তুমি হঠাৎ এখানে? উঃ কতদিন পরে দেখা!’ বলিতে বলিতে তাহার গলাটা ভারী হইয়া আসিল।

    দেখিলাম তাহার চেহারা বিশেষ বদলায় নাই, একটু মোটা হইয়াছে; কিন্তু মুখের সেই ধারালো তীক্ষ্ণতা এখনও তেমনি অম্লান আছে। মাথার ছোট-করিয়া-ছাঁটা কোঁকড়া চুল রগের কাছে পাকিতে আরম্ভ করিয়াছে।

    দেবব্রত আমাকে ছাড়িয়া দিয়া বলিল, ‘কাজে এসেছ নিশ্চয়। কি কাজ পরে শুনব, এখন ক’দিন আছ?’

    ‘দু’দিন। কাল সন্ধ্যের গাড়িতে যেতে হবে।’

    ‘থাকবার কোনও আস্তানা নেই তো?’

    ‘ধর্মশালায় থাকব ঠিক আছে।’

    ‘ওসব চালাকি চলবে না, আমার বাড়িতে থাকতে হবে।’

    আমার স্যুটকেসটা হাত হইতে কাড়িয়া মোটরে রাখিয়া আসিল, তারপর সপ্রশ্ননেত্রে আমার পানে তাকাইল।

    আমি বলিলাম, ‘কিন্তু—’

    ‘কিন্তু কি? আপত্তি আছে?’

    মনটাকে একটা ঝাঁকানি দিয়া বলিলাম, ‘না—চল।’

    দেবব্রত আমার হাতটা চাপিয়া প্রায় গুঁড়া করিয়া দিবার উপক্রম করিল, তারপর বলিল, ‘তুমি গাড়িতে বস। আমি পার্শেল অফিসে একবার খোঁজ নিয়ে আসি, একটা পার্শেল আসবার কথা আছে।’

    গাড়িতে গিয়া বসিলাম। দেবব্রতের মনের ভিতর অনেক পরিবর্তন ঘটিয়াছে; আগে তাহার একটা স্বাতন্ত্রের ভাব ছিল, যেন নিজেকে দূরে দূরে রাখিত, এখন সেটা নাই। বোধ হয় বয়সের গুণ। ভাবিতে লাগিলাম, বয়সের গুণে আমারও কি এমনি অনেক পরিবর্তন হইয়াছে। হয়তো হইয়াছে, নচেৎ এত সহজে তাহার আতিথ্য স্বীকার করিলাম কি করিয়া? আর একদিনের কথা মনে পড়িল, যেদিন তাহার সহিত এক ট্যাক্সিতে যাইতে সম্মত হই নাই।

    মিনিট পাঁচ-ছয় পরে দেবব্রত ফিরিয়া আসিল, তাহার সঙ্গে একজন কুলি একটা মাঝারি গোছের বাক্সেট মাথায় করিয়া আনিয়া গাড়িতে তুলিয়া দিল।

    দেবব্রত নিজেই গাড়ি চালাইয়া আসিয়াছিল, কুলিকে বিদায় করিয়া গাড়িতে স্টার্ট দিল। গাড়ি চলিতে আরম্ভ করিল।

    বেলা তখন সাড়ে দশটা। ক্ষুদ্র গলিবহুল শহরের ভিতর দিয়া দেবব্রত সাবধানে গাড়ি চালাইয়া লইয়া চলিল। আমি কি সম্ভাষণ করিব কিছুই ভাবিয়া না পাইয়া চুপ করিয়া রহিলাম।

    শহরের ঘিঞ্জি অংশ পার হইয়া দেবব্রত জোরে মোটর চালাইয়া আমার দিকে চাহিয়া আসিল। মনে হইল, আমাকে পাইয়া সে অকৃত্রিম ভাবে খুশি হইয়াছে। হাসিতে এই আনন্দের প্রতিবিম্ব পড়িল।

    কি বলিব কিছুই স্থির করিতে না পারিয়া শেষে বাজে প্রশ্ন করিলাম, ‘বাস্কেটে কি আছে?’

    ‘গলদা চিংড়ি। মাঝে মাঝে কলকাতা থেকে আনাই। ভালই হল, ঠিক সময়ে এসে পৌঁছেছে।’ বলিয়া আবার স্নিগ্ধচোখে আমার পানে চাহিয়া হাসিল।

    আমি বলিলাম, ‘তুমি এইখানেই স্থায়ীভাবে বাস করছ তাহলে?’

    ‘হ্যাঁ। শহর থেকে একটু দূরে ফাঁকা জায়গায় একখানা বাড়ি কিনে আছি।’

    ‘কলকাতার বাস তুলে দিলে?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘কতদিন এখানে আছ?’

    ‘বার বছর। কেয়ার বয়স।’

    চমকিয়া তাহার দিকে চাহিলাম।

    সে সহজভাবে বলিল, ‘কেয়া আমার বড় মেয়ে, তার বয়স এই বার চলেছে।’

    বাহিরের দিকে চোখ ফিরিয়া রহিলাম। বড় মেয়ের বয়স বার। হয়তো আরও সন্তানাদি হইয়াছে। তাহার স্ত্রী,—অনেকগুলা প্রশ্ন মনের মধ্যে গজগজ করিতে লাগিল, কিন্তু জিজ্ঞাসা করিতে সাহস হইল না।

    দেবব্রতের বাড়িতে আসিয়া পৌঁছিলাম। পাঁচিল-ঘেরা বিস্তৃত বাগানের মাঝখানে ভিলা-জাতীয় বাড়ি; আশেপাশেও ঐ রকম বাগান-যুক্ত বাড়ি রহিয়াছে। বুঝিলাম, এটি সৌখীন ধনী ব্যক্তিদের পাড়া।

    দেবব্রত আমাকে একটা সুসজ্জিত ঘরে বসাইয়া ভিতরে প্রস্থান করিল; কিয়ৎকাল পরে আবার ফিরিয়া আসিয়া বসিল, বলিল, ‘তোমার কাজ কি খুব জরুরী? এখনই বেরুতে হবে?’

    আমি বলিলাম, ‘হ্যাঁ। খেয়ে-দেয়ে বেলা বারটা নাগাদ বেরুলেই চলবে।’

    পর্দা সরাইয়া একটি স্ত্রীলোক ঘরে প্রবেশ করিল। চমকিয়া মুখ তুলিয়াই চিনিতে পারিলাম; যোল বছর আগে একবার মাত্র রাস্তার গ্যাসের আলোয় দেখিয়াছিলাম, তবু চিনিতে কষ্ট হইল না। পরিধানে সাধারণ শাড়ি, শেমিজ, সিঁথিতে সিন্দূর জ্বল জ্বল করিতেছে। যে বয়সে গৃহিণী, সচিব, সখী, প্রিয় শিষ্যা ও জননীর একই দেহে সম্মিলন হয় এ সেই বয়স; যৌবনের উদ্দাম বর্ষা আর নাই, নির্মল শারদ স্বচ্ছতার ভিতর দিয়া তল পর্যন্ত দেখা যায়।

    সে আমার সম্মুখে অবিচলিত থাকিবার চেষ্টা করিল, কিন্তু তবু ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাহার মুখখানা রাঙা হইয়া উঠিল। এই লজ্জাকর লজ্জা ঢাকিবার জন্যই যেন তাড়াতাড়ি নত হইয়া আমাকে একটা প্রণাম করিল। আমি বিব্রত ও ব্যতিব্যস্ত হইয়া বলিলাম, ‘থাক, থাক।’

    সে উঠিয়া দাঁড়াইল, জোর করিয়া আমার চোখের উপর চোখ রাখিয়া বলিল, ‘ভাল আছেন?’ এই কথা দুইটা কণ্ঠ হইতে বাহির করিতে তাহাকে যে কতখানি ইচ্ছাশক্তি প্রয়োগ করিতে হইল, তাহা তাহার স্বর শুনিয়া বুঝিলাম।

    কুণ্ঠিত অপরাধীর মতো একটা ‘হ্যাঁ’ বলিয়া আমি আর কিছু বলিতে পারিলাম না। দেবব্রতের উপর রাগ হইতে লাগিল। আমার সম্মুখে এমনভাবে স্ত্রীকে টানিয়া আনিবার কি দরকার ছিল? আমি কে? দু’দিনের অতিথি বই তো নয়। কিন্তু তবু ভাবিয়া দেখিতে গেলে দেবব্রতের পক্ষে ইহাই একান্ত স্বাভাবিক, সে যে কোনও অবস্থাতেই পর্দাপ্রথা মানিবে, তাহা কল্পনা করাও দুষ্কর।

    দেবব্রত এতক্ষণ জানালার দিকে মুখ ফিরাইয়া ছিল, এবার ফিরিয়া স্ত্রীকে বলিল, ‘মন্মথ খেয়ে-দেয়ে কাজে বেরুবে—ওর জন্যে—’

    বাড়ির গৃহিণী যেন এতক্ষণে নিজ অধিকারের গণ্ডীর মধ্যে ফিরিয়া আসিল; তাহার গলার স্বর শুনিয়া বুঝিলাম মিথ্যা কুণ্ঠার কুয়াশা কাটিয়া গিয়াছে। সে বলিল, ‘রান্না তৈরি আছে। উনি নেয়ে নিন। তুমিও নেয়ে নাও না, একসঙ্গে বসে খাবে।’ বলিয়া ক্ষিপ্রচরণে আহারের ব্যবস্থা করিতে চলিয়া গেল।

    স্নানাদি সারিয়া একসঙ্গে আহারে বসিলাম। পাচক ব্রাহ্মণ পরিবেশন করিল, দেবব্রতের স্ত্রী দাঁড়াইয়া আমাদের খাওয়াইল। দেবব্রত হাসিয়া গল্প করিতে লাগিল, স্ত্রীকে আমার জন্য এটা-ওটা আনিয়া জোর করিয়া খাওয়াইবার উপদেশ দিল। তাহাদের কথায় আচরণে কোথাও একটু কুণ্ঠার চিহ্ন প্রকাশ পাইল না। তবু আমি নিঃসঙ্কোচে তাহাদের সঙ্গে মিশিয়া যাইতে পারিলাম না। মনের ভিতরটা আড়ষ্ট ও অস্বচ্ছন্দ হইয়া রহিল।

    কাজ সারিয়া ফিরিতে বেলা সাড়ে চারিটা বাজিয়া গেল।

    বারান্দার উপর দেবব্রত দাঁড়াইয়া আছে; তাহার পাশে তাহার একটা হাত জড়াইয়া ধরিয়া একটি মেয়ে।

    দেবব্রত বলিল, ‘আমার মেয়ে কেয়া। —কেয়া, এঁকে প্রণাম কর।’

    বাপের উগ্র সৌন্দর্যের সহিত মায়ের কোমল লাবণ্য মিশিয়া কেয়ার রূপ হইয়াছে অপরূপ! এখনও যৌবন বহুদূরে, কচি মেয়ের মুখের একটি অচপল শান্তশ্রী মনকে মুগ্ধ করে।

    কেয়া আমাকে প্রণাম করিল; আমি বলিলাম, ‘তোমাকে আজ সকালে দেখিনি কেন?’

    হাস্যোজ্জ্বল চোখে কেয়া বলিল, ‘আমরা ইস্কুলে গিয়েছিলুম।’

    তারপর ঘরে বসিয়া চা পান করিতে করিতে দেখিলাম একটি ছয়-সাত বছরের ছেলে ভীরু মৃগশিশুর মতো দূর হইতে আমাকে দেখিতেছে। সারঙ্গচক্ষুর মতো বিস্ফারিত কালো চোখ দুটিতে অসীম কৌতূহল; কিন্তু সে কাছে আসিতেছে না, একবার এ-দরজা একবার ও-দরজা হইতে উঁকি মারিতেছে।

    আমি তাহাকে হাতছানি দিয়া ডাকিলাম, সে ছুটিয়া পলাইয়া গেল।

    কেয়া বাপের চেয়ারের পাশে ঠেস দিয়ে দাঁড়াইয়া ছিল, কহিল, ‘মন্টুর বড্ড লজ্জা, নতুন মানুষ দেখলে ও কিছুতেই কাছে আসে না! না বাবা?’

    মন্টুর চেহারায় মায়ের ছাপ বসানো, কাজেই পরিচয় জিজ্ঞাসা করিতে হইল না। দেবব্রত, ‘মন্টু, এদিকে আয়’ বলিয়া দু’বার ডাকিল, কিন্তু মন্টুর সাড়া পাওয়া গেল না।

    ঘরের তৈয়ারি রসগোল্লায় কামড় দিয়া আমি জিজ্ঞাসা করিলাম, ‘তোমার ক’টি ছেলে মেয়ে?’ কথাটা এ পর্যন্ত জিজ্ঞাসা করা হয় নাই।

    দেবব্রত বলিল, ‘এই দু’টি।’

    নীরবে জলযোগ শেষ করিলাম।

    রুমালে মুখ মুছিতেছি, শুনিতে পাইলাম কেয়া তাহার বাপের কানে কানে বলিতেছে, ‘বাবা, ইনি আমাদের কে হন?’

    দেবব্রত বলিল, ‘উনি তোমাদের বাবার বন্ধু হন?’

    কেয়া একটু নিরাশ হইল। ক্ষণেক চুপ করিয়া থাকিয়া সে আবার ফিসফিস করিয়া বলিল, ‘ওঁকে আমি কি বলে ডাকব?’

    দেবব্রত স্নিগ্ধ কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করিল, ‘কি বলে ডাকতে চাও তুমি?’

    কেয়া একবার চকিতে আমার দিকে তাকাইয়া বাপের গলা জড়াইয়া কানে কানে কি বলিল, শুনিতে পাইলাম না; কিন্তু দেবব্রতের মুখের যে পরিবর্তন হইল তাহা দেখিতে পাইলাম। সে একবার মাথা নাড়িয়া হঠাৎ উঠিয়া দাঁড়াইল, আমাকে বলিল, ‘তুমি বিশ্রাম কর, একবার বাজারটা ঘুরে আসি। আধ ঘন্টার মধ্যেই ফিরব।’ বলিয়া ঘর হইতে বাহির হইয়া গেল।

    তাহার এই হঠাৎ উঠিয়া চলিয়া যাওয়ার মধ্যে এমন কিছু ছিল যে কেয়া একটু আহত ও অপ্রতিভ হইয়া পড়িল। আমিও তাহাদের চুপি চুপি কথাবার্তায় কেমন অস্বস্তি বোধ করিতেছিলাম, কেয়াকে কাছে ডাকিয়া জিজ্ঞাসা করিলাম, ‘তুমি ইস্কুলে কি পড়?’

    কেয়া বলিল, ‘বাংলা আর সংস্কৃত।’

    বিস্মিত হইয়া বলিলাম, ‘ইংরিজি পড় না?’

    ‘না, মা ইংরিজি পড়া ভালবাসেন না।’

    কিছুক্ষণ চুপ করিয়া রহিলাম, শেষে বলিলাম, ‘সংস্কৃত কি পড়?’

    ‘ব্যাকরণ আর কাব্য।’

    ‘কোন্ কাব্য?’

    ‘কুমারসম্ভব।’

    অবাক হইয়া বলিলাম, ‘কুমারসম্ভব বুঝতে পার?’

    কেয়া ঘাড় নাড়িয়া বলিল, ‘হ্যাঁ। যেখানে বুঝতে পারি না, পণ্ডিতজী বুঝিয়ে দেন!’

    জিজ্ঞাসা করিলাম, ‘কুমারসম্ভবের কোন্ সর্গ সব চেয়ে ভাল লাগে?’

    কেয়া উৎসাহে দুই করতল যুক্ত করিয়া উজ্জ্বল চোখে বলিল, ‘সপ্তম সর্গ—যেখানে উমার সঙ্গে মহাদেবের বিয়ে হল।’

    ‘আর, পার্বতীর তপস্যা ভাল লাগে না?’

    ‘হ্যাঁ, তাও খুব ভাল লাগে।’ তারপর আমার চেয়ারের হাতলে বসিয়া আমার কাঁধের উপর হাত রাখিয়া সাগ্রহে জিজ্ঞাসা করিল, ‘আচ্ছা, মহাদেব পার্বতীকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন কেন বলুন তো?’

    আমি একটু চিন্তা করিয়া বলিলাম, ‘বোধহয় পার্বতীকে কষ্ট দেবার লোভ মহাদেব সামলাতে পারেননি।’

    খিলখিল করিয়া হাসিয়া উঠিয়া কেয়া বলিল, ‘যাঃ—তা কেন হবে?’

    ‘তবে?’

    মুখ গম্ভীর করিয়া সে বলিল, ‘কষ্ট না পেলে মহাদেবের মতো বর পাওয়া যায় না, তাই।’

    কেয়ার মতো মেয়ে দেখি নাই। বার বছর বয়স, কিন্তু মনটি তপোবন-কন্যার মতো। বুঝিলাম কথাগুলা তাহার নিজের নয়। তাহার কোঁকড়া নরম চুলে হাত বুলাইয়া বলিলাম, ‘ও—তাই হবে বোধ হয়।’

    হঠাৎ কেয়া বলিল, ‘আচ্ছা, আপনি এতদিন আসেননি কেন?’

    কি উত্তর দিব ভাবিয়া পাইলাম না, শেষে বলিলাম, ‘তোমাকে তো জানতুম না, তাই আসিনি।’

    ‘বাবাকে, মাকে তো জানতেন, তবে আসেননি কেন?’

    কঠিন প্রশ্ন, এড়াইয়া গেলাম। বলিলাম, ‘আমি এসেছি বলে তুমি খুশি হয়েছ?’

    মাথাটি হেলাইয়া সে বলিল, ‘হ্যাঁ, খুব খুশি হয়েছি। আমাদের বাড়িতে কক্‌খনো কেউ আসেন না, আমরাও কোথাও যেতে পাই না। আমার ইস্কুলের বন্ধু রূপকুমারী ছুটি হলে মামার বাড়ি যায়—’ কেয়ার কণ্ঠ ম্রিয়মাণ হইয়া আসিল—‘মা বলছিলেন কালই আপনি চলে যাবেন। আবার কবে আসবেন?

    আমি সহসা কেয়ার মুখ কাছে টানিয়া আনিয়া জিজ্ঞাসা করিলাম, ‘কেয়া, তখন তোমার বাবার কানে কানে কি বলছিলে? আমাকে কি বলে তুমি ডাকতে চাও?’

    কেয়া অত্যন্ত লজ্জিত হইয়া বলিল, ‘সে—সে কিছু না—’ তারপর মুখ তুলিয়া বলিল, ‘ঐ মন্টু উঁকি মারছে! ওকে ধরে নিয়ে আসি, দাঁড়ান। একবার ভাব হয়ে গেলে ওর আর লজ্জা থাকে না।’

    কেয়া মন্টুর পিছনে ছুটিয়া গেল। আমি অনেকক্ষণ বসিয়া রহিলাম কিন্তু তাহারা ফিরিয়া আসিল না। বোধ হয় মন্টুকে ধরিতে পারে নাই।

    রাত্রে আমি শয্যা আশ্রয় করিলে দেবব্রত খাটের পাশে একটা ইজি-চেয়ার টানিয়া বসিল। আলোটা ঘরের কোণে আবছায়াভাবে জ্বলিতেছিল; এই প্রায়ান্ধকারের মধ্যে আমরা অনেকক্ষণ নীরব হইয়া রহিলাম।

    শেষে দেবব্রত জিজ্ঞাসা করিল, ‘কালকেই যাওয়া ঠিক তাহলে? আর দু’দিন থাকতে পারবে না?’

    বলিলাম, ‘না, অনেক কাজ ফেলে এসেছি, গিন্নীরও শরীরটা ভাল নয়। —কেন বল দেখি?’

    ‘তোমাকে পেয়ে কেয়া আর মন্টু ভারি উত্তেজিত হয়ে উঠেছে। তুমি ছাড়া ওদের মুখে অন্য কথা নেই। ওদের জীবনে এ একটা নূতন অভিজ্ঞতা কিনা!’

    আবার দীর্ঘকাল দু’জনে নীরব রহিলাম।

    তারপর আমি বলিলাম, ‘দেবব্রত, তোমার অনেক পরিবর্তন হয়েছে।’

    সে বলিল, ‘হ্যাঁ, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে সকলেরই হয়। তোমারও হয়েছে।’

    ‘আমার? কি জানি—’

    কিয়ৎক্ষণ পরে বলিলাম, ‘তুমি কলকাতার বাস তুলে দিলে কেন? এখানে তো বাঙালীর মুখ দেখতে পাও না।’

    ‘কেন, বুঝতে পারছ না?’

    ‘ছেলে-মেয়ের জন্যে?’

    ‘হ্যাঁ। ওদের দোষ কি? ওরা কেন শাস্তি পাবে?’

    ‘কিন্তু এখানে লুকিয়ে থেকে কি ওদের বাঁচাতে পারবে? সমাজ বড় কঠোর, বড় ছিদ্রান্বেষী।’

    ‘তা জানি বলেই তো এই স্বজাতিহীন বিদেশে লুকিয়ে থেকে সমাজকে ফাঁকি দেবার চেষ্টা করছি। সমাজ আমাদের প্রতি অন্যায় পীড়ন করতে চায়, আমি তা করতে দেব না।’

    ‘সমাজ অন্যায় পীড়ন করতে চায়, একথা তুমি কি করে বল?’

    ‘পুরনো তর্কে দরকার নেই। কিন্তু বাপ-মায়ের কল্পিত অপরাধ সন্তানের ঘাড়ে চাপানোটাও সুবিচার নয়।’

    আমি প্রশ্ন করিলাম, ‘তোমার ছেলেবেলার মতগুলো এখনো বদলায়নি?’

    ‘কিছু বদলেছে, সব বদলায়নি।’

    ‘বিবাহ সম্বন্ধে?’

    ‘বিশেষ বদলায়নি। বিবাহের একটা লৌকিক উপকারিতা আছে। কিন্তু তবু বলব, বিবাহ কৃত্রিম বন্ধন। যেখানে প্রেম আছে সেখানে বিবাহ নিষ্প্রয়োজন, যেখানে তা নেই, সেখানে বিবাহ একটা বীভৎস পাশবিকতা।’

    একবার ইচ্ছা হইল, জিজ্ঞাসা করি সে নিজে কেন বিবাহ করিয়াছিল। প্রশ্ন অরুচিকর হইলেও সে সোজা উত্তর দিবে জানিতাম, কারণ দেবব্রতের মনে কোথাও ফাঁকি ছিল না। কিন্তু তাহাকে আঘাত করিতে সঙ্কোচ বোধ হইল।

    বলিলাম, ‘ঘুম পাচ্ছে, এবার শোও গে।’

    দেবব্রত উঠিয়া দাঁড়াইয়া আমার অনুচ্চারিত প্রশ্নের জবাব দিল, ‘দ্বিজু রায়ের একটা হাসির গান আছে, ‘তারেই বলে প্রেম’। গানটা হাসির নয়, অত্যন্ত করুণ। কিন্তু একথাও ঠিক যে মানুষ একলা থাকতে পারে না; তাই সমাজ যত অবিচারই করুক, তাকে নিয়ে কারবার করতে হয়। আমি সমাজকে ফাঁকি দেবার চেষ্টা করছি; তার জন্য আমার মনে বিন্দুমাত্র গ্লানি নেই; আমি আজ পর্যন্ত জেনে বুঝে কোনও অন্যায় কাজ করিনি; আর কাউকে করতেও বলিনি। নিজের কাছে আমি খাঁটি আছি। এখন কথা হচ্ছে, যাদের আমি বন্ধু বলে মনে করি তারা আমায় সাহায্য করবে কি না।’

    শেষ কথাটার মধ্যে যে তীক্ষ্ণ প্রশ্ন ছিল তাহা আমার কানে বাজিল। কিন্তু উত্তর দিতে পারিলাম না। দেবব্রত কিছুক্ষণ দাঁড়াইয়া রহিল, বোধ হয় একটা কিছু প্রত্যাশা করিল। তারপর ‘ঘুমোও’ বলিয়া ধীরে ধীরে প্রস্থান করিল।

    ইহার পর অনেকক্ষণ ঘুম আসিল না; দেবব্রতের কথাগুলা মনের মধ্যে ওলট-পালট করিতে লাগিলাম। মাঝে মাঝে কেয়ার শিশু-মুখ ও মন্টুর হরিণ-চোখ দৃষ্টিপটের উপর ভাসিয়া উঠিতে লাগিল।

    হঠাৎ মনে হইল, দেবব্রতের স্ত্রী যে গৃহত্যাগিনী একথা আমি ছাড়া প্রত্যক্ষভাবে আর কে জানে?

    সকালবেলা মন্টু নিজে আসিয়া ভাব করিয়া ফেলিল। তখনও শয্যাত্যাগ করি নাই, সে মুখখানি অতিশয় করুণ করিয়া নিজের একটি আঙুল দেখাইয়া বলিল, ‘কেটে গেছে।’

    আমি উঠিয়া বসিয়া আঙুল পরীক্ষা করিলাম, কিন্তু ক্ষতচিহ্ন এতই আণুবীক্ষণিক যে চোখে দেখা গেল না। বলিলাম, ‘তাইতো, বড্ড লেগেছে। এস, জলপটি বেঁধে দিই।’

    পটি বাঁধা হইলে মন্টু বলিল, ‘আমার একটা কোকিল আছে।’

    বিস্মিতভাবে বলিলাম, ‘তাই না কি! কই আমাকে দেখালে না?’

    মন্টু জানালার বাহিরে একটা গাছের দিকে নির্দেশ করিয়া বলিল, ‘ঐ গাছে বসে রোজ ডাকে, আবার উড়ে যায়। ওটা আমার কোকিল। দিদির কোকিল নেই।’

    বনের পাখির উপর এমন অবাধ স্বত্বাধিকার প্রচার করিতে দেখিয়া আমি থতমত খাইয়া গেলাম, বলিলাম, ‘তোমার আর কি আছে?’

    অত্যন্ত রহস্যপূর্ণভাবে মন্টু পকেট হইতে একটি ফলাভাঙা ছুরি বাহির করিয়া দেখাইল, প্রশ্ন করিল, ‘তোমার ছুরি আছে?’

    বিষন্নভাবে বলিলাম, ‘না। তোমার ছুরিটা আমায় দেবে?’

    দৃঢ়ভাবে মাথা নাড়িয়া মন্টু বলিল, ‘না। তোমাকে একটা লাট্টু দেব।’

    ‘কিন্তু আমি যে লাট্টু ঘোরাতে জানি না।’

    ‘আমি শিখিয়ে দেব।’

    এইরূপ আলাপ আলোচনার মধ্যে সে ধীরে ধীরে আমার কোলের কাছে আসিয়া পড়িয়াছিল, এখন আমার জানুর উপর উপবেশন করিয়া এক প্রচণ্ড প্রশ্ন করিয়া বসিল, ‘তুমি আমার, না দিদির?’

    কোকিলের মতো আমাকেও নিশ্চয় মন্টু ইতিমধ্যে নিজের খাস-সম্পত্তি করিয়া লইয়াছে, মহা দ্বিধায় পড়িয়া গিয়া বলিলাম, ‘তাইতো, একথা তো ভেবে দেখিনি। দু’জনেরই হওয়া কি চলে না?’

    এমন সময় মন্টুর দিদি প্রবেশ করিল। মন্টু লাফাইয়া আমার গলা জড়াইয়া ধরিয়া বলিল, ‘না তুমি আমার, দিদির নয়—দিদির নয়।’

    দিদিও ছাড়িবার পাত্রী নয়, পিছন হইতে আমাকে আঁকড়াইয়া ধরিয়া বলিল, ‘কক্খনো না। তুই কাল কেন আসিসনি, উনি আমার।’

    এ বিবাদের মীমাংসা সহজে হইত না, কিন্তু এই সময় তাহাদের মা দরজার পর্দা সরাইয়া এই দৃশ্য দেখিয়া বলিয়া উঠিল, ‘ও কি হচ্ছে! ছেড়ে দে, ওঁকে জ্বালাতন করিসনি। আপনি চা খাবেন আসুন।’

    হৃদয়ের মধ্যে অদ্ভুত পূর্ণতা লইয়া চা খাইতে গেলাম।

    তারপর যতক্ষণ বাড়িতে রহিলাম, মন্টু ও কেয়া আমার সঙ্গ ছাড়িল না; আমাকে ছাড়িয়া যাইতে হইবে বলিয়া স্কুলেও গেল না। আমাকে লইয়া তাহাদের শিশুচিত্তের এই অপূর্ব আনন্দ-সমারোহ যেন আমারও মনে নেশা জাগাইয়া তুলিল।

    কাজে বাহির হইতে বেলা একটা বাজিল। তিনটার সময় ফিরিয়া আসিলাম। কাজ শেষ হইল না; কিন্তু সে যাক।

    সন্ধ্যার ট্রেনে যাইব। তার আগে যতটুকু সময় পাইলাম কেয়া ও মন্টুর সঙ্গেই কাটাইলাম। দেবব্রত আমার ইচ্ছা বুঝিয়া আলগোছে রহিল।

    ক্রমে যাবার সময় উপস্থিত হইল। আমি উঠিয়া দেবব্রতকে বলিলাম, ‘আমি একবার অণিমার সঙ্গে দেখা করে আসি। তুমি বস।’ দেবব্রত চকিতভাবে আমার দিকে তাকাইয়া ঘাড় নাড়িল।

    পাঁচ মিনিট পরে ফিরিয়া আসিয়া মোটরে উঠিলাম। কেয়া ও মন্টু আগে হইতেই গাড়িতে উঠিয়া বসিয়াছিল; দেবব্রত নিজে গাড়ি চালাইয়া লইয়া চলিল। আমার গলাটা এমন বুজিয়া গিয়াছিল যে, প্রথম খানিকক্ষণ কথা কহিতে পারিলাম না। একটি কৃতজ্ঞ নতজানু নারীর অশ্রুপ্লাবিত মুখ চোখের সম্মুখে ভাসিতে লাগিল।

    মন্টু ও কেয়া আমার পাশ ঘেঁষিয়া নীরবে বসিয়া রহিল। স্টেশনে পৌঁছিতে যখন আর দেরি নাই, তখন কেয়া চুপি চুপি আমার পকেটে হাত দিয়া কি রাখিয়া দিল। জিনিসটি বাহির করিয়া দেখিলাম, একটি ছোট্ট রুমাল, কোণে লাল রেশমী সুতায় কেয়ার নাম লেখা। আমি কেয়ার মাথা টানিয়া আনিয়া কপালে চুম্বন করিলাম।

    মন্টু ম্লানমুখে একটি রং-চটা প্রাচীন লাট্টু আমার হাতে গুঁজিয়া দিল। আমি তাহাদের দু’জনের মুখ কাছে আনিয়া বলিলাম, ‘আমি তোমাদের কে জান? আমি তোমাদের মামা।’

    একটু অবিশ্বাস ও অনেকখানি আনন্দ চোখে ভরিয়া দু’জনে আমার মুখের পানে চাহিয়া রহিল।

    আমি বলিলাম, ‘সত্যি, তোমাদের মা জানেন। তিনি আমার বোন হন; বাড়ি গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করো। আর, এবার ছুটি হলে তোমরাও রূপকুমারীর মতো মামার বাড়ি যাবে।’

    ট্রেন ছাড়িলে জানালা দিয়া মুখ বাড়াইয়া দেবব্রতকে বলিলাম, ‘মাসখানেকের মধ্যে আবার আসছি। কাজটা শেষ হল না।’

    দেবব্রত বুঝিল। বাষ্পোজ্জ্বল চোখে একবার ঘাড় নাড়িল।

    ৭ ভাদ্র ১৩৪২

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172 173 174 175 176 177 178 179 180 181 182 183 184 185 186 187 188 189 190
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅলৌকিক গল্পসমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ঐতিহাসিক কাহিনী সমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }