Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গল্পসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প2026 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হাসি-কান্না

    হাসি-কান্না

    অধরোষ্ঠ প্রসারিত করিয়া দন্তনিষ্কাশনপূর্বক সশব্দে অথবা নিঃশব্দে মুখের একপ্রকার ভঙ্গি করার নাম হাসি। আবার, ঠিক উক্ত প্রকারে অধরোষ্ঠ প্রসারণ ও দন্ত বিকাশ করিয়া অনুরূপ মুখভঙ্গি করিলে উহা কান্না নামে অভিহিত হইয়া থাকে। উভয়বিধ অভিব্যক্তির মধ্যে সীমারেখা অতিশয় সূক্ষ্ম। তবে মৎসদৃশ বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিরা সহজেই উহাদের পার্থক্য ধরিয়া ফেলিতে পারেন।

    অপিচ, হাসির সহিত আনন্দ নামক মনোভাবের একটা নিত্য-সম্বন্ধ আছে এইরূপ অনেকে মনে করেন, এবং কান্নার সহিত তদ্বিপরীত। এরূপ মনে করিবার সঙ্গত কারণ আছে বলিয়া আমার মনে হয় না। আমি একটি মহিলাকে জানিতাম, মনে কোনপ্রকার ক্লেশ উপস্থিত হইলেই তিনি হাসিতেন; এমন কি মৃত্যুকালেও তিনি হাসিয়াছিলেন। কিন্তু সে যাক।

    আজ রুচিরার হাসি-কান্নার কাহিনী বলিব। রুচিরা মেয়েটি সামান্য নয়। তাহার বয়স ঊনিশ বছর, কলেজের বি. এ. ক্লাসের ছাত্রী এবং—কিন্তু সে কালো। তাহাকে কালো বলিলেই সে হাসিত।

    কালো মেয়ে বাংলাদেশে অনেক আছে, সেজন্য ক্ষতি ছিল না। কিন্তু দৈব-পরিহাস এই যে, রুচিরার খুড়তুত বোন ছন্দা অপূর্ব সুন্দরী, ডানাকাটা পরী বলিলেও অত্যুক্তি হয় না। দু’জনে সমবয়স্কা, একসঙ্গে পড়ে, এক বাড়িতে থাকে, দু’জনেরই পিতা বর্তমান এবং একান্নবর্তী। ইহাতেও বোধ করি ক্ষতি ছিল না, কিন্তু একটি আগন্তুক কোথা হইতে আসিয়া রুচিরার হাসি-কান্নার সহিত মিশিয়া গিয়া ব্যাপারটা যৎপরোনাস্তি জটিল করিয়া তুলিয়াছিল।

    এই আগন্তুকের কথা আনুপূর্বিক বলা প্রয়োজন। একদিন সন্ধ্যাকালে ছন্দা ও রুচিরা কোনও একটি কৃত্রিম হৃদের উপকণ্ঠে বসিয়া নিজেদের পড়াশুনার অসম্পূর্ণতার কথা লইয়া তর্ক করিতেছিল। বাৎসরিক পরীক্ষা সমাগতপ্রায়, অথচ দু’জনেরই এমন অ-প্রস্তুত অবস্থা যে, পরীক্ষায় প্রকাশ্যভাবে অপ্রস্তুত হইবার সম্ভাবনা অনিবার্য হইয়া উঠিয়াছে। এরূপ ক্ষেত্রে একজন গৃহ-শিক্ষকের সাহায্য যে একান্ত প্রয়োজন, ইহাই দুই বোনে একমত হইয়া তর্ক করিতেছিল। মেয়েদের তর্ক করিবার ইহাই রীতি, তাহারা একমত হইলেও তর্ক শেষ হয় না।

    ছন্দা বলিল, ‘ইংরেজী আর বাংলা কোনও রকমে চালিয়ে নেব, কিন্তু আমার মাথা খাবে—সংস্কৃত। মৃচ্ছকটিক পড়েছিস? কিছু বুঝতে পারিস?’

    রুচিরা আকাশের দিকে তাকাইয়া বলিল, ‘আমার মাথা খাবে—ফিলজফি। ভোলিশান আর রিফ্লেক্‌স্‌ অ্যাকশনের তফাৎ বুঝতে পারিস?’

    ছন্দা বলিল, ‘কিছু না; ঝাড়া মুখস্থ করেছি।— কিন্তু সংস্কৃত যে ছাই মুখস্থও হয় না।’

    গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলিয়া রুচিরা বলিল, ‘মাস্টার—একটা মনের মতন মাস্টার না হলে দু’জনেই গেলুম—’

    তাহাদের পিছনে রাস্তার পাশে মোটর দাঁড়াইয়া ছিল। মোটরে তাহারা বায়ু সেবন করিতে আসিয়াছে, মোটরেই ফিরিবে। রুচিরা উঠিবার উপক্রম করিল।

    ছন্দা তাহার আঁচল ধরিয়া বসাইবার চেষ্টা করিয়া বলিল, ‘কিন্তু এমন মনের মতন মাস্টার পাবি কোথায়?’

    রুচিরা মাথা নাড়িল, ‘নেই। আমার সঙ্গে ইয়ার্কি দেবার চেষ্টা করবে না, তোর পানে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকবে না—কেবল সংস্কৃত আর ফিলজফি পড়াবে—এমন মাস্টার ভূ-ভারতে নেই। চল, বাড়ি যাই।’

    দু’জনে উঠিয়া দাঁড়াইল, তারপর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বসিয়া পড়িল।

    অনতিদূরে আর একটা বেঞ্চির উপর যে একজন লোক বসিয়া আছে, তাহা ইতিপূর্বে কেহই লক্ষ্য করে নাই। এখন লোকটি তাহাদের সম্মুখে আসিয়া একবার করযুগল যুক্ত করিয়া দাঁড়াইল, গম্ভীর স্বরে বলিল, ‘মাফ করবেন, আপনারা কি মাস্টার রাখতে চান?’

    ছন্দা ও রুচিরা নির্বাক হইয়া লোকটির পানে তাকাইয়া রহিল। টুইলের হাফ-শার্ট পরা যুবক, মাথার চুল এলোমেলো। চোখের দৃষ্টিতে গাম্ভীর্য, অধরোষ্ঠে একটু ছেলেমানুষী ভাব।

    কিছুক্ষণ দম লইয়া রুচিরা ক্ষীণস্বরে প্রশ্নের উত্তর দিল; বলিল, ‘হ্যাঁ।’

    যুবক বলিল, ‘তাহলে যদি আপত্তি না থাকে, আমি আপনাদের পড়াতে পারি। মৃচ্ছকটিক একটি বস্তুতান্ত্রিক নাটক; ইব্‌সেন অমন নাটক লিখতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করতেন। আর, ভোলিশান এবং রিফ্লেক্‌স অ্যাক্‌শনের তফাৎ আমি এক মিনিটে বুঝিয়ে দিতে পারি।’

    ছন্দা আচ্ছন্নের মতো বলিল, ‘আপনি—আপনি কে?’

    যুবক বলিল, ‘আমার নাম সরিৎ হালদার। আমি একজন বেকার যুবক; অর্থাৎ কোনও কাজই করি না। তবে, সুযোগ পেলে কাজ করতে রাজী আছি।’

    রুচিরা দ্বিধা-জড়িত স্বরে জিজ্ঞাসা করিল, ‘আপনি কি এম. এ. পাস করেছেন?’

    সরিৎ বলিল, ‘দু’বার। ফিলজফিতে এবং সংস্কৃতে।’

    দুই বোন পরস্পর মুখের পানে চাহিল।

    ছন্দা বলিল, ‘বেশ। কাল আমাদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করবেন।’ বলিয়া নিজেদের ঠিকানা দিল। যুবকের চোখের গাম্ভীর্য ও অধরোষ্ঠের ছেলেমানুষী গাঢ়তর হইল; সে একবার মাথা ঝুঁকাইয়া প্রস্থান করিল।

    গাড়িতে বাড়ি ফিরিতে ফিরিতে ছন্দা একসময় ভিতরকার আলো জ্বালিয়া রুচিরার দিকে চাহিয়া খিলখিল করিয়া হাসিয়া উঠিল। রুচিরাও মুখ টিপিয়া হাসিল।

    রুচিরার হাসিটি বড় মিষ্ট। আর ছন্দার—ছন্দার কথা বলিতে গেলেই রবীন্দ্রনাথের রামেন্দ্র-প্রশস্তির কথা মনে পড়ে—তোমার হাস্য সুন্দর, তোমার চাহনি সুন্দর—ইত্যাদি।

    পরদিন হইতে সরিৎ হালদার ছন্দা ও রুচিরার মাস্টার নিযুক্ত হইল। কর্তারা বুঝিলেন, ছোকরা দুঃস্থ এবং পণ্ডিত। মেয়েরা দেখিল, দুঃস্থ এবং পণ্ডিত হইলেও মাস্টার সাধারণ লোক নয়। সে রুচিরার সহিত ইয়ার্কি দিবার চেষ্টা করিল না, ছন্দার দিকে ফ্যালফ্যাল করিয়া তাকাইয়া রহিল না—চোখে গাম্ভীর্য ও অধরোষ্ঠে ছেলেমানুষী ভাব লইয়া ছাত্রীদের সংস্কৃত ও ফিলজফি শিখাইতে লাগিল।

    মাস্টারের বয়স বোধ করি চব্বিশের বেশী নয়। মাথার চুল এলোমেলো, বেশভূষার পারিপাট্য নাই, প্রত্যহ দাড়ি কামাইবার কথাও স্মরণ থাকে না। কিন্তু অদ্ভুত তাহার পড়াইবার ক্ষমতা; শুধু যে সে কঠিন বিষয়কে সহজ করিয়া বুঝাইয়া দিতে পারে তাহাই নয়, শিক্ষার্থিনীদের মনের মধ্যে কঠিন বস্তুকে তরল করিয়া তাহাদের সত্তার সহিত মিশাইয়া দিতে পারে। বিদ্যা তখন কেবল জ্ঞানের পর্যায়ে থাকে না, উপলব্ধির পর্যায়ে গিয়া উপস্থিত হয়। ছাত্রী দু’টি লেখাপড়ার মধ্যে তন্ময় হইয়া গেল।

    কিন্তু চিরন্তনী শবরী তো লেখাপড়ার মধ্যে তন্ময় থাকে না। পরমা প্রকৃতির বিধি-বিধান অন্যরূপ। ছন্দা ও রুচিরার সুগহন অন্তর্লোকে হয়তো গোপনে গোপনে যে দ্বন্দ্বের প্রতিক্রিয়া আরম্ভ হইয়া যায়, তাহা তাহারা নিজেরাও ভাল করিয়া জানিতে পারে না।

    জলের ভিতর দিয়া বৈদ্যুতিক স্রোত প্রেরণ করিলে জল বিপরীতধর্মী দুটি বাষ্পে পরিণত হয়; হাইড্রোজেন আগুনের সংস্পর্শে জ্বলিয়া উঠে, অক্সিজেন নিজে না জ্বলিয়া অগ্নিকে আরও দীপ্তিমান করিয়া তোলে। আশ্চর্য প্রকৃতির ইন্দ্রজাল। ছন্দা ও রুচিরা এতদিন জলের মতো ওতপ্রোতভাবে পরস্পর মিশিয়া ছিল, এখন যেন বিদ্যুতের সংস্পর্শে দ্বিধা হইয়া গেল। কবে এবং কখন এই সব বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া ঘটিল, তাহা কেহ জানিল না।

    দু’জনের পড়িবার ঘর একই; একটি টেবিলের দু’পাশে বসিয়া দু’জনে পড়াশুনা করে। মাস্টার আসিয়া তৃতীয় দিকে বসেন, এবং নিরপেক্ষভাব দুই ছাত্রীর পানে পর্যায়ক্রমে তাকাইয়া শিক্ষা দান করেন। মাস্টারের এই অটল নিরপেক্ষতা বুঝি বা অন্তরে অন্তরে অনর্থের সৃষ্টি করে। নিরপেক্ষতা খুবই উচ্চ অঙ্গের চিত্তবৃত্তি; কিন্তু পক্ষপাতিত্বের একটা সুবিধা এই যে, কোনও পক্ষের মনেই সংশয়ের অবকাশ থাকে না।

    মাস্টার সকালবেলায় পড়াইতে আসেন। ছাত্রীরা আগে হইতেই পড়ার ঘরে বসিয়া তাঁহার জন্য প্রতীক্ষা করে। কোনও দিন হয়তো ছন্দার একটু দেরি হইয়া যায়, সে তাড়াতাড়ি পড়ার ঘর প্রবেশ করিয়া দেখে, মাস্টার তখনো আসেন নাই, রুচিরা একটা নোটের খাতা লইয়া নাড়াচাড়া করিতেছে।

    ছন্দা একবার রুচিরার মুখের দিকে তাকাইয়া নিজের চেয়ারে বসিতে বসিতে বলে, ‘রুচি, তোর নাকের পাশে পাউডার লেগে আছে মুছে ফেল।’

    রুচিরা আঁচল দিয়া নাকের পাশে ঘষিতে ঘষিতে হাসে, বলে, ‘কালো রঙের ওপর পাউডারের জেল্লা খোলে বেশী। তোর কিন্তু কিছু বোঝা যায় না।’

    ছন্দা একটা বইয়ের পাতা খুলিয়া বলে, ‘নেয়ে উঠে একটা কিছু মুখে না মাখলে মুখটা যেন চটচট কর।’

    রুচিরা বলে, হ্যাঁ। আজকাল রোজ সকালে নাওয়া আরম্ভ করেছিস দেখছি। আমি ভাই পারি না।’

    ছন্দা ঈষৎ তপ্তমুখে বলে, ‘সকালে না নাইলে চুল শুকোয় না। এলোচুলে কলেজে যাওয়া একটা অসভ্যতা।’

    দুই ভগিনীর মিষ্টালাপ শেষ হইবার পূর্বেই মাস্টার প্রবেশ করেন। ছাত্রীরা সসম্ভ্রমে উঠিয়া দাঁড়াইয়া আবার বসে।

    মাস্টার একটা বই তুলিয়া লইয়া বলিলেন, ‘ছন্দা, ক’দিন ধরে লক্ষ্য করছি, ফিলজফি পড়াবার সময় তুমি মন দিয়ে শোন না।’

    ছন্দা ক্ষীণ কণ্ঠে বলিল, ‘শুনি তো।’

    মাস্টারের চোখের গাম্ভীর্যের কাছে অধরের ছেলেমানুষী পরাভূত হইয়া পলায়ন করে। তিনি বলেন, ‘শোন বটে, কিন্তু মন দাও না। —আর, রুচিরা, তুমিও দেখছি সংস্কৃত পড়ানোর সময় অন্যমনস্ক হয়ে পড়।’

    রুচিরা অপরাধিনীর মতো চক্ষু নত করিয়া থাকে, তারপর আস্তে আস্তে বলে, ‘আর অন্যমনস্ক হব না।’

    মাস্টার বলেন, ‘বেশ! এস, আজ তোমাদের এথিক্‌স্ পড়াব।’

    পাঠ আরম্ভ হয়।

    কিন্তু ছাত্রীযুগল মাস্টার বিরক্ত হইয়াছেন মনে করিয়া মনে মনে যেন কাঁটা হইয়া থাকে।

    আশ্চর্য। একদিকে দুইটি ধনীর কন্যা—অভিজাত সমাজের মধ্যমণি বলিলেও মিথ্যা বলা হয় না, অন্যদিকে দুঃস্থ বেকার মাস্টার। ইহাদের মধ্যে মাস্টার-ছাত্রী সম্বন্ধ ছাড়া অন্য কোনও সম্বন্ধ কল্পনা করাও যায় না। অথচ—

    ভারি আশ্চর্য।

    কিন্তু মাস্টার যদি শেষ পর্যন্ত দুঃস্থ বেকার মাস্টারই রহিয়া যায়, তাহা হইলে নিমর্ম কান্না অথবা নির্মমতার হাসি ছাড়া এ কাহিনীর অন্য পরিসমাপ্তি সম্ভব হয় না। তাহা হইলে রুচিরার হাসি-কান্না আসে কোথা হইতে? এবং মাস্টারের পরিপূর্ণ পরিচয়ই বা দেওয়া যায় কি করিয়া? যে মাস্টার চিরদিন দুঃস্থ ও বেকার রহিয়া যায়, তাহার পরিচয় দিবার আগ্রহ আর যাহার থাকে থাক, আমার নাই। আমি রূপকথা বলিতেই ভালবাসি।

    বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হইয়া যাইবার পর একদিন মাস্টারের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ হইয়া পড়িল।

    কলেজে পড়ার তাড়া নাই, মাস্টার সাধারণভাবে ছাত্রীদের সহিত কাব্য ও দর্শনের যোগাযোগ সম্বন্ধে আলোচনা করিতেছিলেন, এমন সময় ছন্দার বাবা ঘরে প্রবেশ করিলেন। তাঁহার হাতে কয়েক কেতা নোট।

    মাস্টারের মাহিনা তাহার হাতে দিতেই সে তাহা পকেটে রাখিয়া আবার আলোচনা আরম্ভ করিল।

    ছন্দার বাবা হাইকোর্টের উকিল, তিনি একটি চেয়ারে বসিয়া কিছুক্ষণ মনঃসংযোগে আলোচনা শুনিলেন; তারপর সহসা মাস্টারকে জিজ্ঞাসা করিলেন, ‘তোমার বাবার নাম কি?’

    মাস্টার একটু চমকিত হইল। কিন্তু বাপের নাম ভাঁড়াইতে কাহারও কাহারও চক্ষুলজ্জায় বাধে। সরিৎ হালদার যথার্থ পিতৃনাম বলিল। নামের পুরাভাগে যে একটা রাজকীয় খেতাব ছিল তাহাও বাদ দিল না।

    ছন্দার বাবা বলিলেন, ‘হুঁ। কিন্তু তুমি এ ভাবে—?’

    সরিৎ বলিল, ‘আপনারা একটু ভুল বুঝেছিলেন। আমি বেকার বলে নিজের পরিচয় দিয়েছিলুম বটে, কিন্তু নিজেকে দুঃস্থ বলিনি। সে সময় আমি বেকারই ছিলুম।’

    ছন্দার বাবা বলিলেন, ‘হুঁ—Suggestio falsi! কিন্তু এ অবস্থায়—’

    সরিৎ বলিল, ‘অবস্থার কোনও পরিবর্তনই ঘটেনি। বড়মানুষের ছেলে হয়ে জন্মানো শিক্ষক হবার অযোগ্যতা প্রমাণ করে না। তাছাড়া ছন্দা আর রুচিরাকে পড়াতে আমার ভাল লাগে, ওরা খুব মেধাবিনী ছাত্রী।’ বলিয়া নিরপেক্ষ স্নিগ্ধ চোখে দু’জনের পানে চাহিয়া হাসিল।

    ছন্দা ও রুচিরা এই বাক্যালাপের শুরু হইতেই মাস্টারের দিকে বিস্ফারিত নেত্রে তাকাইয়া ছিল, এখনও তেমনি তাকাইয়া রহিল।

    ছন্দার বাবা বলিলেন, ‘তা বটে, কিন্তু—’

    সরিৎ বলিল, ‘আমি যেমন মাইনে নিচ্ছি, তেমনি নেব। আপনার ভয় নেই।’

    সঙ্কোচ কাটিয়া গেল। ছন্দার বাবা হাসিলেন, বলিলেন, ‘বেশ কথা।’

    তিনি প্রস্থান করিলে ছন্দা হঠাৎ দাঁড়াইয়া উঠিয়া উত্তপ্ত-মুখে বলিল, ‘আপনি এতদিন একথা লুকিয়ে রেখেছিলেন কেন?’

    সরিৎ বলিল, ‘না লুকোলে তোমাদের পড়াত কে?’

    ‘কেন, আর কি লোক ছিল না?’

    ‘ছিল। কিন্তু তারা রুচিরার সঙ্গে ইয়ার্কি দেবার চেষ্টা করত কিংবা তোমার পানে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকত। ফলে তোমরা পরীক্ষায় ফেল করতে।’ মাস্টারের স্বর গম্ভীর।

    রচিরার অধর একটু স্ফুরিত হইল, চোখের কূলে কূলে হাসি ভরিয়া উঠিল। মাস্টারের অধরে কিন্তু ছেলেমানুষীর চিহ্নমাত্র নাই।

    ছন্দা যেন পরাস্ত হইয়া বসিয়া পড়িল; তারপর মিনতির স্বরে বলিল, ‘বলুন না মাস্টার মশাই, সত্যি কেন লুকিয়েছিলেন?’

    এতক্ষণে সরিতের অধরে ছেলেমানুষীর ভাব ফিরিয়া আসিল। সে বলিল, ‘মিথ্যাকে সত্য করে তোলার নাম রোমান্স। রোমান্সের চূড়ান্ত হচ্ছে রূপকথা। আমি রূপকথা বড় ভালবাসি। ছদ্মবেশী রাজকুমারের কথা পড়েছ তো।? আমি রাজকুমার নই, কিন্তু ছদ্মবেশের পরিপূর্ণ আনন্দ ভোগ করে নিয়েছি। এমন কি, ছদ্মবেশ ত্যাগ করবার পরও সে আনন্দ শেষ হয়নি।’

    ছন্দা বলিল, ‘ছদ্মবেশ?’

    ‘হ্যাঁ। এইটেই জীবনের সব চেয়ে বড় রোমান্স। অধিকাংশ মানুষই জানে না যে সে ছদ্মবেশ পরে বেড়াচ্ছে, পদে পদে নিজের মিথ্যা পরিচয় দিচ্ছে। তাই তারা রূপকথার আনন্দ থেকে বঞ্চিত।’

    ছন্দা সুন্দর অধর বিভক্ত করিয়া, দুই চোখে মুগ্ধ বিস্ময় ভরিয়া চাহিয়া রহিল; কালো মেয়ে রুচিরার কালো চোখে নিগৃঢ় হাসি টলমল করিতে লাগিল।

    সেরাত্রে শয়নের পূর্বে রুচিরা অনেকক্ষণ ধরিয়া আয়নায় নিজেকে নিরীক্ষণ করিল। তারপর তাহার দৃষ্টি গিয়া পড়িল আয়নায় পাশে টাঙানো ছন্দার একটি ফটোর উপর। সে একটু একটু হাসিতে লাগিল। চকিতের জন্য তাহার দৃষ্টি আবার আয়নায় ফিরিয়া গেল। হঠাৎ সে একটু জোরে হাসিয়া উঠিল। তারপর ক্ষিপ্রহস্তে আলো নিবাইয়া বিছানায় শুইয়া পড়িল।

    ছন্দা তাহার পাশের ঘরে শোয়। অনেক রাত্রে সে আসিয়া গা ঠেলিয়া রচিরার ঘুম ভাঙাইয়া দিল, ‘এই রুচি, ওঠ্‌—ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ফোঁপাচ্ছিস কেন?’

    ঘুম ভাঙ্গিয়া রুচিরা কিছুক্ষণ শূন্যদৃষ্টিতে তাকাইয়া রহিল; তারপর অস্ফুট স্বরে বলিল, ‘স্বপ্ন দেখছিলুম। ভারি মজার স্বপ্ন। শুগে যা ছন্দা, আর ফোঁপাব না।’

    দিন যায়। মাস্টার আসেন এবং যান। রুচিরা সমস্ত দিন হাসে; রাত্রে ঘুমের ঘোরে তাহার চোখের জলে বালিশ ভিজিয়া যায়। কি স্বপ্ন দেখে, কে জানে!

    রুচিরা চালাক মেয়ে। অপ্রাপ্য বস্তুর পানে হাত বাড়াইয়া সে নিজেকে খেলো করিতে চায় না। ছন্দার গালদু’টিতে গোলাপ ফুটিয়া থাকে, চোখের চাহনিতে রূপকথার স্বপ্নাতুরতা। রুচিরা দেখিয়া হাসে; সে-হাসি ছন্দার কাছে ধরা পড়িয়া যায়। ছন্দার কপাল হইতে বুক পর্যন্ত রাঙা হইয়া ওঠে। কিন্তু মুখ ফুটিয়া কেহ কিছু বলে না।

    রুচিরা আগের মতো ঘরে বসিয়া মাস্টারের প্রতীক্ষা করে না। মাস্টার আসিয়াছেন খবর পাইলে, কোনও মতে হাত-ফের দিয়া চুলগুলা জড়াইয়া নীচে নামিয়া যায়। নতনেত্রে বসিয়া অখণ্ড মনোযোগে মাস্টারের বক্তৃতা শোনে; তারপর পাঠ শেষ হইলে, একটু হাসিয়া দু’জনের প্রতি চকিত দৃষ্টিপাত করিয়া চলিয়া যায়।

    মাস্টার হয়তো সবই লক্ষ্য করেন, কিন্তু তাঁহার তুলাদণ্ডের মতো নিরপেক্ষতা তিলমাত্র বিচলিত হয় না, চোখের গাম্ভীর্য ও অধরের চটুলতা আরও পরিস্ফুট হয় মাত্র।

    একদিন সকালে মাস্টার পড়াইতে আসিলেন না। ছন্দা টেবিলের সম্মুখে বসিয়া ছটফট করিতে লাগিল, মুহুর্মুহুঃ দেওয়ালের ঘড়ির সঙ্গে চোখাচোখি হইল। ঘড়ি নির্বিকার মুখে টিক টিক শব্দ করিয়া চলিল। রুচিরা নিবিষ্ট চিত্তে মৃচ্ছকটিক পড়িতে পড়িতে মৃদু হাসিতে লাগিল। সকাল কাটিয়া গেল।

    ছুটির দিন ছিল। বৈকালবেলা রুচিরা পড়ার ঘরে অলসভাবে বসিয়া একটা খাতায় হিজিবিজি কাটিতেছিল, অযত্নবদ্ধ চুলগুলা কাঁধের উপর খসিয়া পড়িতেছিল।

    অন্যমনস্কভাবে সে খাতায় লিখিল—

    যাহার ঢল ঢল নয়ন শতদল

    তারেই আঁখিজল সাজে গো।

    আজ সকালে সে হঠাৎ ছন্দার চোখে জল দেখিয়া ফেলিয়াছে।

    নানা আবোল-তাবোল চিন্তা মাথায় আসিতে লাগিল। মগ্ন-চৈতন্য জিনিসটা কি? যত নিগৃহীত আশা-আকাঙক্ষা সব কি ডানা-ভাঙা পাখির মতো সেইখানে গিয়া আশ্রয় লয়?…মৃচ্ছকটিকে ধূর চরিত্রটি কেমন? নিজের স্বামীকে বসন্তসেনার হাতে তুলিয়া দিল! কিন্তু—

    ছন্দা বাহিরে যাইবার বেশে ঘরে প্রবেশ করিয়া বলিল, ‘রুচি, আমি মাসীমার বাড়ি যাচ্ছি; তাঁর কি হয়েছে, ডেকে পাঠিয়েছেন।’

    কবিতার পংক্তিগুলি কাটিতে কাটিতে রুচিরা বলিল, ‘আচ্ছা।’

    ছন্দা যেন আরও কিছু বলিবে এমনিভাবে একটু ইতস্তত করিয়া চলিয়া গেল।

    …রূপকথার রাজপুত্রেরা ছদ্মবেশ পরিয়া কিসের খোঁজে বাহির হন? সাতশ’ রাক্ষসীর প্রাণ এক ভোমরা? সাপের মাথায় মাণিক? অপরূপ রূপসী রাজকন্যা…

    পাশের ঘরটা ড্রয়িংরুম; সেখানে টেলিফোনের ঘন্টি বাজিয়া উঠিল। রুচিরা অলস পদে উঠিয়া গিয়া ফোন ধরিল।

    ‘কে আপনি?’

    ভারি গলায় জবাব আসিল, ‘আমি সরিৎ। তুমি কে? রুচিরা?’

    রুচিরার গলা যেন বুজিয়া গেল, ‘হ্যাঁ। আজ আসেননি কেন?’

    ‘কাজ ছিল।’

    হাসিবার চেষ্টায় রুচিরার গলা কাঁপিয়া গেল, ‘আজ আপনার প্রথম কামাই। জরিমানা হবে।’

    ‘জরিমানা করবে কে?’

    ‘—ছন্দা।’

    ‘ও! ভাল।—শোন, তোমার বাবা-কাকাবাবু এঁরা বাড়িতে আছেন?’

    ‘হ্যাঁ। আজ ছুটি। কেন?’

    ‘দরকার আছে। আমি আধ ঘণ্টার মধ্যে যাচ্ছি। তোমাদের না হয় পড়িয়ে আসব।’—একটু ইতস্তত করিয়া—‘ছন্দা নিশ্চয় বাড়িতে আছে?’

    ‘না। ছন্দা মাসীমার বাড়ি গিয়েছে।’

    মনে হইল, তারের অপর প্রান্ত হইতে একটা দীর্ঘশ্বাস ভাসিয়া আসিল।

    রুচিরা হঠাৎ ধৃষ্টতা করিয়া বসিল, ‘দুঃখ হচ্ছে বুঝি?’

    ‘রুচিরা, তোমরা আমার ছাত্রী না?’

    ‘দোষ করেছি, মাপ করুন।’

    ‘আচ্ছা। তুমি বাড়িতে থাকবে তো?’

    ‘থাকব।’

    ‘আমি যাচ্ছি। —হ্যাঁ, শোনো! একটা কথা জানো?’

    ‘কি?’

    ‘হাসি-কান্নার মতো দীর্ঘশ্বাসেরও দু’রকম মানে হয়।’

    ‘বুঝতে পারছি না।’

    ‘হাসিতে কি খালি আনন্দই বোঝায়? কান্না কি কেবল দুঃখেরই প্রতীক?’

    ‘এখনও বুঝতে পারছি না।’

    ‘আচ্ছা—আমি যাচ্ছি—’

    রুচিরা ফিরিয়া আসিয়া পড়ার ঘরে বসিল। নিতান্তই স্ত্রী-স্বভাববশত নিজের বেশভূষার দিকে দৃষ্টি পড়িল। শাড়িটা আধময়াল, ব্লাউজ এককালে নূতন ছিল, এখন ধোপার কল্যাণে স্থানে স্থানে রং উঠিয়া গিয়াছে। তা হোক, ক্ষতি কি? অসহিষ্ণু হস্তে স্খলিত চুলগুলা রুচিরা টান করিয়া পিছনে জড়াইল। চুলগুলা একটা জঞ্জাল!—মেমেদের মতো বব করিলে কেমন হয়।

    দ্বৈপ্রহরিক বিশ্রাম শেষ করিয়া বাবা ও কাকা ড্রয়িংরুমে আসিয়া বসিলেন। তাঁহাদের কথার গুঞ্জন মাঝের ভেজানো দরজা দিয় অস্পষ্টভাবে আসিতে লাগিল।

    আধ ঘণ্টা কাটিল। একটি পরিচিত পদধ্বনি পড়ার ঘরের সম্মুখ দিয়া গিয়া ড্রয়িংরুমের গালিচার উপর বিলুপ্ত হইল। বাবা ও কাকার সম্ভাষণ শোনা গেল, ‘এস সরিৎ।’

    তারপর তাঁহাদের বাক্যালাপ আবার গুঞ্জনধ্বনিতে পর্যবসিত হইল। পাঁচ মিনিট, দশ মিনিট—কথা যেন আর শেষ হয় না।

    রুচিরা উঠিয়া একবার ভেজানো দরজার সম্মুখ দিয়া অলস নিঃশব্দ পদে হাঁটিয়া গেল। সরিতের কণ্ঠের দুই তিনটি কথা তাহার কানে গেল। সে আবার পা টিপিয়া টিপিয়া নিজের স্থানে আসিয়া বসিল।

    ও—এই কথা। টেলিফোনে কথাবার্তার ভঙ্গি হইতেই রুচিরার বোঝা উচিত ছিল। বিবাহের প্রস্তাব। পাত্রীর নামটি শোনা না গেলেও ছন্দা ছাড়া আর তো কেহ হইতে পারে না।

    আরো অনেকক্ষণ তন্দ্রাচ্ছন্নের মত রুচিরা বসিয়া রহিল।…স্বপ্ন কখনও মিথ্যা হয়?…সহসা চমক ভাঙ্গিয়া সে দেখিল, সরিৎ আসিয়া টেবিলের অপর পাশে দাঁড়াইয়াছে। তাহার অধরের ছেলেমানুষী কোনও অভাবনীয় উপায়ে চোখের মধ্যেও সঞ্চারিত হইয়াছে।

    রুচিরা সহাস্যে উঠিয়া দাঁড়াইল।

    সরিৎ কপট-কঠোর স্বরে বলিল, ‘ফাজিল মেয়ে।’

    ‘কি করেছি?’

    সরিৎ উত্তর না দিয় তাহার পানে কেবল কপট-কঠোর চক্ষে চাহিয়া রহিল।

    রুচিরা তখন কৌতুক-তরল হাসিতে হাসিতে বলিল, ‘বসুন, মাস্টার মশাই। আচ্ছা, এখনও কি আপনাকে মাস্টার মশাই বলতে হবে?’

    সরিৎ বলি, ‘না।’ তারপর যেন একটু বিবেচনা করিয়া বলিল, ‘এখন তুমি আমাকে ওগো বলতে পার। কর্তারা অনুমতি দিয়েছেন।’

    অদম্য আবেগে টেবিলের উপর মাথা রাখিয়া রুচিরা কাঁদিতেছে। সরিৎ তাহার পাশে আসিয়া অযত্নবদ্ধ চুলগুলি খুলিয়া দিয়া বলিল, ‘চুল খুলে কাঁদতে হয়। কালিদাস বলেছেন—বিললাপ বিকীর্ণমুর্দ্ধজা।’

    অশ্রুপ্লাবিত মুখ ক্ষণেকের জন্য তুলিয়া রুচিরা বলিল, ‘কিন্তু আমি যে কালো!’

    সরিৎ তাহার কাঁধে হাত রাখিয়া বিকীর্ণকুন্তল মাথার পানে কিয়ৎকাল চাহিয়া রহিল, তারপর স্বপ্নাবিষ্ট কন্ঠে বলিল, ‘ওটা তোমার ছদ্মবেশ। তুমিই আমার রূপকথার রাজকন্যা।’

    ২২ ভাদ্র ১৩৪৪

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172 173 174 175 176 177 178 179 180 181 182 183 184 185 186 187 188 189 190
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅলৌকিক গল্পসমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ঐতিহাসিক কাহিনী সমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }