Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আসল বেনারসী ল্যাংড়া

    আশাপূর্ণা দেবী ছোটগল্প এক পাতা গল্প70 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    খুন

    গণেশ চৌকীদার থানার ঠিক পিছনের রাস্তাটার ধারেই পাঁচ আইন ভঙ্গ করতে দাঁড়িয়ে পড়ে অবচেতনিক অভ্যাসেই এদিক ওদিক তাকাল, আর তখনি দেখতে পেল হতভাগাটাকে।

    রোজকার মতই উগ্রচণ্ডা মূর্তিতে হনহনিয়ে আসছে। যেমন লক্ষ্মীছাড়া চেহারা, তেমনি লক্ষ্মীছাড়া কেশবেশ, সন্দেহ নেই বাসি মুখেই চলে এসেছে।…গণেশ চৌকীদারের হঠাৎ মনে হল নিশ্চয় লোকটার মাথায় উকুন আছে।

    মাথায় উকুনওলা একটা হতভাগা লোক ঠিক এই সময়ই হঠাৎ উদয় হয়ে গণেশের শান্তি ভঙ্গ করবে, এটা অসহ্য বইকি। গণেশের ইচ্ছে হল পায়ের কাছে পড়ে থাকা পাথুরে ঢিলগুলো থেকে একটা কুড়িয়ে নিয়ে লোকটার দিকে ছুঁড়ে মারে। কিন্তু ইচ্ছেটা সামলে নিতে হল। একবার ওইরকম ঢিল ছুঁড়ে ভারী ফ্যাসাদে পড়তে হয়েছিল গণেশকে। পেয়ারা গাছে চড়ে হুটোপুটি করতে আসা ডাকাবুকো ছেলেটা যে সামান্য একটা ঢিল খেয়ে লটকে গাছ থেকে মাটিতে আছাড় খেয়ে পড়বে, এটা কে জানতো? পড়ল তো পড়ল একেবারে পটলই তুলল ছোঁড়া!

    থানার ওসি সেই পেয়ারাতলা থেকে একখানা কোণ-ভাঙা থান ইট তুলে নিয়ে প্রশ্ন করেছিল, এটা গণেশের কাছে সামান্য কিনা।

    গণেশ বেচারা মাটি হাতড়ে হাতড়ে অনেকগুলো মাটির ঢেলা তুলে তুলে দেখিয়েছিল, মা কালীর দিব্যি গেলেছিল, বদমাইস ওসিটা সে কথা মানতেই চায় নি। বলেছিল, তোমার ফাঁসি হওয়া উচিত।

    তা ফাঁসি অবশ্য হয়নি গণেশের, তাই যদি হবে, তা হলে বটবৃক্ষের ছায়া কথাটার মানে কী? ছায়ায় আছে বলেই না? খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে থাকলে, চট করে কি থান ইট তুলতে সাহস আসে? সে যাক, ফাঁসি টাসির প্রশ্ন নয়, তবে ওই যুধিষ্ঠির ওসিটার হস্তক্ষেপে দুর্গতি ঘটেছে গণেশের। কালনার মত ভাল শহুরে সদরখানা থেকে বদলী হয়ে এই কেষ্টপুরে এসে পড়েছে।

    থানা ছোট্ট হলেও, থানার কম্পাউন্ডটা মস্ত। জায়গা জমির তো অভাব নেই এখানে। এই কম্পাউন্ডের মধ্যেই ছোট দারোগার কোয়ার্টার্স, ছালওঠা ইটের বেঁটে একতলা, জানলা দরজায় আলকাতরার প্রলেপ। ও হদ্দ থেকে দূরে এ হদ্দে গণেশ আর রঘুর টিনের চালা। মাঝখানে রাস্তার ওপর তিনটে সিঁড়ি উঠে থানা। তার পিছনে হাজত ঘর।

    অনুষ্ঠানের ত্রুটি নেই।

    তবু গণেশের মন হুহু করে। যেন নির্বাসন দণ্ড হয়েছে তার।

    আর সেই হুহু করা মনের ওপর রোজ এই জ্বালা।

    হতভাগার না কি একমাত্তর ছেলেকে কোন একরাত্রে পুলিশ ধরে এনেছিল, নিগূঢ় কোনও সন্দেহে। তারপর মানে জিজ্ঞাসাবাদের পর না কি ছেড়েও দিয়েছিল, কিন্তু উনিশ-কুড়ি বছরের সেই ছেলেটা নাকি সেই রাত থেকেই নিখোঁজ।

    নিখোঁজ তো নিখোঁজ, পুলিশে কী করবে? পুলিশ তার কর্তব্য করেছে বইতো নয়।

    পেটের কথা আদায় করতে খানিক ধোলাই দিয়েছে, এছাড়া আর কোন পদ্ধতি জানা আছে পুলিশের? ছেলে যদি নিখোঁজ হয় পুলিশের কী দোষ? কিন্তু লক্ষ্মীছাড়া হতভাগাটার দাবি কী? না, পুলিশ যখন মাঝ রাত্তিরে ঘর থেকে ছেলে তুলে এনে আটক করেছিল, তখন নিখোঁজ ছেলেকে খুঁজে বার করে এনে দেওয়া পুলিশেরই ‘কোর্তব্য’।

    যেন কোর্তব্য করতেই পুলিসের জন্ম।

    যেন মানব সেবা করতেই তাদের আবির্ভাব। মাটির মানুষ ছোট দারোগা কি কম বুঝ দেয় লোকটাকে? গণেশের তো দেখেশুনে অবাক লাগে। অন্য কেউ হলে কবেই জন্মের শোধ হতভাগার ঘ্যানঘ্যানানি ঘুচিয়ে দিতো।…

    কিন্তু ছোট দারোগা কেবল বুঝ দেয়, আচ্ছা তোর ছেলে যদি নিজেই বেবাগী হয়ে যায়, পুলিশের কী দোষ? দু ঘা চড় চাপড় দিয়ে সেই রাতেই তো বাবা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাকে। এখন তাকে কোথায় পাবো?

    কিন্তু পাজীটা মানবে না সে কথা।

    রোজ রাত না পোহাতেই বাসি মুখে হনহনিয়ে চলে আসবে, আর একঘেয়ে শ্লোগান দিয়ে চলবে, মাজ আত্তিরে বেছনা থেকে টেনে তুলে নে এসে ছেলডারে হাপিস করে দিলি তোরা আর খুঁজে দিবিনে?

    প্রত্যেক দিন এই এক হল্লা। কটুকুৎসিত বিরক্তিকর।

    গণেশ মাঝে মাঝে অবাক হয়ে রঘুকে প্রশ্ন করে, আচ্ছা মাটির মানুষ হলেও সত্যি তো আর মাটি বালি নয়। এতো সহ্যি করে কী করে দারোগাবাবু?

    ভগবান জানে। কথায় দারিদ্দির রঘু। সব প্রশ্নের উত্তরের দায়িত্ব ভগবানের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে চুপ মেরে থাকে। শুধু একদিনই বলে ফেলেছিল, দারোগারও দারোগা থাকে রে গণশা। সেই ভয়েই কর্তা মাটি বালি হয়ে বসে আছে। নইলে ছ মাস আগে যদি আসতিস, দেখতিস কত্তার মূত্তিখানা।

    ব্যস আর নয়, ওই পর্যন্তই।

    ওই ঊর্ধ্বতন দারোগাটি যে কে সে রহস্য আজও গণেশের কাছে দুর্ভেদ্য হয়ে আছে।

    কিন্তু ধৈর্যের একটা সীমা আছে। মাটিও সময়ান্তর ফেটে চৌচির হয়।

    গতকাল ছোট দারোগা সেই ফাটা ফেটেছিল। আর ওই লক্ষ্মীছাড়া হতভাগা শেয়ালমুখো দাঁড়কাকটাকে জম্পেস একটি টাইট দিয়ে বলেছিল, ফের যদি ঘ্যানঘ্যানাতে আসিস, রাম ধোলাই খেতে হবে তা বলে দিচ্ছি।

    পুলিশের রাম ধোলাই যে কী বস্তু তাও সমঝে দেওয়া হয়েছিল লোকটাকে, হাজত ঘরের পিছনের উঠোনে নিয়ে গিয়ে।…সেখানে তখন ভোলাই চলছিল, বেস্পতির হাটের কুঞ্জ ব্যাপারীর ওপর।

    দুর্বুদ্ধি কুঞ্জ পুলিশের পেয়াদাকে হাটের সওদা থেকে ইচ্ছে মত তোলা তুলে নিতে তো দেয়ই নি, তার ওপর আবার মুখ করেছিল। না কি আসপদ্দার পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে রঘুর হাত থেকে জিনিস কেড়ে নিয়ে বলেছিল, যা যা ভাগ। বলে দিগে যা তোর পুলিশ বাবাকে, দেখব সে আমার কী করে। মন্ত্রীদের রাজ্যে বাস করছি বইতো মগের মুলুকে বাস করছি নে।

    তা সেই দুর্মতির ওই ফল!

    আধাজোয়ান লোকটাকে উদোম করে তার কাপড় দিয়ে তাকে দাওয়ার খুঁটির সঙ্গে বেঁধে… চামড়ার বেল্ট লোহার কাটার চাবুক, থানায় কিছুর অভাব আছে কি? হলেই বা ছোট থানা, জাত সাপের ছানা তো!

    এক এক ঘা কোঁড়া খাচ্ছিল কুঞ্জ আর চীৎকার মারছিল, আমি উসব কতা বলি নাই। আমি উসব কতা বলি নাই, মিচে কতা। সব মিচে কতা।

    কিন্তু কে শুনছে তার কথা?

    তা সেই দৃশ্য দেখে যাবার পর আবারও আজ এসেছে লোকটা? প্রাণে ভয় ডর বলে কিছু নেই? ছোট দারোগা যা বলে তাই নয় তো?

    ছোট দারোগা বলে পাগল। বদ্ধপাগল।

    হল্লার মাত্রা বেশি বাড়ালেই দারোগা গণেশ আর রঘুকে হাঁক পেড়ে ডেকে বলে পাগলাটাকে ধরে নিয়ে গিয়ে বনে জঙ্গলে শেয়াল কুকুরের মুখে ছেড়ে দিয়ে আয় দিকি। আর তো সয় না। আচ্ছা এক ফ্যাসাদে পড়া গেছে।

    কিন্তু এইটুকু বলেই যদি ক্ষান্ত হত কত্তা, তা হলে যা করবার গণেশ আর রঘুতেই করে ফেলতে পারতো। শেয়াল কুকুর বাঘ ভালুক হাঙর কুমীর, যাই দরকার হোক মানুষ আর কোন্ ভূমিকাটা না নিতে পারে? পারলে কি হবে, ধরে নিয়ে যাবার হুকুমের সঙ্গে সঙ্গেই যে দারোগাবাবু আর এক হুকুম জারি করে বসে–মারধোর করিসনে বাপু, মারধোর করিসনে, পাগলছাগলদের শুনেছি বেটরে লেগে ফেগে গেলে রক্ত বমি হয়ে চড়ি ওলটায়।

    কে জানে পুঁথিপড়া বিদ্যেয় বলে, না জ্ঞান গোচরের বিদ্যেয় বলে। যাই হোক, বলে তো? তারপর আর কী করবার থাকতে পারে গণেশদের?

    গণেশ রাগে গরগর করতে করতে চুপি চুপি বলে, দারোগাবাবুটা ব্যাটাছেলে না মেয়েছেলে রে? আজকাল তো মেয়েছেলেয় সব হয়, জজ ম্যাজিস্টেট উকিল ব্যালিস্টের সব। আর পেন্টুলও পরে মেয়েছেলেরা। নিঘাত মেয়েছেলে, নচেৎ এত অপমান গায়ে বেঁধে না?

    রঘু খি খি করে হেসে বলে, ঘরের মধ্যে তো জলজ্যান্ত একটা পরিবার বসানো আছে। তোর কপাল মন্দ তাই কত্তার আসল রূপটা দেখতে পেলিনে। এই বাণ খাওয়া মূত্তি দেকচিস।

    কিন্তু আড়ালে যা বলুক সামনে তো আর অবাধ্য হতে পারে না? তাই নিসপিস করা হাত দুটোকে কোনমতে বশে এনে শুধু লোকটাকে দুজনে দুদিক থেকে ধরে হিচড়োতে হিচড়োতে নিয়ে চলে যায়।…দুটো দুটো চারটে হাত-পা দুজনে ভাগ করে নেয়, লোকটার ঘুসি লাথির আক্রমণ থেকে জান বাঁচাতে।

    নিয়ে যায় চ্যাংদোলা করে।

    থানার এলাকা ছাড়িয়ে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে আসে কাটা বনে, শ্যাওলার পুকুরে। আর মুখটা চালিয়ে যায় সমানে। তাতে তো আর পাগলের রক্তবমির ভয় নেই। গণেশেরই যেন বেশি রাগ।

    লোকটার ওপর কী গণেশের কোনও কারণ ঘটিত পূর্ব আক্রোশ আছে? তাই এত নিসপিস করে?

    তা ঠিক নয়।

    .

    চাকরী জীবনে জীবনভোর যা দেখে অভ্যস্ত তার ব্যতিক্রম দেখে ছটফটানি ধরে গণেশের। ধোলাই খাবার এমন প্রকৃষ্ট কারণ থাকতেও লোকটা ভোলাই খাচ্ছে না, এটা কী সহ্য করার মত ব্যাপার?

    হাতের সুখই যদি না করতে পেল, তবে আর পুলিশে কাজ করতে আসা কেন?

    তবে গতকাল একটু যেন আশার আলো দেখতে পেয়েছে গণেশ, দারোগাবাবু কাল আচ্ছা করে শাসিয়েছে লোকটাকে। ফের যদি এসে হল্লা করে তো রেয়াৎ পাবে না। এমন কি কুঞ্জ ব্যাপারীর ধোলাইয়ের দৃশ্যটা দেখিয়ে, সমঝে দিয়েছে, এটা কিছুই নয়, আরও যা যা পদ্ধতি আছে শুনে রাখ। ভয়ঙ্কর বীভৎস সেই পদ্ধতিগুলো অবলীলায় শুনিয়ে দিয়েছিল দারোগাবাবু।

    শুনতে শুনতে আহ্লাদে গায়ের রোম খাড়া হয়ে উঠেছিল গণেশের। আহা আছে এ সব ব্যবস্থা কেষ্টপুর থানায়? ..তবে এও ভেবেছিল সে রোমাঞ্চ অনুভব করবার সুখ আর গণেশের ভাগ্যে হবে না। এ সব শুনে কাল আর আসবে না লোকটা।

    আশ্চর্য! আজও সেই একইভাবে এসে হাজির হয়েছে লোকটা।…কাল কোথায় ফেলে দিয়ে এসেছিল ওকে গণেশরা? ধান কেটে নেওয়া শুকনো ক্ষেতের মধ্যে না?

    ছুরির আগার মত ধারালো খড়ের আগার ওপর।…

    গণেশ আরব্ধ কাজ না সেরেই মুঠোয় চাপা নিমকাঠিটা দাঁতের ফাঁকে আটকে নিম পাতার রসে জারিত গলায় বলে ওঠে, আবার আজ এসেছিস শালা? পেরাণে ভয় নেই?

    লোকটা হনহনিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল, ঘুরে দাঁড়িয়ে লাল লাল চোখ দুটোয় আগুন ছিটকে বলে চোপরাও হারামজাদা শুয়োর! তুই বলবার কে? তোর কাঁচে এইচি আমি?

    অ্যাঁ! কী বললি?

    গণেশ প্রথমটা প্রায় হতচকিত হয়ে যায়।

    অবিশ্বাস্য বিস্ময়ে কয়েক সেকেন্ডের জন্য যেন বোকার মত তাকিয়ে থাকে লোকটার দিকে। চুলগুলো-নোংরা ধুলো মাখা চারটি পাটের মত, গাল ভর্তি খোঁচা খোঁচা কাঁচা পাকা দাড়ি, পরনে একটা বর্ণহীন লুঙ্গি, গায়ে একটা ফালি ফালি শার্ট। পুরো পাগলের চেহারা। আর জ্বলন্ত আগুনের ঢেলার লালচে ধ্বকধ্বকেচোখ দুটো যেন ওই চেহারার সমাপ্তি রেখা, শেষ তুলির টান।

    তা যাই হোক, তবু আজ পর্যন্ত গণেশ চৌকীদারকে এভাবে অপমান করেনি কখনো।

    গটগটিয়ে আসে, দারোগার বাসার সামনে গিয়ে হল্লা করে। যদিও চেঁচানিটা নৈর্ব্যক্তিক।

    শালার পুলিশ! ছেলে খুঁজে এনে দিবিনে মানে? তোর বাবা দেবে। মাজ আত্তিরে ছেলেডারে বেছনা থেকে টেনে তুলে নে এসে হাপিস করে দিয়ে এখন মিচে করে বলছিস কিনা সে বেবাগী হয়ে গেছে। কেন? কিসের দুস্কে বেবাগী হতে যাবে দুদের বালক ছেলেডা? বল কোতায় গুম করে রেকেচিস তারে? কোতায় চালান করে দিচিস!

    ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এই কটা কথাই বলে।

    নতুন কথা পাবে কোথায়? পেটে বোমা মারলে ক বেরোবে?…রোজ সকালে এই একঘেয়ে কথা শুনতে শুনতে গণেশের ইচ্ছে হয় ওই শিরফোলা গলাটা টিপে দিয়ে জন্মের শোধ আওয়াজ ঘুচিয়ে দেয়, কিন্তু হবার জো নেই সেটা।…ছোট দারোগা যে কালার পার্ট প্লে করে তখন। …অনেকক্ষণ হয়ে গেলে তবে গণেশ আর রঘুকে হাঁক পেড়ে বলে, এই, পাগলাটাকে ধরে শেয়াল কুকুরের মুখে ফেলে দিয়ে আয় তো।

    তবে কাল পরিস্থিতি অন্যদিকে গড়িয়ে ছিল।

    আজ আবার এই।

    গণেশ বিস্ফারিত চোখে বলে উঠল, অ্যাঁ কী বললি?

    লোকটা সে কথার জবাব না দিয়ে হনহনিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল, গণেশ পিছন থেকে তার ঘাড় চেপে ধরল। কড়া গলায় বলে উঠল, যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা?

    লোকটা ঝটকা মেরে ঘাড় ছাড়িয়ে নিতে যায়, পারে না, ঘাড় ঘুরিয়ে ঘাড় ধরা হাতটায় দাঁত বসাতে চেষ্টা করে, পেরে ওঠে না। অতএব আকাশ ফাটিয়ে একটা চীৎকার করে ওঠে। জান্তব চীৎকার। একমাত্র পাগলের স্বরযন্ত্র দিয়েই এমন অমানুষিক শব্দ বেরোনো সম্ভব।…

    এই শব্দের সঙ্গে সঙ্গে ছোট দাবোগার সেই ছাল ওঠা ইটের তৈরি বেঁটে একতলা বাসাটার আলকাতরা প্রলেপ দেওয়া দরজাটা খুলে যায়। গণেশ আশান্বিত চিত্তে তাকায়। মুহূর্তে কল্পনা করে নেয় বন্দুক হাতে বেরিয়ে আসছে দারোগাবাবু, নিদেন পক্ষে শঙ্কর মাছের ল্যাজের চাবুকটা। কিন্তু এটা কী হল? দরজাটা খটাং করে খুলল কে? গণেশ যদি দিনে কানা হয়ে ভুল না দেখে থাকে তো পষ্ট দেখতে পেল একটা চওড়া পাড় শাড়ির আঁচলের কোণ।…

    তার মানে দারোগা গিন্নী।

    কিন্তু সে ওই চকিতের মত।

    পরক্ষণেই প্যান্টের বেল্ট আঁটতে আঁটতে দারোগাবাবুই বেরিয়ে আসেন। গণেশের মনে হয়, এখুনি একটা প্রলয় কাণ্ড ঘটে যাবে। আকাশ থেকে চন্দ্র সূর্য খসে পড়বে, শব্দ তাণ্ডবে বুক কেঁপে উঠবে।

    প্রত্যাশার পাত্র হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে গণেশ।

    কিন্তু কোথায় কী?

    কোথায় সেই প্রলয়ঙ্কর গর্জন!

    বেল্ট আঁটতে আঁটতেই গণেশকে বলে ওঠেন দারোগাবাবু, অ্যাই কী হচ্ছে? ঘাড় ছাড়।

    ছাড়!..

    অতএব ছাড়তেই হবে। মনের ঘেন্নায় মনে হয় গণেশের চাকরীটাই ছেড়ে দেবে। এই আলু ভাতের চাকরী আর নয়।

    দারোগাবাবু, এখন যথারীতি মিঠেকড়া গলায় প্রশ্ন করেন, আবার এসেছিস আজ? কী বলেছিলাম কাল?

    উঃ। কী অসহ্য, কী অসহ্য।

    ঘাড় ছেড়ে দিতে বলায় যতটা না অপমানাহত হয়েছিল গণেশ তার চারগুণ আহত হল দারোগাবাবুর এই খাদে নামা কণ্ঠস্বরে। গণেশ হেঁট মুণ্ডে দাঁড়িয়ে থাকে।…কিন্তু কানটা তো হেঁট করা যায় না? তাই কানে এসে ঢোকে আপনি আমার ছেলে খুঁজে এনে দাও, আর আসবনি।

    বন্ধ দরজার এপিঠে দাঁড়িয়ে পুলিশ নামক একটা অশরীরী আত্মাকে নৈর্ব্যক্তিকভাবে তুই তোকারি করা যায়। কিন্তু সামনে দাঁড়ানো জলজ্যান্ত ব্যক্তি মানুষটাকে কি আর তা করা যায়? লোকটা তাই এখন আপনি দিয়েই আবেদন জানায়, আপনি আমার ছেলে খুঁজে এনে দ্যাও, আর আসবনি।

    দারোগা ক্রমশ ধৈর্য হারান, ফের সেই একঘেয়ে কথা, হারামজাদা শুয়োরের বাচ্চা। তোর ছেলে আমায় বলে কয়ে হারিয়ে গেছে? তাই তাকে খুঁজে এনে দেব?

    পাগলের মাত্ৰাজ্ঞান থাকে না, তাই সেও সমান গলা চড়ায়, মুখ খারাপ করবেনি বাবু। যা বলবে ভদ্রলোকের মতন বলে।

    কী? কী বললি? পাগল ছাগল বলে ছেড়ে দিই বলে বড় বাড় বেড়েছে না? এখনও বলছি ভাল চাস তো বেরিয়ে যা। নইলে–

    নইলে?

    লোকটা ঘৃণায় মুখটা বিকৃত করে বলে ওঠে, নইলে গায়ের চামড়া ছাড়িয়ে নেবে। জুতিয়ে মুখ ভেঙে দেবে, নোয়া পুড়িয়ে পুড়িয়ে গালে ছ্যাকা দেবে, কাপড় খুলে নিয়ে পিটোবে এই তো? তা কর। কিন্তুক ছেলে আমার চাই-ই চাই।

    গণেশ অবাক হয়ে দ্যাখে রাগে অপমানে ছোট দারোগার সর্বাঙ্গ কাঁপছে, চোখ দিয়ে আগুন ছিটকোচ্ছে, তবু ছোট দারোগা কেন কে জানে নিজেকে সামলাচ্ছে।…ছোট দারোগার খোলা দরজার আড়াল থেকে মাঝে মাঝে যে একটা চওড়া পাড় শাড়ির আঁচল বাতাসে উড়ে উড়ে এক একবার দৃশ্যমান হচ্ছে, সেটাই কি কারণ? কিন্তু ওটা তো দারোগার পিছন দিকে। কই পিছন পানে তো তাকাচ্ছে না বাবু!

    তাকাচ্ছে না, তবু মনে হচ্ছে বুঝি তাকাচ্ছে, আর তাকাচ্ছে বলেই নিজেকে সামলাচ্ছে। আবার গলা নামিয়ে বলছে, পাগলকে আর কী বুঝ দেব বাবা। তোর ছেলেকে খুঁজে এনে দেবার সাধ্যি পুলিশের বাবারও নেই। কে জানে কোন্ চুলোয় গেছে।

    পাগল যখন তখন ক্ষেপে ওঠবার অধিকার তার আছে। সেই ক্ষ্যাপা গলায় লোকটা পরিত্রাহী গলায় চেঁচায়, মিচে কতা বলচ আপনি। আপনি জানো কোতায় তারে চালান করে দেচো।..পুলিশের বাপের সাদ্যি নাই? তার অসাদ্যি কিছু আচে না কি?..কাউর প্রিতি সন্দ হলি আপনারা সগগো মত্তে পাতাল ছুঁড়ে তারে খুঁজে বের করো না? শ্যালের গত্ত থেকে উটকে বের করতে পারো আপনারা, মায়ের গভ্যো থেকে হিঁচড়ে টেনে আনতি পারো, আর আপনাদের হ্যাঁফাজত থেকে একটা ছেলে কঞ্জুরের মতন উপে গেল। তার সন্ধান নিতি পার না? আলবাৎ পারতি হবে। ক্যানো? গরীব বলে মানুষ নয়? তার মা বাপের পেরাণ পেরাণ নয়? আজ আপনার ছেলেডারে যদি কেউ ধরে নে গিয়ে গুম করে রাকে, ক্যামন লাগে?

    অ্যাঁ। অ্যাঁ! কী বললি? অকথ্য একটা সম্বোধন করে দারোগাবাবু চীৎকার করে ওঠেন। তুই আমায় ভয় দেখাচ্ছিস?…গণেশ! রঘু।..যা তো এটাকে নিয়ে গিয়ে রাম ধোলাইয়ের কলে ফেলগে যা।…শালা ঘুঘু দেখেছে ফাঁদ দেখেনি। যাঃ। পিটিয়ে তক্তা বানিয়ে…তক্তা বানিয়ে

    কাঁপতে কাঁপতে বোধহয় কথা শেষ করতে পারেন না ছোট দারোগা। কিন্তু যা বলা হয়েছে। তাই তো যথেষ্ট, উৎফুল্ল উত্তেজিত দুই বীর সতেজে এগিয়ে আসে।

    আসে, কিন্তু মুহূর্তে পাথরের দেয়াল বনে যায়। এমন কি পাগলাটাও।

    দরজার পাশ থেকে একেবারে এই ভোলা উঠোনে চলে এসেছে সেই চওড়াপাড় শাড়ির আঁচল। আর সে আঁচল বাতাসে এত উড়ছে বলেই আঁচলের অধিকারিণীর মুখ মাথায় আবরণ দেবার দায়িত্বটা ভুলে গেছে। সেই নিরাবরণ মুখ থেকে স্পষ্ট আর তীব্র একটি কণ্ঠস্বর যেন ছুরির ফলার মত বেরিয়ে আসে।

    কষ্ট করে আর অত বোঝাবার দরকার কী? যা বোঝবার তা তো ওরা বুঝেই নিয়েছে। মেরে তক্তা বানিয়ে ফেলার পর আর কী করতে হয়, সে কী ওদের অজানা? কি গো বাবারা? জানা নেই?

    এই ঘৃণা আর বিদ্বেষে ভরা হিংস্র মুখটা যেন সমস্ত পরিবেশটাকেই পাথর করে দেয়।

    বাবারা স্তব্ধ নিস্পন্দ। কিন্তু তাদের বাবা? বোধ করি বরদাস্তর সীমা ছাড়ায় বলেই পাথর হয়ে যাওয়া পরিবেশটাকে ফাটল ধরিয়ে গর্জন করে ওঠেন, তুতুঃ তুমি কিঃ কিঃ করতে এখানে? ভেঃ ভেঃ ভেবেছো কীঃ তুমি? যাও যাঃ ও ভেতরে।

    তুমির মুখে আরও হিংস্র হাসি ফুটে ওঠে, না গেলে? আমারও ধোলাইয়ের ব্যবস্থা হবে? তা হয় তোক।

    ফিরে দাঁড়ান পাগলাটার দিকে, স্থির গলায় বলেন, তা তোমায় এই আজ বলে দিচ্ছি বাপু। এদের হাত থেকে বেঁচে যদি বাড়ি ফেরো–তো ছেলে খুঁজতে আর এসো না। এ পৃথিবীর কোনোখানেই খুঁজে পাওয়া যাবে না তাকে। বুঝতে পেরেছ?…আর এসো না।…এই ছোট দারোগাবাবু তাকে সেই রাত্তিরেই–ঘটনাটা কী ঘটেছিল রঘু? তুমি তো ছিলে। শুধু রগের ওপর একটা থাপ্পড়, তাই না? তাতেই

    গণেশ অবাক হয়ে ওই মুখটার দিকে তাকায়। জীবনে অনেক হিংস্র মুখ দেখেছে গণেশ, কিন্তু এরকম কি দেখেছে কখনও?

    গণেশের চোখের সামনে থেকে একটা ঝাপসা পর্দা সরে যায়।…ওঃ এই তাহলে সেই দারোগার উপর দারোগা। ঘরের লোকের হাতেই মরণবাণ, তাই দারোগাবাবু এমন নখ-দাঁতহীন। ফাঁস হয়ে যাবার ভয়। অবিশ্যি ফাঁস হয়ে গেলেই যে ফাঁসির দড়ি গলায় উঠবে সে ভয় নেই! সামান্য মানুষ চৌকীদার, তারই ওঠে না, তা ওপরওলাদের।…তবে ফ্যাসাদ তো আছে।

    ঘরের লোক ফাঁস করে দিল।

    কী লজ্জা। কী লজ্জা!

    ওপরওলার মুখের দিকে তাকাতে পারে না গণেশ, ভয় হচ্ছে আগুনের মালসাটা বুঝি ভেঙে ছত্রখান হয়ে দাউ দাউ করে জ্বলে উঠবে। অথবা এই লোকটাই তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে–

    পাগলে কী না করতে পারে।

    দুজনে দুদিক থেকে শক্ত করে চেপে ধরবার জন্যে আলগোছ হয়ে থাকে।…কিন্তু আশ্চর্য, কোন দিকে কিছু হয় না।

    জায়গাটায় যেন বোবায় ধরেছে।

    লোকটা ফ্যাল ফ্যাল করে একবার ওই মুখটার দিকে তাকায়, যে মুখটা থেকে এখনি একটা অমোঘ বাণী উচ্চারিত হল।…তারপর হঠাৎ দু হাতে মাথা চেপে হাউ হাউ করে কেঁদে চেরা ফাটা গলায় বলে ওঠে, দারোগাবাবু তো তারে মারেন নাই মা ঠাকরোণ, সে তো আমার ছেলে। আমি যে আমার জলজেবন্ত ছেলেডারে বুকের মদ্যি ভরে রেখে দিন গুজরোছেলাম। আপনি আমার সেই আস্তো ছেলেডারে এককোপে খুন করে ফ্যালালে গো

    কোনও দিকে তাকায় না, হনহনিয়ে চলে যায়।

    কারুর মনে পড়ে না ওকে ধরা দরকার ছিল।

    কিন্তু গণেশ চৌকীদারের কী সম্পর্ক এ ঘটনার সঙ্গে? সে কেন হঠাৎ নিজের চালাঘরের কোণে গিয়ে ডুকরে ডুকরে কাঁদতে বসে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রবন্ধ সংগ্রহ – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article শুধু তারা দু’জন – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    ছোটগল্প বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    কাদা kada

    August 11, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    বিবাগী পাখি – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    কুমিরের হাঁ – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ঠিকানা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ততোধিক – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ১. খবরটা এনেছিল মাধব

    April 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }