Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    বিশ্বমনা : রবীন্দ্রনাথ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    গল্পে বারভূঁইয়া – সতীশ চন্দ্র গুহ

    January 17, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গল্পে বারভূঁইয়া – সতীশ চন্দ্র গুহ

    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা এক পাতা গল্প92 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লক্ষ্মণ মাণিক্য

    ‘মেঘমন্দ্র, কুলিশ নিস্বন, মহারণ, ভূলোক দ্যুলোকব্যাপী
    অন্ধকার উগরে আঁধার, হুহুঙ্কার শ্বাসিতে প্রলয় বায়ু,
    ঝলকি ঝলকি তাহে ভায়, রক্তকায় করাল বিজলিজ্বালা,
    ফেনময়, গর্জি মহাকায়, ঊর্মিধায়, লঙ্ঘিতে পর্বত-চূড়া।’

    – বিবেকানন্দ

    ‘বাছা! ভেবো না, ভোরে এখানেই পাবে কূল। কূলে উঠে মাটি খুঁড়ো। খুঁড়লেই দেখবে আমার পাথরের মূর্তি, প্রতিষ্ঠা করো এইখানে, তুমি হবে এখানকার রাজা।’

    তখন রাত্রি শেষ হয়ে এসেছে, তন্দ্রার ঘোরে বিশ্বম্ভর শূর দেখলেন, এমনই এক স্বপ্ন, স্বপ্ন দেখে তিনি জেগে উঠলেন। জেগে উঠে, সবার কাছে বললেন, তাঁর স্বপ্নের কথা।

    ক্রমে রাতের আঁধার দূরে গেল। পূর্ব দিকে উঠল অরুণ। পাখিরা ডাকল। তাদের ডাকে, সকলে জেগে উঠে, সবিস্ময়ে দেখলেন, যেখানে আগের দিন অগাধ জল করছিল থৈ থৈ, সেখানে এক প্রকাণ্ড বালুকাময় ভূমি করছে ধূ-ধূ।

    বিশ্বম্ভর শূর ছিলেন মিথিলাবাসী রাজ্য আদিশূরের বংশধর। যাচ্ছিলেন, সপরিবারে নৌকারোহণে চন্দ্রনাথ তীর্থ দর্শন করতে। নৌকো মেঘনা বেয়ে চলছিল। রাত্রিকাল – মাঝিরা মেঘনার অকূল জলে ফেলেছিল দিক হারিয়ে। সেখানে মেঘনা সমুদ্রের মতো বিস্তীর্ণ। জলহীন দেশের লোক নদীর এমন বিস্তার দেখে পাচ্ছিলেন ভয়। ভয়ে ভয়ে ঘুম, ঘুম তো নয় তন্দ্রা, সেই তন্দ্রা ঘোরে দেখছিলেন স্বপ্ন। স্বপ্নে যা দেখছিলেন তা তো আগেই বলেছি।

    স্বপ্নাদেশ পেয়ে, দেবীর নির্দেশ মতো মাটি খুঁড়ে, সত্যি সত্যি পেলেন। মার এক পাথুরে বারাহী মূর্ত্তি, স্থির হলো সেইদিনই মূর্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। ব্রাহ্মণ তো সঙ্গেই ছিলেন, প্রতিষ্ঠায় কোনোই কষ্ট হলো না।

    কিন্তু সারা দিন উঠল না এতটুকুনও রোদ। আকাশ রইল কুয়াশায় ছেয়ে। কিচ্ছু দেখবার উপায় নেই, সেই আঁধারে আঁধারেই হলো মূর্ত্তির প্রতিষ্ঠা। মূর্ত্তি প্রতিষ্ঠা করেই যে নৌকা ছেড়ে দেবেন তারও উপায় রইল না। কুয়াশা না দূর হলে নৌকো ছাড়বার উপায় নেই। সে নৌকায় তো আর কম্পাস বা দিক নির্ণয় যন্ত্র ছিল না – দিক ভুল হলে সমুদ্রে পড়ে যে যাবে প্রাণ। কাজেই তারা সারা দিন রাত রইলেন সেই চড়াতেই।

    পরদিন সূর্যোদয় হলো, সকলে চেয়ে দেখলেন, দেবীকে স্থাপন করা হয়েছে পূর্বাভিমুখে, বিশ্বম্ভর শূর মশাই তা দেখে বলে উঠলেন— পশ্চিমে লোক কিনা তাই – ‘ভুল হুয়া’ অর্থাৎ ভুল হয়েছে। সেই থেকে আজ অবধি ঐ জায়গার নাম হয়ে রয়েছে ‘ভুলুয়া’! দেবদেবীর মূর্তি দক্ষিণ বা পশ্চিমমুখী করে স্থাপন করতে হয়। এক্ষেত্রে হলো তার ব্যতিক্রম- ভুল। এই ভুলুয়া পরগণা আজকাল নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত। ভুলুয়ার এই মা বারাহী দেবীর তিন তিনটে মুখ, চারটে হাত। দেবীমূর্ত্তির এখনো আছে, ‘আমিক্ষাপাড়া’ বলে এক গ্রামে, পুরোহিতগণের বাড়ীতে দর্শকেরা তাঁর দেখা পেয়ে থাকেন।

    বিশ্বম্ভর শূরের অধস্তন চতুর্থ পুরুষই হচ্ছেন আমাদের বাংলার দ্বাদশ ভৌমিকের অন্যতম ভৌমিক লক্ষ্মণ মাণিক্য মশাই।

    বিশ্বম্ভর শূর মশাই সত্যি সত্যি মার কৃপায় রাজা হলেন। সব লোক হলো তাঁর বাধ্য। তিনি ছিলেন ক্ষত্রিয় বাংলা দেশে খাঁটি ক্ষত্রিয় কেউ ছিলেন না। অথচ তাদের থাকতে হবে এই দেশে। ছেলে হলো, মেয়ে হলো। বিয়ে দিতে হবে তো? ক্ষত্রিয়োচিত যা কিছু কাজকর্ম সবই করতেন কায়স্থেরা। এই জন্য তিনি কায়স্থদের সঙ্গেই বিয়ের সম্পর্ক করতে লাগলেন। তখন তো আর রেলগাড়ি, স্টিমার, মোটর, এরোপ্ল্যান ছিল না— শিগগিরই কোথাও যাওয়া যেত না, কাজেই বারবার মিথিলায় যাওয়ার চেয়ে, তিনি তাঁর মেয়েকে, গাভার পরমানন্দ ঘোষের সঙ্গে বিয়ে দেন। চন্দ্রদ্বীপের কায়স্থ সমাজ এতে ভারী ক্ষুন্ন হন। পরমানন্দ ঘোষ মশাই একঘরে হন। নিরুপায় হয়ে তিনি ভুলুয়ায় তার শ্বশুর মশাইয়ের কাছে গিয়ে সব কথা খুলে বলেন। এই সংবাদে লক্ষ্মণ মাণিক্য মশাই অত্যন্ত দুঃখিত হয়ে এর প্রতিকারে সচেষ্ট হন।

    রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্য, চন্দ্রদ্বীপ-সমাজাধিপতি রাজা কন্দর্পনারায়ণ রায়ের পুত্র রাজা রামচন্দ্র রায়, বিক্রমপুর সমাজাধিপতি রাজা কেদার রায়, ভূষণা সমাজাধিপতি রাজা মুকুন্দরাম রায় মহাশয় ও যশোহর সমাজাধিপতি রাজা প্রতাপাদিত্যের নিকট তাঁর জামাতা গাভার পরমানন্দ ঘোষের দুর্দশার কথা, বিস্তারিতভাবে, সবিনয় জ্ঞাপন করলেন।

    তারা সকলেই অত্যন্ত সদ্বিবেচক লোক ছিলেন। সকলেই বুঝলেন, লক্ষ্মণ উচ্চ বংশের সন্তান, গাভার ঘোষেরাও উচ্চবংশ। তাছাড়া রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্য একজন বিশিষ্ট রাজাও বটেন! এমতস্থলে তাদের সঙ্গে সম্বন্ধ স্থাপন করলে অপরাপর কায়স্থগণের কোনোই অন্যায় হয় না। এই সমস্ত ভেবে, সমস্ত দলপতিই ভুলুয়ার অধিপতিকে সাহায্য করতে সম্মত হলেন।

    রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্যের বাড়ীতে একটা বিয়ে উপস্থিত হলো, সকলেই সেই বিয়েতে যোগদান করলেন, এলেন না কেবল বিক্রমপুরের জন কয়েক অভিমানী কায়স্থ। দলপতিরা তাদের সমাজচ্যুত করলেন ও ঘটকদের দিয়ে লিখালেন:

    ‘বেচাগ্রাম স্থিতা সর্ব্বে।

    যে চতুর্ম্মণ্ডলে স্থিতা;

    চান্দনী-চাকুলী চৈব

    নাস্তি তেষাং কুলং বুধা।’

    এই জন্য, বিক্রমপুরান্তর্গত বেজগাঁ, চতুর্মণ্ডল, চান্দনী ও চাকুলীবাসীগণ কুলহীন হলেন।

    মগদের অত্যাচারের কথা আগেই বলেছি। তারা বড়ই বাড়াবাড়ি শুরু করলে। রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্যের রাজ্যেও লুটতরাজ আরম্ভ করে দিলে। একে একে তিন-তিনবার রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্য তাদের তাড়িয়ে দিলেন, সমাজপতিদের সঙ্গে যুক্তি করে সামাজিক শাসনের সৃষ্টি করে এক আজ্ঞা প্রচার করলেন যে কারও বাড়ীর উপর দিয়ে অক্ষত শরীরে কোনো মগ চলে গেলে তাকে সমাজে অচল করা হবে। কিন্তু এত করেও মগদের শাসন করা সম্ভব হয়ে উঠল না। গোদের উপর বিষফোড়ার ন্যায় তারা আবার নতুন উপায়ে দেশের লোকদের জ্বালাতন শুরু করলে।

    রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্যের ছিলেন এক ভাই, তিনি বড় ভাইকে তাড়িয়ে নিজেই রাজা হবেন এমন একটা ষড়যন্ত্র করছিলেন। সেই গৃহশত্রু বেশ জানতেন যে মগদের রাজা আরাকানাধিপতিই হচ্ছেন তাঁর দাদার প্রধান শত্রু। তিনি সেই শত্রুর সঙ্গে গোপনে করলেন মিত্রতা। মিত্রতা করে বাইরের কুমীরকে ঘরে ডেকে আনবার ব্যবস্থা করলেন। আরাকানরাজকে ভুলুয়া আক্রমণ করতে পরামর্শ দিলেন। নিজেও কতকগুলো লোভী, বর্বর সৈন্য নিয়ে ভাইয়ের বিরুদ্ধে সহসা যুদ্ধ শুরু করে দিলেন। ষড়যন্ত্রে রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্য পরাস্ত হলেন ও রাজ্য ছেড়ে খিজিরপুরে গিয়ে অন্যতম ভৌমিক ঈশা খাঁ মসনদ-ই-আলির শরণাপন্ন হলেন, ঈশা খাঁর সঙ্গে ছিল বাদশার পরমপ্রিয় রাজা মানসিংহের ভাব। মানসিংহ বাদশাকে লিখে, বাংলার সেনাপতিকে নিয়ে, বাংলার বার ভূঁইয়ার সাহায্যে মগদের বিরুদ্ধে তুমুল যুদ্ধ বাধিয়ে দিলেন।

    শহর কসবায় যুদ্ধ আরম্ভ হলো। যুদ্ধে মগেরা এমনভাবে পরাজিত হলো যে একজন মগও ভুলুয়া অঞ্চলে থাকতে পারলে না। এই যুদ্ধের মতো যুদ্ধ বড় একটা হয় না, এখনো কসবার মাটি খুঁড়ে সেই যুদ্ধের বন্দুক, কামান, তীর, ধনুর চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়।

    তখনকার যুদ্ধ, এখনকার যুদ্ধের মতো ছিল না। বারুদ গেঁদে বন্দুক ও কামান ছোড়া হতো, এখন মেসিনে মিনিটে মিনিটে বহু গুলি ছোড়া হয়, তখন কার্টিজ ছিল না, মেসিন ছিল না। এখন কার্টিজ ও মেসিন হয়েছে। তখনকার কামান, বন্দুক ছুড়তে হতো কত দেরী, ততক্ষণ কিন্তু শয়ে শয়ে গুলোলের গুলি, ধনুকের তীর এসে বিপক্ষের প্রাণ করত নাশ, তখন এখনকার মতো বন্দুক আর কামান দিয়ে ঠিক যুদ্ধ চলত না। দূরের শত্রুদের ধ্বংস, ও দুর্গ ভাঙবার জন্যই কামান, বন্দুক বেশি চালানো হতো। নিকটে যুদ্ধ আরম্ভ হলে হতো তরোয়ালে তরোয়ালে, বর্শায় বর্শায় যুদ্ধ।

    এইভাবে ভুলুয়ার লক্ষ্মণ মাণিক্য আবার রাজা হলেন। তার রাজা হবার লোভী ভাই পড়লেন ফাঁপরে। অগত্যা তিনি দাদার শরণাপন্ন হলেন। এত দিন পরে কুচক্রী ভাইকে ফিরে পেয়ে রাজার বড় আনন্দ হলো। তিনি বারাহী দেবীর পূজার বিশেষ ব্যবস্থা করলেন ও বহু ভূ-সম্পত্তি দেবোত্তর করে দিয়ে মায়ের এই বিশেষ কৃপার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন। এছাড়া রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্য নানা জায়গা থেকে বহু বিদ্বান, গুণবান ব্রাহ্মণ, কায়স্থ, বৈদ্যাদি ও হিন্দুদের এনে জায়গীর নিয়ে ভুলুয়াতে স্থাপন করলেন।

    রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্য যশোরের রাজাকে বিয়েতে অধিক সম্মান করেন। এতে যশোরের রাজার জামাতা চন্দ্রদ্বীপের রাজা রামচন্দ্র রায় ভারী রেগে যান এবং সৈন্য সামন্ত ও জাহাজ নিয়ে রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা করেন। রাজা রামচন্দ্র ছিলেন যুবক, এদিকে লক্ষ্মণ মাণিক্য নিজে ছিলেন অসাধারণ শক্তিশালী পুরুষ। তার শক্তির কথা শুনলে আশ্চর্য্য বোধ হয়। তিনি প্রত্যহ এক এক মণ লোহার এক একটা মুগুরের দুটো মুগুর ভাঁজতেন। এক মন লোহার বর্ম পরে নামতেন যুদ্ধে, তাঁর মতো এত ভারী জিনিস পরে যুদ্ধ করতে বড় বেশি শোনা যায় না।

    গায়ে বল থাকলে, অনেক সময় মানুষ একটু হঠকারী হয়ে ওঠে। রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্যেরও তাই হলো। যুদ্ধে রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্য রাজা রামচন্দ্র রায়কে নিজ হাতেই ধরে আনবার জন্য এক লাফ দিয়ে তাঁর রণতরীতে পতিত হলেন। কিন্তু একা কি করবেন, কি হবে তা আর ভাবলেন না! যা হবার তাই হলো। রাজা রামচন্দ্র বহু সৈন্যের সহায়তায় তাকে বন্দী করে চন্দ্রদ্বীপে নিয়ে গেলেন।

    চন্দ্রদ্বীপে নিয়ে তাঁর প্রাণদণ্ডের আদেশ দিলেন। কিন্তু রাজা রামচন্দ্রের মা এমন বীরকে হত্যা করতে মানা করলেন। রাজা মায়ের কথামতো লক্ষ্মণ মাণিক্যকে তাঁর কারাগারে বন্দী করে রাখলেন।

    রাজা রামচন্দ্রের ভারী শখ হলো যে রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্যের শরীরে কত বল আছে, তিনি কেমন বীর একবার নিজে পরীক্ষা করে দেখবেন। এই মনে করে, তিনি রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্যকে কারাগার হতে শৃঙ্খলমুক্ত করে দ্বন্দ্বযুদ্ধে আহ্বান করলেন। লক্ষ্মণ মাণিক্য শৃঙ্খল মুক্ত হয়েই রাজা রামচন্দ্রকে বধ করতে উদ্যত হলেন। রাজা রামচন্দ্রের দেহরক্ষীগণ লক্ষ্মণ মাণিক্যকে ধরে ফেলে, রামচন্দ্রের প্রাণ রক্ষা করল।

    এইবার রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্যের অন্তিমকাল ঘনিয়ে এল, রাজা রামচন্দ্রের মা হুকুম দিলেন, লক্ষ্মণ মাণিক্যকে কেটে ফেলতে। ঘাতক তৎক্ষণাৎ তাঁর আদেশ পালন করল। সামাজিক কেলেঙ্কারিতে যার হয়েছিল সৃষ্টি সেই আগুনে বঙ্গের এমন বীর চলে গেলেন, আর আসবেন কি না কে জানে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাদা আমি কালো আমি (১ম খণ্ড) – রুণু গুহ নিয়োগী
    Next Article বিশ্বমনা : রবীন্দ্রনাথ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    বিশ্বমনা : রবীন্দ্রনাথ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    সাদা আমি কালো আমি (১ম খণ্ড) – রুণু গুহ নিয়োগী

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    বিদ্যাসাগর-জীবনচরিত – শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    পাকদণ্ডী – লীলা মজুমদার

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    কৃষ্ণসাধিকা মীরাবাঈ – পৃথ্বীরাজ সেন

    January 17, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    Our Picks

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    বিশ্বমনা : রবীন্দ্রনাথ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    গল্পে বারভূঁইয়া – সতীশ চন্দ্র গুহ

    January 17, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }