Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প38 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আত্মজ – ২য় অংশ

    দুই

    খাটে আধশোওয়া হয়ে চোখ বোলাচ্ছিলাম ফর্দে। পুরুতমশাই একটা লিস্ট ধরিয়ে গেছেন বটে। চাল ডাল তেল নুন সবজি ফুল ফল বেলপাতা কুশ তিল যব হরীতকী তিল ঘি মধু চিনি কলাপাতা পান সুপারি মসলা কী আছে, কী নেই। দানসামগ্রীর তালিকাও নেহাত ছোটো নয়। থালা বাটি গেলাস ছাতা চটি শাড়ি ঘড়া গামলা পিলসুজ …। লেডিজ চটির পাশে সাইজ লেখা আছে, ছাতাটাও রঙিন চাই, তাও খাট বিছানা বালিশ লেখেননি, মূল্য ধরে নেবেন। কতটুকু সাশ্রয় হলো কে জানে!
    সব মিলিয়ে মোট কত লাগতে পারে? বাজেট ছাপিয়ে যাবে না তো? ব্যাংক থেকে শেষ ঝড়তি-পড়তি দশ হাজার তুলে নিয়েছি, প্রবীরদার কাছে চেয়েছি পাঁচ—কাজকর্ম, খাওয়া-দাওয়া সব এতে চুকবে তো? প্যান্ডেল নেবে তিন হাজার। ফ্ল্যাটবাড়ির শুধু ছাদটুকু ঘিরবে, তাও সাদা কাপড়, এর জন্য এত যে কেন চাইছে? চেয়ার-টেবিলে নয় শ … মেরেকেটে হাজার। শ্রাদ্ধের দিন নব্বইজনের মতো খাবে। নব্বই ইনটু ফিফ্টিফাইভ, মোটামুটি পাঁচ হাজার। মৎস্যমুখের দিন তিরিশ জন। আশি ইনটু তিরিশ মানে প্রায় আড়াই। সাকুল্যে হলো সাড়ে এগারো। কাজে নিশ্চয়ই হাজার তিনেকের বেশি পড়বে না। পরশু ঘাটকাজেও কিছু খরচা আছে। … মনে হয় টায়েটুয়ে কুলিয়ে যাবে। তেমন যদি হয় শ্রাদ্ধের দিন এক রকম মিষ্টি নয় কমিয়ে দেব। প্লেটপিছু পাঁচ টাকা বাঁচে। অর্থাৎ সাড়ে চার শ। একেবারে ফ্যালনা নয়। এভরি ফারদিং কাউন্টস।
    আচমকা হাসি পেয়ে গেল। কী ছেলেমানুষি ভাবনা! কলসি দিয়ে লাখো মোহর গলে গেল, এখন কানাকড়ি বাঁচাতে পুটিংয়ের খোঁজ। শুধু নার্সিং হোমেই তো বেরিয়ে গিয়েছিল চল্লিশ হাজারের বেশি। ফিজিওথেরাপিস্টের পেছনে না হোক বিশ-বাইশ হাজার। প্রথম মাসখানেক দুবেলা দুটো নার্স ছিল। তারা কান মচড়ে এক শ কুড়ি এক শ কুড়ি দু শ চল্লিশ দুয়ে নিত প্রতিদিন। খরচায় উদ্ব্যস্ত হয়েই না ধাপে ধাপে নেমেছিলাম। দুটো নার্স থেকে রাতে নার্স দিনে আয়া, তারপর দুবেলা দুটো আয়া, শেষমেশ ওই রমা। মেয়েটা রাত-দিন থাকত, খাওয়া-দাওয়া নিত। তা নিক, মাইনেটা তো কম। মাসে দু-হাজার বাঁচানো চাট্টিখানি কথা নয়। এত সামলে, এত টেনেটুনেও প্রভিডেন্ট ফান্ডে লোন, কো-অপারেটিভে ধার …। শালা, ভাবতেই ইচ্ছে করে না। যা খসছে খসুক, এবার একবারেই চুকে যাক। আশা করি, আমি বা সুপ্তি কেউ ওভাবে পড়ে থাকব না। তেমন হলে মামপি গোগোল যে কী অভিশাপ দেবে!
    সুপ্তি ঘরে ঢুকেছে। ঘটাং ঘটাং আলমারি খুলল। তাক হাতড়াচ্ছে।
    —কী খুঁজছ?
    —আরে দ্যাখো না, জ্বালিয়ে মারল।
    —কে?
    —রমা। শাড়ি শাড়ি করে আমায় পাগল করে দিল।
    —দিয়ে দাও একখানা।
    —একটা নয়, দু-দুটো দিয়েছি। মার শাড়ি। বললাম, সাদা খোল তো কী আছে, ছাপিয়ে নিস। মন উঠল না।
    —কী চায়? বেনারসি?
    —ওই রকমই কিছু পেলে ভালো হয়। সুপ্তি মুখ বেঁকাল, বলছে দিদার এত ময়লা ঘাঁটলাম, একটা সিল্কের শাড়ি অন্তত পাব না?
    দুনিয়ায় নিজের প্রাপ্য সবাই বোঝে। রমার কী দোষ, আমার মা-ই কি ছেড়েছে? কর্তব্যের পাওনাটুকু উসুল করে নেয়নি?
    বিরস মুখে বললাম, ঝুটঝামেলা হঠাও। দিয়ে দাও। ঈষৎ রংজ্বলা নিজের একটা মুরশিদাবাদী সিল্ক বার করে নিয়ে গেল সুপ্তি।
    ফর্দখানা টেবিলে রেখে চিত হয়ে শুলাম। চোখটা আবার টানছে। শরীরে বেজায় ক্লান্তি। সকাল থেকে আজ ছোটাছুটিও গেছে বেশ। দুলুকে নিয়ে নেমন্তন্ন করতে বেরিয়েছিলাম। মানিকতলা শ্যামবাজার … উত্তর কলকাতার পাট চুকোলাম আজ। ফোনেই বলে দিয়েছি অনেককে, তবু এখনো তো কেউ কেউ আছে যারা মাতৃবিয়োগ ভারাক্রান্ত মুখটি না দেখতে পেলে সন্তুষ্ট হয় না। আড়াইটে নাগাদ বাড়ি ফিরে ঘি সহযোগে সেদ্ধভাত গলাধঃকরণ, ফলত যথেষ্ট টকে আছে গলা। এখনো।
    তবে ক্লান্তিটা ঠিক অম্বলের জন্য নয়। এ শ্রান্তি যেন একটু অন্য রকম। ম্যারাথন দৌড় সাঙ্গ করে শেষ ফিতে ছোঁয়ার পর যেমনটা লাগে দৌড়বীরের, এ অবসাদ যেন সেই ধাঁচের। মাকে পুড়িয়ে আসার পর থেকেই শরীর একদম ছেড়ে গেছে।
    চিন্তাটায় কটু গন্ধের আভাস আছে কি? ম্যারাথনাররা আমার মতোই শরীর নিংড়ে দৌড়োয় বটে, কিন্তু তাদের শেষ ফিতে ছোঁয়ার সঙ্গে কি মার মৃত্যুর তুলনা চলে? আমি কি প্রথম দিন থেকে ওই লক্ষ্যেই পৌঁছতে চেয়েছি? না না না না, কক্ষনো না। বরং উলটো পথেই তো দৌড়েছি, লড়াই করেছি মাকে বাঁচানোর জন্য। কায়মনোবাক্যে চেয়েছি মা সুস্থ হয়ে উঠুক, পুরোপুরি আগের মতো না হলেও হাঁটাচলা করুক, মোটামুটি একটা স্বাভাবিক জীবনে ফিরুক। সর্বস্ব উজাড় করেও যদি সামান্যতম উন্নতি না হয়, তখন মানুষের কেমন লাগে? মনে হয় না কি রেসিংট্র্যাকটা ক্রমে ঘুরে যাচ্ছে, পার হচ্ছি একটা লম্বা প্যাঁচালো পথ? ঘেমে নেয়ে যাচ্ছি, জিভ বেরিয়ে যাচ্ছে, ক্যালোরি শেষ, তবু ছোটো। কাঁহাতক পারে মানুষ?
    সুপ্তি আবার এসেছে, হাতে চা। টেবিলে কাপ রেখে খাটে বসল। লাল পাড় কোরা শাড়ির আঁচল দিয়ে খাটের বাজু ঝাড়তে ঝাড়তে বলল, তোমার সন্তুদাই জিতে গেল।
    ভুরু কুঁচকে জিজ্ঞেস করলাম, কেন?
    —আমাদের ইচ্ছেটার তো মূল্য রইল না। মার ঘরে তো কাজ হচ্ছে না।
    —সন্তুদা তো ভুল কিছু বলেনি। মার ঘরটা তো সত্যিই ছোটো। ড্রয়িংহলে কাজ হলে সুবিধেই হবে, শ্রাদ্ধের সময়ে লোকজন বসতে-টসতে পারবে। … ডেকরেটারকে বলে দিয়েছি ফরাস পেতে দেবে …
    —আমার কোনো কিছুতেই আপত্তি নেই। তবে আমার লাগছে কোথায় জানো? তোমার ওই সন্তুদার কথাবার্তায়। … পিসির ঘরটা খুপরি … এত চাপা … আলোবাতাস খেলে না … যেচে পড়ে এসব শোনানোর অর্থ কী? আমরা যেন ইচ্ছে করে মাকে অন্ধকূপে রেখেছিলাম।
    সুপ্তির আহত হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে। ফ্ল্যাটে আসার আগে সুপ্তি বারবার বলেছিল, মা আপনি বড় ঘরটা নিন। মা কিছুতেই রাজি হননি। এক গোঁ—আমি একা মানুষ, ওই ঘরের আমার কী প্রয়োজন। বরং বড় ঘরটা তোরা নে, মাঝেরটায় বাচ্চারা একটু হাত-পা ছড়িয়ে থাকুক।
    হাত নেড়ে বললাম, সন্তুদার কথা ছাড়ো। খেটেখুটে দিচ্ছে …। আমরা তো জানি, আমরা মার জন্য কী করেছি।
    —সবচেয়ে ভালো হতো বাড়িতে কাজটা না হলে। ফ্ল্যাটের সোসাইটির পারমিশন নাও, এর সামনে হাত কচলাও, ওর চাট্টি কথা শোনো … আমার একদম পছন্দ হয় না।
    —কী করা যাবে? চৈতন্যমঠ গৌড়ীয়মঠ হেনামঠ তেনামঠ—সবই তো ঘুরে দেখা হলো। কোত্থাও জায়গা নেই। বাপ-মাকে চিতায় চড়ানোর আগেই যে লোকে শ্রাদ্ধের জায়গা বুক করে ফেলে আমি কী করে জানব? … একদিক দিয়ে ভালোই হলো। কেউ বলতে পারবে না মঠে টাকা ধরিয়ে মার কাজ সেরেছি।
    —যারা কথা শোনানোর তারা ঠিক শোনাবে। এই তো, তোমার খুকুদি আজ কায়দা করে কত কী বলে গেল।
    —কী বলেছে খুকুদি?
    —মাসিকে তোমরা ন্যাজাল ফিডিংয়ে রাখলে পারতে, এই রমাটমারা কি তেমন সাবধানে খাওয়াতে পারে …! ঠারেঠোরে বলতে চাইছিল আমরা মার ঠিক যত্ন নিইনি।
    —বলুক গে যাক। আমরা তো জানি আমরা কী করেছি। কথাটা ফের মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল, বাইরের লোকের কথায় কান দিয়ো না।
    —লাগে। বুঝলে, লাগে। দুই বছর ধরে সংসারের সব খরচ কিভাবে কাটল করে গেছি। ছেলেমেয়ের ফল বন্ধ করে মাকে আঙুরের রস, বেদানার রস খাইয়েছি। পুজোর সময়ে একটার বেশি জামা দিয়েছি মামপি গোগোলকে? দেনায় দেনায় অন্ধকার … মাস গেলে কেটেকুটে কটা টাকা হাতে পাও সে খবর কেউ নেওয়ার চেষ্টা করেছে কখনও? শুধু ওপর থেকে আহা, উহু। আজ বাদে কাল মামপি নাইনে উঠবে, ওর জন্য একটা ভালো টিউটর রাখা দরকার, পেরেছি রাখতে? সেই তো ঢোকাতে হলো কোচিংয়ের গোয়ালে। সুপ্তি জোরে নাক টানল, সারাক্ষণ খালি চিন্তা মার হরলিঙ্ ফুরোল কি না, মার কমপ্ল্যান আছে তো …।
    মাকে ছেড়ে কোথাও গিয়ে দু-দণ্ড তিষ্ঠাতে পেরেছি? নতুন মাসির বিয়ে হলো, আমি সকালে মুখ দেখিয়ে এলাম, তুমি বিকেলে। কেন? মার জন্যই তো! তার পরও তোমার জেঠিমা বলে গেলেন রেণুর যখন টান উঠল তখন তুমি বুঝি ছিলে না বউমা! বলো, শুনতে কেমন লাগে? বলো?
    —বাদ দাও। যারা করে, তাদেরই সমালোচনা হয়। এ তো জানা কথা, আমারও একটা ছোট্ট শ্বাস পড়ল, নাও, চা খেয়ে নাও। জুড়িয়ে যাচ্ছে।
    চোখের কোল মুছে একচুমুকে কাপ শেষ করল সুপ্তি। উঠে লাগোয়া বাথরুমটায় গেল একটু। বেরিয়ে শুকনো গলায় জিজ্ঞেস করল, তুমি এখন কিছু খাবে?
    সিগারেট ধরিয়েছি। কাঠি অ্যাশট্রেতে গুঁজে বললাম, কী খাব?
    —ফল কেটে দিতে পারি।
    —চা খেয়ে ফল?
    —খানিকক্ষণ পরে খেয়ো।
    —কত ফল খাব? বাদড়ও এত ফল খেতে পারে না।
    সুপ্তি ফিক করে হেসে ফেলল, তোমার টুসিদি সকালে আবার একগাদা কলা, আপেল, সফেদা দিয়ে গেছে। গোগোল মামপি তো দেখছে আর আঁতকে আঁতকে উঠছে, যে আসছে হাতে ফল, মিষ্টি, যে আসছে হাতে ফল মিষ্টি … গোগোল, চুরি করে সন্দেশ খেত, এখন ফ্রিজের ধার মাড়াচ্ছে না।
    —ফেলে দাও সব। কাজের লোকদের বিলিয়ে দাও।
    —কত দেব?
    —তাহলে নিজেই খাও বসে বসে। তুমি তো আপেল ভালোবাস।
    —বাসতাম। এখন আর সহ্য হয় না।
    —তাহলে এক কাজ করো। ফলকো গোলি মারো। মামপি গোগোলের জন্য তো লুচি হবেই, কটা বেশি করে ভাজো। বেলায় খেয়ে, এখন আর কিছু না খেয়ে আমরাও বরং তাড়াতাড়ি রাতের খাওয়াটা …
    —তুমি লুচি খাবে?
    —কী আছে? গোমাংস তো খাচ্ছি না।
    —হ্যাঁ অ্যা, হুট করে তোমার কোনো আত্মীয় এসে পড়ুক, ওমনি রটে যাবে শাশুড়ি গত হওয়ার আনন্দে সুপ্তি বরকে লুচি গেলাচ্ছে।
    —হু কেয়ারস্? আমরা কারো খাই, না পরি? অশৌচ মানামানিটা নিজেদের মনের ব্যাপার। তাও তো আমি … নেহাত মা এসবে বিশ্বাস করত বলে … এসব কাছা নেওয়া-টেওয়া আমার যথেষ্ট অকোয়ার্ড লাগে।
    —আহা, পালন যখন করছই, পুরোটাই করো। আর তো মাত্র কটা দিন। এত দিন এত কিছু করলে আর মাত্র দু-চার দিনের জন্য ধৈর্য হারিয়ে ফেলবে?
    ক্যাঁ ক্যাঁ ডোরবেল বাজছে। একটানা। নির্ঘাত মামপি। স্কুল থেকে এসেই ছুটেছিল কোচিংয়ে, ফিরল। গোগোল দরজা খুলতেই শুরু হয়ে গেছে লণ্ডভণ্ড কাণ্ড, ধুপধাপ আওয়াজ ড্রয়িং ডাইনিং স্পেসে। গোগোলের চিৎকার উড়ে এলো, মামপির হিহি হিহি।
    চোখ কুঁচকে বললাম, কী নিয়ে লাগল দুজনের? এত হল্লা কিসের?
    —আর কী! গোগোল কার্টুন চ্যানেল দেখছিল। মামপি নির্ঘাত ওর হাত থেকে রিমোট কেড়ে নিয়েছে।
    ঠাম্মার মৃত্যুর পর দু-চার দিন থমকে ছিল ভাইবোন, আবার তারা সমে ফিরছে। গোগোলের স্বর চড়তে চড়তে সোপ্রানোয়, পাল্লা দিয়ে বাজছে মামপির হাসি।
    সুপ্তি বিরক্ত মুখে বলল, দাঁড়াও দিয়ে আসি ঘা কতক। এত ধাড়ি মেয়ে, পাঁচ বছরের ছোট ভাইয়ের সঙ্গে কেমন লাগে দ্যাখো।
    —থাক, কিছু বোলো না। মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল, ফ্ল্যাটটায় প্রাণ ফিরুক। এ কদিনের দমচাপা ভাবটা কাটুক একটু।
    সুপ্তি অস্ফুটে বলল, এ কদিন? না পঁচিশ মাস?
    বলেই সুপ্তি নীরব। আমিও আর কথা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। বাইরে বিকেলটা মরে গেছে বহুক্ষণ, আমাদের বন্ধ দরজা-জানালা ভেদ করে মরা বিকেলটা তবু ঢুকে পড়ছিল ফ্ল্যাটে। চুঁইয়ে চুঁইয়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article জরুরি কিছু লেখা – সুভাষচন্দ্র বসু

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    উড়ো মেঘ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }