Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গান্ধর্বী – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প330 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গান্ধর্বী – ১৬

    ১৬

    টিপ টিপ করে বৃষ্টি পড়ে যাচ্ছে। সরু রাস্তা। একটা নতুন ছাইরঙের মারুতি এসে থামল। নীচের ঘরে অপালা গান শেখায় এ সময়টা। বৃষ্টির জন্য বোধহয় আজ ছাত্র-ছাত্রী কম। সে নিজে রাস্তার দিকে মুখ করে বসে। দরজার একটা পাল্লা সামান্য বন্ধ। অপালার এই ক্লাসের ছাত্র-ছাত্রীরা একটু পরিণত। এদের তার শেখানোর ধরন একদম অন্যরকম। প্রত্যেকে তানপুরো হাতে বসে থাকে। অপালার নিজের হাতে স্বরমণ্ডল। সে বেশ খানিকটা সুরবিহার করে থামে, তারপর একটু একটু করে সেটা আবার করে, সে একটু করার সঙ্গে সঙ্গেই ছাত্র-ছাত্রীদের গলায় সেটা করে দেখাতে হয়। এই ব্যাচে মাত্র পাঁচ জন। এসেছে আজ তিন জন। সে আজ বেহাগ নিয়ে পড়েছে। গান দিচ্ছে প্রথমে ‘পানিয়া ভরনে ক্যায়সে জাউঁ সখী ম্যায়/বিচমে ঠাড়ো কুমার কনহাই। নি সা ম গ। প প নি নি। পা নি য়া ভ। র ণ কয়সে বেশ কিছুক্ষণ গাড়িটাকে একটু আগে দাঁড় করিয়ে অপালার সুরবিহার শুনল মিতুল। আজকাল অপালা মাস্টারমশাইয়ের কাছে নিয়মিত যেতে পারে না। মাস্টারমশাই, না মিতুল সল্ট লেকে অপূর্ব এক বাড়ি বানিয়েছে। কিন্তু বড্ড যে দূর! অপালা আজকাল বেশির ভাগ শম্পাদির কাছেই যায়। কিন্তু শম্পাদির কাছে বাজনা শিখতেই এতো ছাত্র-ছাত্রী আসে যে তার নিজের জন্য তাঁকে বেশি খাটাতে তার সঙ্কোচ হয়। মাস্টারমশাইয়ের কাছে গেলেও মিতুলের সঙ্গে কখনও দেখা হয় না। সে বাড়ি নেই। অপালা কোথাও যায় না, রেডিও বা দূরদর্শনের রেকর্ডিং-এর জন্য যেতেই হয়। বাড়িতে একটা চাপা অসন্তোষ, একটা বিরুদ্ধতার আবহাওয়া সৃষ্টি হচ্ছে সে বুঝতে পারে। মাঝে মাঝে শুধু মায়ের কাছে, দীপুর মা বা মাসীমার কাছে। বাস।

    গাড়িটা মিতুল এগিয়ে এনে এবার দরজার প্রায় মুখোমুখি দাঁড় করালো। কত দিন মুখোমুখি বসে অপুদির গান শোনা হয়নি। গলা, শুধু গলাই কী! গাড়িটা অপালা চেনে না। সে একটু অবাক হয়ে চেয়ে আছে, গান থামিয়ে। ভেতর থেকে জীনস্‌ পরা একটা পা নামল, তারপর পুরো চেহারাটা দেখতে পেল অপালা। মিতুল। মিতুল এসেছে। মিতুলের প্রচও নামডাক আজকাল। গানের সঙ্গে সঙ্গে তার নানা ধরনের মুদ্রা বা মুদ্রাদোষের বিরূপ এবং অনুকূল দুরকম সমালোচনাই সে শুনতে পায়। ক্কচিৎ কখনও দূরদর্শনে তার প্রোগ্রামও দেখেছে। সেই বিরক্তিকর, মেঘ, ফুল, পাখি, বৃষ্টি ইত্যাদি দিয়ে গানকে দৃশ্যমান করবার চেষ্টা-ওলা প্রোগ্রাম। আরে বাবা, গান কান দিয়ে শোনার জিনিস, তাকে তার নিজের ক্ষমতায় মরমে পশতে দাও! আর গায়ক, তাকে চোখে দেখা সেও এক অভিজ্ঞতা। গান গাওয়ার সময়ে সম্পূর্ণ তার নিজের ব্যক্তিত্বে। অভিনয় করতে করতে নয়। শ্রোতার কাছে তাকে প্রকাশিত হতে দাও। দূরদর্শন মিতুলকে এইসব প্রোগ্রামে হাজির করে। লম্বা আঁচল দুলিয়ে মিতশ্রী গাছের ফাঁক দিয়ে দিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল। তার পর আবার এক জাজিম পাতা হলঘরে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে উঠতে বসে পড়ল। এই রকম প্রোগ্রাম দেখে তৃপ্তি হয় না অপালার। মিতুলের কয়েকটা ক্যাসেটও তার কাছে আছে। কিন্তু চোখের সামনে এই বৃষ্টিঝরা বিকেলে জীনস্‌ এবং আলগা সাদা শার্ট পরা মিতুল যে একটা কী সাংঘাতিক অভিজ্ঞতা হতে পারে তা অপালা কল্পনা করতে পারেনি।

    তার ছোট ঘরের ছোট্ট দুয়ার একেবারে ঝলসে দিয়ে এসে দাঁড়াল মিতুল। এ যেন ভেঙেছো দুয়ার এসেছো জ্যোতির্ময়! অন্তত অপালার মনে লাইনটা ঝলসে উঠল বিনা প্রয়াসে। সে বলল—‘মিতুল! মিতুল তুই!’

    তার ছাত্র-ছাত্রীদের সকলেই মিতশ্রীকে চেনে। বহু জলসায় টিকিট কিনে তার গান শুনেছে। এতো সামনে থেকে তাকে দেখবে কল্পনাও করতে পারেনি। —তাদের অপালাদির মিতশ্রী ঠাকুরের সঙ্গে আলাপ আছে! এইরকম ডাকনাম ধরে, তুই করে ডাকার আলাপ!

    মিতুল বলল—‘অপুদি, আজ তোমার ছাত্র-ছাত্রীদের ছুটি দিয়ে দাও। আমার বড্ড দরকার তোমার সঙ্গে।’

    অপালা বলল—‘মিতুল দু মিনিট বোস। আমার হয়ে গেছে। ছোট্ট একটা নোটেশন লিখিয়ে দিচ্ছিলুম।’

    মেঝেতে পাতা শতরঞ্জির ওপর দু হাঁটু একদিকে মুড়ে বসল মিতুল। তার আলগা শার্টের ওপরের বোতাম খোলা। সোনার হারের সঙ্গে চকচকে একটা মোহর সেখানে দুলতে দেখা যায়। আজকে চুলটাকে সে সম্পূর্ণ তুলে একটা হর্স-টেল করেছে। ঠোঁটে একটু লিপ-গ্লস। তাকে দেখাচ্ছে কলেজের মেয়েদের মতো। যদিও সেটা কোনও স্বপ্নলোকের কলেজ। নোটেশন দেওয়া শেষ করে অপালা ছাত্র-ছাত্রীদের দিকে তাকিয়ে হাসল। খুব অনিচ্ছুকভাবে বেরিয়ে গেল তিনটি ছেলে মেয়ে। মিতশ্রী ঠাকুরের সঙ্গে তাদের গানের দিদির কী জরুরি কথা ছিল তা শোনবার তাদের যথেষ্ট ইচ্ছে ছিল। কিন্তু তারা প্রত্যেকে দৃষ্টির আড়ালে চলে না যাওয়া পর্যন্ত মিতুল শুধু একটু চিন্তান্বিত মুখে তার আঙুলের আংটিটা ঘোরাতে লাগল।

    ওরা চলে গেলে মিতুল বলল—‘অপুদি, তুমি একমাত্র তুমিই তাহলে আমার বাবার প্রকৃত ভাবশিষ্যা হলে। প্রধানদের মধ্যে। লক্ষ লক্ষ পঙ্গপালের কথা আমি বলছি না।’

    অপালা হেসে বলল—‘কি দেখে বলছিস? বুঝতে পারছি না।’

    —‘এই নিজের গান ছেড়ে যত রাজ্যের অর্বাচীনদের নিয়ে পড়েছো! অন্যদের তৈরি করার মহাসাধনায় মহামগ্ন। বলি তোমার নিজের গান কি হল?’

    বাইরে নিমগাছটার ওপর বিকেলের শেষ কাকের দল ডেকে উঠল। মেঘ ভেঙে এইবার শ্রাবণের অপূর্ব গোধূলি আলোর জোয়ার ঢুকছে অপালার ঘরে।

    অপালা বিমর্ষ স্বরে বলল—‘আমার পরিস্থিতিতে যতদূর পারছি, গাইছি মিতুল। শেখাই। কারণ শেখাতে আমার ভালো লাগে। এক ধরনের রেওয়াজও হয়ে যায় তাতে। কিন্তু তুই তো জানিস আমি না গেয়ে পারি না!’

    —‘টাকার জন্যে শেখাও?’

    —‘না, তা ঠিক নয়। তোক তো বললুমই ভালো লাগে। প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় ভাগ, কথামালাগুলো বারে বারে ঝালিয়ে নেওয়া হয়ে যায়। আর টাকার কথা যদি বলিস, সংসারে টাকার দরকার না থাকলেও মেয়েদের নিজেদের হাতে একদম নিজস্ব কিছু টাকারও দরকার হয়। হয় না?’

    মিতুল এক রকমের বাঁকা হেসে বলল—‘অফ কোর্স। নিজের হাতে নিজের উপার্জনের টাকা ছাড়া কোনও মেয়েই পুরো মানুষ নয়,হয় ছেলেমানুষ, নয় মেয়েমানুষ। কেন জানবো না অপুদি! না-ই বা বিয়ে করলুম। কিন্তু রামেশ্বর ঠাকুর শেখানোয় জীবন উৎসর্গ করেছিলেন গলা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল বলে, তোমার তো তা নয়! বছর দশেক আগেও কোনও কনফারেন্স অপালা দত্তগুপ্তকে ছাড়া ভাবা যাচ্ছিল না। আসরের শেষ আর্টিস্ট হিসেবে নয় অবশ্য, তার জন্যে পণ্ডিতজী ওস্তাদজী এঁরা আছেন। কিন্তু সন্ধ্যায়, প্রথম রাতে শোনা যেত। কিন্তু আজকাল অপালা দত্তগুপ্তকে নিয়মিত বলতে গেলে রেডিও ছাড়া শোনাই যাচ্ছে না। রেডিও শোনে খুব কম লোকে। দূরদর্শনে খুব মাঝে মাঝে দেখি। ব্যাপারখানা কী বলো তো?’

    অপালা হেসে তার বিমর্ষতাকে উড়িয়ে দেবার চেষ্টা করতে করতে বলল—‘এত দিন পরে হঠাৎ এরকম নাটকীয়ভাবে উদয় হয়ে তুই শক্ত শক্ত প্রশ্ন করতে শুরু করলে আমি কী করে উত্তর দিই বল তো? ভাবতে হবে কেন!’

    মিতুল বলল—‘অপুদি, আর যে শোনে না শোনে আমি রেডিও খুলে নিয়মিত তোমার গান শুনি। দূরদর্শন, তা-ও নেহাত অন্য কাজ না থাকলে মিস করি না। অপুদি, তুমিও একরকম আমার গুরু, অ্যান্ড ইউ আর স্টিল ওয়ান্ডারফুল। আ সিঙ্গার অফ সিঙ্গার্স। বাট…’

    অপালা চেয়ে আছে, মিতুল বলল—‘বাট দি অডিয়েনন্স হ্যাজ চেঞ্জড। তাই যখন মিতশ্রী ঠাকুরের পঁচিশটা ক্যাসেট এখন বাজারে চলছে, সেখানে অপালা দত্তগুপ্তর একখানাও নেই।’

    অপালা বলল—‘মিতুল তুই লাইট ক্ল্যাসিকাল গাস। নজরুল গাস। পপ গাস। তোর তো অত রেকর্ড হওয়া স্বাভাবিকই। তা ছাড়াও তুই প্লে-ব্যাক করিস। আমি বিশুদ্ধ মার্গসঙ্গীত গাই। হীরাবাই, কি মধুবাই এঁদের স্তরে তো উঠতে পারিনি যে, যে আমার রেকর্ড করতে ছুটে আসবে লোকে! ও সব নিয়ে আমি ভাবি না।’

    মিতুল বলল—‘অপুদি, তোমায় আমার বড্ড দরকার! বলো যা চাইব দেবে! বলো আগে!’

    এই সেই পুরনো মিতুল। আবদেরে। নাছোড়বান্দা। মাস্টারমশাইয়ের বাড়ির জমজমাট সঙ্গীতসন্ধ্যা। মিতুল হঠাৎ মজলিশের মধ্যিখানে বসে পড়ত, বলত, ‘আর গান নয়। কিছুতেই কাউকে গাইতে দেবো না, দেবো না।’ মাথাটা ক্রমাগত নাড়ত মিতুল। কিছুক্ষণ তাকে শান্ত করার চেষ্টা করতেন মাস্টারমশাই। তারপরে হার মানতেন। করুণ গলায় বলতেন—‘তবে আর কি হবে? আজ মিতুল ঠাকরুণ যখন একবার বেঁকে বসেছেন…তোরা তবে চলেই যা।’

    —‘না ওরা যাবে না।’ মিতুল আবার মাথা ঝাঁকাত। ওদের সবাইকে আমার সঙ্গে গল্প করতে হবে, হবে, হবে!’

    সেভাবে না বললেও মিতুলের গলায় সেই ছেলেবেলাকার জেদের সুর শুনতে পায় অপালা—‘কি চাইবি? গান শেখানো ছেড়ে দেবো? না ক্ল্যাসিক্যাল ছেড়ে আধুনিক ধরব? কোনটা?’

    মিতুল হেসে কুটি কুটি হয়ে বলল—‘কোনটাই না। আমাকে তুমি একটা টাইর‍্যান্ট ঠাউরেছো না? আমি নিজেরই ওপর জোর জবরদস্তি করতে পারি না যখন অন্যের ওপর জোর করা আমাকে মানায় না। মানায়?’

    —‘তুইই সেটা ভালো বুঝবি।’

    —‘শোনো, একটা দারুণ অপূর্ব ফিল্ম হচ্ছে। বাইলিঙ্গুয়াল, হিন্দি আর বাংলায়। গান নিয়ে। শুধু গান। গল্পটা একজন গায়িকার জীবনের ওঠাপড়ার। রোলটা আমি নিচ্ছি। কিন্তু আরও আরও গান তো চাই! সেই রকম একজন ক্ল্যাসিক্যাল গাইয়ের জায়গায় আমি তোমাকে চাইছি।’

    অপালা সভয়ে বলল—‘আমি অভিনয় করব? তোর মাথা খারাপ হয়েছে মিতুল?’

    মিতুল হাসতে হাসতে বললে—‘আরে বাবা অ্যাক্টোটা করবে অন্য লোকে। তুমি শুধু গলা দেবে। গাইবে। প্লিজ, তুমি না করো না। আমি কথা দিচ্ছি তোমার অমার্যাদা বা অসুবিধে কিছু না ঘটে এটা আমি দেখব। দক্ষিণাও তোমার সম্মান অনুযায়ী হবে। মিউজিক ডিরেক্টর কে বলো তো?

    অপালা চুপ করে ভাবছে।

    —‘রামেশ্বর ঠাকুর।‘

    —‘সত্যি?’ অপালার মুখে-চোখে আলো ঝলসে ওঠে।

    —‘অবশ্য, আরেকজনও সঙ্গে থাকবেন যুক্তভাবে, কিন্তু তোমার গানগুলো তুমি ইচ্ছেমতো বাবার সঙ্গে আলোচনা করে কমপোজ করে নিতে পারবে। এবার হ্যাঁ-টা বলো!’

    অপালা বলল—‘মাস্টারমশাই যখন আছেন, তখন আমার না করবার কোনও প্রশ্ন নেই। তবু আমায় একটু সময় দে। …মিতুল এবার চল, ওপরে চল।’

    মিতুল বলল—‘এখন তোমার ওপরে কে কে আছে বা আছেন অপুদি!’

    ‘রণো নেই, খেলতে গেছে। টিটু-বনি কোচিং-এ, ফিরতে দেরি হবে। মা মানে আমার শাশুড়ি, শ্বশুর আর জা আছে।’

    মিতুল বলল—‘তাহলে কার কাছে যাবো? আমি সোজা কথার মানুষ অপুদি, তোমার যে শ্বশুর-শাশুড়ির দাপটে তোমার এত বড় প্রতিভা ছাইচাপা হয়ে পড়ে রয়েছে…তোমার জা কে কিরকম জানি না, নতুন অ্যাকোয়েন্টেন্স, জাস্ট ফর ফর্ম, এতে আমার ইনট্‌রেস্ট নেই। শাশুড়িই বলেছিলেন না “আমার অমন গোরাচাঁদ ছেলের এমন কালিন্দী বউ! শাদা শাড়ি পরে বিয়ের কনে এসেছে, এ কি অলুক্ষুনে বউ রে বাবা!” তাঁদের কাছে শুধু শুধু ভীম নাগের সন্দেশ খেয়ে ফর্ম্যালিটি করতে যাবার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে আমার নেই।’

    অপালা হেসে বলল, ‘ওগুলো আমার পিসশাশুড়ি বলেছিলেন। তিনি মারা গেছেন মিতুল।’

    —‘মারা গেছেন বলেই তাঁর সাতখুন আমার কাছে মাপ হয়ে যাবে না, অপুদি। একটা উনিশ কুড়ি বছরের বাচ্চা বউয়ের মনে এসব কিরকম লাগে বোঝবার মতো বয়স নিশ্চয় তাঁর হয়েছিল।’

    ‘আর শাড়িটা? তোমার ওই ঢাকাই বেনারসীটা দীপুদি পছন্দ করে কিনে এনেছিল। কী ফাইট করে! তোমার জেঠু আলতার মতো লাল চেলি কিনবেনই, দীপদিও সেটা কিছুতেই কিনবে না। জিনিসটা আছে এখনও? অমন শাড়ি আমি এখনও পর্যন্ত আর দ্বিতীয় দেখিনি। আর কালিন্দী বউ! ওঁদের জন্ম-জন্মান্তরের ভাগ্য তুমি ওঁদের ঘরে এসেছো। শিবনাথদা থাকলে সেটা বলে বেশ খানিকটা কড়কে দিয়ে যেতুম। নেই যখন, অপুদি প্লীজ আমাকে ওপরে তুললা না।’

    অপালা হাসছে। বলছে—‘কী যে বলিস!’

    ‘না না। আমার ওসব ঢাক-ঢাক গুড়-গুড় নেই। ওপরে গেলে কী বলব জানো? বলব— এই যে মহাশয় এবং মহাশয়ারা আপনাদের গোরাচাঁদটি এনার গান শুনেই এনাকে গানের জগৎ থেকে একরকম ছিনিয়ে এনেছিলেন। প্রতিশ্রুতি ছিল এঁর গানের পথে কোনও বাধা হবে না। গোবরের ঘুঁটে দেবার জন্যে, আর লুচি বেগুনভাজা ভাজবার জন্যে, কিংবা বছর বছর বাচ্চার কাঁথা কাচবার জন্যে উনি ব্যবহৃত হলে ঐশ্বরিক ক্ষমতা নামক কনট্রোভার্শাল ব্যাপারটার একটা হিউজ ওয়েস্টেজ হয়।

    অপালা বলল— ‘থাম, থাম, উফ্‌— আমাকে ঘুঁটে দিতে হয় না। তুই মিতুল দিন দিন আরও ধারালো হয়ে উঠছিস। আর কী যে অপূর্ব দেখতে হয়েছিস আমি তো চোখ ফেরাতে পারছি না।’

    —‘দা-রু-ণ! সুন্দর? তুমিও সুন্দর দেখছ আমায়? সত্যি অপুদি?’

    —‘মানে? সুন্দরকে সুন্দর দেখব না? সুন্দর দেখবার চোখও আমার নেই বলছিস?’

    —‘উঁহুঃ আমার কেমন মনে হয়, গানেও যেমন তুমি বাইরের অঙ্গগুলোর প্রথাসিদ্ধ কৃতকৃত্য না মেনে রাগের গভীরে চলে যাও, মানুষের বেলাতেও তেমনি। বাইরে আমি যতটা সো-কল্‌ড্‌ সুন্দর, ভেতরে হয়ত ততটা নই এবং তুমি হয়ত সেটাকেই দেখতে পাও।’

    অপালা বলল—‘মিতুল, তুই তো আমাকে আমার চেয়ে বেশি চিনিস মনে হচ্ছে?’

    —‘খুব বকবক করছি তো? আসলে কথা বলবার লোক পাই না অপুদি। জীবনটা কী ভাবে কড়ায় সন্দেশের পাকের মতো বিজবিজ করতে করতে তৈরি হয়ে উঠছে, কি ভাবে সন্দেশের কড়া থেকে রসগোল্লার কড়াতে ট্রান্সফার হয়ে যাচ্ছি, এসব উপলব্ধিগুলোর কথা বলবার লোক পাই না। অপুদি আমাকে এখনও ভালোবাসো?’

    —‘তুই একটা খ্যাপা’

    —‘সত্যি সুন্দর দেখো?’

    —‘তুই না সত্যি…’

    —‘তাহলে আমাকে একবার জড়িয়ে ধরো, প্লীজ।’

    অপালার এসব অভ্যেস নেই। কিন্তু মিতুল ভেতরের আবেগে টগবগ করে ফুটছে। অপালা তো তার ছেলে-মেয়েকেও আদর করে না। যাই হোক, মিতুলকে নিয়ে তো পারা যাবে না, সে একটা হাত বাড়াতেই মিতুল প্রায় ঝাঁপিয়ে তার বুকের মধ্যে পড়ল, তার কাঁধে মাথা রাখল, দুদিকের গালে অনেকক্ষণ ঠোঁট রেখে মিষ্টি আওয়াজ করে চুমো খেল, তারপর ঠোঁটে ঠোঁট রেখে দুলতে দুলতে বলল— ‘ও অপুদি, আই হ্যাভ অলওয়েজ লাভ্‌ড্‌ ইউ সো, অ্যাজ ইফ ইউ ওয়্যার মাই লাভার, দা বিগ, ডার্ক, হ্যান্ডসম লাভার, সো কেয়ারিং, সসা সফ্‌ট, সো আন্ডারস্ট্যান্ডিং! আই স্টিল রিমেমবার হাউ ইউ ইউজ্‌ড্‌ টু সিং মি টু স্লীপ, আই হ্যাভ অলওয়েজ বীন এ বিগ চাইল্ড, য়ু হ্যাভ অলওয়েজ বীন সো ম্যাচিওর। ওহ্, হাউ সফট ইয়োর চীকস আর, হাউ সুইট স্মেলিং, হোয়াই কান্‌ট্‌ মেন বী লাইক দিস?’

    তার গলা জড়িয়ে ধরে মিতুল যখন এইভাবে প্রলাপ বকে যাচ্ছিল, তখন শিবনাথ ঢুকছিলেন অবাক হয়ে এই দৃশ্য দেখতে দেখতে। তিনি মিতুলকে পেছন থেকে দেখতে পাচ্ছেন, তার ফর্সা হাত আর গালের একটু অংশ, চুলের লালচে গুচ্ছ, সব মিলিয়ে তিনি তাকে মেমসাহেব-জাতীয় কিছু ভেবেছিলেন এবং এই অপরিচিত মেমসাহেব কেন তাঁর স্ত্রীকে এভাবে আদর করছে ভেবে পাচ্ছিলেন না। অপালা শিবনাথকে বড় বড় চোখে তাকাতে দেখে ভীষণ লজ্জা পেয়ে গিয়েছিল। সে ডাকল—‘মিতুল, সোজা হ, তোর শিবনাথদা আসছে।’

    মিতুল সোজা হয়ে দাঁড়ালো। ‘আসছেন তো সসা হোয়াট! এই যে শিবনাথদা, ডু ইউ সি হাউ প্ৰেশাস অ্যান্ড লাভেবল্‌ ইয়োর ওয়াইফ ইজ? বেশ তো একটি নেয়াপাতি ভূঁড়ি বাগিয়েছেন দেখছি। আমি আপনার শ্যালিকা। কোনও কিছুতেই আমার ওপর আপনি রাগ করতে পারছেন না। কান মুলে দিলেও না। যাই বলুন আর তাই বলুন, আপনাদের বিয়ের সময়েই বুঝেছিলুম— ইউ ডোন্ট ডিজার্ভ অপুদি। লেনার্ড উলফের কথা জানেন? ভার্জিনিয়া উলফের হাজব্যান্ড। নিজেও সম্ভাবনাময় পুরুষ ছিলেন। কিন্তু স্ত্রীর প্রতিভা নিজের থেকে অনেক উঁচু দরের বুঝে স্যাক্রিফাইস করেছিলেন প্রচুর। সোল এগজাম্‌প্‌ল। আপনাকে কেউ স্যাক্রিফাইস করতে বলছে না। অন্তত যাতে ক্ষমতাটা নিজের পথ ঠিকঠাক খুঁজে নিতে পারে সেটা তো দেখবেন?’

    শিবনাথ খুব গম্ভীর চাপা স্বভাবের মানুষ। তিনি একদম অপরিচিত অনিন্দ্যকান্তি এই যুবতীর আক্রমণে একেবারে হকচকিয়ে গিয়েছিলেন।

    অপালা ব্যাপারটা বুঝতে পেরে হেসে বলল— ‘চিনতে পারছো না? এ মিতুল! মাস্টারমশায়ের মেয়ে মিতশ্রী।’

    এই বার শিবনাথ চিনতে পারলেন। কবে সেই বিয়ের সময়ে বাসরে গেয়েছিল, নেচেছিল, এখন নানা জায়গায় ছবি দেখেন, একেকটা একেক রকম। তিনি ঠিক বুঝতে পারেন না কোনটা মিতশ্রী ঠাকুরের আসল চেহারা। খুব পপুলার গায়িকা।

    তিনি হেসে বললেন—‘আরে, সত্যিই তো আপনাকে আমার খুব চেনা উচিত ছিল। বাসরে সেই গান—

    ট্যাং ট্যাং ডিং ডিং শাস্তি! কি শাস্তি লো

    অপুদির গলাতেই ফাঁস দিলো

    বরখানা গিরগিটি জিভটা সড়াত করে বার করে

    তেলাপোকা গিলে নিলো!

    তার সঙ্গে তেমনি রক নাচ। গানটা কি আপনার নিজেরই রচনা ছিল!’

    —মিতুল ভীষণ হাসছে। বলছে—‘এ গান আবার, আমি ছাড়া কে বাঁধবে?’

    শিবনাথ বলল— ‘আমি তো আপনার অপুদির যোগ্য নই-ই। আপনিও কিন্তু যোগ্য বোন নন। অন্তত আট দশ বছর পরে খোঁজ নিচ্ছেন।’

    মিতুল নিচু হয়ে কপালে হাত ঠেকিয়ে একটা আদাব জানাবার মতো ভঙ্গি করলে। বললে— ‘অপুদির খাঁচাটা খুলে দিন শিবনাথদা, আজ চলি।’

    শিবনাথকে কাটিয়ে সে দরজা পেরিয়ে ছোট্ট পথটুকু পার হল, তারপর তার মারুতিতে উঠে পড়ল। মুহূর্তের মধ্যে স্টার্ট দিয়ে বেরিয়ে গেল।

    এখন তার সারা শরীরের ত্বক জুড়ে অপুদির স্পর্শ। ছেলেবেলার মধুর স্মৃতি মাখা। অপুদিকেই সে বাবার ছাত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে ভালোবাসত। একটা বীরপূজার ভাব ছিল। ছোটবেলার চোখে অপুদিকে অসম্ভব সুন্দর লাগত। অপুদি যখন গান ধরত, অনেক সময়ই বাবা তাকে তানুপুরো ছাড়তে বলতেন। সে অবাক মুগ্ধ চোখে দেখত, ছোট্ট কপাল, চুলগুলো অতি সাধারণ ভাবে পেছনে একটা মোটা বেণী বাঁধা, ধনেখালি শাড়ির আঁচল কাঁধে বেড় দিয়ে সামনে এসে পড়েছে। লম্বা ভূরুর তলায় লম্বা লম্বা চোখ, কখনও বোজা, কখনও আধখোলা, ছোট্ট মুখ, তার মধ্যে দিয়ে জলস্রোতের মতো কলকল কলম্বনে সুর বেরিয়ে আসছে। অপুদির শরীরে কী সুন্দর একটা গন্ধ, এ কোনও পাউডারের বা পার্ফুমের নয়। এ বোধহয় একাগ্রতার, বিশুদ্ধতার গন্ধ।

    প্রথমে সে ‘আশাবরী’ নামক ফিলমের নায়িকা হবার কাজটা নিজের জন্যই নিয়েছিল। সম্পূর্ণ নিজের জন্য। কিন্তু ধীরে ধীরে তার মত বদলেছে। সে অবশ্য খুব কম সময়েই এক খেয়ালে, এক সংকল্পে স্থির থাকতে পারে। যতই সে বুঝেছে প্রোডিউসারের ওপর তার প্রভাব দৃঢ় হচ্ছে ততই তার আব্দার বেড়ে যাচ্ছে। বাবাকে মিউজিক ডিরেক্টর করতে ওরা একেবারেই রাজি হয়নি। বলেছে ‘ছবি মার খেয়ে যাবে, মিতশ্রী দেবী, একটু কনসিডার করুন।’ কেন রাজি হবে? কে আজ চেনে রামেশ্বর ঠাকুরকে? সে এসব ভালোই বোঝে কিন্তু সে তার আবদারে অটল থেকেছে। বলেছে, ‘আরেকজন ডিরেক্টর রাখুন আপনাদের পছন্দ মতো। কিন্তু রাগসঙ্গীত পরিচালনা করা রামেশ্বর ঠাকুরের মতো কেউ পারবে না। আমি আপনাদের চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি।’ জনৈক বিখ্যাত মিউজিক ডিরেক্টরকে অনেক কষ্টে যুগ্মভাবে রামেশ্বরের সঙ্গে কাজ করতে রাজি করানো হয়েছে। প্রচুর গান, পপগান, নাচের সঙ্গে গান। সেসব তিনি করবেন। রামেশ্বরের এলাকা অন্য।

    গল্পটা ওরা যখন তাকে শোনাল তখন মিতুলের প্রথমেই মনে হয় এটা একটা এমন গতানুগতিক গল্প, যাতে তার জীবনের কিছুই ফুটবে না। কল্পনা, গভীরতা এসব এদের কিছু নেই। একজন প্রতিদ্বন্দ্বিনী গায়িকার ভূমিকা আছে, প্রথম থেকেই সে এটাতে অপুদিকে ভেবে এসেছে। কিন্তু এদের গল্প অনুযায়ী সে চিরকাল তার ওই ঝিংচাক গেয়ে জিতে যাবে আর অপুদি ওই স্বর্গীয় গলা এবং গায়কী নিয়ে হেরে যাবে। এটা হাস্যকর তো বটেই, অপুদির কাছে পেশ করাও শক্ত। অপুদি তো পেশাদার প্লে-ব্যাক-সিঙ্গার নয়! তার মাথায় একটা আইডিয়া আসে, বাবার সঙ্গে আলোচনা করে সেটা আরও পূর্ণতা পায়। তখন সে সিন্‌হাকে বলে— ডোন্ট মাইন্ড, আপনাদের স্টোরি-লাইনটা… জাস্ট লাইক এনি আদার স্টোরি।’

    সিনহা আমতা আমতা করে বলেন—‘আসলে আমাদের একটা ফর্মুলা আছে তো… মিস ঠাকুর।’

    —‘আই নো। অ্যান্ড আই হেট ইট। অথচ বারে বারেই আপনারা ক্লেইম করছেন এটা নাকি এক্সপেরিমেন্ট। অর্ডিনারি মশালা ছবি নয়।’ তার পরে সে প্রকাশ করে তার গল্প। চটুল, মনভোলানো, জলুস-অলা গানের আত্মিক দিক থেকে সমৃদ্ধ সঙ্গীতের কাছে আত্মসমর্পণের গল্প। সে এ-ও জানায়, যে রাগসঙ্গীত গেয়েও দর্শককে মাতিয়ে দিতে পারেন এরকম গায়িকা তার জানা আছে।

    সিনহা বললেন ‘আইডিয়াটা সত্যিই ভালো। আমরা নানারকম রুচিকে স্যাটিসফাই করবার স্কোপ পাচ্ছি। আপনি দেখছি সত্যিই ভার্সেটাইল মিতশ্রী দেবী। তা কে কণ্ঠ দেবেন, আমায় একটু যদি জানান, শেষকালে আপনাদের একটা ডুয়েট দিয়ে ছবি শেষ হতে পারে।’ তখন অপালার নাম করে সে।

    নামটা শুনে মিঃ গৌরাঙ্গ সিনহা উত্তেজনায় উঠে দাঁড়াল, বলল ‘অপালা দত্তগুপ্ত! অপালা দত্তগুপ্ত। ইজ শী অ্যালাইভ? ইজ শী রিয়্যালি আভেলেব্‌ল্‌?’ বছর আষ্টেক আগে আমি ওকে ডোভার লেনে শুনি। মারোয়া গেয়েছিলেন, তারপর ঠুম্‌রি; শেষে ভজন ‘মৎ যা, মৎ যা, মৎ যা, যোগী…’ এক কথায় অনির্বচনীয় সেই এক্সপিরিয়েন্স। আমি জীবনে ভুলব না। কত খুঁজেছি তারপর ওঁর নাম। আর কখনও পাইনি।’

    মিতুল বলল—‘গান বাজনার জগতের পলিটিকসের ব্যাপার জানেন তো? প্রথমত উদ্যোক্তারা ওঁকে হয় ঠুমরি নয় ভজন গাইতে বলেছিলেন। গানের মুড এসে গেলে অপালাদির জাতের গায়িকার ওসব মনে থাকে না। তিনি দুটোই গেয়েছিলেন। শ্রোতারা চেয়েছিল। এই এক, তার ওপর গান নিয়ে এক নামকরা সমালোচক প্রচুর তর্কের ঝড় তোলেন…’

    সিন্‌হা বলল—‘গানের অত টেকনিক্যালিটি আমি বুঝি না। ইট ওয়াজ ফ্যানটাসটিক। মিতশ্রী দেবী, গানের ওপর আমার বিশেষ ঝোঁক বলেই কেজরিওয়ালকে এই ছবিটাতে ইনট্‌রেস্টেড করিয়েছি। আপনার অনেক প্রোগ্রাম শুনিয়েছি। কিন্তু স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনি— অপালা দত্তগুপ্তকে পেয়ে যাবো। ইউ গো অ্যাহেড।’

    মিতুল নিজের মনের মধ্যে খুঁজে খুঁজে দেখে সে কি এতে একটু ঈর্ষান্বিত হয়েছিল! না, না। একেবারেই না। একটা খুব সুন্দর সুগন্ধ ফুল, ফুটে আছে তার সমস্ত সৌন্দর্য ছড়িয়ে, সে কি দক্ষিণা হাওয়ার কাছে নিজেকে সমর্পণ করে এক ধরনের আনন্দ পায় না। তার কোনও ক্ষণিকের ভালোবাসার মানুষকে আলিঙ্গন করে যে সুখ সে পায়নি, অপুদির বুকে মুখ ঘষে সে আজ তার চেয়ে অনেক বেশি সুখ কেন পেল! সে জানে না জানে না। অনেক আত্মবিশ্লেষণ করা সত্ত্বেও তার নিজের চরিত্রের কিছুটা এখনও মিতুলের কাছে ছায়াময়, দুর্বোধ্য। সে সানগ্লাসটা খুলে গ্লাভ কম্পার্টমেন্টে রেখেছিল, এখন সেটা বার করে পরে নিল। রোদ নেই। গোধূলি ফুরিয়ে গেছে। রাস্তার আলোগুলো জ্বলে উঠছে একে একে। সানগ্লাসের আড়াল তার এখনও কিছুক্ষণ দরকার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজন্মভূমি মাতৃভূমি – বাণী বসু
    Next Article উজান-যাত্রা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }