Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গান্ধর্বী – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প330 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গান্ধর্বী – ১৯

    ১৯

    ‘আশাবরী’ ফিল্মের শেষ গানটি ছিল অপালা এবং মিতশ্রীর যুগ্ন গান। আসাবরীতে। ললিতে আরম্ভ করে ধীরে ধীরে আসাবরীতে মিশে গেছে। অসম্ভব সাফল্য পেয়েছে গানটি। মিতশ্রীর গলার দানাওলা বুনোট, একটু ভারী যেন স্প্যানিশ গীটারের মতো দাপট, অন্যদিকে অপালার সুরবাহার। সত্যি-সত্যিই কখনও নাভি থেকে, কখনও হৃদয় থেকে, কখনও কণ্ঠ থেকে কখনও মস্তিষ্ক থেকে বেরিয়ে আসছে সুরধারা। দুটো স্বর একেবারে আলাদা করে চেনা যাচ্ছে তাদের দ্বৈতসঙ্গীতে। তারা কখনও গেয়েছে দুজনে, কখনও এ একা, কখনও ও একা।

    ‘আশাবরী’ ফিল্ম জগতে একটা হই-হই ফেলে দিল। সকলেই বলছে মার্গ-সঙ্গীতের ওপর ভিত্তি করে কোনও ছবির এতখানি সাফল্য কেউ চিন্তাতেও আনেনি। মার্গ সঙ্গীতের বিক্রিরও একটা রেকর্ড হয়ে গেল। সকলেই বলছে ফিল্ম যেমন রবীন্দ্রসঙ্গীতকে এক সময় পপুলার করেছিল, সেরকমই ফিল্ম এবার উচ্চাঙ্গসঙ্গীতকে জনপ্রিয় করল। ছবির প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী চললে এটা হত কিনা সন্দেহ। গল্পটাকে বহুবার বদলে বদলে ফেলা হয়েছে। বেশ কিছু ফিল্ম নষ্টও হয়েছে। কিন্তু মিতুল যতক্ষণ না তৃপ্ত হচ্ছে ততক্ষণ থামেনি। এবং দেখা গেছে তার সৃজনীশক্তি, কল্পনা, পরিচালক গৌরাঙ্গ সিন্‌হার থেকে অনেক অনেক পরিণত। রামেশ্বরের অপূর্ব সব বন্দিশ চয়ন, অপালার অপ্রত্যাশিত কণ্ঠলাবণ্যের আবিষ্কার ছবির মূল ভিত্তি। মিতুল তার জীবনের যা কিছু স্খলন, পতন, ত্রুটি, খেয়াল, জেদ, সাফল্য, গ্ল্যামার ছড়িয়ে দিয়েছে ছবিটির প্রথম অংশে। অপালার সঙ্গে তার গানের মোকাবিলা ছবিটির ক্লাইম্যাক্স। প্রথমে এরা রেখেছিল সেই বহুব্যবহৃত প্রতিযোগিতা টেকনিক। কিন্তু অপালার গানের পরিপক্কতার সঙ্গে প্রতিযোগিতাকে খাপ খাওয়াতে স্বয়ং মিউজিক ডিরেক্টরই ব্যর্থ হয়ে গেলেন। মিতুল একে পাল্টে দিল এক জলসায়। যাতে নাকি সে জনপ্রিয়তম পপ-সিঙার হিসেবে উপস্থিত। এবং এইখানে মিতুল তার মনের সাধ মিটিয়ে গানের সঙ্গে নাচলও। সে নাচ ভরতের নাট্যশাস্ত্র মেনেও নয়, ব্যালের নিয়ম মেনেও নয়, শুধু গানের সুরের সঙ্গে নিজেকে কখনও সমস্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গসহ মুচড়িয়ে যাওয়া, কখনও ভেসে যাওয়া মঞ্চের ওপর দিয়ে, কখনও শুধু পায়ের কাজ, কখনও কত্থকের মতো, কখনও ব্যালের ভঙ্গিতে। তার এই অদ্ভুত খিচুড়ি নাচের এফেক্ট দেখে ডিরেক্টর আরও কয়েকটা এরকম নাচের সিকোয়েন্স রাখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু মিতুল রাজি হয়নি। অন্য গানের সঙ্গেও সে নেচেছে কিন্তু সে শুধু অল্পস্বল্প হাতের মুদ্রা, কটিভঙ্গ। একটু পায়ের কাজ, চোখের ভঙ্গি এই পর্যন্ত। তার যুক্তি এ জিনিস আগে থেকে অভ্যাস করিয়ে দিলে ক্লাইম্যাক্সের দৃশ্যে এর তেমন ইম্প্যাক্ট হবে না। উপস্থাপনার শিল্পে মিতুলের জন্মগত অধিকার। দেখা গেল মিতুলের ধারণাই ঠিক। ফিল্‌মে আছে নায়িকার এই গানের পরে দর্শক-শ্রোতা তুমুল হাততালিতে ফেটে পড়ল। হলে হলে ফিল্‌মটি দেখার সময়েও দর্শকদের একই প্রতিক্রিয়া দেখা গেল। একেবারে স্বতঃস্ফূর্ত। এর পরই অপালার গান। অভিনয় করছেন একজন নামকরা পঞ্চান্ন-ছাপ্পান্ন বছর বয়স্ক প্রতিথযশা অভিনেত্রী। সেই তুমুল হাততালির পর তিনি তাঁর মহিমাময়, শান্ত, প্রত্যয়ী পদক্ষেপে আস্তে আস্তে এসে বসছেন, যন্ত্রীরা চারপাশে নিজেদের সাজিয়ে নিচ্ছে ধীরে ধীরে। তিনি ধীর ভঙ্গিতে আরম্ভ করলেন কৌশিকী কানাড়া। আশ্চর্যের বিষয় অন্তত কুড়ি মিনিট এই গানের সিকোয়েন্স। আলাপ, গান, সুরবিস্তার, নানারকম লয়কারি, সরগম। এবং অবশেষে ভজন ‘দুসর ন কোই মেরে তো গিরধার গোপাল।’ ফিলমের দর্শক একেবারে লুপ্ত পূর্বস্তৃতি হয়ে এই গান শুনল, যখন শেষ হল তখন নায়িকার বহু আলো এবং যন্ত্রের কারসাজি সমেত গান ও নাচের রেশ সম্পূর্ণ মিলিয়ে গেছে। ফিলমে দেখানো হচ্ছে এই গানের শেষে একটিও হাততালি নেই, আবহসঙ্গীত নেই, এক ভরাট নৈঃশব্দ্যের মধ্যে গায়িকা যুক্ত করে মাথা নিচু করে তাঁর শ্রোতাদের নমস্কার জানাচ্ছেন। শ্রোতারাও ঠিক সেই একইভাবে তাঁকে নমস্কার করছেন, নিচু হয়ে। পাশ থেকে সামনে থেকে ওপর থেকে শট নেওয়া হয়েছে। ওপর থেকে নেওয়া শটটা দেখাচ্ছে অনেকটা রেড বোডের ওপর ঈদের নামাজের দৃশ্যের মতো। তারপর দিগ্‌ধা দিগ্‌দি্‌গ থেই এই ছন্দের তেহাইয়ে সমস্ত দৃশ্যপটটিকে তিনবার ঘুরিয়ে অবশেষে অডিটোরিয়ামে বসা মিতশ্রীর স্তব্ধ দেহ আর মুখের ওপর ক্যামেরাকে স্থির করা হয়েছে। যেন একটা উদ্দেশ্যহীন ঘুরন্ত জীবনের চক্রদার শেষ করে এবার তার জীবন এক অর্থপূর্ণ মূল্যবান সমে এসে থামল। ইঙ্গিতটা এইরকম। এরপর আছে অপালার যথেষ্ট গান, ভাটিয়ার, বৃন্দাবনী সারং-এ রাগপ্রধান, তিলক কামোদ যার শেষে সে হঠাৎ নজরুলের গানটি ধরে নেয় মাঝখান থেকে। ছবি যেখানে শেষ হচ্ছে সেখানে অনেক প্রার্থনা অনেক সাধনার পর নায়িকা এই সাধিকা শিল্পীর পর্যায়ে পৌঁছতে আরম্ভ করেছেন। নির্জন পর্বতবাসে ডুয়েট গান প্রথম ললিত তারপর আসাবরীতে। পুরো আধ ঘণ্টার গান, আলাপ, বিলম্বিত খেয়াল, দ্রুত খেয়াল যার অনেকটাই যন্ত্রসঙ্গীতের মতো ঝালার ভঙ্গিতে গাওয়া। একজন দ্রুত তান করে যাচ্ছে, আরেকজন মিড় টানছেন কণ্ঠে, গভীর দরদী। ব্যাকুল মিড়। তারপর সেই দ্রুত গান চৌগুণ থেকে একেবারে প্রথমে যে ভাবে আরম্ভ হয়েছিল সেই ধীর বিলম্বিত ঠায়ে শেষ হচ্ছে। অবশ্য এর সঙ্গে আছে প্রচুর দৃশ্য। নায়িকার জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, দুঃখ, শোক, আনন্দ, আবেগ সবই এখানে গানের অগ্রগতির সঙ্গে দেখানো হচ্ছে। সেই সঙ্গে রয়েছে অন্ধকার কেটে ভোর হবার দৃশ্য। পাহাড়ের তুষারাবৃত শৃঙ্গে শূঙ্গে নানান রঙে সূর্যালোকের প্রতিবিম্বিত হবার দৃশ্য। কিন্তু এই সব দৃশ্য-কাব্য ছাড়াও শুধু গানের গুণেই ছবিটি জনপ্রিয়তা অর্জন করল। এটা কোনও মার্গসঙ্গীত-ভিত্তিক ছবির পক্ষে সম্ভব বলে কেউ মনে করেনি। পরিকল্পনার বাহাদুরি যে প্রায় সম্পূর্ণই মিতশ্রীর প্রাপ্য সে কথা স্বয়ং গৌরাঙ্গ সিনহা পর্যন্ত শতমুখে স্বীকার করলেন। ছবিটির ইংরেজি সাব-টাইটল হল— ‘দা মিউজিক অফ অ্যাসপিরেশন।’ স্বদেশ-বিদেশে প্রচুর পুরস্কার পেলো ছবিটি। শ্রেষ্ঠ গায়িকার পুরস্কার পেলো অপালা দত্তগুপ্ত। কিন্তু মিতুলের আসল লাভ হল অন্যখানে। সে বরাবর অপালাকে ভালোবাসে। অপালাদির এই সাফল্যে সে শুধু যে আনন্দিত তাই নয়, একটা প্রিয়জনকৃত্য এতদিনে করল—এই তার মনোভাব। দ্বিতীয়ত রামেশ্বর ঠাকুরকে এখন অনেকেই মিউজিক ডিরেক্টর হবার জন্য ডাকছে। তিনি রাগসঙ্গীতের সুর তো সম্পূর্ণ দিয়েছেনই, তার ওপর জায়গায় জায়গায় আবহসঙ্গীত করেছেন অসাধারণ। আর তৃতীয়ত মিতুল এতদিনে বোধহয় তার বহুদিনের অন্বিষ্ট এবং নাচকে একত্রে পেলো।

    নাচের কমপোজিশনের জন্য রাখা হয়েছিল শেখরণ নামে একটি যশস্বী শিল্পীকে। অন্যান্য নাচের রচনা ইনি নিজেই করলেন যথাযথ। কিন্তু মিতুল যখন তার ক্লাইম্যাক্স দৃশ্যের নাচটি দেখালো, শেখর বললেন—‘এ তো একেবারে অন্যরকম। খানিকটা আমেরিকান মডার্ন ডান্সের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। এতে আমি হাত দিতে পারবো না। এতে কিছু করার নেই। ইট ইজ পার্ফেক্ট ইন ইটস ওন ওয়ে। আপনি কার কাছে নাচ শিখেছেন?’

    মিতুল একটু হেসে বলল—‘কারুর কাছে না। দেখে দেখে। বই পড়ে পড়ে।” শেখরণ্‌ অবাক হয়ে বললেন—‘আর ইউ সীরিয়াস?’

    —‘ওহ ইয়েস।’

    —‘আমার কাছে শিখবেন? আপনাকে আমি কয়েক বছরের মধ্যেই তৈরি করে দেবো। আপনার তো দারুণ ফ্লেক্সিব্‌ল্‌ বডি, শিখবেন?’

    শেখরণ্‌ দক্ষিণী ব্রাহ্মণ। তার গায়ের রঙে একটা খাঁটি সর্ষের তেলের মতো আভা। শুধু গায়ে এক ফালি উত্তরীয় পৈতের মতো করে পরে মাথার ঝাঁকড়া চুল ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে সে যখন বিশুদ্ধ তাঞ্জোর স্টাইলে নাচে, তার দেহের সমস্ত পেশীগুলিও নাচতে থাকে। মিতুলের গা শিরশির করে। সে অনুভব করে ডিরেক্টর সিনহার প্রতি তার যে একটা প্রাথমিক যৌন টান গড়ে উঠেছিল, সেটা কবে ছবি তৈরির নানা মুহূর্তে শিথিল হতে হতে এখন একেবারে উধাও হয়ে গেছে। সিনহার মতো কল্পনাহীন, এক কথায় ম্যাদামারা পুরুষ, যে আবার কেজিরিওয়ালের থাবার দিকে তাকে নানান কায়দায় এগিয়ে দেবার চেষ্টা করে গেছে, তার প্রতি যে কোনদিন কোনও আকর্ষণ অনুভব করেছিল এটা ভাবলেও মিতুলের নিজেকে চড় মারতে ইচ্ছে হয়। কেজরিওয়াল একেবারে তার গা ঘেঁষে নিজের সমস্ত মেদভার তার ডানদিকটার ওপর ন্যস্ত করে বসল। দুজনের হাতেই গ্লাস। মিতুল খাচ্ছে জিঞ্জার বীয়ার, কেজরিওয়াল হুইস্কি। মিতুল মিষ্টি হেসে জিগগেস করল— ‘হুইচ ব্র্যান্ড অফ আফটার শেভ ডু ইউ ইউজ মিঃ কেজরিওয়াল?’

    কেজরিওয়াল প্রায় মিতুলের গালে গাল ঠেকিয়ে বলল—‘হোয়াই শুড আই, ডিসক্লোজ মাই সিক্রেট মিতসিরি?’

    মিতুল আরও হেসে বলল— ‘নো, আই ওয়াজ ওয়ান্ডারিং ইফ ইট ওয়াজ মেড অফ কাউ-ডাঙ।’

    তখন ছবি শেষের দিকে। কেজরিওয়ালের আর ফেরবার পথ নেই। সিনহাকে নিজের ঘরে ডেকে মিতুল বলল— ‘গৌরাঙ্গ, এখন যদি আপনার দু গালে কষে দুটো চড় কষাই পুরো টীমের সামনে, হাউ উড য়ু ফীল।’

    গৌরাঙ্গকে ক্ষমাপ্রার্থনা করতে হয়েছিল। বহু টাকার প্রজেক্টটা নইলে মুখ থুবড়ে পড়ত।

    কিন্তু শেখরণ্‌কে সে কিছুতেই তার মন থেকে সরাতে পারছে না। অথচ আপাতদৃষ্টিতে শেখরণ্‌ তার বিখ্যাত আবেদন সম্পর্কে সম্পূর্ণ অচেতন। তার সঙ্গে শেখরণের বেশি কাজও নেই। তা সত্ত্বেও বম্বের যে হোটেলে মিতুলরা তখন বাস করছে সেখানে নিজের ঘরে সে শেখরণ্‌কে আলোচনার জন্য ডেকে পাঠাল।

    কিছুক্ষণের মধ্যে শেখরণ্‌ এসে গেল। সে পরেছে ফেডেড জীনস্ এবং ঢোলা হাওয়াই শার্ট। শেখরণের চলাতেও একটা তাল থাকে। সে যখন তালে তালে চলছে তার শার্টটা দুলছে ডান দিক থেকে বাঁ দিকে। কোথাও বাধছে বলে মনে হচ্ছে না। এতো সরু কোমর। মিতুল আজকে একটা চামুণ্ডি জর্জেট পরেছে। মাথার চুল ছাড়া। ঠোঁটে কোনও প্রসাধন নেই।

    শেখরণ্‌ ভালো বাংলা বলতে পারে— আড়াই বছর শান্তিনিকেতনে নাচ শিখিয়েছে। সোফার ওপর বসে সে হাঁটুর ওপর হাঁটু রাখল, তারপর তার উদয়শংকরী হাত দুটো দুদিকে ডানার মতো মেলে দিয়ে বলল— ‘বলুন।’

    কোনও নর্তক যখন পোশাক পরে থাকে তখন তার দেহসৌষ্ঠব প্রায় কিছুই বোঝা যায় না। ঠিক ব্যায়ামবীরদের মতো। কিন্তু শেখরন্‌ আয়ার শুধু সুদেহী নয়, সুমুখও। তার ভ্রূ দুটি প্রায় জোড়া। শক্তপোক্ত টিকোলো নাক। চোখ দুটি ভাষাময়। ঈষৎ স্থুল, বঙ্কিম এবং একটু ছড়ানো তার ওষ্ঠাধর।

    মিতুল অপলকে তার দিকে তাকিয়ে বলল— ‘বলবার কথা তো আপনারই?’

    —‘আমার?’

    —‘বাঃ আপনি তো বলছিলেন আমার নাচের ট্যালেন্ট আছে। বছর দুয়েকের মধ্যে নাকি তৈরি করিয়ে দেবেন!’

    —‘দেখুন মিতশ্রী, পিওর ক্ল্যাসিক্যালের দৃষ্টি থেকে দেখতে গেলে আপনার অনেক ভুল আছে। যেমন আপনি কত্থকের পায়ের কাজের সময় যেখানে পায়ের পাতা সোজা পড়বে, সেখানে গোড়ালি তুলছেন। তাছাড়া কত্থকের পায়ের সঙ্গে আপনি প্রচুর ভরতনাট্যমের মুদ্রা করেছেন। অনেক লিবার্টি নিয়েছেন। সেই জন্যেই জিজ্ঞেস করছিলুম আপনি কার কাছে শিখেছেন। কিন্তু আপনি যে আনইউজুয়ালি ক্রিয়েটিভ, সে আমি একটু দেখেই বুঝে নিয়েছি। আর যেহেতু এতে আবার ব্যালের অঙ্গও মিশিয়ে একটা ইম্প্রোভাইজ্‌ড্‌ ধরনের নাচ তৈরি করেছেন, আমি এতে দোষের কিছু দেখতে পাইনি। এটুকু ক্যাথোলিসিটি আমার আছে। ইভ্‌ন দো আই বিলং টু দা কট্টর তাঞ্জোর ঘরানা।’

    —‘আপনি কি সত্যিই মনে করেন, এই বয়সেও আমি নতুন করে নাচ শিখতে পারবো?’

    —‘দ্যাট ডিপেন্ডস্’···

    —‘বুঝিয়ে বলুন।’

    —‘আপনি কি একেবারে পিওর ক্ল্যাসিক্যাল ডান্সার হতে চান?’

    —‘আমি কিছু হতে চাইনি। আপনিই বলছিলেন···’

    —‘বলেছিলাম···তবে সেটা অন্য কথা ভেবে···’

    —‘অথাৎ···’

    —‘দেখুন মিতশ্রী, আমি নিজেও ক্রিয়েটিভ স্বভাবের মানুষ। কতকগুলো স্টাইলের বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে বিশিষ্ট ঘরানার প্রয়োজন আছে এটা আমি অবশ্যই অনুভব করি। কিন্তু শান্তিনিকেতনে থাকবার সময়ে ওখানে বহু নৃত্যনাট্যর কোরিয়োগ্রাফি করবার সময়ে বিশেষত উদয়শংকরের ‘কল্পনা’ দেখে আমার ভেতরে অনেকদিন থেকেই কতকগুলো আইডিয়া আসছে। ভরতনাট্যম পুরোপুরি ভাবনৃত্য ও নাট্যনৃত্য। কিন্তু কিছুটা ইনিসিয়েশন না থাকলে তার মর্ম বুঝতে সাধারণ দর্শকের কালঘাম ছুটে যাবে। বিদেশি দর্শক শুধু অঙ্গভঙ্গি, সাজপোশাক আর সমবেত নৃত্যের যে অ্যাপীলটা আছে সেটা বুঝবে। তার বাইরে কিছু না। আমার ইচ্ছে ছিল কিছু নাট্যনৃত্য কমপোজ করি কিছু মিথ-এর ওপর বেস করে যেমন মহাপ্রলয়, মডার্ন থীমস্ যেমন বার্লিন ওয়ল, ভারতের স্বাধীনতা যুদ্ধের কিছু পর্যায়। রবীন্দ্রনাথের ‘চার-অধ্যায়’ও আমার মাথায় আছে। এর মধ্যে সব রকম আঙ্গিকের মিশ্রণ থাকবে, মিশ্রণটা ইচ্ছে মতো হবে না, ভাবকে অনুসরণ করবার জন্য হবে। যেমন আপনি ‘আশাবরী’র ক্লাইম্যাকটিক সিনে করলেন। জিনিসটা আরও রিচ হবে যদি আপনি কিছু ভারতীয় ক্লাসিক্যাল এবং ফোক ডান্স শিখে নেন।’

    —‘ওরে বাবা’, মিতুল বলল—‘সে তো ভীষণ পরিশ্রম!’

    —‘তা একটু আছে। তবে ইউ আর আইডিয়্যালি সুটেড ফর দিস কাইন্ড অফ থিং। আমরা একটা ইয়োরোপ টুর অ্যারেঞ্জ করতে পারি। আমার সঙ্গে যেতে রাজি, এরকম অনেক আর্টিস্ট আছেন, বাই দা ওয়ে, অপালাদিকে পাওয়া যাবে এ ধরনের পরিকল্পনায়?’

    মিতুল নিজের ভেতরে সূক্ষ্ম খুব সূক্ষ্ম একটা বিদ্রোহ অনুভব করল, বলল— ‘না। অপালাদি ঘরোয়া মানুষ। আমার মনে হয় না উনি রাজি হবেন।’

    —‘আমারও তাই মনে হয়েছিল। শী ইজ কোয়াইট ডেফিনিটলি এ জিনিয়াস।’

    মিতুল বলল— ‘আমার জাস্ট দেখে দেখে শেখা একটা তিল্লানা দেখবেন?’

    —‘দেখান।’

    একজন নামী ক্লাসিক্যাল ডান্সার-এর কাছে সে তার অ্যামেচারি দেখাচ্ছে, কিন্তু মিতুল বিন্দুমাত্র বিচলিত নয়।

    সে তৎক্ষণাৎ তার জর্জেটের আঁচল কোমরে জড়িয়ে চুলে একটা ফেট্টি বেঁধে নাচতে প্রস্তুত হয়ে গেল। শেখরণ্‌ আদিতালে গান ধরল। মিতুল নাচতে থাকল।

    কিছুক্ষণ পর সে শেখরণের পাশে বসে পড়ল। তার ডান কাঁধ স্পর্শ করেছে শেখরণের প্রসারিত হাতের আঙুল।

    শেখরণ্‌ বলল—‘ফ্যানটাসটিক। এটা আপনি শুধু দেখে তুলেছেন? আপনার নাচের প্রতিভা জন্মগত। গানও খুব ভালো গান। রিচ ভয়েস। কিন্তু নাচ করলে আপনি এতোদিনে একটা ওয়ার্ল্ড ফিগার হয়ে যেতেন। এটা কি আপনি আমাকে একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখালেন? পিওর ক্ল্যাসিক্যালে যাওয়া শক্ত হিন্ট দিয়েছিলাম বলে?’

    মিতুল ছেলেমানুষের মতো বলল—‘আপনি যদি সাভেরীতে গানটা ধরেন আমি আপনাকে একটা পল্লবীও দেখাতে পারি। এক্ষুনি। জাস্ট ফাইভ মিনিটস রেস্ট।’

    শেখরণ্‌ হেসে বললেন—‘লোভ হচ্ছে দেখতে। কিন্তু দরকার নেই। আপনি সব পারবেন এ বিশ্বাস আমার হয়েছে। আমি যে প্রজেক্টটা করছি, তাতে যদি আপনি ইন্টারেস্টেড হন তাহলে খুব ভালো হয়। ইন্টেনসিভ রিহার্সাল দিলে ছ মাসে আমরা তৈরি হয়ে যেতে পারবো। দা টুর ইটসেলফ মে টেক, সে, টু ইয়ার্স।’

    —‘আমার একটা নিজস্ব কেরিয়ার আছে।’

    —‘সেই জন্যই তো জিজ্ঞেস করছিলাম।’

    মিতুল একটু ভাবল। এক ‘আশাবরী’ থেকেই সে বহু টাকা পেয়েছে। দু বছর বাবাকে ছেড়ে থাকতে হবে। দুই কেন আড়াই। অপুদির সঙ্গে একটু কথা বলা দরকার। এতদিনে দীপালিদির দিদি মিলিদির ক্লাসগুলোতে হাঁ করে বসে থাকার ফল মিলল। সে মাথাটা হেলিয়ে বলল— ‘ডান।’

    শেখরণ্‌ উঠে পড়ল, বলল— ‘মেনি মেনি থ্যাংকস। আমার কয়েকটা কোরিওগ্রাফি রেডি। মডার্ন থিমগুলো নিয়ে এখন কাজ করছি। আপনি যখন রিং করলেন, ইন ফ্যাক্ট তখনও ওই কাজই করছিলাম।’

    মিতুল ব্যস্ত হয়ে বলল—‘অ্যাট লস্ট হ্যাভ সাম ড্রিঙ্কস শেখরণ্‌।’

    তার স্বরে কি ছিল, শেখরণ্‌ মুখ ফিরিয়ে চইল, মিতুলের চোখে চোখ পড়ল। এই প্রথম, জীবনে এই প্রথম বোধ হয় মিতুল তার চোখ নামিয়ে নিল। শেখরণ্‌ খুব নরম গলায় বলল—‘ও কে। লেটস হ্যাভ সামথিং হট্‌। ধরুন কফি।’

    ফোন তুলে কফির অর্ডারটা দিল মিতুল। সে একটু একটু কাঁপছে। তানপুরোর খরজের তারটা বাজালে, জুড়ির তার দুটো যেমন সরু করে বেজে ওঠে! তেমন! শেখরণ্‌ হঠাৎ একদম অপ্রাসঙ্গিকভাবে বলল—‘জানেন মিতশ্রী, আই ওয়জ ম্যারেড হোয়েন আই ওয়জ টোয়েন্টি। তখন আমার স্ত্রী সাবিত্রীর বয়স ছিল পনের। আমার এখন বিয়াল্লিশ বছর বয়স। সাবিত্রী আমার ছেলেবেলাকার সাথী বলতে পারেন। আনফর্চুনেটলি উই আর চাইল্ডলেস। সাবিত্রী একটি ছেলেকে অ্যাডপ্ট করেছে। আমার বাবা-মার সঙ্গে থাকে মাদ্রাজের একেবারে উত্তরে এরুক্কানচেরি বলে একটা জায়গায়। গান, বাজনা, নাচ কিছুই ওর আসে না। এমনকি খুব বোঝেও না। বাট শী ইজ ভেরি ভেরি সুইট অ্যান্ড গুড়। আমি তো বাইরে বাইরেই থাকি। বাট হোয়েন আই অ্যাম ইন ম্যাড্রাস, আই অ্যাম অল হার্স। এ গুড অ্যান্ড ডিউটিফুল, রেসপনসিব্‌ল অ্যান্ড লাভিং হ্যাজব্যান্ড। তখন এসব নাচ-টাচ চলবে না। অথচ আশ্চর্যের কথা, ওই সময়টা থেকেই আমি আমার অনেক আইডিয়াজ, ইনসপিরেশন পাই।’

    কফি এসেছে। মিতুল কাঁপা কাঁপা হাতে শেখরণ্‌কে ঢেলে দিল তার কফি। শেখরণের বিয়াল্লিশ বছর বয়স? সে ভেবেছিল বত্রিশ-টত্রিশ হবে। কী ভাবে চেহারা রেখেছে? ম্যারেড? ম্যারেড টু এ তামিল হাউজওয়াইফ! নাকের দুদিকে দুটো নাকছাবি। কুচকুচে কালো রঙের ওপর বেগনি কাঞ্জিভরম্ পরে ইডলি বানাচ্ছে! মাথায় গাঁদা ফুল!

    শেখরণ্‌ কফিতে চুমুক দিয়ে বলল—‘অ্যান্ড হোয়াট অ্যাবাউট ইউ?’

    মিতুল প্রথমটা জবাব দিল না। শেখরণের এই অপ্রাসঙ্গিক কিম্বা কে জানে হয়ত প্রাসঙ্গিক স্বীকারোক্তি তার পায়ের তলা থেকে মাটি সরিয়ে নিয়েছে। তারপরে তার সমস্ত শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে—ক্রোধ! ক্রোধ! ক্রোধ! তার চেহারাটা লাল হয়ে উঠেছে।

    সে বলল—‘বাবা অথাৎ রামেশ্বর ঠাকুর ছাড়া আমার কেউ নেই। আই লাভ হিম, অ্যান্ড হিম অ্যালোন। আমার মা আমার পাঁচ বছর বয়সের সময়ে বাবার এক মুসলিম শিষ্যর সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিলেন। সে ভদ্রলোকের নাম বললে আপনি চিনবেন। এখন মায়ের সঙ্গে থাকেন না। মোস্ট প্রব্যাব্‌লি মাই মাদার ইজ দা সোর্স অফ মাই ট্যালেন্ট ইন ডান্স। আমি বিয়ে করিনি, করবও না। আই হেট মেন।’

    শেখরণ্‌ দেখল— মিতুলের চোখ দিয়ে জল ঝরছে। নীচের ঠোঁটটা সামান্য ফুলে ফুলে উঠছে।

    শেখরণ্‌ নিজে শিল্পী। তার সমস্ত দেহ-মন সুর তাল ছন্দে বাঁধা। সে ভীষণ স্পর্শকাতর। কিন্তু তার আরেকটা দিকও আছে। বৈরাগ্যের দিক। জীবনে কিছু-কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস না পেয়ে পেয়ে যেমন মনোবৃত্ত্যনুসারিণী স্ত্রী, সন্তান, হয়ত আরও কিছু, এবং এই না পাওয়াটাকে মেনে নিতে নিতে সে সচেতনভাবে নিজের মধ্যে এই বৈরাগ্যকে গড়ে তুলেছে। এই বৈরাগ্য থেকে সে বহু উদাসীন প্রতিক্রিয়া আয়ত্ত করেছে। সে জানে এখন যদি ওই ক্রন্দসী শিল্পীকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে বহু যন্ত্রে এখনই বাগেশ্রী বেজে উঠবে, দুটি দেহকে নিঙড়িয়ে নিঙড়িয়ে। সে জানে মিতশ্রী কেন কাঁদছে। কতটা তার মায়ের বিশ্বাসঘাতকতার জন্যে আর কতটা জীবনের এই পরিপূর্ণ বিশ্বাসঘাতকতার জন্য যা আজ শেখরণের প্রতীকে তার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে সেই অনুপাতটা সে শুধু জানে না।

    শেখরণ্‌ বহু প্রয়াসে নিজেকে সংযত করে ফিরে দাঁড়াল। বলল—‘প্লীজ কালেক্ট ইয়োরসেলফ্‌ মিতশ্রী। কত আঘাত, কত হতাশা, আবার কত আনন্দে একটা শিল্পী তৈরি হয়! আই টূ হ্যাভ গ্রোন আপ লাইক দ্যাট।’ বলতে বলতে শেখরণ্‌ ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল।

    কে চেয়েছিল, কে চায় এই উপদেশ, সান্ত্বনা, এতো কথা! মিতুলের শরীরের ক্রোধটা যেন দাউ-দাউ করে জ্বলে তাকে পুড়িয়ে দিয়ে এবার আস্তে আস্তে নিভে যাচ্ছে। চোখের জলে নয়, শেখরণের কথায় তো নয়ই। কিসে এ আগুন নিবল তা সে জানে না। মিতুল হোটেলের মহার্ঘ শয্যার ওপর শুয়ে পড়ল সটান। সেই জর্জেট পরেই। তার শরীরে তিল্লানা নিভে গেছে, বাগেশ্রী বাজছে না। কিন্তু কিরকম একটা ঘুম আসছে, খুব গভীর ঘুম। যেন সুষুপ্তি। সে ঘুমে কোনও স্মৃতি নেই, স্বপ্ন নেই, এমনকি কারুর প্রতি কোনও নালিশ পর্যন্ত নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজন্মভূমি মাতৃভূমি – বাণী বসু
    Next Article উজান-যাত্রা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }